× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
No goals in empty field A league wants good selection Kader
hear-news
player
google_news print-icon

খালি মাঠে গোল না, আ.লীগ চায় ভালো নির্বাচন: কাদের

খালি-মাঠে-গোল-না-আলীগ-চায়-ভালো-নির্বাচন-কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
‘নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হোক। আওয়ামী লীগ খালি মাঠে গোল দিতে চায় না। প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিশালী হলে নির্বাচনও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হবে। শেখ হাসিনা সরকার মনে-প্রাণে চায়, ভালো একটা নির্বাচন হোক।’

বিএনপিকে আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেয়ার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তারা খালি মাঠে গোল দিতে চান না। তারা চান একটি ভালো নির্বাচন।

ক্ষমতার মঞ্চে কোনো পরিবর্তন চাইলে নির্বাচন ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই বলেও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচন বর্জন করা বিএনপি আবারও সেই পথে হাঁটার ঘোষণা দিয়েছে। তারা ২০১৮ সালের ভোটে এলেও এবার পুরোনো দাবিতে ফিরে গেছে। নানা কর্মসূচি নিয়ে দলটি মাঠে সক্রিয় থাকা অবস্থায় ছড়িয়েছে সংঘাত, সহিংসতাও। পুলিশের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গেও প্রায়ই মারামারি হচ্ছে। পুলিশের গুলিতে ভোলায় দুজন আর নারায়ণগঞ্জে একজনের প্রাণহানি হয়েছে।

ওবায়দুল কাদের বিএনপিকে বলেন, ‘নির্বাচন খুব বেশি দূরে নয়। আপনারা জোট করুন বা নিজেরা একা আসুন, সেটা আপনাদের ব্যাপার। নির্বাচনে আসতে হবে, ক্ষমতার মঞ্চে কোনো পরিবর্তন চাইলে নির্বাচন ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হোক। আওয়ামী লীগ খালি মাঠে গোল দিতে চায় না। প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিশালী হলে নির্বাচনও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হবে। শেখ হাসিনা সরকার মনে-প্রাণে চায়, ভালো একটা নির্বাচন হোক।’

বিরোধী দল যাতে আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে, সে জন্য হামলা হচ্ছে বলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যেরও জবাব দেন কাদের। বলেন, ‘এ ধরনের বক্তব্য হাস্যকর, নির্লজ্জ মিথ্যাচার।

‘বিএনপি নেতারাই তো মাঠে নামতে ভয় পায়। আন্দোলনের ডাক দিয়ে তারা ঘরে বসে থাকে। অথচ আমরা বারবার চেয়ে এসেছি বিএনপি নির্বাচনে আসুক।’

সরকার কেন বিএনপিকে সহিংসতার দিকে ঠেলে দিতে যাবে- এ মন্তব্য করে ক্ষমতাসীন দলের নেতা বলেন, ‘কোনো সরকারি দল কি চায় দেশকে অস্থির করতে, দেশে সংঘাতপূর্ণ একটা পরিবেশ সৃষ্টি করতে? শেখ হাসিনা সরকার শান্তি ও স্বস্তি চায়।

‘আপনারা আন্দোলন করেন ভালো কথা। কিন্তু আন্দোলনের নামে সহিংসতা সৃষ্টি করলে জনগণের জানমাল রক্ষায় যা যা করা দরকার সরকার তাই করবে।’

শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা দেখে বিএনপি মনঃকষ্টে ভুগছে বলেও মনে করেন কাদের। বলেন, ‘বিএনপি বুঝে গেছে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে আগামী নির্বাচনে জনগণের ভোটে পরাজিত করা সম্ভব নয়।

‘শেখ হাসিনার জনকল্যাণমুখী রাজনীতি বিএনপির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎকে সংকটের মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। বিএনপি নেতারা বারবার ঐক্যের ডাক দিয়ে গলা শুকিয়ে ফেললেও জনগণ কিন্তু তাদের ডাকে সাড়া দিচ্ছে না। আর সে কারণেই তাদের মনঃকষ্ট বেড়েই চলেছে।’

আরও পড়ুন:
একই স্থানে বিএনপি-স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভায় প্রশাসনের মানা
আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্র পাথরঘাটা
‘সাইনবোর্ডের দল নিয়ে বিএনপির আন্দোলনে জনগণ সাড়া দেবে না’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
All the achievements of the country are for Awami League Palak

দেশের যা কিছু অর্জন, সবই আওয়ামী লীগের জন্য: পলক

দেশের যা কিছু অর্জন, সবই আওয়ামী লীগের জন্য: পলক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: নিউজবাংলা
পলক বলেন, ‘পদ-পদবি ক্ষণস্থায়ী। কিন্তু আওয়ামী লীগ নামের এই সংগঠন হচ্ছে স্থায়ী ঠিকানা। তাই যদি নিজেদের পদ ও স্বার্থের জন্য সংগঠনকে ভুলে যাই তাহলে পদও থাকবে না, আর সংগঠনও থাকবে না।’

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, আজকে এই বাংলাদেশের যা কিছু অর্জন, যা কিছু সাফল্য তার সব কিছুই দিয়েছে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ।

তিনি বলেন, ‘পদ-পদবি ক্ষণস্থায়ী। কিন্তু আওয়ামী লীগ নামের এই সংগঠন হচ্ছে স্থায়ী ঠিকানা। তাই যদি নিজেদের পদ ও স্বার্থের জন্য সংগঠনকে ভুলে যাই তাহলে পদও থাকবে না, আর সংগঠনও থাকবে না।’

তাই সংগঠনকে শক্তিশালী করতে জনগণের উন্নয়নে কাজ করতে হবে। সেই ধারা অব্যাহত রাখতেই যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত করতে হবে বলে জানান তিনি।

শনিবার বিকেলে সিংড়া উপজেলা কোর্ট মাঠে সিংড়া পৌর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

সিংড়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সিংড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফিকের সভাপতিত্বে সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে নেতারা বক্তব্য দেন।

এ সময় অন্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিংড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট শেখ ওহিদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ও সিংড়া পৌরসভার মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস।

২০১৩ সালে সিংড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দীর্ঘ ৯ বছর পরে শনিবার আবার এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সিংড়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ডালিম আহমেদ ডন ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেনের নাম ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন:
বিএনপি দেশকে সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য করতে চায়: নাছিম
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে মহিলা লীগের মারামারি
সহনশীলতা দুর্বলতা নয়: আ. লীগ
সংসদ উপনেতা: আলোচনায় আমু, তোফায়েল, মতিয়া
বাসায় ঢুকে আ.লীগ নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If the BNP comes to stop the election it will be prevented Who?

নির্বাচন রুখতে এলে প্রতিরোধ: কাদের

নির্বাচন রুখতে এলে প্রতিরোধ: কাদের রাজধানীর হাজারীবাগে শনিবার প্রতিবাদ-বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কেউ নির্বাচনে আসুক বা না আসুক সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে যথাসময়েই নির্বাচন হবে। নির্বাচনে আসা না আসা বিএনপির একান্ত নিজস্ব ব্যাপার। আওয়ামী লীগও চায় তারা নির্বাচনে আসুক। কিন্তু কাউকে জোর করে নির্বাচনে আনার দরকার নেই।’

বিএনপিকে নির্বাচনে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে অংশ নেয়া বিএনপির গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু তা না করে দলটি নির্বাচন প্রতিহত করার নামে অরাজকতা সৃষ্টি করলে বাংলার মানুষকে নিয়ে তাদের প্রতিরোধ করা হবে।

রাজধানীর হাজারীবাগে থানা আওয়ামী লীগ আয়োজিত ‘বিএনপি-জামায়াতের আগুন সন্ত্রাস, জ্বালাও-পোড়াও ও নৈরাজ্যের’ প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কেউ নির্বাচনে আসুক বা না আসুক সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে যথাসময়েই নির্বাচন হবে। আর এই নির্বাচন হবে সংবিধানসম্মতভাবে।

‘নির্বাচনে আসা না আসা বিএনপির একান্ত নিজস্ব ব্যাপার। আওয়ামী লীগও চায় তারা নির্বাচনে আসুক। কিন্তু কাউকে জোর করে নির্বাচনে আনার কোনো দরকার নেই।

‘গতবারও বিএনপি নির্বাচনে আসবে না আসবে না বলে গাধা পানি ঘোলা করে খায়-এর মতো নির্বাচনে এসেছিল।’

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে ৩০ আসনও পাবে না’- মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব জ্যোতিষবিদ হয়ে গেছেন? ২০০৮ সালেও বিএনপির নেত্রী বলেছিলেন যে আওয়ামী লীগ ৩০ আসনও পাবে না। কিন্তু ভোটে দেখা গেল উল্টো বিএনপিই ৩০ আসনও পায়নি। আগামী নির্বাচনের ফল কী হবে, তা একমাত্র সৃষ্টিকর্তা ও দেশের জনগণ জানে।

‘ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট হলে বিএনপির কপাল পুড়বে। তাই তারা এর বিরোধিতা করছে। বিএনপি হচ্ছে ভোট ডাকাতের সর্দার। তাই তারা ভোট ডাকাতি করার জন্য ইভিএমের বিরোধিতা করছে।’

হাজারীবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজি মোহাম্মদ সেলিমের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন, শাহাবুদ্দিন ফরাজি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, সংসদ সদস্য শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন ও নুরুল আমিন রুহুল।

আরও পড়ুন:
রাজপথ বিএনপির পৈতৃক সম্পত্তি নয়: কাদের
বিএনপি নিজেদের মারামারিতে সরকারকে দায় দিচ্ছে: কাদের
ভোটে ‘অযোগ্য’ বিএনপি পথ খুঁজছে ষড়যন্ত্রে: কাদের
র‌্যাবে নিষেধাজ্ঞায় যে ফখরুলরা, তার প্রমাণ বক্তব্যেই: কাদের
সংকটকে হাতিয়ার করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বিএনপি: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mirza Azam is getting the smell of domestic and foreign conspiracies

দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের ঘ্রাণ পাচ্ছেন মির্জা আজম

দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের ঘ্রাণ পাচ্ছেন মির্জা আজম শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় বক্তব্য দেন মির্জা আজম। ছবি: নিউজবাংলা
মির্জা আজম বলেন, ‘সরকারের বিরুদ্ধে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের ঘ্রাণ পাচ্ছি। আগামী নির্বাচন ঘিরে অনেক ষড়যন্ত্র প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। তারা ঘোষণা দিয়েই ষড়যন্ত্র করছে। আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে সেসব মোকাবিলা করতে হবে।’

সরকারের বিরুদ্ধে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের ঘ্রাণ পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম।

শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় তিনি এ কথা জানান।

মির্জা আজম বলেন, ‘সরকারের বিরুদ্ধে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের ঘ্রাণ পাচ্ছি। আগামী নির্বাচন ঘিরে অনেক ষড়যন্ত্র প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। তারা ঘোষণা দিয়েই ষড়যন্ত্র করছে। আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে সেসব মোকাবিলা করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর শেখ হাসিনা দেশে প্রত্যাবর্তন করেছিলেন বলেই দেশ পাকিস্তানের রূপ নেয়নি। উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন।’

সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীরপ্রতীক), নারায়ণগঞ্জের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী, সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল হাই ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ বাদল।

নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন ৩০ অক্টোবর নির্ধারণ হয় এ সভায়।

আরও পড়ুন:
ষড়যন্ত্রকারীরা পিছু হটতে শুরু করেছে
ষড়যন্ত্রকারীরা সাবধান!

মন্তব্য

বাংলাদেশ
I am getting the message that the next election will be violent and coercive

‘আগামী নির্বাচন হবে সহিংসতার-জবরদস্তির, মেসেজ পাচ্ছি’

‘আগামী নির্বাচন হবে সহিংসতার-জবরদস্তির, মেসেজ পাচ্ছি’ সন্ত্রাসী হামলায় পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া কর্মীকে দেখতে যান জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরসহ অন্যরা। ছবি: সংগৃহীত
জি এম কাদের বলেন, ‘চলমান সহিংস রাজনীতি আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য অশনিসংকেত। সহিংসতার মাধ্যমে, জোরজবরদস্তির একটি নির্বাচন হবে, সরকারি দল থেকে এমন মেসেজ আমরা পাচ্ছি। এটা দেশ ও জাতির জন্য দুঃখজনক।’

আগামী সংসদের জন্য সহিংসতার মাধ্যমে, জোর জবরদস্তির একটি নির্বাচন হবে, সরকারি দল থেকে এমন মেসেজ পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

সন্ত্রাসী হামলায় পা বিচ্ছিন্ন হওয়া জাতীয় পার্টির নেতা সফিকুল ইসলামকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দেখতে গিয়ে শনিবার দুপুরে সংবাদমাধ্যম কর্মীদের কাছে এমন মন্তব্য করেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান।

জি এম কাদের বলেন, ‘চলমান সহিংস রাজনীতি আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য অশনি সংকেত। সহিংসতার মাধ্যমে, জোর জবরদস্তির একটি নির্বাচন হবে, সরকারি দল থেকে এমন মেসেজ আমরা পাচ্ছি। এটা দেশ ও জাতির জন্য দুঃখজনক।’

তিনি বলেন, ‘কথা বলা, সভা সমাবেশ ও বিক্ষোভ প্রদর্শনের অধিকার থাকতে হবে। স্বাভাবিক রাজনীতি বাধাগ্রস্ত হলে সহিংস রাজনীতি আসে। যা দেশের জন্য অমঙ্গল বয়ে আনবে।’

এ সময় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান তোপ দাগেন সরকার দলীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর।

পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার তুষখালী ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলামকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কুপিয়ে পা-বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ তোলেন।

বলেন, ‘গেল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্থানীয়ভাবে সফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি শেষ সময় পর্যন্ত নির্বাচনে লড়েছে। ফলে, সরকার সমর্থকরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিততে পারেনি। নির্বাচনের পর থেকেই আওয়ামী লীগের হয়রানিমূলক মামলা ও হামলার শিকার হচ্ছেন জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা।’

তেমস একটি হয়রানিমূলক মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় সফিকুল ইসলামের ওপর হামলা হয়। তাকে সময় মতো হাসপাতালে না নেয়া হলে মৃত্যুর আশঙ্কা ছিল বলে জানান জি এম কাদের।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘তাকে আজীবন পঙ্গুত্বের অভিশাপ নিয়ে বাঁচতে হবে। আমরা দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

এ সময় জাতীয় পার্টির যুগ্ম কোষাধ্যক্ষ আবু তৈয়ব, যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম ও যুগ্ম যুব বিষয়ক সম্পাদক দীন ইসলাম শেখসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
রওশনকে অপসারণ: এবার পাল্টা চিঠি পাঠাবেন রাঙ্গা
গণমানুষের আস্থা হারালে আ.লীগের সঙ্গে নয়: জি এম কাদের
বিএনপি-জাতীয় পার্টি জোট নিয়ে প্রশ্ন এড়ালেন চুন্নু
ইসির রোডম্যাপ মূল্যহীন: চুন্নু
এরশাদ ট্রাস্টের সদস্য হলেন সাদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Whip Swajan apologized for the drivers excesses at the airport

বিমানবন্দরে চালকের বাড়াবাড়ি, ক্ষমা চাইলেন হুইপ স্বপন

বিমানবন্দরে চালকের বাড়াবাড়ি, ক্ষমা চাইলেন হুইপ স্বপন জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। ফাইল ছবি
শুক্রবার দেয়া স্ট্যাটাসে হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন লিখেছেন, ‘আমার অনুপস্থিতিতে গাড়ি রাখা নিয়ে আমার অফিসিয়াল ড্রাইভারের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচিত হয়েছে। আমি আমার অনুপস্থিতিতে আমার ড্রাইভারের ত্রুটির জন্য একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজেই ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনকে নিতে আসা গাড়ির চালকের বাড়াবাড়ি ও রাস্তা আটকে রাখার ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছেন তিনি নিজে।

গত বৃহস্পতিবার বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় হুইপের গাড়ির কারণে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন বিমানবন্দরে আসা যাত্রীরা। তখন গাড়িতে ছিলেন না স্বপন।

এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, অভ্যন্তরীণ একটি ফ্লাইটে আসা হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনকে নিতে বৃহস্পতিবার রাতে শাহজালাল বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের বাইরে অপেক্ষা করছিলেন তার গাড়ির চালক।

এ সময় বিমানবন্দরে যানবাহনের চাপ থাকায় চালককে গাড়িটি সরিয়ে নিতে অনুরোধ জানান নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এপিবিএন সদস্যরা। বারবার অনুরোধ করার পরেও হুইপের গাড়ি চালক তা সরাতে অনীহা প্রকাশ করেন। এপিবিএন সদস্যদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়াতেও দেখা যায় চালককে।

বিমানবন্দরে চালকের বাড়াবাড়ি, ক্ষমা চাইলেন হুইপ স্বপন

ঘটনার একদিন পর এর জন্য নিজের ফেসবুক পেজে ক্ষমা চেয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন।

শুক্রবার দেয়া এই স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘আমার অনুপস্থিতিতে গাড়ি রাখা নিয়ে আমার অফিসিয়াল ড্রাইভারের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচিত হয়েছে। ঘটনাস্থলে আমি উপস্থিত ছিলাম না, ঘটনাটি আমার কোনো রাজনৈতিক সহকর্মী বা সহকারী করেননি।

‘একজন ড্রাইভারের সঙ্গে সংঘটিত হয়েছে। সরকারি এই ড্রাইভার রাজনৈতিক নেতার ডিউটি না করলে সমস্যা হতো না। যেহেতু রাজনৈতিক নেতার ডিউটি করেন, সেহেতু সমালোচনার ঝড় ওঠা স্বাভাবিক।’

বিমানবন্দরে চালকের বাড়াবাড়ি, ক্ষমা চাইলেন হুইপ স্বপন
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ফাইল ছবি

তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমি যুক্ত না থাকলেও আমার নাম ব্যবহৃত হওয়ায় আমি প্রশ্নবিদ্ধ ও অভিযুক্ত হয়েছি। আমি ক্ষমতা প্রদর্শনের অপসংস্কৃতিতে আক্রান্ত নই। বরং বরাবরই জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মচারীরা যে জনগণ নিযুক্ত এবং কোনোভাবেই আমাদের মর্যাদা জনগণের ওপর নয়, সে বিষয়ে আমি সরব ভূমিকা পালন করে আসছি এবং নিজেও প্রতিপালন করি।

‘সুতরাং আমি আমার অনুপস্থিতিতে আমার ড্রাইভারের ত্রুটির জন্য একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজেই ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’

আরও পড়ুন:
যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
9000 crore EVM project is a waste of peoples tax money

‘৯ হাজার কোটির ইভিএম প্রকল্প মানুষের ট্যাক্সের টাকার অপচয়’

‘৯ হাজার কোটির ইভিএম প্রকল্প মানুষের ট্যাক্সের টাকার অপচয়’ বাম গণতান্ত্রিক জোটের মিছিল। ছবি: সংগৃহীত
দুর্গাপূজায় যেন কোনো ধরণের সাম্প্রদায়িক অপশক্তির আক্রমণ না আসে এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যাতে নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে সম্পন্ন করতে পারে তার জন্য সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান বাম জোটের নেতারা।

৯ হাজার কোটি টাকার ইভিএম প্রকল্প মানুষের ট্যাক্সের টাকার অপচয় উল্লেখ করে এই প্রকল্প বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাম গণতান্ত্রিক জোট।

বাম জোটের নেতারা বলেছেন, নির্বাচন কমিশন সরকারের ইচ্ছে পূরণে কাজ করতে গিয়ে জনগণের আকাঙ্খার বিপরীতে অবস্থান নিচ্ছে। সরকারের নীল নকশা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে দেশের রাজনৈতিক সংকট আরও গভীর করছে।

শুক্রবার বিকেলে পল্টন মোড়ে এক বিক্ষোভ সমাবেশে এই অভিযোগ করেন বাম জোটের নেতারা।

৯ হাজার কোটি টাকার ইভিএম প্রকল্প বাতিল, নির্দলীয় তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন, দমন-পীড়ন, মামলা, বিরোধী মতামত দমন বন্ধ, লুটের টাকা উদ্ধার ও দুর্নীতিবাজ লুটেরাদের বিচার, নিত্যপণ্যের দাম কমাও, মানুষ বাঁচাও-দাবি নিয়ে এই সমাবেশ করেন বাম জোটের নেতাকর্মীরা।

জোটের নেতারা বলেন, দেশের মানুষ এমন একটা পরিবেশ চায় যেখানে তারা নিরাপদে ভোট দিতে পারবে, কিন্তু দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে ভোটারদের কোন নিরাপত্তা থাকবে না। আমরা দলীয় সরকারের অধীনে কোন নির্বাচন চাই না।

বক্তারা নির্বাচনের সময় সংসদ বাতিল ও সরকারের পদত্যাগ করতে হবে বলে দাবি জানান সমাবেশ।

তারা বলেন, নির্বাচন কমিশন দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন আয়োজনে তোড়জোড় করছে, একটা পূর্ব নির্ধারিত ফলাফলের জন্য নির্বাচন এর আনুষঙ্গিকতা করতে চাইছে।

বক্তারা দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের আয়োজনকে রুখে দাঁড়াতে জনগণের প্রতি আহবান জানান।

নির্বাচন কমিশন জনগণকে প্রতিপক্ষ বানাচ্ছে যার জবাব জনগণ দেবে বলে জানান।

দেশের মানুষ ইভিএম চাইছে না, কারণ এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন আছে। এর আগে জনগণের টাকায় কেনা ২৮ হাজার ইভিএম নষ্ট হয়ে পড়ে আছে কিন্তু তারপরও সরকারের আকাঙ্খা পূরণে ৯ হাজার কোটি টাকা খরচের প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে, যা পুরোটাই অপচয় বলে উল্লেখ করেছেন নেতারা।

সমাবেশে বলা হয়, ‘ইডেন কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ এমন কোনো অপরাধ নেই যা করছে না, কিন্তু আইনের আওতায় না আনার একমাত্র কারন তারা আওয়ামী শাসনের সহযোগী।’

বক্তারা ইডেন কলেজের ছাত্রলীগের সভাপতি, সেক্রেটারিসহ অপরাধীদের গ্রেপ্তার দাবি করেন।

সমাবেশে জোট নেতারা আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে হিন্দু ধর্মাবলবম্বীদের আসন্ন দুর্গাপূজার জন্য বানানো প্রতিমা ভাঙচুরের খবর আসছে।

দুর্গাপূজায় যেন কোনো ধরণের সাম্প্রদায়িক অপশক্তির আক্রমণ না আসে এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যাতে নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে সম্পন্ন করতে পারে তার জন্য সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তারা।

পাশাপাশি সরকারকে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

বাম গণতান্ত্রিক জোটের অন্যতম নেতা ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলমের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, বাংলাদেশের সামজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাক সবুজ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলী।

আরও পড়ুন:
টায়ার পোড়ানোর অভিযোগে ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আটক
হরতাল: পল্টনে বাম জোটের মিছিল-অবস্থান
দেশবাসীকে হরতাল পালনের আহ্বান বাম জোটের
বাম জোটের নতুন সমন্বয়ক প্রিন্স
বাম ভাইদের সম্মান করি: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Elections will not be allowed without supervisor Fakhrul

তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচন হতে দেয়া হবে না: ফখরুল

তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচন হতে দেয়া হবে না: ফখরুল গাজীপুরের কাপাসিয়ার ঘাগটিয়া চালা ময়দানে প্রয়াত বিএনপি নেতা আ স ম হান্নান শাহর ষষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকীতে মির্জা ফখরুল। ছবি: নিউজবাংলা
‘নির্বাচনকালীন সময়ে যদি দলীয়, বিশেষ করে আওয়ামী লীগের সরকার থাকে, তাহলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। সেই কারণে আমরা বলছি, নির্বাচন যদি হতে হয়, তাহলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হতে হবে। অন্যথায় কোনো নির্বাচন এই বাংলাদেশের মাটিতে হবে না, নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া এদেশে কোনো নির্বাচন হবে না।’

বিএনপি স্পষ্টত দশম সংসদ নির্বাচনের আগের অবস্থানে ফিরে গেছে। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি পূরণ না হলে আগামী নির্বাচন হতে দেয়া হবে না।

এই দাবি আদায়ে বিএনপির আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আন্দোলন চলবে এই সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত।’

শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের কাপাসিয়ার ঘাগটিয়া চালা ময়দানে প্রয়াত বিএনপি নেতা আ স ম হান্নান শাহর ষষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকীতে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন ফখরুল।

২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনের আগেও এই অবস্থান ছিল দলটির। সেই ভোট ঠেকাতে সহিংস আন্দোলনও করে তারা। তবে ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনেই ভোটে আসে তারা। এবার আবার পুরনো দাবিতে ফিরে গেছে।

বিএনপি নেতা বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সময়ে যদি দলীয়, বিশেষ করে আওয়ামী লীগের সরকার থাকে, তাহলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। সেই কারণে আমরা বলছি, নির্বাচন যদি হতে হয়, তাহলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হতে হবে। অন্যথায় কোনো নির্বাচন এই বাংলাদেশের মাটিতে হবে না, নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া এদেশে কোনো নির্বাচন হবে না।’

বিএনপির এই বক্তব্যের বিপরীতে আওয়ামী লীগ যা বলছে, সেটা হলো এই সরকার ব্যবস্থা ফেরানো সম্ভব নয়। ফলে দশম সংসদ নির্বাচনের আগের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় কি না, তা নিয়ে কথা উঠেছে।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর উচ্চ আদালতে একটি রিটের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়। এরপর সরকার নির্বাচিত সরকারের অধীনে ভোটের ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, উচ্চ আদালতে মীমাংসা হয়ে যাওয়ায় এখন আর কিছু করা সম্ভব নয়।

ফখরুল অবশ্য ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের এসব বক্তব্যকে অসার বলেছেন। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ জানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে জীবনেও ক্ষমতায় আসতে পারবে না। তত্ত্বাবধায়কের অধীনে তারা ২০টি আসনও পাবে না। তাই তারা বলছে, তত্ত্বাবধক সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না। আমাদের কথাও পরিস্কার তত্ত্বাবধায়ক সরকার হতে হবে, তা না হলে কোন নির্বাচন হবে না।’

বিএনপি নেতা বলেন, ‘এই সরকার আদালতকে কুক্ষিগত করেছে। যারা ব্যাংক ডাকাতি করছে, মানুষ খুন করছে তাদেরকে সঙ্গে সঙ্গে জামিন দেয়া হচ্ছে। অথচ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে আটক রেখে জামিন দেয়া হচ্ছে না। কারণ, তিনি জামিনে বাইরে বের হয়ে আসলে, হ্যামিলনের বংশিবাদকের মতো হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ মানুষ বের হয়ে আসবে আর এই সরকারের গদি উল্টে যাবে।’

গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলনের সভাপতিত্বে ও কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আজিজুর রহমানের সঞ্চালনায় জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক হান্নান শাহের ছেলে শাহ রিয়াজুল হান্নান, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, কামরুজ্জামান রতন, সহ সাংগঠনিক বেনজির আহমেদ টিটু, হুমায়ুন কবির খান, রফিকুল ইসলাম, কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুল,মেয়র মুজিবুর রহমান, ওমর ফারুকও বক্তব্য রাখেন।

এর আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে মরহুম হান্নান শাহ'র আত্মার শান্তি কামনা করে কবর জিয়ারত করেন।

আরও পড়ুন:
পুলিশ শুধু বিরোধী দলের লাঠি দেখে: দুদু
লাঠি নিয়ে এলে খবর আছে: কাদের
বিএনপির আন্দোলনে সারা দেশে গণজোয়ার: গয়েশ্বর
ইডেন কলেজ কলঙ্কিত করেছে আ.লীগ: রিজভী
এবার রাজপথে বিএনপির টানা দুই মাসের কর্মসূচি

মন্তব্য

p
উপরে