× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Week long operation in Dhaka North to control dengue
hear-news
player
google_news print-icon

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ঢাকা উত্তরে সপ্তাহব্যাপী অভিযান

ডেঙ্গু-নিয়ন্ত্রণে-ঢাকা-উত্তরে-সপ্তাহব্যাপী-অভিযান
রাজধানীর উত্তরার আজমপুরে শনিবার এডিস মশার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতামূলক প্রচারাভিযান চালান মেয়র আতিকুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
বাড়ি ও অফিসে জমে থাকা পানিতে এডিসের লার্ভা পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘আইন অনুযায়ী নিয়মিত মামলা হবে। কঠোর থেকে কঠোরতর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ডেঙ্গু রোগের বাহক এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে রোববার থেকে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি)। ১০টি অঞ্চলে ১০টি টিম এই অভিযান পরিচালনা করবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র আতিকুল ইসলাম।

শনিবার রাজধানী উত্তরায় ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন দক্ষিণখানে মধ্য আজমপুর এলাকায় এডিস মশার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতামূলক প্রচারাভিযানে তিনি এ কথা বলেন।

মেয়র আরও বলেন, এই বিশেষ অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হবে।

বাসাবাড়ি-অফিসে জমে থাকা পানিতে এডিসের লার্ভা পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘আইন অনুযায়ী নিয়মিত মামলা হবে। কঠোর থেকে কঠোরতর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপনার বাড়ি বা স্থাপনার ভেতরে, বাইরে, আশপাশে কোথাও পানি জমে থাকলে এক্ষুণি ফেলে দিন। ডেঙ্গু থেকে আপনি সুরক্ষিত থাকুন, আপনার পরিবার ও প্রতিবেশীকেও সুরক্ষিত রাখুন। বাড়িতে লার্ভার চাষ করে শাস্তি না পেয়ে বরং লার্ভার উৎস ধ্বংস করে পুরস্কৃত হোন।’

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ‘ধারণা করা হয়েছিল অন্যান্য সময়ের তুলনায় এ বছর ডেঙ্গু ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাই বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই আমরা বছরের শুরু থেকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সচেতন করাসহ নানা কর্মসূচি চালিয়ে আসছি। তবে অতীতের সঙ্গে পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে এ বছর ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা অনেকটা কম। আমাদের কার্যকর পদক্ষেপের কারণে এখন পর্যন্ত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছি। পার্শ্ববর্তী অনেক দেশের তুলনায়ও আমাদের দেশে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা অনেক কম। এখন ডেঙ্গু পুরোপুরিভাবে নিয়ন্ত্রণ করাই আমাদের লক্ষ্য।’

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণখানের মধ্য আজমপুর এলাকায় বেশ কয়েকটি বাড়িতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী রয়েছে। ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম সরেজমিন এলাকাটি পরিদর্শন করেন।

এই এলাকায় অনেকগুলো ভবনের নির্মাণকাজ চলছে। বেশ কয়েকটি নির্মাণাধীন ভবনে পানি জমে আছে। একটিতে এডিসের লার্ভা পাওয়া যাওয়ায় ডিএনসিসির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুলকারনাইন ভ্রাম্যমাণ ভবন মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন।

এ সময় নগরবাসীর উদ্দেশে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘শুধু সিটি করপোরেশনের পক্ষে পুরোপুরিভাবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে জনগণের সহযোগিতা অতি গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের আন্তরিক সহযোগিতায় গত ঈদে মাত্র ১২ ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করতে সক্ষম হয়েছি। জনগণের সহযোগিতা পেলে আমরা ডেঙ্গুও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারব।

‘নিজেদের বাসাবাড়িতে ফুলের টব, অব্যবহৃত টায়ার, ডাবের খোসা, চিপসের খোলা প্যাকেট, বিভিন্ন ধরনের খোলা পাত্র, ছাদ কিংবা অন্য কোথাও যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।’

আজমপুর এলাকায় প্রচারাভিযান শেষে ডিএনসিসি মেয়র নিকুঞ্জ-১ এলাকায় প্রচারাভিযানে অংশ নেন। তিনি আজমপুর ও নিকুঞ্জ এলাকায় বিভিন্ন রাস্তায় ঘুরে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন এবং নিজে মাইকিং করে সচেতন করেন।

নিকুঞ্জ এলাকায় অভিযানকালে দুটি বাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়া যায়। বাড়ি দুটির মালিক বিদেশে অবস্থান করায় খিলক্ষেত থানায় দুটি নিয়মিত মামলা দায়ের হয়।

আরও পড়ুন:
ড্রোনে সোয়া লাখ বাড়ির ছাদে এডিসের উৎস খুঁজেছে ডিএনসিসি
এডিস মশার বিস্তার নিয়ন্ত্রণে: মেয়র তাপস
ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেক বাড়তে পারে: আতিকুল
চলতি বছর ডেঙ্গুতে প্রথম মৃত্যু, হাসপাতালে ২৭ জন
ডেঙ্গু সামলাতে আমরা প্রস্তুত: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
637 dengue patients admitted in one day

এক দিনে ৬৩৭ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি

এক দিনে ৬৩৭ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি ডেঙ্গু আক্রান্ত সন্তানকে নিয়ে হাসপাতালে এক মা। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ৪১৭ জন এবং ঢাকার বাইরে ২২০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬৩৭ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। যা চলতি বছরে সর্বোচ্চ।

এই সময়ে ডেঙ্গুতে কারও মৃত্যু হয়নি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ৪১৭ জন এবং ঢাকার বাইরে ২২০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে সারা দেশে ২ হাজার ৩৩৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৭৭১ জন এবং ঢাকার বাইরে ৫৬২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় শূন্য মৃত্যু নিয়ে এ বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৩ জনের।

এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৯ হাজার ২৮৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪ হাজার ৫৪৬ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৪ হাজার ৭৩৭ জন।

একই সময়ে সারা দেশে ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৮৮৭ জন। এর মধ্যে ঢাকায় বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১২ হাজার ৭৪৪ জন এবং ঢাকার বাইরে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ৪ হাজার ১৪৩ জন।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুতে ১ মৃত্যু, বাড়ছে হাসপাতালে ভর্তি
ডেঙ্গুতে ১ মৃত্যু, ভর্তি ৪৬০
ডেঙ্গুর প্রকোপ ‘অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত’
হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির রেকর্ড
ডেঙ্গুতে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৩৭

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Syphilis outbreak in Europe hits sex workers head on

ইউরোপে সিফিলিসের প্রকোপ, যৌনকর্মীদের মাথায় হাত

ইউরোপে সিফিলিসের প্রকোপ, যৌনকর্মীদের মাথায় হাত সিফিলিস আতঙ্কে কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন যুক্তরাজ্যের যৌনকর্মীরা। ছবি: সংগৃহীত
সিফিলিস মূলত পেলিডাম দ্বারা সৃষ্ট একটি যৌনবাহিত রোগ। সংক্রমণের প্রাথমিক পথ যৌন সংস্পর্শ; এ ছাড়া রক্ত পরিসঞ্চালন, চুম্বন, চামড়ায় আঘাত এবং গর্ভাবস্থায় বা জন্মের সময় মায়ের কাছ থেকে ভ্রূণে সংক্রমিত হতে পারে।

ইউরোপে ব্যাপক মাত্রায় ছড়িয়েছে যৌনবাহিত রোগ- সিফিলিস। সংক্রমণ থেকে বাঁচতে কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন যুক্তরাজ্যের যৌনকর্মীরা। এই অবস্থায় দেশটিতে হুমকিতে পড়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে পুরোনো পেশাটি।

সিফিলিস মূলত পেলিডাম দ্বারা সৃষ্ট একটি যৌনবাহিত রোগ। সংক্রমণের প্রাথমিক পথ যৌন সংস্পর্শ; এ ছাড়া রক্ত পরিসঞ্চালন, চুম্বন, চামড়ায় আঘাত এবং গর্ভাবস্থায় বা জন্মের সময় মায়ের কাছ থেকে ভ্রূণে সংক্রমিত হতে পারে।

যৌনকর্মী থেকে যৌন শিক্ষাবিদ বনে যাওয়া লিয়ান ইয়ং বলেন, ‘যদিও এটা ভয়ঙ্কর, তবে এই দুর্যোগে যুক্তরাজ্যের যৌনকর্মীদের এক হওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাদের এখন পেশাদার আরচণ করা উচিত। সেক্স ইন্ড্রাস্টির নিরাপত্তার বিষয়গুলো নিয়ে আওয়াজ তুলতে হবে।’

ইয়াং আটজন যৌনকর্মীর সঙ্গে কথা বলেছেন এই রোগ নিয়ে, যারা সিফিলিস আতঙ্কে কাজ ছেড়ে দিয়েছেন।

ইয়াং বলেন, ‘তারা রোজগার হারাচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে সবাইকে একত্রিত হতে হবে। এতেই মিলবে সমাধান।

‘কয়েক বছর ধরেই একটি ইউনিয়ন চাইছে এ পেশায় জড়িতরা। যুক্তরাজ্যে এ ধরনের একটি ইউনিয়ন গড়ে তুলতে ইউএস ইউনিয়ন দ্য অ্যাডাল্ট পারফরম্যান্স আর্টিস্ট গিল্ডের প্রেসিডেন্ট অ্যালানা ইভান্সের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছি।’

ঢালাও স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে পেশাদার যৌনকর্মীদের সুরক্ষা দেয়া সবচেয়ে সহজ সমাধান। আমেরিকা ও ইউরোপের যৌনকর্মীদের ৭ বা ১৪ দিন পরপর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। তবে যুক্তরাজ্যে ২৮ দিন পর পর এই পরীক্ষা হয়।

ইউরোপের দেশটিতে সিফিলিস দ্রুত ছড়িতে পড়তে পারে বলে উদ্বেগে আছেন লিয়ান ইয়ং। তিনি বলেন, ‘যৌনকর্মীরাও মানুষ। তাদের উচিত, পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ড এবং পুলিশের সঙ্গে শক্ত যোগাযোগ স্থাপন করা। আর এ জন্য প্রয়োজন একটি ইউনিয়ন।’

যুক্তরাষ্ট্রের যৌনকর্মীর স্বাস্থ্যের তথ্য সংগ্রহে রাখে পাস নামে একটি সংস্থা। এটি জানায়, ইউরোপে সিফিলিসে আক্রান্ত কয়েকজন যৌনকর্মীর তথ্য পেয়েছে তারা। সেক্স ইন্ড্রাস্টির খবর ছাপানো প্রকাশনা সংস্থা Xbiz-এ গত সপ্তাহে একটি সতর্কতাও দেয়া হয়েছিল

ইউরোপে এসটিডি পরীক্ষার মান অতোটা ভালো না। অন্যদিকে পাস আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপে কাজ করে না। এ জন্য তাদের কাছে যৌনরোগে আক্রান্তদের সঠিক হিসাব রাখা সম্ভব হয় না।

ইউনিয়ন গড়ে অবশ্য এসটিডি প্রাদুর্ভাব ঠেকানোর নিশ্চয়তা নেই। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (সিএসডি) সেপ্টেম্বরে জানায়, গত বছরের চেয়ে ২৬ শতাংশ বেড়েছে তাদের দেশে সিফিলিসে আক্রান্ত।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The information minister is infected with corona again

ফের করোনা আক্রান্ত তথ্যমন্ত্রী

ফের করোনা আক্রান্ত তথ্যমন্ত্রী তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি
হাছান মাহমুদ এর আগে আরও দুবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তৃতীয় দফা করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে রয়েছেন তিনি।

আবারও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। মঙ্গলবার তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘রোববার পঞ্চগড়ে নৌকাডুবিতে স্বজনহারা মানুষদের মাঝে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ত্রাণ ও অর্থ সহায়তা বিতরণ শেষে ঢাকায় ফিরে পরদিন সোমবার যথারীতি দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনকালে অসুস্থ অনুভব করেন তথ্যমন্ত্রী।

‘বিকেলে সচিবালয় ক্লিনিকের চিকিৎসকরা দেখেন তার শরীরে বেশ জ্বর। তাদের পরামর্শে আইইডিসিআরের (ইনস্টিটিউট অফ এপিডেমিওলজি, ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চ) মাধ্যমে তার নমুনা পরীক্ষা করানো হয়। মঙ্গলবার রিপোর্টে দেখা যায় তিনি কোভিড পজিটিভ।’

হাছান মাহমুদ এর আগে আরও দুবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তৃতীয় দফা করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে রয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন:
করোনায় ১ মৃত্যু, শনাক্ত ৬৫৭
করোনায় শনাক্ত ৬৯৬,মৃত্যু ২
ফের পেট্রলবোমা ছুড়লে জনগণকে নিয়ে প্রতিরোধ: তথ্যমন্ত্রী
শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশে বাধা সমীচীন নয়: তথ্যমন্ত্রী
‘মির্জা ফখরুল প্রমাণ করেছেন, বিএনপি পাকিস্তানের এজেন্ট’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Vaccination campaign is three more days

ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন আরও তিন দিন

ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন আরও তিন দিন করোনার টিকা গ্রহণের জন্য একটি কেন্দ্রের সামনে মানুষের দীর্ঘ সারি। ফাইল ছবি
শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে শুরু হওয়া বিশেষ ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন কার্যক্রম সোমবার শেষ হওয়ার কথা ছিল। এই সময়সীমা বাড়িয়ে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়েছে।

নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমে উন্নত অনেক দেশ থেকেও এগিয়ে বাংলাদেশ। সরকারি উদ্যোগে বিনামূল্যে করোনার টিকাদান কার্যক্রম এখনও চলছে দেশজুড়ে। তারপরও অনেকে ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমের বাইরে রয়ে গেছে।

টিকার বাইরে থেকে যাওয়া জনগোষ্ঠীকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনতে এবার দেশে শুরু হয়েছে ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এই বিশেষ ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইনের সময়সীমা আরও তিনদিন বাড়ানো হয়েছে।

আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই ক্যাম্পেইন কার্যক্রম সোমবার (৩ অক্টোবর) শেষ হওয়ার কথা ছিল। এই সময়সীমা বাড়িয়ে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক আহমেদুল কবির সোমবার বেলা ২টায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনেশন প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। তবে এর মাধ্যমে সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করতে হবে। ভ্যাকসিনেশন প্রক্রিয়া চালু করা আমাদের অস্তিত্বের প্রশ্ন।

‘দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষকে ইতোমধ্যে ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনা হয়েছে। টিকা নেয়ার কারণে করোনায় আক্রান্ত হলেও হাসপাতালে ভর্তি কম হচ্ছে। মৃত্যু হারও অনেক কম।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা কর্মসূচির পরিচালক ডা. শামসুল বলেন, ‘২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ কোটি মানুষকে করোনার ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছে ৯৮ শতাংশ মানুষ। আর দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছে ৯৩ শতাংশ।

‘বুস্টার ডোজ প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখে আমরা শতভাগ মানুষকেই টিকার আওতায় আনব। এজন্য আমাদের জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। সাধারণ মানুষে টিকা দেয়ার গুরুত্ব বোঝাতে হবে।’

আরও পড়ুন:
করোনায় ১ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত
করোনায় ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ছাড়াল ৭০০
করোনায় মৃত্যু ২, শনাক্ত ৫৭২
করোনায় ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৫০
করোনায় শনাক্তের হার ছাড়াল ১৫ শতাংশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Doctors who screen dead babies after cesarean are reluctant to provide information

সিজারের পর মৃত সন্তান, পর্দা করা চিকিৎসক তথ্য দিতে নারাজ

সিজারের পর মৃত সন্তান, পর্দা করা চিকিৎসক তথ্য দিতে নারাজ
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চিকিৎসক উম্মে কাসমিরা জাহানের ভিজিটিং কার্ডে থাকা নম্বরে কল দিলে তার স্বামী ডা. রেজাউল করিম রিসিভ করেন। তিনি জানান, কাসমিরা পর্দা করেন। তাই তিনি কোনো পুরুষের সঙ্গে কথা বলবেন না।

হবিগঞ্জ শহরের একটি হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যুর কারণ ও প্রসূতির চিকিৎসার বিষয়ে কোনো তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন শিশুর বাবা।

তিনি জানান, পর্দা করেন বলে চিকিৎসক তার সঙ্গে কথা বলতে চাননি। নিউজবাংলার প্রতিবেদকের সঙ্গেও পর্দা করেন বলে কথা বলেননি চিকিৎসক উম্মে কাসমিরা জাহান।

তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিশুটি গর্ভে থাকা অবস্থাতেই মারা গেছে।

এ ঘটনা ঘটেছে জেলা শহরের দ্যা জাপান বাংলাদেশ হাসপাতালে।

প্রসূতি ফেরদৌস বেগমকে রোববার গভীর রাতে এই হাসপাতালে ভর্তি করেন তার স্বামী বানিয়াচং ৩ নম্বর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিব।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রসবব্যথা ওঠায় রোববার রাত ৩টার দিকে আমার স্ত্রীকে নিয়ে হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে যাই। সেখানে ডাক্তার জানায় তার জরুরিভাবে সিজার করতে হবে। সে জন্য তাকে আবার রাতেই জাপান বাংলাদেশ হাসপাতালে আনি।

‘সিজারের আগে আল্ট্রাসোনোগ্রাম করার কথা থাকলেও ওই হাসপাতালে তা করেনি। এমনকি আমার স্ত্রীর বিষয়ে সিজার করা ডাক্তার উম্মে কাসমিরা জাহানের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায় তিনি পর্দা করেন, তাই কোনো পুরুষের সঙ্গে কথা বলেন না। এর আধা ঘণ্টা পর এসে একজন নার্স আমাকে আমার স্ত্রীর কাছে নিয়ে যান। আমার মৃত সন্তানকে দেখান। সন্তানের মাথা কিছুটা কাটাও ছিল।’

হাবিবের অভিযোগ, এতকিছুর পরও চিকিৎসকের সঙ্গে তিনি কথা বলতে পারছেন না।

তিনি বলেন, ‘আমার স্ত্রীর অবস্থা কেমন বা তারা এখানে চিকিৎসা করতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে আমাদেরকে কিছুই বলেনি। উল্টো কয়েকবার একটি সাদা কাগজে আমার স্বাক্ষর নিতে চেয়েছে।

‘আমার সন্তান তো গেলই, আমার সুস্থ-সবল স্ত্রীকে কাটা-ছেঁড়া করেছে। আমার সন্দেহ আছে ডাক্তার উম্মে কাসমিরা সিজার করছেন নাকি নার্সরা করেছে। এ ব্যাপারে ডা. কাসমিরার সঙ্গে কথাও বলতে দিচ্ছে না।’

হাবিব জানান, সোমবার দুপুর পর্যন্ত চেষ্টা করেও তিনি ডা. কাসমিয়ার সঙ্গে কথা বলতে পারেননি।

এ ব্যাপারে জানতে চিকিৎসক উম্মে কাসমিরা জাহানের ভিজিটিং কার্ডে থাকা নম্বরে কল দিলে তার স্বামী ডা. রেজাউল করিম রিসিভ করেন। তিনি জানান, কাসমিরা পর্দা করেন। তাই তিনি কোনো পুরুষের সঙ্গে কথা বলবেন না।

তাহলে রোগীর বিষয়ে তথ্য স্বজনরা কীভাবে জানবে? জবাবে রেজাউল বলেন, ‘রোগীর আপডেট থাকলে সে (ডা. কাসমিয়া) রোগীর সঙ্গে থাকা নারীকে দেয়। নারী না থাকলে নার্সকে দিয়ে দেয়।’

হাসপাতালের চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, ‘রোগীকে নিয়ে আসার অন্তত দুইদিন আগেই শিশুটি মারা গিয়েছিল। আমাদের এখানে কোনো ভুল চিকিৎসা হয়নি।

‘শিশুটি দুইদিন আগে মারা যাওয়ায় তার শরীর অনেক নরম হয়ে গেছিল। যে কারণে সিজারের সময় মাথায় একটু ফেটে যায়।’

চিকিৎসক কেন রোগীর বিষয়ে তথ্য তার স্বামীকে জানাচ্ছেন না, জানতে চাইলে চেয়ারম্যান বলেন, ‘তিনি (চিকিৎসক) পর্দা করেন। তাই কোনো পুরুষের সঙ্গে কথা বলেন না। এতে আমাদের কী করার আছে? আমরা তো আর উনার পর্দার বিষয়ে কথা বলতে পারি না।’

জেলা সিভিল সার্জন মো. নূরুল হক বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। লিখিত কোনো অভিযোগ পেলে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।’

আরও পড়ুন:
মসজিদে জুতার বাক্স থেকে ভেসে এলো নবজাতকের কান্না
রোগীর পেটে কাঁচি ফেলে আসায় চিকিৎসক জেলে
নারী চিকিৎসক হত্যা: রেজাউলের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পিছিয়েছে
অপারেশন থিয়েটারের ভেতরেই ২ চিকিৎসকের মারামারি
অস্ত্রোপচারের পর রোগীর মৃত্যু, হাসপাতাল বন্ধ কর্তৃপক্ষের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
And when will the 250 bed hospital in Barguna be launched?

আর কবে চালু হবে বরগুনায় ২৫০ শয্যার হাসপাতাল

আর কবে চালু হবে বরগুনায় ২৫০ শয্যার হাসপাতাল বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল। ছবি: নিউজবাংলা
২০১০ সালে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালটিকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৮ সালে নতুন ভবন উদ্বোধনও করেন তিনি। এরপর গেছে আরও চার বছর। কিন্তু জনবল নিয়োগ দেয়া হয়নি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের টানাটানিতে।

প্রধানমন্ত্রী হাসপাতাল ভবন উদ্বোধন করে এসেছেন প্রায় সাড়ে চার বছর হয়ে গেল। কিন্তু রোগীদের লাভ হলো না কোনো। জনবল নিয়োগ কে দেবে- এ নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের মধ্যে চলছে বিরোধ। আর এতে আটকে গেছে গোটা প্রক্রিয়া। ফলে নতুন ভবনে ভালো চিকিৎসা হবে- এই আশায় দিন কাটাতে হচ্ছে রোগীদের।

বরগুনার আড়াই শ শয্যার বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের চিত্র এটি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালে ১০০ শয্যার হাসপাতালটিকে আড়াই শ শয্যা করার ঘোষণা দেয়ার এক যুগ পরও সেটির বাস্তবায়ন হয়নি।

আসলে ১০০ শয্যার হাসপাতালে যে চিকিৎসা পাওয়ার কথা, বরগুনাবাসী পাচ্ছে না সেটিও। যে চিকিৎসক থাকার কথা, আছে তার এক-চতুর্থাংশ। ফলে বোঝাই যায় কতটা ভঙ্গুর ১২ লাখ মানুষের এই জেলায় সরকারি চিকিৎসাসেবা।

বরগুনায় নাগরিক অধিকার নিয়ে সোচ্চার একটি সংগঠনের নেতা বলছেন, সরকারপ্রধানের ঘোষণা, তার ভবন উদ্বোধনের পরও স্বাস্থ্য বিভাগের এসব অগ্রহণযোগ্য কর্মকাণ্ডে বদনাম হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা এক যুগ আগের

১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ৫০ শয্যার চিকিৎসালয়টি আওয়ামী লীগের শাসনামলে ১৯৯৭ সালে ১০০ শয্যা করা হয়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় ফেরার পরের বছর হাসপাতালটিকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০১৩ সালে বরগুনা গণপূর্ত বিভাগ ৩১ কোটি ৩১ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৭ টাকা ব্যয়ে সাততলা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করে। ২০১৮ সালে নতুন ভবন উদ্বোধনও করেন সরকারপ্রধান। কিন্তু সেবা আর শুরু হয়নি।

এর তিন বছর পর ২০২১ সালের জুন মাসে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত অধিদপ্তর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে ভবনটি হস্তান্তর করেন। সোয়া এক বছর পরও সেভাবেই পড়ে আছে সেটি।

বরগুনার সিভিল সার্জন ফজলুল হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জনবল নিয়োগ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ না করায় আমরা নতুন ভবনে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করতে পারছি না।’

কত জনবল থাকার কথা, আছে কত

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী, আড়াই শ শয্যার হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, চিকিৎসক, নার্স, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট, প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ২৫১ জনের কাজ করার কথা। কিন্তু নেই ১০০ শয্যার প্রয়োজনীয় লোকবলই।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক সোহরাব উদ্দীনের তথ্য মতে, ১০০ শয্যার হাসপাতালের জনবল কাঠামো অনুযায়ী ৪৩ জন চিকিৎসক থাকার কথা। কিন্তু আছেন ১১ জন। এদের মধ্যে তিনি একজন। বাকিদের মধ্যে একজন আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও), চারজন চিকিৎসক, সার্জারি ও অ্যানেসথেসিয়া, গাইনি ও অর্থোপেডিকস বিভাগ আছেন একজন করে জুনিয়র কনসালট্যান্ট এবং একজন হোমিও চিকিৎসক।

তিনি বলেন, ‘আমরা জেলার ১২ লাখ মানুষের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম এক প্রকার চালিয়ে নিচ্ছি। লোকবল নিয়োগ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বরাদ্দ না হওয়ায় আমরা নতুন ভবনে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করতে পারছি না।’

বরগুনায় চিকিৎসাসেবা নিয়ে সোচ্চার সংগঠন জেলা পাবলিক পলিসি ফোরামের আহ্বায়ক হাসানুর রহমান ঝন্টু নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এক শ শয্যার হাসপাতালের তিন-চতুর্থাংশ জনবল নেই। এটা নিয়েও আমরা আন্দোলন করেছি। স্বাস্থ্য বিভাগের তদারকির অভাব ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে ৩০ মাসের কাজ ৯ বছর শেষ করে আড়াই শ শয্যার হাসপাতালের ভবন নির্মাণ হয়েছে।

‘২০১৮ সালে ভবন উদ্বোধনের পরও চার বছর শেষ। কিন্তু চিকিৎসাসেবা শুরু হয়নি। স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক সেবা খাতে যদি এমন অবস্থা থাকে তবে আমরা দুর্ভাগা ছাড়া কিছুই নই। এই জটিলতা নিরসন করে দ্রুত হাসপাতালটি চালু করা এখন আমাদের দাবি।’

কোথায় সংকট

নতুন হাসপাতালটি চালু না হওয়ার পেছনে জনবল নিয়োগ নিয়ে যে জটিলতার কথা বলা হচ্ছে, সেটি কেন হচ্ছে- প্রশ্ন ছিল বরগুনার সিভিল সার্জন ফজলুল হকের কাছে।

তিনি বলেন, ‘নিয়োগ নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে জটিলতা চলছে। দুই সংস্থাই নিয়োগ দিতে চায়। এ কারণে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। তাই হাসপাতালটি আমরা চালু করতে পারছি না।’

যোগাযোগ করা হলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) শামিউল ইসলাম সাদির মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন করে আসা চিকিৎসালয়ে চার বছরেও সেবা চালু না হওয়ার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের বক্তব্য জানতে মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম প্রধানের সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন, ‘মন্ত্রী মহোদয় কক্সবাজারে গিয়েছেন। তিনি না আসা পর্যন্ত কথা বলা যাচ্ছে না।’

আরও পড়ুন:
প্রসূতির অস্ত্রোপচারে এক যুগ পর সেবা চালু হলো যে হাসপাতালে
সব চিকিৎসাসেবা নিয়ে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল চালু
‘অপরিণত হওয়ায়’ সেই যমজ নবজাতকের মৃত্যু
সদর হাসপাতালে অনিয়ম পেয়েছে দুদক
অনিয়মে কুমিল্লায় বন্ধ ৪ হাসপাতাল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Another 568 dengue patients died in hospital 2

আরও ৫৬৮ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে, মৃত্যু ২

আরও ৫৬৮ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে, মৃত্যু ২ হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত সন্তানের সেবায় মা ও পরিবারের সদস্যরা। ফাইল ছবি
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৬০ ও ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ২০৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৫৬৮ জন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। মারা গেছেন দুজন। এ নিয়ে চলতি মৌসুমে ডেঙ্গু আক্রান্ত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮ জন।

রোববার সকাল পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টার হিসাব দিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

আগের দিন শনিবার ডেঙ্গু আক্রান্ত ৬৩৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হন, যা এ বছরে সর্বোচ্চ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে রোববার জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৬০ জন রোগী ভর্তি হন। বাকি ২০৮ জন ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে সারা দেশে ২ হাজার ২২১০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৬৬০ জন ও ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ৫৫০ জন চিকিৎসাধীন।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৭ হাজার ২৯৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৩ হাজার ১৫৯ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৪ হাজার ১৩৬ জন।

একই সময়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ১৫ হাজার ২৭ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১ হাজার ৪৭২ জন এবং ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলো থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩ হাজার ৫৫৫ জন।

আরও পড়ুন:
হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির রেকর্ড
ডেঙ্গুতে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৩৭
ডেঙ্গুতে ১ মৃত্যু, কমেছে হাসপাতালে ভর্তি
ডেঙ্গু তো আমরাই লালন-পালন করছি: স্বাস্থ্যসচিব
হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির রেকর্ড

মন্তব্য

p
উপরে