× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Sanjanas suicide Father on remand
hear-news
player
google_news print-icon

সানজানার মৃত্যু: রিমান্ডে বাবা

সানজানার-মৃত্যু-রিমান্ডে-বাবা
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী সানজানা মোসাদ্দিকা (বাঁয়ে) এবং তার বাবা শাহীন ইসলাম। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
দক্ষিণখান মোল্লারটেক এলাকার একটি ১২ তলা ভবনের ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে সানজানা আত্মহত্যা করেন বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করে পুলিশ। তাতে লেখা ছিল, ‘আমার মৃত্যুর জন্য আমার বাবা দায়ী।’

রাজধানীর দক্ষিণখানে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সানজানা মোসাদ্দিকার মৃত্যুর ঘটনায় করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় তার বাবা শাহীন আলমের এক দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত।

শাহীন আলমকে বৃহস্পতিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির সাত দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। শুনানি শেষে মহানগর হাকিম শুভ্রা চক্রবর্তী তাকে এক দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।

সানজানার বাবাকে বুধবার ময়মনসিংহের গফরগাঁও থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

সানজানার মায়ের করা মামলায় বলা হয়েছে দক্ষিণখান মোল্লারটেক এলাকার একটি ১২তলা ভবনের ছাদ থেকে গত শনিবার দুপুরে লাফিয়ে পড়ে সানজানা আহত হন। তাকে উদ্ধার করে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) নিয়ে যান পরিবারের সদস্যরা। এ সময় চিকিৎসকরা সানজানাকে মৃত বলে জানান।

ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। এতে লেখা ছিল, ‘আমার মৃত্যুর জন্য আমার বাবা দায়ী। একটা ঘরে পশুর সঙ্গে থাকা যায়, কিন্তু অমানুষের সঙ্গে না। একজন অত্যাচারী রেপিস্ট, যে কাজের মেয়েকেও ছাড়েননি। আমি তার করুণ ভাগ্যের সূচনা।’

এ ঘটনায় রাতেই সানজানার মা তার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

সানজানার বাবা শাহীন পাঁচ বছর আগে গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে প্রথম স্ত্রী ও সন্তানের সঙ্গে শাহীনের টানাপড়েন শুরু হয়। সানজানার মা দুই মাস আগে স্বামীকে ডিভোর্স দেন। এরপর সানজানার বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার ফিসহ আনুষঙ্গিক খরচ দেয়া বন্ধ করে দেন শাহীন।

আরও পড়ুন:
ব্র্যাক ছাত্রী সানজানার বাবা গ্রেপ্তার
সানজানাকে খুনও করতে চেয়েছিলেন বাবা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Evacuation of 30 illegal sidewalk shops

ফুটপাতের ৩০ অবৈধ দোকান উচ্ছেদ

ফুটপাতের ৩০ অবৈধ দোকান উচ্ছেদ ঢাকার মৌলভীবাজারে বৃহস্পতিবার ফুটপাতের অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। ছবি: নিউজবাংলা
অভিযানে ফুটপাত দখল করে গড়ে তোলা ৩০টি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। ফুটপাতে মালামাল রেখে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করায় ১১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এসময় আদায় করা হয় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

রাজধানীর মৌলভীবাজারে ফুটপাত দখল করে গড়ে তোলা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

বৃহস্পতিবার সকালে করপোরেশনের সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মাদ মুনিরুজ্জামানে নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে ফুটপাত দখল করে গড়ে তোলা ৩০টি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে।ফুটপাতে মালামাল রেখে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করায় ১১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এসময় আদায় করা হয় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, হাট-বাজারে পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে মেয়রের নির্দেশে এই অভিযান চালানো হয়েছে।

জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

অভিযানে অন্যদের মধ্যে ৩১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ মোহাম্মদ আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সাবেক এমপি র‌নির অবৈধ বাসভবন উচ্ছেদ
অতি ঝুঁকিপূর্ণ ১২০টি ঘর উচ্ছেদ শুরু
মতলবে বেড়িবাঁধ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান
ইউএনও-এসিল্যান্ডের নামে আদালতে মামলা
বহুতল মার্কেট করতে গুলিস্তান হকার্সে উচ্ছেদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Poor people dont even have money to pay lawyers Justice Jahangir

আইনজীবীদের দেয়ার অর্থও গরিবের নেই: বিচারপতি জাহাঙ্গীর

আইনজীবীদের দেয়ার অর্থও গরিবের নেই: বিচারপতি জাহাঙ্গীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সেমিনারে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম। ছবি: নিউজবাংলা
বিচারপতি জাহাঙ্গীর বলেন, ‘ধনীদের অর্থ আছে। তারা ভালো আইনজীবী রাখতে পারে। ভালো অর্থ আইনজীবীর পেছনে খরচ করতে পারে। আর গরিবের অর্থ নেই। ফলে আইন তাদের পক্ষে অনেক সময় থাকে না। কারণ তারা ভালো আইনজীবী রাখতে পারে না।’

আইনজীবীদের দেয়ার অর্থ গরিবের নেই। ফলে আইন ধনীদের জন্য বেশি এগিয়ে চলে বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও হাইকোর্টের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম।

তিনি বলেন, ‘ধনীদের অর্থ আছে। তারা ভালো আইনজীবী রাখতে পারে। ভালো অর্থ আইনজীবীর পেছনে খরচ করতে পারে। আর গরিবের অর্থ নেই। ফলে আইন তাদের পক্ষে অনেক সময় থাকে না। কারণ তারা ভালো আইনজীবী রাখতে পারে না।’

জাতীয় প্রেস ক্লাবে বৃহস্পতিবার সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম এ কথা বলেন। সেমিনারটি আয়োজক লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল জেলা-৩১৫।

বিচারপতি জাহাঙ্গীর বলেন, ‘যারা অর্থ ও সম্পদশালী তারা ভালো আইন, ভালো নজির ও শুনানি উপস্থাপন করতে পারেন। এ কারণেই অসহায়, দুস্থ ও গরিব বিচারপ্রার্থীদের আইনি সেবা দেয়ার জন্য ২০০০ সালে সরকার লিগ্যাল এইড প্রতিষ্ঠা করে।’

হাইকোর্ট বিভাগের এ বিচারপতি বলেন, ‘লিগ্যাল এইড আইন প্রণয়নের পর আজ ২২ বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু দেশের মানুষের মধ্যে লিগ্যাল এইড নিয়ে ধারণা কম। গ্রামের মানুষ এখনও জানে না লিগ্যাল এইড কিভাবে কাজ করে। অনেকে মনে করে লিগ্যাল এইডের কাছে আসলেই মনে হয় রায় পাওয়া যায়। অনেকে মনে করে লিগ্যাল এইড একটি মাধ্যম, টাকা-পয়সা খরচ করতে হয়। কিন্তু লিগ্যাল এইডের দায়িত্ব রাষ্ট্র নিজেই নিয়েছে। এখানে কোনো বিচারপ্রার্থীর একটি পয়সাও খরচ করার সুযোগ নেই। এজন্য লিগ্যাল এইডের ধারণা দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। গণমাধ্যম প্রতিনিয়তই সেই ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।’

আইন সবার জন্য সমান কি না প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে বলা আছে আইনের চোখে সবাই সমান। সবাই আইনের আশ্রয় লাভের অধিকারী। কিন্তু আমার মনে পীড়া দেয় আদৌ কি আমরা ইক্যুয়াল প্রটেকশন পাচ্ছি, এটা আপনারা ভেবে দেখবেন। অসহায়, দুস্থ বিচারপ্রার্থীদের কি ঠিকমত লিগ্যাল সাপোর্ট দিতে পারছি? আমার মত হচ্ছে পারছি না।’

এজন্য সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে কাজ করার পরামর্শ দেন এই বিচারপতি।

তিনি বলেন, ‘আগে নিজেকে চিনুন। যদি নিজেকে না চেনেন তাহলে সফলভাবে দায়িত্ব পালন দুরূহ। কারণ নিজেকে চিনতে পারলে সমাজ ও দেশের জন্য সঠিকভাবে কাজ করতে পারবেন।’

নিজ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়েই আমি কেন্দ্রীয় কারাগার পরিদর্শন করেছি। সেখানে গিয়ে বন্দিদের বক্তব্য শুনেছি। যাদের লিগ্যাল এইড দেয়া দরকার তাদের নিয়ে কাজ করছি। এ ছাড়া কিশোর সংশোধনাগারে গিয়েছি। অপরাধে জড়িয়ে শিশুরা সেখানে বন্দি। এ বয়সে যাদের বাবা-মায়ের কাছে থাকার কথা ছিল কিন্তু সমাজ সচেতন না হওয়ার কারণে শিশুদের এই দুরাবস্থা।

‘শিশুর তো কোনো দোষ নেই। আমরাই বাবা-মা সন্তানদের অসুস্থ প্রতিযোগিতার মধ্যে ঠেলে দিচ্ছি। বাচ্চা যেটা পারবে না সেটা তার ওপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছি। এজন্য বাবা-মা দায়ী।’

সেমিনারে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন তেজগাঁও কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল অধ্যাপক আঞ্জুমান আরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাইকোর্ট বিভাগের আরেক বিচারপতি মো. বশির উল্লাহ।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিশেষ অতিথি লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মো. আব্দুল ওয়াহহাব, লায়ন জালাল আহমেদ, লায়ন মোহাম্মদ হানিফ, লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা জজ ফারাহ মামুন,অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান, অ্যাডভোকেট হোসনে আরা বাবলী, অ্যাডভোকেট মুনমুন নাহার, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ফারজানা শম্পা, তামান্না ফেরদৌস প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
লিগ্যাল এইডের নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sanjanas death Investigation report postponed to November 16

সানজানার মৃত্যু: তদন্ত প্রতিবেদন পিছিয়ে ১৬ নভেম্বর

সানজানার মৃত্যু: তদন্ত প্রতিবেদন পিছিয়ে ১৬ নভেম্বর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সানজানা। ছবি: সংগৃহীত
সানজানা মোসাদ্দিকার আত্মহত্যার ঘটনায় মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য দিন ঠিক ছিল বৃহস্পতিবার। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দক্ষিণখান থানার উপ-পরিদর্শক রেজিয়া খাতুন প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি

রাজধানীর দক্ষিণখানে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সানজানা মোসাদ্দিকার আত্মহত্যার ঘটনায় তার বাবা শাহীন আলমের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পিছিয়েছে।

মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য দিন ঠিক ছিল বৃহস্পতিবার। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দক্ষিণখান থানার উপ-পরিদর্শক রেজিয়া খাতুন প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। এজন্য ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ নুরুল হুদা চৌধুরীর আদালত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নতুন তারিখ আগামী ১৬ নভেম্বর ঠিক করেন।

গত ২৭ আগস্ট দক্ষিণখান মোল্লারটেক এলাকার একটি ১২ তলা ভবনের ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে সানজানা আহত হন। তাকে উদ্ধার করে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) নিয়ে যান পরিবারের সদস্যরা। এ সময় চিকিৎসকরা সানজানাকে মৃত বলে জানান।

ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করে পুলিশ। এতে লেখা ছিল, ‘আমার মৃত্যুর জন্য আমার বাবা দায়ী। একটা ঘরে পশুর সঙ্গে থাকা যায়, কিন্তু অমানুষের সঙ্গে না। একজন অত্যাচারী রেপিস্ট, যে কাজের মেয়েকেও ছাড়েননি। আমি তার করুণ ভাগ্যের সূচনা।’

এ ঘটনায় রাতেই সানজানার মা তার স্বামী শাহীন আলমের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
সানজানার মৃত্যু: রিমান্ডে বাবা
ব্র্যাক ছাত্রী সানজানার বাবা গ্রেপ্তার
সানজানাকে খুনও করতে চেয়েছিলেন বাবা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
New militant organization launched in 2017 RAB

নতুন জঙ্গি সংগঠনের শুরু ২০১৭ সালে: র‍্যাব

নতুন জঙ্গি সংগঠনের শুরু ২০১৭ সালে: র‍্যাব নতুন জঙ্গি সংগঠনের বিষয়টি জানান র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন। ফাইল ছবি
র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বৃহস্পতিবার ব্রিফিংয়ে জানান, গ্রেপ্তার হোসাইন আহম্মদ পটুয়াখালীর মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নিষিদ্ধঘোষিত বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন থেকে কিছু সদস্য একত্রিত হয়ে ২০১৭ সালে নব্য জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৯ সালে সংগঠনটি ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’ নাম ধারণ করে।

দেশে নিষিদ্ধঘোষিত বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের নেতা ও সদস্যদের নিয়ে ২০১৭ সালে আরেকটি জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম শুরু হয় বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

বাহিনীর ভাষ্য, ২০১৯ সালে এ সংগঠনের নাম দেয়া হয় ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’ বা পূর্বাঞ্চলীয় হিন্দের জামাতুল আনসার।

র‌্যাব জানায়, কুমিল্লা থেকে নিখোঁজ তরুণদের উদ্ধার করতে গিয়ে এই সংগঠনের তথ্য পাওয়া যায়।

বাড়ি ছেড়ে যাওয়া চারজনসহ সাতজনকে বুধবার মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। অন্য জঙ্গি সংগঠনের মতো তারাও ‘কাট আউট’ পদ্ধতিতে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করে যাচ্ছিলেন।

তারা হলেন পটুয়াখালীর হোসাইন আহম্মদ, নেছার উদ্দিন ওরফে উমায়ের, বনি আমিন। বাকিরা হলেন ঘর ছেড়ে যাওয়া কুমিল্লার তরুণ ইমতিয়াজ আহমেদ রিফাত, মো. হাসিবুল ইসলাম, গোপালগঞ্জের রোমান শিকদার ও পটুয়াখালীর মো. সাবিত।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বৃহস্পতিবার ব্রিফিংয়ে জানান, গ্রেপ্তার হোসাইন আহম্মদ পটুয়াখালীর মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নিষিদ্ধঘোষিত বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন থেকে কিছু সদস্য একত্রিত হয়ে ২০১৭ সালে নব্য জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৯ সালে সংগঠনটি ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’ নাম ধারণ করে।

তিনি জানান, বাংলাদেশের নিষিদ্ধ সংগঠন, বিশেষত জেএমবি, আনসার আল ইসলাম ও হুজির বিভিন্ন পর্যায়ের কিছু নেতা-কর্মীরা একত্রিত হয়ে নতুন জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম শুরু করে। হোসাইন সংগঠনের জন্য সদস্য সংগ্রহ ও তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন। এ ছাড়া তিনি সদস্যদের বিভিন্ন তাত্ত্বিক জ্ঞান ও প্রশিক্ষণ দেয়ার মাধ্যমে সশস্ত্র হামলার বিষয়ে প্রস্তুত করে তুলতেন। তিনি ২০১৪-১৫ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসায় অধ্যয়নকালে সিরাজ নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে উগ্রবাদে অনুপ্রাণিত হন। তিনি ১৫ থেকে ২০ জন সদস্য সংগ্রহ ও তাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন।

র‌্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার নেছার উদ্দিন ওরফে উমায়ের ভোলায় একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ২০১৯ সালের আগে উগ্রবাদী কার্যক্রমে যুক্ত হন। তিনি হিজরতকৃত সদস্যদের প্রশিক্ষক ও তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্বে ছিলেন। এ ছাড়া তিনি সদস্যদের বিভিন্ন তাত্ত্বিক জ্ঞান ও প্রশিক্ষণ দেয়ার মাধ্যমে সশস্ত্র হামলার বিষয়ে প্রস্তুত করে তুলতেন। তিনি ৯ থেকে ১০ সদস্যের তত্ত্বাবধান ও প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

র‌্যাবের কর্মকর্তা আল মঈন জানান, গ্রেপ্তার বনি আমিন উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে পটুয়াখালী এলাকায় কম্পিউটার সেলস ও সার্ভিসের ব্যবসা করতেন। তিনি সদস্যদের আশ্রয় দেয়া ও তত্ত্বাবধানে নিয়োজিত ছিলেন। ২০২০ সালে হোসাইনের মাধ্যমে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়েন তিনি। ২২ থেকে ২৫ জন সদস্যকে আশ্রয় দেয়ার পাশাপাশি তাদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন বনি।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার রিফাত কুমিল্লায় অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত ছিলেন। গ্রেপ্তার হাসিব উচ্চ মাধ্যমিকে অধ্যয়নরত এবং একটি অনলাইন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তারা হাবিবুল্লাহর মাধ্যমে জঙ্গিবাদে দীক্ষিত হতে গত ২৩ আগস্ট বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হন।

র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, গ্রেপ্তার রোমান পুরপ্রকৌশল বিষয়ে ডিপ্লোমা করে গোপালগঞ্জে ইলেকট্রিক্যাল ও স্যানিটারিবিষয়ক কাজ করতেন। তিনি অনলাইনে বিভিন্ন ভিডিও দেখে উগ্রবাদে উদ্বুদ্ধ হন এবং স্থানীয় এক ব্যক্তির মাধ্যমে সংগঠনটি সম্পর্কে ধারণা পায়। পরবর্তী সময়ে তিনি প্রায় এক মাস আগে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়।

গ্র্রেপ্তার সাবিত উত্তরা এলাকায় প্রায় এক মাস আগে একটি ছাপাখানায় স্টোর কিপারের কাজ করতেন। তিনি তার এক আত্মীয় ও অনলাইনে ভিডিও দেখার মাধ্যমে উগ্রবাদে অনুপ্রাণিত হন। তিনি জুন মাসে নিখোঁজ হন।

নতুন এই সংগঠনের আমির কে এবং সদস্য সংখ্যা কত, সাংবাদিকরা তা জানতে চাইলে র‌্যাবের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সংগঠনটির আঞ্চলিক নেতা পর্যন্ত আটক করতে সক্ষম হয়েছি। আমরা তার কাছ থেকে শুধু সংগঠনটির নাম জানতে পেরেছি। সঙ্গে এটাও জানা গেছে, নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠনগুলো যেমন হুজি, জেএমবি, আনসার আল ইসলাম এসব সংগঠন থেকে লোকজন চলে এসে এই নতুন সংগঠনটি গড়ে তুলেছে। ২০১৭ সালে তারা একসঙ্গে কার্যক্রম শুরু করে এবং ২০১৯ সালে সংগঠনের নামকরণ করে।

‘এখন পর্যন্ত সংগঠনটির আপার টিয়ার অর্থাৎ তাদের শুরা সদস্য কতজন বা তাদের আমির কে এ বিষয়ে জানতে আমাদের তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদ চলমান আছে।’

তাদের কোনো হামলার নির্দেশনা ছিল কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তাদের স্টেপ বাই স্টেপ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। তারা একটি স্টেপ যখন উত্তীর্ণ হয়েছে, এরপর তাদের অন্য স্টেপে পাঠানো হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাদের ভেতরে ধর্মকে ব্যবহার করে ক্রোধ সৃষ্টি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত আমরা যাদের আটক করেছি, তাদের প্রশিক্ষণের পর সশস্ত্র সংগ্রামে যেতে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছিল।

‘তাদের ভোলা ও পটুয়াখালীর চরাঞ্চলে প্রশিক্ষণ দেয়া হলেও পরবর্তী সময়ে আরও কঠিন প্রশিক্ষণ দেয়া হবে এমনটা বলা হয়েছিল, তবে তাদের কোথায় কীভাবে সংগ্রাম করতে হবে এমন কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া লিফলেটগুলো দেখলে বোঝা যায়, তাদের মধ্যে ক্রোধ সৃষ্টি করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য ও বিচারব্যবস্থার বিরুদ্ধে। তাই এই দুই বিভাগ তাদের টার্গেট হতে পারে।’

চরাঞ্চলে কী ধরনের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে জানতে চাইলে খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘তাদের প্রথমে জিহাদি বইয়ের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে এবং সংগঠনের নিয়ম-কানুন শেখানো হয়েছে। এরপর ফিজ্যিক্যাল কিছু কসরত শেখানোর মাধ্যমে কীভাবে ফিট থাকতে হয় তা শেখানো হয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে বিভিন্ন বেশে আত্মগোপনে থাকার কায়দাকানুন শেখানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ফেরিতে উঠতে গিয়ে নদীতে পড়ে নিখোঁজ রাজস্ব কর্মকর্তা
‘নিখোঁজ’ সেই পুলিশ সদস্য এখন নেদারল্যান্ডসে হোটেল বয়
‘আমার পাপাকে ফিরিয়ে দিন’
আমার মেয়েকে জীবিত ফেরত চাই: সুকন্যার মা
নদীতে নিখোঁজ দুই শিশুর একজনের মরদেহ উদ্ধার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Accuseds review application in Professor Tahers murder case

অধ্যাপক তাহের হত্যা মামলায় আসামিদের রিভিউ আবেদন

অধ্যাপক তাহের হত্যা মামলায় আসামিদের রিভিউ আবেদন সুপ্রিম কোর্ট ভবনের একাংশ। ফাইল ছবি
রিভিউ আবেদনের শুনানির জন্য ১৭ নভেম্বর দিন ঠিক করে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়েছেন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি বোরহান উদ্দিন। এ আবেদনের ফলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত হয়ে গেল রিভিউ নিষ্পত্তি পর্যন্ত।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস তাহের হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের রায়কে পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে আবেদন করেছে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ও যাবজ্জীবনদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা।

তাদের এ আবেদনের ফলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত হয়ে গেল রিভিউ নিষ্পত্তি পর্যন্ত।

রিভিউ আবেদনের শুনানির জন্য ১৭ নভেম্বর দিন ঠিক করে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়েছেন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি বোরহান উদ্দিন। গত মঙ্গলবার তিনি এ আদেশ দেন।

বিষয়টি বৃহস্পতিবার নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন অধ্যাপক তাহেরের মেয়ে আইনজীবী সাগুফতা তাবাসসুম আহমেদ।

আদালতে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত সহযোগী অধ্যাপক মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম শাহজাহান।

মামলা থেকে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ার্টারের ম্যানহোল থেকে উদ্ধার করা হয় অধ্যাপক তাহেরের মরদেহ। ওই বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি অধ্যাপক তাহেরের ছেলে সানজিদ আলভি আহমেদ রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা করেন। পদোন্নতি সংক্রান্ত বিষয়ের জের ধরে হত্যার শিকার।

এ মামলায় ২০০৭ সালের ১৭ মার্চ ছয়জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।

এই হত্যা মামলার বিচার শেষে ২০০৮ সালের ২২ মে রাজশাহীর দ্রুত বিচার আদালত চারজনকে ফাঁসির আদেশ ও দুইজনকে খালাস দেয়।

বিচারিক আদালতে দণ্ডিতরা হলেন- একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, অধ্যাপক তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার মো. জাহাঙ্গীর আলম, জাহাঙ্গীরের ভাই নাজমুল আলম ও নাজমুল আলমের সম্বন্ধী আব্দুস সালাম।

খালাসপ্রাপ্ত চার্জশিটভুক্ত দুই আসামি হলেন- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সভাপতি মাহবুবুল আলম সালেহী ও আজিমুদ্দিন মুন্সী।

২০০৮ সালে বিচারিক আদালতের রায়ের পর নিয়ম অনুযায়ী ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিতকরণ) হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি আসামিরা আপিল করেন।

হাইকোর্টে শুনানি শেষে ২০১৩ সালের ২১ এপ্রিল অধ্যাপক তাহের হত্যা মামলায় দুই আসামির ফাঁসির দণ্ডাদেশ বহাল এবং অন্য দুই আসামির দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেয় হাইকোর্ট।

ফাঁসির দণ্ড হাইকোর্টে বহাল থাকা দুই আসামি হলেন- একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর।

ফাঁসির দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ পাওয়া দুই আসামি হলেন- নাজমুল আলম ও আব্দুস সালাম।

এরপর আসামিরা আপিল বিভাগে আপিল করেন। পাশাপাশি যাবজ্জীবন দণ্ডিত দুই আসামির দণ্ড বৃদ্ধি চেয়ে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

শুনানি শেষে গত ৫ এপ্রিল আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে।

১৫ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। ওই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন আসামিরা।

আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়, আসামিদের স্বীকারোক্তিগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, হত্যার এই ষড়যন্ত্রে মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিনই মুখ্য এবং সক্রিয় ভূমিকা পালন করছিলেন। আমাদের এটা বলতে দ্বিধা নেই, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন শুধু প্রফেসর হিসেবে পদোন্নতি পেতেই ড. তাহেরকে এই পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেন। তার ধারণা ছিল, ড. তাহের বেঁচে থাকলে অধ্যাপক হিসেবে তার পদোন্নতি পাওয়া সম্ভব নয়। আমাদের এও বলতে দ্বিধা নেই যে, আপিলকারী জাহাঙ্গীর আলম এবং আবেদনকারী আব্দুস সালাম ও নাজমুল আর্থিক সুবিধাসহ অন্যান্য সুবিধা পাওয়ার জন্য অধ্যাপক তাহেরকে হত্যার জন্য মহিউদ্দিনের প্রস্তাব গ্রহণ করেছিলেন।

আরও পড়ুন:
পদোন্নতি না হওয়ার শঙ্কায় অধ্যাপক তাহেরকে খুন
রায়ে সন্তুষ্ট, কার্যকরের অপেক্ষায় অধ্যাপক তাহেরের স্ত্রী
রাবি অধ্যাপক তাহের হত্যা: ২ জনের ফাঁসির আদেশ আপিলে বহাল
রাবির অধ্যাপক তাহের হত্যা: আপিলের রায় ৫ এপ্রিল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Al Amin informed his wife about divorce in the court

আদালতে স্ত্রীকে তালাকের কথা জানালেন আল আমিন

আদালতে স্ত্রীকে তালাকের কথা জানালেন আল আমিন ক্রিকেটার আল আমিন হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
আল আমিন আদালতকে জানিয়েছেন, তিনি গত ২৫ আগস্ট স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন। মোহরানা ও খোরপোষ দিতে রাজি আছেন ক্রিকেটার। আর দুই সন্তানের খরচ তিনি নিয়মিত দিচ্ছেন।

স্ত্রী ইসরাত জাহানকে তালাক দেয়ার কথা আদালতকে জানিয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের পেইসার আল আমিন হোসেন। যদিও ক্রিকেটারের স্ত্রী বলছেন, তালাকের বিষয়ে কোনো নথিপত্র আসেনি তার কাছে।

অন্যদিকে আল আমিন বলছেন, এখনও বিয়েবিচ্ছেদ হয়নি তাদের।

ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে বৃহস্পতিবার হাজির হন আল আমিন। পরে মামলার বিষয়ে সাত পাতার লিখিত জবাব দেন তিনি।

এ বিষয়ে শুনানি ৫ দিন পর হবে বলে জানান বাদীর আইনজীবী শামসুজ্জামান।

জবাবে আল আমিন উল্লেখ করেন, তিনি গত ২৫ আগস্ট স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন। মোহরানা ও খোরপোশ দিতে রাজি আছেন ক্রিকেটার। আর দুই সন্তানের খরচ তিনি নিয়মিত দিচ্ছেন।

এ বিষয়ে আল আমিনের স্ত্রী ইসরাত জাহান বলেন, ‘আমি তালাকের বিষয়ে কিছুই পাইনি। আমি ন্যায়বিচার পাচ্ছি না। আমি ন্যায়বিচার চাই।’

তালাক নিয়ে জানতে চাইলে আল আমিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এখনও কিছু হয়নি ভাই। আমার উকিল এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে আপনাদের জানিয়ে দেবে। নিউজ তো কত কিছুই হয়। যে যেভাবে পারছে মজা নিচ্ছে।

‘আসলে কী হয়েছে বা হচ্ছে, সেটা জানার আগেই নিউজ করে দিচ্ছে। এখনও কিছুই হয়নি। হলে আমি জানিয়ে দেব।’

গত ২৭ সেপ্টেম্বর স্ত্রী ইসরাত জাহানের করা মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পান আল আমিন।

এর আগে ৭ সেপ্টেম্বর আল আমিন হোসেনের নামে পারিবারিক সহিংসতা আইনে মামলা করেন তার স্ত্রী ইসরাত জাহান।

তিনি একসঙ্গে বসবাসের অধিকার, মাসিক ভরণপোষণ ও সন্তানদের খরচ দাবি করেন।

মামলায় ইসরাত তার দুই সন্তানসহ বাসায় শান্তিপূর্ণভাবে থাকার অধিকার এবং মাসিক ভরণপোষণ দাবি করেছেন। জীবনধারণের জন্য ৪০ হাজার, দুই সন্তানের ভরণপোষণ ও ইংলিশ মিডিয়ামে লেখাপড়া বাবদ মাসে ৬০ হাজার টাকা আল-আমিনের কাছে পাওয়ার হকদার বলে দাবি করেন তিনি।

মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর ইসরাত জাহান ও আল আমিনের বিয়ে হয়। তাদের দুটি ছেলে রয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরে আল আমিন স্ত্রী ও সন্তানদের খোঁজখবর নেন না এবং ভরণপোষণও দেন না।

এতে আরও বলা হয়, গত ২৫ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে আল আমিন বাসায় এসে স্ত্রীর কাছে যৌতুকের জন্য ২০ লাখ টাকা দাবি করেন। ইসরাত টাকা দিতে অস্বীকার করলে আল আমিন তাকে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেন; সংসার করবেন না বলেও জানান। ইসরাত তখন ৯৯৯ নম্বরে কল করে সাহায্য চাইলে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন ইসরাত জাহান। এ ঘটনায় ১ সেপ্টেম্বর মিরপুর মডেল থানায় মামলাও হয়।

মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, সর্বশেষ গত ৩ সেপ্টেম্বর আল আমিন তার মায়ের মাধ্যমে জানান, ইসরাতের সঙ্গে সংসার করবেন না; সন্তানদের ভরণপোষণও দেবেন না। প্রয়োজনে বাসা থেকে বের করে দিয়ে স্ত্রীকে তালাক দেবেন।

বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের কারণে আল আমিন এমনটি করেছেন বলে মামলার বিবরণে দাবি করেন ইসরাত জাহান।

আরও পড়ুন:
প্রমাণসহ কথা বলব: আল আমিন
ক্রিকেটার আল আমিনের ৮ সপ্তাহের জামিন
ক্রিকেটার আল আমিনের বিরুদ্ধে স্ত্রীর নির্যাতন মামলা
ক্রিকেটার আল আমিনের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ
আগুনেই শেষ হওয়া আল আমিনের লাশ নিয়েও ‘টানাটানি’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Kidnapping of 2 teenagers 5 youths in jail

২ কিশোরকে অপহরণ: কারাগারে ৫ যুবক

২ কিশোরকে অপহরণ: কারাগারে ৫ যুবক
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর সরদারপাড়া মোড় এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক ও অপহৃত দুই কিশোরকে উদ্ধার করা হয়। অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে আটকদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বিকেলে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নওগাঁর সাপাহারে দুই কিশোরকে অপহরণের ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। পরে ভুক্তভোগী এক কিশোরের বাবার করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নওগাঁর আমলি আদালত ৬-এর মাধ্যমে বৃহস্পতিবার বিকেলে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে দুপুর ১২টার দিকে পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর সরদারপাড়া মোড় এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়। এ সময় অপহৃত দুই কিশোরকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সাপাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) হাবিবুর রহমান নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অপহৃতরা হলো উপজেলার বৈকণ্ঠপুর গ্রামের রমজান আলীর ছেলে ১৫ বছরের মারুফ হোসেন ও তার বন্ধু কলমুডাঙ্গা গ্রামের জাইবুর রহমানের ছেলে ১৬ বছরের মেহেদী হাসান।

আসামিরা হলেন পত্নীতলার হরিরামপুর কলেজ পাড়ার মামুনুর রশিদ মামুন, নজিপুর পলিপাড়ার এলাকার আব্দুস সোবাহান খোকন, নজিপুর মাদ্রাসা পাড়ার মাহমুদ হাসান সোহাগ, নওগাঁ সদর উপজেলার বক্তারপুরের নাহিদ হোসেন এবং দিঘা গ্রামের মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম।

ওসি বলেন, ‘বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ওয়ালটন মোড় সংলগ্ন আদি ইসলামিয়া হোটেলের সামনে থেকে কিশোর মারুফ ও জাইবুরকে চোখ বেঁধে মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে যান পাঁচজন লোক। পরে মারুফের বাবা রমজান আলীকে ফোন দিয়ে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়। এরপর মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দুইবারে ১০ টাকা পাঠান রমজান। পরে থানায় অভিযোগ দেন তিনি।’

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর সরদারপাড়া মোড় এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক ও অপহৃত দুই কিশোরকে উদ্ধার করা হয়। অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে আটকদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বিকেলে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
পুলিশ কর্মকর্তার প্রাণ নেয়া বাসের চালক কারাগারে
খালাস পেয়েও কনডেম সেলে ৭ বছর, নজরে এলো হাইকোর্টের
বন্দির মৃত্যু হাসপাতালে
কিশোরী ধর্ষণ মামলায় কারাগারে যুবক
গায়ে আগুন দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা, ৫ জন কারাগারে 

মন্তব্য

p
উপরে