× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
New Delhi prepares to sign CEPA agreement during Prime Ministers visit
hear-news
player
print-icon

প্রধানমন্ত্রীর সফরে চুক্তি স্বাক্ষরের ঘোষণা দিতে চায় ভারত

প্রধানমন্ত্রীর-সফরে-চুক্তি-স্বাক্ষরের-ঘোষণা-দিতে-চায়-ভারত-
ফাইল ছবি
গত মার্চে এ চুক্তির খসড়া ঢাকায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠায় নয়দিল্লির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। মে মাসের শেষে গোহাটিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ চুক্তির খসড়া নিয়ে আলোচনা করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর সামনে রেখে আলোচিত ‘সমন্বিত অর্থনৈতিক পরিকল্পনা- সিইপিএ’ চুক্তির পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরেই চুক্তিটি স্বাক্ষরের আশা করছে ভারত। ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-ভারত সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) নামের এই পরিকল্পনায় দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ বাড়ানোর উপায় এবং ধাপে ধাপে বাণিজ্য ব্যবধান কমানোর কথা বলা হয়েছে।

গত মার্চে এ চুক্তির খসড়া ঢাকায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠায় নয়দিল্লির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। মে মাসের শেষে গোহাটিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ চুক্তির খসড়া নিয়ে আলোচনা করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর।

নয়াদিল্লির কূটনীতিক সূত্র জানায়, প্রস্তাবিত চুক্তিতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর উপায় খুঁজেছে ভারত। এ জন্য প্রয়োজনে বাংলাদেশের মাটিতে সামরিক-বেসামরিক শিল্পে বিনিয়োগ করে উৎপাদিত পণ্য ও সরঞ্জাম ভারতে আমদানির কথা বলা হয়েছে।

বাংলাদেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি ১ মার্চ থেকে ৪ মার্চ ভারত সফর করে এবং সিইপিএ এর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য জয়েন্ট স্টাডি গ্রুপ (জেএসজি) দুই দেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে সুপারিশ উপস্থাপন করে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রস্তাবিত সিইপিএর তিনটি মাত্রা রয়েছে- পণ্য, পরিষেবা ও বিনিয়োগে বাণিজ্য।

ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে দিল্লির কূটনৈতিক সূত্র জানায়, প্রস্তাবিত সিইপিএর মূল লক্ষ্য বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিশাল বাণিজ্য ব্যবধান কমানো এবং সংযোগ, নতুন বাজার, সহযোগিতা ও অংশীদারিসহ নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ উন্মুক্ত করা।

এ ছাড়া সিইপিএতে বহুমাত্রিক সংযোগের দৃষ্টিকোণ এবং উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতাকে গভীর করার দৃষ্টিকোণের মাধ্যমে অ্যান্টিডাম্পিং শুল্ক এবং উৎস করসহ অন্য চ্যালেঞ্জ সমাধান করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এটি দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে নিয়ে যাবে বলে মনে করে ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দাপ্তরিক বিবৃতিতে বলা হয়, সিইপিএ পারস্পরিক স্বার্থের বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করবে। যার মধ্যে রয়েছে রেল ও বন্দর অবকাঠামো, সীমান্ত হাট, এবং মাল্টি-মোডাল পরিবহনের মাধ্যমে আঞ্চলিক সংযোগ, হারমোনাইজেশনের উন্নয়ন ও যৌথ মান নিয়ন্ত্রণ।

এ ছাড়া সিইপিএর অধীনে সবুজ প্রযুক্তি, পুনর্ব্যবহারযোগ্য জ্বালানি, আইটি এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মতো নতুন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে, যা বিনিয়োগের সুযোগকে শক্তিশালী করবে। চুক্তিটিতে ভারত-বাংলাদেশ অংশীদারত্বকে শক্তিশালী করার জন্য চারটি ক্ষেত্রের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে কানেক্টিভিটি এবং ভারত থেকে পেঁয়াজ ও তুলার অনিশ্চিত সরবরাহের পরিপ্রেক্ষিতে একটি নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের চেইন বজায় রাখা। প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের যৌথ উৎপাদন, বিনিয়োগের সম্ভাব্য ক্ষেত্র, ভ্যাকসিন এবং অন্য ওষুধের যৌথ উৎপাদন।

চুক্তির সুবিধা ব্যাখ্যা করে একজন কূটনীতিক নিউজবাংলাকে বলেন, ক্রমবর্ধমান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পটভূমিতে, আমদানি, রপ্তানি এবং সংশ্লিষ্ট বিধিবিধানসহ দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ব্যবস্থা নতুন গতি পাবে। কারণ চুক্তিতে যৌথভাবে কাজ করার উপকরণ রয়েছে। এটি বাণিজ্য, সরবরাহ লাইন এবং উৎপাদন নিশ্চিত করবে।

তিনি বলেন, সিইপিএ চালু হলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের সম্ভাবনা হবে ৪০ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ভারতে তার শেষ সফরের সময় দৃঢ়ভাবে বলেছিলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য দীর্ঘ মেয়াদে সিইপিএ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সিইপিএ সংযোগের একটি ক্লাস্টার তৈরি করবে যা এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্ক রুট (এএইচ১ ও ২), বিবিআইএন, বিসিআইএম এবং বিমসটেক, পেট্রাপোল-বেনাপোল, ফুলবাড়ী-বাংলাবান্ধা এবং ডাউকিতে ভারত ও বাংলাদেশকে সংযুক্ত করে ভবিষ্যৎ বাণিজ্যকে রূপ দেবে। তামাবিল পয়েন্ট এবং আখাউড়া (বাংলাদেশ) এবং আগরতলা (ভারত) এর মধ্যে একটি নতুন রেল সংযোগ তৈরি করবে।

ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি, সিইপিএ একবার সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়িত হলে, চুক্তিটি সীমান্তের ওপারে ব্যক্তিগত, যাত্রী এবং পণ্যবাহী যানবাহন যাতায়াত সহজ করবে। এটি বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান হবে, যেখানে পণ্যের দাম চার থেকে ৫ শতাংশের বেশি কমতে পারে। এ ছাড়া স্থানীয়ভাবে নতুন নতুন ব্যবসার খাত উন্মুক্ত করবে, ট্রানজিট ব্যবসা নতুন রূপ পাবে এবং ভোক্তাদের খরচ কমাবে ও আয় বাড়াবে। কারণ প্রচুর অর্থনৈতিক কার্যক্রম শুরু হবে।

ভারতীয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিইপিএ চুক্তি অনুযায়ী যখন প্রোডাকশন হাব এবং সাপ্লাই চেইন বাস্তবায়িত হবে, তখন এটি উভয় দেশের জন্যই একটি নতুন বাজার তৈরি করবে এবং আগামী দিনে বিনিয়োগ একটি নতুন পথ দেখাবে। বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য তিনটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন করেছে এবং ভারতীয় কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে টেলিকমিউনিকেশন, ফার্মাসিউটিক্যালস, এফএমসিজি এবং অটোমোবাইলসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করছে।

ভারত ও বাংলাদেশ এক্ষেত্রে সিইপিএ-এর মাধ্যমে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে যে আরও জোরালো দ্বিপাক্ষিক সম্পৃক্ততা তৈরি করবে। এছাড়াও সিপিইএ ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলিতে বাংলাদেশের রাসায়নিক সার, কাঁচা পাট এবং পাটজাত পণ্য হিমায়িত মাছ এবং তৈরি পোশাকের (আরএমজি) জন্য বাজার তৈরি করবে।

বাংলাদেশের বাণিজ মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, সিইপিএর লক্ষ্য হচ্ছে বাণিজ্য সংক্রান্ত জটিলতা, ট্যারিফ, সরকারি ক্রয়, বিনিয়োগ, সংযুক্তি ও বিনিয়োগের সুরক্ষাসহ আরও বেশ কিছু বিষয় নিয়ে কাজ করা। বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার বিভিন্ন জটিলতাকে দূর করার জন্যেও এটি একটি বড় আকারের উদ্যোগ।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, সিইপিএ ঠিকমতো প্রতিষ্ঠিত হলে দুই দেশের আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকরা ব্যাবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য তাদের সুবিধামতো চুক্তি বেছে নিতে পারবেন। ইতোমধ্যে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (সাফটা) চালু আছে। ভারত তার স্ট্র্যাটেজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতার কারণে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদারে পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীকে চায়ের দাওয়াত দিলেন শ্যামলী গোয়ালা
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে নজর সম্পর্ক জোরদারে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Role of rich countries in climate issue is sad PM

জলবায়ু ইস্যুতে ধনী দেশগুলোর ভূমিকা দুঃখজনক: প্রধানমন্ত্রী

জলবায়ু ইস্যুতে ধনী দেশগুলোর ভূমিকা দুঃখজনক: প্রধানমন্ত্রী নিউ ইয়র্কে এক হোটেলে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার এএফপিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে জলবায়ু ও রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: এএফপি
নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে এএফপিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটা ধনী ও উন্নত দেশগুলোর দায়িত্ব। তাদেরই এই ইস্যুতে এগিয়ে আসা উচিত। কিন্তু আমরা তাদের দিক থেকে সে ধরনের কোনো সাড়া পাচ্ছি না। এটাই দুঃখজনক। আমি জানি, ধনী দেশগুলো আরও ধনী হতে চায়। তারা অন্যদের নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়।’

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলবায়ু ইস্যুতে ধনী দেশগুলোর অর্থবহ পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থতাকে দুঃখজনক হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, জলবায়ু খাতে কার্বন নিঃসরণের জন্য দায়ী দেশগুলো জোরালো বক্তব্য দিলেও পরিস্থিতির গুরুত্বের সঙ্গে তাদের কার্যক্রম সংগতিপূর্ণ নয়।

নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের (ইউএনজিএ) ফাঁকে এক হোটেলে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ধনী দেশগুলোর উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তারা শুধু কথা বলে, কিন্তু কাজ করে না। অথচ তারাই এই বিপর্যয়ের জন্য দায়ী।’

বার্তা সংস্থা বাসস শনিবার এ খবর জানায়।

সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটা ধনী ও উন্নত দেশগুলোর দায়িত্ব। তাদেরই এই ইস্যুতে এগিয়ে আসা উচিত। কিন্তু আমরা তাদের দিক থেকে সে ধরনের কোনো সাড়া পাচ্ছি না। এটাই দুঃখজনক।

‘আমি জানি, ধনী দেশগুলো আরও ধনী হতে চায়। তারা অন্যদের নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়।’

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে সংযোজন করে এএফপি মন্তব্য করেছে, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে ঘন জনবসতিপূর্ণ ডেল্টা ও নিম্নাঞ্চলীয় বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ দেশ।

‘বাংলাদেশ পৃথিবীকে উষ্ণায়নের জন্য দায়ী খুবই সামান্য পরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ করে।’

প্যারিস চুক্তি অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলা করে টিকে থাকার জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা করতে ২০২০ সাল নাগাদ বছরে ১০০ বিলিয়ন ডলার চাওয়া হয়েছে।

অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার মতে, ওই বছর বেসরকারি মাধ্যমসহ ৮৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে।

ফরাসি বার্তা সংস্থাটি পূর্বাভাসে জানিয়েছে, নভেম্বরে মিসরে অনুষ্ঠেয় পরবর্তী জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনটি সবচেয়ে বড় যে সমস্যার সম্মুখীন হতে যাচ্ছে তা হলো- ধনী দেশগুলোকে অভিযোজন ও প্রশমন ছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতির জন্যও অর্থ দিতে হবে কি না।

সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা চাই যে তহবিলটি আরও বৃদ্ধি পাক। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক যে আমরা উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছি না।’

এএফপি জানিয়েছে যে ধনী দেশগুলো ২০২৪ সাল পর্যন্ত শুধু ক্ষয়ক্ষতির ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনার জন্য সম্মত হয়েছে।

এ বছর ইউএনজিএ জলবায়ু সুবিচারের জন্য বারবার আহ্বান জানিয়েছে। এ ছাড়া ছোট্ট দেশ ভানুয়াতুর নেতা জীবাস্ম জ্বালানির বিরুদ্ধে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি করার আহ্বান জানিয়েছে। এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী যে ধরনের ভয়াবহ বন্যায় তার দেশের এক-তৃতীয়াংশ প্লাবিত হয়েছে, বিশ্বের অন্যান্য স্থানেও একই ধরনের ভয়াবহ বন্যা হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন।

রোহিঙ্গা প্রশ্নে এএফপি মন্তব্য করেছে, বাংলাদেশ পশ্চিমের যে নিষ্ক্রিয়তা দেখছে তাতে জলবায়ুই একমাত্র ইস্যু নয়; রোহিঙ্গা সংকট আরেকটি বড় সমস্যা- করোনার প্রাদুর্ভাব ও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে যেখান থেকে ধনী দেশগুলোর মনোযোগ সরে গেছে।

আরও বলা হয়েছে, প্রতিবেশী মিয়ানমারে ২০১৭ সালে সংখ্যালঘুদের ওপর দেশটির সেনাবাহিনীর নির্মম অভিযানের কারণে প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। এ অভিযানকে যুক্তরাষ্ট্র গণহত্যা বলে বর্ণনা করেছিল।

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থাটি আরও বলেছে, ‘সহিংসতার কারণে পালিয়ে আসা এর আগের এক লাখসহ এসব রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ায় বিশ্ব বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছিল। কিন্তু কোভিড-১৯ মহামারি ও বর্তমানে চলা রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের ঘটনায় সেখান থেকে বিশ্বের মনোযোগ সরে গেছে।

‘যতক্ষণ তারা আমাদের দেশে আছে, আমরা মনে করি এটি আমাদের দায়িত্ব’- এমনটা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কিন্তু বাংলাদেশি আশ্রয়দাতাদের ধৈর্য ক্ষীণ হয়ে আসছে।’

এএফপিও স্মরণ করেছে- জাতিসংঘের তৎকালীন মানবাধিকার প্রধান মিশেল ব্যাচেলেট এই বছরের আগস্টে এক সফরে মন্তব্য করেছিলেন যে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাবিরোধী মনোভাব বাড়ছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় জনগণকে যথেষ্ট ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। আমি বলব না যে তারা ক্ষুব্ধ, তবে তারা অস্বস্তি বোধ করছে। সব বোঝা আমাদের ওপর এসে পড়ছে। এটাই সমস্যা।’

আশ্রিত রোহিঙ্গাদের বেশির ভাগই মুসলিম, যারা বাস করছে ত্রিপল, টিন ও বাঁশের তৈরি ছাউনি ঘরে।

ব্যাচেলেট তার সফরকালে বলেছিলেন, বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ, সেনাশাসিত মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর কোনো সম্ভাবনা নেই, যেখানে রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করা হয় না।

কিন্তু সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা আভাস দেন, ক্যাম্পে বসবাসের বাইরে রোহিঙ্গাদের অল্প কিছু বিকল্প আছে।

তিনি বলেন, ‘তাদের খোলা জায়গা দেয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়, কারণ তা তাদের নিজের দেশেই রয়েছে। তারা সেখানে ফিরে যেতে চায়। আর এটাই সবার মূল অগ্রাধিকার।

‘কেউ যদি তাদের নিতে চায়, তারা নিতে পারে’- এ কথাও যোগ করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
লাখো প্রাণহানি ঘটাতে পারে এএমআর: শেখ হাসিনা
বৈশ্বিক আর্থিক-বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে উদ্বেগ প্রধানমন্ত্রীর
বাইডেনের সংবর্ধনায় শেখ হাসিনা
বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব
শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বেই গৃহহীন মানুষ চান না প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Stolen goods of Rampal power plant recovered

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুরির মালামাল উদ্ধার

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুরির মালামাল উদ্ধার বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুরি হওয়া পাইপ উদ্ধার করেছে র‍্যাব। ছবি: সংগৃহীত
র‍্যাব-৬ গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা থানাধীন কাতিয়ানাংলা থেকে চুরির মালামাল উদ্ধার করে। এ সময় ছয়জনকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি চুরির কাজে ব্যবহার করা ট্রলার ও মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুরি হওয়া পাইপসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার কাতিয়ানাংলা এলাকা থেকে শনিবার ভোররাতে উদ্ধার হয় প্রায় ১ হাজার ২০০ কেজি ওজনের লোহার পাইপ। এ সময় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ছয়জনকে।

র‍্যাব-৬-এর সহকারী পরিচালক (লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া) তারেক আমান বান্না এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, কবির শেখ ওরফে কবির ডাকাত, বাবু শেখ, জাবের শেখ, মহসিন গাজী, মিকাঈল শেখ ও আবু হুরাইরা মোল্লা নামের ব্যক্তিদের হেফাজত থেকে চুরির মালামাল উদ্ধার হয়েছে।

র‍্যাব কর্মকর্তা বলেন, রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন মালামাল চুরি হচ্ছিল। স্থানীয় একটি চক্র বিভিন্ন সময়ে এসব মালামাল সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। অভিযোগ পেয়ে র‌্যাবের একটি গোয়েন্দা দল সেখানে নজরদারি শুরু করে।

গত শুক্রবার রাতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৫ নম্বর ইয়ার্ড থেকে চুরি হয় ১ হাজার ২২০ কেজি ওজনের ২৯টি লোহার পাইপ, যার অনুমানিক বাজারমূল্য ৬ লাখ টাকা।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুরির মালামাল উদ্ধার
র‍্যাব হেফাজতে কবির ডাকাত ও তার সহযোগীরা। ছবি: সংগৃহীত

গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা থানাধীন কাতিয়ানাংলা থেকে এসব চুরির মালামাল উদ্ধার করা হয়। এ সময় ছয়জনকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি চুরির কাজে ব্যবহার করা ট্রলার ও মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তার কবির শেখের বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা আছে। যার মধ্যে তিনটি অস্ত্র মামলা, পাঁচটি হত্যাচেষ্টা ও তিনটি চুরির মামলা আছে। কবির স্থানীয়ভাবে ডাকাত সর্দার হিসেবে পরিচিত। তার বাহিনী দাকোপ, রামপাল ও বটিয়াঘাটা এলাকায় চুরি-ডাকাতি করে আসছিল বলে অভিযোগ আছে।

গ্রেপ্তার করা ব্যক্তিদের বটিয়াঘাটা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
রামপালের জন্য কয়লা এলো ইন্দোনেশিয়া থেকে
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের চোরাই মালামাল উদ্ধার
রামপালে সরঞ্জাম পড়ে আছে, লোক নেই সংযোজনের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fake income tax returns can be easily identified

ভুয়া আয়কর রিটার্ন শনাক্ত করা যাবে সহজে 

ভুয়া আয়কর রিটার্ন শনাক্ত করা যাবে সহজে  জাতীয় রাজস্ব ভবন। ছবি: সংগৃহীত
এখন থেকে যে কেউ আয়কর রিটার্ন জমা দেয়া নিশ্চিত হতে চাইলে রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করতে পারবেন। রিটার্ন দাখিলের সত্যতা যাচাই করতে এনবিআর চালু করেছে ‘ভেরিফাই’ পদ্ধতি।

আয়শা সিদ্দিকী একজন উদ্যোক্তা। রাজধানীর উত্তরার চার নম্বর সেক্টরে বুটিক হাউসের ব্যবসা করেনে তিনি। ব্যবসা সম্প্রসারণে ঋণ নিতে তিনি সম্প্রতি একটি বেসরকারি ব্যাংকে যান।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপক তাকে জানিয়ে দেন, ঋণের জন্য করদাতা শনাক্তকরণ নম্বার বা ই-টিআইএনের সঙ্গে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র (প্রাপ্তি স্বীকার) দাখিল করতে হবে।

রিটার্ন দাখিল করে প্রমাণপত্র ব্যাংকে জমা দেন আয়শা। এত অল্প সময়ে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র দেখে ব্যাংক কর্মকর্তার সন্দেহ হয়। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য এনবিআরের ওয়েবসাইট থেকে ভেরিফিকেশন করে ব্যাংক কর্মকর্তা নিশ্চিত হন যে, আয়শা সিদ্দিকীর রিটার্ন জমা হয়েছে।

এনবিআরের কর্মকর্তারা বলছেন, শুধু আয়শা সিদ্দিকী নয়,এখন থেকে যে কেউ আয়কর রিটার্ন জমা দেয়া নিশ্চিত হতে চাইলে রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করতে পারবেন। এর ফলে ভুয়া রিটার্ন সহজেই শনাক্ত করা যাবে।

আয়কর রিটার্ন দাখিলের সত্যতা যাচাই করতে এনবিআর চালু করেছে ‘ভেরিফাই’ পদ্ধতি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনবিআরের একজন সদস্য নিউজবাংলাকে বলেন,‘এই সিস্টেম চালুর মাধ্যমে যে কোনো করদাতা নিশ্চিত হতে পারবেন যে, তার রিটার্ন জমা হয়েছে। এতে করে ভুয়া রিটার্ন জমা দেয়ার সুযোগ থাকবে না।’

আগে শুধু ই-টিআইএন দিয়ে বার্ষিক আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার নিয়ম ছিল। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে টিআইএনের পাশাপাশি ৩৮ সেবার ক্ষেত্রে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র বা প্রাপ্তি স্বীকারপত্র জমা বাধ্যতামূলক করা হয়।

অর্থাৎ এসব সেবা পেতে হলে টিআইএনের সঙ্গে আয়কর প্রমাণপত্র দেখাতে হবে করদাতাকে। এর ফলে একদিকে রিটার্ন জমার পরিমাণ বাড়বে। অন্যদিকে করযোগ্য ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান থেকে আদায় সহজ হবে।

বর্তমানে টিআইএনধারীর সংখ্যা প্রায় ৮০ লাখ। এর মধ্যে গত করবর্ষে রিটার্ন দাখিল হয়েছে প্রায় ২৫ লাখ।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, নিবন্ধনধারীর এক-তৃতীয়াংশই বার্ষিক রিটার্ন দাখিল করেন না।

এনবিআরের কর্মকর্তারা বলছেন, কর দেয়ার সামর্থ্য যাদের আছে, তাদের আওতায় আনার জন্য রিটার্নের সঙ্গে প্রমাণপত্র জমা দেয়া বাধ্যতামূলক।

সূত্র জানায়, এনবিআরের ওয়েবসাইটে ‘ট্যাক্স রিটার্ন ভেরিফিকেশন মডিউল’ নামে একটি সিস্টেম চালু করা হয়েছে। যাচাই করতে হলে করদাতাকে উল্লিখিত ওয়েবসাইটে ‘রিটার্ন ভেরিফাই’ অংশে ক্লিক করতে হবে। সেখানে করবর্ষ ও ই-টিআইএন নম্বর দিতে হবে। এন্টার দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির নাম ও রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র চলে আসবে।

এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ের একজন কমিশনার জানান, অনেক সময় রিটার্ন জমা না দিয়েও ভুয়া রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র দিয়ে বিভিন্ন সেবা গ্রহণের তথ্য পাওয়া যেত। ভেরিফিকেশন সিস্টেম চালুর ফলে কেউ চেষ্টা করলেও ভুয়া প্রমাণপত্র দিয়ে সেবা নিতে পারবেন না।

সূত্র জানায়, এবারের বাজেটে ৪০টি সেবার ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়। এতদিন এসব সেবা পেতে শুধু ই-টিআইএন সনদ দিলে হতো।

বর্তমানে প্রমাণপ্রত্র বাধ্যতামূলক করায় সেবা পেতে অনেকেই ভোগান্তির সম্মুখীন হবেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে যারা ই-টিআইএন নিয়েও বছরের পর বছর রিটার্ন দাখিল করেন না।

আবার অনেক করদাতা নিয়মিত রিটার্ন দাখিল করেন। কিন্তু কর অফিসে সঠিকভাবে জমা রাখা হয় কিনা, এ নিয়ে করদাতার মধ্যে সংশয়ের সৃষ্টি হয়। করদাতার শঙ্কা ও সংশয় দূর করতে এবং ভুয়া রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র রোধে এনবিআর চলতি বছর ‘রিটার্ন ভেরিফাই’ সিস্টেম চালু করে। এর মাধ্যমে সেবা প্রদানকারী সরকারি-বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান এমনকি করদাতা নিজেই রিটার্ন দাখিল হয়েছে কিনা, তা যাচাই করতে পারবেন।

আরও পড়ুন:
আয়কর রিটার্ন দ্বিগুণ করতে চায় এনবিআর
৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে লাগবে আয়কর রিটার্ন
মূল বেতন ১৬ হাজার টাকার বেশি হলেই কর
টাকা সাদা করার সুযোগের বিপক্ষে এনবিআর
ব্যক্তি আয়করে ছাড়ের সম্ভাবনা নেই

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Transfer to Ronnies cabin

রনিকে কেবিনে স্থানান্তর

রনিকে কেবিনে স্থানান্তর জনপ্রিয় কৌতুকাভিনেতা আবু হেনা রনি। ছবি: সংগৃহীত
পার্থ শংকর পাল বলেন, ‘তাদের দুজনের শরীরেই আজ ড্রেসিং করা হয়েছে। বেলা ২টায় তাদের কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। কেবিনে তাদের একটু আলাদা করে রাখা হয়েছে। তাদের আরও  কিছুদিন হাসপাতালে থাকতে হবে।’

গাজীপুর পুলিশ লাইনসে গ্যাস বেলুন বিস্ফোরণে দগ্ধ কৌতুকাভিনেতা আবু হেনা রনি ও পুলিশ সদস্য জিল্লুর রহমানকে হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিট (এইচডিইউ) থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের ডাক্তার পার্থ শংকর পাল শনিবার এ তথ্য জানান।

পার্থ শংকর পাল বলেন, ‘তাদের দুজনের শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে বেশ উন্নতি হচ্ছে। তারা কথা বলছেন। স্বাভাবিকভাবেই খাওয়া-দাওয়া করতে পারছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাদের দুজনের শরীরেই আজ ড্রেসিং করা হয়েছে। বেলা ২টায় তাদের কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। কেবিনে তাদের একটু আলাদা করে রাখা হয়েছে। তাদের আরও কিছুদিন হাসপাতালে থাকতে হবে।’

গত ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে গাজীপুর পুলিশ লাইনসে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) চতুর্থ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গ্যাস বেলুন থেকে বিস্ফোরণ ঘটে পাঁচজন আহত হন।

তাদের দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রনি ও পুলিশ সদস্য জিল্লুর রহমানকে ওইদিনই গাজীপুর থেকে ঢাকায় শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

আরও পড়ুন:
বেলুন বিস্ফোরণ: ‘শঙ্কামুক্ত নন’ কৌতুক অভিনেতা রনি
বেলুন বিস্ফোরণে কৌতুক অভিনেতা আবু হেনা রনি দগ্ধ
বাঁচানো গেল না আগুনে দগ্ধ কলেজ প্রভাষককে
কেরানীগঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ: নাতির পর চলে গেলেন নানিও
কেরানীগঞ্জে গ্যাসের আগুনে দগ্ধ আরেকজনের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Four Bangladeshi women detained by BSF

বিএসএফের হাতে আটক ৪ বাংলাদেশি নারী

বিএসএফের হাতে আটক ৪ বাংলাদেশি নারী ফাইল ছবি
আটক বাংলাদেশি নারীরা খুলনা, যশোর, ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। তিন ভারতীয়ের প্রত্যেকেই জলপাইগুড়ি জেলার বাসিন্দা। বিএসএফ জানায়, জেরায় বাংলাদেশি নারীরা জানিয়েছেন, তারা কাজের খোঁজে মুম্বাই যাচ্ছিলেন।

অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করার অভিযোগে চার বাংলাদেশি নারী ও সাহায্যকারী তিন ভারতীয়কে আটক করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

শুক্রবার জলপাইগুড়ি জেলার রাধাবাড়ি বিএসএফ সেক্টর হেডকোয়ার্টার থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়, বিএসএফের ১৫ নম্বর ব্যাটালিয়নের অধীন পাঠানপাড়া বিওপি গোয়েন্দা শাখার কাছে খবর আসে কয়েকজন বাংলাদেশি নারী অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছেন। অনুপ্রবেশের খবর পেয়েই অভিযান চালান তদন্তকারীরা। ওই নারীদের এ দেশে প্রবেশে সাহায্য করেছিল তিন ভারতীয়। এ ব্যাপারে মোট সাতজনকে আটক করা হয়েছে।

আটক বাংলাদেশি নারীরা খুলনা, যশোর, ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। তিন ভারতীয়ের প্রত্যেকেই জলপাইগুড়ি জেলার বাসিন্দা।

বিএসএফ সূত্রে জানা গেছে, জেরায় বাংলাদেশি নারীরা জানিয়েছেন, তারা কাজের খোঁজে মুম্বাই যাচ্ছিলেন। তবে তদন্তকারীরা এই ঘটনার পেছনে কোনো নারী পাচারকারী চক্র কাজ করছে কি না, তাদের যৌন ব্যবসায় কাজে লাগানোর জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল কি না তা খতিয়ে দেখছে।

আটক কজনকে জলপাইগুড়ি জেলার কোতোয়ালি থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়। শনিবার তাদের জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে তোলার কথা।

আরও পড়ুন:
ভারতে গরুসহ বাংলাদেশি যুবক আটক, থানায় হস্তান্তর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Transfer orders for those who have completed 3 years in land office

ভূমি অফিসে ৩ বছর পূর্ণ হওয়াদের দ্রুত বদলির নির্দেশ

ভূমি অফিসে ৩ বছর পূর্ণ হওয়াদের দ্রুত বদলির নির্দেশ ভূমি ভবন। ছবি: সংগৃহীত
ডিসিদের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ‘একাদশ জাতীয় সংসদের ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১৩তম বৈঠকের সুপারিশ অনুযায়ী সহকারী কমিশনারের (ভূমি) দপ্তরের অধীন বিশেষ করে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মচারীদের মধ্যে যাদের কর্মকাল তিন বছর পূর্ণ হয়েছে, তাদের দ্রুত অন্যত্র বদলির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হলো।’

ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কার্যকাল তিন বছর পূর্ণ হওয়া কর্মচারীদের দ্রুত বদলির নির্দেশ দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা চিঠির মাধ্যমে প্রত্যেক জেলা প্রশাসককে (ডিসি) জানানো হয়েছে।

ডিসিদের কাছে পাঠানো সেই চিঠিতে বলা হয়, ‘একাদশ জাতীয় সংসদের ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১৩তম বৈঠকের সুপারিশ অনুযায়ী সহকারী কমিশনারের (ভূমি) দপ্তরের অধীন বিশেষ করে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মচারীদের মধ্যে যাদের কর্মকাল তিন বছর পূর্ণ হয়েছে, তাদের দ্রুত অন্যত্র বদলির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ করা হলো।’

এর আগে ২০১৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদে ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চতুর্থ বৈঠকের সুপারিশ অনুযায়ী একই সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ে চাকরিকাল তিন বছরের বেশি হওয়া সব কর্মচারীকে বদলির নির্দেশ দিয়েছিল ভূমি মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন:
খুলনা, যশোর ও চুয়াডাঙ্গায় ভূমিকম্প
ফিলিপাইনে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্প
মণিপুরে ভূমিধসে মৃত্যু বেড়ে ৩৪
বন কেটে কৃষিজমি বানানো রুখতে আহ্বান
খুবিতে একাত্তরের টর্চার সেল হবে স্মৃতি জাদুঘর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The army will give crores of rupees to the winners

সাফজয়ীদের সংবর্ধনা, কোটি টাকা দেবে সেনাবাহিনী

সাফজয়ীদের সংবর্ধনা, কোটি টাকা দেবে সেনাবাহিনী নগর শোভাযাত্রার সময় সাফ শিরোপা উঁচিয়ে ধরেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
আইএসপিআরের বার্তায় বলা হয়, ‘সাফ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২২-এর অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে সেনাবাহিনী কর্তৃক আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ সংবর্ধনা এবং এক কোটি টাকা পুরস্কার প্রদান করা হবে।’

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে সংবর্ধনার পাশাপাশি এক কোটি টাকা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে সেনাবাহিনী।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আইএসপিআরের সহকারী পরিচালক (সেনাবাহিনী ডেস্ক) রাশেদুল আলম খান স্বাক্ষরিত ওই বার্তায় বলা হয়, ‘সাফ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২২-এর অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে সেনাবাহিনী কর্তৃক আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ সংবর্ধনা এবং এক কোটি টাকা পুরস্কার প্রদান করা হবে।’

গত ১৯ সেপ্টেম্বর সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে স্বাগতিক নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতে বাংলাদেশ। এর মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মতো কাপ যায় ভারতের বাইরে।

এর আগে ২০১৬ সালে ফাইনাল খেলেছিলেন বাংলাদেশের নারীরা। সেবার ভারতের সঙ্গে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় তাদের।

এবার আর সেটি হতে দেননি সাবিনা, কৃষ্ণারা। কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দাপুটে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন গোলাম রাব্বানী ছোটনের শিষ্যরা।

সাফজয়ী দলকে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। একই পরিমাণ অর্থ পুরস্কারের ঘোষণা দেয় এনভয় ও তমা গ্রুপ।

নেপালজয় শেষে গত ২১ সেপ্টেম্বর দুপুরে দেশে ফেরে বাংলাদেশ দল। এরপর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছাদখোলা বাসে করে তাদের নেয়া হয় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ভবনে। সেদিন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের শুভেচ্ছায় সিক্ত হন চ্যাম্পিয়নরা।

সাফজয়ীদের সংবর্ধনা, কোটি টাকা দেবে সেনাবাহিনী
বাফুফে ভবনের গেটে সাফ চ্যাম্পিয়নদের বহনকারী বাস। ছবি: নিউজবাংলা

বর্তমানে বাফুফে ভবনে বিশ্রামে আছেন সানজিদা, আঁখিরা। অধিনায়ক সাবিনা খাতুন গেছেন গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরায়। সেখানে ব্যাপক আয়োজন করে তাকে সংবর্ধনা দিয়েছেন স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন:
খেলোয়াড়দের চুরি যাওয়া টাকা দেবে বাফুফে
তালাবদ্ধ অক্ষত লাগেজ দেয়া হয়েছে: বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ
আসলে কী হয়েছিল বাফুফের সংবাদ সম্মেলনে
সাফজয়ী আঁখির বাড়িতে পুলিশ
বিমানবন্দরে লাগেজ কেটে সাফজয়ী ৩ ফুটবলারের ডলার চুরি

মন্তব্য

p
উপরে