× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Shyamoli Goala invites the Prime Minister to tea
hear-news
player
google_news print-icon

প্রধানমন্ত্রীকে চায়ের দাওয়াত দিলেন শ্যামলী গোয়ালা

প্রধানমন্ত্রীকে-চায়ের-দাওয়াত-দিলেন-শ্যামলী-গোয়ালা
সিলেট থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে নিজেদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন চা শ্রমিক শ্যামলী গোয়ালা। ছবি: নিউজবাংলা
শ্যামলী গোয়ালা বলেন, ‘আমাদের চা শ্রমিকদের পক্ষ থেকে আপনাকে দাওয়াত দিলাম, আপনি আমাদের বাসায় এসে চা খেয়ে যাবেন।’

দৈনিক মজুরি ৩০০ টাকার দাবিতে গত ৯ আগস্ট থেকে আন্দোলন করছিলেন চা শ্রমিকরা। টানা ১৮ দিন কর্মবিরতির পর প্রধানমন্ত্রী তাদের মজুরি ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১৭০ টাকা করেছেন। এরপর কাজে ফেরেন শ্রমিকরা।

তবে আন্দোলনের শুরু থেকেই চা শ্রমিকরা দাবি জানিয়ে আসছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলার জন্য। সে সুযোগ হয়েছে শনিবার বিকেলে।

গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে চা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা।

দেশের কোনো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই প্রথম এভাবে কথা বলার সুযোগ পেলেন শ্রমিকরা। সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবজার ও চট্টগ্রাম থেকে চা শ্রমিকরা ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন।

কথা বলে নিজেদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন চা শ্রমিকরা। তারা নিজেদের দাবি জানানোর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি নিজেদের অনুরাগ ও আস্থার কথাও জানান। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে নিজেদের বাড়িতে চায়ের আমন্ত্রণও দেন দরিদ্র চা শ্রমিকরা।
সিলেটের লাক্কাতুরা চা বাগান থেকে এই মতবিনিময় সভায় চা শ্রমিকদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন শ্যামলী গোয়ালা।

প্রধানমন্ত্রীকে চায়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের চা শ্রমিকদের পক্ষ থেকে আপনাকে দাওয়াত দিলাম, আপনি আমাদের বাসায় এসে চা খেয়ে যাবেন।’

শ্যামলী বলেন, ‘চা বাগানে এতগুলো মানুষ, আমরা না খেয়ে আন্দোলন করেছি। কিন্তু আমাদের পাশে কেউ আসেনি। একমাত্র আপনি আমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাই প্রধানমন্ত্রী আমাদের মা। আমাদের পিতা। আমরা প্রধানমন্ত্রী ছাড়া এখন আর কাউকে চিনি না।’

তিনি বলেন, ‘আপনি বিবেচনা করে দেখবেন, বাগানের চা শ্রমিকরা কীভাবে বাঁচতে পারে। কীভাবে ছেলেমেয়ে মানুষ করতে পারে। কীভাবে আরেকটু ভালোভাবে খেতে পারে।’

নিজেদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরে শ্যামলী বলেন, ‘আমাদের চা বাগানে একটা অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে দেবেন। বাগানে একজন এমবিবিএস ডাক্তার প্রয়োজন। কারণ আমাদের বাগানে কোনো এমবিবিএস ডাক্তার নেই। আমাদের বাগানের গর্ভবতী মায়েরা চার মাস ছুটি পায়। কিন্তু তারা যে কঠিন পরিশ্রম করে, তাতে তাদের ছয় মাস ছুটি পেলে খুব ভালো হতো। এইটুকু আপনি ব্যবস্থা করবেন।’

তিনি বলেন, ‘‌আমাদের পাশে আপনি সব সময় থাকবেন আশা করি। থাকতেই হবে আাপনাকে। কারণ আমরা মরলেও নৌকা, বাঁচলেও নৌকা। আপনি যতদিন বেঁচে থাকবেন, আমাদের দেখে রাখবেন। কারণ আপনি আমাদের বাবা-মা।’

ভূমির অধিকারের দাবি জানিয়ে শ্যামলী বলেন, ‘আপনার বাবা বঙ্গবন্ধু আমাদের ভোটের অধিকার দিয়েছেন, আপনি আমাদের ভূমির অধিকারটুকু দেবেন। কারণ ভূমির অধিকার দিলে আমাদের খুব ভালো হয়।’

লাক্কাতুরা থেকে বক্তব্য রাখেন চা শ্রমিক ইউনিয়নের সিলেট ভ্যালির সভাপতি রাজু গোয়ালা। তিনি বলেন, ‘অনেক খুশি হইছি আজকে। আমাদের সাথে প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী কথা বলছেন। আপনি আমাদের শেষ আশ্রয়স্থল। আমরা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক।’

রাজু বলেন, ‘আমাদের ভূমির অধিকারটুকু দেবেন। যাতে আমাদের সন্তানদের কখনও উচ্ছেদ করা না হয়। আমরা বংশপরম্পরায় এখানে থাকলেও আমাদের ভূমির অধিকার নেই।’

বাগানের স্কুলগুলো সরকারীকরণের দাবিও জানান তিনি। বলেন, ‘মালিকরা আমাদের যে সুবিধা দেয়ার কথা বলে থাকে আদতে সেগুলো দেয় না। এগুলো একটি তদন্ত কমিটির মাধ্যমে আপনি তদারকি করবেন। যাতে আমরা প্রাপ্য সুবিধাটুকু পাই।’

চার জেলা থেকে মোট আটজন শ্রমিক প্রতিনিধি এই সভায় বক্তব্য রাখেন। সবাই নিজেদের ভূমির অধিকার দাবি করেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে।

চা শ্রমিকদের বক্তব্য শুনে তাদের দাবি-দাওয়া পূরণের আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের চা শ্রমিকরা, যাদের ব্রিটিশরা একসময় নিয়ে এসেছিল, তাদের অমানবিক অত্যাচার করত, খাটাত। জাতির পিতা শেখ মুজিব টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হওয়ার পর বিভিন্ন ব্যবস্থা নেন এবং পরবর্তীতে তাদের নাগরিকত্ব দেন, ভোটের অধিকার দেন।

‘ভোটের অধিকার পেয়েছে, নাগরিকত্ব পেয়েছে, কিন্তু তারা ভূমিহীন থাকবে, এটা তো হতে পারে না। সকলের জন্য বাসস্থানের ব্যবস্থা ইনশাআল্লাহ আমি করেছি। আমার আর যত নাগরিক তাদের সাথে একই সঙ্গে … কারণ হিজড়া, বেদে অন্য যারা ভাসমান প্রত্যেককে আমি আলাদা করে ঘর করে দিচ্ছি, তাদের জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। এখানে আমার চা শ্রমিকরা অবহেলিত থাকবে, এটা কখনও হতে পারে না।’

তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকটি পরিবারের জন্য বাসস্থানের ব্যবস্থা অবশ্যই… অন্তত মাটিতে তাদের অধিকারটা যেন থাকে সেটা ইনশাআল্লাহ আমি করে দিয়ে যাব। অবশ্যই করব।

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘আমি জানি চা বাগানের মালিকরা নিবেদিতপ্রাণ, তারা স্কুল করে শিক্ষার ব্যবস্থা করে দেয়, চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেয়। কিন্তু সব জায়গায় সেটা হয় না।

‘কাজেই এখন যে স্কুলগুলো আছে, সেগুলো যাতে সঠিকভাবে চলতে পারে.. আমি এটা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে আলাপ করে দেখব।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি এগুলো সব জাতীয়করণ করা দরকার, যাতে আমরা সরকারের পক্ষ থেকে এই স্কুলগুলো চালাতে পারি। আমাদের ছেলেমেয়েরাও যাতে লেখাপড়া শেখে এবং আরও উন্নত প্রযুক্তির চা শিল্প যেন আরও উন্নত হয়।’

এ সময় চা শ্রমিকদের নানা সমস্যা সমাধানে কাজ করার আশ্বাসও দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেন, ‘যারা শ্রম দেয় তাদের দিকে তাকানো আমাদের দরকার। আমি এটুকু বলতে পারি, আমার বাবা তো এই কৃষক-শ্রমিক মেহনতি মানুষের জন্যই রাজনীতি করে গেছেন, দেশ স্বাধীন করে গেছেন। কাজেই তার বাংলাদেশে মানুষ কষ্টে থাকবে, এটা হতে পারে না।’

আরও পড়ুন:
সোনিয়া গান্ধীর মায়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
আন্দোলনে নেমে সিচুয়েশন তৈরি করছে বিএনপি: প্রধানমন্ত্রী
‘পালঙ্কের রূপকার’কে শেখ হাসিনার বাড়ি
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শনিবার, চা বাগানগুলোতে প্রস্তুতি
সারা বিশ্বে দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি, মিতব্যয়ী হোন: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Comilla University closed due to BCL conflict

ছাত্রলীগের দ্বন্দ্বে বন্ধ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

ছাত্রলীগের দ্বন্দ্বে বন্ধ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শনিবার বিকেলে অস্ত্র হাতে মুখোমুখি অবস্থান নেয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ। ফাইল ছবি: নিউজবাংলা
আগামী ১০ থেকে ১৭ অক্টোবরের সব পরীক্ষা স্থগিত থাকবে। রোববার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ছাত্রদের এবং সোমবার সকাল ৯টার মধ্যে ছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত হলগুলো বন্ধ থাকবে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল বন্ধ ঘোষণা ও পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

ফেসবুকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তির ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রোববার এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

সভা শেষে নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) আমিরুল হক চৌধুরী।

তিনি জানান, আগামী ১০ থেকে ১৭ অক্টোবরের সব পরীক্ষা স্থগিত থাকবে। রোববার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ছাত্রদের এবং সোমবার সকাল ৯টার মধ্যে ছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত হলগুলো বন্ধ থাকবে।

এ ছাড়া শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিজস্ব পরিবহন ছাড়া সব পরিবহন বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার রাতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় নেতারা। ছাত্রলীগ সভাপতি ও সম্পাদকের সই করা এক বিজ্ঞপ্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ নিয়ে কুবি ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ তার ফেসবুক আইডিতে উল্লেখ করেন, ‘কমিটি বিলুপ্তির কোনো ঘটনা ঘটেনি। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি দেবে।’

শুক্রবার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আধিপত্য বিস্তারে শনিবার বেলা ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ ও বহিরাগতরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে মুখোমুখি অবস্থান নেন।

ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং ক্যাম্পাসে স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকবে। উপাচার্য স্যারসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জরুরি মিটিংয়ে আজকে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটিও করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
ক্যাম্পাসে অস্ত্র হাতে ঘুরছে ছাত্রলীগের ২ গ্রুপ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Old mans body in his house

নিজ ঘরে বৃদ্ধের মরদেহ

নিজ ঘরে বৃদ্ধের মরদেহ মরদেহ উদ্ধারের খবরে প্রতিবেশীদের ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা
সুরতহাল প্রতিবেদনের বরাতে ওসি বলেন, ‘মরদেহের গলায় রশি জাতীয় কিছুর চিহ্ন ও ডান পায়ে কোপের জখম রয়েছে। পুরুষাঙ্গ দিয়েও রক্ত বের হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় নিজ ঘর থেকে এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার রামনগর গ্রামের নিজ শোয়ার ঘর থেকে রোববার দুপুর ১২টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী, মৃত সব্বত আলীর বয়স ৮৫ বছর। পুলিশের ধারণা, তাকে কুপিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

সব্বতের ছোট ছেলে মজনুর রহমানের স্ত্রীর শিরিনা খাতুন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সকালে খাবার দিতে গিয়ে দেখি আমার শ্বশুর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানাই। আমার শ্বশুরের সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল না। কেন তাকে হত্যা করা হয়েছে তা বুঝতে পারছি না।’

সুরতহাল প্রতিবেদনের বরাতে ওসি বলেন, ‘মরদেহের গলায় রশি জাতীয় কিছুর চিহ্ন ও ডান পায়ে কোপের জখম রয়েছে। পুরুষাঙ্গ দিয়েও রক্ত বের হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে।

‘হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
নিজ ঘরে দশম শ্রেণির ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ
আবাসিক হোটেলে ব্রিটিশ নাগরিকের মরদেহ
খাটে স্ত্রীর মরদেহ, ফ্যানে ঝুলছিলেন স্বামী
নারী চিকিৎসক হত্যা: রেজাউলের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পিছিয়েছে
বাসার নিচে গৃহকর্মীর রক্তাক্ত দেহ, হাসপাতালে মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bus stop in Meherpur Kushtia due to owner labor conflict

মালিক-শ্রমিক দ্বন্দ্বে বাস বন্ধ মেহেরপুর-কুষ্টিয়ায়

মালিক-শ্রমিক দ্বন্দ্বে বাস বন্ধ মেহেরপুর-কুষ্টিয়ায়
জানা গেছে, শনিবার কুষ্টিয়ায় একটি বাসের চালকের এক আত্মীয় ওই বাসে ওঠেন। তার কাছ থেকে ভাড়া না নেয়ায় বাসে থাকা মালিক কারণ জানতে চান। এ নিয়ে চালকের সঙ্গে মালিকের দ্বন্দ্ব হয়। এর জেরেই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বাস চলাচল।

মালিক-শ্রমিক দ্বন্দ্বে মেহেরপুর-কুষ্টিয়ার আন্তজেলা বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে শনিবার বিকেল থেকেই। রোববার সকাল থেকে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে দূরপাল্লার সব বাস চলাচলও।

কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন বাসস্ট্যান্ডে আসা সাধারণ যাত্রীরা।

জানা গেছে, শনিবার কুষ্টিয়ায় একটি বাসের চালকের এক আত্মীয় ওই বাসে ওঠেন। তার কাছ থেকে ভাড়া না নেয়ায় বাসে থাকা মালিক কারণ জানতে চান। এ নিয়ে চালকের সঙ্গে মালিকের দ্বন্দ্ব হয়। এর জেরেই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বাস চলাচল।

বাস চলাচল না করায় আন্তজেলা সড়কগুলো এখন অটোরিকশা, ইজিবাইক, নছিমন ও করিমনের দখলে।

এদিকে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাসস্ট্যান্ডগুলোতে যাত্রীর ভিড় বাড়ছে; বাড়ছে দুর্ভোগও।

ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশে বাসস্ট্যান্ডে আসা যাত্রী জিয়াউর রহমান বলেন, ‘মাকে নিয়ে আজ ঢাকায় ডাক্তারের কাছে যাওয়ার কথা। সকালে মাকে নিয়ে বাস কাউন্টারে এসে শুনি বাস বন্ধ। এ কেমন বিপদ বলেন তো। আগে ঘোষণা না দিয়ে বাস বন্ধ হওয়ায় আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হলো।’

কুষ্টিয়া বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মহিবুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শনিবার কুষ্টিয়া থেকে এক শ্রমিকের আত্মীয়র বাসে ওঠা নিয়ে ওই বাস মালিকের সঙ্গে ওই শ্রমিকের দ্বন্দ্ব হয়। এর জেরে এদিন বিকেলে কুষ্টিয়া থেকে মেহেরপুরে সব বাস বন্ধ করে দেয় কুষ্টিয়া বাস মালিক সমিতি। আর মেহেরপুর আন্তজেলার বাস চলে জেলা সীমান্ত খলিসাকুন্ডি পর্যন্ত।

‘পরে আজ (রোববার) সকাল থেকে মেহেরপুর বাস মালিক সমিতিও আন্তজেলা ও দূরপাল্লার সব বাস বন্ধ করে দেয়। ফলে বন্ধ রয়েছে মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়ক হয়ে আন্তজেলা ও দূরপাল্লার সব বাস।’

মালিক-শ্রমিক দ্বন্দ্বে বাস বন্ধ মেহেরপুর-কুষ্টিয়ায়

কুষ্টিয়া জেলা বাস মিনিবাস কোচ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মকবুল হোসেন লাবলু বলেন, ‘এই রুটে দূরপাল্লার যানবাহন কোনো লোকাল যাত্রী তুলতে পারবে না- মালিক-শ্রমিক সংগঠনগুলোর এমন সিদ্ধান্ত রয়েছে। এ বিষয়টি দেখভাল করতে বিভিন্ন জায়গায় আমাদের চেকপোস্টও আছে। কিন্তু তার পরও ঢাকায় চলাচলকারী দূরপাল্লার বাসগুলোর শ্রমিকরা লোকাল যাত্রী তোলে।

‘শনিবার বামুন্দি চেকপোস্টে লোকাল যাত্রী তোলার বিষয়টি ধরা পড়লে মালিকদের ধাওয়া দেয় শ্রমিকরা। এরপর থেকে দুই জেলার মালিক সমিতিগুলো বসে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আপাতত বাস চলাচল বন্ধ রাখার। এ নিয়ে আজ কুষ্টিয়ায় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এর একটি সুরাহা হলে আবার বাস চলাচল শুরু করা হবে।’

মটর শ্রমিক ও শ‍্যামলী পরিবহনের চালক ইলিয়াস হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা যখন গাড়ি চালাই, অনেক সময় বাস মালিক ও তাদের আত্মীয়-স্বজন গাড়িতে ওঠে। আমরা তাদের কাছে কোনো ভাড়া না নিয়ে সম্মানের সঙ্গে গন্তবে পৌঁছে দেই। অথচ আমরা শ্রমিকরা আমাদের কোনো আত্মীয়কে গাড়িতে উঠালে মালিকপক্ষের কথা শুনতে হয়। এটি মেনে নেয়া যায় না। আমাদেরও তো মা-বোন, আত্মীয়-স্বজন আছে।’

মেহেরপুর জেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম রসুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শ্রমিকদের সঙ্গে মালিকের দ্বন্দ্বের জেরে কুষ্টিয়া মালিক সমিতি শনিবার বাস বন্ধ করে দিয়েছে। তাদের সিদ্ধান্তে এক হয়ে রোববার মেহেরপুর মালিক সমিতিও বাস বন্ধ করে দিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
চলছে না বাস, চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা
শরীয়তপুরে বাস ধর্মঘট প্রত্যাহার
বাস ধর্মঘটে সুনামগঞ্জে পর্যটকদের ভোগান্তি
নিষিদ্ধ যান বন্ধের দাবিতে চুয়াডাঙ্গায় বাস ধর্মঘটের ডাক
চট্টগ্রামের দুই রুটে রোববার বাস ধর্মঘট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The image of Rangpur Medical changed after the doctor suffered

ডাক্তার ভোগার পর পাল্টাল রংপুর মেডিক্যালের চিত্র

ডাক্তার ভোগার পর পাল্টাল রংপুর মেডিক্যালের চিত্র
এক চিকিৎসকে মাকে ভর্তি করাতে যাওয়ার পর পদে পদে টাকা আর কর্মীদের হুমকি-ধমকি দেয়ার পর অন্য চিকিৎসকরা সোচ্চার হন। তাদের হুঁশিয়ারির মুখে কর্তৃপক্ষ হয় তৎপর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নেয় ব্যবস্থা, বদলি করা হয় ১৭ কর্মচারীকে। চুক্তিভিত্তিক দুই জনকে করা হয় বরখাস্ত। এখন রোগী ভর্তি করতে এলে কাউকে বাড়তি টাকা দিতে হয় না। হাসপাতালের পরিবেশও পরিচ্ছন্ন, ছিমছাম।

২১ সেপ্টেম্বরের ঘটনা। গাইবান্ধা সদর উপজেলার বড় দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা ইশরাত জাহান ইতি কিডনি রোগে আক্রান্ত মাকে ভর্তি করান রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগে। সেদিন জরুরি বিভাগে ভর্তি বাবদ ২০০ টাকা, ট্রলি বাবদ ২৫০ আর বেড পরিষ্কারের জন্য দিতে হয়েছে ৫০ টাকা। কিছুটা সুস্থ হয়ে মাকে নিয়ে বাড়ি ফিরে যান তিনি।

ঠিক ১০ দিন পর ১ অক্টোবর দুপুরে মাকে নিয়ে ফের হাসপাতালে আসেন ইতি। কিন্তু জরুরি বিভাগে এবার ট্রলির জন্য টাকা চায়নি কেউ, ভর্তি বাবদ ২০০ টাকার বদলে লেগেছে ২৫ টাকা। শয্যা পরিষ্কারের জন্যও কেউ টাকা চেয়ে বিরক্ত করেনি।

হাসপাতালে এমন পরিবর্তন দেখে নিজেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না ইতি। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘মার দুই কিডনিতেই পাথর ছিল। এর আগে একটার চিকিৎসা করা হয়েছে। এবার অন্যটির চিকিৎসার জন্য ভর্তি করলাম। কিন্তু কেউ আমার কাছে টাকা চায়নি। ভর্তি বাবদ ২৫ টাকা নিয়েছে, রিসিটও দিয়েছে। আমি প্রথমে বুঝতে পারিনি প্রশাসন এখন এত শক্ত।’

ইতির কাছ থেকে বাড়তি টাকা আদায় বন্ধ হয়েছে এই হাসপাতালেরই এক চিকিৎসক তার মাকে ভর্তি করে এসে ভুক্তভোগী হওয়ার পর। সেই চিকিৎসকের কাছ থেকেও পদে পদে আদায় করা হয়েছে বাড়তি টাকা। পরিস্থিতি এমন ছিল যে, নিজের কর্মস্থল থেকে মাকে তিনি নিয়ে গেছেন এই ভয়ে যে, এখানে থাকলে তার মায়ের চিকিৎসা হবে না।

সেই চিকিৎসক হাসপাতাল পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ করলে তোলপাড় হয়ে যায়। এতদিন সব দেখেও না দেখার ভান করা কর্তৃপক্ষ আর বসে থাকেনি। চিকিৎসক ভোগার পর তারা ব্যবস্থা নেয়ায় আমূল পাল্টে গেছে হাসপাতালের চিত্র। এখন দালালের অত্যাচার নেই, রোগী ভর্তির সঙ্গে সঙ্গে ট্রলি ধরার প্রতিযোগিতা নেই, স্বজনের কাছে বকশিশ চাওয়ার অত্যাচার নেই, নির্ধারিত ভর্তি ফির বাইরে কোনো টাকা দিতে হচ্ছে না।

নোংরা পরিবেশের যে সমস্যায় এতকাল মানুষ ভুগেছে, সেটিও আর নেই। হাসপাতালের ওয়ার্ড, মেঝেতে নেই ময়লা-আবর্জনা। পুরো হাসপাতাল এখন ঝকঝকে চকচকে।

ডাক্তার ভোগার পর পাল্টাল রংপুর মেডিক্যালের চিত্র

পরিস্থিতির এই চিত্র দেখে বিশ্বাস হচ্ছে না রোগী ও তার স্বজনদের। এদের একজন কুড়িগ্রামের উলিপুরের চাচিনা বেগম। গত চার দিন থেকে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ছোট ভাইয়ের অসুস্থ স্ত্রীর সঙ্গে আছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘এর আগেও হাসপাতালে ছিলাম আমি। কিন্তু এত ভালো ব্যবহার কেউ করেনি। ডাক্তার, নার্স ও আয়া সবাই যেন বাড়ির লোক। কেউ কখনও খারাপ ব্যবহার করেনি। ভর্তির সময় কেউ কোনো টাকা-পয়সা চায় নাই। শুনছি এদিক-সেদিক টাকা নেয়। কিন্তু কেউ চায় নাই।’

পরিবর্তনের নেপথ্যে

গত ১৭ সেপ্টেম্বর মায়ের চিকিৎসা করাতে অর্থোসার্জারি বিভাগের চিকিৎসক এ বি এম রাশেদুল আমীরের মাকে ভর্তি করানো হয়।

হাসপাতালে ভর্তি ফি ২৫ টাকা হলেও ১০ গুণ ২৫০ টাকা চাওয়া হয়। স্বজনরা চিকিৎসকের পরিচয় জানালে তো নেমে আসে ৫০ টাকায়, তবু তা ছিল নির্ধারিত ফির দ্বিগুণ।

ভর্তির পর রোগীকে করোনারি কেয়ার ইউনিট বা সিসিইউতে পাঠানো হলে সেখানেও দিতে হয় ২০০ টাকা। সেখানে স্বজনরা চিকিৎসকের পরিচয় দেয়ার পর তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়।

এর মধ্যে সেই চিকিৎসক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিডিও করেন। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আমার মাকে ভর্তি করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্টেপে টাকার জন্য চাপ দেয়া হয়েছে। ওই কর্মচারী নিজে মাসুদ নামে পরিচয় দেয়। আমি বিষয়টি একসময় ভিডিও করি। সেটি আমার ফেসবুকে পোস্ট করি।’

পরে সেই ভিডিও ফেসবুক থেকে ডিলিট করে দেন চিকিৎসক রাশেদুল আর লিখিত অভিযোগ দেন হাসপাতাল পরিচালকের কাছে।

এসব ঘটনায় যে হাসপাতালে নিজে চাকরি করেন, সেখানে মায়ের চিকিৎসা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে রিলিজ নিয়ে নেন তিনি। রোগী নিয়ে আসার সময় আবার চাওয়া হয়েছে টাকা, এবার আরও বেশি।

নিউজবাংলাকে রাশেদুল বলেন, ‘হয়তো আমার অভিযোগ অনেকে নানাভাবে নিতে পারে। সর্বশেষ গতকাল সোমবার যখন আমার মাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ নিয়ে চলে আসি তখনও ময়লা পরিষ্কার বাবদ আমার কাছে ৩ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছে। এটা দুঃখজনক।’

হাসপাতালের এই চিত্র নতুন কোনো কিছু নয়। কিন্তু চিকিৎসকরা ছিলেন নির্বিকার। নিজেদের পেশার একজন ভোগার পর অবশেষে তারা সোচ্চার হন। অব্যবস্থাপনা বন্ধের দাবিতে ২৬ সেপ্টেম্বর আন্দোলনে নামেন ‘সম্মিলিত চিকিৎসক সমাজ’।

এরপর কঠোর হয় মন্ত্রণালয়। গত ২৯ সেপ্টেম্বর রংপুর মেডিক্যালের ১৬ কর্মচারীকে দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে বদলি করা হয়। এরপর কর্মচারীদের আচরণে আসে পরিবর্তন।

ডাক্তার ভোগার পর পাল্টাল রংপুর মেডিক্যালের চিত্র

এর পাশাপাশি চিকিৎসক রাশেদুল আমীরের স্বজনদের অশোভন আচরণ ও টাকা নেয়ার দায়ে চুক্তিভিত্তিক দুই কর্মচারী মাসুদ ও ঝর্ণাকে চাকরি থেকে বরখাস্তও করা হয়। এতে চুক্তিভিত্তিক অন্য কর্মচারীদের মধ্যেও ভয় ঢুকেছে।

‘চিকিৎসকরা আগে উদ্যোগী হলে আমাদের ভুগতে হতো না’

হাসপাতালের চিত্র পাল্টানোয় খুশি মাকে ভর্তি করতে এসে হয়রানির শিকার হওয়া চিকিৎসক এ বি এম রাশেদুল আমীর। তিনি জোর দিয়েছেন এই পরিবর্তন ধরে রাখার ওপর।

নিউজবাংলাকে রাশেদুল আমীর বলেন, ‘অ্যাজ এ ম্যান অফ রংপুর, আমি সব সময় চাই রংপুরের মানুষ এখান থেকে সবচেয়ে ভালো সেবা পাক। আমরা রংপুরবাসী যদি সবাই এক হই তাহলে এটা ধরে রাখা যাবে। এই যে বদলে গেছে এটাকে ধরে রাখতে হবে।’

স্বস্তিতে স্বজনরা

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা চান মিয়া বলেন, ‘আমি এক মাস আগেও এখানে ভর্তি ছিলাম। তখন ট্রলিতে টাকা নিয়েছে, ভর্তিতে নিয়েছে। ওয়ার্ডে টাকা নিয়েছে। কিন্তু আইজ আমার ছোট ভাইকে নিয়ে হাসপাতালে আছি। কেউ টাকা চায় নাই।’

গাইবান্ধার নুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি কী বলব আপনাদের? দেখেন হাসপাতাল কত পরিষ্কার। কোথাও কোনো কাগজটাগজ নাই। ময়লা নাই, বাদামের খোল্ডা (খোসা) নাই। বিচনে (বেড) রুম সব পরিষ্কার। নিচতলা থেকে ওপরতলা কেউ টাকাটোকা চাইছে না। এমন পরিবেশ থাকলে তো ভালো হয়।’

কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছের বাসিন্দা বেলায়েত হোসেন লিটু সরকার বলেন, ‘আমার ভাই হৃদরোগে আক্রান্ত ছিল। ছিল সিসিইউতে। এখনকার পরিবেশ অনেক ভালো। এবার সেবা অনেক ভালো পাইছি।’

রাশেদুল মনির নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘আগেই এই হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে বহু অভিযোগ ছিল। তখন কোনো চিকিৎসকই এভাবে প্রতিবাদ করে এগিয়ে আসেনি। যদি এভাবে চিকিৎসকরা এগিয়ে আসত, তাহলে এই হাসপাতাল বহু আগেই দালালমুক্ত হতো। মানুষ এত হয়রানি হতো না।’

কর্তৃপক্ষ যা বলছে

রংপুর মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ বিমল চন্দ্র রায় জানান, ‘আমাদের আন্দোলনের কারণে এমনটা হয়েছে কি না, জানি না। আমরা চাই এই হাসপাতালে এসে কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন। যে স্টেপটা নেয়া হয়েছে তাতে যেন হাসপাতালটা ভালো চলে- এই কারণে এই উদ্যোগ। এখন সবাই হেল্প করতেছে- এটা যেন অব্যাহত থাকে। তাহলে মানুষের আস্থার জায়গা থাকবে।'

ডাক্তার ভোগার পর পাল্টাল রংপুর মেডিক্যালের চিত্র

হাসপাতালের পরিচালক শরীফুল হাসান বলেন, ‘আমরা সবাই মিলে পরিকল্পনা নিচ্ছি। উন্নয়নের চাবিকাঠি হলো পরিকল্পনা। এটা আমার অবদান তা কিন্তু নয়। আমি চেষ্টা করছি মাত্র।’

তিনি বলেন, ‘আমরা একটি সিস্টেম ডেভেলপ করতে চেয়েছি, সেটি করছি। আমরা দেখছি জরুরি বিভাগে সমস্যা আছে, সেখানে ব্যবস্থা নিয়েছি। নিয়মতান্ত্রিকভাবে এখন সব চলবে।’

তবু অভিযোগ অস্বীকার কর্মচারীদের

হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মো. বাদল জানান, ‘আমরা সরকারি কর্মচারীরা কখনও টাকা নেই নাই। আমাদের কর্তব্য আমরা করতেছি, ট্রলি ঠেলতেছি। এখন দালালটালাল নেই। কাউকে টাকা দেয়া লাগে না।’

আপনারা থাকতে টাকা কীভাবে নিয়েছে জানতে চাইলে বাদল বলেন, ‘ওরা আউটসোর্সিংয়ের কর্মী ছিল। যে যার মতো করে নিত। আমাদের উপস্থিতিতে নিত না।’

নাম প্রকাশ না করে একজন নার্স বলেন, ‘আপনি নিজেই দেখেন সিট কত আর ভর্তি কত। একবার রাউন্ডে গেলে কতজন রোগীর কাছে যেতে কত সময় লাগে। কিন্তু অনেক রোগী চায় ডাকা মাত্রই তাদের কাছে যেতে হবে। কিন্তু যার কাছে আছি বা যে রোগীর কাছে আছি তিনি কী অপরাধ করলেন? মূলত ভুল বোঝার কারণে তারা অভিযোগগুলো করে।’

আরও পড়ুন:
নিজ হাসপাতালে চিকিৎসকের হয়রানিতে ১৬ কর্মচারীকে বদলি
হাসপাতালের অনিয়ম পাল্টায়নি এতটুকু
নিজ হাসপাতালে হয়রানির শিকার হয়ে বিস্মিত চিকিৎসক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
One arrested in case of murder of Jubo League leader

যুবলীগ নেতা হত্যার ঘটনায় মামলা, একজন গ্রেপ্তার

যুবলীগ নেতা হত্যার ঘটনায় মামলা, একজন গ্রেপ্তার নিহত আলাউদ্দিন। ছবি: নিউজবাংলা
চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি মো. মোসলেহ উদ্দিন বলেন, ‘মামলার সদর উপজেলার দত্তপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাবেদ হোসেন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভোররাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহতের ছেলে বাদী হয়ে ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ১৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা করেছে।’

লক্ষ্মীপুরে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবলীগ নেতা নিহতের ঘটনায় ২৯ জনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। এ ছাড়া একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মামলায় জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ কে এম ফরিদ উদ্দিনসহ ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ১৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

সদর উপজেলার বশিকপুরে দিঘিরপাড়ে শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হামলার এ ঘটনা ঘটে। ওই দিন রাতেই নিহত আলাউদ্দিনের ছেলে আকাশ চন্দ্রগঞ্জ থানায় এ হত্যা মামলা করেন।

চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোসলেহ উদ্দিন নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘মামলার সদর উপজেলার দত্তপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাবেদ হোসেন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভোররাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিহতের ছেলে বাদী হয়ে ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ১৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা করেছে।

‘এ মামলায় জাবেদ হোসেন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। পাশাপাশি দ্রুত সময়ের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দেয়া হবে।’

শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার বশিকপুর এলাকার দিঘিরপাড়ে কালভার্টের ওপর বসে মোবাইলে কথা বলছিলেন আলাউদ্দিন। হঠাৎ ৫-৬ জন মুখোশ পরে এসে তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি করে পালিয়ে যায়।

এ সময় আলাউদ্দিন পাটোয়ারী গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক কমলা শীষ রায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দুই গ্রুপের আধিপত্য বিস্তার, অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ ও স্থানীয়রা।

ওসি মোসলেহ উদ্দিন জানান, নিহত আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ ও সদর থানাসহ বিভিন্ন থানায় ২টি হত্যা মামলা, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। সে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং আরেক তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী বশিকপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম জিহাদী বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে পরিচিত।

আরও পড়ুন:
টাকা লুট করতে বৃদ্ধ দম্পতিকে পরিকল্পিত হত্যা: এসপি
যুবককে ধাওয়া করে কুপিয়ে হত্যা
ছেলের রক্তাক্ত মরদেহ বাগানে খুঁজে পেলেন মা
‘চাচার প্রতি ক্ষোভে’ চাচাতো ভাইকে হত্যা, যুবক গ্রেপ্তার
ধর্ষণের পর হত্যায় ১১ বছর পর ৯ জনের যাবজ্জীবন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Import export of Benapol closed for 4 days during Durga Puja

দুর্গাপূজায় ৪ দিন বন্ধ বেনাপোলের আমদানি-রপ্তানি

দুর্গাপূজায় ৪ দিন বন্ধ বেনাপোলের আমদানি-রপ্তানি
সংশ্লিষ্টরা জানান, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ২ থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটির কারণে পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে বেনাপোল বন্দরের সঙ্গে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। আগামী ৬ অক্টোবর সকাল থেকে আবারও এ পথে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য চালু হবে।

ভারতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে চার দিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

তবে এ ছুটিতে বেনাপোল কাস্টমস হাউস ও বন্দরে পণ্য খালাস এবং দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।

ভারতের পেট্রাপোল বন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্ত্তিক চক্রবর্তী ও বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তারা জানান, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ২ থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটির কারণে পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে বেনাপোল বন্দরের সঙ্গে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। আগামী ৬ অক্টোবর সকাল থেকে আবারও এ পথে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য চালু হবে।

আরও পড়ুন:
বেনাপোল বন্দর: ৬ ক্রেনের ৩টি অচল, পণ্য ওঠানামা ব্যাহত
বেনাপোলে ৫০০ দিলে ৫ মিনিটে, নয়তো ঘণ্টার পর ঘণ্টা
বেনাপোল বন্দরে জায়গা সংকট, হাজারও ট্রাকের অপেক্ষা
বেনাপোলে পুড়ল ভারতের ৫ ট্রাক
বেনাপোলে বোমা বিস্ফোরণ: পৌর কাউন্সিলরকে রিমান্ডে চায় পুলিশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
SSC question leak Two more teachers remanded

এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস: রিমান্ডে আরও দুই শিক্ষক

এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস: রিমান্ডে আরও দুই শিক্ষক রিমান্ড আদেশের পর আমিনুর ও জোবাইরকে আদালত থেকে নেয়া হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি আজাহার আলী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুই আসামির তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলেও শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত তাদের দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে।’

কুড়িগ্রামে এসএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় গ্রেপ্তার ভূরুঙ্গামারী নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বরখাস্ত আরও দুই শিক্ষককে দুই দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

রোববার সকালে কুড়িগ্রামের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক সুমন আলী এ আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সহকারি আইনজীবী দিলরুবা আহমেদ শিখা নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আসামিরা হলেন ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক জোবাইর রহমান ও ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক আমিনুর রহমান রাসেল। এর আগে গত বুধবার মামলার প্রধান আসামি একই বিদ্যালয়ের বরখাস্ত প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব লুৎফর রহমানকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছিল আদালত।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি আজাহার আলী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুই আসামির তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলেও শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত তাদের দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে।

‘প্রধান আসামি লুৎফর রহমান তিন দিনের রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। সেগুলো যাচাই বাছাই করে দেখা হচ্ছে।’

আইনজীবী দিলরুবা আহমেদ বলেন, ‘আসামিরা প্রশ্ন ফাঁস করে দেশ ও জাতির ক্ষতি করেছেন। তাদের সব্বোর্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

২০ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দিনাজপুর বোর্ডের ইংরেজি প্রথম পত্র ও দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠে। এরপর ওই কেন্দ্রের সচিব লুৎফর রহমান জিজ্ঞাসাবাদে প্রশ্নপত্র ফাঁসের কথা স্বীকার করেন। একই সঙ্গে তার কাছে কয়েকদিনের আগাম প্রশ্নপত্র রয়েছে বলে জানান।

এদিন মধ্যরাতে ট্যাগ অফিসার ও কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আদম মালিক চৌধুরী মামলা করেন।

গ্রেপ্তার হন লুৎফর রহমান, ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক আমিনুর রহমান, ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক জোবাইর রহমান, কৃষি বিজ্ঞানের শিক্ষক হামিদুল ইসলাম, বাংলা বিষয়ের শিক্ষক সোহের চৌধুরী ও অফিস সহায়ক সুজন মিয়া। এই ঘটনার পর ওই বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মো. আবু হানিফ পলাতক রয়েছেন।

এদের সবাইকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার দুই দিন পর কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমান বরখাস্ত হন।

আরও পড়ুন:
পরীক্ষার হলে ফেসবুক লাইভ, ২ এসএসসি পরীক্ষার্থী বহিষ্কার
‘ভূরুঙ্গামারীর ইউএনওর অবহেলায়’ এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস
প্রশ্নফাঁস: কুড়িগ্রামের উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরখাস্ত
দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন ২ ঘণ্টা পরই
এসএসসি: দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত ৪ বিষয়ের সূচি ঘোষণা

মন্তব্য

p
উপরে