× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
News of Myanmar warplane firing on the border
hear-news
player
google_news print-icon

মিয়ানমারের যুদ্ধবিমানের গোলা পড়েছে বান্দরবানে

মিয়ানমারের-যুদ্ধবিমানের-গোলা-পড়েছে-বান্দরবানে
মিয়ানমারের ফাইটিং হেলিকপ্টার থেকে ছোড়া গোলা পড়েছে বান্দরবান সীমান্তবর্তী এলাকায়। ছবি: সংগৃহীত
বিজিবির পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়জুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিষয়টি আমরা শুনেছি। বিষয়টি নিশ্চিত করার কার্যক্রম চলছে।’

মিয়ানমারের দুটি যুদ্ধবিমান ও ফাইটিং হেলিকপ্টার থেকে ছোড়া গোলা বান্দরবান সীমান্তবর্তী এলাকায় পড়েছে। সেখানে দুটি গোলা অবিস্ফোরিত থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এসব গোলা এসে পড়ে।

এ বিষয়ে বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনা বাড়ছে, যা নাইক্ষ্যংছড়ি ও ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় স্থানীয়দের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে।

তিনি বলেন, ‘আজ স্থানীয়রা সীমান্তের কাছে মিয়ানমারের একটি হেলিকপ্টার থেকে গুলিবর্ষণ করতে দেখেছে। এ সময় তারা সীমান্তের কাছে দুটি মর্টার শেল ফেলেছে।’

বিজিবির পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়জুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিষয়টি আমরা শুনেছি। বিষয়টি নিশ্চিত করার কার্যক্রম চলছে।’

এদিকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেছেন,‘এ বিষয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত অং কিউ মোয়েকে রোববার ডেকে প্রতিবাদ করা হবে।’

স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, সকালে রেজু আমতলী বিজিবি বিওপির অধীন সীমান্ত পিলার ৪০-৪১-এর মাঝামাঝি মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দুটি যুদ্ধবিমান এবং দুটি অ্যাটাক হেলিকপ্টার আসে। ওই সময় যুদ্ধবিমান থেকে আনুমানিক ৮ থেকে ১০টি গোলা ছোড়া হয়। হেলিকপ্টার থেকেও আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫টি গোলা ছুড়তে দেখা যায়।

এর আগে ২৮ আগস্ট দুপুরের পর বান্দরবানের তমব্রু সীমান্তে মিয়ানমার থেকে ছোড়া দুটি মর্টার শেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। তবে এতে হতাহত হওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি।

ওই ঘটনায় কড়া জবাব দেয় ঢাকা। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত অং কিউ মোয়েকে ২৯ আগস্ট বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে এনে নোট ভারবালের মাধ্যমে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।

পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন শনিবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘এর আগে যে ঘটনাটি ঘটেছে, তার কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা।

‘দেশটির রাষ্ট্রদূতকে ডেকেনোট ভারবালের মাধ্যমে কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল। একইসঙ্গে তাকে সতর্ক করে বলা হয়, ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।’

আরও পড়ুন:
সেই ২২ জেলেকে ছাড়ল মিয়ানমার
‘২২ জেলেসহ চারটি ট্রলার নিয়ে গেছে মিয়ানমার’
মিরপুরে মিলল মর্টার শেল
মিয়ানমার থেকে অস্ত্র-মানব পাচার রোধে প্রয়োজনে গুলি
বালু তোলার সময় করতোয়ায় মিলল মর্টার শেল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
11 Chhatra League injured in attack in Gazipur protest blockade

গাজীপুরে হামলায় ছাত্রলীগের ১১ জন আহত, প্রতিবাদে বিক্ষোভ অবরোধ

গাজীপুরে হামলায় ছাত্রলীগের ১১ জন আহত, প্রতিবাদে বিক্ষোভ অবরোধ হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার গাজীপুর শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ করে ছাত্রলীগ। ছবি: নিউজবাংলা
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্রলীগের সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গুলি ছোঁড়ার কথা শুনেছি, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি।’

গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগ নেতাদের ওপর হামলা ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতে শহরের রথখোলার ঢালে এ ঘটনায় মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পদক শেখ মোস্তাক আহমেদ কাজলসহ ১১ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কাজলসহ ৭ জনকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে বৃহস্পতিবার শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে মহানগর ছাত্রলীগ। পরে নেতাকর্মীরা শহরের শিববাড়ি মোড় প্রায় ৩০ মিনিট অবরোধ করে রাখে। এ সময় হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি মোশিউর রহমান সরকার বাবু।

আহত কাজল বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গাপূজায় প্রতিমা বিসর্জনের অনুষ্ঠান শেষে মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ওয়াজউদ্দীনকে রথখোলা এলাকায় আমরা বিদায় জানাচ্ছিলাম। অ্যাডভোকেট ওয়াজউদ্দীন চলে যাওয়ার পর মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) মাসুদ রানা এরশাদের নেতৃত্বে ২৫-৩০ জনের একটি দল আমাদের ওপর হামলা চালায়।

‘এ সময় আমাকে লক্ষ্য করে ৩ রাউন্ড গুলি ছোঁড়া হয়। তা লক্ষভ্রষ্ট হওয়ায় প্রাণে বেঁচে যাই। এক পর্যায়ে চাপাতি দিয়ে কোপ দিলে আমার থুতনি কেটে যায়। আমাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে হামলাকারীদের চাপাতি ও হকিস্টিকের আঘাতে ছাত্রলীগ নেতা আনিছুর রহমান বাদল, মিরাজুর রহমান রায়হান, ইলিয়াস রুমন ও রনিসহ ১১ ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী আহত হয়। আমিসহ সাতজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছি।’

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে মাসুদ রানা এরশাদ বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি ছিলাম না। মোস্তাক আহমেদ কাজল ও কাজী আশরাফ রাকিব মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন। কাজল পদ পেলেও রাকিব পদ পাননি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। কাজলের অনুসারীরা রাকিবের ওপর হামলা চালিয়েছে।’

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) সদর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গুলি ছোঁড়ার কথা শুনেছি, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি।’

আরও পড়ুন:
হোসেনপুর ছাত্রলীগের নতুন কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
এমন ছাত্রলীগ চাননি সৈয়দ আশরাফের বোন
ইডেন ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদকসহ ১৪ জনের আগাম জামিন
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন বেপরোয়া ছাত্রলীগ
ছাত্রলীগের দ্বন্দ্বে বন্ধ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Suicide of lover at doctor lovers house

চিকিৎসক প্রেমিকের বাসায় প্রেমিকার আত্মহত্যা

চিকিৎসক প্রেমিকের বাসায় প্রেমিকার আত্মহত্যা আত্মহত্যায় প্ররোচণার মামলায় গ্রেপ্তার চিকিৎসক ফিরোজ আলম। ছবি: নিউজবাংলা
আশুলিয়া থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চিকিৎসক ফিরোজ তার ভাড়া ফ্ল্যাটে বারান্দায় গিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। এ সময় ফিরোজের অন্যত্র বিয়ের বিষয়টি জানতে পারেন নুসরাত। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে নুসরাত বারান্দা থেকে কক্ষে এসে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনায় ফিরোজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ঢাকার সাভারে চিকিৎসক প্রেমিকের বাসায় এসে আত্মহত্যা করেছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী। ওই তরুণীর বড় ভাইয়ের করা আত্মহত্যায় প্ররোচণার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রেমিককে।

আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম বৃহস্পতিবার সকালে নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বুধবার রাতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠায় আশুলিয়া থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তার ফিরোজ আলম ঢাকার দোহার থানার রাধানগর গ্রামের ওমর আলীর ছেলে। তিনি আশুলিয়ার একটি পোশাক কারখানায় মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে কর্মরত।

নুসরাত মিমের বড় ভাই ফেরদৌস আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি ফরিদপুরে একটি এনজিওতে চাকরি করি। আমার ছোট বোন সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স চতুর্থ বর্ষের ইংরেজি সাহিত্যে লেখাপড়া করত। পাশাপাশি সে সাভার সুপার হাসপাতালে নার্সের চাকরি করত।

‘বছর দুয়েক আগে সুপার হাসপাতালে ডিউটি ডাক্তার ফিরোজ আলমের সঙ্গে আমার বোনের পরিচয় হয়। এক সময় তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ৭-৮ মাস আগে ফিরোজ অন্যত্র গোপনে বিয়ে করে। তারপরও সে আমার বোনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক চালিয়ে আসছিল।’

ফেরদৌস আলম আরও বলেন, ‘৪ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে হাসপাতালে ডিউটি শেষ করার পর আমার বোনকে ফোন করে আশুলিয়ার পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় নিজের ভাড়া ফ্ল্যাটে ডেকে নেয় ফিরোজ। পরদিন ৫ অক্টোবর বিকেলে আমার বোনের আত্মহত্যার খবর পেয়ে ছুটে আসি। আমার বোনকে ডেকে এনে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’

এসআই জাহাঙ্গীর আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ফিরোজ তার ভাড়া ফ্ল্যাটে নুসরাতকে রেখে বারান্দায় গিয়ে গোপনে স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। এ সময় ফিরোজের অন্যত্র বিয়ের বিষয়টি জানতে পারেন নুসরাত। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে নুসরাত বারান্দা থেকে কক্ষে এসে ভেতর থেকে বারান্দার দিকের দরজা আটকে দেন। পরে নিজের ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। বিষয়টি জানালা দিয়ে দেখতে পেয়ে ফিরোজ চিৎকার করতে থাকেন। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি আশুলিয়া থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে।

‘এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাইয়ের করা মামলায় ফিরোজ আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাতেই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করে রিকশাচালকের ‘আত্মহত্যা’
ছেলের সামনেই স্বামীহারা নারীর ‘আত্মহত্যা’
গায়ে আগুন দিয়ে গৃহবধূর ‘আত্মহত্যা’
দাদির সঙ্গে অভিমানে শিশুর ‘আত্মহত্যা’
‘ধর্ষণের শিকার’ স্কুলছাত্রীর মৃত্যুতে মামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP is lying about grid disaster Hanif

গ্রিড বিপর্যয় নিয়ে মিথ্যাচার করছে বিএনপি: হানিফ

গ্রিড বিপর্যয় নিয়ে মিথ্যাচার করছে বিএনপি: হানিফ কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমিতে বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মাহবুবউল আলম হানিফ। ছবি: নিউজবাংলা
‘সরকারের বিরুদ্ধে বলার মতো কিছু না পেয়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয় নিয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎও দিতে পারেনি। এই ব্যর্থতা, অযোগ্যতা ঢাকতে এবং সরকারের উন্নয়ন অগ্রগতি দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে।’

বিদ্যুতের গ্রিড বিপর্যয় নিয়ে বিএনপি নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

বৃহস্পতিবার সকালে কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমিতে এক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

হানিফ বলেন, ‘বিদ্যুতের গ্রিড বিপর্যয় একটি দুর্ঘটনা। এ নিয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছেন মির্জা ফখরুলরা। চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। চাহিদার বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে বাংলাদেশের।

‘সরকারের বিরুদ্ধে বলার মতো কিছু না পেয়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয় নিয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎও দিতে পারেনি। এই ব্যর্থতা, অযোগ্যতা ঢাকতে এবং সরকারের উন্নয়ন অগ্রগতি দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি একটি উগ্র সাম্প্রদায়িক দল, জামায়াত তাদের পরিপূরক। একই মায়ের দুই সন্তান। সেই দলের নেতাদের মুখে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার অভিযোগ মানায় না। বিশেষ একটি সম্প্রদায়ের আনুকূল্য পেতে তারা এসব বলছে।’

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য আকম সরোয়ার জাহান বাদশাসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় স্কুল কলেজের কয়েক শ ছাত্রছাত্রী অংশ নেয়।

গ্রিড বিপর্যয়

মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে ইস্টার্ন গ্রিড ফেল করার পর ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকার পর সন্ধ্যা থেকে জেলা শহরগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

বেলা ২টা ৪ মিনিটে অনাকাঙ্ক্ষিত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পর ২টা ৩৬ মিনিটে আশুগঞ্জ-সিরাজগঞ্জ ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন চালুর মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ময়মনসিংহের কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা হয়। এবং সতর্কতার সঙ্গে সেটা বাড়িয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার কাজ চলমান।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mayor Khalek is threatening to expel the voters

‘ভোটারদের বহিষ্কারের হুমকি দিচ্ছেন মেয়র খালেক’

‘ভোটারদের বহিষ্কারের হুমকি দিচ্ছেন মেয়র খালেক’ খুলনা ক্লাবে ৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের সভায় বক্তব্য দেন কেসিসি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। ছবি: নিউজবাংলা
মোর্ত্তজা বলেন, ‘জেলা পরিষদ নির্বাচনে কেসিসি মেয়র ধারাবাহিকভাবে আচারণবিধি লঙ্ঘন করছেন। চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ হারুন মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় মেয়র সঙ্গে ছিলেন, সরকারি গাড়ি নিয়ে এসেছিলেন। পরে তিনি ভোটারদের দল থেকে বহিষ্কারের হুমকি দেন। তিনি প্রভাব খাটিয়ে ভোট বুঝে নিতে চেয়েছেন।

খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে আচারণ বিধি লঙ্ঘন করে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে প্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে।

মেয়রের বিরুদ্ধে রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্বতন্ত্রপ্রার্থী মোর্ত্তজা রশিদী দারা।

অভিযোগে বলা হয়, ‘দলীয় প্রার্থীকে ভোট দিতে প্রকাশ্যে নির্দেশ, নির্বাচনি সভায় অংশগ্রহণ, ভোট না দিলে জনপ্রতিনিধি ভোটারদের দল থেকে বহিষ্কারের হুমকি দিচ্ছেন মেয়র খালেক।’

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে রিটার্নিং অফিসারের পক্ষে অভিযোগ গ্রহণ করেন খুলনা জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক মো. ইউসুপ আলী।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ‘৩ অক্টোবর খুলনা ক্লাবে জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী শেখ হারুনুর রশিদের সভাপতিত্বে সভা হয়। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। তিনি মোটরসাইকেল প্রতীকে ভোটারদের কাছ থেকে ভোট বুঝে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।’

মোর্ত্তজা বলেন, ‘জেলা পরিষদ নির্বাচনে কেসিসি মেয়র ধারাবাহিকভাবে আচারণবিধি লঙ্ঘন করছেন। চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ হারুন মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় মেয়র সঙ্গে ছিলেন, সরকারি গাড়ি নিয়ে এসেছিলেন। পরে তিনি ভোটারদের দল থেকে বহিষ্কারের হুমকি দেন। তিনি প্রভাব খাটিয়ে ভোট বুঝে নিতে চেয়েছেন।

‘৩ অক্টোবরের সভায় মেয়র ভোটারদের বলেন, আপনারা কখন কার সাথে দেখা করেন, কথা বলেন, মোবাইল ট্রাকের মাধ্যমে সব সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যায়। ভোট গণনার পর আমাদের দলের কয়টা ভোট পড়েছে, আমরা সঙ্গে সঙ্গে জানতে পারবো।’

দারা বলেন, ‘মেয়রের বক্তব্যের ওই ভিডিও আমাদের কাছে আছে। আমরা তা পেনড্রাইভের মাধ্যমে রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভোটাররা ভয়ে আমার সঙ্গে দেখা করতে চাচ্ছেন না। আওয়ামী লীগের নেতারা ভোটারদের ভয়ে রেখেছেন। তারা ভোটেরদের কর্মচারী মনে করে হুমকী দিচ্ছেন।’

জেলা পরিষদ (নির্বাচন আচারণ) বিধিমালার ২২ ধারায় বলা হয়েছে, সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী নির্বাচন পূর্ব সময়ে নির্বাচনি এলাকায় প্রচারণা বা নির্বাচনি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। তবে তিনি যদি ভোটার হন, তবে শুধু ভোট দেয়ার জন্য কেন্দ্রে যেতে পারবেন। এখানে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বলতে, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, হুইপ, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, মেয়র বা তাদের সমমর্যাদার ব্যক্তিদের বোঝানো হয়েছে।

ওই ধারায় আরও বলা হয়েছে, নির্বাচন-পূর্ব সময়ে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনি কাজে সরকারি প্রচারযন্ত্র, অন্য কোন সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ এবং সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে ব্যবহার করতে পারবেন না।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ‘ক্লোজড ডোরে দলের সাংগঠনিক কাজ চালিয়ে যেতে কোনো বাধা নেই। আমি মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি, সেই হিসেবে দলীয় প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছিলাম।’

খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের তিন নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, মোটরসাইকেল প্রতীকে খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হারুনুর রশীদ, আনারস প্রতীকে খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও বিএমএর সভাপতি ডা. শেখ বাহারুল আলম এবং চশমা প্রতীক খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোর্ত্তজা রশিদী দারা।

এর মধ্যে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন শেখ হারুনুর রশিদ।

আরও পড়ুন:
সারের দাবিতে আন্দোলনে যাওয়ায় আ.লীগ নেতা বহিষ্কার
জাহাঙ্গীরনগরে ছাত্র নির্যাতন, ছাত্রলীগের ৪ জন বহিষ্কার
নারী সহকর্মীকে ‘আপত্তিকর’ মেসেজ, বহিষ্কার নগর কর্মকর্তা
‘ধূমপান করায়’ ৩ ছাত্র বহিষ্কার
পঞ্চগড় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদককে বহিষ্কার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The young womans body was floating in the pond

পুকুরে ভাসছিল তরুণীর দেহ

পুকুরে ভাসছিল তরুণীর দেহ প্রতীকী ছবি
ওসি বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের‌ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তৃষা সাহার বাবা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন।’

নোয়াখালীর মাইজদীতে পুকুর থেকে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নোয়াখালী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মাস্টার পাড়া এলাকার একটি পুকুর থেকে বৃহস্পতিবার সকালে তৃষা সাহার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

২৬ বছরের তৃষা সাহা একই পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মাস্টার পাড়া এলাকার কমল সাহার মেয়ে ছিলেন।

তৃষার বাবা কমল সাহার বরাতে ওসি বলেন, ‘তৃষা দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালের দিকে তিনি বাসা থেকে বের হন। পরে ১০টার দিকে পরিবারের সদস্যরা বাসার পাশে একটি পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখে উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়।

‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের‌ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তৃষা সাহার বাবা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন।’

আরও পড়ুন:
জঙ্গল থেকে হলমার্কের নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ উদ্ধার
বেলকুচিতে মা ও ২ সন্তানের মরদেহ উদ্ধার
হাত-পা বাঁধা অটোচালক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
কর্ণফুলীতে নিখোঁজ শিপিং ব্যবসায়ীর মরদেহ
পুকুরে গৃহবধূর মরদেহ, স্বামী উধাও

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Humans have not learned the dogs patience

কুকুরের ধৈর্যের শিক্ষা নিল না মানুষ

কুকুরের ধৈর্যের শিক্ষা নিল না মানুষ রেলগেটে ট্রেন আসার সময় একটি কুকুরের ১০ মিনিট ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকার ঘটনা ঘটেছে, সেই রেলগেট ধরে চলা মানুষগুলো বড়ই অস্থির। ছবি: নিউজবাংলা
মাসুম ইসলাম নামে আরেকজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘কুকুরটাকে কেউ শিখিয়ে দেয়নি যে ট্রেন আসলে অপেক্ষা করতে হয়। সে নিজ থেকেই শিখে গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এটা দেখে খুবই ভালো লেগেছে। পুরো দেশবাসী কুকুরের নিয়ম মানার দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছে। কিন্তু যারা প্রাণীটিকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন, তারা কি এ থেকে কোনো কিছু শিখবেন? শিখলে এত বিশৃঙ্খলা কেন?’

নাটোরের যে রেলগেটে ট্রেন আসার সময় একটি কুকুরের ১০ মিনিট ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকার ঘটনা ঘটেছে, সেই রেলগেট ধরে চলা মানুষগুলো বড়ই অস্থির। ধৈর্য দেখে প্রাণীটিকে ব্যাপক প্রশংসায় ভাসানো স্থানীয়রাও ধৈর্য দেখাতে পারছেন না।

মঙ্গলবার সেই কুকুরটির এই কাণ্ডের সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে গণমাধ্যমে। তার পরদিন বুধবার বিকেলে সেই রেলগেটে গিয়ে দেখা যায়, মানুষজন বার ফেলা অবস্থায় হেঁটে, দৌড়ে পার হচ্ছে এমনকি বার উঁচু করে বাহন নিয়ে যাচ্ছে, দুই চাকার বাহনগুলো নানা কায়দা কসরত করে পার করছে।

বিকেল থেকে সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত পরপর কয়েকটি ট্রেন এই রেলগেট পার হয়ে যায়। প্রতিবার ট্রেন আসার আগে সড়কের দুই পাশের বার ফেলে দেয়ার পাশাপাশি বাজতে থাকে সাইরেন। এই সময়ে মানুষজন বারের নিচ বা পাশ দিয়ে বাধা অতিক্রম করে ভোঁ দৌড় দিয়ে রেললাইন পার হতে দেখা যায়। যারা সাইকেল বা মোটরসাইকেলে তারা আবার ‘জরুরি কাজ’, ‘দেখেই পার হয়েছি’, ‘অনেকক্ষণ বার ফেলে রাখা’ জাতীয় নানা যুক্তি দেন।

এক মোটরসাইকেল আরোহী বলেন, তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে গেট নামিয়ে দেয়ার পরও তিনি পার হয়ে এসেছেন। দীর্ঘদিনের অভ্যাসের কারণে তার এটা হয়েছে। তবে তিনি অন্তত তার ভুলটা স্বীকার করেছেন, যা অন্যরা স্বীকারও করেননি।

আরেক সাইকেল আরোহী বলেনন, দ্রুত বাড়ি যেতে হবে। অপেক্ষার সময় নেই তাই গেট নামিয়ে দেয়ার পরও নিচ দিয়ে পার হন।

বেশ কয়েকজন অবশ্য কোনো কথা না বলে হাসি দিয়ে চলে যান।

‘শিখল না কেউ’

নাটোর চামড়া ব্যবসায়ী গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম জানান, ‘চামড়াপট্টি এলাকায় খাবারের সন্ধানে কুকুরের আনাগোনা থাকে। গেল সোমবার বিকেলে এমনই একটি ছন্নছাড়া কুকুর রেলগেটে অপেক্ষা করে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তা সত্যিই অনুকরণীয়। আমাদের সবার তার কাছ থেকে শিক্ষা নেয়া উচিত। কিন্তু মানুষের যে তাড়াহুড়া দেখি, তাতে মনে হয় না তাদের কেউ শেখার কিছু আছে।’

মাসুম ইসলাম নামে আরেকজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘কুকুরটাকে কেউ শিখিয়ে দেয়নি যে ট্রেন আসলে অপেক্ষা করতে হয়। সে নিজ থেকেই শিখে গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এটা দেখে খুবই ভালো লেগেছে। পুরো দেশবাসী কুকুরের নিয়ম মানার দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছে। কিন্তু যারা প্রাণীটিকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন, তারা কি এ থেকে কোনো কিছু শিখবেন? শিখলে এত বিশৃঙ্খলা কেন?’

কুকুরটি কোথায়

স্থানীয়রা জানান, যে কুকুরটি ধৈর্য দেখিয়ে উদাহরণ তৈরি করেছে, সেটি এলাকায় ঘোড়াঘুড়ি করে না। পথকুকুর হিসেবে হয়ত দূরের কোনো জায়গা থেকে এখানে ঘুরতে চলে এসেছিল।

স্থানীয় বাসিন্দা আকরামুল হাছান আক্কু বলেন, ‘এখানে সেখানে ঘুরে বেড়ানো কুকুরটিকে কেউ এই ধৈর্য শিখিয়ে দেয়নি নিশ্চিত। সে নিজেই নিয়ম মেনে চলা শিখেছে। এটা থেকে সবারই শিক্ষাগ্রহণ করা উচিত।’

রেলগেটে অপেক্ষমাণ কুকুটির ছবি তুলেছিলেন নাটোর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর নুরুল ইসলাম নুরু।

গত সোমবারের ঘটনাটি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রাজশাহী থেকে ছেড়ে এসে নাটোর রেলওয়ে স্টেশনে এসে থামে উত্তরা নামে একটি ট্রেন। আগে থেকেই এ স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ঢাকাগামী আরেকটি ট্রেন তখন ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। স্টেশনের কাছাকাছি এলাকায় থাকা একটি রেলগেটে তাই সিগন্যাল ফেলে রাখা হয় প্রায় ১০ মিনিট।

‘ঝুঁকি থাকলেও তার অপেক্ষা না করেই সিগন্যাল অমান্য করছিলেন অসহিষ্ণু অনেকেই। তবে চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিল কুকুরটি। ট্রেনটি রেলগেট অতিক্রম করে যাওয়ার পর গেটম্যান বার তুলে দিলে কুকুরটিও বাম দিক দিয়ে রেললাইন পার হয়ে চলে যায়।’

সোমবার বিকেল ৩টা ৪৭ মিনিটে সিগন্যালে অপেক্ষমাণ ওই কুকুরটির পরপর কয়েকটি ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করেন নুরু। এরপর ছবিটি ভাইরাল হয়ে যায়।

আরও পড়ুন:
সিগন্যালে ১০ মিনিট অপেক্ষা করে কুকুরের অনন্য নজির

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Lack of confidence in EVMs as there is scope for tampering GM Kader

কারচুপির সুযোগ থাকায় ইভিএমে আস্থাহীনতা: জিএম কাদের

কারচুপির সুযোগ থাকায় ইভিএমে আস্থাহীনতা: জিএম কাদের জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদের। ফাইল ছবি
জিএম কাদের বলেন, ‘ইভিএমে ভোট করা সরকারের সিদ্ধান্ত। আসলে সরকার ইভিএমে যেতে পারবে কি না সংশয় আছে। কারণ ইভিএমে মানুষের আস্থা নেই। ইভিএমে ভোট চুরির শঙ্কা আছে। ইভিএমে ফল যাই হোক সেটা জনগণ মানতে বাধ্য হবে, এতে সঠিক নির্বাচন হবে না।’

কারচুপির সুযোগ থাকায় ইভিএমে জনগণের আস্থাহীনতা বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি বলেন, ভোটে ইভিএমের পেছনে যারা থাকেন, তারা সরকারের অধীনেই কাজ করবেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে লালমনিরহাট নার্সিং কলেজের নবীন বরণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এমন মন্তব্য করেন।

জিএম কাদের বলেন, ‘ইভিএমে ভোট করা সরকারের সিদ্ধান্ত। আসলে সরকার ইভিএমে যেতে পারবে কি না সংশয় আছে। কারণ ইভিএমে মানুষের আস্থা নেই। ইভিএমে ভোট চুরির শঙ্কা আছে। ইভিএমে ফল যাই হোক সেটা জনগণ মানতে বাধ্য হবে, এতে সঠিক নির্বাচন হবে না।

‘ইভিএম বিষয়ে কয়কজন বিশেষজ্ঞ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। তারা প্রেস কনফারেন্স করে জানিয়েছেন, মেশিনে সমস্যা আছে। আমরা ইভিএমে ভোট না করার সিদ্ধান্তে বলেছি, ইভিএমে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে না।’

স্বাস্থ্য বিভাগ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতিতে স্বাস্থ্য বিভাগ সবচেয়ে এগিয়ে। দেশের হাসপাতালগুলো অব্যবস্থাপনায় ভরে গেছে। কোথাও ডাক্তার আছে তো এনেস্থেশিয়া নেই, আবার কোথাও এনেস্থেশিয়া আছে তো ডাক্তার নেই। এসব বিষয়ে বার বার স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বলেছি, কোনো কাজ হয়নি।’

একক নির্বাচন করার বিষয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘এ সরকারের অধীনে নির্বাচন করব কি না তা পরে জানাবো, এখনও সেই সময় আসেনি। দল ও জনগণের সঙ্গে কথা বলার পর সিদ্ধান্ত জানাবো।’

জিএম কাদের লালমনিরহাট থেকে নাকি অন্য কোথাও থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন তাও দলের ফোরামে আলোচনা করে জানাবেন।

আরও পড়ুন:
দেশে রাজনীতির পরিবেশ নেই: জি এম কাদের
রাজনীতিতে বিশাল সংকট দেখছে জাপা
রওশন এরশাদকে দেখে দেশে ফিরলেন জি এম কাদের
সীতাকুণ্ডের আগুনে মালিক দায় এড়াতে পারেন না: জি এম কাদের
স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে সিঙ্গাপুরে জি এম কাদের

মন্তব্য

p
উপরে