× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
New BNP led by Oli votes excluding Khaleda
hear-news
player
google_news print-icon

‘অলির নেতৃত্বে নতুন বিএনপি, খালেদাকে বাদ দিয়ে ভোট’

অলির-নেতৃত্বে-নতুন-বিএনপি-খালেদাকে-বাদ-দিয়ে-ভোট
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান এই দাবি করেন। ছবি: নিউজবাংলা
জবাবে অলি আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এই ধরনের বক্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক। এক সপ্তাহ আগেও আমি এই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছি। কেন ‍উনি এ কথা বলছেন জানি না। একজন লোক মস্তিষ্ক বিকৃত হলেই কেবল এ কথা বলতে পারেন।’

২০ দলীয় জোটের শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটির পার্টি-এলডিপির সভাপতি অলি আহমেদের নেতৃত্বে ‘নতুন বিএনপি’ আসছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান। সঙ্গে বিকল্প ধারার চেয়ারম্যান এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীও থাকছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে শহীদ মঞ্জুর স্টেডিয়ামে ছাত্রলীগের উপজেলা শাখার দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

তিনি এও জানান, বিএনপি ভোট বর্জনের কথা বললেও দলটির একটি অংশ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তারা খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে ছাড়াই ভোটে আসবে।

আব্দুর রহমান বলেন, ‘একটা খবর হলো, ইতিমধ্যে বিএনপির দুইটি উইকেট পড়ে গেছে। তারা হলেন, সাবেক বিএনপি নেতা বদরু্দ্দোজ্জা চৌধুরী ও অলি আহমেদ। এবার অলি আহমেদের নেতৃত্বে নতুন বিএনপি হচ্ছে। আর জামায়াত বিএনপিকে তালাক দিয়ে দিয়েছে। জামায়াত তাদের সঙ্গে আর কোনো আন্দোলনে থাকছে না।’

বদরুদ্দোজা চৌধুরী ছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন মহাসচিব। আর অলি আহমেদ শুরু থেকেই ছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে। তবে ২০০১ সালে বিএনপি সরকারে আসার পর দুই নেতা দল থেকে বেরিয়ে যান।

বি চৌধুরীকে ওই মেয়াদে বিএনপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করেছিল বিএনপি। অলি আহমেদ ১৯৯১ সালে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেও পরের মেয়াদে অবশ্য মন্ত্রিত্ব পাননি।

তবে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা না জানানোয় বি চৌধুরীকে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে যেতে বাধ্য করে বিএনপি। আর ক্ষুব্ধ হয়ে জনাব চৌধুরী গঠন করেন বিকল্প ধারা।

আর অলি ক্রমাগতভাবে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়ে দল থেকে বহিষ্কৃত হন। তখন তিনি ও বি চৌধুরী গঠন করেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি বা এলডিপি। শুরুতে দলটি আলোড়নও তোলে। বিএনপির বহু নেতা এবং ২০০১ সালে নির্বাচিত ২০ জনের বেশি সংসদ সদস্যও তাতে যোগ দেন।

তবে দুই নেতার বন্ধন অটুট থাকেনি। শুরু থেকেই তারা দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়লে বি চৌধুরী বিকল্প ধারা নিয়ে আলাদা হয়ে যান। আর অলি এলডিপি নিয়ে আলাদা নির্বাচন করেন।

২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে অলি আবার ২০ দলীয় জোটে যোগ দেন। গত জাতীয় নির্বাচনের আগে বিকল্প ধারা বিএনপির নতুন জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিতে আলোচনা করে। তবে শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোটে যোগ দেয়।

অলির সঙ্গে ২০ দলের সম্পর্ক আবার ভালো যাচ্ছে না বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসেছে। করোনার আগে আগে জোটের কয়েকজন নেতাকে নিয়ে তিনি গোপনে বৈঠকও করেন। তবে এর আর কোনো অগ্রগতির খবর আসেনি।

অলি কি সত্যিই ‘আলাদা বিএনপি’ করতে যাচ্ছেন?- এই প্রশ্নের জবাবে অলি আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এই ধরনের বক্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক। এক সপ্তাহ আগেও আমি এই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছি। কেন ‍উনি এ কথা বলছেন জানি না। একজন লোক মস্তিষ্ক বিকৃত হলেই কেবল এ কথা বলতে পারেন।’

তিনি বলেন, ‘এলডিপি প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে এবং এখন ২০ দলীয় জোটের সঙ্গে আছে। তার এই বক্তব্যের কারণে রাজনীতিবিদদের সম্পর্কে মানুষের ধারণা নষ্ট হচ্ছে।’

খালেদা-তারেককে বাদ দিয়ে ভোটে আসবে বিএনপি

বিএনপির একাংশ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভোটে আসার চেষ্টা করছে বলে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় যে বক্তব্য রেখেছেন, একই সুরে কথা বলেছেন আওয়ামী লীগের আব্দুর রহমানও।

তিনি বলেন, ‘আগামী নির্বাচন নিয়ে বিএনপির অধিকাংশ নেতারা গোপনে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে বাদ দিয়ে নির্বাচনে আসবে। তারা নির্বাচনে আসলে শেখ হাসিনার সরকার তাদের সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন উপহার দেবে।’

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া এতিমের অর্থ আত্মসাতের দায়ে দণ্ডিত। তার ছেলে তারেক মানি লন্ডারিং ও ২১ আগস্টের বোমা হামলার মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। তাহলে বিএনপির নেতা কে?

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামকে আলমগীরকে উদ্দেশ করে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘মনে আছে গঙ্গার পানি চুক্তির জন্য জাতিসংঘে খালেদা জিয়া বলেছিলেন। আবার ভারত গিয়ে সেখান থেকে ফেরত এসে আসলেন আর সাংবাদিকদের জবাবে উত্তর দিলেন, পানির কথা তুলতে তিনি ভুলে গেছেন। এই হলো তাদের নেত্রী।

‘শেখ হাসিনা বলেছেন আমরা বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে এসেছি। প্রভুত্বের হাত নয়। ভারত আমাদের বন্ধু এবং এই বন্ধুত্বের বন্ধন চির অটুট থাকবে।’

অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবুসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন। উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্র পাথরঘাটা
‘সাইনবোর্ডের দল নিয়ে বিএনপির আন্দোলনে জনগণ সাড়া দেবে না’
পুলিশের কথা মানলে সংঘাত হবে না: ডিএমপি কমিশনার
শাওন হত্যা: পুলিশের বিরুদ্ধে বিএনপির মামলা নিল না আদালত
শাওনের ইটের জবাবে পুলিশের রাইফেলের গুলি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
KR Islam was expelled from Jatiya Party

কে আর ইসলামকে জাতীয় পার্টি থেকে অব্যাহতি

কে আর ইসলামকে জাতীয় পার্টি থেকে অব্যাহতি জাপার কর্মী সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন ডা. কে আর ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের দলীয় গঠনতন্ত্র প্রদত্ত ক্ষমতাবলে কে আর ইসলামকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ-পদবি থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। এ আদেশ কার্যকর হয়েছে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ময়মনসিংহ জেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. কে আর ইসলামকে দলের সব পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

দলের দপ্তর সম্পাদক-২ এম এ রাজ্জাক খান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের দলীয় গঠনতন্ত্র প্রদত্ত ক্ষমতাবলে কে আর ইসলামকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ-পদবি থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। এ আদেশ কার্যকর হয়েছে।

জাতীয় পার্টির একটি সূত্র জানিয়েছে, কে আর ইসলাম বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের ডাকা কাউন্সিলে ময়মনসিংহ জেলার আহ্বায়ক হয়েছেন। এ কারণে তাকে দলের সব পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
রাঙ্গাদের ফেরাতে কাদেরকে চিঠি রওশনের
রওশনকে অপসারণ: এবার পাল্টা চিঠি পাঠাবেন রাঙ্গা
গণমানুষের আস্থা হারালে আ.লীগের সঙ্গে নয়: জি এম কাদের
বিএনপি-জাতীয় পার্টি জোট নিয়ে প্রশ্ন এড়ালেন চুন্নু
ইসির রোডম্যাপ মূল্যহীন: চুন্নু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Clash in Munshiganj 177 BNP bailed in two cases

মুন্সীগঞ্জে সংঘর্ষ: দুই মামলায় বিএনপির ১৭৭ জনের জামিন

মুন্সীগঞ্জে সংঘর্ষ: দুই মামলায় বিএনপির ১৭৭ জনের জামিন মুন্সীগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে বিএনপির নেতা-কর্মীরা। ফাইল ছবি
আইনজীবী কামাল হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুই মামলায় আজ ১৭৭ জনকে আগাম জামিন দিয়েছে আদালত। তাদের ছয় সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।’

মুন্সীগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় করা দুই মামলায় বিএনপির ১৭৭ নেতা-কর্মীকে আগাম জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার তাদের জামিন দেয়।

আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে নেতা-কর্মীদের বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ফজলুর রহমান। তার সঙ্গে ছিলেন কামাল হোসেন।

আইনজীবী কামাল হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুই মামলায় আজ ১৭৭ জনকে আগাম জামিন দিয়েছে আদালত। তাদের ছয় সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।’

মুন্সীগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় হওয়া মামলায় বিএনপির তিন শতাধিক নেতা-কর্মীর আগাম জামিন চেয়ে ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।

মুক্তারপুরে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষ

গত ২১ সেপ্টেম্বর জ্বালানি তেলসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং ভোলা ও নারায়ণগঞ্জে বিএনপির তিন নেতা-কর্মী নিহতের প্রতিবাদে মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুরে বিক্ষোভ কর্মসূচি করে বিএনপি। ওই দিন বিকেল ৩টার দিকে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ দিতে বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা নেতা-কর্মীরা মুক্তারপুর মোড়ে জড়ো হতে থাকেন। পুলিশ বাধা দিলে তারা মুক্তারপুর থেকে ট্রাকে পুরোনো ফেরিঘাট এলাকায় যান।

সেখানে বিভিন্ন এলাকা থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা আসতে শুরু করেন। ওই সময় সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিনহাজুল ইসলাম একটি মিছিলের ব্যানার ধরে টান দিলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

ওই সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। তাদের মধ্যে শহিদুল ইসলাম সাওন নামে যুবদলকর্মী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

সংঘর্ষের ঘটনায় গত ২২ সেপ্টেম্বর মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় দলটির নেতা-কর্মীদের নামে দুটি মামলা হয়।

মামলা দুটিতে এক হাজার ৩৬৫ জনকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে বিএনপির নেতা-কর্মী ও অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি আছেন। দুটি মামলায় ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সংঘর্ষের ঘটনায় মুন্সীগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক মাইনউদ্দিন বাদী হয়ে সরকারি অস্ত্র, গুলি লুট ও মোটরসাইকেল পোড়ানোর অভিযোগে ৩১৩ জনের নামে এবং ৭০০ থেকে ৮০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন।

ওই মামলায় প্রধান আসামি করা হয় জেলা বিএনপির সদস্যসচিব কামরুজ্জামান রতনকে।

আরও পড়ুন:
এবার রাজপথে বিএনপির টানা দুই মাসের কর্মসূচি
বিএনপির টুকুর বক্তব্যে ক্ষেপেছে জামায়াত
বন্দুকের নল যে কোনো সময় ঘুরে যাবে: আব্বাস
জামায়াতের জোট ছাড়ার গুঞ্জন স্বীকার বিএনপি নেতার
ফের পেট্রলবোমা ছুড়লে জনগণকে নিয়ে প্রতিরোধ: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
GM Quader at the EU Ambassadors Breakfast Meeting

ইইউ রাষ্ট্রদূতের ব্রেকফাস্ট মিটিংয়ে জি এম কাদের

ইইউ রাষ্ট্রদূতের ব্রেকফাস্ট মিটিংয়ে জি এম কাদের ইইউ রাষ্ট্রদূতের ব্রেকফাস্ট মিটিংয়ে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জি এম কাদের। ছবি: সংগৃহীত
ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলির সঙ্গে সকালে মিটিং করেছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলির সঙ্গে ব্রেকফাস্ট মিটিং করেছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের।

রোববার সকালে ইইউ রাষ্ট্রদূতের গুলশানের বাসভবনে এই মিটিং হয়।

সভায় ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, ইতালি, স্পেন, ডেনমার্ক, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে ও ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের সঙ্গে ছিলেন পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু এবং জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বিশেষ দূত ও উপদেষ্টা মাসরুর মওলা।

আরও পড়ুন:
মোমেনের বক্তব্যের দায় সরকার এড়াতে পারে না: জি এম কাদের
অব্যবস্থাপনায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবে বাংলাদেশ : জি এম কাদের
জি এম কাদেরের গাড়িতে বাসের ধাক্কা
‘উন্নয়নের নৌকা এখন শ্রীলঙ্কার পথে’
‘লাভের টাকা কোথায় গেল’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
All the achievements of the country are for Awami League Palak

দেশের যা কিছু অর্জন, সবই আওয়ামী লীগের জন্য: পলক

দেশের যা কিছু অর্জন, সবই আওয়ামী লীগের জন্য: পলক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: নিউজবাংলা
পলক বলেন, ‘পদ-পদবি ক্ষণস্থায়ী। কিন্তু আওয়ামী লীগ নামের এই সংগঠন হচ্ছে স্থায়ী ঠিকানা। তাই যদি নিজেদের পদ ও স্বার্থের জন্য সংগঠনকে ভুলে যাই, তাহলে পদও থাকবে না, আর সংগঠনও থাকবে না।’

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক বলেছেন, আজকে এই বাংলাদেশের যা কিছু অর্জন, যা কিছু সাফল্য, তার সব কিছুই দিয়েছে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ।

তিনি বলেন, ‘পদ-পদবি ক্ষণস্থায়ী। কিন্তু আওয়ামী লীগ নামের এই সংগঠন হচ্ছে স্থায়ী ঠিকানা। তাই যদি নিজেদের পদ ও স্বার্থের জন্য সংগঠনকে ভুলে যাই, তাহলে পদও থাকবে না, আর সংগঠনও থাকবে না।’

তাই সংগঠনকে শক্তিশালী করতে জনগণের উন্নয়নে কাজ করতে হবে। সেই ধারা অব্যাহত রাখতেই যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত করতে হবে বলে জানান তিনি।

শনিবার বিকেলে সিংড়া উপজেলা কোর্ট মাঠে সিংড়া পৌর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

সিংড়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সিংড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফিকের সভাপতিত্বে সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে নেতারা বক্তব্য দেন।

এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সিংড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট শেখ ওহিদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ও সিংড়া পৌরসভার মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস।

২০১৩ সালে সিংড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দীর্ঘ ৯ বছর পর শনিবার আবার এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সিংড়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ডালিম আহমেদ ডন ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেনের নাম ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন:
প্রতারণার মামলায় আ.লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী কারাগারে
পাকিস্তান নিয়ে বক্তব্য: ফখরুলকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান হানিফের
‘গণমাধ্যমে বিএনপিকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে’
পল্লবীতে সংঘর্ষ: বিএনপির আরও ৯ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
পল্লবীতে সংঘর্ষ: ২০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If the BNP comes to stop the election it will be prevented Who?

নির্বাচন রুখতে এলে প্রতিরোধ: কাদের

নির্বাচন রুখতে এলে প্রতিরোধ: কাদের রাজধানীর হাজারীবাগে শনিবার প্রতিবাদ-বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কেউ নির্বাচনে আসুক বা না আসুক সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে যথাসময়েই নির্বাচন হবে। নির্বাচনে আসা না আসা বিএনপির একান্ত নিজস্ব ব্যাপার। আওয়ামী লীগও চায় তারা নির্বাচনে আসুক। কিন্তু কাউকে জোর করে নির্বাচনে আনার দরকার নেই।’

বিএনপিকে নির্বাচনে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে অংশ নেয়া বিএনপির গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু তা না করে দলটি নির্বাচন প্রতিহত করার নামে অরাজকতা সৃষ্টি করলে বাংলার মানুষকে নিয়ে তাদের প্রতিরোধ করা হবে।

রাজধানীর হাজারীবাগে থানা আওয়ামী লীগ আয়োজিত ‘বিএনপি-জামায়াতের আগুন সন্ত্রাস, জ্বালাও-পোড়াও ও নৈরাজ্যের’ প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কেউ নির্বাচনে আসুক বা না আসুক সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে যথাসময়েই নির্বাচন হবে। আর এই নির্বাচন হবে সংবিধানসম্মতভাবে।

‘নির্বাচনে আসা না আসা বিএনপির একান্ত নিজস্ব ব্যাপার। আওয়ামী লীগও চায় তারা নির্বাচনে আসুক। কিন্তু কাউকে জোর করে নির্বাচনে আনার কোনো দরকার নেই।

‘গতবারও বিএনপি নির্বাচনে আসবে না আসবে না বলে গাধা পানি ঘোলা করে খায়-এর মতো নির্বাচনে এসেছিল।’

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে ৩০ আসনও পাবে না’- মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব জ্যোতিষবিদ হয়ে গেছেন? ২০০৮ সালেও বিএনপির নেত্রী বলেছিলেন যে আওয়ামী লীগ ৩০ আসনও পাবে না। কিন্তু ভোটে দেখা গেল উল্টো বিএনপিই ৩০ আসনও পায়নি। আগামী নির্বাচনের ফল কী হবে, তা একমাত্র সৃষ্টিকর্তা ও দেশের জনগণ জানে।

‘ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট হলে বিএনপির কপাল পুড়বে। তাই তারা এর বিরোধিতা করছে। বিএনপি হচ্ছে ভোট ডাকাতের সর্দার। তাই তারা ভোট ডাকাতি করার জন্য ইভিএমের বিরোধিতা করছে।’

হাজারীবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজি মোহাম্মদ সেলিমের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন, শাহাবুদ্দিন ফরাজি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, সংসদ সদস্য শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন ও নুরুল আমিন রুহুল।

আরও পড়ুন:
রাজপথ বিএনপির পৈতৃক সম্পত্তি নয়: কাদের
বিএনপি নিজেদের মারামারিতে সরকারকে দায় দিচ্ছে: কাদের
ভোটে ‘অযোগ্য’ বিএনপি পথ খুঁজছে ষড়যন্ত্রে: কাদের
র‌্যাবে নিষেধাজ্ঞায় যে ফখরুলরা, তার প্রমাণ বক্তব্যেই: কাদের
সংকটকে হাতিয়ার করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বিএনপি: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mirza Azam is getting the smell of domestic and foreign conspiracies

দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের ঘ্রাণ পাচ্ছেন মির্জা আজম

দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের ঘ্রাণ পাচ্ছেন মির্জা আজম শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় বক্তব্য দেন মির্জা আজম। ছবি: নিউজবাংলা
মির্জা আজম বলেন, ‘সরকারের বিরুদ্ধে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের ঘ্রাণ পাচ্ছি। আগামী নির্বাচন ঘিরে অনেক ষড়যন্ত্র প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। তারা ঘোষণা দিয়েই ষড়যন্ত্র করছে। আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে সেসব মোকাবিলা করতে হবে।’

সরকারের বিরুদ্ধে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের ঘ্রাণ পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম।

শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় তিনি এ কথা জানান।

মির্জা আজম বলেন, ‘সরকারের বিরুদ্ধে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের ঘ্রাণ পাচ্ছি। আগামী নির্বাচন ঘিরে অনেক ষড়যন্ত্র প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। তারা ঘোষণা দিয়েই ষড়যন্ত্র করছে। আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে সেসব মোকাবিলা করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর শেখ হাসিনা দেশে প্রত্যাবর্তন করেছিলেন বলেই দেশ পাকিস্তানের রূপ নেয়নি। উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন।’

সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীরপ্রতীক), নারায়ণগঞ্জের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী, সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল হাই ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ বাদল।

নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন ৩০ অক্টোবর নির্ধারণ হয় এ সভায়।

আরও পড়ুন:
ষড়যন্ত্রকারীরা পিছু হটতে শুরু করেছে
ষড়যন্ত্রকারীরা সাবধান!

মন্তব্য

বাংলাদেশ
I am getting the message that the next election will be violent and coercive

‘আগামী নির্বাচন হবে সহিংসতার-জবরদস্তির, মেসেজ পাচ্ছি’

‘আগামী নির্বাচন হবে সহিংসতার-জবরদস্তির, মেসেজ পাচ্ছি’ সন্ত্রাসী হামলায় পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া কর্মীকে দেখতে যান জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরসহ অন্যরা। ছবি: সংগৃহীত
জি এম কাদের বলেন, ‘চলমান সহিংস রাজনীতি আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য অশনিসংকেত। সহিংসতার মাধ্যমে, জোরজবরদস্তির একটি নির্বাচন হবে, সরকারি দল থেকে এমন মেসেজ আমরা পাচ্ছি। এটা দেশ ও জাতির জন্য দুঃখজনক।’

আগামী সংসদের জন্য সহিংসতার মাধ্যমে, জোর জবরদস্তির একটি নির্বাচন হবে, সরকারি দল থেকে এমন মেসেজ পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

সন্ত্রাসী হামলায় পা বিচ্ছিন্ন হওয়া জাতীয় পার্টির নেতা সফিকুল ইসলামকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দেখতে গিয়ে শনিবার দুপুরে সংবাদমাধ্যম কর্মীদের কাছে এমন মন্তব্য করেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান।

জি এম কাদের বলেন, ‘চলমান সহিংস রাজনীতি আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য অশনি সংকেত। সহিংসতার মাধ্যমে, জোর জবরদস্তির একটি নির্বাচন হবে, সরকারি দল থেকে এমন মেসেজ আমরা পাচ্ছি। এটা দেশ ও জাতির জন্য দুঃখজনক।’

তিনি বলেন, ‘কথা বলা, সভা সমাবেশ ও বিক্ষোভ প্রদর্শনের অধিকার থাকতে হবে। স্বাভাবিক রাজনীতি বাধাগ্রস্ত হলে সহিংস রাজনীতি আসে। যা দেশের জন্য অমঙ্গল বয়ে আনবে।’

এ সময় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান তোপ দাগেন সরকার দলীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর।

পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার তুষখালী ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলামকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কুপিয়ে পা-বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ তোলেন।

বলেন, ‘গেল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্থানীয়ভাবে সফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি শেষ সময় পর্যন্ত নির্বাচনে লড়েছে। ফলে, সরকার সমর্থকরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিততে পারেনি। নির্বাচনের পর থেকেই আওয়ামী লীগের হয়রানিমূলক মামলা ও হামলার শিকার হচ্ছেন জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা।’

তেমস একটি হয়রানিমূলক মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় সফিকুল ইসলামের ওপর হামলা হয়। তাকে সময় মতো হাসপাতালে না নেয়া হলে মৃত্যুর আশঙ্কা ছিল বলে জানান জি এম কাদের।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘তাকে আজীবন পঙ্গুত্বের অভিশাপ নিয়ে বাঁচতে হবে। আমরা দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

এ সময় জাতীয় পার্টির যুগ্ম কোষাধ্যক্ষ আবু তৈয়ব, যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম ও যুগ্ম যুব বিষয়ক সম্পাদক দীন ইসলাম শেখসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
রওশনকে অপসারণ: এবার পাল্টা চিঠি পাঠাবেন রাঙ্গা
গণমানুষের আস্থা হারালে আ.লীগের সঙ্গে নয়: জি এম কাদের
বিএনপি-জাতীয় পার্টি জোট নিয়ে প্রশ্ন এড়ালেন চুন্নু
ইসির রোডম্যাপ মূল্যহীন: চুন্নু
এরশাদ ট্রাস্টের সদস্য হলেন সাদ

মন্তব্য

p
উপরে