× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
A fire broke out on the stage of BNP in Netrakona
hear-news
player
google_news print-icon

নেত্রকোণায় বিএনপির মঞ্চে আগুন

নেত্রকোণায়-বিএনপির-মঞ্চে-আগুন
মঞ্চে আগুন দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে বারহাট্টা উপজেলা আওয়ামী লীগ। ছবি: নিউজবাংলা
নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলার চেয়ারম্যান মাইনুল হক কাশেম বলেন, ‘বিএনপি সম্মেলনের নামে বারহাট্টায় নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করছিল। আমাদের নেতাকর্মীরা তা প্রতিহত করেছে।’

নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলায় বিএনপির সম্মেলনের মঞ্চ ভাঙচুর ও প্যান্ডেলে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে সম্মেলন পণ্ড হয়ে যায়। শনিবার বেলা দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাক আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার জন্য তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের দায়ী করেন।

মোস্তাক আহমেদ জানান, শনিবার বেলা ২টার সময় বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল। এ জন্য উপজেলা সদরের গোপালপুর-মাঝিপাড়া এলাকায় প্রস্তুত করা হয়েছিল মঞ্চ ও প্যান্ডেল। কিন্তু বেলা দেড়টার দিকে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে এসে মঞ্চ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় এবং প্যান্ডেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।

এর আগে স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মাইনুল হক কাশেমের নেতৃত্বে দলটির নেতাকর্মীরা উপজেলা সদরে একটি মিছিল করেন।

নেত্রকোণায় বিএনপির মঞ্চে আগুন
ঘটনার আগে উপজেলা সদরে মিছিল করে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা

বিষয়টি নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান মাইনুল হক কাশেম বলেন, ‘বিএনপি সম্মেলনের নামে বারহাট্টায় নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করছিল। আমাদের নেতাকর্মীরা তা প্রতিহত করেছে।’

তবে মঞ্চে আগুন দেয়া ও ভাঙচুরের কথা অস্বীকার করেন চেয়ারম্যান।

বারহাট্টা থানার ওসি মোহাম্মদ লুৎফুল হক বলেন, ‘বিএনপি তাদের সম্মেলন বাতিল করেছে বলে শুনেছি। মঞ্চ ভাঙচুর বা আগুন দেয়ার কোনো ঘটনা আমরা জানি না। এ ধরনের কোনো আলামতও দেখিনি।’

আরও পড়ুন:
নেত্রকোণায় বিএনপির ৫০০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
শাওনের ভাইয়ের মামলায় বিএনপির বিস্ময়, চাপের অভিযোগ
উচ্ছৃঙ্খল হবেন না, নেতাকর্মীদের ফখরুল
শাওনরা যুবলীগ করলেও হত্যা করা যাবে না: ফখরুল
মানিকগঞ্জে বিএনপির আড়াই হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Clash in Munshiganj 177 BNP bailed in two cases

মুন্সীগঞ্জে সংঘর্ষ: দুই মামলায় বিএনপির ১৭৭ জনের জামিন

মুন্সীগঞ্জে সংঘর্ষ: দুই মামলায় বিএনপির ১৭৭ জনের জামিন মুন্সীগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে বিএনপির নেতা-কর্মীরা। ফাইল ছবি
আইনজীবী কামাল হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুই মামলায় আজ ১৭৭ জনকে আগাম জামিন দিয়েছে আদালত। তাদের ছয় সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।’

মুন্সীগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় করা দুই মামলায় বিএনপির ১৭৭ নেতা-কর্মীকে আগাম জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার তাদের জামিন দেয়।

আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে নেতা-কর্মীদের বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ফজলুর রহমান। তার সঙ্গে ছিলেন কামাল হোসেন।

আইনজীবী কামাল হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুই মামলায় আজ ১৭৭ জনকে আগাম জামিন দিয়েছে আদালত। তাদের ছয় সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।’

মুন্সীগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় হওয়া মামলায় বিএনপির তিন শতাধিক নেতা-কর্মীর আগাম জামিন চেয়ে ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।

মুক্তারপুরে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষ

গত ২১ সেপ্টেম্বর জ্বালানি তেলসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং ভোলা ও নারায়ণগঞ্জে বিএনপির তিন নেতা-কর্মী নিহতের প্রতিবাদে মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুরে বিক্ষোভ কর্মসূচি করে বিএনপি। ওই দিন বিকেল ৩টার দিকে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ দিতে বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা নেতা-কর্মীরা মুক্তারপুর মোড়ে জড়ো হতে থাকেন। পুলিশ বাধা দিলে তারা মুক্তারপুর থেকে ট্রাকে পুরোনো ফেরিঘাট এলাকায় যান।

সেখানে বিভিন্ন এলাকা থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা আসতে শুরু করেন। ওই সময় সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিনহাজুল ইসলাম একটি মিছিলের ব্যানার ধরে টান দিলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

ওই সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। তাদের মধ্যে শহিদুল ইসলাম সাওন নামে যুবদলকর্মী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

সংঘর্ষের ঘটনায় গত ২২ সেপ্টেম্বর মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় দলটির নেতা-কর্মীদের নামে দুটি মামলা হয়।

মামলা দুটিতে এক হাজার ৩৬৫ জনকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে বিএনপির নেতা-কর্মী ও অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি আছেন। দুটি মামলায় ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সংঘর্ষের ঘটনায় মুন্সীগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক মাইনউদ্দিন বাদী হয়ে সরকারি অস্ত্র, গুলি লুট ও মোটরসাইকেল পোড়ানোর অভিযোগে ৩১৩ জনের নামে এবং ৭০০ থেকে ৮০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন।

ওই মামলায় প্রধান আসামি করা হয় জেলা বিএনপির সদস্যসচিব কামরুজ্জামান রতনকে।

আরও পড়ুন:
এবার রাজপথে বিএনপির টানা দুই মাসের কর্মসূচি
বিএনপির টুকুর বক্তব্যে ক্ষেপেছে জামায়াত
বন্দুকের নল যে কোনো সময় ঘুরে যাবে: আব্বাস
জামায়াতের জোট ছাড়ার গুঞ্জন স্বীকার বিএনপি নেতার
ফের পেট্রলবোমা ছুড়লে জনগণকে নিয়ে প্রতিরোধ: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
GM Quader at the EU Ambassadors Breakfast Meeting

ইইউ রাষ্ট্রদূতের ব্রেকফাস্ট মিটিংয়ে জি এম কাদের

ইইউ রাষ্ট্রদূতের ব্রেকফাস্ট মিটিংয়ে জি এম কাদের ইইউ রাষ্ট্রদূতের ব্রেকফাস্ট মিটিংয়ে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জি এম কাদের। ছবি: সংগৃহীত
ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলির সঙ্গে সকালে মিটিং করেছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলির সঙ্গে ব্রেকফাস্ট মিটিং করেছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের।

রোববার সকালে ইইউ রাষ্ট্রদূতের গুলশানের বাসভবনে এই মিটিং হয়।

সভায় ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, ইতালি, স্পেন, ডেনমার্ক, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে ও ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের সঙ্গে ছিলেন পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু এবং জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বিশেষ দূত ও উপদেষ্টা মাসরুর মওলা।

আরও পড়ুন:
মোমেনের বক্তব্যের দায় সরকার এড়াতে পারে না: জি এম কাদের
অব্যবস্থাপনায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবে বাংলাদেশ : জি এম কাদের
জি এম কাদেরের গাড়িতে বাসের ধাক্কা
‘উন্নয়নের নৌকা এখন শ্রীলঙ্কার পথে’
‘লাভের টাকা কোথায় গেল’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
All the achievements of the country are for Awami League Palak

দেশের যা কিছু অর্জন, সবই আওয়ামী লীগের জন্য: পলক

দেশের যা কিছু অর্জন, সবই আওয়ামী লীগের জন্য: পলক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: নিউজবাংলা
পলক বলেন, ‘পদ-পদবি ক্ষণস্থায়ী। কিন্তু আওয়ামী লীগ নামের এই সংগঠন হচ্ছে স্থায়ী ঠিকানা। তাই যদি নিজেদের পদ ও স্বার্থের জন্য সংগঠনকে ভুলে যাই, তাহলে পদও থাকবে না, আর সংগঠনও থাকবে না।’

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক বলেছেন, আজকে এই বাংলাদেশের যা কিছু অর্জন, যা কিছু সাফল্য, তার সব কিছুই দিয়েছে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ।

তিনি বলেন, ‘পদ-পদবি ক্ষণস্থায়ী। কিন্তু আওয়ামী লীগ নামের এই সংগঠন হচ্ছে স্থায়ী ঠিকানা। তাই যদি নিজেদের পদ ও স্বার্থের জন্য সংগঠনকে ভুলে যাই, তাহলে পদও থাকবে না, আর সংগঠনও থাকবে না।’

তাই সংগঠনকে শক্তিশালী করতে জনগণের উন্নয়নে কাজ করতে হবে। সেই ধারা অব্যাহত রাখতেই যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত করতে হবে বলে জানান তিনি।

শনিবার বিকেলে সিংড়া উপজেলা কোর্ট মাঠে সিংড়া পৌর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

সিংড়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সিংড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফিকের সভাপতিত্বে সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে নেতারা বক্তব্য দেন।

এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সিংড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট শেখ ওহিদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ও সিংড়া পৌরসভার মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস।

২০১৩ সালে সিংড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দীর্ঘ ৯ বছর পর শনিবার আবার এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সিংড়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ডালিম আহমেদ ডন ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেনের নাম ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন:
প্রতারণার মামলায় আ.লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী কারাগারে
পাকিস্তান নিয়ে বক্তব্য: ফখরুলকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান হানিফের
‘গণমাধ্যমে বিএনপিকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে’
পল্লবীতে সংঘর্ষ: বিএনপির আরও ৯ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
পল্লবীতে সংঘর্ষ: ২০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If the BNP comes to stop the election it will be prevented Who?

নির্বাচন রুখতে এলে প্রতিরোধ: কাদের

নির্বাচন রুখতে এলে প্রতিরোধ: কাদের রাজধানীর হাজারীবাগে শনিবার প্রতিবাদ-বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কেউ নির্বাচনে আসুক বা না আসুক সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে যথাসময়েই নির্বাচন হবে। নির্বাচনে আসা না আসা বিএনপির একান্ত নিজস্ব ব্যাপার। আওয়ামী লীগও চায় তারা নির্বাচনে আসুক। কিন্তু কাউকে জোর করে নির্বাচনে আনার দরকার নেই।’

বিএনপিকে নির্বাচনে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে অংশ নেয়া বিএনপির গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু তা না করে দলটি নির্বাচন প্রতিহত করার নামে অরাজকতা সৃষ্টি করলে বাংলার মানুষকে নিয়ে তাদের প্রতিরোধ করা হবে।

রাজধানীর হাজারীবাগে থানা আওয়ামী লীগ আয়োজিত ‘বিএনপি-জামায়াতের আগুন সন্ত্রাস, জ্বালাও-পোড়াও ও নৈরাজ্যের’ প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কেউ নির্বাচনে আসুক বা না আসুক সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে যথাসময়েই নির্বাচন হবে। আর এই নির্বাচন হবে সংবিধানসম্মতভাবে।

‘নির্বাচনে আসা না আসা বিএনপির একান্ত নিজস্ব ব্যাপার। আওয়ামী লীগও চায় তারা নির্বাচনে আসুক। কিন্তু কাউকে জোর করে নির্বাচনে আনার কোনো দরকার নেই।

‘গতবারও বিএনপি নির্বাচনে আসবে না আসবে না বলে গাধা পানি ঘোলা করে খায়-এর মতো নির্বাচনে এসেছিল।’

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে ৩০ আসনও পাবে না’- মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব জ্যোতিষবিদ হয়ে গেছেন? ২০০৮ সালেও বিএনপির নেত্রী বলেছিলেন যে আওয়ামী লীগ ৩০ আসনও পাবে না। কিন্তু ভোটে দেখা গেল উল্টো বিএনপিই ৩০ আসনও পায়নি। আগামী নির্বাচনের ফল কী হবে, তা একমাত্র সৃষ্টিকর্তা ও দেশের জনগণ জানে।

‘ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট হলে বিএনপির কপাল পুড়বে। তাই তারা এর বিরোধিতা করছে। বিএনপি হচ্ছে ভোট ডাকাতের সর্দার। তাই তারা ভোট ডাকাতি করার জন্য ইভিএমের বিরোধিতা করছে।’

হাজারীবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজি মোহাম্মদ সেলিমের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন, শাহাবুদ্দিন ফরাজি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, সংসদ সদস্য শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন ও নুরুল আমিন রুহুল।

আরও পড়ুন:
রাজপথ বিএনপির পৈতৃক সম্পত্তি নয়: কাদের
বিএনপি নিজেদের মারামারিতে সরকারকে দায় দিচ্ছে: কাদের
ভোটে ‘অযোগ্য’ বিএনপি পথ খুঁজছে ষড়যন্ত্রে: কাদের
র‌্যাবে নিষেধাজ্ঞায় যে ফখরুলরা, তার প্রমাণ বক্তব্যেই: কাদের
সংকটকে হাতিয়ার করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বিএনপি: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mirza Azam is getting the smell of domestic and foreign conspiracies

দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের ঘ্রাণ পাচ্ছেন মির্জা আজম

দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের ঘ্রাণ পাচ্ছেন মির্জা আজম শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় বক্তব্য দেন মির্জা আজম। ছবি: নিউজবাংলা
মির্জা আজম বলেন, ‘সরকারের বিরুদ্ধে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের ঘ্রাণ পাচ্ছি। আগামী নির্বাচন ঘিরে অনেক ষড়যন্ত্র প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। তারা ঘোষণা দিয়েই ষড়যন্ত্র করছে। আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে সেসব মোকাবিলা করতে হবে।’

সরকারের বিরুদ্ধে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের ঘ্রাণ পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম।

শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় তিনি এ কথা জানান।

মির্জা আজম বলেন, ‘সরকারের বিরুদ্ধে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের ঘ্রাণ পাচ্ছি। আগামী নির্বাচন ঘিরে অনেক ষড়যন্ত্র প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। তারা ঘোষণা দিয়েই ষড়যন্ত্র করছে। আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে সেসব মোকাবিলা করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর শেখ হাসিনা দেশে প্রত্যাবর্তন করেছিলেন বলেই দেশ পাকিস্তানের রূপ নেয়নি। উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন।’

সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীরপ্রতীক), নারায়ণগঞ্জের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী, সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল হাই ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ বাদল।

নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন ৩০ অক্টোবর নির্ধারণ হয় এ সভায়।

আরও পড়ুন:
ষড়যন্ত্রকারীরা পিছু হটতে শুরু করেছে
ষড়যন্ত্রকারীরা সাবধান!

মন্তব্য

বাংলাদেশ
I am getting the message that the next election will be violent and coercive

‘আগামী নির্বাচন হবে সহিংসতার-জবরদস্তির, মেসেজ পাচ্ছি’

‘আগামী নির্বাচন হবে সহিংসতার-জবরদস্তির, মেসেজ পাচ্ছি’ সন্ত্রাসী হামলায় পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া কর্মীকে দেখতে যান জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরসহ অন্যরা। ছবি: সংগৃহীত
জি এম কাদের বলেন, ‘চলমান সহিংস রাজনীতি আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য অশনিসংকেত। সহিংসতার মাধ্যমে, জোরজবরদস্তির একটি নির্বাচন হবে, সরকারি দল থেকে এমন মেসেজ আমরা পাচ্ছি। এটা দেশ ও জাতির জন্য দুঃখজনক।’

আগামী সংসদের জন্য সহিংসতার মাধ্যমে, জোর জবরদস্তির একটি নির্বাচন হবে, সরকারি দল থেকে এমন মেসেজ পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

সন্ত্রাসী হামলায় পা বিচ্ছিন্ন হওয়া জাতীয় পার্টির নেতা সফিকুল ইসলামকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দেখতে গিয়ে শনিবার দুপুরে সংবাদমাধ্যম কর্মীদের কাছে এমন মন্তব্য করেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান।

জি এম কাদের বলেন, ‘চলমান সহিংস রাজনীতি আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য অশনি সংকেত। সহিংসতার মাধ্যমে, জোর জবরদস্তির একটি নির্বাচন হবে, সরকারি দল থেকে এমন মেসেজ আমরা পাচ্ছি। এটা দেশ ও জাতির জন্য দুঃখজনক।’

তিনি বলেন, ‘কথা বলা, সভা সমাবেশ ও বিক্ষোভ প্রদর্শনের অধিকার থাকতে হবে। স্বাভাবিক রাজনীতি বাধাগ্রস্ত হলে সহিংস রাজনীতি আসে। যা দেশের জন্য অমঙ্গল বয়ে আনবে।’

এ সময় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান তোপ দাগেন সরকার দলীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর।

পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার তুষখালী ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলামকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কুপিয়ে পা-বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ তোলেন।

বলেন, ‘গেল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্থানীয়ভাবে সফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি শেষ সময় পর্যন্ত নির্বাচনে লড়েছে। ফলে, সরকার সমর্থকরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিততে পারেনি। নির্বাচনের পর থেকেই আওয়ামী লীগের হয়রানিমূলক মামলা ও হামলার শিকার হচ্ছেন জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা।’

তেমস একটি হয়রানিমূলক মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় সফিকুল ইসলামের ওপর হামলা হয়। তাকে সময় মতো হাসপাতালে না নেয়া হলে মৃত্যুর আশঙ্কা ছিল বলে জানান জি এম কাদের।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘তাকে আজীবন পঙ্গুত্বের অভিশাপ নিয়ে বাঁচতে হবে। আমরা দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

এ সময় জাতীয় পার্টির যুগ্ম কোষাধ্যক্ষ আবু তৈয়ব, যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম ও যুগ্ম যুব বিষয়ক সম্পাদক দীন ইসলাম শেখসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
রওশনকে অপসারণ: এবার পাল্টা চিঠি পাঠাবেন রাঙ্গা
গণমানুষের আস্থা হারালে আ.লীগের সঙ্গে নয়: জি এম কাদের
বিএনপি-জাতীয় পার্টি জোট নিয়ে প্রশ্ন এড়ালেন চুন্নু
ইসির রোডম্যাপ মূল্যহীন: চুন্নু
এরশাদ ট্রাস্টের সদস্য হলেন সাদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Whip Swajan apologized for the drivers excesses at the airport

বিমানবন্দরে চালকের বাড়াবাড়ি, ক্ষমা চাইলেন হুইপ স্বপন

বিমানবন্দরে চালকের বাড়াবাড়ি, ক্ষমা চাইলেন হুইপ স্বপন জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। ফাইল ছবি
শুক্রবার দেয়া স্ট্যাটাসে হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন লিখেছেন, ‘আমার অনুপস্থিতিতে গাড়ি রাখা নিয়ে আমার অফিসিয়াল ড্রাইভারের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচিত হয়েছে। আমি আমার অনুপস্থিতিতে আমার ড্রাইভারের ত্রুটির জন্য একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজেই ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনকে নিতে আসা গাড়ির চালকের বাড়াবাড়ি ও রাস্তা আটকে রাখার ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছেন তিনি নিজে।

গত বৃহস্পতিবার বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় হুইপের গাড়ির কারণে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন বিমানবন্দরে আসা যাত্রীরা। তখন গাড়িতে ছিলেন না স্বপন।

এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, অভ্যন্তরীণ একটি ফ্লাইটে আসা হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনকে নিতে বৃহস্পতিবার রাতে শাহজালাল বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের বাইরে অপেক্ষা করছিলেন তার গাড়ির চালক।

এ সময় বিমানবন্দরে যানবাহনের চাপ থাকায় চালককে গাড়িটি সরিয়ে নিতে অনুরোধ জানান নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এপিবিএন সদস্যরা। বারবার অনুরোধ করার পরেও হুইপের গাড়ি চালক তা সরাতে অনীহা প্রকাশ করেন। এপিবিএন সদস্যদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়াতেও দেখা যায় চালককে।

বিমানবন্দরে চালকের বাড়াবাড়ি, ক্ষমা চাইলেন হুইপ স্বপন

ঘটনার একদিন পর এর জন্য নিজের ফেসবুক পেজে ক্ষমা চেয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন।

শুক্রবার দেয়া এই স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘আমার অনুপস্থিতিতে গাড়ি রাখা নিয়ে আমার অফিসিয়াল ড্রাইভারের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচিত হয়েছে। ঘটনাস্থলে আমি উপস্থিত ছিলাম না, ঘটনাটি আমার কোনো রাজনৈতিক সহকর্মী বা সহকারী করেননি।

‘একজন ড্রাইভারের সঙ্গে সংঘটিত হয়েছে। সরকারি এই ড্রাইভার রাজনৈতিক নেতার ডিউটি না করলে সমস্যা হতো না। যেহেতু রাজনৈতিক নেতার ডিউটি করেন, সেহেতু সমালোচনার ঝড় ওঠা স্বাভাবিক।’

বিমানবন্দরে চালকের বাড়াবাড়ি, ক্ষমা চাইলেন হুইপ স্বপন
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ফাইল ছবি

তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমি যুক্ত না থাকলেও আমার নাম ব্যবহৃত হওয়ায় আমি প্রশ্নবিদ্ধ ও অভিযুক্ত হয়েছি। আমি ক্ষমতা প্রদর্শনের অপসংস্কৃতিতে আক্রান্ত নই। বরং বরাবরই জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মচারীরা যে জনগণ নিযুক্ত এবং কোনোভাবেই আমাদের মর্যাদা জনগণের ওপর নয়, সে বিষয়ে আমি সরব ভূমিকা পালন করে আসছি এবং নিজেও প্রতিপালন করি।

‘সুতরাং আমি আমার অনুপস্থিতিতে আমার ড্রাইভারের ত্রুটির জন্য একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজেই ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’

আরও পড়ুন:
যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

মন্তব্য

p
উপরে