× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Myanmar army peeks at Sunsan border
hear-news
player
print-icon

সুনসান সীমান্তে মিয়ানমার সেনার উঁকিঝুঁকি

সুনসান-সীমান্তে-মিয়ানমার-সেনার-উঁকিঝুঁকি
সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার সেনাদের টহল দিতে দেখা গেছে। ছবি: নিউজবাংলা
বিদ্রোহী দমনে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘর্ষ হলেও একের পর এক ভারী গোলাবারুদ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নিক্ষিপ্ত হওয়ায় রাষ্ট্রীয় উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

গত শনিবার ভয়াবহ পরিস্থিতির সাক্ষী হয়েছে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তের মানুষ। ভারী অস্ত্র আর গোলাবারুদের মুহুর্মুহু আওয়াজে আতঙ্ক বিরাজ করছিল সেখানকার বাসিন্দাদের মধ্যে।

রোববার ওপার থেকে ভেসে আসেনি কোনো গোলাবারুদের শব্দ। আকাশে চক্কর দেয়নি কোনো যুদ্ধবিমানও। সুনসান নীরবতা ছিল দিনভর। তবে কাঁটাতারের ওপারে মিয়ানমারের ভেতর সেনাদের টহল দিতে দেখা গেছে। বাংলাদেশের দিকে তাদের ছিল সতর্ক দৃষ্টি।

এর আগে গত শনিবার আকাশ সীমানায় মিয়ানমারের যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টারের ভয়াবহ তাণ্ডব দেখেছে এপারের মানুষ। তারা জানিয়েছেন, ২৮ আগস্টের পর শনিবারও দুটি মর্টার শেল এসে বাংলাদেশের অংশে পড়েছে। তাই নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি হয় সবার মাঝে।

শনিবার বিকেলে ঘুমধুম ইউনিয়নের বাইশপারি সীমান্ত এলাকায় ওই দুটি মর্টার শেল এসে পড়ে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় বাইশপারি এলাকার সুউচ্চ পাহাড়ের চূড়ায় উঠে দেখা গেছে সেই দিনের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ জানান, রোববার গোলাগুলির শব্দ না শোনা গেলেও তাদের মধ্যে আতঙ্ক কাটেনি। তবে অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিদ্রোহী দমনে মিয়ানমারের অভ্যন্তরের সংঘর্ষ হলেও একের পর এক ভারী গোলাবারুদ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নিক্ষিপ্ত হওয়া রাষ্ট্রীয় উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

আরও পড়ুন:
মর্টার শেল: মিয়ানমারকে সতর্ক করবে বাংলাদেশ
বাংলাদেশের মাটিতে মিয়ানমারের মর্টারশেল
মিয়ানমার জেনারেলদের আসিয়ানের বৈঠকে যেতে মানা
মিয়ানমারে জরুরি অবস্থা আরও ৬ মাস
মিয়ানমারকে চাপ দিতে চীনের প্রতি আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Maryam Mannan is also involved in hiding the mother

মায়ের আত্মগোপনে মরিয়ম মান্নানও জড়িত!

মায়ের আত্মগোপনে মরিয়ম মান্নানও জড়িত! মা রহিমা বেগমের (বাঁয়ে) সন্ধান চেয়ে মরিয়ম মান্নানের কান্নার ছবি ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ছবি: সংগৃহীত
দৌলতপুর থানার এক কর্মকর্তার দাবি, ‘জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে রহিমা ও তার মেয়েরা অপহরণের নাটক সাজান। রহিমা আত্মগোপনে যাওয়ার পর অজ্ঞাতপরিচয় যেকোনো নারীর মরদেহকে মায়ের বলে দাবি করার পরিকল্পনাও সাজিয়ে রেখেছিলেন তার মেয়েরা।’

খুলনার মহেশ্বরপাশা থেকে নিখোঁজ রহিমা বেগমকে অক্ষত অবস্থায় ফরিদপুরে উদ্ধার করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। মায়ের নিখোঁজের তথ্য জানিয়ে প্রায় এক মাস ধরে তার সন্ধান করছিলেন তার মেয়ে মরিয়ম মান্নান। মরিয়মের কান্নার ছবি ছুঁয়ে যায় সবাইকে।

তবে রহিমা বেগমকে উদ্ধারের পর পুলিশ বলছে, তিনি স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন। মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা খুলনার দৌলতপুর থানার এসআই লুৎফুল হায়দার তাকে উদ্ধারের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

ফরিদপুরের বোয়ালমারী থানার ওসি আব্দুল ওহাব জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রাম থেকে রহিমা বেগমকে উদ্ধার করা হয়। তাকে খুলনায় পাঠানো হচ্ছে।

পুলিশের একটি দল রাত ২টার দিয়ে রহিমা বেগমকে নিয়ে খুলনার দৌলতপুর থানায় পৌঁছায়।

মায়ের আত্মগোপনে মরিয়ম মান্নানও জড়িত!
রহিমা বেগমকে নিয়ে গভীর রাতে ফরিদপুর থেকে খুলনা পৌঁছায় পুলিশের একটি দল

পুলিশ জানায়, রহিমা বেগমের খুলনার বাড়িতে বেশ কয়েক বছর আগে কুদ্দুস মোল্লা নামে এক ব্যক্তি ভাড়া থাকতেন। তার বাড়ি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুরে। ওই বাড়িতেই রহিমা বেগম আত্মগোপনে ছিলেন।

দৌলতপুর থানার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা দাবি করেন, ‘জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে রহিমা ও তার মেয়েরা অপহরণের নাটক সাজান। রহিমা আত্মগোপনে যাওয়ার পর অজ্ঞাতপরিচয় যেকোনো নারীর মরদেহকে মায়ের বলে দাবি করার পরিকল্পনাও সাজিয়ে রেখেছিলেন তার মেয়েরা।’

এর আগে গত শুক্রবার ময়মনসিংহে ১২ দিন আগে উদ্ধার করা একটি মরদেহকে মায়ের বলে দাবি করেছিলেন মরিয়ম মান্নানসহ রহিমা বেগমের তিন মেয়ে।

খুলনার দৌলতপুর মহেশ্বরপাশার বণিকপাড়া থেকে গত ২৭ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিখোঁজ হন রহিমা। সেসময় রহিমার দ্বিতীয় স্বামী বিল্লাল হাওলাদার ওই বাড়িতে ছিলেন। পানি আনতে বাসা থেকে নিচে নেমেছিলেন রহিমা।

এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই অপহরণ মামলা করেন রহিমা বেগমের মেয়ে আদুরী।

খোঁজ না পাওয়ায় পরদিন রহিমার ছেলে মো. মিরাজ আল সাদী দৌলতপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

রহিমা অপহৃত হয়েছেন দাবি করে ১ সেপ্টেম্বর খুলনায় সংবাদ সম্মেলন করেন পরিবারের সদস্যরা।

রহিমার সঙ্গে জমি নিয়ে স্থানীয়দের মামলা চলছে বলেও সে সময় জানানো হয়েছিল। রহিমার করা সেই মামলায় আসামিরা হলেন প্রতিবেশী মঈন উদ্দিন, গোলাম কিবরিয়া, রফিুকল ইসলাম পলাশ, মোহাম্মাদ জুয়েল ও হেলাল শরীফ।

আদালত ১৪ সেপ্টেম্বর রহিমা অপহরণ মামলা পিবিআইতে পাঠানোর আদেশ দেয়। এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর নথিপত্র বুঝে নেয় পিবিআই।

এরই মধ্যে গত বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহে ১২ দিন আগে উদ্ধার করা এক নারীর মরদেহকে রহিমা বেগমের বলে দাবি করেন তার মেয়েরা। এদিন রাত পৌনে ১২টার দিকে মরিয়ম মান্নান ফেসবুক এক পোস্টে বলেন, ‘আমার মায়ের লাশ পেয়েছি আমি এই মাত্র।’

পরদিন সকালে নিখোঁজ রহিমার মেয়ে মরিয়ম মান্নান, মাহফুজা আক্তার ও আদুরী আক্তার ফুলপুর থানায় পৌঁছান।

এ সময় পুলিশ অজ্ঞাত ওই নারীর ছবিসহ পরনে থাকা আলামতগুলো মেয়েদের দেখান। মরিয়ম মান্নান তার মায়ের ছবিসহ সালোয়ার-কামিজ দেখে দাবি করেন, এটিই তার মায়ের মরদেহ।

মরিয়ম মান্নান সে সময় সাংবাদিকদের বলেন, ‘২৭ দিন ধরে আমার মা নিখোঁজ। আমরা প্রতিনিয়ত মাকে খুঁজছি। এরই মধ্যে গত ১০ সেপ্টেম্বর ফুলপুর থানায় অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে আমরা এখানে এসেছি। সালোয়ার-কামিজ ছাড়াও ছবিতে আমার মায়ের শরীর, কপাল ও হাত দেখে মনে হয়েছে এটাই আমার মা।’

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে মরিয়মকে জানানো হয়, ডিএনএ টেস্ট ছাড়া মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

ফুলপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল মোতালেব চৌধুরী শুক্রবার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মরিয়মের মায়ের বয়স ৫৫ বছর। আমরা যে গলিত মরদেহটি উদ্ধার করেছি, তার আনুমানিক বয়স ২৮ থেকে ৩২ বছর মনে হচ্ছে। এসব দিক বিবেচনায় মরদেহটি তার মায়ের নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।’

আরও পড়ুন: বস্তাবন্দি মরদেহ মরিয়ম মান্নানের মায়ের কি না সংশয়

ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত ১০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বওলা ইউনিয়নের পূর্বপাড়া গ্রাম থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটির পরনে তখন গোলাপি রঙের সালোয়ার; গায়ে সুতির ছাপা গোলাপি, কালো-বেগুনি ও কমলা রঙের কামিজ এবং গলায় গোলাপি রঙের ওড়না প্যাঁচানো ছিল। পরে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করতে না পেরে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে ১২ সেপ্টেম্বর দাফন করা হয়। ডিএনএ টেস্ট করতে প্রয়োজনীয় আলামতও সংরক্ষণ করা হয়েছে।’

ওসি বলেন, ‘মরিয়ম মান্নান ওই মরদেহটি তার মা রহিমার দাবি করলেও নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করতে পারেননি। চূড়ান্তভাবে মরদেহ শনাক্তে মরিয়মের ডিএনএ টেস্ট করা প্রয়োজন।’

আরও পড়ুন:
কারা অপহরণ করেছিল, জানেন না অপহৃত দুজন
টেকনাফে অপহৃত ৪ জন উদ্ধার, গ্রেপ্তার যুবক
শিশু অপহরণের দায়ে স্বামী-স্ত্রীর ১৪ বছরের কারাদণ্ড
টেকনাফে ২ যুবক অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি
বস্তাবন্দি জীবিত কিশোরী উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার নারী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Maryams mother was rescued in hiding

মরিয়ম মান্নানের মাকে উদ্ধার, ছিলেন আত্মগোপনে

মরিয়ম মান্নানের মাকে উদ্ধার, ছিলেন আত্মগোপনে মা রহিমা বেগমের (বাঁয়ে) সন্ধান চেয়ে মরিয়ম মান্নানের কান্নার এ ছবি ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ছবি: সংগৃহীত
মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা খুলনার দৌলতপুর থানার এসআই লুৎফুল হায়দার রহিমা বেগমকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন। ফরিদপুরের বোয়ালমারী থানার ওসি আব্দুল ওহাব জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রাম থেকে রহিমা বেগমকে উদ্ধার করা হয়।

খুলনার মহেশ্বরপাশায় নিখোঁজ রহিমা বেগমকে অক্ষত অবস্থায় ফরিদপুর থেকে উদ্ধার করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। মায়ের নিখোঁজের তথ্য জানিয়ে প্রায় এক মাস ধরে তার সন্ধান করছিলেন তার মেয়ে মরিয়ম মান্নান। মরিয়মের কান্নার ছবি ছুঁয়ে যায় সবাইকে।

তবে রহিমা বেগমকে উদ্ধারের পর পুলিশ বলছে, তিনি নিজেই স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন।

মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা খুলনার দৌলতপুর থানার এসআই লুৎফুল হায়দার তাকে উদ্ধারের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

ফরিদপুরের বোয়ালমারী থানার ওসি আব্দুল ওহাব জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রাম থেকে রহিমা বেগমকে উদ্ধার করা হয়। তাকে খুলনায় পাঠানো হচ্ছে।

পুলিশের একটি দল রাত ২টার দিয়ে রহিমা বেগমকে নিয়ে খুলনার দৌলতপুর থানায় পৌঁছায়।

মরিয়ম মান্নানের মাকে উদ্ধার, ছিলেন আত্মগোপনে
মরিয়ম বেগমকে নিয়ে গভীর রাতে ফরিদপুর থেকে খুলনা পৌঁছায় পুলিশের একটি দল

এর আগে গত শুক্রবার ময়মনসিংহে ১২ দিন আগে উদ্ধার করা একটি মরদেহকে মায়ের বলে দাবি করেছিলেন মরিয়ম মান্নানসহ রহিমা বেগমের তিন মেয়ে।

খুলনার দৌলতপুর মহেশ্বরপাশার বণিকপাড়া থেকে গত ২৭ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিখোঁজ হন রহিমা। সেসময় রহিমার দ্বিতীয় স্বামী বিল্লাল হাওলাদার ওই বাড়িতে ছিলেন। পানি আনতে বাসা থেকে নিচে নেমেছিলেন রহিমা।

এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই অপহরণ মামলা করেন রহিমা বেগমের মেয়ে আদুরী।

খোঁজ না পাওয়ায় পরদিন রহিমার ছেলে মো. মিরাজ আল সাদী দৌলতপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

রহিমা অপহৃত হয়েছেন দাবি করে ১ সেপ্টেম্বর খুলনায় সংবাদ সম্মেলন করেন পরিবারের সদস্যরা।

রহিমার সঙ্গে জমি নিয়ে স্থানীয়দের মামলা চলছে বলেও সে সময় জানানো হয়েছিল। রহিমার করা সেই মামলায় আসামিরা হলেন প্রতিবেশী মঈন উদ্দিন, গোলাম কিবরিয়া, রফিুকল ইসলাম পলাশ, মোহাম্মাদ জুয়েল ও হেলাল শরীফ।

আদালত ১৪ সেপ্টেম্বর রহিমা অপহরণ মামলা পিবিআইতে পাঠানোর আদেশ দেয়। এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর নথিপত্র বুঝে নেয় পিবিআই।

এরই মধ্যে গত বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহে ১২ দিন আগে উদ্ধার করা এক নারীর মরদেহকে রহিমা বেগমের বলে দাবি করেন তার মেয়েরা। এদিন রাত পৌনে ১২টার দিকে মরিয়ম মান্নান ফেসবুক এক পোস্টে বলেন, ‘আমার মায়ের লাশ পেয়েছি আমি এই মাত্র।’

পরদিন সকালে নিখোঁজ রহিমার মেয়ে মরিয়ম মান্নান, মাহফুজা আক্তার ও আদুরী আক্তার ফুলপুর থানায় পৌঁছান।

এ সময় পুলিশ অজ্ঞাত ওই নারীর ছবিসহ পরনে থাকা আলামতগুলো মেয়েদের দেখান। মরিয়ম মান্নান তার মায়ের ছবিসহ সালোয়ার-কামিজ দেখে দাবি করেন, এটিই তার মায়ের মরদেহ।

মরিয়ম মান্নান সে সময় সাংবাদিকদের বলেন, ‘২৭ দিন ধরে আমার মা নিখোঁজ। আমরা প্রতিনিয়ত মাকে খুঁজছি। এরই মধ্যে গত ১০ সেপ্টেম্বর ফুলপুর থানায় অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে আমরা এখানে এসেছি। সালোয়ার-কামিজ ছাড়াও ছবিতে আমার মায়ের শরীর, কপাল ও হাত দেখে মনে হয়েছে এটাই আমার মা।’

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে মরিয়মকে জানানো হয়, ডিএনএ টেস্ট ছাড়া মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

ফুলপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল মোতালেব চৌধুরী শুক্রবার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মরিয়মের মায়ের বয়স ৫৫ বছর। আমরা যে গলিত মরদেহটি উদ্ধার করেছি, তার আনুমানিক বয়স ২৮ থেকে ৩২ বছর মনে হচ্ছে। এসব দিক বিবেচনায় মরদেহটি তার মায়ের নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।’

আরও পড়ুন: বস্তাবন্দি মরদেহ মরিয়ম মান্নানের মায়ের কি না সংশয়

ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত ১০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বওলা ইউনিয়নের পূর্বপাড়া গ্রাম থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটির পরনে তখন গোলাপি রঙের সালোয়ার; গায়ে সুতির ছাপা গোলাপি, কালো-বেগুনি ও কমলা রঙের কামিজ এবং গলায় গোলাপি রঙের ওড়না প্যাঁচানো ছিল। পরে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করতে না পেরে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে ১২ সেপ্টেম্বর দাফন করা হয়। ডিএনএ টেস্ট করতে প্রয়োজনীয় আলামতও সংরক্ষণ করা হয়েছে।’

ওসি বলেন, ‘মরিয়ম মান্নান ওই মরদেহটি তার মা রহিমার দাবি করলেও নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করতে পারেননি। চূড়ান্তভাবে মরদেহ শনাক্তে মরিয়মের ডিএনএ টেস্ট করা প্রয়োজন।’

আরও পড়ুন:
হংকং থেকে পুরস্কার পেল ‘রেহানা’
মাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদল সায়রা 
চার জেলায় যে প্রেক্ষাগৃহে দেখবেন ‘রেহানা’
এখন পর্যন্ত ১২ প্রেক্ষাগৃহ নিশ্চিত করেছে ‘রেহানা’
বিসিএস প্রশ্নে ‘রেহানা মরিয়ম নূর’
বাংলাদেশ
Wife was beaten up and arrested for protesting against the abuser 5

স্ত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় পুলিশকে মারধরে আটক ৫

স্ত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় পুলিশকে মারধরে আটক ৫
জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম বলেছেন, ‘হামলাকারীরা যে দলেরই হোক, তাদের ছাড় দেয়া হবে না।’

ভোলায় স্ত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় এনামুল হক নামে এক পুলিশ সদস্যকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখমের ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা পরিষদ চত্বরে স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে এসে দুর্বৃত্তদের এ হামলার শিকার হয়েছিলেন এনামুল।

এ ঘটনায় আটকরা হলেন ইব্রাহিম, রাকিব হোসেন, তারেক পাঠান, তোহান আহমেদ ও রাজিব। তাদের বয়স ১৬ থেকে ২১ বছরের মধ্যে।

আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে ভোলা সদর মডেল থানায় নারী নির্যাতন ও পুলিশের গায়ে হাত তোলাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা হয়েছে। ওই মামলায় অভিযুক্ত বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে পুলিশ কনস্টেবল এনামুল হকের স্ত্রী জানান, শুক্রবার বন্ধের দিন হওয়ায় ভোলা পুলিশ লাইনে কর্মরত স্বামী এনামুল হককে নিয়ে জেলা পরিষদের বকপাড়ে ঘুরতে আসেন তিনি। এ সময় ৮-১০ জন দুর্বৃত্ত তাকে ইভটিজিং ও উত্ত্যক্ত করে।

স্ত্রীকে কেন উত্ত্যক্ত করা হচ্ছে জিজ্ঞেস করলে দুর্বৃত্তদের সঙ্গে এনামুলের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে এনামুলের ওপর হামলা চালায় এবং এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে গুরুতর জখম করে।

এনামুল নিজেকে পুলিশ সদস্য পরিচয় দেয়ার পরও দুর্বৃত্তরা তাকে মারধর ও কোপাতে থাকে। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

এ অবস্থায় আহত এনামুলকে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন তার স্ত্রী ও ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন।

এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘হামলার সঙ্গে জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হামলাকারীরা যে দলেরই হোক, তাদের ছাড় দেয়া হবে না। বাকি আসামিদেরও দ্রুত গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

এনামুলের শারীরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক নিরুপম সরকার জানান, তার কাঁধ, হাত, পেটসহ শরীরের পাঁচ-ছয়টি স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত হলেও তিনি পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। কোনো জটিলতা দেখা দিলে তাকে ঢাকায় পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন:
সাফজয়ী আঁখির বাড়িতে পুলিশ: এসআই-কনস্টেবল প্রত্যাহার
পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে আহত অর্ধশত
বিচারকের মামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তার জামিন
বিজিবি-রেল পুলিশের হাতাহাতির ঘটনা তদন্তে কমিটি
ট্রেনে তল্লাশির জেরে বিজিবি-রেল পুলিশের হাতাহাতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Committee to investigate the beating of female students due to braids

বেণির কারণে ছাত্রীদের ‘মারধর’ তদন্তে কমিটি

বেণির কারণে ছাত্রীদের ‘মারধর’ তদন্তে কমিটি ছাত্রীদের মারধরের অভিযোগে মাথা ন্যাড়া করার কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রামের এয়াকুব আলী দোভাষ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক জাহিদা পারভীন। ছবি: সংগৃহীত
তদন্ত কমিটির প্রধান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা মূলত শিক্ষিকা জাহেদা পারভীনের ফেসবুক পোস্ট সামনে রেখে এগোচ্ছি। সেখfন থেকে যাচাই করা হবে, যে কার কার সংশ্লিষ্টতা আছে, কার কী দোষ আছে। এসব যাচাই-বাছাই করে মঙ্গলবার প্রতিবেদন দেব আমরা।’

চট্টগ্রামে বেণির কারণে একটি স্কুলের কাবাডি দলের ছাত্রীদের মারধরের অভিযোগ তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি করেছে জেলা প্রশাসন।

কমিটিকে ৩ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছে কমিটি।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও কমিটির প্রধান ফরিদুল ইসলাম হোসাইনী নিজেই নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক এবং জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা।

ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘কমিটিকে ৩ কার্যদিবস সময় দেয়া হলেও ঘটনাকে ঘিরে যেন কোনো ইস্যু তৈরি না হয়, সে জন্য আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছি।’

চুল ফ্রেঞ্চ বেণি করায় কাবাডি দলের ছাত্রীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার এয়াকুব আলী দোভাষ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিপা চৌধুরীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে মাথা ন্যাড়া করার কথা জানান ওই স্কুলের শিক্ষক জাহিদা পারভীন।

বৃহস্পতিবার রাতে ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে নিজের মাথা ন্যাড়া করা একটি ছবি পোস্টও করেন জাহিদা।

ক্যাপশনে লেখেন, ‘স্কুলের মেয়েদের মাসখানেক কষ্ট করে খেলা শিখিয়ে মাঠে নিতে যাওয়ার আগের দিন তাদের ফেঞ্চ বেণি করে ছবি তোলা ও খেলতে যাওয়ার অপরাধে আমার স্কুলের হেডমাস্টার মেয়েদের চুল ধরে মারা ও বকার প্রতিবাদে নিজের মাথার চুল ফেলে দিয়েছি। খুব কি খারাপ দেখা যাচ্ছে?

তার অভিযোগ, গত ৭ সেপ্টেম্বর কাবাডি দলের ছবি তোলার জন্য বেণি করায় ছাত্রীদের মারধর ও বকা দেন প্রধান শিক্ষক নিপা চৌধুরী। যদিও নিপা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রধান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা মূলত শিক্ষিকা জাহেদা পারভীনের ফেসবুক পোস্ট সামনে রেখে এগোচ্ছি। সেখান থেকে যাচাই করা হবে, যে কার কার সংশ্লিষ্টতা আছে, কার কী দোষ আছে। এসব যাচাই-বাছাই করে মঙ্গলবার প্রতিবেদন দেব আমরা।’

আরও পড়ুন:
বেণির কারণে কাবাডির ছাত্রীদের ‘মারধর’, মাথা ন্যাড়া করে প্রতিবাদ শিক্ষকের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Accused number 3 in the collision case is Shaon

সংঘর্ষের মামলায় ৩ নম্বর আসামি শাওন

সংঘর্ষের মামলায় ৩ নম্বর আসামি শাওন মুন্সিগঞ্জের পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষের ঘটনায় যুবদল কর্মী শাওন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।
মামলাটির অভিযোগপত্রে আব্দুল মালেক দাবি করেন, আসামিরা শ্রমিক লীগের অফিস ভাংচুর করে ও ভাংচুরে বাঁধা দিলে তার লোকজনকে মারধর করে।

মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুরে গত বুধবার বিকালে বিএনপি ও পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় বৃহস্পতিবার সদর থানায় দুটি মামলা হয়। এর মধ্যে একটি মামলার বাদী হয়েছেন পঞ্চসার ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সদস্য আব্দুল মালেক।

এই মামলায় গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া যুবদলকর্মী শাওনকে ৩ নম্বর আসামি করা হয়েছে।

মামলাটিতে ৫২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১৫০-২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আবুল বাসার বলেন, ‘মামলায় এখন পর্যন্ত দুজনকে আটক করা হয়েছে।’

এ সময় নিহত শাওনকে কেন মামলার আসামি করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এদিকে, শুক্রবার বিকেলে মামলার বাদী আব্দুল মালেক এ বিষয়ে মুঠোফোনে বলেন, ‘আমাদের মুক্তারপুরের অফিস ভাংচুর করায় ও আমার পোলাপানকে মারধর করায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি।’

যাদের আসামি করা হয়েছে, তারা কারা জানতে চাইলে আব্দুল মালেক বলেন, ‘আমার কাছে তালিকা আছে। আপনি আমার সঙ্গে এসে দেখা করেন। ফোনে বলা যাবে না।’

মামলাটির অভিযোগপত্রে আব্দুল মালেক দাবি করেন, আসামিরা শ্রমিক লীগের অফিস ভাংচুর করে ও ভাংচুরে বাঁধা দিলে তার লোকজনকে মারধর করে।

উল্লেখ্য, মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুর পুরনো ফেরিঘাট এলাকায় পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষের ঘটনায় যুবদল কর্মী শাওন বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।

নিহত শাওন মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভার মুরমা এলাকার সোয়াব আলীর পুত্র। পেশায় ইজিবাইকচালক শাওনের ৮ মাসের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।

আরও পড়ুন:
চাকরি থাকবে না, প্রশাসনের প্রতি গয়েশ্বর
বিএনপি নেতার কারখানায় আগুন কীভাবে
চিকনে কাজ না হলে মোটা লাঠি নিয়ে নামুন: গয়েশ্বর
পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে আহত অর্ধশত
লাঠির সঙ্গে জাতীয় পতাকা কিসের আলামত, প্রশ্ন কাদেরের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chhatra League and police obstructed the treatment of Shaon who was shot dead

‘গুলিতে নিহত শাওনের চিকিৎসায় বাধা দেয় ছাত্রলীগ ও পুলিশ’

‘গুলিতে নিহত শাওনের চিকিৎসায় বাধা দেয় ছাত্রলীগ ও পুলিশ’ স্ত্রী সাদিয়ার কোলে নিহত শাওনের ৮ মাসের শিশু সাহাদ। ছবি: নিউজবাংলা
স্বামীর মৃত্যুতে বাড়ির এক কোণে বসে অঝোরে কাঁদছেন শাওনের স্ত্রী সাদিয়া আক্তার। আর কাঁদতে কাঁদতে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন মা লিপি আক্তার।

মুন্সীগঞ্জে পুলিশের গুলিতে নিহত শাওনকে প্রাথমিক চিকিৎসায় ছাত্রলীগ ও পুলিশ বাধা দেয় বলে অভিযোগ করেছে পরিবার।

শুক্রবার শাওনের ছোট ভাই সোহান ভূঁইয়া দাবি করেছেন, বুধবার বিএনপির সমাবেশে পুলিশের গুলি খেয়ে ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারান শাওন। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে ছাত্রলীগ এবং পুলিশের লোকজন তাকে চিকিৎসা করাতে দেয়নি।

এ সময় পরিবারের সদস্যরা শাওনকে ঢাকায় নিয়ে যেতে চাইলেও তাদের আটকে দেয়া হয়। নানা বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে শাওনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে শাওনের মৃত্যু হয়।

শুক্রবার সকালে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজলোর মিরকাদিম পৌরসভার মুরমা এলাকায় শাওনের বাড়িতে এক শোকাচ্ছন্ন পরিবেশ দেখা গেছে। এ এলাকার ছোয়াব আলীর বড় ছেলে শাওন পেশায় অটোরিকশাচালক হলেও রাজনীতিতে সক্রিয় ও যুবদলের কর্মী ছিলেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, স্বামীর মৃত্যুতে বাড়ির এক কোণে বসে অঝোরে কাঁদছেন শাওনের স্ত্রী সাদিয়া আক্তার। আর কাঁদতে কাঁদতে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন মা লিপি আক্তার।

আট মাসের সন্তান সাহাদকে কোলে নিয়ে সাদিয়া বলেন, ‘বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি ও বাবার বাড়ি দুই জায়গায়ই থাকতাম। গত সোমবার আমাদের বাড়ি গিয়েছিল শাওন। বলেছিল- দু-এক দিন পরই আমাকে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসবে। এ জন্য বাজার-সদাই করবে। তাই কয়েক দিন মনোযোগ দিয়ে কাজ করে যাবে।

‘কিন্তু শাওন তো আমাকে নিতে এলো না। আমি আর আমার সন্তানই এখন চলে এলাম ওর বাড়িতে। আমি শাওন হত্যার বিচার চাই।’

মা লিপি আক্তার বলেন, ‘পাঁচ ছেলে-মেয়ের মধ্যে সবার বড় ছিল শাওন। অল্প বয়সে আমার ছেলেটা বিয়ে করে। সংসারের হালও ধরে। বুধবার বাড়ি থেকে যাওয়ার সময় বলেছিল- ঘুরতে যাচ্ছে। তাড়াতাড়ি ফিরে আসবে।

‘আমার ছেলে আর বাড়ি ফিরে এলো না। আমার ছেলেরে গুলি করে মাইরা ফেলল। আমার আট মাস বয়সী নাতি বাবাকে চেনার আগেই হারাল।’

‘গুলিতে নিহত শাওনের চিকিৎসায় বাধা দেয় ছাত্রলীগ ও পুলিশ’
নিহত শাওনের বাড়িতে এখন শোকাচ্ছন্ন পরিবেশ

প্রতিবেশীরা জানান, বিএনপির যেকোনো সভায় অংশ নিতেন শাওন। ২০২১ সালে ভালোবেসে টঙ্গীবাড়ি উপজেলার আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের সাদিয়াকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। কিন্তু বিয়ের মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বুধবার বিকেলে মুন্সীগঞ্জ শহরের উপকণ্ঠ মুক্তারপুর পুরাতন ফেরিঘাট এলাকায় পুলিশ ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে পুলিশ, সাংবাদিক ও নেতা-কর্মীসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় যুবদল নেতা শহীদুল ইসলাম শাওন, জাহাঙ্গীরসহ তিনজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে শাওনের মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:
চিকনে কাজ না হলে মোটা লাঠি নিয়ে নামুন: গয়েশ্বর
পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে আহত অর্ধশত
লাঠির সঙ্গে জাতীয় পতাকা কিসের আলামত, প্রশ্ন কাদেরের
সমাবেশে হামলা: বিএনপির মামলার আবেদন খারিজ
রক্ততৃষ্ণায় কাতর ছাত্রলীগ ও যুবলীগ বাড়ি বাড়ি হানা দিচ্ছে: রিজভী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Question papers leaked due to negligence of UNO in Kurigram

‘ভূরুঙ্গামারীর ইউএনওর অবহেলায়’ এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস

‘ভূরুঙ্গামারীর ইউএনওর অবহেলায়’
এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড ভবন। ফাইল ছবি
ভূরুঙ্গামারী ‍উপজেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ইউএনও যদি শুরুতেই তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতেন, তাহলে প্রশ্ন ফাঁসের মতো ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটার সম্ভাবনা ছিল না। এসএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষাকে গুরুত্ব না দেয়ায় প্রশ্ন ফাঁসের দায় ইউএনও এড়াতে পারেন না।’

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দীপক কুমার দেব শর্মার গাফিলতির কারণেই চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন এক কর্মকর্তা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা প্রশাসনের ওই কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা শুরুর পাঁচ-সাত দিন আগে কেন্দ্র সচিব বা তার প্রতিনিধি এবং ট্যাগ অফিসারের মাধ্যমে ট্রাংকে রক্ষিত প্রশ্নপত্রের প্যাকেটের সঙ্গে প্রশ্নপত্রের চাহিদা সঠিকভাবে যাচাইয়ের ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। কোনো গরমিল থাকলে সঙ্গে সঙ্গে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককে লিখিতভাবে জানাতেও বলা হয়।

‘...ইউএনও সেই কাজ না করে এক-দুই দিনের মধ্যে একজন কর্মকর্তাকে দিয়ে প্রশ্নপত্র সর্টিং করে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেন। একজন কর্মকর্তার পক্ষে হাজার হাজার প্রশ্নপত্র এক-দুই দিনের মধ্যে যাচাই-বাছাই, কাগজে স্বাক্ষর করা এবং নজরদারি-হিসাব করে প্রতিবেদন দেয়া প্রায় অসম্ভব। আর এই সুযোগে অসাধু কিছু শিক্ষক প্রশ্নপত্র কৌশলে বের করেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইউএনও যদি শুরুতেই তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতেন, তাহলে প্রশ্ন ফাঁসের মতো ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটার সম্ভাবনা ছিল না। এসএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষাকে গুরুত্ব না দেয়ায় প্রশ্ন ফাঁসের দায় ইউএনও এড়াতে পারেন না।’

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় চলতি এসএসসি, দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) এবং দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সেটের প্যাকেট সর্টিং এবং যাচাই-বাছাইয়ের দায়িত্ব ছিল ইউএনও দীপক কুমারের। তার সই করা একটি পত্রে গত ১১ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও অন্যান্য গোপনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন দিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রহমানকে বলা হয়।

এতে বলা হয়, ভূরুঙ্গামারী থানায় প্রশ্নপত্র ও অন্য গোপনীয় কাগজপত্র সংরক্ষিত রয়েছে। সিলগালাকৃত এসব প্রশ্নপত্র বিবরণী মোতাবেক ঠিক আছে কি না, তা যাচাই-বাছাই করে ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য অনুরোধ করা হলো।’

পত্রে আরও বলা হয়, পরীক্ষার সময়সূচি অবশ্যই খামের ওপর লিখতে হবে।

ভূরুঙ্গামারী থানার ওসিসহ উপজেলার ছয়টি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিবদেরও এই পত্রের অনুলিপি দেয়া হয়।

একই তারিখে ইউএনওর স্বাক্ষরিত আরও একটি অফিস আদেশে ভূরুঙ্গামারী পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে কৃষি কর্মকর্তা আপেল মাহমুদ ও সমবায় কর্মকর্তা নুর কুতুবুল আলম, নেহাল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে মৎস্য কর্মকর্তা আদম মালিক চৌধুরী ও পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা রায়হান হক, সোনাহাট দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ ও প্রতিবন্ধীবিষয়ক কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ, সোনাহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইনস্ট্রাক্টর আতিকুর রহমান ও সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা রেজাউল করিম, ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা কেন্দ্রে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা জাকির হোসেন ও জনস্বাস্থ্য বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম, দিয়াডাঙ্গা আইডিয়াল টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে সহকারী প্রোগ্রামার রুবেল সরকার এবং দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তা মুখলেছুর রহমানকে ট্যাগ অফিসার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়।

তারা পরীক্ষার দিনগুলোতে থানা থেকে নির্ধারিত প্রশ্নপত্র উত্তোলন নিশ্চিত এবং পরীক্ষা চলাকালীন সার্বক্ষণিক কেন্দ্রে উপস্থিত থেকে পরীক্ষা গ্রহণ করবেন বলে অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়।

প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ভূরুঙ্গামারী থানায় প্রশ্ন যাচাই-বাছাইয়ের সময় নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব লুৎফর রহমান ভূরুঙ্গামারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমানের যোগসাজশে বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রের প্যাকেটের ভেতর বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন ঢুকিয়ে নেন। একই সঙ্গে প্যাকেট সিলগালা করেন। ওই সময় তারা গণিত, কৃষিবিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান এবং পদার্থবিজ্ঞানের প্রশ্নপত্রও নিয়ে নেন। এ ছাড়া মোবাইলে জীববিজ্ঞান ও উচ্চতর গণিতের প্রশ্নের ছবি তুলে নেন।

সিলগালা করা প্রশ্নপত্রের ওই প্যাকেটের ওপর স্বাক্ষর করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমান।

জিজ্ঞাসাবাদে আরও বেরিয়ে আসে, ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষার দিন যথানিয়মে থানা থেকে বাংলা প্রথম পত্রের প্যাকেট এনে তা থেকে ওই প্রশ্নগুলোর খামটি সরিয়ে ফেলেন কেন্দ্র সচিব লুৎফর রহমানসহ তার সহযোগীরা। কেন্দ্রে দায়িত্বরত ট্যাগ কর্মকর্তা মুখলেছুর রহমানকে বোর্ডের দেয়া তালিকা অনুযায়ী পাঠানো প্রশ্নপত্রের খাম গণনা করার নিয়ম থাকলেও তা করা হয়নি।

পরে এই প্রশ্নগুলোর কয়েকটি হাতে লেখা উত্তরপত্র তৈরি করে তা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। পরীক্ষার আগের রাতে ফাঁস হওয়া উত্তরপত্রের সঙ্গে পরের দিন পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের হুবহু মিলে যায়। আর এসব উত্তরপত্র অনেকেই মোবাইলের মাধ্যমে গোপনে ২০০ থেকে ৫০০ টাকায় অন্যান্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের কাছে বিক্রি করেন।

এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার কাছে কোনো চিঠি নেই। প্রশ্নপত্রে আমরা শুধু এসকর্ট (নিরাপত্তা) দিয়ে থাকি। বাকিটা সভাপতি (ইউএনও) এবং তার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা করেন। সিলগালা রাখা না রাখা তাদের দায়িত্ব।’

প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আমাকে দায়িত্বে অবহেলার কারণে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। আমি বর্তমানে হসপিটালাইজড আছি। এর বেশি কিছু বলতে পারব না।’

এসব বিষয়ে জানতে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপক কুমার দেব শর্মাকে একাধিকবার কল করেও পাওয়া যায়নি।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিধি মোতাবেক ইউএনওকে চিঠি দেয়া হয়েছে। তার পরও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’

আরও পড়ুন:
দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন ২ ঘণ্টা পরই
এসএসসি: দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত ৪ বিষয়ের সূচি ঘোষণা
এসএসসির ‘প্রশ্ন ফাঁস’: কুড়িগ্রামে গ্রেপ্তার আরও ৩
প্রশ্নফাঁসেই দিনাজপুরে এসএসসির চার পরীক্ষা স্থগিত, আটক ৩
এসএসসি ‘প্রশ্ন ফাঁস’: দিনাজপুর বোর্ডে ৪ বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত

মন্তব্য

p
উপরে