× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Life sentence for killing brother in land dispute
hear-news
player
print-icon

জমির বিরোধে ভাইকে হত্যায় যাবজ্জীবন

জমির-বিরোধে-ভাইকে-হত্যায়-যাবজ্জীবন
২০০৬ সালের ১৯ আগস্ট জফিকুল স্থানীয় বাজারে যাওয়ার পর থেকে নিখোঁজ হন। দুদিন পর পাশের টাঙ্গন নদীর চর থেকে বালুচাপা দেয়া অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ঠাকুরগাঁও সদরে জমির বিরোধের জেরে চাচাতো ভাইকে হত্যার দায়ে আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ গাজী দেলোয়ার হোসেন বুধবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা দেন।

আসামি সিদ্দিকুল ইসলাম চৌধুরী সদরের ধর্মপুর ভদ্রপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আব্দুল হামিদ নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমি নিয়ে অনেক দিনের বিরোধ ছিল সিদ্দিকুল ও তার চাচাতো ভাই জফিকুল ইসলামের। দুই পরিবারের মধ্যে বিভিন্ন সময় এ নিয়ে তর্কাতর্কি ও হাতাহাতি হয়।

২০০৬ সালের ১৯ আগস্ট জফিকুল স্থানীয় বাজারে যাওয়ার পর থেকে নিখোঁজ হন। দুদিন পর পাশের টাঙ্গন নদীর চর থেকে বালুচাপা দেয়া অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরও চার দিন পর সদর থানায় সিদ্দিকুলসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন জফিকুলের ভাই মুকুল।

সদর থানার তৎকালীন এসআই রেজাউল ইসলাম তদন্ত শেষে তিনজনের বিরুদ্ধে সে বছরের ২৫ নভেম্বর আদালতে চার্জশিট দেন।

পিপি হামিদ জানান, সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্দিকুল ইসলামকে যাবজ্জীবন এবং আরেক আসামি সাদেকুল ইসলামকে খালাস দেয়া হয়। আরেক আসামি দুলাল হোসেন মামলা চলাকালে মারা যান।

আরও পড়ুন:
টিপু-প্রীতি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ১৭ অক্টোবর
ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে যুবক খুন, মূল আসামি গ্রেপ্তার
মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ পড়ে ছিল ক্ষেতে
শিশুকে হত্যার পর মাটিচাপা, সৎ মা কারাগারে
সাংবাদিক মুকুল হত্যা: বিচার মেলেনি ২৪ বছরেও

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
School girl arrested in rape case 2

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার ২

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার ২
খাগড়াছড়ি সদর থানার ওসি আরিফুর বলেন, ‘ঘটনা জানার পরে ওই মেয়ের মা দুইজনকে অভিযুক্ত করে মামলা করেছেন। দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

খাগড়াছড়িতে ষষ্ঠ শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

খাগড়াছড়ি সদর থানায় ওই ছাত্রীর মা মঙ্গলবার রাতে মামলার পর পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। বুধবার তাদের আদালতে পাঠানো হবে।

গ্রেপ্তাররা হলেন, খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার আলুটিলা এলাকার ধনিময় ত্রিপুরা ও একই উপজেলার তাইন্দং হেডম্যান পাড়ার সমুয়েল ত্রিপুরা।

খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে খাগড়াছড়ি পৌর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় মেয়েকে রেখে গ্রামের বাড়িতে যান পরিবারের অন্য সদস্যরা। রাতে বাসার বাইরের টয়লেটে আসার সময় ওই ছাত্রীকে নিজেদের বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করে আসামিরা।

ওসি আরিফুর বলেন, ‘ঘটনা জানার পরে ওই মেয়ের মা দুইজনকে অভিযুক্ত করে মামলা করেছেন। দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসার শিক্ষককে পিটুনি
ধর্ষণের পর হত্যায় ১১ বছর পর ৯ জনের যাবজ্জীবন
বাজার কারসাজি: শীর্ষ আরও ৩৬ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ধর্ষণের অভিযোগে ওয়ার্ডবয় গ্রেপ্তার
খনি দুর্নীতি: খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি ফের পেছাল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Death in police custody Constable withdrawn

পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু: কনস্টেবল প্রত্যাহার

পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু: কনস্টেবল প্রত্যাহার বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ি, মির্জাপুর। ছবি: নিউজবাংলা
পুলিশ সুপার বলেন, ‘এ ঘটনায় আটক ব্যক্তির পাহারার দায়িত্বে থাকা কনস্টেবল সুব্রত সরকারকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। হাজতখানায় রশির বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। কারও দায়িত্বে অবহেলা থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়িতে লেবু মিয়া নামে আটক এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় এক কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে গঠন করা হয়েছে একটি তদন্ত কমিটিও।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কনস্টেবল সুব্রত সরকারকে ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। অপরদিকে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে তিন কার্যদিবসের মধ্যে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় আটক ব্যক্তির (লেবু মিয়া) পাহারার দায়িত্বে থাকা কনস্টেবল সুব্রত সরকারকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

‘এছাড়া ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মীর মনির হোসেনকে প্রধান এবং সখিপুর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এসএম রাকিবুর রাজা ও পরিদর্শক (ক্রাইম) সুব্রত কুমার সাহাকে সদস্য করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।’

সোমবার রাতে উপজেলার বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়িতে লেবু মিয়া মারা যান। তিনি বাঁশতৈল গ্রামের বাহার উদ্দিনের ছেলে।

ঘটনার পর পুলিশ দাবি করে, লেবু আত্মহত্যা করেছেন। তবে স্বজন ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, তাকে পুলিশ নির্যাতন করে হত্যা করেছে।

সখিনা আক্তার নামে এক নারীকে হত্যায় জড়িত থাকার সন্দেহে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লেবু মিয়া ও সেই নারীর সাবেক স্বামী মফিজুর রহমানকে আটক করে।

পুলিশ জানায়, পাঁচ বছর আগে স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয় সখিনা আক্তারের। দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর প্রবাসী ছেলের স্ত্রীকে থাকতেন। পুত্রবধূ বাড়িতে যাওয়ায় গত রোববার রাতে সখিনা বাড়িতে একাই ছিলেন। রাতের কোনো এক সময় তার ঘরে ঢুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরদিন বেলা ১২ টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে বাঁশতৈল ফাড়ি পুলিশ। এই ঘটনায় মফিজুর ও লেবুকে আটক করে রাতে ফাঁড়ির হাজাতখানায় রাখা হয়।

বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মনিরুজ্জামান বলেন, ‘মঙ্গলবার সকালে পুলিশ ফাঁড়িতে যাই। সেখানে গিয়ে লেবু মিয়ার গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় তাকে দেখতে পাই।’

লেবু মিয়ার স্ত্রী আলেয়া বেগম বলেন, ‘ভালো মানুষকে নিয়ে গেছে পুলিশ। তার সঙ্গে কিছুই ছিল না। কীভাবে রশি তার কাছে গেল? এটা আত্মহত্যা না, হত্যা করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে পুলিশ সুপার বলেন, ‘হাজতখানায় রশির বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। কারও দায়িত্বে অবহেলা থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

পুলিশ হেফাজতে লেবুর মৃত্যুর ঘটনা জানাজানির পর পুলিশের নির্যাতনে মৃত্যুর অভিযোগ এনে মঙ্গলবার সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী।

বিক্ষোভকারী মাসুদ মিয়া বলেন, ‘এটা আত্মহত্যা না, হত্যা করা হয়েছে। তিনি মানসিক রোগী না যে আত্মহত্যা করবেন। তিনি ভালো মানুষ। তাকে বেধরক মারপিটের কারণে মারা গেছে।’

আরও পড়ুন:
পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু নিয়ে বিক্ষোভ টাঙ্গাইলে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Childbirth in autorickshaw if returned to hospital

হাসপাতাল ফিরিয়ে দিলে অটোরিকশায় সন্তান প্রসব

হাসপাতাল ফিরিয়ে দিলে অটোরিকশায় সন্তান প্রসব টঙ্গীতে সিএনজিতেই সন্তান প্রসব করেছেন এক নারী। ছবি: নিউজবাংলা
মঙ্গলবার সকালে ওই নারীকে নেয়া হয় টঙ্গীর মাইশা জেনারেল হাসপাতালে। সেখানে ডা. জাকিয়া সুলতানার তত্ত্বাবধানে আলট্রাসোনোগ্রাফি করা হলে গর্ভের বাচ্চার পালস মেলেনি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীকে আইসিইউ সুবিধা আছে এমন হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেয় ৷ পরে উত্তরার একটি হাসপাতালে নেয়ার জন্য সিএনজিতে ওঠানো হলে সেখানেই গর্ভের সন্তান প্রসব করেন ওই নারী।

গাজীপুরের টঙ্গীতে হাসপাতাল থেকে ফিরিয়ে দিলে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় সন্তান প্রসব করেছেন এক নারী।

টঙ্গীর স্টেশন রোড এলাকায় মঙ্গলবার এ ঘটনা ঘটে। নবজাতক ও তার মা ফাতেমা দুজনই সুস্থ আছেন।

২০ বছর বয়সী ফাতেমা আক্তার টঙ্গীর টিএনটি বাজার এলাকায় স্বামীর সঙ্গে বসবাস করেন। তার স্বামীর নাম-পরিচয় ও বিস্তারিত ঠিকানা পাওয়া যায়নি।

স্বজনরা জানান, সোমবার বিকেল থেকে প্রসব ব্যাথা শুরু হয় সন্তান সম্ভবা ফাতেমা আক্তারের। প্রথমে বাড়িতে ধাত্রী এনে নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করা হয়। এতে ব্যর্থ হয়ে মঙ্গলবার সকালে ওই নারীকে নেয়া হয় টঙ্গীর মাইশা জেনারেল হাসপাতালে। সেখানে ডা. জাকিয়া সুলতানার তত্ত্বাবধানে আলট্রাসোনোগ্রাফি করা হলে গর্ভের বাচ্চার পালস মেলেনি।

তাৎক্ষণিক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীকে আইসিইউ সুবিধা আছে এমন হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেয়৷ পরে উত্তরার একটি হাসপাতালে নেয়ার জন্য সিএনজিতে ওঠানো হলে সেখানেই গর্ভের সন্তান প্রসব করেন ওই নারী। নবজাতক ও তার মা ফাতেমা দুজনেই সুস্থ আছেন।

তবে স্বজনদের দাবি, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণেই সিএনজিতে সন্তান প্রসবের ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গর্ভের বাচ্চা মারা গেছে বলে জানিয়েছে। অথচ সিএনজিতে নরমালি সন্তান প্রসব হয়।

যে সিএনজিটিতে সন্তান প্রসব হয় সেটির মালিক সোহরাব বলেন, ‘সন্তান সম্ভবা ওই নারীকে উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার জন্য আমার সিএনজিতে ওঠানো হয়। এ সময় সিএনজির ভেতরেই গর্ভের সন্তান প্রসব করেন ওই নারী। পরে তাকে শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সোহরাব বলেন, ‘যতদিন আমার এই সিএনজি থাকবে ততদিন ওই নবজাতক বাচ্চার জন্য সিএনজি ভাড়া ফ্রি করে দিয়েছি আমি।’

এদিকে, সিএনজিতে সন্তান প্রসবের খবর পেয়ে এলাকাবাসীর মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাইশা জেনারেল হাসপাতালে ভাংচুরের চেষ্টা চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ওমর ফারুক বলেন, ‘বাসায় নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করতে গিয়ে প্রসূতি ও গর্ভের সন্তানের অবস্থা আগেই সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। হাসপাতালে আনার পর প্রাথমিকভাবে আল্ট্রাসোনোগ্রাফি করা হলে গর্ভের বাচ্চার পালস পাওয়া যায়নি। এমতাবস্থায় প্রসূতি ও গর্ভের সন্তানের আইসিইউ সাপোর্ট দরকার হয়।

‘তাই রোগীকে আইসিইউ সুবিধা আছে এমন হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। পরে অন্য হাসপাতালে নেয়ার পথে সিএনজিতে সন্তান প্রসব করেন ওই নারী।’

এ ক্ষেত্রে হাসপাতালের কোনো অবহেলা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘সিএনজিতে সন্তান প্রসবের ঘটনায় উত্তেজিত এলাকাবাসীকে শান্ত করতে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে এ ঘটনায় রোগীর পরিবার কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। দুদিন আগেও হাসপাতালটিতে চিকিৎসার অবহেলায় দেড় বছরের শিশু মৃত্যুর অভিযোগ ওঠেছিল। তাই আপাতত হাসপাতালটিতে কোনো রোগী ভর্তি না করার জন্য কর্তৃপক্ষকে পরামর্শ দেয়া হয়।’

আরও পড়ুন:
একসঙ্গে জন্ম নিল তিন ভাই-বোন
ট্রেনে সন্তান প্রসব: মিতালী ট্রেনের নামে নবজাতকের নাম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Freight train carriage derailed in Tongi

টঙ্গীতে মালবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত

টঙ্গীতে মালবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত
টঙ্গী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক বলেন, ‘রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ঢাকা থেকে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন এসে উদ্ধারকাজ শুরু করবে।’

গাজীপুরের টঙ্গীতে মালবাহী ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। বুধবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে মধুমিতা রেললাইন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

টঙ্গী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক নুর মোহাম্মদ খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী মালবাহী কন্টেইনারের একটি বগি ভোরে মধুমিতা এলাকায় লাইনচ্যুত হয়। এতে আপ লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ আছে। তবে অপর লাইনে চলাচল করছে। এতে ট্রেন চলাচলে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।

‘রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ঢাকা থেকে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন এসে উদ্ধারকাজ শুরু করবে।’

আরও পড়ুন:
দেড় ঘণ্টা পর ঢাকা-উত্তরবঙ্গে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
গাজীপুরে তেলবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত
ভারতের তৈরি ৪২০ মালবাহী বগি কিনছে রেলওয়ে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A few times more than 250 beds and 250 patients

শয্যা আড়াইশ শত, রোগী কয়েক গুণ

শয্যা আড়াইশ শত, রোগী কয়েক গুণ ধারণক্ষমতার কয়েক গুণ রোগী ভর্তি থাকায় হাসপাতালটিতে দেখা দিয়েছে শয্যা সংকট। হাসপাতালে আসা রোগীরা থাকছেন মেঝেতে ও বারান্দায়। ছবি: নিউজাবংলা
জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে হঠাৎ কেন রোগীর সংখ্যা ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি হচ্ছে, জানতে চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, এটি শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের হাসপাতাল হিসেবে অস্থায়ীভাবে ব্যবহার হচ্ছে। এ কারণে পাশের কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ এবং শেরপুরের রোগীরাও এখানে আসছেন সেবার জন্য।

জেলার ২৫ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার একমাত্র ভরসাস্থল আড়াইশ শয্যার জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল। এক বছর ধরে প্রায় প্রতিদিনই ধারণক্ষমতার কয়েক গুণ রোগী ভর্তি থাকায় হাসপাতালটিতে দেখা দিয়েছে শয্যা সংকট। হাসপাতালে আসা রোগীরা মেঝেতে ও বারান্দায় থাকছেন।

হঠাৎ কেন রোগীর সংখ্যা ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি হচ্ছে, তা জানতে চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, এটি শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের হাসপাতাল হিসেবে অস্থায়ীভাবে ব্যবহার হচ্ছে। এ কারণে জামালপুরের পাশাপাশি কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ এবং শেরপুরের রোগীরাও এখানে আসছেন সেবার জন্য।

রোগী ও তাদের স্বজনেরা বলছেন, হাসপাতালে কয়েকদিন ভর্তি থাকার পরেও পাওয়া যায় না বেড। শয্যার সংকট থাকায় হাসপাতালের বারান্দা ও মানুষের চলাচলের রাস্তায় থাকতে হয় তাদের। এক বেডে থাকতে হয় একাধিক রোগীকে।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে রোগী মশিউর রহমান বলেন, ‘আমি এখানে সাত দিন ধইরে ভর্তি। এখানে কোনো বেড নাই। নিচ থেকে পাটি নিয়ে আইসে থাকতে হয়। তাও অনেক সমস্যা। এক পাটির ভিতরে দুই তিন জন আইসে বইসে থাকে। ফ্লোর অনেক শক্ত। আমাদের থাকতে অনেক কষ্ট হচ্ছে।’

শয্যা আড়াইশ শত, রোগী কয়েক গুণ

চিকিৎসা সেবা নিতে আসা আরেক রোগী সুজন মিয়া বলেন, ‘এখানে বেডের খুব সমস্যা। এক বিছানার মধ্যে দুই জন বইসে আছি। খুবই কষ্ট হয়ে গেছে। মন চাইলে একটু ভালো মতো শুইতে পারি না, বসতে পারি না। এইভাবে কি থাকা যায়?’

একজন রোগীর স্বজন মানিক মিয়া বলেন, ‘আমরা আসছি আমার নাতি নিয়ে। এই জায়গার পরিবেশ তেমন সুবিধাজনক না। দুর্গন্ধ, জায়গায় জায়গায় ময়লা-টয়লা ফালাই রাখছে। কোনায় কানায় হাবিজাবি রাখছে। সিট নাই। এডা সিটের মধ্যে দুইডা, তিনডা কইরে রোগী। এমন পরিবেশে চলতাছে। এই জায়গায় আইসে রোগী আরো অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে।’

এদিকে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ রোগী ভর্তি থাকায় চিকিৎসা সেবা প্রদানের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে ধীরগতি। অতিরিক্ত রোগী ভর্তি থাকায় হাসপাতালে তৈরি হয়েছে নোংরা ও দুর্গন্ধময় পরিবেশ। এতে আরো বিপাকে পড়েছে রোগীরা।

বকুল মিয়া নামে একজন রোগী বলেন, ‘প্রায় ২৪ ঘণ্টা পার হয়ে গেল আমি আসছি। আমার কোনো তথ্য, কোনো খোঁজখবর কেউ নেই নাই। ডাক্তারের কোনো সাজেশন পাওয়া যাইতাছে না। এদের তত্ত্বাবধান দুর্বলই। কোনো রোগীর তেমন তদারকি নাই। খুব কষ্টের মধ্যেই আছি।’

রোগীর স্বজন হাফিজুর রহমান বলেন, ‘এই জায়গার পরিবেশ অতো সুবিধাজনক হচ্ছে না। আর ডাক্তারও ঠিকঠাক মতো খোঁজখবর নিচ্ছে না। নার্সেরা ঠিকমতো খোঁজ নিচ্ছে না। আবার ডাক্তার রুমে ঠিকঠাক মতো থাকে না। এরকম অবস্থায় আছি আমরা। খুব সমস্যার মধ্যে আছি। আমরা গরীব মানুষ। তাই এই জায়গায় আসছি। টাকা থাকলে তো প্রাইভেট ডাক্তারের কাছেই যাইতাম।’

পেটের ব্যাথা নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগী শাওন মোল্লা বলেন, ‘এখানে কোনো পরিবেশও নাই। সাইডে কুকুর বইসে আছে, বিড়াল বইসে আছে। একটু যদি সরকার এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়, তাহলে হসপিটালের চিকিৎসার আরো উন্নয়ন হবে।’

শয্যা আড়াইশ শত, রোগী কয়েক গুণ

হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, ‘আড়াইশ শয্যার হাসপাতাল হলেও এখানে একশ শয্যার জনবল নিয়োগ দেয়া আছে। এর মধ্যেও বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নাই, নার্স নাই, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নাই। সব মিলিয়ে এ হাসপাতাল স্বাস্থ্য সেবার ক্ষেত্রে একটি হযবরল অবস্থা। আমরা শিগগিরই আড়াইশ শয্যার জনবল নিয়োগ চাই।’

এ বিষয়ে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মাহফুজুর রহমান সোহান বলেন, ‘আমাদের এই হাসপাতাল এখন অস্থায়ী শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহারের কারণে রোগীর চাপ অনেক বেড়ে গেছে। শুধু আমাদের জামালপুর না, পাশাপাশি কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ এবং শেরপুরের সমস্ত রোগী আমাদের এই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেবার জন্য আসে। আমরা ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত রোগী নিয়েও তাদেরকে সেবা দিয়ে যাচ্ছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘রোগীদের ঠিকমতো জায়গা দেওয়াই এখন হাসপাতালের সবচেয়ে বড় সমস্যা। পাশাপাশি ডাক্তার, নার্সদের বসার রুম নেই। আমরা যদি এই আবাসনগত সমস্যার সমাধার করতে পারি, আমাদের হাসপাতালের ভবন যদি আরও সম্প্রসারিত হয়, তাহলে ইনশাল্লাহ আমরা এই রোগীদেরকে ভালো মানের সেবা দিতে পারব।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Transferred 16 employees due to doctors harassment in own hospital

নিজ হাসপাতালে চিকিৎসকের হয়রানিতে ১৬ কর্মচারীকে বদলি

নিজ হাসপাতালে চিকিৎসকের হয়রানিতে ১৬ কর্মচারীকে বদলি রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল।
হাসপাতালের পরিচালক ডা. শরীফুল আলম বলেন, ‘আমি মেইলে দুটি পত্র পেয়েছি। তাতে বলা হয়েছে, এই বদলি জনস্বার্থে করা হয়েছে।’

মায়ের চিকিৎসা করাতে গিয়ে সম্প্রতি রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হয়রানির শিকার হয়েছিলেন ওই হাসপাতালেরই এক চিকিৎসক। পরে এ হাসপাতালে কর্মচারীদের অব্যবস্থানা ও নৈরাজ্য বন্ধে আন্দোলন শুরু করেন চিকিৎসকরা।

এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সরকারি ওই হাসপাতালটির ১৬ কর্মচারীকে একযোগে বদলীর আদেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

বদলীর আদেশসহ এক পরিপত্রে বলা হয়েছে, আগামী সাত কর্মদিবসে কর্মচারীদের নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. শরীফুল আলম।

তিনি বলেন, ‘আমি মেইলে দুটি পত্র পেয়েছি। তাতে বলা হয়েছে, এই বদলী জনস্বার্থে করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে তাদের বদলী করা হয়েছে।’

বদলীর আদেশ পাওয়া কর্মচারীরা হলেন- অফিস সহায়ক সিরাজুল ইসলাম, বিউটি আক্তার, দুলাল বসুনিয়া, জানুরাম সরকার, নুরুজ্জামন, রইস উদ্দিন, মহিত আল রশিদ উদয়, আল আমিন ইসলাম, হামিদুল ইসলাম, মোরশেদ হাবীব, শাহজাদা মিয়া ও আবু জাফর।

এ ছাড়া নিরাপত্তা প্রহরী রহমত আলী, পরিচ্ছন্নকর্মী হাসিনা বেগম, ওয়ার্ড মাস্টার আবুল হাসান, স্টোনো টাইপিষ্ট আব্দুল আলীমকেও অন্যত্র বদলি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৭ সেপ্টেম্বর রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অর্থো সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক এবিএম রাশেদুল আমীর তার মাকে চিকিৎসার জন্য ওই হাসপাতালে পাঠান। পরে সেখানে ভর্তির জন্য অতিরিক্ত ২৫০ টাকা দাবি করা ছাড়াও বকশিস হিসেবে আরও ২০০ টাকা দাবি করা হয়।

এ ঘটনায় পরদিন হাসপাতালের পরিচালকসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেন রাশেদুল আমীর।

সর্বশেষ গত সোমবার হাসপাতাল চত্বরে মানববন্ধন করেন চিকিৎসরা।

আরও পড়ুন:
ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষক বরখাস্ত
অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ কর্মচারীর
শহীদ মিনারে মারধর: কর্মবিরতিতে ঢাকা মেডিক্যালের ইন্টার্নরা
ডা. সাজ্জাদকে মারধর: ইন্টার্নদের কর্মবিরতির আল্টিমেটাম
শহীদ মিনারে মারধর: ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আলটিমেটাম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Russel unleashed the Viper causing panic

রাসেলস ভাইপার অবমুক্ত করায় গড়াই পাড়ে আতঙ্ক

রাসেলস ভাইপার অবমুক্ত করায় গড়াই পাড়ে আতঙ্ক শামীম হোসেন নামে এক মাছ শিকারীর জালে ধরা পড়ে সাপটি। ছবি: নিউজবাংলা
বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে যেসব সাপ দেখা যায়, এদের মধ্যে রাসেলস ভাইপারই সবচেয়ে বিষাক্ত। এটি বাংলাদেশে চন্দ্রবোড়া বা উলুবোড়া নামেও পরিচিত।

কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদীতে ধরা পড়া বিষধর একটি রাসেলস ভাইপার সাপ গড়াই নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে ওই নদী তীরবর্তী অঞ্চলে বসবাসকারীদের মধ্যে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে গড়াই রেল ও সড়ক সেতুর নিচে সাপটিকে অবমুক্ত করা হয়েছে বলে উপজেলা বনবিভাগের কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে পদ্মা নদীতে শামীম হোসেন নামে এক মাছ শিকারীর জালে সাপটি ধরা পড়ে।

শামিম হোসেন বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো আজ সকাল ৭টার দিকে নদীতে পাতা দোয়াড় জাল তুলে দেখি একটি অন্যরকম সাপ। প্রথমে অজগর মনে করেছিলাম। পরে বনবিভাগের লোকজন এটিকে বিষাক্ত রাসেলস ভাইপার হিসেবে চিহ্নিত করে নিয়ে যায়।’

এদিকে গড়াই নদীতে বিষাক্ত রাসেলস ভাইপার সাপটি অবমুক্ত করায় চিন্তিত নদীটির পাড়ে বসবাস করা লোকজন।

কুমারখালী উপজেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি মো. আকরাম হোসেন বলেন, ‘পদ্মা থেকে এনে সাপটিকে গড়াইয়ে ছেড়ে দিয়ে লাভ কি হলো? গড়াই নদীপাড়ে লোকালয় বেশি। এটা দায়সারা কাজ হয়েছে। অনেক দূরে কোথাও ফাঁকা স্থানে অবমুক্ত করলে ভাল হতো।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্যের জন্য বিলুপ্তপ্রায এই সাপ যেমন টিকিয়ে রাখা দরকার, তেমনি মানুষের নিরাপত্তার কথাও চিন্তা করা উচিত।

রাসেলস ভাইপার অবমুক্ত করায় গড়াই পাড়ে আতঙ্ক
গড়াই রেল ও সড়ক সেতুর নিচে সাপটিকে অবমুক্ত করা হয়েছে

এদিকে কুষ্টিয়া বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জি এম মোহাম্মদ কবির বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে সাপটি ভারত থেকে পদ্মা নদী হয়ে এসেছে। জব্দ করার পর গড়াই নদে অবমুক্ত করা হয়। এতে আতঙ্কের কিছু নেই। নদী বেয়ে অন্যত্র চলে যাবে।’

এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ওসি কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘এখানে আমাদের কিছু করার নেই। বিষয়টি বনবিভাগের। তারাই ভাল বলতে পারবেন।’

বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এর আগেও পদ্মা ও গড়াই নদীতে বেশ কয়েকবার রাসেল ভাইপার সাপ পাওয়া গেছে। পরে সেগুলো নদীর দুর্গম চরে অবমুক্ত করা হয়েছে।

বাংলাদেশে যেসব সাপ দেখা যায়, এদের মধ্যে রাসেলস ভাইপারই সবচেয়ে বিষাক্ত। এটি বাংলাদেশে চন্দ্রবোড়া বা উলুবোড়া নামেও পরিচিত।

আরও পড়ুন:
সাপের ছোবলে প্রাণ গেল স্কুলছাত্রীর
চবিতে ১০ ফুট লম্বা অজগর
ভাইয়ের শেষকৃত্যে এসে তারও মৃত্যু সাপের ছোবলে
সাপের ছোবলে প্রাণ গেল ২ মাদ্রাসাছাত্রের
সাপের মাথার আকৃতি বলে দেয় বিষধর কি না

মন্তব্য

p
উপরে