× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
1 killed in police BNP clash in Narayanganj
hear-news
player
google_news print-icon

নারায়ণগঞ্জে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে নিহত ১

নারায়ণগঞ্জে-পুলিশ-বিএনপি-সংঘর্ষে-নিহত-১
বিএনপি নেতা-কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের অ্যাকশন। ছবি: নিউজবাংলা
মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, ‘আমার কোলে মারা গেছে শাওন। ওর বুকে গুলি করেছে পুলিশ। আমরা একটি শান্তিপূর্ণ র‍্যালি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ দেয়নি। তারা কার ইন্ধনে আজকে আমাদের উপর আক্রমণ করল?’

নারায়ণগঞ্জ শহরে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) এস কে ফরহাদ নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত শাওন যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছেন দলটির নেতারা। তাদের দাবি, এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধসহ তাদের অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বিএনপির ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পূর্বঘোষিত সমাবেশে যোগ দিতে সকাল থেকে বঙ্গবন্ধু সড়কের ২ নম্বর রেলগেট এলাকার চুনকা পাঠাগারের সামনে জড়ো হতে থাকেন মহানগর বিএনপিসহ এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মিছিল বের করতে গেলে বাধার মুখে পড়েন তারা।

কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পুলিশ তাদের লাঠিচার্জ করলে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন নেতা-কর্মীরা। এ সময় পুলিশবক্স ভাঙচুর করা হয়।

পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল ছুড়ে। এতে যুবদলকর্মী শাওন বিদ্ধ হন। হাসপাতালে নেয়ার আগেই তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) এস কে ফরহাদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শাওনকে হাসপাতালের আনার আগেই মারা গেছে। তার মরহেদ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।’

নিহত ২১ বছরের শাওন ফতুল্লার এনায়েতনগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত সাহেব আলীর ছেলে। ওই এলাকার যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি।

নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মশিউর রহমান রনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শাওন সকালে এনায়েত নগর এলাকা থেকে কর্মসূচিতে যায় মিছিল নিয়ে। সেখানে কর্মসূচিতে পুলিশ আক্রমণ চালিয়েছে। শাওন গুলিবৃদ্ধ হয়ে মারা গেছে।’

মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, ‘আমার কোলে মারা গেছে শাওন। ওর বুকে গুলি করেছে পুলিশ। আমরা একটি শান্তিপূর্ণ র‍্যালি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ দেয়নি। তারা কার ইন্ধনে আজকে আমাদের উপর আক্রমণ করল?’

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সড়কে নেমে বিশৃঙ্খলা করতে চাইলে প্রথমে তাদের বাধা দেয়। কিন্তু তারা বাধা উপেক্ষা করে পুলিশের ওপর ইটপাকেল নিক্ষেপ করে। সড়কে আগুন জ্বালিয়ে দেয়।

‘এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে। বিএনপির লোকজনের ইটপাকেলে অন্তত ২৫ জন পুলিশ আহত হয়েছেন। দুপুর ১টা থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।’

আরও পড়ুন:
হাসপাতাল থেকে তিন দিন পর বাসায় খালেদা জিয়া
আ.লীগ-বিএনপির সংঘর্ষে ওসিসহ আহত ১৭
উত্তাল জনস্রোত দেখে মাথা খারাপ হয়ে গেছে: রিজভী
রাস্তা আটকে যুবদলের জমায়েত, পুলিশের বাধায় সংঘর্ষ
আ.লীগ-বিএনপির সভাস্থলে ১৪৪ ধারা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
No invitation to tea nothing to do if you dont vote

চায়ের আমন্ত্রণ আর নেই, ‘ভোটে না এলে কিছু করারও নেই’

চায়ের আমন্ত্রণ আর নেই, ‘ভোটে না এলে কিছু করারও নেই’ সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: বাসস
প্রধানমন্ত্রী মাঝে বলেছিলেন, বিরোধী দল চাইলে গণভবনে চায়ের আমন্ত্রণে আসতে পারে। সেই প্রসঙ্গটি তুলে ধরে একজন গণমাধ্যমকর্মী জানতে চান, নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরোধী দলগুলোকে এবার ‘চায়ের আমন্ত্রণ’ দেয়া হবে কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘করোনার কারণে একটু চিন্তা করতেই হবে। অনেকে আসবেও না, আসতেও পারবে না। এটা একটা সমস্যা।’

চলমান করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরোধীদলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসার সুযোগ নেই বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এমনকি কয়েক মাস আগে বিরোধীদেরকে গণভবনে যে চায়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন, সেটিও আর নেই বলে ইঙ্গিত দিলেন তিনি।

নির্বাচনে অংশ নেয়া, না নেয়া প্রতিটি রাজনৈতিক দলের নিজস্ব সিদ্ধান্ত জানিয়ে তিনি বলেছেন, সেখানে কিছু চাপিয়ে দেয়া যায় না, কিছু করারও থাকে না। আর ‘খুঁটির জোর’ ও জনসমর্থন না থাকায় বিএনপি বিদেশিদের কাছে ধরনা দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন সরকারপ্রধান।

গণভবনে বৃহস্পতিবার বিকেলে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বিদেশ সফর করলে বরাবর সাংবাদিকদেরকে ব্রিফ করেন। সেই ব্রিফিংয়ে সফরের বিষয়ে একটি সাধারণ বিবৃতি থাকে। এরপর থাকে প্রশ্নোত্তর পর্ব। এই পর্বে আর্থ-সামাজিক বা রাজনৈতিক সবশেষ পরিস্থিতির সম্পর্কে সরকার প্রধানের বক্তব্য উঠে আসে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

অন্যান্য অনেক প্রশ্নের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয় আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির অবস্থান নিয়ে, যারা নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের অধীনে না হলে ভোটে না আসার ঘোষণা দিয়ে রেখেছে।

১৯৯৬ থেকে তিনটি জাতীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হলেও গত দু্টি নির্বাচন হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্বে থাকাকালে।

২০০৯ উচ্চ আদালত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করলে নির্বাচিত সরকারের অধীনে ভোটের পদ্ধতি ফিরিয়ে আনে জাতীয় সংসদ।

এর প্রতিবাদে ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচন বর্জন করে আন্দোলনে যায় বিএনপি ও শরিকরা। তবে নির্বাচন ঠেকানো যায়নি। ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগেও আন্দোলনের ঘোষণা দিলেও বিএনপি ও তার জোট শেষ পর্যন্ত ভোটে আসে এবং ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে ফল করে।

সেই নির্বাচনে আগের রাতে ভোট হয়ে যাওয়ার অভিযোগ এনে বিএনপি নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে ফিরে গেছে। এর অংশ হিসেবে গত ২২ আগস্ট থেকে ধারাবাহিক নানা কর্মসূচি পালন করছে।

চায়ের আমন্ত্রণ কি আছে?

প্রধানমন্ত্রী মাঝে বলেছিলেন, বিরোধী দল চাইলে গণভবনে চায়ের আমন্ত্রণে আসতে পারে। সেই প্রসঙ্গটি তুলে ধরে একজন গণমাধ্যমকর্মী জানতে চান, নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরোধী দলগুলোকে এবার ‘চায়ের আমন্ত্রণ’ দেয়া হবে কি না।

জবাবে তিনি বলেন, ‘করোনার কারণে একটু চিন্তা করতেই হবে। অনেকে আসবেও না, আসতেও পারবে না। এটা একটা সমস্যা।’

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করলেও তার অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নাখোশ, তা বোঝা গেল তার কথায়।

তিনি বলেন, ‘গতবার যে সবার সঙ্গে বৈঠক করলাম, আলোচনা করলাম একটা নির্বাচন, নির্বাচনে এসে দেখা গেল ৩০০টিতে ৭০০ নমিনেশন দিয়ে যখন নিজেরা হেরে গেল, তখন সব দোষ কার, আমাদের।’

‘নির্বাচনে আসার সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে পারি না’

আগের কথার রেশ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দ্বিতীয় কথা হচ্ছে যে, আর নির্বাচন হলে রাজনৈতিক দলের সিদ্ধান্ত কে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে, কে করবে না। সেখানে আমরা কিছু চাপিয়ে দিতে পারি না। রাজনীতি করতে হলে দলগুলো নিজের সিদ্ধান্ত নেবে।’

তবে সব দল নির্বাচনে অংশ নেবে বলে-এটাই নিজের চাওয়া বলে জানান সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা অবশ্যই চাই যে সবদল অংশগ্রহণ করুক। কারণ এতদিন কাজ করার পর নিশ্চয়ই আমরা চাইব যে সবাই আসুক।’

দেশের জনগণের কাছে বিএনপির ভোট চাওয়ার মুখটাও নেই বলেও মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ প্রধান। বলেন, ‘তারা আর কোন মুখে জনগণের কাছে ভোট চাইতে যাবে? আগুন দিয়ে পোড়ানো, মানুষ খুন করা, বোমা মারা, গ্রেনেড মারা-সব জায়গাতে তো আছে। তারা যদি সামনে এসে দাঁড়ায়, ভোট চাইতে আসছেন, আমার এই অবস্থা। কী জবাব দেবে বিএনপি? এজন্যই বিদেশিদের কাছে ধরনা দিয়ে বেড়ায়। দেশের মানুষের কাছে যায় না।’

আন্দোলনে বাধা নেই

গত জুলাই থেকে বিএনপির নানা কর্মসূচিতে পুলিশের গুলিতে পাঁচ জনের মৃত্যু ও অনেক নেতা-কর্মী আহত হলেও প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, বিএনপির আন্দোলনে সরকার কোনো বাধা দিচ্ছে না।

তিনি বলেন, ‘আমরা তো বাধা দিচ্ছি না। আমরা তো বলছি আন্দোলন করেন, সংগ্রাম করেন, যত আন্দোলন করবে তত ভালো। করে না তো, কী করব?’

ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরবর্তী বছরই তো ইলেকশন। নির্বাচনের প্রস্তুতিও আমরা এখন থেকে নিচ্ছি। আমাদের দল বোধ হয় বাংলাদেশে একটি মাত্র দল আমরা আমাদের গঠনতন্ত্র মেনে চলি। প্রতিটি ক্ষেত্রে গঠনতন্ত্র মোতাবেক আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত নিই।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘আমাকে নিয়ে লেখালেখির এত দরকার নেই। আমি জনগণের সেবা করতে এসেছি। আমার বাবা দেশটা স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন, তার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করাই আমার লক্ষ্য। আমার নিজের তো চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই। আমার দেশের মানুষের জন্য কতোটুকু কী করতে পারলাম, কতটুকু দিতে পারলাম, এটাই হচ্ছে আমার সব থেকে বড় পাওয়া।’

‘ভোট চুরি করে আ.লীগ ক্ষমতায় আসেনি, আসবেও না’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘অন্তত আওয়ামী লীগ কখনও ভোট চুরি করে ক্ষমতায় আসবেও না, আসেও নি। আওয়ামী লীগ কিন্তু জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েই ক্ষমতায় এসেছে।’

জনগণের জন্য কাজ করে, জনগণের মন জয় করে, জনগণের ভোট নিয়েই আওয়ামী লীগ বারবার ক্ষমতায় এসেছে বলে জানান তিনি। বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কখনও কোনো মিলিটারি ডিক্টেটরের পকেট থেকে বের হয়নি। ইমার্জেন্সি দিয়ে কারও ক্ষমতা দখল করেও কিন্তু আওয়ামী লীগ কখনও ক্ষমতায় আসেনি। আওয়ামী লীগ যতবার ক্ষমতায় এসছে, ভোটের মাধ্যমেই এসেছে, নির্বাচনের মাধ্যমেই এসেছে।

‘এদেশে নির্বাচনের যতটুকু উন্নতি, যতটুকু সংস্কার এটা কিন্তু আওয়ামী লীগ ও সবাইকে নিয়ে মহাজোট করেই কিন্তু করে দিয়েছি। এরপর যদি কেউ না আসে, সেখানে আমাদের কী করণীয়? হারার ভয়ে আসব না, বা কিছু বা একেবারে লোকমা তুলে খাইয়ে দিতে হবে, তবেই আসব, এটা তো হয় না।’

‘সেনাশাসনে জন্ম হওয়া বিএনপি জনগণের কাছে যেতে ভয় পায়’

সামরিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিএনপির জন্ম জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মিলিটারি ডিক্টেটররা এভাবে করেছে। যাদের এই অভ্যাস, তারা তো জনগণের কাছে যেতেই ভয় পায়। জনগণের সামনে ভোট চাইতেই ভয় পায়, এটা বাস্তবতা। অগ্নিসন্ত্রাস করে যারা মানুষ হত্যা করেছে, তাদেরকে কী মানুষ ভোট দেবে? কখনও দিতে পারে না। সে পোড়া ঘা তো এখনও শুকায়নি। এখনও তো কষ্ট পাচ্ছে, গ্রেনেড হামলায় যারা আহত।’

খুঁটির জোর আর জনসমর্থন নেই বলেই বিএনপি জনগণের কাছে না গিয়ে বিদেশিদের কাছে দৌড়ে বেড়াচ্ছে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি ভুলে গেছে তাদের অতীতের কথা। বিএনপির সৃষ্টি যেভাবে, একটা মিলিটারি ডিক্টেটরের পকেট থেকে বিএনপির সৃষ্টি। আর নির্বাচনের যে প্রহসন, সেটাও তাদের সৃষ্টি, তারা তৈরি করেছে। বরং নির্বাচনটাকে আমরা জনগণের কাছে নিয়ে গেছি।’

বিভিন্ন দূতাবাসের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদি মাটিতে জোর থাকত, নিজের দেশের মাটিতে যদি তাদের সে রকম সমর্থন থাকত, আর ওই যে বলে না খুঁটিতে যদি জোর থাকত, অর্থাৎ নিজের শেকড়ের জোরটা যদি এখানে থাকত তাহলে তো বিদেশে ধরনা দেয়ার দরকার হতো না।

‘জনসমর্থন থাকলে, গনগণের ওপর আস্থা থাকলে, বিশ্বাস থাকলে জনগণের কাছেই যেত। বিদেশের কাছে দৌড়ে বেড়াত না, এটাই হলো বাস্তবতা।’

আরও পড়ুন:
র‌্যাব তো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শে, ট্রেনিংও তাদের: প্রধানমন্ত্রী
বিশ্বে দুর্ভিক্ষের শঙ্কা, দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী: প্রধানমন্ত্রী
বিদায় নেয়ার জন্য প্রস্তুত আমি: শেখ হাসিনা
সব ধর্মকে সম্মান দেখাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Electoral code of conduct to be followed A league to EC

নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলতে হবে: আ.লীগকে ইসি

নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলতে হবে: আ.লীগকে ইসি গাইবান্ধা-৫ আসনে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মাহমুদ হাসান রিপন গণসংযোগ করছেন। ছবি: নিউজবাংলা
‘জেলা পরিষদ নির্বাচনে কোথাও কোথাও নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন হচ্ছে এবং এ সংক্রান্ত খবর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে মর্মে নির্বাচন কমিশনের নজরে এসেছে। আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সরকারি সুবিধাভোগী অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ কোথাও কোথাও নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন, রঙিন পোস্টার মুদ্রণ করে প্রচার করছে এবং পোস্টারে নেতা-নেত্রীর ছবিও ছাপানো হচ্ছে। এছাড়াও রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে বিভিন্ন জনসভায় নির্বাচনি প্রচারণা চালানো হচ্ছে।’

৬১ জেলা পরিষদ ও গাইবান্ধা-৫ আসনে উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে আচরণবিধি মেনে চলতে বলেছে নির্বাচন কমিশন। জানানো হয়েছে, যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির মহাসচিব মজিবুল হক চুন্নুর নেতৃত্বে একটি দল বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের সঙ্গে দেখা করে নানা অভিযোগ করার পর কমিশনের পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়।

বিষয়টি নিয়ে আওয়ামী লীগের নাম উল্লেখ না করে একটি বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন।

আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘যে প্রধান দলটির পরিচালনা করেন, তাদের কাছে বার্তা দেয়া হয়ে গেছে যে আপনাদের দলের কোনো সদস্য যাতে আচরণবিধি না ভাঙে, সে জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন।’

নির্বাচন কমিশন এই নির্দেশনা পাঠিয়েছে কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘জ্বি, জ্বি’।

ক্ষমতাসীন দলের সেক্রেটারি বরাবর পাঠানো হয়েছি কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নামটা বললাম না। তবে অলরেডি দেয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে। কিছুক্ষণ পরে আপনারা টের পেয়ে যাবেন তারা সতর্ক হয়ে গেছে।’

আলমগীর বলেন, ‘সরকার তো দেশ চালায়। তবে আমরা যেটা বলব সেটা তো তারা সাংবিধানিকভাবে তারা মানতে বাধ্য। সরকারি দায়িত্ব হিসেবে এটা মানতে হবে।'

জেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে দুই/চারটি জেলা থেকে অভিযোগ আসছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা কড়া নির্দেশ দিয়েছে যদি কেউ আচরণবিধি ভঙ্গ করে, তাদেরকে বলতে হবে আপনারা অতিসত্ত্বর এলাকা ত্যাগ করবেন। এলাকায় থাকতে পারবেন না। এই ভোটে তো তিনি ভোটার না। ভোটার হিসেবে এলাকায় থাকবার সুযোগ নাই।’

তিনি বলেন, ‘শুধু গাইবান্ধা না, যেকোনো ধরনের নির্বাচন থেকে আমরা এ ধরনের অভিযোগ পেয়ে থাকি যে, যারা নির্বাচনের প্রচারণায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না, বিশেষ করে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি যারা, তারা প্রচারে আছেন। আবার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী যিনি থাকেন, তাকে ভয়-ভীতি দেখানো- এ ধরনের অভিযোগ করে থাকেন।

‘সে ব্যাপারে আমাদের কড়া নির্দেশ আমরা লিখিতভাবে দিয়েছি। আগামী শনিবার এ উপলক্ষে আমরা প্রত্যেক জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে আহ্বান করেছি আসার জন্য। সে সময় নির্বাচন সুষ্ঠু-সুন্দর করার জন্য ম্যাসেজটি দেয়া হবে একেবারে সামনাসামনি।

‘যদি কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘন করে থাকেন, তাহলে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং ওনারা যদি করতে ব্যর্থ হন, আর তার কোনো প্রমাণ আমাদের কাছে আসে, তাহলে যে আইন রয়েছে, আমরা কিন্তু সেটি প্রয়োগ করতে পিছপা হবো না।’

নির্বাচন কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালনে গাফিলতি বা অবহেলা করলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দেন কমিশনার আলমগীর।

জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে যে অভিযোগ দেয়া হয়েছে, সে ঘটনায় কী ব্যবস্থা নেয় হবে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশের কাছে রিপোর্ট চেয়েছি। রিপোর্ট পাওয়ার পরে আমরা পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেব।’

কমিশনের বিজ্ঞপ্তি

কমিশনের জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক আসাদুজ্জামান আরজু স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে আচরণবিধির লঙ্ঘন হলে কঠোর হবে কমিশন।

আগামী ১৭ অক্টোবর দেশের ৬১ জেলা পরিষদে এ ভোট হবে। স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিরা ভোট দিয়ে নির্বাচন করবেন তাদের প্রতিনিধি।

ইসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘জেলা পরিষদ নির্বাচনে কোথাও কোথাও নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন হচ্ছে এবং এ সংক্রান্ত খবর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে মর্মে নির্বাচন কমিশনের নজরে এসেছে। আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সরকারি সুবিধাভোগী অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ কোথাও কোথাও নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন, রঙিন পোস্টার মুদ্রণ করে প্রচার করছে এবং পোস্টারে নেতা-নেত্রীর ছবিও ছাপানো হচ্ছে। এছাড়াও রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে বিভিন্ন জনসভায় নির্বাচনি প্রচারণা চালানো হচ্ছে।’

নির্দেশনা আরও বলা হয়, নির্বাচন কমিশন এসব আচরণ বিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে তদন্তপূর্বক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ইসির সেই ৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তার চাকরি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন
রাশিয়ার ইসির কনফারেন্সে যোগ দিতে সিইসিকে আমন্ত্রণ
আইএফআইসি ব্যাংকে সিডনিসানের ১০ হাজার সিসিটিভি
হাফেজ তাকরিমের অর্জনে গর্বিত মুশফিক
‘কারসাজির’ প্রি-ওপেনিং সেশন ফেরাচ্ছে বিএসইসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
11 Chhatra League injured in attack in Gazipur protest blockade

গাজীপুরে হামলায় ছাত্রলীগের ১১ জন আহত, প্রতিবাদে বিক্ষোভ অবরোধ

গাজীপুরে হামলায় ছাত্রলীগের ১১ জন আহত, প্রতিবাদে বিক্ষোভ অবরোধ হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার গাজীপুর শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ করে ছাত্রলীগ। ছবি: নিউজবাংলা
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্রলীগের সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গুলি ছোঁড়ার কথা শুনেছি, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি।’

গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগ নেতাদের ওপর হামলা ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতে শহরের রথখোলার ঢালে এ ঘটনায় মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পদক শেখ মোস্তাক আহমেদ কাজলসহ ১১ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কাজলসহ ৭ জনকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে বৃহস্পতিবার শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে মহানগর ছাত্রলীগ। পরে নেতাকর্মীরা শহরের শিববাড়ি মোড় প্রায় ৩০ মিনিট অবরোধ করে রাখে। এ সময় হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি মোশিউর রহমান সরকার বাবু।

আহত কাজল বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গাপূজায় প্রতিমা বিসর্জনের অনুষ্ঠান শেষে মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ওয়াজউদ্দীনকে রথখোলা এলাকায় আমরা বিদায় জানাচ্ছিলাম। অ্যাডভোকেট ওয়াজউদ্দীন চলে যাওয়ার পর মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) মাসুদ রানা এরশাদের নেতৃত্বে ২৫-৩০ জনের একটি দল আমাদের ওপর হামলা চালায়।

‘এ সময় আমাকে লক্ষ্য করে ৩ রাউন্ড গুলি ছোঁড়া হয়। তা লক্ষভ্রষ্ট হওয়ায় প্রাণে বেঁচে যাই। এক পর্যায়ে চাপাতি দিয়ে কোপ দিলে আমার থুতনি কেটে যায়। আমাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে হামলাকারীদের চাপাতি ও হকিস্টিকের আঘাতে ছাত্রলীগ নেতা আনিছুর রহমান বাদল, মিরাজুর রহমান রায়হান, ইলিয়াস রুমন ও রনিসহ ১১ ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী আহত হয়। আমিসহ সাতজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছি।’

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে মাসুদ রানা এরশাদ বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি ছিলাম না। মোস্তাক আহমেদ কাজল ও কাজী আশরাফ রাকিব মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন। কাজল পদ পেলেও রাকিব পদ পাননি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। কাজলের অনুসারীরা রাকিবের ওপর হামলা চালিয়েছে।’

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) সদর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গুলি ছোঁড়ার কথা শুনেছি, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি।’

আরও পড়ুন:
হোসেনপুর ছাত্রলীগের নতুন কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
এমন ছাত্রলীগ চাননি সৈয়দ আশরাফের বোন
ইডেন ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদকসহ ১৪ জনের আগাম জামিন
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন বেপরোয়া ছাত্রলীগ
ছাত্রলীগের দ্বন্দ্বে বন্ধ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
RAB has been trained on the advice of the United States Prime Minister

র‌্যাব তো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শে, ট্রেনিংও তাদের: প্রধানমন্ত্রী

র‌্যাব তো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শে, ট্রেনিংও তাদের: প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: বাসস
‘র‌্যাবের ওপরে তারা যখন স্যাংশন দিল, আমার প্রশ্নটা হচ্ছে র‌্যাব সৃষ্টি করেছে কে? র‌্যাব সৃষ্টি তো আমেরিকার পরামর্শ। আমেরিকা র‌্যাব সৃষ্টি করার পরামর্শ দিয়েছে। আমেরিকা তাদের ট্রেনিং দেয়। তাদের অস্ত্রশস্ত্র, তাদের হেলিকপ্টার, এমনকি তাদের ডিজিটাল সিস্টেম, আইসিটি সিস্টেম-সবই আমেরিকার দেয়া।’

যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শেই র‌্যাব গঠন করা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাদের দেয়া প্রশিক্ষণ অনুযায়ী র‌্যাব তার কার্যক্রম পরিচালনা করে।

বাংলাদেশে সন্ত্রাস দমনে র‌্যাব বিশেষ ভূমিকা রাখায় যুক্তরাষ্ট্র ‘নাখোশ’ হয়েছে কিনা, সে প্রশ্নও তুলেছেন সরকারপ্রধান।

গণভবনে বৃহস্পতিবার বিকেলে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘র‌্যাবের ওপরে তারা যখন স্যাংশন দিল, আমার প্রশ্নটা হচ্ছে র‌্যাব সৃষ্টি করেছে কে? র‌্যাব সৃষ্টি তো আমেরিকার পরামর্শ। আমেরিকা র‌্যাব সৃষ্টি করার পরামর্শ দিয়েছে। আমেরিকা তাদের ট্রেনিং দেয়। তাদের অস্ত্রশস্ত্র, তাদের হেলিকপ্টার, এমনকি তাদের ডিজিটাল সিস্টেম, আইসিটি সিস্টেম-সবই আমেরিকার দেয়া।’

একজন গণমাধ্যমকর্মী সরকার প্রধানের কাছে প্রশ্ন রাখেন সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে কোনো টানাপড়েন চলছে কি না। গণতন্ত্র সম্মেলনে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ না জানানো, র‌্যাবের ওপর দেশটির নিষেধাজ্ঞাসহ নানা প্রসঙ্গ তুলে ধরে এই প্রশ্ন রাখেন সেই গণমাধ্যমকর্মী।

পরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমেরিকা যখন স্যাংশন দেয় বা কোনো কথা বলে, বা অভিযোগ আনে, আমার একটাই কথা, যেমন আপনারা ট্রেনিং দিয়েছেন, তেমন তারা কার্যক্রম করেছে। এখানে আমাদের করার কী আছে? আপনাদের ট্রেনিংটা যদি একটু ভালো হতো, তাহলে না কথা ছিল।’

র‌্যাব তো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শে, ট্রেনিংও তাদের: প্রধানমন্ত্রী
এলিট ফোর্স র‌্যাবের বিভিন্ন কাজের সমালোচনা করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। ফাইল ছবি

‘আমরা শাস্তি দেই, যুক্তরাষ্ট্র দেয় না’

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্য অপরাধ করলে বাংলাদেশে তার শাস্তির বিধান থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রে তেমন নজির নেই বলেও দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা সে র‌্যাব হোক, পুলিশ হোক, আর্মি হোক, যে হোক, কেউ যদি অপরাধ করে তার কিন্তু বিচার হয়। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আপনারা দেখেছেন পুলিশ ইচ্ছা মতো গুলি করে মারলেও তাদের কিন্তু সহসা বিচার হয় না।

‘শুধু একটা বিচার হলো, আমেরিকার লোক সবাই যখন আন্দোলনে নামল, তখন ওই একটা বিচারই বোধ হয় তারা সারাজীবনে করতে পেরেছে। তা না হলে তো তারা কথায় কথায় গুলি করে মেরে ফেলে দেয়।

‘একটা বাচ্চা পকেটে হাত দিল, গুলি করে মেরে ফেলে দিল। একটা খেলনা পিস্তল নিয়ে তাকে মেরে ফেলে দিল। আমাদের কতজন বাঙালি মারা গেছে, সেখানে কিন্তু তারা কিছু বলেনি। সেই কথাগুলো আমি স্পষ্ট তাদেরকে বলেছি। আমি কিন্তু বসে থাকিনি। আমি মনে করি এটা আমাদের বলার কথা।’

‘যুক্তরাষ্ট্রের নিজেদের নিয়ে চিন্তা করা উচিত’

অন্য এক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

তিনি বলেন, ‘স্যাংশন তারা কতোটুকু তুলবে জানি না। তবে স্যাংশন দিয়ে তারা ক্ষতি যতটা করেছে, আমরা যাদের দিয়ে এ দেশে সন্ত্রাস দমন করেছি, তাদের ওপর স্যাংশন দেয়ার অর্থটা কী? সন্ত্রাসীদের মদদ দেয়া?

‘আমার এটাও প্রশ্ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে, তাহলে কী সন্ত্রাস দমনে তারা নাখোশ? ৪০ বছর ধরে আফগানিস্তানে তালেবানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, সেই তালেবানের হাতে ক্ষমতা দিয়ে ভেগে চলে আসল আমেরিকার সৈন্যরা।’

যুক্তরাষ্ট্র ‘নিজেদের ব্যর্থতা’ স্বীকার করে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভিয়েতনামে ৩০ বছর যুদ্ধ করল, বাংলাদেশে পাকিস্তানিদের মদদ দিল, সেভেন ফ্লিট পাঠাতে চাইল। আমরা কিন্তু আমাদের দেশ স্বাধীন করেছি। তাদের নিজেদের চিন্তা নিজেদের করা উচিত।

‘এখন ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধে সমানে মদদ দিয়ে যাচ্ছে, স্যাংশন দিচ্ছে। স্যাংশন দিয়ে কার ক্ষতি হচ্ছে? সাধারণ মানুষের ক্ষতি হচ্ছে। কথায় কথায় একটা দেশ আরেকটা দেশকে স্যাংশন দেয় এটা কেমন কথা?’

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়— আমরা এই নীতিতে বিশ্বাস করি। রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে সমস্যা থাকতে পারে, থাকে। কিন্তু কারও সঙ্গে আমরা ঝগড়া বিবাদে যাই না। যুক্তরাষ্ট্র সময়ে সময়ে আমাদের ওপর নানা ধরনের স্যাংশন, অথবা একসময় জিএসপি বাদ দিল, নানা রকমের ঘটনা ঘটায়।’

গুম প্রসঙ্গে মরিয়ম মান্নান, ফরহাদ মজহারের কথা স্মরণ

বিরোধীরা সরকারের বিরুদ্ধে যে গুমের অভিযোগ আনেন, সেটি নিয়েও কথা বলেন শেখ হাসিনা। বলেন, ‘কয়েকটা আন্তর্জাতিক সংস্থা খুব উৎফুল্ল, গুম-খুন, গুম-খুন, গুম-খুন। গুমের হিসাব যখন বের হতে শুরু করল তখন তো দেখা গেল সব থেকে বেশি গুম জিয়াউর রহমানের আমলেই শুরু। তারপর থেকে তো চলছে। তারপর আমরা যখন তালিকা চাইলাম, ৭৬ জনের তালিকা পাওয়া গেল। আর এই ৭৬ জনের মধ্যে কী পাওয়া গেছে, সেটা আপনারা নিজেরাই ভালো জানেন।’

সম্প্রতি মাকে গুম করার দাবি তুলে পরে বিব্রতকর অবস্থায় পড়া মরিয়ম মান্নানের ঘটনাও তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। উঠে আসে কবি ফরহাদ মজহারের গুমের ঘটনাও, যাকে গুম করার অভিযোগ নিয়ে তোলপাড়ের পর দেখা যায়, তিনি খুলনায় রেস্টুরেন্টে বসে খাওয়াদাওয়া করছেন, এমনকি বান্ধবীকে টাকাও পাঠান মোবাইল ব্যাংকিংসেবা ব্যবহার করে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এর মধ্যে এমনও আছে, মাকে লুকিয়ে রেখে অন্যজনকে শায়েস্তা করতেও মাকে খুন করেছে, গুম করেছে, সে ঘটনাও বের হয়ে যাচ্ছে। আমি সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানাই, আপনারা খুঁজে খুঁজে সেগুলো বের করেন, আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদেরকে ধরে। কেউ বোনকে লুকিয়ে রেখে, গুম হয়েছে সেটা বলে। কেউ ঢাকা থেকে চলে গেলেন খুলনা। বলা হলো তাকে গুম করা হয়েছে। দেখা গেল নিউ মার্কেটে ঘুরে বেড়াচ্ছে খুলনায়।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘যে তালিকা, সে তালিকায় দেখা যাচ্ছে, ভারত থেকে পলাতক কিছু আসামি, তাদের নামও সেই তালিকায়। এটা কেমন করে হয়?’’

গুমের তালিকায় কোনো কোনো নাম আমেরিকায় লুকিয়ে আছে বলেও দাবি করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘সে রকমও তথ্য আছে। বিষয়গুলো তাদের সামনে তুলে ধরেছি, এই যে গুম গুম করেন আগে দেখেন সেটা কী কারণে?’

এসময় সংবাদকর্মীদের ওপও ক্ষোভ ঝাড়েন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, ‘গুমের ঘটনা যখনই ঘটে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের খুঁজে বের করে। সেই নিউজটা আসেই না বা পত্রিকায়ও আপনারা সেটা বড় করে দেখান না। গুমটা যত বড় করে দেখান, গুমটা যখন উদ্ধার হয়, ওটা যদি সমানভাবে দেখাতেন তাহলে তো বাংলাদেশের এই বদনামটা হতো না।’

অপপ্রচারের অভিযোগ

দেশের কিছু মানুষের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগও আনেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘তারা যেসব স্টেটে থাকে সেখানকার স্থানীয় সিনেটর, কংগ্রেসম্যান, তাদের কাছে নানা রকম বানোয়াট মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকে। দিয়ে দিয়ে একটা পরিবেশ সৃষ্টি করে।

‘আর সেই সঙ্গে দেশের বদনাম করে। যারা করে তারা নিজেরা একেকটা অপকর্ম করে কিন্তু দেশ ছাড়া। কোনো না কোনো অপরাধে তারা অপরাধী অথবা চাকরিচ্যুত।’

মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ও স্বাধীনতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধীদের সন্তান ও তাদের প্রজন্মরাও এসব অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িত বলেও অভিযোগ করেন শেখ হাসিনা।

যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই

জাতিসংঘেও যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরার বিষয়টি নিয়েও কথা বলেন তিনি। বলেন, ‘আমি কিন্তু আমার বক্তৃতায় এ কথা স্পষ্টভাবে বলে আসছি, এটাও বলেছি এ যুদ্ধ থামাতে হবে। শুধু অস্ত্র প্রতিযোগিতা আর যুদ্ধ করে শুধু অস্ত্র প্রস্তুতকারী বা বিক্রিকারী দেশ লাভবান হবে আর আমাদের মতো সাধারণ দেশের মানুষ না খেয়ে মরবে, কষ্ট পাবে, আমাদের দেশ কেন, ইউরোপের মানুষ তো কষ্টে আছে।’

দেশে দেশে যুদ্ধের প্রভাব সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ব্রিটেনে বিদ্যুতের দাম ৮০ শতাংশ বাড়িয়েছে। আমি যদি ৪০ পার্সেন্ট বৃদ্ধি করি আপনারা কেমনভাবে চিল্লাবেন? একটা উন্নত দেশ, তাদের সবকিছুই বিদ্যুতে, বাড়ির দরজাও খুলে বিদ্যুতে, চুলাও জ্বলে বিদ্যুতে সবই, আমাদের তো এখনও তা না। আমেরিকারও একই অবস্থা। প্রত্যেকটা জিনিসের দাম বেড়েছে।’

ইউরোপ কয়লা নিয়ে এত কথা বলেও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ফিরে গেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘আমাদের ওপরেই প্রচণ্ড চাপ। অনেক কথা শুনতে হয়েছে। আমি তো কোনো চাপের কাছে মাথানত করিনি। যেটা আমার প্রয়োজন সেটা আমি করব। হ্যাঁ তাতে আমার দেশের এনভায়রনমেন্ট নষ্ট না হয়, সে ব্যাপারে আমি সচেতন। সেটা যে হচ্ছে না, তার প্রমাণও আমি দিয়েছি। আন্তর্জাতিক বহু ফোরামে এটা নিয়ে তর্ক হয়েছে। এখন পেলে জিজ্ঞেস করতাম, এখন আপনারা কী বলবেন, সেই আদিযুগেই তো ফিরতে হলো?’

আরও পড়ুন:
বিশ্বে দুর্ভিক্ষের শঙ্কা, দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী: প্রধানমন্ত্রী
বিদায় নেয়ার জন্য প্রস্তুত আমি: শেখ হাসিনা
সব ধর্মকে সম্মান দেখাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sheikh Hasina is God who cannot be criticized Fakhrul

শেখ হাসিনা কি গড যে সমালোচনা করা যাবে না: ফখরুল

শেখ হাসিনা কি গড যে সমালোচনা করা যাবে না: ফখরুল নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: নিউজবাংলা
রাজবাড়ীতে মহিলা দল নেত্রী গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘কী অপরাধ? অপরাধ, তিনি একটা স্ট্যাটাস দিয়েছেন, লিখেছেন হাসিনার বিরুদ্ধে? কেন? আপনি কি গড, বিধাতা যে, আপনার বিরুদ্ধে কিছু কথা বলা যাবে না? একটা গণতান্ত্রিক দেশে যে কারও সমালোচনা করার অধিকার আছে। প্রত্যেকটি মানুষের রয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমালোচনা যাচ্ছে না অভিযোগ করে কেন এমনটি হবে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা কি গড, বিধাতা, সৃষ্টিকর্তা যে তার বিরুদ্ধে কথা বলা যাবে না?’

রাজধানীর নয়াপল্টনে বৃহস্পতিবার বিকেলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শোকমিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি দেশব্যাপী আন্দোলনে নিহত নেতাকর্মীদের স্মরণে এই মিছিল করে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি।

গত জুলাই থেকে নানা কর্মসূচিতে পুলিশের গুলিতে ভোলায় জেলা ছাত্রদল সভাপতি নূরে আলম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুর রহিম, মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবদল নেতা শহীদুল ইসলাম শাওন, নারায়ণগঞ্জ যুবদল নেতা শাওন প্রধান এবং বেনাপোল পৌর সভার ৩৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির নেতা মো. আব্দুল আলিম নিহত হয়েছেন।

তাদের স্মরণে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া শোক মিছিলটি নাইটিঙ্গেল মোড় ঘুরে আরামবাগ হয়ে আবারও কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

এই মিছিলকে ঘিরে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ এর আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কঠোর নিরাপত্তার বলায় গড়ে তোলে। কর্মসূচিকে ঘিরে আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটও তৈরি হয়।

শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে ফখরুল এই কথাগুলো বলেন ফেসবুকে লেখালেখির কারণে এক মামলায় রাজবাড়ীর মহিলা দল নেত্রী সোনিয়া আক্তার স্মৃতিক গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে।

রাজবাড়ীর মিজানপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক সামসুল আরেফিন চৌধুরী থানায় জমা দেয়া এক অভিযোগে বলেন, সোনিয়া প্রধানমন্ত্রীর সুনাম নষ্টে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচার করেন।

পৌর এলাকার বেড়াডাঙ্গার বাসা থেকে মঙ্গলবার গভীর রাতে সোনিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বুধবার আদালতে তোলা হলে জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এই গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন তোলে ফখরুল বলেন, ‘কী অপরাধ? অপরাধ, তিনি একটা স্ট্যাটাস দিয়েছেন, লিখেছেন হাসিনার বিরুদ্ধে? কেন? আপনি কি গড, বিধাতা যে, আপনার বিরুদ্ধে কিছু কথা বলা যাবে না? একটা গণতান্ত্রিক দেশে যে কারও সমালোচনা করার অধিকার আছে। প্রত্যেকটি মানুষের রয়েছে।’

‘অস্তিত্বের জন্য সরকার পতন ছাড়া বিকল্প নেই’
বিএনপি নেতা বলেন, ‘আজকে আমাদের অস্তিত্বের জন্য, আমাদের বাঁচার জন্য এবং আমাদেরকে রক্ষা করবার জন্য আমাদের কোনো বিকল্প নেই। এই হাসিনা সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

‘এই সরকারকে আর কোনো সময় দেয়া যায় না। এই সরকার জাতির জন্য একটা বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাকে অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে। সে জন্য এ দেশের মানুষ জেগে উঠেছে, জেগে উঠেছে আমাদের তরুণ-যুবকরা। আজকে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাব, পেছনে ফিরব না।’

বিএনপির নিহত ৫ নেতার স্মৃতিচারণ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘তারা এ দেশকে স্বৈরাচার ও কর্তৃত্ববাদী সরকারের হাত থেকে মুক্ত করতে চেয়েছেন। তারা মিছিলে থেকে এই দানবীর সরকারের পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে। আর অসংখ্য আহত হয়েছে। কারও চোখ চলে গেছে এবং কারও বুক চলে গেছে। অসংখ্য মামলা হয়েছে। আমাদের অনেক নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু আমাদের আন্দোলন থেমে থাকেনি।

‘এই স্বৈরাচারী সরকারের পতনের লক্ষ্যে প্রতিদিন এবং তাকে সরিয়ে দেয়ার লক্ষ্যে মিছিলে মিছিলে আরও মানুষ বাড়ছে।’

ফখরুল বলেন, 'এই সরকারকে বাধ্য করব পদত্যাগ করতে, পদত্যাগ করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা প্রদান করতে। সংসদ বিলুপ্ত করে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের মধ্য দিয়ে জনগণের ভোটে নতুন সংসদ গঠন করে নতুন সরকার গঠন করা হবে।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের মতো করে বিএনপি নেতা বলেন, ‘অনেক রক্ত আমরা দিয়েছি। আমরা আরও রক্ত দেব। কিন্তু এদেশের মানুষকে আমরা মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ।’

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন
সরকার ২৯টি প্রতিষ্ঠানকে যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো ঘোষণা করেছে, তার উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিএনপি মহাসচিব। দাবি করেন, দুর্নীতি ও চুরি ঢেকে রাখাই এর উদ্দেশ্য।

ফখরুল বলেন, ‘মানুষ যাতে সঠিক তথ্য জানতে না পারে, আমাদের গণমাধ্যম যাতে এই সরকারের দুর্নীতি প্রকাশ করতে না পারে তার জন্য সার্কুলার দিয়ে ২৯টি বিভাগকে, তাদের কাছ থেকে কোনো খবর নেয়া যাবে না।

‘তারা কাউকে কোনো খবর দেবে না। এর অর্থ হচ্ছে, তাদের যে দুর্নীতি ও চুরিকে ঢেকে রাখবার জন্য এবং সঠিক খবর থেকে তারা সমস্ত দেশ এবং জাতিকে বঞ্চিত রাখতে চায়।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, ‘শোককে শক্তিতে রূপান্তর করা হবে। সরকারের পতন নিশ্চিত করা হবে।’

বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, রুহুল কবির রিজভী, খায়রুল কবির খোকন, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, মীর সরফত আলী সপু, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, শিরিন সুলতানা, নাজিম উদ্দিন আলম, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, রফিকুল আলম মজনু, আমিনুল হকও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
জনগণের আন্দোলন দমন করতেই সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে আ.লীগ: ফখরুল
পাকিস্তান আমল কোন দিক দিয়ে ভালো: ফখরুলকে মোজাম্মেল
ফখরুল পাকিস্তানের চর: আমু
পাকিস্তান নিয়ে বক্তব্য: ফখরুলকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান হানিফের
বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার চান ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP is lying about grid disaster Hanif

গ্রিড বিপর্যয় নিয়ে মিথ্যাচার করছে বিএনপি: হানিফ

গ্রিড বিপর্যয় নিয়ে মিথ্যাচার করছে বিএনপি: হানিফ কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমিতে বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মাহবুবউল আলম হানিফ। ছবি: নিউজবাংলা
‘সরকারের বিরুদ্ধে বলার মতো কিছু না পেয়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয় নিয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎও দিতে পারেনি। এই ব্যর্থতা, অযোগ্যতা ঢাকতে এবং সরকারের উন্নয়ন অগ্রগতি দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে।’

বিদ্যুতের গ্রিড বিপর্যয় নিয়ে বিএনপি নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

বৃহস্পতিবার সকালে কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমিতে এক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

হানিফ বলেন, ‘বিদ্যুতের গ্রিড বিপর্যয় একটি দুর্ঘটনা। এ নিয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছেন মির্জা ফখরুলরা। চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। চাহিদার বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে বাংলাদেশের।

‘সরকারের বিরুদ্ধে বলার মতো কিছু না পেয়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয় নিয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎও দিতে পারেনি। এই ব্যর্থতা, অযোগ্যতা ঢাকতে এবং সরকারের উন্নয়ন অগ্রগতি দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি একটি উগ্র সাম্প্রদায়িক দল, জামায়াত তাদের পরিপূরক। একই মায়ের দুই সন্তান। সেই দলের নেতাদের মুখে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার অভিযোগ মানায় না। বিশেষ একটি সম্প্রদায়ের আনুকূল্য পেতে তারা এসব বলছে।’

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য আকম সরোয়ার জাহান বাদশাসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় স্কুল কলেজের কয়েক শ ছাত্রছাত্রী অংশ নেয়।

গ্রিড বিপর্যয়

মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে ইস্টার্ন গ্রিড ফেল করার পর ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকার পর সন্ধ্যা থেকে জেলা শহরগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

বেলা ২টা ৪ মিনিটে অনাকাঙ্ক্ষিত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পর ২টা ৩৬ মিনিটে আশুগঞ্জ-সিরাজগঞ্জ ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন চালুর মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ময়মনসিংহের কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা হয়। এবং সতর্কতার সঙ্গে সেটা বাড়িয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার কাজ চলমান।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mayor Khalek is threatening to expel the voters

‘ভোটারদের বহিষ্কারের হুমকি দিচ্ছেন মেয়র খালেক’

‘ভোটারদের বহিষ্কারের হুমকি দিচ্ছেন মেয়র খালেক’ খুলনা ক্লাবে ৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের সভায় বক্তব্য দেন কেসিসি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। ছবি: নিউজবাংলা
মোর্ত্তজা বলেন, ‘জেলা পরিষদ নির্বাচনে কেসিসি মেয়র ধারাবাহিকভাবে আচারণবিধি লঙ্ঘন করছেন। চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ হারুন মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় মেয়র সঙ্গে ছিলেন, সরকারি গাড়ি নিয়ে এসেছিলেন। পরে তিনি ভোটারদের দল থেকে বহিষ্কারের হুমকি দেন। তিনি প্রভাব খাটিয়ে ভোট বুঝে নিতে চেয়েছেন।

খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে আচারণ বিধি লঙ্ঘন করে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে প্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে।

মেয়রের বিরুদ্ধে রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্বতন্ত্রপ্রার্থী মোর্ত্তজা রশিদী দারা।

অভিযোগে বলা হয়, ‘দলীয় প্রার্থীকে ভোট দিতে প্রকাশ্যে নির্দেশ, নির্বাচনি সভায় অংশগ্রহণ, ভোট না দিলে জনপ্রতিনিধি ভোটারদের দল থেকে বহিষ্কারের হুমকি দিচ্ছেন মেয়র খালেক।’

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে রিটার্নিং অফিসারের পক্ষে অভিযোগ গ্রহণ করেন খুলনা জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক মো. ইউসুপ আলী।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ‘৩ অক্টোবর খুলনা ক্লাবে জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী শেখ হারুনুর রশিদের সভাপতিত্বে সভা হয়। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। তিনি মোটরসাইকেল প্রতীকে ভোটারদের কাছ থেকে ভোট বুঝে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।’

মোর্ত্তজা বলেন, ‘জেলা পরিষদ নির্বাচনে কেসিসি মেয়র ধারাবাহিকভাবে আচারণবিধি লঙ্ঘন করছেন। চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ হারুন মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় মেয়র সঙ্গে ছিলেন, সরকারি গাড়ি নিয়ে এসেছিলেন। পরে তিনি ভোটারদের দল থেকে বহিষ্কারের হুমকি দেন। তিনি প্রভাব খাটিয়ে ভোট বুঝে নিতে চেয়েছেন।

‘৩ অক্টোবরের সভায় মেয়র ভোটারদের বলেন, আপনারা কখন কার সাথে দেখা করেন, কথা বলেন, মোবাইল ট্রাকের মাধ্যমে সব সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যায়। ভোট গণনার পর আমাদের দলের কয়টা ভোট পড়েছে, আমরা সঙ্গে সঙ্গে জানতে পারবো।’

দারা বলেন, ‘মেয়রের বক্তব্যের ওই ভিডিও আমাদের কাছে আছে। আমরা তা পেনড্রাইভের মাধ্যমে রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভোটাররা ভয়ে আমার সঙ্গে দেখা করতে চাচ্ছেন না। আওয়ামী লীগের নেতারা ভোটারদের ভয়ে রেখেছেন। তারা ভোটেরদের কর্মচারী মনে করে হুমকী দিচ্ছেন।’

জেলা পরিষদ (নির্বাচন আচারণ) বিধিমালার ২২ ধারায় বলা হয়েছে, সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী নির্বাচন পূর্ব সময়ে নির্বাচনি এলাকায় প্রচারণা বা নির্বাচনি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। তবে তিনি যদি ভোটার হন, তবে শুধু ভোট দেয়ার জন্য কেন্দ্রে যেতে পারবেন। এখানে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বলতে, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, হুইপ, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, মেয়র বা তাদের সমমর্যাদার ব্যক্তিদের বোঝানো হয়েছে।

ওই ধারায় আরও বলা হয়েছে, নির্বাচন-পূর্ব সময়ে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনি কাজে সরকারি প্রচারযন্ত্র, অন্য কোন সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ এবং সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে ব্যবহার করতে পারবেন না।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ‘ক্লোজড ডোরে দলের সাংগঠনিক কাজ চালিয়ে যেতে কোনো বাধা নেই। আমি মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি, সেই হিসেবে দলীয় প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছিলাম।’

খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের তিন নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, মোটরসাইকেল প্রতীকে খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হারুনুর রশীদ, আনারস প্রতীকে খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও বিএমএর সভাপতি ডা. শেখ বাহারুল আলম এবং চশমা প্রতীক খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোর্ত্তজা রশিদী দারা।

এর মধ্যে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন শেখ হারুনুর রশিদ।

আরও পড়ুন:
সারের দাবিতে আন্দোলনে যাওয়ায় আ.লীগ নেতা বহিষ্কার
জাহাঙ্গীরনগরে ছাত্র নির্যাতন, ছাত্রলীগের ৪ জন বহিষ্কার
নারী সহকর্মীকে ‘আপত্তিকর’ মেসেজ, বহিষ্কার নগর কর্মকর্তা
‘ধূমপান করায়’ ৩ ছাত্র বহিষ্কার
পঞ্চগড় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদককে বহিষ্কার

মন্তব্য

p
উপরে