× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
India wants to build a joint military factory in Bangladesh
hear-news
player
google_news print-icon

বাংলাদেশে যৌথ সমরাস্ত্র কারখানা করতে চায় ভারত

বাংলাদেশে-যৌথ-সমরাস্ত্র-কারখানা-করতে-চায়-ভারত
বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপের মতো ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করতে চায় ভারত। ছবি: সংগৃহীত
সামরিক সহযোগিতা ও সরঞ্জাম সহায়তার বাইরে বাংলাদেশের কারখানায় উৎপাদিত সামরিক সরঞ্জাম ও যুদ্ধাস্ত্র নিজেরা আমদানি করবে ভারত। এর মাধ্যমে সামরিক সহযোগিতার বাইরে দুই দেশের বাণিজ্যিক ভারসাম্যহীনতা কমাতে চায় দিল্লি।

বাংলাদেশে যৌথ উদ্যোগে সামরিক সরঞ্জাম তৈরির কারখানা করতে চায় ভারত। প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন সফরেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে চায় দিল্লি। একটি বিশেষ অর্থনৈতিক জোনে এ কারখানা করতে চায় দেশটি।

সামরিক সহযোগিতা ও সরঞ্জাম সহায়তার বাইরে বাংলাদেশের কারখানায় উৎপাদিত সামরিক সরঞ্জাম ও যুদ্ধাস্ত্র নিজেরা আমদানি করবে ভারত। এর মাধ্যমে সামরিক সহযোগিতার বাইরে দুই দেশের বাণিজ্যিক ভারসাম্যহীনতা কমাতে চায় দিল্লি।

যৌথ এই সহযোগিতা উদ্যোগে ভূমি থেকে আকাশে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, রাডার, মর্টার, হালকা যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, টর্পেডো এবং সাঁজোয়া যানের মতো সরঞ্জাম তৈরি করতে চায় ভারত।

দিল্লির সাউথ ব্লক ও একাধিক কূটনৈতিক চ্যানেল জানায়, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পৃক্ততাকে সামনে রেখে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন নয়া দিল্লি সফরের সময় ভারত যৌথ প্রতিরক্ষা উৎপাদনে একটি কাঠামো চুক্তির জন্য জোর দিচ্ছে৷

চীন সম্প্রতি কক্সবাজারের পেকুয়ায় একটি অতি-আধুনিক সাবমেরিন ঘাঁটি, বিএনএস শেখ হাসিনা নির্মাণসহ বেশ কয়েকটি মূল প্রতিরক্ষা প্রকল্প ত্বরান্বিত করা শুরু করেছে। দিল্লি মনে করে, ভারতীয় উপমহাদেশে চীন তার প্রভাব সম্প্রসারণের জন্য বেইজিং ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে দুটি সাবমেরিন দিয়েছে।

ভারতের প্রবীণ সাংবাদিক ও অল ইন্ডিয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গৌতম লাহিড়ী জানান, কিছুদিন আগে, ভারতের প্রতিরক্ষা সচিব অজয় ​​কুমার এবং বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেলের নেতৃত্বে চতুর্থ ভারত-বাংলাদেশ বার্ষিক প্রতিরক্ষা সংলাপের সময় একটি আপগ্রেডেড দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তির গ্রাউন্ড ওয়ার্ক চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

বাংলাদেশে যৌথ সমরাস্ত্র কারখানা করতে চায় ভারত
২০১৭ সালে ভারত সফরের সময় দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

১১ আগস্ট নয়াদিল্লিতে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে করা বৈঠকে যৌথ প্রতিরক্ষা উৎপাদনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বলা হয়, এটি প্রথমবারের মতো প্রতিরক্ষা হার্ডওয়্যার এবং সরঞ্জাম উত্পাদনে ভারত ও বাংলাদেশ হাত মেলাতে পারে।

২০১৭ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় দুই দেশ প্রতিরক্ষা সহযোগিতার কাঠামোতে একটি এমওইউ স্বাক্ষর করেছিল, যা এ সফরের সময় আপগ্রেড করতে চাচ্ছে সাউথ ব্লক।

বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রতিরক্ষা সামগ্রীর যৌথ উৎপাদন নিয়ে আলোচনাও এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

সম্প্রতি ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারতীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের ক্ষেত্রে উভয় দেশেরই প্রতিরক্ষা বাণিজ্যসহ-উন্নয়ন এবং যৌথ উৎপাদন সহযোগিতার প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, উভয় দেশের সশস্ত্র বাহিনী একাধিক ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং বর্ধিত সম্পৃক্ততা উভয় দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যতের জন্য একটি ইতিবাচক লক্ষণ।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, ভারতীয় প্রতিরক্ষা সচিব আসন্ন ডিফ-এক্সপো ২০২২-এর জন্য তার বাংলাদেশি প্রতিপক্ষকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, যা অক্টোবরে গুজরাটের গান্ধীনগরে অনুষ্ঠিত হবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বহুজাতীয় প্রতিরক্ষা উৎপাদন ফোরামের উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান প্রস্তাবটি গ্রহণ করেছেন এবং আরও সহযোগিতার জন্য বিশদ আলোচনা করতে সম্মত হয়েছেন।

বৈঠকে প্রতিরক্ষা শিল্প ও সক্ষমতা বৃদ্ধির সহযোগিতার বিভিন্ন দিক বিস্তারিত আলোচনার জন্য এসেছে। উভয় পক্ষই প্রতিরক্ষা সংগ্রহের জন্য ভারতের প্রস্তাবিত ৫০০ মিলিয়ন ডলারের ক্রেডিট লাইন বাস্তবায়নের জন্য ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে।

বাংলাদেশ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের চাহিদামতো আইটেমের তালিকা পাঠাতে সম্মত হয়েছে বলে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

আগস্টের আলাপচারিতার সময় আলোচকরা দুই দেশের মধ্যে চলমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা পর্যালোচনা করেন এবং সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তারা করোনার সময় নানা অসুবিধা সত্ত্বেও সহযোগিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানান।

প্রতিরক্ষাসচিব পর্যায়ের আলোচনার এক দিন আগে ১০ আগস্ট নয়াদিল্লিতে দ্বিতীয় ভারত-বাংলাদেশ ত্রি-সেবা স্টাফ আলোচনা (টিএসএসটি) অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে ভারতের ডেপুটি চিফ অফ ইন্টিগ্রেটেড স্টাফ হেডকোয়ার্টার ব্রিগেডিয়ার বিবেক নারাং এবং বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অপারেশনস অ্যান্ড প্ল্যান ডিরেক্টরেটের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার হুসেইন মুহাম্মদ উপস্থিত ছিলেন।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আলোচনাটি ‘তিনটি পরিষেবার বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ব্যবস্থার পরিধির অধীনে গৃহীত চলমান এবং নতুন উদ্যোগ এবং দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা ব্যস্ততাকে আরও জোরদার করার ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছে।’

এ ছাড়া নিয়মিত সংলাপ ও সম্পৃক্ততার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে ফোরামটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, সফরে ভারত থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। ২০১৯ সালে এ-সংক্রান্ত চুক্তি করে বাংলাদেশ। সে অনুযায়ী সরঞ্জাম কিনতে ভারত ৫০ কোটি ডলার ঋণ দেবে৷

গত জুলাইয়ে ঢাকা সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন ভারতের সেনাপ্রধান। সাক্ষাতে সরঞ্জাম কেনার বিষয়টি উঠে আসে। সম্প্রতি বাংলাদেশের কর্মকর্তারাও ভারত গিয়ে সরঞ্জাম পরিদর্শন করে এসেছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন।

সোমবার চার দিনের সফরে ভারতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীকে চায়ের দাওয়াত দিলেন শ্যামলী গোয়ালা
১৫ আগস্ট শেখ মনি হত্যার নিন্দা করি, তবে…: রিজভী
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে নজর সম্পর্ক জোরদারে
শেখ হাসিনাকে এবারও স্বাগত জানাবেন মোদি
সোনিয়া গান্ধীর মায়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
29 Institutions declared as Critical Information Infrastructure

২৯ প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো ঘোষণা

২৯ প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো ঘোষণা ছবি: সংগৃহীত
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ অনুযায়ী রোববার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।

সরকারি ২৯টি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ অনুযায়ী রোববার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো ঘোষিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড, সেতু বিভাগ, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, জাতীয় ডাটা সেন্টার ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, বিটিআরসি, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অণুবিভাগ ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এবং সেন্ট্রাল প্রকিউরেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট।

তালিকায় আরও রয়েছে- সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্প, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইমিগ্রেশন পুলিশ, বিটিসিএল, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অফ বাংলাদেশ, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, সেন্ট্রাল ডিপজিটরি, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ এর ১৫ ধারায় বলা আছে- এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা তথ্য পরিকাঠামোকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসাবে ঘোষণা করিতে পারিবে।

আইনটির ১৬-এর (১) ধারায় বলা হয়েছে- মহাপরিচালক, এই আইনের বিধানাবলী যথাযথভাবে প্রতিপালিত হইতেছে কি না তাহা নিশ্চিত করিবার জন্য প্রয়োজনে সময় সময় কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন করিবেন এবং এতদসংক্রান্ত প্রতিবেদন সরকারের নিকট দাখিল করিবেন।

১৬-এর (২) ধারায় বলা হয়েছে- এই আইনের আওতায় ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোসমূহ, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রতি বৎসর উহার অভ্যন্তরীণ ও বহিস্থ পরিকাঠামো পরিবীক্ষণপূর্বক একটি পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন সরকারের নিকট উপস্থাপন করিবে এবং উক্ত প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু মহাপরিচালককে অবহিত করিবে।

১৬-এর (৩) ধারায় বলা আছে- মহাপরিচালকের নিকট যদি যুক্তিসঙ্গতভাবে বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, তাহার অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে কোনো ব্যক্তির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর জন্য হুমকিস্বরূপ বা ক্ষতিকর, তাহা হইলে তিনি স্ব-প্রণোদিতভাবে বা কাহারও নিকট হইতে কোনো অভিযোগপ্রাপ্ত হইয়া উহার অনুসন্ধান করিতে পারিবেন।

১৬-এর (৪) ধারায় বলা হয়েছে- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে নিরাপত্তা পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন কার্যক্রম ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি দ্বারা সম্পন্ন করিতে হইবে।

আইন লংঘনের শাস্তি হিসেবে ১৭-এর (১) ধারায় বলা হয়েছে- যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে– (ক) বে-আইনি প্রবেশ করেন, বা (খ) বে-আইনি প্রবেশের মাধ্যমে উহার ক্ষতিসাধন বা বিনষ্ট বা অকার্যকর করেন অথবা করিবার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর (ক) দফা (ক)-এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর কারাদণ্ডে বা অনধিক ২৫ (পঁচিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন; এবং

(খ) দফা (খ)-এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর কারাদণ্ডে বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১)-এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয় বার বা পুনঃ পুনঃ সংঘটন করেন তাহা হইলে তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অনধিক ৫ (পাঁচ) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
IGP advises 24 hour security at Mandapam

সজাগ থাকুন, পূজামণ্ডপ ২৪ ঘণ্টা পাহারায় রাখুন: আইজিপি

সজাগ থাকুন, পূজামণ্ডপ ২৪ ঘণ্টা পাহারায় রাখুন: আইজিপি
পুলিশপ্রধান বলেন, ‘যে সময় কেউ থাকে না, ঠিক সেই সময়টাতেই অপকর্ম ঘটায়। তাই পুরো সময়টা সজাগ থাকতে হবে। সারা দেশের মণ্ডপের জন্য আমার একই বার্তা।’

নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে কোনো অবস্থাতেই পূজামণ্ডপ ফাঁকা না রাখতে আয়োজকদের অনুরোধ করেছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

পুরান ঢাকার ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে রোববার সন্ধ্যায় এমন পরামর্শ দেন তিনি।

আইজিপি বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে একটি মহল সবসময়ই তৎপর রয়েছে। পূজামণ্ডপগুলো কোনোভাবেই ফাঁকা রাখা যাবে না। কারণ তারা এই সুযোগেই অঘটন ঘটায়। সাধারণত দুষ্কৃতিকারীরা সরকার ও সমাজের সুনাম নষ্ট করতে পূজার সময় এমন সব ঘটনা ঘটিয়ে থাকে। তাই সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’

পুলিশপ্রধান বলেন, ‘যে সময় কেউ থাকে না, ঠিক সেই সময়টাতেই অপকর্ম ঘটায়। তাই পুরো সময়টা সজাগ থাকতে হবে। সারা দেশের মণ্ডপের জন্য আমার একই বার্তা।’

দুর্গাপূজায় নিরাপত্তায় পুলিশ সর্বোচ্চ সর্তক থাকলেও পূজা কমিটির সহযোগিতা ছাড়া শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত সম্ভব নয় বলেও উল্লেখ করেন আইজিপি।

আয়োজকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘নিজেদের জনবল না থাকলে আনসার কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নিতে হবে। তবুও কোনোভাবে মণ্ডপে প্রতিমা ফাঁকা যাবে না।’

এ সময় আইজিপির সঙ্গে ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম ও ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
সব মণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা চান আইজিপি
এবারও আইজিপি র‌্যাব থেকে
অবসরে যাচ্ছেন আইজিপি বেনজীর
সন্ত্রাসবাদ মাথাচাড়ার চেষ্টা করলে অবাক হওয়ার কিছু নেই: আইজিপি
স্বাধীনতার ৩০ বছরই আমরা গণতন্ত্রের দেখা পাইনি: আইজিপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
VAT exemption on edible oil for another 3 months

ভোজ্যতেলে ভ্যাটমুক্ত সুবিধা আরও ৩ মাস

ভোজ্যতেলে ভ্যাটমুক্ত সুবিধা আরও ৩ মাস ভোজ্যতেলে ভ্যাট মওকুফের মেয়াদ বাড়তে পারে। ছবি: নিউজবাংলা
বর্তমানে ভোজ্যতেলের আমদানি পর্যায়ে ৫ শতাংশ ছাড়া আর কোনো স্তরে ভ্যাট নেই। এ সুবিধাটি দুই দফা পর্যন্ত বাড়ানো হয়। সর্বশেষ মেয়াদ ছিল ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এরপর আরও তিন দিন পেরিয়ে গেছে। এর মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ঘোষণা না আসায় বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

ছয় মাস ধরে চলা ভোজ্যতেলে উৎপাদন ও ব্যবসায় পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট মওকুফের মেয়াদ আবারও বাড়তে পারে।

ভোজ্যতেলের দাম যেন নতুন করে না বাড়ে, তাই ভ্যাট প্রত্যাহারের সুবিধা আরও তিন মাস বহাল রাখতে পারে বলে বাণিজ্য ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

আগামী জুন পর্যন্ত এই সুবিধা বাড়াতে গত ২০ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এনবিআরে চিঠি দেয়া হয়। এতে বলা হয়, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত (কাঁচামাল) সয়াবিন ও পাম অয়েলের দাম কমলেও ডলারের দাম বাড়ার কারণে দেশীয় বাজারে পণ্যটির মূল্য কমানো সম্ভব হচ্ছে না।

‘তাই স্থানীয় বাজারে ভোজ্যতেলের মূল্য এবং সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে ভ্যাট অব্যাহতির বর্তমান মেয়াদ ১ অক্টোবর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত পুনরায় বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।’

এনবিআরের এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবটি পেয়েছি। শিগগিরই এ বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসবে।’

বর্তমানে ভোজ্যতেলের আমদানি পর্যায়ে ৫ শতাংশ ছাড়া আর কোনো স্তরে ভ্যাট নেই। এ সুবিধাটি দুই দফা পর্যন্ত বাড়ানো হয়। সর্বশেষ মেয়াদ ছিল ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এরপর আরও তিন দিন পেরিয়ে গেছে। এর মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ঘোষণা না আসায় বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

ভোজ্যতেল উৎপাদক ও বিপণনকারী কোম্পানি সিটি গ্রুপের পরিচালক বিশ্বজিৎ সাহা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ভ্যাট মওকুফ সুবিধার মেয়াদ অব্যাহতি না রাখা হলে ভোজ্যতেল আমদানিতে শুল্ক-করহার বেড়ে যাবে। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বাজারে। সে জন্য আমাদের দাবি হচ্ছে, বর্তমান যে সুবিধা রয়েছে তার মেয়াদ আগামী বাজেট পর্যন্ত বহাল রাখা হোক।’

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের পর গত মার্চ থেকে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত ভোজ্যতেলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় অভ্যন্তরীণ বাজারেও দামে প্রভাব পড়ে।

ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ কিছুটা কমাতে গত ১৪ মার্চ এনবিআর প্রজ্ঞাপন জারি করে সয়াবিন ও পাম তেলের উৎপাদন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ এবং ব্যবসা পর্যায়ে ৫ শতাংশ ভ্যাট মওকুফ করে।

এর দুদিন পর ভোজ্যতেলের আমদানি পর্যায়ে আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়। তখন এর মেয়াদ ঠিক করা হয় ৩০ জুন পর্যন্ত।

পরে ৩ জুলাই আরেকটি প্রজ্ঞাপনে ভ্যাট মওকুফ সুবিধার মেয়াদ বাড়িয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর করা হয়। যার মেয়াদ শেষ হয় গত শুক্রবার।

বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমা অব্যাহত রয়েছে। উৎপাদন বৃদ্ধি, রপ্তানিকারক দেশগুলোতে মজুত বেড়ে যাওয়ায় এমন দরপতন হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কমোডিটি এক্সচেঞ্জ শিকাগো বোর্ড অফ ট্রেডে গত ২৮ জুলাই সয়াবিন তেলের দর উঠেছিল টনপ্রতি ১ হাজার ৪৫১ ডলার। বর্তমানে টনপ্রতি দাম ১ হাজার ২০০ ডলার।

আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিনের চেয়ে বেশি কমেছে পাম তেলের দাম।

তবে দেশের বাজারে এই দাম কমার সুফল পাওয়া যায়নি ডলারের বিপরীতে টাকার দরপতনের কারণে। গত কয়েক মাসে ৮৪ টাকার ডলারের দর এখন ১০৬ টাকা।

বর্তমানে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দর নির্ধারিত আছে ১৯২ টাকা আর প্রতি লিটার পাম তেলের দাম ঠিক করে দেয়া হয়েছে ১৩২ টাকা।

দেশের ব্যবসায়ীরা মূলত মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে পরিশোধিত আকারে পাম অয়েল আমদানি করেন।

আর অপরিশোধিত সয়াবিন তেল আমদানি করে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল থেকে। বছরে ২১ লাখ টন ভোজ্যতেল আমদানি হয়। এ ছাড়া মাড়াই করে পাওয়া যায় আরও তিন লাখ টন সয়াবিন।

আরও পড়ুন:
১ কোটি ৬৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনছে সরকার
দাম বাড়ানোর পর বাড়ছে সয়াবিনের সরবরাহ
সয়াবিনের দাম লিটারে বাড়ল ৭ টাকা
ভোজ্যতেলের দাম বাড়াতে সেই পুরোনো কৌশল
১ লাখ ২৫ হাজার টন সয়াবিন তেল কিনছে টিসিবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Senior journalist Toab Khan is being laid to rest in Banani

বনানীতে শায়িত হচ্ছেন বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খান

বনানীতে শায়িত হচ্ছেন বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খান বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খান।
প্রয়াত সাংবাদিকের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তোয়াব খানের মরদেহ সোমবার সকাল ১০টায় তার কর্মস্থল তেজগাঁওয়ে নিউজবাংলা ও দৈনিক বাংলা কার্যালয়ে নেয়ার পর সেখানে প্রথম জানাজা হবে। এরপর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কফিন রাখা হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ব্যবস্থাপনায় শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।

বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন দেশের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকম ও দৈনিক বাংলার সম্পাদক, একুশে পদকপ্রাপ্ত বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খান।

সোমবার দেশবরেণ্য এই সাংবাদিকের দাফন অনুষ্ঠিত হবে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

বার্ধক্যজনিত জটিলতায় অসুস্থতার পর তোয়াব খানকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত শনিবার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

প্রয়াত সাংবাদিকের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তোয়াব খানের মরদেহ সোমবার সকাল ১০টায় তার কর্মস্থল তেজগাঁওয়ে নিউজবাংলা ও দৈনিক বাংলা কার্যালয়ে নেয়ার পর সেখানে প্রথম জানাজা হবে। এরপর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কফিন রাখা হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ব্যবস্থাপনায় শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।

এরপর প্রবীণ সাংবাদিক তোয়াব খানের মরদেহ নেয়া হবে জাতীয় প্রেস ক্লাবে।

সেখানে তাকে রাখা হবে বেলা ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত। এ সময় তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে মরদেহ নেয়া হবে গুলশানে তার নিজ বাসভবনে।

বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে তৃতীয় জানাজা শেষে সর্বজনশ্রদ্ধেয় এই সাংবাদিককে দাফন করা হবে বনানী কবরস্থানে।

নিউজবাংলার সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি চৌধুরী নাফিজ সরাফাত ও উপদেষ্টা সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার সাংবাদিক তোয়াব খানের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন।

সম্পাদকের মৃত্যুতে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সব অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে।

১৯৩৪ সালের ২৪ এপ্রিল সাতক্ষীরা জেলার রসুলপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তোয়াব খান। সাংবাদিক হিসেবে সুদীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য কর্মজীবন রয়েছে তার।

২০১৬ সালে একুশে পদক পান তোয়াব খান। একই বছর তাকে সম্মানীত ফেলো নির্বাচন করে বাংলা একাডেমি।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রেস সেক্রেটারি ছিলেন তোয়াব খান। পরে রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ এবং প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা সাহাবুদ্দীন আহমদের প্রেস সচিবের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

ছাত্রজীবন থেকেই তোয়াব খান বিভিন্ন পত্রিকায় সমকালীন ইস্যু নিয়ে লেখালেখি করতেন। ১৯৫৩ সালে সাপ্তাহিক জনতার মাধ্যমে তার সাংবাদিকতা জীবনের শুরু। ১৯৫৫ সালে তিনি যোগ দেন দৈনিক সংবাদে।

১৯৬১ সালে দৈনিক সংবাদের বার্তা সম্পাদক হন। ১৯৬৪ সালে তিনি যোগ দেন দৈনিক পাকিস্তানে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে শব্দসৈনিকের ভূমিকা পালন করেন তোয়াব খান। সে সময় তার আকর্ষণীয় উপস্থাপনায় নিয়মিত প্রচার হয় ‘পিণ্ডির প্রলাপ’ নামের অনুষ্ঠান।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর দৈনিক পাকিস্তান থেকে বদলে যাওয়া দৈনিক বাংলার প্রথম সম্পাদক ছিলেন তোয়াব খান। ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রেস সচিব ছিলেন তোয়াব খান। দেশের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ও প্রেস ইনস্টিটিউট অফ বাংলাদেশের মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন যশস্বী এ সাংবাদিক।

নিউজবাংলা ও দৈনিক বাংলার সম্পাদক হিসেবে যোগ দেয়ার আগে সর্বশেষ তিনি দৈনিক জনকণ্ঠের উপদেষ্টা সম্পাদক ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খানের প্রয়াণে বিশিষ্টজনদের শোক
স্বীয় কর্মে স্মরণীয় থাকবেন তোয়াব খান: প্রধানমন্ত্রী
বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খানের প্রয়াণ
নতুন রূপে আসছে দৈনিক বাংলা, সম্পাদক তোয়াব খান
গুরুতর অসুস্থ সাংবাদিক তোয়াব খান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
LPG price reduced by Tk 3 per kg

কেজিতে ৩ টাকা কমল এলপিজির দাম

কেজিতে ৩ টাকা কমল এলপিজির দাম
কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, ‘গত মাসের দাম কার্যকর হয়নি। সেক্ষেত্রে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলে আশা করছি। আগেও আমরা ভোক্তা অধিকারকে দাম কার্যকর করার অনুরোধ করেছি।’

সেপ্টেম্বরে বাড়ার পরের মাসেই কমল সিলিন্ডারজাত তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দাম। কেজিতে পণ্যটির দাম কমেছে তিন টাকার সামান্য কম।

এখন থেকে ১২ কেজির সিলিন্ডারে এলপিজির দাম কমেছে ৩৫ টাকা। ভোক্তা পর্যায়ে এখন ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২০০ টাকা।

সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

রোববার সংবাদ সম্মেলন করে নতুন এই দর ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন দর কার্যকর সম্পর্কে বাজারে নেতিবাচক উদাহরণ থাকলে ভোক্তাদের তা অভিযোগ আকারে বিইআরসিকে জানাতে অনুরোধ করেছেন সংস্থার চেয়ারম্যন আব্দুল জলিল।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে অংশ নেন কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ আবু ফারুক, মকবুল ই-এলাহী চৌধুরী, মোহাম্মদ বজলুর রহমান, কামরুজ্জামান, বিইআরসির সচিব খলিলুর রহমান খান।

গত মাসে সরকার দাম নির্ধারণ করে দিলেও বাজারে তার প্রয়োগ হয়নি বলে জানালে কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, ‘গত মাসের দাম কার্যকর হয়নি। সেক্ষেত্রে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলে আশা করছি। আগেও আমরা ভোক্তা অধিকারকে দাম কার্যকর করার অনুরোধ করেছি।’

তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে ভোক্তা যদি সরাসরি কমিশনে অভিযোগ করেন, তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

‘কোম্পানির কাছ থেকে বেশি দামে কেনার বিষয়ে পরিবেশকরা (ডিলার) কেউ কমিশনে অভিযোগ করেননি। নির্ধারিত দামে বিক্রি না হলে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ব্যবস্থা নেবে।’

চেয়ারম্যান বলেন, ‘অনেক সময় খুচরা ব্যবসায়ী বোতল (সিলিন্ডার) বাসায় পৌঁছে দেয়ার জন্য ৫০ টাকা থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেশি নিয়ে থাকে। কেউ যদি কেনা রশিদসহ আমাদের কাছে অভিযোগ করেন তাহলে আমরা ব্যবস্থা নেব।’

গ্যাস না পেয়েও প্রতি মাসে বিল দিচ্ছেন গ্রাহকরা, এ বিষয়ে কমিশনের কী করার আছে- জানতে চাইলে বিইআরসির সদস্য মকবুল ই ইলাহী চৌধুরী বলেন, ‘কোনো লিখিত অভিযোগ কমিশনে আসেনি। কেউ অভিযোগ করলে কমিশন ব্যবস্থা নিতে পারে।

‘সরকারি এলপিজির দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। বেসরকারি খাতে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি কেজি এলপিজির নতুন দাম ১০০ টাকা ১ পয়সা। এ হিসাবে বিভিন্ন পরিমাণের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে। এ ছাড়া গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি লিটার ৫৫ টাকা ৯২ পয়সা, যা আগে ছিল ৫৭ টাকা ৫৫ পয়সা।’

এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়।

সেপ্টেম্বরে খুচরায় প্রতি কেজি এলপিজির দাম ছিল ১০২ টাকা ৮৮ পয়সা; সেই হিসাবে ১২ কেজি ওজনের একটি এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে ১২৩৫ টাকা খরচ করতে হচ্ছিল।

অক্টোবরে সৌদি আরামকো ঘোষিত প্রোপেন ও বিউটেন দাম যথাক্রমে ৫৯০ ডলার ও ৫৬০ ডলার। ৩৫ অনুপাত ৬৫ হিসাবে গড় মিশ্রণের দাম দাঁড়াচ্ছে ৫৭০ ডলার।

এই হিসাবটি বিবেচনায় নিয়ে অক্টোবর মাসের জন্য বেসরকারি এলপিজি খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি ১০০ টাকা ১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর খুচরায় ১২ কেজি এলপিজির মূল্য ১২০০ টাকায় সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানান বিইআরআই চেয়ারম্যান।

চেয়ারম্যান জানান, বাসাবাড়িতে সরবরাহ করা রেটিকুলেটেড পদ্ধতির দাম ঠিক করা হয়েছে প্রতি কেজি ৯৬ টাকা ৭৮ পয়সা। যানবাহনের জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত অটোগ্যাস প্রতি লিটার ৫৫ টাকা ৯২ পয়সা করা হয়েছে।

নতুন ঘোষণা অনুযায়ী সাড়ে ৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৫৫০ টাকা, সাড়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১২৫১ টাকা, ১৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১৫০০ টাকা, ১৬ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১৬০০ টাকা, ১৮ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১৮০০ টাকা, ২০ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২০০০ টাকা, ২২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২২০১ টাকা, ২৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২৪৯৯ টাকা, ৩০ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৩০০০ টাকা, ৩৩ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৩৩০১ টাকা, ৩৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৩৫০০ টাকা, ৪৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৪৫০০ টাকা।

আরও পড়ুন:
তিন মাস বাড়ার পর কমল এলপিজির দাম
‘যুদ্ধের প্রভাবে’ আবার বাড়ল এলপিজির দর
এলপিজির দাম সিলিন্ডারে বাড়ল ১৫১ টাকা
এলপিজির দাম সিলিন্ডারে বাড়ল ৬২ টাকা
সিলিন্ডার গ্যাসের দাম কমেছে নামেই

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Coast Guard has strengthened patrolling at Teknaf border to prevent Rohingya infiltration

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে টেকনাফ সীমান্তে কোস্ট গার্ডের টহল জোরদার

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে টেকনাফ সীমান্তে কোস্ট গার্ডের টহল জোরদার টেকনাফ সীমান্তে কোস্ট গার্ডের টহল। ছবি: সংগৃহীত
মুনিফ তকি বলেন, ‘পাশের দেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতায় বাংলাদেশের টেকনাফ সীমানায় যেন বিন্দুমাত্র বিরূপ পরিবেশ সৃষ্টি না হয়, এ জন্য সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। মানব পাচার, চোরাচালান, মাদকদ্রব্য পাচারসহ নতুনভাবে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে কোস্ট গার্ড।’

মিয়ানমার সীমান্তে টহল ও নজরদারি বাড়িয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। মিয়ানমারে চলমান অভ্যন্তরীণ অস্থিরতায় নতুন করে কেউ যাতে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য এ তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।

রোববার বিকেলে কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার খন্দকার মুনিফ তকি এমন তথ্য জানান।

কিছুদিন থেকেই মিয়ানমার সীমান্তে অস্থিরতা বিরাজ করছে। বিশেষ করে মিয়ানমার সেনাদের ছোড়া গোলা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পড়েছে। গোলায় একজন নিহতের ঘটনাও ঘটেছে।

এমন অবস্থায় কোস্ট গার্ডের বেশিসংখ্যক সদস্য সীমান্তে নিয়োজিত করেছেন।

মুনিফ তকি বলেন, ‘পাশের দেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতায় বাংলাদেশের টেকনাফ সীমানায় যেন বিন্দুমাত্র বিরূপ পরিবেশ সৃষ্টি না হয়, এ জন্য সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। মানব পাচার, চোরাচালান, মাদকদ্রব্য পাচারসহ নতুনভাবে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে কোস্ট গার্ড।’

এই কর্মকর্তা বলেন, ‘মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার সুযোগে অনুপ্রবেশকারী ঠেকাতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে কোস্ট গার্ড। সমুদ্রে সার্বক্ষণিক টহল জাহাজ মোতায়েনসহ টেকনাফ থেকে শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত রাত-দিন নিয়মিত অত্যাধুনিক হাইস্পিড বোটের মাধ্যমে টহল চলমান রয়েছে।’

তিনি জানান, এ ছাড়া টেকনাফ, শাহপরী, বাহারছড়া ও সেন্টমার্টিনে বর্তমানে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করে সার্বক্ষণিক পরিস্থতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যেকোনো প্রকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং দেশের মানুষের জানমালের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

কোনো প্রকার গুজব বা মিথ্যা প্রোপাগান্ডা যেন অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে, এ জন্য নিজেদের গোয়েন্দা নজরদারিসহ সতর্ক অবস্থানের কথাও জানায় কোস্ট গার্ড।

আরও পড়ুন:
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফের কুপিয়ে হত্যা
যুদ্ধের মাধ্যমে উন্নয়ন ধ্বংস করতে পারি না: কৃষিমন্ত্রী
মিয়ানমারের সঙ্গে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সাবেক মাঝিকে কুপিয়ে হত্যা
ভুল করে গোলা ছুড়েছে মিয়ানমার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
RAB DGs opposite words of Home Minister about reforms

সংস্কার নিয়ে র‍্যাব ডিজির উল্টো কথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সংস্কার নিয়ে র‍্যাব ডিজির উল্টো কথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। ফাইল ছবি
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, ‘আমাদের জানতে হবে তারা অন্যায়টা কী করেছে। আর সংস্কারের কথা বলতে, র‍্যাব তো সব সময় সংস্কারের মধ্যেই আছে। আমরা সব কিছু আধুনিকায়ন করছি৷ যেটা প্রয়োজন সেটাই দিচ্ছি।’

নতুন দায়িত্ব নেয়ার পর র‍্যাবের মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন বাহিনীটির সংস্কার দরকার নেই বলার পরের দিনই উল্টো বক্তব্য দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেছেন, র‍্যাব সব সময়ই সংস্কারের মধ্যেই আছে।

রাজধানীর একটি হোটেলে রোববার দুপুরে বাংলাদেশ থেকে মানব পাচার নিয়ে প্রথমবারের মতো জাতীয় একটি জরিপের গবেষণা প্রতিবেদন উন্মোচন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ মন্তব্য করেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘র‍্যাব যখন তৈরি হয়, র‍্যাবকে ট্রেনিং কিন্তু ইউএসএ দিয়েছে। কাজেই আমরা মনে করি, র‍্যাব যদি কোনো ভুল করে থাকে তবে সেগুলোও আমরা দেখছি। র‍্যাব কিংবা পুলিশ যারাই অপরাধযোগ্য কাজ করছে, তারা কখনও শাস্তির বাইরে যায়নি। এখনও অনেকসংখ্যক পুলিশ ও র‍্যাব সদস্য জেল খাটছে। কাজেই আমরা কাউকে ছাড় দিচ্ছি না।’

তবে র‍্যাব কী অন্যায় করেছে সেটাও জানানো দরকার বলে মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, ‘আমাদের জানতে হবে তারা অন্যায়টা কী করেছে। আর সংস্কারের কথা বলতে, র‍্যাব তো সব সময় সংস্কারের মধ্যেই আছে। আমরা সব কিছু আধুনিকায়ন করছি৷ যেটা প্রয়োজন সেটাই দিচ্ছি।’

গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে যুক্তরাষ্ট্র সরকার র‍্যাবের সাত বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা জানায়। দেশটির পররাষ্ট্র বিভাগ ও রাজস্ব বিভাগ আলাদা আলাদা করে এ নিষেধাজ্ঞা দেয়।

র‍্যাবের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার পর তাদের পাঠানো রিপোর্ট পর্যালোচনা করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এমন তথ্য জানিয়ে আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, ‘র‍্যাব একটা এলিট ফোর্স। র‍্যাবে একটা দায়িত্ব আমরাই দিয়ে থাকি। তারা সে নীতিমালা অনুযায়ী কাজ করে। যদি কেউ ভুল করে থাকেন, আমাদের কাছে যে রিপোর্ট এসেছে, সেগুলো আমরা স্টাডি করছি। কারও যদি এখানে ইনভলভমেন্ট থাকে সেটিও আমরা দেখছি।’

আরও পড়ুন:
বিএনপির ওপর হামলাকারী ‘অতি উৎসাহীদের’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিএনপির অভিযোগের পর যুবদল নেতাকে তুলে নেয়ার কথা স্বীকার
ঘরের দরজা ভেঙে যুবদল নেতাকে তুলে নেয় র‍্যাব: বিএনপি
রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার প্রস্তাব যাচাই করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ব্যাচেলেট আর কোনো প্রশ্ন করেননি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে