× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Bangladesh is promoting blue and green bonds in climate finance
hear-news
player
google_news print-icon

জলবায়ুর অর্থায়নে ব্লু এবং গ্রিন বন্ডকে উৎসাহিত করছে বাংলাদেশ

জলবায়ুর-অর্থায়নে-ব্লু-এবং-গ্রিন-বন্ডকে-উৎসাহিত-করছে-বাংলাদেশ
ইন্দোনেশিয়ায় এক সম্মেলনে বিএসইসি চেয়ারম্যান। ছবি: সংগৃহীত
‘সাউথ সাউথ এক্সচেঞ্জ: ইনটিগ্রেটিং জেন্ডার ইকুয়্যালিটি অ্যান্ড সোশ্যাল ইনক্লুসান ইন ক্লাইমেট বাজেটিং অ্যান্ড প্ল্যানিং প্রোসেস অ্যান্ড ইনোভেটিভ ক্লাইমেট ফাইন্যান্স ইন দ্যা এশিয়া-প্যাসিফিক রিজিওন’ নামের এই সম্মেলন চলবে আগামীকাল বুধবার পর্যন্ত।

জলবায়ু উন্নয়নে অর্থায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে ব্লু এবং গ্রিন বন্ডকে উৎসাহিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম।

ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় ইউএনডিপি (ইউনাইটেড ন্যাশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম) আয়োজিত জলবায়ু উন্নয়নে অর্থায়ন নিয়ে দুই দিনব্যাপী এক সম্মেলনে অংশ নিয়ে মঙ্গলবার তিনি এ কথা বলেন।

প্রথম দিনে ‘ইমপ্যাক্ট অব ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্সিং: পারস্পেক্টিভ বাংলাদেশ’ বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএসইসি চেয়ারম্যান।

‘সাউথ সাউথ এক্সচেঞ্জ: ইনটিগ্রেটিং জেন্ডার ইকুয়্যালিটি অ্যান্ড সোশ্যাল ইনক্লুসান ইন ক্লাইমেট বাজেটিং অ্যান্ড প্ল্যানিং প্রোসেস অ্যান্ড ইনোভেটিভ ক্লাইমেট ফাইন্যান্স ইন দ্যা এশিয়া-প্যাসিফিক রিজিওন’ নামের এই সম্মেলন চলবে আগামীকাল বুধবার পর্যন্ত।

ইউএনডিপির ক্লাইমেট ফাইন্যান্স নেটওয়ার্ক এবং ইউএন উইমেন-এর উদ্যোগে সম্মেলনটি আয়োজনে সহযোগী হিসেবে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া সরকারের ‘মিনিস্ট্রি অব উইমেনস এমপাওয়ারমেন্ট অ্যান্ড চাইল্ড প্রটেকশন’ ও ‘মিনিস্ট্রি অব ফাইন্যান্স’।

ইউএনডিপির আমন্ত্রণে বিএসইসি চেয়ারম্যান এই সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন।

সম্মেলনে বাংলাদেশের বর্তমান জলবায়ু এবং বর্তমান বিশ্বমন্দা, জলবায়ু অর্থায়নের কার্যক্রম ইত্যাদি সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করেন শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি আফ্রিকা ও তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর সঙ্গে ইউরোপ-আমেরিকাতেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা থেকেই বোঝা যায় প্রকৃতি কতটা শক্তিশালী। মানবসৃষ্ট নানা কর্মকাণ্ড, জীবাশ্ম জ্বালানির অত্যধিক ব্যবহার, বন ধ্বংস, পানিসম্পদ বিনষ্টসহ নানাভাবে প্রকৃতি বিনষ্ট হচ্ছে এবং প্রকৃতি এসব থেকে নিজেকে রক্ষার চেষ্টা করছে।’

জলবায়ুর পরিবর্তনে বাংলাদেশ ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানান অধ্যাপক শিবলী। বাংলাদেশকে জলবায়ু পরিবর্তনের জিরো গ্রাউন্ড বলে আখ্যায়িত করেন তিনি।

বিএসইসি চেয়ার‌ম্যান বলেন, ‘বাংলাদেশ সপ্তম মোস্ট ভালনারেবল দেশ এবং বাংলাদেশকে বলা যায় জলবায়ু পরিবর্তনের গ্রাউন্ড জিরো। বন্যাপ্রবণ বাংলাদেশের দুই তৃতীয়াংশই সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১৫ ফুট উচ্চতায় রয়েছে।

‘আমাদের দেশের প্রায় ৩ কোটি মানুষ গৃহহীন হয়েছেন অথবা হওয়ার শঙ্কায় আছেন। মাটির লবণাক্ততা এবং পানির অভাবসহ জলবায়ু পরিবর্তনের নানা প্রভাবে বাংলাদেশের কৃষি এবং অর্থনীতি ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।’

বাংলাদেশের জলবায়ু সংশ্লিষ্ট পলিসিসমূহ যেমন- ১৯৯৫ এর পরিবেশ রক্ষা আইন, ২০১০ এর জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট আইনসহ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের বিভিন্ন পদক্ষেপের অর্থায়ন ও বাস্তবায়নের তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেন বিএসইসি চেয়ারম্যান।

এ ছাড়া বৈদেশিক ও নিজস্ব অর্থ সহায়তায় সম্পাদিত কার্যক্রমগুলো এবং এর বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলো ব্যাখ্যা করেন শিবলী।

জলবায়ু অর্থায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সরকারি এবং বেসরকারি অপশনগুলো আলোচনা করে শিবলী রুবাইয়াত বলেন, ‘আমরা ব্লু এবং গ্রিন বন্ডকে উৎসাহিত করছি।’

সামাজিক নানা অর্থনৈতিক বৈশ্বিক সূচকে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতির কথা তুলে ধরে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলাতে বাংলাদেশের সাফল্যের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সম্মেলনে ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, ফিজি, কম্বোডিয়ার মতো অংশগ্রহণকারী দেশ নিজ প্রেক্ষিতে জলবায়ু ও লিঙ্গসমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বাজেটিং এবং জলবায়ু অর্থায়নের ক্ষেত্রে নিজস্ব সমন্বিত অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তুলে ধরে।

আরও পড়ুন:
জলবায়ু প্রতিশ্রুতির ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে না বাংলাদেশ
যৌন জীবনে প্রভাব ফেলছে জলবায়ু
জলবায়ু পরিবর্তন: দক্ষিণ এশিয়ায় তাপ বাড়ার শঙ্কা ৩০ গুণ
ফটোগ্রাফারের চোখে ভবিষ্যৎ পৃথিবী
জলবায়ু সহিষ্ণু শস্য উৎপাদনে প্রধানমন্ত্রীর তাগিদ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Today is Mahasaptami

আজ মহাসপ্তমী

আজ মহাসপ্তমী রাজধানীর একটি মন্দিরে চলছে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। ছবি: নিউজবাংলা
রোববার পুরান ঢাকার শাখারীবাজারের সবগুলো পূজামণ্ডপে সকাল থেকেই শুরু হয় পূজার কার্যক্রম। এদিন থেকেই মূলত মন্দির গুলোতে ভিড় করতে থাকেন ভক্তরা। শাস্ত্র মতে, মহাসপ্তমীতে মহাপূজা হয়। এই তিথিতে খুব সকালে একটি কলা গাছ গঙ্গার জলে স্নান করিয়ে, এটিকে নববধূর মতো নতুন শাড়ি পরানো হয়।

আজ দুর্গাপূজার মহাসপ্তমী। নবরাত্রির সপ্তম তিথি। ষষ্ঠীতে দেবীর মুখ উন্মোচন ও বোধন প্রক্রিয়া অতিক্রান্ত করে পজার দিনক্ষণ পড়ল মহাসপ্তমীতে। এই দিনে দেবী দুর্গার সবচেয়ে ভয়ানক রূপ, কালরাত্রি রূপের পুজো করা হয়। অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে শুভ শক্তির প্রতিষ্ঠা করেন দেবী কালরাত্রি।

রোববার পুরান ঢাকার শাখারীবাজারের সবগুলো পূজামণ্ডপে সকাল থেকেই শুরু হয় পূজার কার্যক্রম। এদিন থেকেই মূলত মন্দির গুলোতে ভিড় করতে থাকেন ভক্তরা। শাস্ত্র মতে, মহাসপ্তমীতে মহাপূজা হয়। এই তিথিতে খুব সকালে একটি কলা গাছ গঙ্গার জলে স্নান করিয়ে, এটিকে নববধূর মতো নতুন শাড়ি পরানো হয়।

এর আগে শনিবার উলুধ্বনি, শঙ্খ, ঘণ্টা আর ঢাকঢোলের বাজনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় ষষ্ঠীপূজা। এর মধ্যদিয়ে শুরু হয় বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরে দেবীর ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ষষ্ঠীর দিনের পূজা।

সিদ্ধেশ্বরী ছাড়াও ঢাকা ও সারা দেশের সব মন্দিরের প্রায় কাছাকাছি সময়ে শুরু হয় সপ্তমীর আয়োজন। এ সময় ঢাকঢোলের বাজনা, কাঁসা, শঙ্খের আওয়াজ এবং ভক্তদের উলুধ্বনির মাধ্যমে দুর্গার আরাধনা করা হয়।

প্রতিবারের মতো এবারও প্রস্তুত করা হয়েছে মহামায়া দেবী দুর্গাসহ লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশসহ বিভিন্ন দেব-দেবীর প্রতিমা। সন্ধ্যায় ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্য বাহারি সব রং দিয়ে সাজানো হয়েছে এসব প্রতিমা। রং-বেরঙের আলোকসজ্জা আর নানা রঙের ডিজাইনের কাঠামো দিয়ে সাজানো হয়েছে পুরো পূজাঙ্গন।

সিদ্ধেশ্বরী মন্দির, গুলশান-বনানী সর্বজনীন পূজা ও পুরান ঢাকার সব মন্দিরগুলোতে সন্ধ্যারতি, ধূনচী নাচসহ পূজার পাঁচ দিনই থাকছে নানা আনুষ্ঠানিকতা। এ ছাড়া রামকৃষ্ণ মিশন, মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দির, শাঁখারীবাজার, রমনা কালীমন্দির।

পুরাণ অনুযায়ী, এবার দেবী মর্ত্যে এসেছেন গজে চেপে। দুর্গা গজে চড়ে এলে সুখ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনেন। আর ৫ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে দেবী মর্ত্য ছাড়বেন নৌকায় চড়ে। নৌকায় গমনেও ধরনী হবে শস্যপূর্ণ তবে থাকবে অতিবৃষ্টি বা বন্যা।

পঞ্জিকা অনুযায়ী, শনিবার মহাষষ্ঠীতে সকালে দুর্গা দেবীর ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভ এবং ষষ্ঠীবিহিত পূজা, সন্ধ্যায় দেবীর বোধন। রোববার মহাসপ্তমীবিহিত পূজা, সোমবার মহাষ্টমীবিহিত পূজা, মঙ্গলবার মহানবমীবিহিত পূজা এবং বুধবার দশমীবিহিত পূজা সমাপন এবং প্রতিমা বিসর্জন।

আরও পড়ুন:
ঢাকঢোলের তালে শুরু দুর্গার বন্দনা
বসল ‘৫ শতাব্দীর’ ঢাকের হাট
শেষ মুহূর্তে তুলির আঁচড় দিতে ব্যস্ত প্রতিমা শিল্পীরা
আলোয় আলোয় ঝলমলিয়ে বরিশাল নগর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Durga bandana begins with the beat of dhak dhol

ঢাকঢোলের তালে শুরু দুর্গার বন্দনা

ঢাকঢোলের তালে শুরু দুর্গার বন্দনা শুরু হলো পূজার আনুষ্ঠানিকতা। ছবি: নিউজবাংলা
শনিবার সকাল ৮টার দিকে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরে দেবীর ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ষষ্ঠীর দিনের পূজা। সিদ্ধেশ্বরী ছাড়াও ঢাকা ও সারা দেশের সব মন্দিরের প্রায় কাছাকাছি সময়ে শুরু হয়েছে ষষ্ঠী পূজার আয়োজন।

উলুধ্বনি, শঙ্খ, ঘণ্টা আর ঢাকঢোলের বাজনার মধ্য দিয়ে শুরু হলো ষষ্ঠীপূজা। শুরু হলো বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরে দেবীর ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ষষ্ঠীর দিনের পূজা। সিদ্ধেশ্বরী ছাড়াও ঢাকা ও সারা দেশের সব মন্দিরের প্রায় কাছাকাছি সময়ে শুরু হয়েছে ষষ্ঠীপূজার আয়োজন।

এ সময় ঢাকঢোলের বাজনা, কাঁসা, শঙ্খের আওয়াজ এবং ভক্তদের উলুধ্বনিতে দেবী দুর্গাকে পৃথিবীতে স্বাগত জানানো হয়। সন্ধ্যায় হবে দেবীর বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাস। বোধন অর্থ জাগ্রত করা। মর্ত্যে দুর্গার আবাহনের জন্য বোধনের রীতি প্রচলিত রয়েছে।

এ দিন কল্পারম্ভ দিয়ে শুরু হয় দুর্গার বোধন। ষষ্ঠীর সকালেই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। তার পর দেবীর সামনে প্রার্থনা করা হয় যে, ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত গোটা পূজা পর্বে যেন কোনো বিঘ্ন না ঘটে।

শ্বশুরবাড়ি কৈলাস থেকে কন্যারূপে দেবী দুর্গা বাপের বাড়ি বেড়াতে মর্ত্যলোকে এসেছেন। আর এর মাধ্যমেই শুরু হলো দুর্গাপূজার মূল আয়োজন।

ঢাকঢোলের তালে শুরু দুর্গার বন্দনা

মহানগরের সব মন্দিরের মণ্ডপ শনিবার সন্ধ্যায় উন্মুক্ত করা হবে বলে জানান আয়োজক কমিটি।

ষষ্ঠীপূজা উপলক্ষে সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরে সকাল থেকেই মানুষের ঢল নামে। এ সময় উৎসব-আনন্দে মেতে ওঠে শিশু, কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণীসহ সব বয়সী মানুষ। মন্দিরের প্রবেশ পথে নারী ও পুরুষের জন্য রয়েছে আলাদা লাইন।

ষষ্ঠীর সকালে সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরে পূজা দিতে আসা মৌসুমি রায় বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা। ষষ্ঠীপূজার সকালে মন্দিরে না এলে পূজার আনন্দ অনুভব করা যায় না।’

একই কথা বললেন রঘুনাথ পাল, ‘দুর্গাপূজায় সবচেয়ে বেশি আনন্দ হয় ষষ্ঠীপূজায়। কেননা এই দিনেই দেবী দুর্গা পৃথিবীতে আসেন। তাই তো পূজার প্রথম দিনেই মন্দির আর দেবী দর্শনে চলে আসি।

কেমন হচ্ছে মহানগরের পূজা

পূজা উপলক্ষে নতুন রূপে সেজে উঠেছে ঢাকেশ্বরী মন্দিরসহ রাজধানীর অন্যসব মন্দির। ঢাকা মহানগরের মধ্যে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের প্রধান আকর্ষণ থাকে এই মন্দির। সেই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের মন্দিরেও দুর্গাপূজায় থাকছে বিশেষ আয়োজন। ঐতিহ্যবাহী বনানী মাঠে আয়োজিত দুর্গা মণ্ডপে সাজানো হয়েছে আরও সুন্দর রূপে।

প্রতিবারের মতো এবারও প্রস্তুত করা হয়েছে মহামায়া দেবী দুর্গাসহ লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশসহ বিভিন্ন দেব-দেবীর প্রতিমা। সন্ধ্যায় ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্য বাহারি সব রং দিয়ে সাজানো হয়েছে এসব প্রতিমা। রং- বেরঙের আলোকসজ্জা আর নানা রঙের ডিজাইনের কাঠামো দিয়ে সাজানো হয়েছে পুরো পূজাঙ্গন।

সিদ্ধেশ্বরী মন্দির, গুলশান-বনানী সর্বজনীন পূজা ও পুরান ঢাকার সব মন্দিরগুলোতে সন্ধ্যারতি, ধূনচী নাচসহ পূজার পাঁচ দিনই থাকছে নানা আনুষ্ঠানিকতা। এ ছাড়া রামকৃষ্ণ মিশন, মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দির, শাঁখারীবাজার, রমনা কালীমন্দির।

পুরান অনুযায়ী, এবার দেবী মর্ত্যে এসেছেন গজে চেপে। পুরাণ অনুযায়ী, দুর্গা গজে চড়ে এলে সুখ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনেন। আর ৫ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে দেবী মর্ত্য ছাড়বেন নৌকায় চড়ে। নৌকায় গমনেও ধরনী হবে শস্যপূর্ণ তবে থাকবে অতিবৃষ্টি বা বন্যা।

পঞ্জিকা অনুযায়ী, শনিবার মহাষষ্ঠীতে সকালে দুর্গা দেবীর ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভ এবং ষষ্ঠীবিহিত পূজা, সন্ধ্যায় দেবীর বোধন। রোববার মহাসপ্তমীবিহিত পূজা, সোমবার মহাষ্টমীবিহিত পূজা, মঙ্গলবার মহানবমীবিহিত পূজা এবং বুধবার দশমীবিহিত পূজা সমাপন এবং প্রতিমা বিসর্জন।

আরও পড়ুন:
বসল ‘৫ শতাব্দীর’ ঢাকের হাট
শেষ মুহূর্তে তুলির আঁচড় দিতে ব্যস্ত প্রতিমা শিল্পীরা
আলোয় আলোয় ঝলমলিয়ে বরিশাল নগর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Both of Ramnaths rescue cycle journey

রামনাথের ‘দুইন্যা’ উদ্ধারে সাইকেলযাত্রা

রামনাথের ‘দুইন্যা’ উদ্ধারে সাইকেলযাত্রা
কথা সাহিত্যিক ও নাট্যকার রুমা মোদক বলেন, “শেষবার বিশ্ব ভ্রমণ শেষে রামনাথ বানিয়াচং এসে বলেছিল- যতই ঘুরি না কেন- ‘বাইন্নাচুং আমার দুইন্যা’। কিন্তু আজ তার দুইন্যাই বেদখল। রামনাথের দুইন্যাকে ফিরিয়ে দিতেই আমাদের আজকের শোভাযাত্রা।”

বাইসাইকেলে কয়েকবার বিশ্বভ্রমণকারী ও ভ্রমণ কাহিনির লেখক রামনাথ বিশ্বাসের বাড়ি পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণের দাবিতে পর্যটন দিবসে সাইকেলযাত্রা করেছেন সাইক্লিস্ট ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা।

মঙ্গলবার সকালে ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছেন কয়েকশ সাইক্লিস্ট।

তারা সাইকেল শোভাযাত্রা নিয়ে হবিগঞ্জের বানিয়াচং বিদ্যাভূষণপাড়ায় রামনাথের বাড়ি পর্যন্ত গিয়েছেন। সেখানে রামনাথের বসতভিটা পরিদর্শন শেষে বানিয়াচং শহীদ মিনারে সমাবেশ করেন। তারা ওই বসতভিটায় বিশেষায়িত পাঠাগার ও সাইকেল মিউজিয়ামের দাবি জানান।

ঢাকার মিরপুর থেকে শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন মো. আজিজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘বাইসাইকেল দিয়েও যে বিশ্ব ভ্রমণ করা যায় সেটি দেখিয়েছিলেন রামনাথ বিশ্বাস। তিনি আমাদের অনুপ্রেরণার নাম। অথচ তার বসতভিটা আজ বেদখল। এই বসতভিটা উদ্ধার ও সংরক্ষণের দাবিতে আজকে ঢাকা থেকে আমি এসেছি।’

সাইক্লিস্ট আল্লামা দিদার বলেন, ‘রামনাথ একজন বিখ্যাত ভূপর্যটক। তিনি শুধু বিশ্ব ভ্রমণ করেননি, ৩০টির বেশি বইও লিখেছেন। যখন শুনেছি বিখ্যাত এই ব্যক্তির পৈত্রিক ভিটা উদ্ধারের দাবিতে সাইকেল শোভাযাত্রা হচ্ছে, তখনই আমি ঢাকা থেকে ছুটে আসছি।’

কথা সাহিত্যিক ও নাট্যকার রুমা মোদক বলেন, “শেষবার বিশ্ব ভ্রমণ শেষে রামনাথ বানিয়াচং এসে বলেছিল- যতই ঘুরি না কেন- ‘বাইন্নাচুং আমার দুইন্যা’। কিন্তু আজ তার দুইন্যাই বেদখল। রামনাথের দুইন্যাকে ফিরিয়ে দিতেই আমাদের আজকের শোভাযাত্রা।”

ভূপর্যটক রামনাথ বিশ্বাসের বসতভিটা পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ কমিটির আহবায়ক ও বাংলাদেশ ট্রাভেল রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আশরাফুজ্জামান উজ্জ্বল বলেন, ‘আমরা চাই রামনাথ বিশ্বাসের বসতভিটা পুনরুদ্ধার করে এখানে একটি বিশেষায়িত পাঠাগার ও সাইকেল মিউজিয়াম তৈরি করা হোক।

‘এছাড়া তার যে বইগুলো আছে সেগুলো আবার মুদ্রণ করে আগামী প্রজন্মকে জানার সুযোগ করে দেয়া হোক।’

১৮৯৪ সালের ১৩ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বানিয়াচং গ্রামের বিদ্যাভুষণপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন রামনাথ। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর স্থায়ীভাবে কলকাতা চলে যান। ১৯৫৫ সালে ১ নভেম্বর সেখানেই তিনি মারা যান। দীর্ঘদিন তার বানিয়াচংয়ের বাড়িটি পরিত্যক্ত ছিল। আশির দশকে ৪ একর ৪৮ শতাংশ বাড়িটি দখলে নেন আব্দুল ওয়াহেদ মিয়া নামে এক প্রভাবশালী। এরপর থেকে বাড়িটি তার দখলেই রয়েছে।

বাড়িটির দখলদার আব্দুল ওয়াহেদ স্থানীয় ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। তার বড় ভাই আবু ছালেক আলবদর বাহিনীর সদস্য হওয়ায় গত ১৫ সেপ্টেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগ তাকে সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।

তবে বাড়ি দখলের বিষয়ে আব্দুল ওয়াহেদ মিয়া বলেন, ‘এই বাড়ি রামনাথ বিশ্বাসের বা তিনি এই বাড়িতে থাকতেন বলে আমাদের জানা নেই। আমরা মোহিনী বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে বাড়িটি কিনেছি এবং যাবতীয় কাগজপত্রও আছে।’

বানিয়াচং উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ইশরাত জাহান উর্মি বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসনের দাবি, ইতোমধ্যে তারা বাড়িটির কাগজপত্র পর্যালোচনা করছেন। কাগজপত্র পর্যালোচনা শেষেই পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে। যদি এটি রামনাথের বাড়ি হয়, তাহলে সেটি পুনরুদ্ধার করা হবে।’

আরও পড়ুন:
রামনাথের বাড়ি দখলে নেয়া আ.লীগ নেতা ওয়াহেদ হারালেন পদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
TikTok is exploring new destinations for travelers

ভ্রমণ পিপাসুদের নতুন গন্তব্যের খোঁজ দিচ্ছে টিকটক

ভ্রমণ পিপাসুদের নতুন গন্তব্যের খোঁজ দিচ্ছে টিকটক
বিভিন্ন উপায়ে প্রকৃতির সঙ্গে মিথষ্ক্রিয়া, বিভিন্ন সংস্কৃতির খাবার, স্থানীয় বিভিন্ন বিষয়ের অভিজ্ঞতা নিতে এখন টিকটক একটি উপযুক্ত মাধ্যম হিসেবে খুব দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

করোনাভাইরাস মহামারি বিশ্বে যে কয়েকটি খাতে সবচেয়ে বড় প্রভাব ফেলেছিল তার একটি পর্যটন। মহামারির পর বিশ্বের পর্যটন খাত পুরোদমে ফিরে আসতে শুরু করেছে। এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত ও স্টেকহোল্ডাররা এ বছর ‘রিথিংকিং ট্যুরিজম’ স্লোগান নিয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবসে ভ্রমণকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে ভাবছে।

ডিজিটাল বিপ্লবের ফলে পর্যটকরা কোথায় যাবেন এবং কীভাবে তাদের ট্রিপ বুক করবেন তার একটা রূপান্তর ঘটেছে। এখন পর্যটকরা ঘরে বসেই তাদের গন্তব্যের জায়গাগুলো খুঁজে বের করতে পারছে, ভ্রমণের পরামর্শ এবং এমনকি এখন সোশ্যাল মিডিয়া ইমেইলের পরিবর্তে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশেও, পর্যটকরা প্রতিনিয়তই প্রযুক্তি সচেতন হয়ে উঠছে। তারাও এখন তাদের ভ্রমণের পরিকল্পনা থেকে শুরু করে অন্যদের প্রভাবিত করার জন্য টিকটকের মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্ভর করতে শুরু করেছে।

আর এর ফলে, বিভিন্ন উপায়ে প্রকৃতির সঙ্গে মিথষ্ক্রিয়া, বিভিন্ন সংস্কৃতির খাবার, স্থানীয় বিভিন্ন বিষয়ের অভিজ্ঞতা নিতে এখন টিকটক একটি উপযুক্ত মাধ্যম হিসেবে খুব দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এমনকি বাংলাদেশের ডিজিটাল ল্যান্ডস্কেপে, শর্ট ভিডিও প্ল্যাটফর্ম টিকটক আগামীর পর্যটন খাতে একটি বড় পদপ্রদর্শক হতে যাচ্ছে।

টিকটক এমন একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবেই আবির্ভূত হয়েছে, যেখানে কমিউনিটির জেনুইন, ভিজ্যুয়াল এবং জিও-ট্যাগযুক্ত কনটেন্টের মাধ্যমে নিজেদেরকে স্টোরি বলতে প্রস্তুত। সেই সঙ্গে তারা আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশে লোভনীয় ও স্বাধীনভাবে কিছু করতে প্রস্তুত। এটি সম্ভব হচ্ছে খুব সহজ কিছু টুলস, স্থানীয় প্ল্যাটফর্মের কনটেন্ট এবং ক্রিয়েটর দিয়ে, যারা ভিন্নধর্মী কনটেন্ট সরবরাহ করছে।

টিকটকে ভ্রমণের অভিজ্ঞতার আকর্ষণগুলো হলো, ব্যক্তিগত, সহজলভ্য এবং প্রেরণাদায়ক একটা গল্প থাকে। যার মাধ্যমে পর্যটকরা যাত্রা শুরু করবেন কিনা সে সিদ্ধান্ত সহজেই নিতে পারছেন।

সৃজনশীল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে টিকটকে ব্যবহারকারীরা তাদের প্রকৃত পোস্ট শেয়ার করতে পারছেন, যার সঙ্গে বড় পরিসরে রয়েছে সাউন্ড, ইফেক্ট এবং অন্য সৃজনশীল সব টুলস। এসব ব্যবহারকারীদের কল্পনা ও বাস্তব অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত করে। জনপ্রিয় মিউজিক ব্যবহারের মতো ফিচার, হ্যাশট্যাগ এবং ফিল্টারগুলো কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আরও বেশি দর্শকের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।

বাংলাদেশ তার প্রাকৃতিক সৌন্দয্যের জন্য বিশ্বের কাছেই পরিচিত। এর নদ-নদী, উপকূল, সৈকত, ঐতিহাসিক স্থান এবং ধর্মীয় সাইট, পাহাড়, বন, ঝরণা এবং চা বাগানের সৌন্দর্য্য যে কাউকে আকৃষ্ট করে। সুন্দরবন, বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ এবং নওগাঁর পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহার দেশের তিনটি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট, যেগুলো প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক ভ্রমণ করেন।

টিকটকের কনটেন্ট নির্মাতারা এখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পর্যটনের এমন লুকানো রত্নগুলো (জায়গা) খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। এটি শুধু দেশের মধ্যেই নয়, দেশের বাইরের পর্যটকদের কাছেও বাংলাদেশ ভ্রমনে আগ্রহী করে তুলছে। টিকটক ব্যবহারকারীরা অনাবিষ্কৃত অসংখ্য স্পট আবিষ্কার করছেন, যেগুলো এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হতে শুরু করেছে।

৩৪ বিলিয়ন ভিউ নিয়ে #TikTokTravel এখন অন্যতম জনপ্রিয় অ্যাপ। পরবর্তী প্রজন্মের ভ্রমন পিয়াসীদের অন্যতম কার্যকরী যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম এখন টিকটক।

আরও পড়ুন:
সৈকতে পর্যটন মেলা, বিচ কার্নিভাল শুরু
পর্যটন দিবস: ৬ বলে ৩৬ রান চান প্রতিমন্ত্রী
শীতের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে কুয়াকাটা
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনা মূল্যে পদ্মা সেতু দেখাবে বিপিসি
বিদেশি পর্যটকদের আসতে আর বাধা নেই

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Tourism Fair Beach Carnival begins on the beach

সৈকতে পর্যটন মেলা, বিচ কার্নিভাল শুরু

সৈকতে পর্যটন মেলা, বিচ কার্নিভাল শুরু
জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ জানান, মেলায় বসছে ২০০টি স্টল। এ ছাড়া থাকবে পর্যটন বিষয়ক রচনা প্রতিযোগিতা, চিত্রাংকন, ঘুড়ি উৎসব, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ফানগেম, ফানুস উৎসব, বালি ভাস্কর্য্য, বিচ ভলিবল, ক্রিকেট, ম্যাজিক শো, আতশবাজি, ডিজে শো ও কনসার্ট।

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে শুরু হয়েছে পর্যটন মেলা ও বিচ কার্নিভাল। প্রতিবছর লাখো পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত থাকে সমুদ্র নগরী। এবার পর্যটন দিবস উপলক্ষ্যে সাতদিনব্যাপী থাকছে নানা আয়োজন।

জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ মঙ্গলবার সকালে এ উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। তার আগে বর্ণাঢ্য র‌্যালী শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘সৈকতের লাবণী পয়েন্টে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এই আয়োজন চলবে।’

তিনি জানান, কক্সাবাজার জেলা প্রশাসন এবং বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি যৌথভাবে এ মেলার আয়োজক। এ উপলক্ষ্যে হোটেল-মোটেল দেয়া হবে ৩০-৭০ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ ছাড়। এ ছাড়াও থাকবে দেশের প্রথম সারির কয়েকজন শিল্পী, তুলে ধরা হবে স্থানীয় সংস্কৃতির নানান আয়োজন।

তিনি আরও জানান, মেলায় বসছে ২০০টি স্টল। এ ছাড়া থাকবে পর্যটন বিষয়ক রচনা প্রতিযোগিতা, চিত্রাংকন, ঘুড়ি উৎসব, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ফানগেম, ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক উৎসব, ফানুস উৎসব, বালি ভাস্কর্য্য, বিচ ভলিবল, ক্রিকেট, ম্যাজিক শো, আতশবাজি, ডিজে শো ও কনসার্ট।

সৈকতে পর্যটন মেলা, বিচ কার্নিভাল শুরু

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীদের পাশাপাশি আঞ্চলিক শিল্পী মেরি, পপ শিল্পী মেহেরিন, আঁখি আলমগীর ও জনপ্রিয় কুঁড়ে ঘর ও কৌতুক অভিনেতা আরমান পারর্ফম করবেন। এ ছাড়া বিদেশি পর্যটকদের অংশগ্রহণে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান থাকবে। এতে তারা জাজ মিউজিক, হ্যাভি মেটাল ও অপেরার মাধ্যমে সবাইকে মাতিয়ে তুলবেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার-রামু আসনের সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের আশেক উল্লাহ রফিক, চকরিয়া-পেকুয়া আসনের জাফর আলম, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল মোস্তফা, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আবু সুফিয়ানসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
পর্যটন দিবস: ৬ বলে ৩৬ রান চান প্রতিমন্ত্রী
শীতের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে কুয়াকাটা
পর্যটনে প্রকৃতি সংরক্ষণে জোর জাতিসংঘের
ফাঁকা সৈকতে খুশি পর্যটকরা, হতাশ ব্যবসায়ীরা
নাপিত্ত্যাছড়ায় তলিয়ে যাওয়া আরেক ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Intercontinental Travel Trade and Cultural Carnival 23 December

ইন্টারকন্টিনেন্টাল ট্রাভেল ট্রেড এন্ড কালচারাল কার্নিভাল ২৩ ডিসেম্বর

ইন্টারকন্টিনেন্টাল ট্রাভেল ট্রেড এন্ড কালচারাল কার্নিভাল ২৩ ডিসেম্বর ইন্টারকসমিক ট্রাভেল, ট্রেড অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে। ছবি: নিউজবাংলা
চিফ কার্নিভাল কো-অর্ডিনেটর আতিকুর রহমান বলেন, ‘ভ্রমণপিপাসুদের জন্য এই কার্নিভাল পছন্দসই প্যাকেজ বেছে নেয়ার জায়গা। উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ গমনেচ্ছুদের জন্য সব সার্টিফাইড এজেন্সি খুঁজে পাওয়ারও প্লাটফর্ম এটি।’

রাজধানীর হোটেল পূর্বাণীতে ২৩ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘ইন্টারকন্টিনেন্টাল ট্রাভেল, ট্রেড অ্যান্ড কালচারাল কার্নিভাল’। এই আয়োজনের এক্সিবিটর ও বায়ার হিসেবে অংশ নেবে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, মালদ্বীপ, ফিলিপাইন, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মালেয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর।

আয়োজক সংগঠন ইন্টারকসমিক ট্রাভেল, ট্রেড অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কার্নিভালের সহযোগী আয়োজক প্রবাসী বাংলাদেশীদের একটি সংগঠন ‘এসোসিয়েশন অফ ওয়ার্ল্ড ফেয়ার অ্যান্ড ফেস্ট ইউএসএ’। ইভেন্ট পার্টনার ‘মিউট কনসোর্টিয়াম’, ট্রাভেল পার্টনার হ্যাভেন ট্যুরস অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড এবং ইয়ুথ পার্টনার রোটার‍্যাক্ট অ্যালামনাই অফ বাংলাদেশ।

কার্নিভালের কার্যক্রমের মধ্যে থাকছে আটটি সেশন। প্রতিটি সেশনে স্পিকার হিসেবে থাকবেন বিভিন্ন দেশ থেকে আগত সফল ব্যক্তিত্বরা।

চিফ কার্নিভাল কো-অর্ডিনেটর আতিকুর রহমান বলেন, ‘ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য ইন্টারকন্টিনেন্টাল ট্রাভেল, ট্রেড অ্যান্ড কালচারাল কার্নিভাল পছন্দসই প্যাকেজ বেছে নেয়ার জায়গা। উচ্চশিক্ষার জন্য যারা দেশের বাইরে যেতে চায় তাদের জন্য এক ছাদের নিচে সব সার্টিফাইড এজেন্সি খুঁজে পাওয়ারও প্লাটফর্ম এটি। এছাড়াও ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, চাকরিপ্রত্যাশী নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের এক মিলনমেলা হতে যাচ্ছে এই কার্নিভাল৷’

আতিকুর রহমান আরও বলেন, ‘সাতটি ভিন্ন ভিন্ন কনটেস্টে বিভিন্ন বয়স ও পেশার মানুষ অংশ নিয়ে জিতে নিতে পারবেন আকর্ষণীয় পুরস্কার ও সম্মাননা সার্টিফিকেট। এছাড়াও শুধু এই কার্নিভালের টিকিট সংগ্রহ করেই লটারিতে জিতে নিতে পারবেন আকর্ষণীয় পুরস্কার।

‘ইভেন্টের প্রতিদিনের নতুন নতুন চমক হিসেবে স্টেজ পারফরম্যান্সে মনোমুগ্ধকর নাচ, গানসহ বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি প্রতিদিন লটারিতে আকর্ষণীয় পুরস্কার জিতে নেয়ার সুযোগ থাকছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Work is underway to recognize March 25 as International Genocide Day
সেমিনারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

২৫ মার্চের আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস স্বীকৃতি পেতে কাজ চলছে

২৫ মার্চের আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস স্বীকৃতি পেতে কাজ চলছে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ বাস্তবায়নে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালিদের গণহত্যা শুরু করে। ছবি: সংগৃহীত
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর সংঘটিত গণহত্যা মানব ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্যতম অপরাধগুলোর একটি। এত বেশিসংখ্যক হত্যা এবং বর্বরতার এমন উদাহরণ আমরা আর একটিও খুঁজে পাব না।’

২৫ মার্চকে ‘আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস’ হিসেবে বিশ্বের সব দেশ যাতে স্বীকৃতি দেয়, সে লক্ষ্যে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন।

কানাডার উইনিপেগের মানবাধিকার জাদুঘরে স্থানীয় সময় বুধবার ‘রিমেম্বার অ্যান্ড রিকগনাইজ: দ্য কেস অফ বাংলাদেশ জেনোসাইড অফ ১৯৭১’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে ভিডিওবার্তায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা জানান। খবর বাসসের।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ বাস্তবায়নে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালিদের গণহত্যা শুরু করে। দিনটির ‘আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস’ স্বীকৃতির জন্য কাজ করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর সংঘটিত গণহত্যা মানব ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্যতম অপরাধগুলোর একটি। এত বেশিসংখ্যক হত্যা এবং বর্বরতার এমন উদাহরণ আমরা আর একটিও খুঁজে পাব না।’

তিনি বলেন, ২৫ মার্চের ‘আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতির জন্য কাজ চলছে।

কানাডায় বাংলাদেশের হাইকমিশন এবং দেশটির বঙ্গবন্ধু সেন্টার ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ (বিসিবিএস), বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, জেনোসাইড স্টাডিজ সেন্টার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রিফিউজিস রেজিলিয়েন্স সেন্টার এবং রোটারি ক্লাব কানাডা যৌথভাবে বাংলাদেশে গণহত্যার ঘটনা স্মরণ ও স্বীকৃতিবিষয়ক দিনব্যাপী সেমিনারের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে নিউ ইয়র্ক থেকে বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন এবং কানাডায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার খলিলুর রহমান।

কানাডায় বিসিবিএসের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ড. কাওসার আহমেদ সূচনা বক্তব্য দেন।

সেমিনারে গণহত্যার শিকার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও বক্তব্য দেন।

অধ্যাপক ডা. নুজহাত চৌধুরী পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ও রাজাকারদের হাতে তার বাবা ডা. আলীম চৌধুরীর অপহরণ এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঠিক আগে তাকে নৃশংসভাবে হত্যার বর্ণনা দেন।

তিনি বাংলাদেশের গণহত্যার স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বের পেছনে আন্তর্জাতিক রাজনীতিকে দায়ী করেন। এ ধরনের স্বার্থবাদী রাজনীতির অবসানের আহ্বানও জানান তিনি।

শহীদ সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেনের ছেলে তৌহীদ রেজা নূর তার বাবাকে অপহরণ ও হত্যার বর্ণনা দেন।

কীভাবে বাঙালি বুদ্ধিজীবীরা পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর গণহত্যার শিকার হয়েছেন, সেটি উঠে আসে তার বক্তব্যে।

আরও পড়ুন:
জাতীয় গণহত্যা দিবস পালিত কলকাতাতেও
গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই: কাদের
শহীদদের স্মরণে এক মিনিটের অন্ধকার
ইয়াহিয়ার ঢাকা আগমন ও গণহত্যার পরিকল্পনা
জাতীয়ভাবে গণহত্যা দিবস পালন করা উচিত: শিল্পমন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে