× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Mothers case against the police of student party leader paralyzed by shooting
hear-news
player
google_news print-icon

গুলিতে পঙ্গু ছাত্রদল নেতা, পুলিশের বিরুদ্ধে মায়ের মামলা

গুলিতে-পঙ্গু-ছাত্রদল-নেতা-পুলিশের-বিরুদ্ধে-মায়ের-মামলা
মায়ের সঙ্গে চট্টগ্রাম নগর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২১ সালের ১৬ জুন রাত সাড়ে ৯টার দিকে জরুরি কথা আছে বলে ছাত্রদল নেতা সাইফুলকে অক্সিজেন এলাকার হোটেল জামানে ডাকেন পুলিশের সোর্স আকাশ।

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সাইফকে ডেকে নিয়ে গুলি করে পঙ্গু করার অভিযোগে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় বায়েজিদ বোস্তামি থানার সাবেক ওসি মো. কামরুজ্জামানসহ সাতজনকে আসামি করা হয়েছে।

রোবাবর চট্টগ্রামের দ্বিতীয় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অলি উল্লাহর আদালতে মামলাটি করেন ভুক্তভোগীর মা ছেনোয়ারা বেগম।

বায়েজিদ থানার সাবেক ওসি কামরুজ্জামান ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন ওই থানারই এসআই মেহের অসীম দাশ, এসআই সাইফুল ইসলাম, এসআই কে এম নাজিবুল ইসলাম তানভীর, এসআই নুর নবী, এএসআই রবিউল হোসেন এবং পুলিশের সোর্স মো. শাহজাহান ওরফে সোর্স আকাশ।

মামলার বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. জসিম।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২১ সালের ১৬ জুন রাত সাড়ে ৯টার দিকে জরুরি কথা আছে বলে ছাত্রদল নেতা সাইফুলকে অক্সিজেন এলাকার হোটেল জামানে ডাকেন পুলিশের সোর্স আকাশ।

সে সময় সাইফ পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দক্ষিণ পতেঙ্গায় ছেনোয়ারা হোটেল অ্যান্ড বিরিয়ানি হাউসে যাওয়ার উদ্দেশে বাসা থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়েছিলেন। আকাশের ফোন পেয়ে রাত ১০টার দিকে অক্সিজেন এলাকার হোটেল জামানে যান তিনি।

হোটেল জামানে পুলিশের সোর্স আকাশের সঙ্গে কথা বলার সময় ওসি কামরুজ্জামান, এসআই মেহের অসীম দাশ, সাইফুল, তানভীর, নুর নবী, এএসআই রবিউল ও অজ্ঞাত দুই পুলিশ সদস্য গিয়ে সাইফুলকে আটক করেন। এ সময় তার মোবাইল ও মোটরসাইকেলের চাবি ছিনিয়ে নিয়ে একটি সাদা রঙের প্রাইভেট কারে উঠিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ।

কিছু দূর যাওয়ার পর ওসি অজ্ঞাত ব্যক্তিকে ফোন করে বলেন, ‘সাইফুলকে গ্রেপ্তার করেছি, তাকে আজকেই ফিনিস করব। তোমরা ইউনিফর্ম পরে জামান হোটেলে যাও এবং সেখানকার গত ২ ঘণ্টার সিসি ফুটেজ ডিলিট করে দাও। এটা এডিসি স্যারের নির্দেশ।’

পরে শহরের বিভিন্ন স্থানে ২ ঘণ্টা ধরে ঘুরে রাত ১২টা থেকে ১টার মধ্যে বায়েজিদ লিংক রোড এলাকায় পৌঁছায় প্রাইভেট কারটি। সেখানে ওসি ও এসআই মেহের গাড়ি থেকে নেমে কিছু সময় কথা বলেন। এ সময় সোর্স আকাশ একটি থলে নিয়ে ওই জায়গায় আসেন।

পরে এসআই মেহের গাড়িতে উঠে সাইফুলকে বলে, ‘ওপর থেকে তোমাকে ক্রস ফায়ারের অর্ডার আছে। তুমি ৫ লাখ টাকা দিলে তোমাকে আমরা ছেড়ে দেব।’

এ সময় পরিবার এত টাকা দিতে পারবে না বলে জানান সাইফুল। তিনি তার অপরাধ কি জানতে চেয়ে আদালতে সোপর্দ করার অনুরোধ করেন পুলিশকে।

এরপর আসামিরা তার মুখ বেঁধে গাড়ি থেকে নামায়। এ সময় এসআই মেহের, এসআই তানভীর ও এএসআই সাইফুল তাকে উপুড় করে মাটিতে চেপে ধরেন। এরপর ওসি কামরুজ্জামান তার বাম পায়ের হাঁটুর ওপর-নিচে এক রাউন্ড গুলি করেন। এসআই মেহেরও একই স্থানে এক রাউন্ড গুলি করেন। গুলিবিদ্ধ হয়ে সাইফুল জ্ঞান হারান।

জ্ঞান ফিরে নিজেকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আবিষ্কার করেন সাইফুল। চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তার বাম পায়ের হাঁটুর ওপর থেকে কেটে ফেলা হয়।

ড্রেসিংয়ের পর অস্ত্র পাওয়া গেছে বলে অস্ত্র আইনে সাইফুলের বিরুদ্ধে মামলা করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

এ বিষয়ে বাদীর আইনজীবী কাজী মফিজুর রহমান বলেন, ‘সোর্সের মাধ্যমে ডেকে নিয়ে তাকে গুলি করে পঙ্গু করে দিয়েছে আসামিরা। পরে আবার মিথ্যা অস্ত্র মামলা দিয়ে তাকে কারাগারেও পাঠানো হয়েছে। এসব অভিযোগে ভুক্তভোগীর মা ছেনোয়ারা আদালতে একটি মামলা করেছেন।’

কাজী মফিজুর জানান, আদালত মামলাটি গ্রহণ করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

সাইফুলের মা ৫০ বছর বয়সী ছেনোয়ারা বলেন, ‘আমার ছেলে একজন পবিত্র কোরআনে হাফেজ ও ব্যবসায়ী। সে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। এলাকায় বিভিন্ন অবৈধ কাজে বাধা দিত। এতে কিছু সন্ত্রাসী তার শত্রু হয়ে যায়। সাইফুল ছাত্রদলের রাজনীতি করে বলে তারা পুলিশকে দিয়ে তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করে। কারণ তারা মনে করে যে, বিরোধী দলের লোক হিসেবে মেরে ফেললে কোনো জবাবদিহি করতে হবে না।’

ছেনোয়ারা জানান, এতদিন ওসি কামরুজ্জান ওই থানায় দায়িত্বে থাকায় ভয়ে মামলা করেননি। ঘটনার পর পরিবার মামলার প্রস্তুতি নিলে ওসি পুলিশ পঠিয়ে তার স্বজনদের জানান, মামলা করলে ভুক্তভোগীর আরেকটি পা কেটে নেয়া হবে।

তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি ওসি কামরুজ্জামান। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘একটা মামলা যেহেতু হয়েছে, আদালত বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। তাই তদন্তাধীন এই বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’

আরও পড়ুন:
ভোলার ঘটনায় জবি ছাত্রদলের মিছিল
ছাত্রদলের কমিটিতে নিয়মের ব্যত্যয়, পদপ্রাপ্তরাও লজ্জিত
৬ বছর পর জবি ছাত্রদলে নতুন নেতৃত্ব
মহানগর ছাত্রদল নেতার আটক নিয়ে যা বলল পুলিশ
আঞ্চলিক সিন্ডিকেটে আটকা জবি ছাত্রদলের কমিটি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Zainal is the hero behind the rescue of Maryams mother

মরিয়মের মাকে উদ্ধারের নেপথ্য নায়ক জয়নাল

মরিয়মের মাকে উদ্ধারের নেপথ্য নায়ক জয়নাল মরিয়ম মান্নানের মা রহিমা (বামে) ও তার খোঁজ পুলিশকে দেন জয়নাল। ছবি: নিউজবাংলা
আত্মগোপনে যাওয়ার পর মরিয়মের মা রহিমা বেগম কখন কোথায় ছিলেন তার সম্পূর্ণ বিবরণ এখনও অস্পষ্ট। তবে তাকে কীভাবে খুঁজে পেয়েছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, তা স্পষ্ট হয়েছে। রহিমার ফরিদপুর অবস্থানের তথ্য জয়নাল খানের মাধ্যমে পেয়েছিল খুলনা পুলিশ।

আলোচিত মরিয়ম মান্নানের মা রহিমা বেগমকে ফরিদপুর থেকে উদ্ধারের পেছনে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করেন ফরিদপুরে বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের জয়নাল খান। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতেই রহিমাকে উদ্ধারে সক্ষম হয় দৌলতপুর থানা পুলিশের একটি দল।

এর মাধ্যমে দেশজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করা কথিত অপহরণের অভিযোগের সুরাহা হয়েছে। পুলিশ বলছে, স্বেচ্ছায় আত্মগোপন করেছিলেন রহিমা। তার মেয়ে মরিয়ম মান্নানও এখন বলছেন, মায়ের অপহরণের যে অভিযোগ তিনি তুলেছিলেন, সেটি সঠিক ছিল না।

মরিয়মের মা রহিমা গত ২৭ আগস্ট খুলনার দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশার বাড়ি থেকে গত ২৭ আগস্ট রাতে নিখোঁজ হন। মাকে খুঁজে পেতে বিভিন্ন সময় মানববন্ধন, সংবাদমাধ্যমে নানা সাক্ষাৎকার ও ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট দিয়ে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে আলোচনায় মরিয়ম মান্নান।

মায়ের নিখোঁজ হওয়ার পেছনে বরাবরই তিনি প্রতিবেশীদের সঙ্গে জমির বিরোধের বিষয়টিকে দায়ী করে আসছিলেন। রহিমা নিখোঁজের পরদিন দৌলতপুর থানায় অপহরণের মামলা করেন তার আরেক মেয়ে আদুরী আক্তার।

এরপর ২২ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহে ১২ দিন আগে উদ্ধার হওয়া এক নারীর মরদেহকে রহিমা বেগমের বলে দাবি করেন মরিয়ম। পরদিন শুক্রবার সকালে বোনদের নিয়ে ফুলপুর থানায় লাশ শনাক্ত করতে যান তিনি। তবে এর পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে ফরিদপুরে বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের কুদ্দুস মোল্লার বাড়ি থেকে রহিমাকে স্বাভাবিক অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।

আত্মগোপনে যাওয়ার পর মরিয়মের মা কখন কোথায় ছিলেন তার সম্পূর্ণ বিবরণ এখনও অস্পষ্ট। তবে তাকে কীভাবে খুঁজে পেয়েছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, তা স্পষ্ট হয়েছে।

রহিমা বেগমের ফরিদপুর অবস্থানের তথ্য কুদ্দুস মোল্লার ভাগনে জয়নাল খানের মাধ্যমে পেয়েছিল খুলনা পুলিশ।

জয়নাল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রহিমা বেগম ১৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে আমার মামাদের বাড়িতে আসেন। এরপর শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আমার মোবাইলে ফেসবুক চালানোর সময় তার নিখোঁজ সংবাদ দেখি। ফেসবুকে এক ভিডিওতে থাকা ছবির সঙ্গে তার (রহিমা) চেহারার মিল দেখে আমি বাড়িতে গিয়ে তার সঙ্গে ছবিটি মিলাই, দেখি উনিই সেই নারী।

‘রহিমা বেগমকে ভিডিও দেখালে তিনি বলেন, এটা তো আমি, কিন্তু আমি বাড়ি ফিরে যাব না।’

এরপর জয়নাল ফেসবুক ভিডিওতে রহিমার ফরিপুরে অবস্থানের তথ্য জানিয়ে কমেন্ট করেন। তবে সেই কমেন্টের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

জয়নাল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এরপর আমি ইন্টারনেটে সার্চ দিতে থাকি। একপর্যায়ে একটি নিখোঁজ বার্তায় রহিমার ছেলে মিরাজের ফোন নম্বর পাই। মিরাজের নম্বরে কল দিলে তার স্ত্রী ফোন ধরেন।

‘ফোনে রহিমা বেগমের বিষয়ে জানালে অপর পাশ থেকে উত্তর আসে, আমি ওনাকে চিনি না। এ নম্বরে আর ফোন দেবেন না। এই বলে ফোন কেটে দেয়া হয়। এরপর আমি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারের সঙ্গে যোগাযোগ করি।’

তবে মরিয়মের ভাই মিরাজ এর আগে নিউজবাংলাকে জানিয়েছিলেন, ফরিদপুর থেকে যখন কল এসেছিল, তখন তার দুটি ফোনই মরিয়মের কাছে ছিল।

স্থানীয় মেম্বার মোশারফ হোসেন মূসার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন জয়নাল খান।

মোশারফ হোসেন বলেন, ‘শনিবার সকালে জয়নাল আমাকে রহিমা বেগমের নিখোঁজের বিষয়টি জানায়। আমি এরপর খুলনা সিটি করপোরেশনের ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুল ইসলামকে অবগত করি।

‘বিকেল ৫টার দিকে সাইফুল ইসলাম আমাকে কল দেন। তিনি বলেন, ওই নারীকে দেখে রাখেন, আমরা আসব। রাত ১০টা দিকে আমাকে ফোন করে লোকেশন জানতে চান। এরপর সাড়ে ১০টার দিকে খুলনা পুলিশ বোয়ালমারী থানাকে ইনফর্ম করে তাকে খুলনা নিয়ে যায়।’

জয়নালের কাছ থেকে রহিমার বিষয়ে তথ্য পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন খুলনার ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানার পর পুলিশকে অবহিত করি। পরে তারা বোয়ালমারীতে যায়।’

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘থানা থেকে আমাকে জানানো হয়, রহিমা বেগম ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে আছেন। এরপর তাৎক্ষণিক সেখানে অভিযান চালাতে নির্দেশ দেয়া হয়।’

এই অভিযানে অন্যতম সদস্য ছিলেন দৌলতপুর থানার উপপরিদর্শক দোলা দে।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সন্ধ্যায় থানা থেকে আমাকে ফোন করে জানায় একটি উদ্ধার অভিযানে যেতে হবে। আমরা রেডি হয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রওনা হই। কোথায় কী অভিযানের যেতে হচ্ছে, তা থানা থেকে আগে আমাকে জানানো হয়নি। ’

‘মাঝপথে গিয়ে জানতে পারি, আমরা মহেশ্বরপাশা থেকে নিখোঁজ গৃহবধূ রহিমা বেগমকে উদ্ধার করতে ফরিদপুরে যাচ্ছি।

‘রাত সাড়ে ১০টার দিকে আমরা ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামে পৌঁছাই। সেখান থেকে সোজা চলে যাই কুদ্দুস মোল্লার বাড়িতে। ‘সেখানে রহিমা বেগম আরও তিনজন নারীর সঙ্গে বসে গল্প করছিলেন। দৌলতপুর থানার ওসি নজরুল ইসলামকে আগে থেকেই রহিমা বেগম চিনতেন। হঠাৎ ওসিকে দেখে তিনি হতবাক হয়ে যান।’

‘রাত ১১টার দিকে আমরা ফরিদপুর থেকে খুলনার উদ্দেশে রওনা হই। গাড়িতে আমার ডান সাইডে বসে ছিলেন রহিমা বেগম। সিনিয়র স্যাররা রহিমা বেগমকে নানান জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন। তবে কোনো প্রশ্নেরই তিনি উত্তর দেননি।’

দোলা দে বলেন, ‘রাত সোয়া ২টার দিকে আমরা দৌলতপুর থানায় পৌঁছাই। সেখানে ডিসি স্যার সাংবাদিকদের ব্রিফ করার পর থানায় রহিমা বেগমকে আমার সঙ্গে রেখে দেয়া হয়।’

পরদিন সকালে রহিমা বেগমকে সোনাডাঙ্গার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নেয়া হয়। সেখান থেকে তাকে নিজেদের জিম্মায় নেন পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের কর্মকর্তারা।

পরে আদালত মেয়ে আদুরী আক্তারের জিম্মায় রহিমা বেগমকে মুক্তি দেয় আদালত।

আরও পড়ুন:
তবুও মরিয়ম মান্নানের ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি দিল আদালত
বোয়ালমারীতে জন্মনিবন্ধন চেয়েছিলেন রহিমা
এসআই দোলার সঙ্গে রহিমার রাতভর ইশারাভাষা
রহিমা বেগম ছাড়া পেলেন মেয়ে আদুরীর জিম্মায়
বস্তাবন্দি সেই নারীর পরিচয় নিয়ে এবার ধন্দে পুলিশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
District council election lamination poster

জেলা পরিষদ নির্বাচনে লেমিনেশন পোস্টার!

জেলা পরিষদ নির্বাচনে লেমিনেশন পোস্টার! প্লাস্টিক মোড়ানো এমন পোস্টারে ছেয়ে গেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর। ছবি: নিউজবাংলা
নির্বাচনের মৌসুম এলে অনেক প্রার্থী বৃষ্টির কবল থেকে পোস্টারকে বাঁচাতে তা পলিথিনে মুড়িয়ে দেন। আবার নির্বাচন শেষ হওয়ার পর দ্রুত তা নিজ দায়িত্বে সরান না। ফলে পলিথিন নর্দমায় গিয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আকাশ-বাতাসে এখন নির্বাচনি আমেজ। মনোনয়পত্র জমা, প্রত্যাহার, প্রতীক বরাদ্দ শেষ হয়ে এখন চলছে প্রার্থীদের পক্ষে প্রচার-প্রচারণা। আর সেই প্রচার-প্রচারণার অংশ হচ্ছে ব্যানার-পোস্টার।

নির্বাচনি আচরণবিধিতে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পলিথিন বা প্লাস্টিক মোড়ানো পোস্টার করা নিষিদ্ধ হলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তা মানা হচ্ছে না।

বৃহস্পতিবার শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে ঘুরে দেখা যায়, সাধারণ সদস্যদের প্লাস্টিক লেমিনেশনকৃত পোস্টারে শহর ছেয়ে গেছে। বৃষ্টি-বাতাসের হাত থেকে পোস্টারকে বাঁচাতে প্রার্থীরা লেমিনেশন করেছেন।

পরিবেশ সচেতন নাগরিকরা বলছেন, নির্বাচনের মৌসুম এলে অনেক প্রার্থী বৃষ্টির কবল থেকে পোস্টারকে বাঁচাতে তা পলিথিনে মুড়িয়ে দেন। আবার নির্বাচন শেষ হওয়ার পর দ্রুত তা নিজ দায়িত্বে সরান না। ফলে পলিথিন নর্দমায় গিয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে। এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার পদক্ষেপ নেয়া উচিৎ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক হিসেবে মো. শাহগীর আলম যোগদানের পরপরই সব ধরনের মুদ্রণে প্লাস্টিকের লেমিনেশন ব্যবহারে নিষেধ করেছেন। জেলা প্রেস মালিক সমিতির সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি জানান, পরিবেশের জন্য পলিথিন ও প্লাস্টিক ক্ষতিকর। পোস্টার লেমিনেশন করা হলে জরিমানা করা হবে বলে হুশিয়ার করে দেন তিনি।

একাধিক প্রার্থী জানান, জেলা পরিষদের নির্বাচনে সাধারণ ভোটাররা ভোট দেনা না বলে তারা কম পোস্টার ছেপেছেন। শহরে এক একজন প্রার্থীর ২-৩ হাজার পোস্টার টাঙানো হয়েছে।

জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রার্থীদের প্লাস্টিক লেমিনেশন করা পোস্টারে ৯ থেকে ১৮.৫ গ্রাম করে পলিথিন ব্যবহার হয়ে থাকে। পলিথিনসহ এসব আবর্জনা পৌর শহরের বিভিন্ন নালা–নর্দমায় গিয়ে জমা হবে। ফলে তা একদিকে যেমন পরিবেশ দূষণ করবে, অন্যদিকে বৃষ্টির পানি আটকে তা জলাবদ্ধতা তৈরিতেও ভূমিকা রাখবে।

এ ব্যাপারে জেলা পরিষদ নির্বাচনের সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান জানান, এটি নির্বাচনি আচরণবিধির লঙ্ঘন। এটি দেখতে ম্যাজিস্ট্রেটদের জন্য একটি চিঠি এসেছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম বলেন, ‘প্লাস্টিক লেমিনেশনের মুদ্রণে আমি নিষেধাজ্ঞা জারি করেছি। এটি পরিবেশবান্ধব নয়। জেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে একটি আইনশৃঙ্খলা সভায় এই পোস্টারগুলো সরানোর নির্দেশ করা হয়েছে। যদি তারা না সরায়, তাহলে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে এগুলো অপসারণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
ভোটের লড়াইয়ে দুই সতিন, স্বামী হাসপাতালে
নোয়াখালী জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন স্থগিত
‘সব দল ভোটে এনে চমক দেবে ইসি’
ইসির সেই ৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তার চাকরি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন
অন্যকে বাধা দিলে প্রার্থিতা বাতিল: ইসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A young man was killed by a knife in Patiya

পটিয়ায় ছুরি মেরে যুবক খুন

পটিয়ায় ছুরি মেরে যুবক খুন মো. ফাহিম। ছবি: সংগৃহীত
পটিয়া থানার পরিদর্শক (ওসি-তদন্ত) রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘শনিবার সন্ধ্যায় ঘাটে নৌকা বাঁধা নিয়ে ফাহিমের সঙ্গে রানার মারামারি হয়। এর জেরে রোববার ফাহিমের বাড়িতে গিয়ে ছুরিকাঘাত করেন রানা। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।’

চট্টগ্রামের পটিয়ায় ঘাটে নৌকা বাঁধাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে মো. ফাহিম নামে এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় রানা নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার দুপুরে উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

২২ বছর বয়সী মো. ফাহিমের বাড়ি ওই এলাকায়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন পটিয়া থানার পরিদর্শক (ওসি-তদন্ত) রাশেদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘ঘটনার প্রায় ৩ ঘণ্টা পর আমরা জানতে পারি। শনিবার সন্ধ্যায় ঘাটে নৌকা বাঁধা নিয়ে ফাহিমের সঙ্গে রানার মারামারি হয়। এর জেরে রোববার ফাহিমের বাড়িতে গিয়ে ছুরিকাঘাত করেন রানা। সেখানেই তার মৃত্যু হয়। পটিয়ার চরপাথরঘাটা থেকে রানাকে আটক করা হয়েছে।’

পুলিশ কর্মকর্তা রাশেদুল জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুন:
জামিন পেয়েই খুন হলেন যুবক
‘প্রতিপক্ষের পিটুনিতে’ একজন খুন, ৮ বাড়ি ভাঙচুর
‘বন্ধুর ছুরিকাঘাতে’ তরুণ খুন
বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদকারীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি কেন নয়: হাইকোর্ট
এবার অস্ত্র ও মাদক মামলায় নূর হোসেনের বিচার শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Trump complains about the twelfth shipment of Metrorail

মেট্রোরেলের দ্বাদশ চালান নিয়ে মোংলায় ট্রাম্প

মেট্রোরেলের দ্বাদশ চালান নিয়ে মোংলায় ট্রাম্প মেট্রোরেলের কোচ-ইঞ্জিন নিয়ে শনিবার মোংলা বন্দরে ভিড়েছে বিদেশি জাহাজ। ছবি: নিউজবাংলা
মোংলা বন্দর চেয়ারম্যান জানান, আটটি রেলওয়ে কোচ ও চারটি ইঞ্জিন নিয়ে ৮ সেপ্টেম্বর জাপানের কোবে বন্দর ছেড়ে আসে পানামা পতাকাবাহী জাহাজ এমভি ভেনাস ট্রাম্প। জাহাজটি শনিবার বিকেল ৫টার দিকে বন্দরের ৮ নম্বর জেটিতে ভেড়ে।

ঢাকার মেট্রোরেলের দ্বাদশ চালানে আটটি কোচ ও চারটি ইঞ্জিন নিয়ে মোংলা বন্দর জেটিতে ভিড়েছে বিদেশি জাহাজ এমভি ভেনাস ট্রাম্প।

শনিবার বিকেল ৫টার দিকে বন্দরের ৮ নম্বর জেটিতে ভেড়ে জাহাজটি। জাহাজে মেট্রোরেলের মেশিনারিসহ একটি পাওয়ার প্ল্যান্টের পণ্য রয়েছে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম মুসা জানান, আটটি রেলওয়ে কোচ ও চারটি ইঞ্জিন নিয়ে ৮ সেপ্টেম্বর জাপানের কোবে বন্দর ছেড়ে আসে পানামা পতাকাবাহী জাহাজ এমভি ভেনাস ট্রাম্প। জাহাজটি শনিবার বিকেল ৫টার দিকে বন্দরের ৮ নম্বর জেটিতে ভেড়ে।

ভেনাস ট্রাম্পের স্থানীয় শিপিং এজেন্ট এনশিয়েন্ট স্টিম শিপ কোম্পানির ব্যবস্থাপক মো. ওয়াহিদুজ্জামান জানান, জাহাজে আসা কোচ ও ইঞ্জিন রোববার সকালে খালাস শুরু হয়েছে। খালাসের সঙ্গে সঙ্গে তা বার্জে তুলে নৌপথে ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ি মেট্রোরেল ডিপোতে নেয়া হবে।

তিনি আরও জানান, ২২ আগস্ট আটটি রেলওয়ে কোচ ও চারটি ইঞ্জিন নিয়ে এমভি হোসি ক্রাউন এ বন্দরে আসে। এ পর্যন্ত ৭৮টি কোচ ও ৩৮টি ইঞ্জিন এসেছে ঢাকা মেট্রোরেলের।

মেট্রোরেলের ১৪৪টি কোচ ও ইঞ্জিনের মধ্যে ১১৬টি কোচ-ইঞ্জিন এরই মধ্যে এসেছে।

আরও পড়ুন:
মেট্রোরেলের ব্যয় বাড়ল ১১ হাজার কোটি
মোংলায় মেট্রোরেলের দশম চালান খালাস
এবার মেট্রোরেল হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা
ছয়টি মেট্রোরেল চালু হলে দিনে ৫০ লাখ যাত্রী পরিবহন
মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রো রেলের কাজ শেষ ৮০ শতাংশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Case against Alesha Mart Chairman for cheating

‘আলেশা মার্ট’ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা

‘আলেশা মার্ট’ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা ‘আলেশা মার্ট’ এর চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম শিকদারের স্বাক্ষর করা চেক ডিজঅনার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
মামলার আইনজীবী আসাদুজ্জামান খান রিনো জানান, মামলা হওয়ায় বিবাদীর প্রতি সমন নোটিশ ইস্যু করা হয়েছে আদালত থেকে। নোটিশ গ্রহণ করলে তাকে আদালতে হাজির হতে হবে।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ‘আলেশা মার্ট’ এর চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম শিকদারের বিরুদ্ধে নীলফামারীতে চেক ডিজঅনার মামলা হয়েছে।

রোববার জেলা আমলী আদালতে মামলাটি করেন জেলা শহরের শহীদ তিতুমীর সড়ক এলাকার বাসিন্দা সাকিব উল ইসলাম।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, অফারে প্রলুদ্ধ হয়ে আলেশা মার্ট থেকে একটি ‘পালসার’ ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল কেনার জন্য গত বছরের ২০ জুন ১ লাখ ১৭ হাজার ৬৪৫ টাকা পরিশোধ করেন অভিযোগকারী সাকিব। ৪৫ দিনের মধ্যে বাইকটি ডেলিভারি দেয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা দেয়নি প্রতিষ্ঠানটি।

টাকা ফেরত চেয়ে গত ৩ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করলে তিনি তার স্বাক্ষর করা ১ লাখ ৬৩ হাজার টাকার একটি চেক দেন সাকিবকে।

কিন্তু ওই চেকটি নীলফামারীর অগ্রণী ব্যাংক শাখায় কয়েক দফা জমা দিয়েও হিসাব নম্বরে টাকা না থাকায় সাকিব টাকা উত্তোলন করতে পারেননি। এক পর্যায়ে গত ২৪ জুলাই চেকটি নীলফামারী অগ্রণী ব্যাংক থেকে ডিজঅনার হিসেবে স্লিপ দেয়া হয় সাকিবকে।

এ অবস্থায় আলেশা মার্ট চেয়ারম্যানের কয়েকটি বাণিজ্যিক দপ্তরে উকিল নোটিশ পাঠিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি সাকিব।

বাধ্য হয়ে প্রতারণার অভিযোগে ‘নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্ট অ্যাক্ট’ এর ১৩৮ ধারায় নীলফামারী আদালতে মামলা করেছেন সাকিব।

সাকিব বলেন, ‘এই প্রতিষ্ঠানটিতে অনেক স্বনামধন্য ব্যক্তির ছবি দেখা গিয়েছিল, গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়েছিল। এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পন্সর হিসেবেও প্রতিষ্ঠানটিকে দেখা গেছে। অথচ গ্রাহকের সঙ্গে তারা প্রতারণা করছে। যার শিকার হয়েছি আমি।’

সাকিব আরও বলেন, ‘আমি মোটরসাইকেল চাই না, টাকা ফেরত চাই। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তাই আদালতে মামলা করেছি।’

মামলার আইনজীবী আসাদুজ্জামান খান রিনো জানান, মামলা হওয়ায় বিবাদীর প্রতি সমন নোটিশ ইস্যু করা হয়েছে আদালত থেকে। নোটিশ গ্রহণ করলে তাকে আদালতে হাজির হতে হবে।

তিনি বলেন, ‘এই আইনে সর্বোচ্চ এক বছর সাজা এবং ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিকে তিনগুণ ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিধান রয়েছে।’

এ বিষয়ে আলেশা মার্ট এর হটলাইন নম্বরে কয়েক দফা চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন:
প্রতারণার অভিযোগে অবরুদ্ধ আ. লীগের ‘কেন্দ্রীয় নেতা’
গার্মেন্টস মালিক পরিচয় দিয়ে ‘নারীদের ব্ল্যাকমেইল’
চেয়ারম্যানের প্রতারণার ফাঁদে এমপি, প্রশাসনের কর্মকর্তারা
অনলাইনে প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ২
স্বপ্নে পাওয়া ‘ক্ষমতায়’ তিনি এখন ‘ক্যানসার চিকিৎসক’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
An NGO official was beaten up accusing him of killing a peon

পিয়নকে হত‍্যার অভিযোগ তুলে এনজিও কর্মকর্তাকে পিটুনি

পিয়নকে হত‍্যার অভিযোগ তুলে এনজিও কর্মকর্তাকে পিটুনি
নিখোঁজ পিয়নের ভাই বলেন, ‘আমার ভাই যে ঘরে থাকত সে ঘরে রক্ত ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। আমার ভাইয়ের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে। আমার ভাইকে মেরে ফেলেছে ম‍্যানেজার।’

মেহেরপুরের গাংনীতে বেসরকারি সংস্থা আশার শাখা কার্যালয়ের পিয়নকে হত্যার অভিযোগ তুলে ব্রাঞ্চ ম্যানেজারকে পিটুনি দিয়েছে স্থানীয়রা। পরে তাকে পুলিশ আটক করে নিয়েছে।

গাংনীর মটমুড়া ইউনিয়নের বাওট বাজারে রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটেছে।

পিয়ন হৃদয় হোসেনের বাড়ি মটমুড়ার ছাতিয়ান গ্রামে। তাকে সকাল থেকে কোথাও না পেয়ে স্বজনরা অভিযোগ তোলেন, তাকে হত্যা করে লাশ গুম করা হয়েছে।

জেলা পুলিশ সার্কেল জামিরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে এসব নিশ্চিত করেছেন।

হৃদয়ের ভাই বিজয় হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার ভাই তিন বছর ধরে বাওট আশা অফিসে পিয়ন পদে চাকরি করে। অফিসের ম‍্যানেজার আমিনুল ইসলামের সঙ্গে এক নারীর শারীরিক সম্পর্কের দৃশ্য আমার ভাই দেখে ফেলে। সে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার উদ্দেশ্যে আমার ভাইকে হত‍্যা করে লাশ গুম করে দিয়েছে আমিনুল।

‘আমার ভাই যে ঘরে থাকত সে ঘরে রক্ত ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। আমার ভাইয়ের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে। আমার ভাইকে মেরে ফেলেছে ম‍্যানেজার।’

আশা অফিসের ডিভিশনাল ম‍্যানেজার মিজানুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের ব্রাঞ্চ ম‍্যানেজার আমিনুলের বিরুদ্ধে হৃদয়কে হত্যার যে অভিযোগ উঠেছে তা বিশ্বাস করা কঠিন। আমরা অফিস কর্তৃপক্ষ চাই এটির সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা পুলিশ উদ্ঘাটন করবে।’

পুলিশ কর্মকর্তা জামিরুল নিউজবাংলাকে বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
নিজ ঘরে দশম শ্রেণির ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ
টাকা লুট করতে বৃদ্ধ দম্পতিকে পরিকল্পিত হত্যা: এসপি
যুবককে ধাওয়া করে কুপিয়ে হত্যা
ছেলের রক্তাক্ত মরদেহ বাগানে খুঁজে পেলেন মা
‘চাচার প্রতি ক্ষোভে’ চাচাতো ভাইকে হত্যা, যুবক গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A teenager was killed in a mine explosion at the Tumbru border

তুমব্রু সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে কিশোর নিহত

তুমব্রু সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে কিশোর নিহত তুমব্রু সীমান্তের নোম্যান্স ল্যান্ডে মাইন বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা
সীমান্তে দায়িত্বে থাকা বিজিবির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা কিশোর নিহত হওয়ার খবর গোয়েন্দাদের কাছ থেকে শুনেছি। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের নোম্যানস ল্যান্ডে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পুঁতে রাখা স্থলমাইন বিস্ফোরণে ওমর ফারুক নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে। ১৭ বছর বয়সী ওই কিশোর রোহিঙ্গা বলে জানা গেছে। তিনি কোনারপাড়া সীমান্তে আশ্রয় নেয়া মো. আয়ুবের ছেলে।

রোববার সকালে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে পাহাড়ি এলাকা থেকে ওমর ফারুকের মরদেহ উদ্ধার শেষে দাফন করেছে রোহিঙ্গারা।

বিষয়টি স্বীকার করে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম শূন্য রেখা রোহিঙ্গা শিবিরের মাঝি আবদুর রহিম জানান, শূন্য রেখার বাসিন্দা ওমর ফারুক ও আবদু নামে দুই কিশোর সকালে মিয়ানমার সীমান্তের পাহাড়ি ছড়ায় মাছ ধরতে যান।

এ সময় সীমান্তে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পুঁতে রাখা স্থলমাইন বিস্ফোরণে দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে মারা যান ওমর ফারুক। তবে এ ঘটনায় অপরজন প্রাণে বেঁচে যান।

বেঁচে যাওয়া কিশোরের কাছ থেকে খবর পেয়ে ওমর ফারুকের স্বজন ও অন্যরা মরদেহ উদ্ধার করে দাফনের ব্যবস্থা করেন।

সীমান্তে দায়িত্বে থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিজিবির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা কিশোর নিহত হওয়ার খবর গোয়েন্দাদের কাছ থেকে শুনেছি। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

এ বিষয়ে বান্দরবানের পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম তারিক বলেন, ‘মাইন বিস্ফোরণের বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।’

এদিকে গত ১৭ সেপ্টম্বর শূন্য রেখা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মিয়ানমার থেকে নিক্ষেপ করা মর্টারশেলের আঘাতে মোহাম্মদ ইকবাল নামে এক রোহিঙ্গা কিশোর নিহত হন। তার আগের দিন তুমব্রু সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে অন্য থাইন চাকমা নামে এক বাংলাদেশি যুবক আহত হন।

তুমব্রু সীমান্তের বিপরীতে শূন্য রেখায় পাঁচ বছর ধরে আশ্রয়শিবির গড়ে তুলে বাস করছে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত ৪ হাজার ২০০ জনের বেশি রোহিঙ্গা। এই শিবির ঘেঁষে মিয়ানমারের কাঁটাতারের বেড়া ও রাখাইন রাজ্যের একাধিক পাহাড় রয়েছে। পাহাড়ের ওপর দেশটির সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর একাধিক তল্লাশি চৌকি রয়েছে।

আরও পড়ুন:
মিয়ানমারের সঙ্গে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভুল করে গোলা ছুড়েছে মিয়ানমার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মিয়ানমারের সীমানা লঙ্ঘন: কোন পথে যাবে বাংলাদেশ?
এবার কক্সবাজারের পালংখালী সীমান্তে গোলার শব্দ
মিয়ানমারের সামরিক সক্ষমতা কতটুকু

মন্তব্য

p
উপরে