× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Allocation for minorities is only 2 13 percent
hear-news
player
print-icon

সংখ্যালঘুদের জন্য বরাদ্দ মাত্র ২.১৩ শতাংশ

সংখ্যালঘুদের-জন্য-বরাদ্দ-মাত্র-২১৩-শতাংশ
হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ এক সংবাদ সম্মেলনে পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানায়, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বাজেট বরাদ্দে জনসংখ্যার অনুপাতিক হারের প্রতিফলন ঘটছে না। এটি সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর প্রতি সীমাহীন অবজ্ঞা, অবহেলা, বৈষম্যের সুস্পষ্ট প্রমাণ।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বাজেট বরাদ্দে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতি বৈষম্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাজেটে মোট বরাদ্দের ৯৭ দশমিক ৮৭ শতাংশই ধর্মীয় সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের জন্য। বিপরীতে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য বরাদ্দ মাত্র ২ দশমিক ১৩ শতাংশ।

সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। সেই সঙ্গে সংখ্যালঘুদের স্বার্থ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানায় সংগঠনটি। এ ছাড়া একটি জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠনেরও দাবি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, পূর্ববর্তী ২০২১-২২ অর্থবছরে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মোট পরিচালন ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ২৭৮ দশমিক ৬০ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সচিবালয় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিচালন ব্যয় ১০ দশমিক ৭৫ কোটি টাকা বাদ দেয়ার পর বাকি ২৬৭.৮৫ কোটি টাকা উন্নয়ন ব্যয়ের মধ্যে ২৬১ দশমিক ৮৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে দেশের ধর্মীয় সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়কে। ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয় ৬ কোটি ২ লাখ টাকা। অর্থাৎ ধর্মীয় সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের জন্য মোট বরাদ্দের হার ৯৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ আর ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য মোট বরাদ্দের হার ২ দশমিক ২৫ শতাংশ।

রানা দাশগুপ্ত বলেন, ‘২০১৬-১৭ সালে ঘোষিত অর্থমন্ত্রীর বরাদ্দ করা ২০০ কোটি টাকা পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর মঠ-মন্দির সংস্কারে ব্যয়িত হবে এবং তার পরের অর্থবছরগুলোতে বাজেট বরাদ্দে জনসংখ্যার অনুপাতিক হারের প্রতিফলন ঘটবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর প্রতি বাজেট বরাদ্দ সীমাহীন অবজ্ঞা, অবহেলা, বৈষম্যের এক সুস্পষ্ট প্রমাণ।’

রানা দাশগুপ্ত বলেন, সম্পদের সুষম বণ্টনের মাধ্যমে দেশের সকল সম্প্রদায়ের নৈতিক ও আর্থসামাজিক উন্নয়ন সময়ের দাবি।

তিনি বলেন, বিগত নির্বাচনের আগে সরকারি দলের দেয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। এসব প্রতিশ্রুতির মধ্যে আছে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন, বৈষম্য বিলোপ আইন প্রণয়ন, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন বাস্তবায়ন, পার্বত্য শান্তিচুক্তি ও পার্বত্য ভূমি কমিশন আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন এবং সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠন।

সংবাদ সম্মেলনে চার দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো: ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন ও কল্যাণে জাতীয় রাজস্ব বাজেট থেকে বার্ষিক বরাদ্দ প্রদান করে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টগুলোকে ‘ফাউন্ডেশন'-এ রূপান্তরিত করতে হবে।

সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয় সংবিধানের ২-ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রধর্মের পক্ষে কাজ করছে। এ অনুচ্ছেদের অন্য অংশে বিধৃত হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ধর্মের সমঅধিকার বাস্তবায়ন করতে ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘুদের স্বার্থ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন করা হোক।

ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর সার্বিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে বরাদ্দ নিরূপণে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঠিক শুমারির উদ্যোগ নেয়া হোক।

ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠান সম্পাদন ও ধর্মীয় সংস্কৃতির উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মডেল মন্দির/প্যাগোডা/গির্জা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনে বাজেটে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেয়া হোক।

সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম ২০০৮ এর নির্বাচনের পর সংখ্যালঘুদের অবস্থার পরিবর্তন হবে। তা না হয়ে আরও খারাপ হয়েছে। সরকারের মধ্যে সাম্প্রদায়িক শক্তি আরও গাঢ় হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে সরকার সরে যাচ্ছে। আমরা সংখ্যালঘুদের নিয়ে বৈষম্যের অবসান চাই।’

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি নিমচন্দ্র ভৌমিক বলেন, ‘বিরোধী দলগুলো যদি প্রকৃত অর্থে গণতন্ত্র চায়, তাহলে তাদেরকে বাহাত্তরের সংবিধান মানতে হবে। সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দলগুলোও সংখ্যালঘুদের বৈষম্য নিয়ে কথা বলছে না, বরং তারা উসকানিমূলক মন্তব্য করছে।’

নিমচন্দ্র ভৌমিক বলেন, ‘দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। বিরোধী দলগুলো যদি প্রকৃত অর্থে গণতন্ত্র চায়, তাহলে তাদেরকে বাহাত্তরের সংবিধান মানতে হবে। ধর্মনিরেপক্ষতা মানতে হবে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নিপীড়ন সম্ভব নয়।’

আরও পড়ুন:
বাবার সম্পত্তিতে হিন্দু নারীর অংশ কেন নয়: হাইকোর্ট
মাছ ভাগাভাগি নিয়ে হিন্দু পরিবারের ওপর হামলা
বৌদ্ধবিহারে হামলা: জামায়াতের সাবেক এমপিসহ ১৮ নেতাকর্মীর বিচার শুরু
ভাইরাল সেই ভিক্ষু কি মৃত্যুর পরেও জীবিত!
প্রেম ও যৌনতা নিয়ে খোলামেলা বৌদ্ধ সন্ন্যাসিনীর মৃত্যু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
There is round the clock security at Mandap in Dighirpar Nanua

নানুয়ার দীঘিরপাড়ের মণ্ডপে এবার সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা

নানুয়ার দীঘিরপাড়ের মণ্ডপে এবার সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা কুমিল্লা নগরীর নানুয়ার দীঘিরপাড়ের মণ্ডপে চলছে দুর্গা পূজা আয়োজনের প্রস্তুতি। ছবি: নিউজবাংলা
কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, ‘এবার নানুয়ার দীঘির পাড়সহ জেলার সবক’টি পূজামণ্ডপে সর্বোচ্চ সতর্কতা থাকবে। সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের পাশাপাশি আনসার সদস্যদের দিয়ে সার্বক্ষণিক পাহারাসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।’

কুমিল্লা নগরীর নানুয়ার দীঘিরপাড়ের মণ্ডপে এবারের দুর্গা পূজায় থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরাসহ সার্বক্ষণিক কড়া নিরাপত্তা। গত বছর এই মণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরীফ রাখার ঘটনায় কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতা হয়।

আলোচিত ওই ঘটনায় বেশ কয়েকজন হতাহত হয়। পুড়িয়ে দেয়া হয় পূজামণ্ডপসহ ঘরবাড়ি। এ ঘটনায় দেশজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

নানুয়ার দীঘিরপাড়ের মণ্ডপের ওই ঘটনা নিয়ে নিউজবাংলা ধারাবাহিক অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশ করে। কারা এই মণ্ডপে পবিত্র কোরআন রেখেছিল, কিভাবে এই ঘটনার শুরু তা ভিডিও ফুটেজসহ প্রকাশ করে বেশ আলোচনায় ছিল অনলাইন নিউজপোর্টালটি।

গত বছরের অনাকাঙ্ক্ষিত ওই ঘটনার জের ধরে নানুয়ার দীঘিরপাড়ে এবার পূজার আয়োজন হবে কিনা তা নিয়ে কয়েক মাস ধরে সংশয়ে ছিল নগরীর সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। তবে শেষ পর্যন্ত এই মণ্ডপে পূজার আয়োজন হচ্ছে এবং তা বেশ ঘটা করেই।

অতীতের ঘটনাকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে প্রশাসনও এবার এ মণ্ডপের নিরাপত্তায় সচেষ্ট হয়েছে।

বুধবার কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.ক.ম বাহাউদ্দীন বাহার বলেন, ‘সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করেই এ বছর নানুয়ার দিঘিরপাড়ে পূজা হবে। কেউ ষড়যন্ত্র করলে সে পালিয়ে বাঁচতে পারবে না।’

সরেজমিনে বুধবার দেখা যায়, নানুয়ার দীঘিরপাড় মণ্ডপে পূজা আয়োজন নিয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন মণ্ডপ কমিটির সদস্য রাজিব সাহা।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘শুক্রবার থেকে মণ্ডপ তৈরির কাজ চলছে। সবাই খুব আনন্দে আছে। আমরা পুরনো ব্যথা ভুলে গিয়ে পূজার আনন্দে মেতে উঠতে চাই।’

দর্পণ সংঘ পূজা উদযাপন কমিটির ব্যানারে ১৯৬৬ সাল থেকে নানুয়ার দীঘিরপাড়ে দুর্গাপূজার আয়োজন হয়ে আসছে। স্বাধীনতা-পরবর্তী ও নব্বই দশকের কয়েক বছর ছাড়া নিয়মিতই এখানে অস্থায়ী মণ্ডপ তৈরি করে পূজার উদযাপন করে আসছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

দর্পণ সংঘ পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি অচিন্ত্য দাস টিটু বলেন, ‘এ বছর নানুয়ার দীঘিরপাড়ে পূজা মণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকবে। এছাড়াও কমিটির ২১ জনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে মণ্ডপ পাহারা দেয়ার। এ বছর মণ্ডপের বাইরে কোনো থিম থাকবে না।’

কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান বলেন, ‘পূজায় নিরাপত্তা দিতে কয়েক স্তরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। কেউ কোনো ধরনের নাশকতা করে পালিয়ে যেতে পারবে না।’

কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, ‘এবার নানুয়ার দীঘির পাড়সহ জেলার সবক’টি পূজামণ্ডপে সর্বোচ্চ সতর্কতা থাকবে। সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের পাশাপাশি আনসার সদস্যদের দিয়ে সার্বক্ষণিক পাহারাসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, এ বছর কুমিল্লা সিটি করপোরেশনসহ পুরো জেলায় ৭৯৫টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গা পূজার আয়োজন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
দেশে এ বছর পূজামণ্ডপ বেড়েছে ৫০টি
তুমব্রু সীমান্তে দুর্গোৎসব নিয়ে উৎকণ্ঠা
ষষ্ঠীর বোধনে দুর্গাপূজা শুরু সোমবার
শারদীয় দুর্গাপূজা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি
পূজা নিয়ে অপপ্রচার মূল জনগোষ্ঠীর কাজ না: ডিএমপি কমিশনার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There is no CCTV camera in the village hall

গ্রামের মণ্ডপে বসছে না সিসিটিভি ক্যামেরা

গ্রামের মণ্ডপে বসছে না সিসিটিভি ক্যামেরা দুর্গাপূজার একটি মণ্ডপ। ছবি: নিউজবাংলা
পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মণ্ডপে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। কিন্তু আর্থিক সংগতি না থাকায় গ্রামাঞ্চলে অনেক মণ্ডপেই তা হচ্ছে না। সেক্ষেত্রে রাষ্ট্র ব্যবস্থা নিলেই কেবল সম্ভব হবে।’

রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে এবার ৩২ হাজার ১৬৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মণ্ডপগুলোতে জোরদার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত বছরের মতো এবারও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। সার্বক্ষণিক নজরদারির স্বার্থে মণ্ডপকেন্দ্রিক সিসিটিভি ক্যামেরাও বসছে। তবে গ্রামের মণ্ডপগুলোতে এই নিরাপত্তা সুবিধা থাকছে না।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে এমনটা জানিয়ে বলা হয়েছে, শহরকেন্দ্রিক মন্দিরগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরাসহ সব ধরনের নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে। তবে আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে গ্রামাঞ্চলের পূজামণ্ডপগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো সম্ভব হবে না।

পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের তো আর আশঙ্কা করলে চলবে না। আমরা আশাবাদী। সরকার আন্তরিক, প্রশাসনও আন্তরিক। আমাদের দিক থেকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি আছে।

‘সার্বিক নিরাপত্তা বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছি। আর সিসিটিভি ক্যামেরার ক্ষেত্রে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। সব মণ্ডপে এই নজরদারির ব্যবস্থাটা রাখতে বলেছি। এটা সবাই যে পারবে তা না। কারণ গ্রামাঞ্চলে সবার আর্থিক সংগতি থাকে না।

গ্রামের মণ্ডপে বসছে না সিসিটিভি ক্যামেরা

ঝালকাঠিতে একটি পূজামণ্ডপ। ছবি: নিউজবাংলা

‘৩২ হাজারের বেশি মণ্ডপে এবার পূজা হচ্ছে। সব মণ্ডপে এটা থাকলে ভালো। কিন্তু গ্রামাঞ্চলে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করাটা সংশ্লিষ্ট আয়োজকদের জন্য কঠিন হবে।’

পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে সব জায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন সম্ভব হবে না উল্লেখ করে চন্দ্রনাথ পোদ্দার বলেন, ‘এক্ষেত্রে রাষ্ট্র ব্যবস্থা নিতে পারলে তবেই সম্ভব হবে। এটা ডিসি, এসপি বা উপজেলা থেকে বাস্তবায়ন হলে ভালো হবে।’

এর আগে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জে এল ভৌমিক বলেন, ‘সারা দেশে ৩২ হাজার ১৬৮টি পূজামণ্ডপের সুরক্ষা দেয়াটা খুব কঠিন। তাই আমরা এ বছর প্রতিটি মন্দিরে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করছি, যারা রাতেও মণ্ডপ পাহারা দেবে।’

পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ‘সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হলেও যে হামলা হবে না এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। প্রতিবছর ধর্মীয় এই উৎসব শুরু হওয়ার আগে এক ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়। কিন্তু এটি তো কাম্য নয়। বাস্তবতা হলো, যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করবে তারা সিসিটিভি ক্যামেরা নষ্ট করেও তা করতে পারে।’

গ্রামের মণ্ডপে বসছে না সিসিটিভি ক্যামেরা

দুর্গা প্রতিমা তৈরি করেন দিনাজপুরের কারিগররা। ছবি: নিউজবাংলা

সরকারের ওপর আশা রেখে পূজার কার্যক্রম এগুচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা, এবার পূজা আয়োজন সুন্দর ও আনন্দময় হবে।’

প্রসঙ্গত, গত বছর সারাদেশে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়ে শারদীয় উৎসব শুরু হয়। সার্বিক পরিস্থিতিও ছিল সন্তোষজনক। এর মধ্যে কুমিল্লায় একটি মন্দিরে হনুমান মূর্তির পায়ের কাছে পরিবত্র কোরআন শরীফ রাখার মতো একটি ঘটনা কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে তা প্রাণঘাতী অবস্থায় রূপ নেয়। নিহত হন পাঁচজন। ওই সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনাও ঘটে। হুমকিতে পড়ে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি।

জেলা শহরগুলোর মণ্ডপে নিরাপত্তা প্রস্তুতি

নিউজবাংলা সারা দেশে গ্রামের বেশকিছু মণ্ডপের প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করে দেখেছে যে আয়োজকদের পক্ষ থেকে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। অনেকে এই বিষয়ে জানেও না। এক্ষেত্রে আয়োজকরা আর্থিক অসঙ্গতির কথা তুলে ধরেছেন।

শহরকেন্দ্রিক মন্দিরগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো আছে বলে জানিয়েছে বিভিন্ন জেলার পূজা উদযাপন পরিষদ।

সিলেটে এবার ৬২১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা হচ্ছে। এর মধ্যে মহানগরে ১৫৫টি ও মহানগরের বাইরে জেলায় ৪৫৬টি। গত বছর সিলেট জেলায় মোট ৬০৫টি মণ্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়েছিল।

মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক রজত কান্তি গুপ্ত বলেন, ‘সব মণ্ডপে এবার সিসি ক্যামেরা লাগাতে বলা হয়েছে। কিন্তু অনেকের এই সামর্থ্য নেই। তবে যাদের সামর্থ্য আছে তারা ক্যামেরা লাগাবে। এছাড়া মণ্ডপগুলোতে সার্বক্ষণিক জেনারেটরের ব্যবস্থা থাকবে।’

মণ্ডপের নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক পুলিশ ও আনসার থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদেরও সতর্ক থাকতে হবে। গতবারের অপ্রীতিকর ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বুঝেছি, মণ্ডপের নিরাপত্তায় আমরা নিজেরাও উদাসীন ছিলাম। তাই মণ্ডপের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবার আয়োজকদের সংঘবদ্ধ থাকতে বলা হয়েছে।

‘গতবারের ঘটনার কারণে কিছুটা উদ্বেগ আছে। তবে করোনা বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ায় এবার আরও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন হবে বলে আশা করছি।

মণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সন্তুষ্ট চট্টগ্রাম জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ। সংগঠনটির সভাপতি শ্যামল কুমার পালিত বলেন, ‘চট্টগ্রাম জেলায় ২ হাজার ৬২টি ও মহানগরে ২৮২টি মণ্ডপে এবার দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আমরা প্রতিটি মণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, মণ্ডপে পুলিশ, স্বেচ্ছাসেবক আর আনসার রাখার কথা বলেছি। সরকার সেসব বাস্তবায়ন করছে।’

রংপুর জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ধীমান ভট্টাচার্য নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রংপুর জেলায় এবার পূজামণ্ডপ ৭৭৫টি, আর মহানগরে ১৫৮টি। আমরা প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে বৈঠক করেছি। তাদের পক্ষ থেকেও সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। সর্বোচ্চ গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে, যেটা এর আগে কখনও হয়নি। আমি মনে করি আমরা নির্বিঘ্নে উৎসব করতে পারব।’

ব‌রিশাল জেলা পূজা উদযাপন প‌রিষ‌দের সভাপ‌তি মানিক মুখার্জী কুণ্ডু ব‌লেন, ‘ব‌রিশাল জেলায় ৬০০ ও মহানগ‌রে ৪৫টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনু‌ষ্ঠিত হবে। সব ম‌ণ্ডপেই প্রস্তু‌তি সম্পন্ন হ‌য়ে‌ছে। কোনো ধর‌নের অপ্রী‌তিকর প‌রি‌স্থি‌তি এড়া‌তে সব মন্ড‌পে সি‌সিটিভি ক‌্যা‌মেরা স্থাপ‌নের নি‌র্দেশ দেয়া হ‌য়ে‌ছে।’

মহানগর পূজা উদযাপন প‌রিষ‌দের সাধারণ সম্পাদক চঞ্চল দাস পাপ্পা ব‌লেন, ‘নগরীর বর্ডার এলাকাগু‌লো‌তে যে পূজা মণ্ডপগু‌লো র‌য়ে‌ছে সেগু‌লো‌তে আমা‌দের বি‌শেষ নজরদা‌রি র‌য়ে‌ছে‌। ম‌ন্দির ক‌মি‌টিগু‌লোর নেতা‌দের সতর্ক থাক‌তে বলা হ‌য়ে‌ছে।’

পি‌রোজপু‌রের মঠবা‌ড়িয়ার রাজ ম‌ন্দি‌রে দুর্গাপূজার আ‌য়োজক ডা. সুদীপ কুমার হালদার ব‌লেন, ‘পুলিশ ও প্রশাস‌নের সদস‌্যরা প্রতি‌নিয়ত মণ্ডপ প্রাঙ্গ‌ণে আস‌ছেন। কো‌নো ধর‌নের অপ্রী‌তিকর পরিস্থিতি এড়া‌তে আমরাও সতর্ক অবস্থা‌নে র‌য়ে‌ছি। ইতোমধ্যে ৫০‌টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হ‌য়ে‌ছে।’

বছর ঘুরে আবার এসেছে শারদীয় দুর্গোৎসব। ১ অক্টোবর শুরু হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় উৎসব। এর আগে রোববার মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার আগমনী বার্তা ধ্বনিত হয়েছে। আর ১ অক্টোবর ষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে দেবীকে আমন্ত্রণ জানানোর মাধ্যমে শুরু হবে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। ৫ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে দেবী বিসর্জনের মধ্য দিয়ে তা শেষ হবে।

[প্রতিবেদন তৈরিতে তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন সিলেট, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও রংপুর প্রতিনিধি]

আরও পড়ুন:
দুর্গাপূজা ঘিরে চট্টগ্রামের ডিসির হুঁশিয়ারি
পূজায় এবার যেতে হবে না ‘বাবার বাড়ি’
পূজা উদযাপন পরিষদের ১৪ দফা
পূজার গান ‘দেখা দাও মা’
দেবীপক্ষের সূচনা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chittagong DC warns around Durga Puja

দুর্গাপূজা ঘিরে চট্টগ্রামের ডিসির হুঁশিয়ারি

দুর্গাপূজা ঘিরে চট্টগ্রামের ডিসির হুঁশিয়ারি চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহরে মঙ্গলবার দুপুরে সম্প্রীতি শোভাযাত্রা বের করে জেলা প্রশাসন। ছবি: নিউজবাংলা
চট্টগ্রামের ডিসি বলেন, ‘এবার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করলে বিন্দুমাত্র ছাড় নেই। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড কঠোর হাতে দমন করা হবে। এ দেশে কোনো অপশক্তি যেনো মাথাচাড়া দিতে না পারে, সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’

দুর্গাপূজা ঘিরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টকারীদের বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মমিনুর রহমান।

চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহরে এলজিইডি মিলনায়তনে মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসন আয়োজিত সম্প্রীতি সমাবেশে এই হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

ডিসি বলেন, ‘কয়েক দিন পরই হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। এ উৎসব ঘিরে উন্নয়নবিরোধী একটি মহল দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। গত বছর দুর্গাপূজার সময় কুমিল্লায় ফেসবুকে অপপ্রচার চালিয়ে তারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চেয়েছিল, তা সফল হয়নি।

‘এবার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করলে বিন্দুমাত্র ছাড় নেই। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড কঠোর হাতে দমন করা হবে। এ দেশে কোনো অপশক্তি যেনো মাথাচাড়া দিতে না পারে, সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’

সমাবেশের শুরুতে বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা গড়ার শপথ বাক্য পড়ান জেলা প্রশাসক। পরে সম্প্রীতি শোভাযাত্রা বের করা হয়।

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ সমাবেশে বলেন, ‘শুধু দুর্গাপূজা নয়, কখনোই কোনো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়া যাবে না। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে। আগামি দুর্গাপূজায় কোনো বিশৃঙ্খল পরিবেশ থাকবে না। পূজামণ্ডপ ঘিরে কেউ নাশকতার পরিকল্পনা বা উসকানি দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. বদিউল আলম সমাবেশ সঞ্চালনা করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফফর আহমদ, জেলা ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার একেএম সরোয়ার কামাল দুলু, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মফিজুর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম এহেছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল।

আরও পড়ুন:
পূজায় এবার যেতে হবে না ‘বাবার বাড়ি’
দেবীপক্ষের সূচনা
পুরান ঢাকায় দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা
চলছে প্রতিমায় রং তুলির আচড়
পূজার ছুটিতেও পরীক্ষা নেবে ঢাবির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Saudi launched Nusuk with all the benefits of Hajj

হজের সব সুবিধা নিয়ে ‘নুসুক’ চালু করল সৌদি

হজের সব সুবিধা নিয়ে ‘নুসুক’ চালু করল সৌদি মুসলমানদের পবিত্র কাবাঘর। ছবি: সংগৃহীত
প্ল্যাটফর্মটির অফিসিয়াল টুইটার থেকে এক পোস্টে বলা হয়, ‘নুসুক হজযাত্রী ও ভ্রমণকারীদের অনেক বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ও সেবা দেবে। এ ছাড়া খুব সহজে ও স্বাচ্ছদ্যে ওমরাহ করার জন্য তথ্য দিয়ে সহায়তা করবে নুসুক।’

নতুন একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে সৌদি আরব সরকার। ভিশন-২০৩০ সামনে রেখে দেশটিতে হজযাত্রী এবং মক্কা ও মদিনা শহর ভ্রমণের বিভিন্ন সুবিধা দিতেই প্ল্যাটফর্মটি চালু করা হয়েছে বলে জানায় সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়।

যে কোনো বিষয়ের চেয়ে অনন্য প্ল্যাটফর্ম ‘নুসুক’ গতকাল সোমবার উন্মোচন করা হয়। এই প্ল্যাটফমটির মাধ্যমে এখন থেকে মক্কা ও মদিনায় ভ্রমণকারীরা তাদের নিজেদের পরিষেবার জন্য ওমরাহর ভ্রমণপথ নির্দিষ্ট করতে পারবেন।

ওয়েবসাইটটিতে বলা হয়, ‘নুসুকের মাধ্যমে ভ্রমণকারীরা খুব সহজেই সৌদিতে তাদের ভ্রমণকে সংগঠিত করতে পারবেন। এর মাধ্যমেই ই-ভিসায় আবেদন করা, হোটেল বুক করা এবং ফ্ল্যাইট বুক করার মতো সুবিধা পাবেন।’

এ ছাড়া ওয়েবসাইটটি ওমরাহ বা হজযাত্রীদের জন্য বিভিন্ন বিষয়ের বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, এটি আবাসন, ল্যান্ডমার্ক এবং পবিত্র সাইটগুলো ভ্রমণের ক্ষেত্রে তারা চাইলে সেগুলো তালিকায় যুক্ত করতে পারবেন।

বুকিং প্রক্রিয়া সহজ করতে ইন্টার‍্যাক্টিভ ম্যাপ ছাড়াও শহরে ভ্রমণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের পরিবহন সম্পর্কিত তথ্য ও সেবা পাবেন নুসুক থেকেই।

প্ল্যাটফর্মটির অফিসিয়াল টুইটার থেকে এক পোস্টে বলা হয়, ‘নুসুক হজযাত্রী ও ভ্রমণকারীদের অনেক বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ও সেবা দেবে। এ ছাড়া খুব সহজে ও স্বাচ্ছদ্যে ওমরাহ করার জন্য তথ্য দিয়ে সহায়তা করবে নুসুক।’

বিবৃতিতে জানানো হয়, প্ল্যাটফর্মটি হজ মন্ত্রণালয় দেশটির পর্যটন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করেছে।

নুসুক ডট এসএ (nusuk.sa) তাদের সার্ভিস প্রোভাইডারদের সঙ্গে এর একটি স্লোগান ঠিক করেছে। ‘ভিজিট সৌদি আরব’ স্লোগান নিয়ে ওমরাহযাত্রী ও সৌদির মক্কা ও মদিনা ভ্রমণকারীদের নানাবিধ সুবিধার প্যাকেজ দেবে।

হজ ও ওমরাহ এবং হজযাত্রীদের এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রাম কমিটির চেয়ারম্যান ড. তৌফিক বিন ফাউজান আল-রাবিয়াহ বলেন, ‘সবশেষ প্রযুক্তির সমন্বয়ে হজযাত্রী ও পর্যটকদের মানসম্মত পরিষেবা দিতে নুসুক প্ল্যাটফর্মটি আনা হয়েছে।’

পর্যটন মন্ত্রণালয়ের চেয়ারম্যান এবং সৌদি পর্যটন কর্তৃপক্ষের পরিচালক আহমেদ আল-খতিব বলেন, ‘নতুন এই প্ল্যাটফর্ম সৌদি আরবের ভিশন-২০৩০ বাস্তবায়নের মূল চাবিকাঠি। বিশ্বের সব মুসলিমদের সৌদিতে ওমরাহ ও হজের জন্য সুবিধা দিতেই এটির উন্মোচন করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
দুই ওমরাহর মধ্যে ব্যবধান ১০ দিন
চীনা টিকা নিলে ওমরাহে যেতে বাধা নেই
শিশু-কিশোর ও বৃদ্ধের ওমরাহ পালনে বাধা
ওমরাহ পালনে শর্ত কী, জানাল ধর্ম মন্ত্রণালয়
ওমরাহ পালনে করোনা টিকা নিতে হবে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
14 points of Puja celebration council

পূজা উদযাপন পরিষদের ১৪ দফা

পূজা উদযাপন পরিষদের ১৪ দফা চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে মঙ্গলবার সকালে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিল্লোল সেন উজ্জ্বল। ছবি: নিউজবাংলা
হিল্লোল সেন বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশা রাখি, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সার্বিক সহযোগিতা ও বলিষ্ঠ ভূমিকায় এবারের শারদোৎসব সুষ্ঠু ও শান্তি-শৃঙ্খলার বজায় রেখে উদযাপন হবে।’

সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় সারাদেশে ক্ষতিগ্রস্ত মন্দির ও ঘরবাড়ি সংস্কার এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণসহ ১৪ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে মঙ্গলবার সকালে সংবাদ সম্মেলনে ১৪ দফা দাবি তুলে ধরেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিল্লোল সেন উজ্জ্বল।

লিখিত বক্তব্যে হিল্লোল সেন উজ্জ্বল বলেন, ‘বিগত দিনে সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আবেদন ছিল সাম্প্রদায়িক ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে ব্যবস্থা নেয়ার। তারপরও দেশের কিছু কিছু স্থানে মৌলবাদী ধর্মান্ধ গোষ্ঠী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলা ও নির্যাতন চালিয়েছে। বিভিন্ন স্থানে জবরদখল, মন্দিরে হামলা, প্রতিমা ভাঙচুরের মত ন্যাক্কারজনক ঘটনা এখনও ঘটে চলেছে।

‘গত বছর ১৫ অক্টোবর বিজয়া দশমীর দিনে চট্টগ্রামের প্রধান পূজামণ্ডপ জেএম সেন হলে হামলা হয়। তখন সিসিটিভি ভিডিও ফুটেজ দেখে প্রায় ৭৬ জনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়। পূজা পরিষদের আইনি সেলের মাধ্যমে আদালতে জোরালো আবেদনের প্রেক্ষিতে আসামিরা দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। পরে উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে তারা একে একে বের হওয়ায় আমরা শঙ্কিত।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা পোস্ট দিয়ে সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা থেকে বিরত এবং সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

হিল্লোল সেন বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশা রাখি, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সার্বিক সহযোগিতা ও বলিষ্ঠ ভূমিকায় এবারের শারদোৎসব সুষ্ঠু ও শান্তি-শৃঙ্খলার বজায় রেখে উদযাপন হবে।’

তিনি জানান, বাঙালির দুর্গোৎসবকে ইউনেস্কো তাদের অধরা সংস্কৃতির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে স্বীকৃতি দিয়েছে। বাঙালির এ উৎসব একটি আন্তর্জাতিক উৎসবে রূপ নিয়েছে।

এবারও চট্টগ্রাম মহানগরের জেএমসেন হলসহ ১৬টি থানার ২৮৩টি পূজা মণ্ডপে ১ থেকে ৫ অক্টোবর পাঁচদিনব্যাপী দুর্গোৎসব উদযাপন হবে।

নগরীর সব মণ্ডপ ডিজেমুক্ত ও সিসি টিভি ক্যামেরার আওতায় আনা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পূজার আনুষ্ঠানিকতা রাত ১২টার মধ্যে শেষ করতে আয়োজকদের প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে।

৫ অক্টোবর দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে প্রতিমা বিসর্জন শেষ করার নির্দেশনা দেয়া আছে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাধন ধর, বিমল কান্তি দে, চন্দন তালুকদার, অর্পণ কান্তি ব্যানার্জী, সুমন দেবনাথ, শ্রীপ্রকাশ দাশ অসিত, প্রদীপ শীল, বিপ্লব চৌধুরী, মিথুন মল্লিক, সজল দত্ত, নটু চৌধুরী, বিপ্লব সেন।

আরও পড়ুন:
পূজার গান ‘দেখা দাও মা’
দেবীপক্ষের সূচনা
দেশে এ বছর পূজামণ্ডপ বেড়েছে ৫০টি
পুরান ঢাকায় দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা
তুমব্রু সীমান্তে দুর্গোৎসব নিয়ে উৎকণ্ঠা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The teenager was detained on charges of insulting religion

ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে কিশোর আটক

ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে কিশোর আটক
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিরাজুল বলেন, ‘নবীনগর এলাকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যেন নষ্ট না হয় এবং আসন্ন দুর্গাপূজার আনন্দ বিনষ্ট না হয় সে জন্য দ্রুত ওই কিশোরকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ।

উপজেলার নাটঘর এলাকা থেকে সোমবার বিকেল ৫টার দিকে ১৬ বছর বয়সী ওই কিশোরকে আটক করা হয়।

নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিরাজুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘নাটঘর গ্রামের এক সৌদিপ্রবাসী ফেসবুকে ইসলাম নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দেন। ওই কিশোর সেখানে অবমাননাকর কমেন্ট করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে সেখানে বিতণ্ডা হয়। পরে তাদের এ কথার স্ক্রিনশট গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ছড়িয়ে দেন কেউ। এতে উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে ওই কিশোরকে আটক করে নবীনগর থানা পুলিশ।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিরাজুল বলেন, ‘নবীনগর এলাকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যেন নষ্ট না হয় এবং আসন্ন দুর্গাপূজার আনন্দ বিনষ্ট না হয়, সে জন্য দ্রুত ওই কিশোরকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

আরও পড়ুন:
কোরআন নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে যুবক আটক
আল্লাহ ও নবীকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে যুবক আটক
প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, বিএনপি নেত্রী কারাগারে
কটূক্তির মামলায় কলেজছাত্র গ্রেপ্তার
পদ্মা সেতু নিয়ে কটূক্তি, বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Beginning of Devipaksha

দেবীপক্ষের সূচনা

দেবীপক্ষের সূচনা দেবীপক্ষ শুরু হয়েছে আজ ভোর থেকে। ফাইল ছবি
পঞ্জিকা অনুযায়ী, এ বছর দেবী দুর্গার আগমন গজ বা হাতিতে। এর ফলে বসুন্ধরা হবে শস্যপূর্ণ। আর দেবীর বিদায় হবে নৌকায়, যার অর্থ শস্য ও জলবৃদ্ধি। দেবীর এই আগমন ও গমনে যারা বিশ্বাস করেন, তাদের জন্য এ বছরটা সত্যিকার অর্থেই কল্যাণকর।

বাঙালি হিন্দুদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার পুণ্যলগ্ন মহালয়া আজ। ভোর থেকে শুরু হয়েছে দেবীপক্ষ।

আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষ তিথিকে বলা হয় ‘দেবীপক্ষ’। হিন্দুশাস্ত্র অনুযায়ী, এদিন কৈলাসের শ্বশুরালয় ছেড়ে সন্তানদের নিয়ে পৃথিবীতে আসেন দেবী দুর্গা। তখন থেকেই মণ্ডপে দুর্গাপূজার ক্ষণগণনা শুরু হয়।

এদিন অমাবস্যার শুরু এবং পরবর্তী পূর্ণিমায় কোজাগরী লক্ষ্মীপূজার মধ্য দিয়ে শেষ হয় দেবীপক্ষ। মহালয়ার পাঁচ দিন পর মহাষষ্ঠীতে শুরু হয় মূল দুর্গোৎসব।

পঞ্জিকা অনুযায়ী, এ বছর দেবী দুর্গার আগমন গজ বা হাতিতে। এর ফলে বসুন্ধরা হবে শস্যপূর্ণ। আর দেবীর বিদায় হবে নৌকায়, যার অর্থ শস্য ও জলবৃদ্ধি। দেবীর এই আগমন ও গমনে যারা বিশ্বাস করেন, তাদের জন্য এ বছরটা সত্যিকার অর্থেই কল্যাণকর।

পুরাণ অনুযায়ী, মহালয়ার দিনেই ব্রহ্মার কাছ থেকে মহিষাসুরকে বধ করার দায়িত্ব পান দেবী দুর্গা। ব্রহ্মার বরেই মহিষাসুর মানুষ ও দেবতাদের অজেয় হয়ে উঠেছিলেন। ফলে তাকে পরাজিত করার জন্য ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বর যে মহামায়ারূপী নারী শক্তি তৈরি করেন, তিনিই দেবী দুর্গা। দশভুজা দুর্গা টানা ৯ দিন যুদ্ধ করে মহিষাসুরকে বধ করেন।

মহালয়ার ভোরে চণ্ডীপাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দেবী দুর্গার আবাহন। আর এ চণ্ডীতেই আছে দেবী দুর্গার সৃষ্টির বর্ণনা ও তার প্রশস্তি।

মহালয়া উপলক্ষে মন্দিরে মন্দিরে নেয়া হয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচি। ঢাকা মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গনে কেন্দ্রীয় পূজামণ্ডপে, ঢাকার রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল, সিদ্ধেশ্বরী মন্দির, রমনা কালীমন্দির, স্বামীবাগের লোকনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম ও মন্দির, রামসীতা মন্দির, জয়কালী মন্দিরসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ভোরে চণ্ডীপাঠ, চণ্ডীপূজা ও বিশেষ পূজার মধ্য দিয়ে ঘট স্থাপন করা হয়।

এবার সারা দেশে দুর্গাপূজার মণ্ডপ ৩২ হাজার ১৬৮টি। গত বছরের তুলনায় এবার মণ্ডপ বেড়েছে ৫০টি। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরে ২৪১টি মণ্ডপে পূজা উদযাপন হবে।

আরও পড়ুন:
প্রতিমা শিল্পী সংকটে ঝালকাঠি
দুর্গাপূজায় মণ্ডপে ২৪ ঘণ্টা থাকবে আনসার
দুর্গাপূজার ব্যস্ততা শুরু কুমারটুলিতে
তথ্য প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য আগুন উসকে দেয়ার মতো
‘দেখিয়া শুনিয়া ক্ষেপিয়া গিয়াছি’

মন্তব্য

p
উপরে