× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Qutbs bail of the land is cancelled
hear-news
player
print-icon

ভূমির কুতুবের জামিন বাতিল

ভূমির-কুতুবের-জামিন-বাতিল
সুপ্রিম কোর্ট চত্বর। ফাইল ছবি
ভুয়া আমমোক্তারনামার মাধ্যমে প্লট আত্মসাতের মামলায় পাঁচ বছরের সাজা হয় কুতুবের। গত ১৪ জুলাই তাকে ছয় মাসের জামিন দেয় হাইকোর্ট। হাইকোর্টের এ জামিনাদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে দুদক।

শ্বশুরসহ কয়েকজন আত্মীয়ের নামে ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নিয়ে আত্মসাতের ঘটনায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা কুতুব উদ্দিন আহমেদের জামিন বাতিল করে দিয়েছে আপিল বিভাগ।

বিচারপতি মো. নূরুজ্জামানসহ তিন বিচারপতির আপিল বেঞ্চ বুধবার এ আদেশ দেয়।

আদালতে কুতুবের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। দুদকের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আদালত জামিন দেননি। আবেদনটি নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন।’

গত ২০ জুলাই আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের আদালত কুতুবকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন স্থগিত করে দেয়।

ভুয়া আমমোক্তারনামার মাধ্যমে প্লট আত্মসাতের মামলায় পাঁচ বছরের সাজা হয় কুতুবের। গত ১৪ জুলাই তাকে ছয় মাসের জামিন দেয় হাইকোর্ট। হাইকোর্টের এ জামিনাদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে দুদক।

ওই মামলায় চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি কুতুবকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত। এরপর গত ১৬ মার্চ বিচারিক আদালতের সাজার বিরুদ্ধে কুতুবের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে হাইকোর্ট।

২০১৮ সালের ৮ এপ্রিল রাজধানীর গুলশান থানায় কুতুব উদ্দিনের নামে মামলা করেন দুদকের উপপরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কুতুব উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সরকারি কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও ভুয়া আমমোক্তারনামার মাধ্যমে গুলশানে ১০ কাঠার প্লট তার শ্বশুরসহ কয়েকজনের নামে বরাদ্দ করেছেন।

আরও পড়ুন:
বিচারপ্রার্থীদের বিশ্রামে ‘ন্যায়কুঞ্জ’
রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় অভিযানে জব্দ অবৈধ মোবাইল, সিম, ওয়াকিটকি
১৫ দিনেই নিষ্পত্তি হবে গ্রাম আদালতের মামলা
ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানার টাকা জমা হচ্ছে কি না খতিয়ে দেখার নির্দেশ
শাশুড়িকে হত্যা মামলায় জামাইয়ের যাবজ্জীবন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Maryam Mannan is also involved in hiding the mother

মায়ের আত্মগোপনে মরিয়ম মান্নানও জড়িত!

মায়ের আত্মগোপনে মরিয়ম মান্নানও জড়িত! মা রহিমা বেগমের (বাঁয়ে) সন্ধান চেয়ে মরিয়ম মান্নানের কান্নার ছবি ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ছবি: সংগৃহীত
দৌলতপুর থানার এক কর্মকর্তার দাবি, ‘জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে রহিমা ও তার মেয়েরা অপহরণের নাটক সাজান। রহিমা আত্মগোপনে যাওয়ার পর অজ্ঞাতপরিচয় যেকোনো নারীর মরদেহকে মায়ের বলে দাবি করার পরিকল্পনাও সাজিয়ে রেখেছিলেন তার মেয়েরা।’

খুলনার মহেশ্বরপাশা থেকে নিখোঁজ রহিমা বেগমকে অক্ষত অবস্থায় ফরিদপুরে উদ্ধার করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। মায়ের নিখোঁজের তথ্য জানিয়ে প্রায় এক মাস ধরে তার সন্ধান করছিলেন তার মেয়ে মরিয়ম মান্নান। মরিয়মের কান্নার ছবি ছুঁয়ে যায় সবাইকে।

তবে রহিমা বেগমকে উদ্ধারের পর পুলিশ বলছে, তিনি স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন। মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা খুলনার দৌলতপুর থানার এসআই লুৎফুল হায়দার তাকে উদ্ধারের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

ফরিদপুরের বোয়ালমারী থানার ওসি আব্দুল ওহাব জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রাম থেকে রহিমা বেগমকে উদ্ধার করা হয়। তাকে খুলনায় পাঠানো হচ্ছে।

পুলিশের একটি দল রাত ২টার দিয়ে রহিমা বেগমকে নিয়ে খুলনার দৌলতপুর থানায় পৌঁছায়।

মায়ের আত্মগোপনে মরিয়ম মান্নানও জড়িত!
রহিমা বেগমকে নিয়ে গভীর রাতে ফরিদপুর থেকে খুলনা পৌঁছায় পুলিশের একটি দল

পুলিশ জানায়, রহিমা বেগমের খুলনার বাড়িতে বেশ কয়েক বছর আগে কুদ্দুস মোল্লা নামে এক ব্যক্তি ভাড়া থাকতেন। তার বাড়ি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুরে। ওই বাড়িতেই রহিমা বেগম আত্মগোপনে ছিলেন।

দৌলতপুর থানার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা দাবি করেন, ‘জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে রহিমা ও তার মেয়েরা অপহরণের নাটক সাজান। রহিমা আত্মগোপনে যাওয়ার পর অজ্ঞাতপরিচয় যেকোনো নারীর মরদেহকে মায়ের বলে দাবি করার পরিকল্পনাও সাজিয়ে রেখেছিলেন তার মেয়েরা।’

এর আগে গত শুক্রবার ময়মনসিংহে ১২ দিন আগে উদ্ধার করা একটি মরদেহকে মায়ের বলে দাবি করেছিলেন মরিয়ম মান্নানসহ রহিমা বেগমের তিন মেয়ে।

খুলনার দৌলতপুর মহেশ্বরপাশার বণিকপাড়া থেকে গত ২৭ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিখোঁজ হন রহিমা। সেসময় রহিমার দ্বিতীয় স্বামী বিল্লাল হাওলাদার ওই বাড়িতে ছিলেন। পানি আনতে বাসা থেকে নিচে নেমেছিলেন রহিমা।

এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই অপহরণ মামলা করেন রহিমা বেগমের মেয়ে আদুরী।

খোঁজ না পাওয়ায় পরদিন রহিমার ছেলে মো. মিরাজ আল সাদী দৌলতপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

রহিমা অপহৃত হয়েছেন দাবি করে ১ সেপ্টেম্বর খুলনায় সংবাদ সম্মেলন করেন পরিবারের সদস্যরা।

রহিমার সঙ্গে জমি নিয়ে স্থানীয়দের মামলা চলছে বলেও সে সময় জানানো হয়েছিল। রহিমার করা সেই মামলায় আসামিরা হলেন প্রতিবেশী মঈন উদ্দিন, গোলাম কিবরিয়া, রফিুকল ইসলাম পলাশ, মোহাম্মাদ জুয়েল ও হেলাল শরীফ।

আদালত ১৪ সেপ্টেম্বর রহিমা অপহরণ মামলা পিবিআইতে পাঠানোর আদেশ দেয়। এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর নথিপত্র বুঝে নেয় পিবিআই।

এরই মধ্যে গত বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহে ১২ দিন আগে উদ্ধার করা এক নারীর মরদেহকে রহিমা বেগমের বলে দাবি করেন তার মেয়েরা। এদিন রাত পৌনে ১২টার দিকে মরিয়ম মান্নান ফেসবুক এক পোস্টে বলেন, ‘আমার মায়ের লাশ পেয়েছি আমি এই মাত্র।’

পরদিন সকালে নিখোঁজ রহিমার মেয়ে মরিয়ম মান্নান, মাহফুজা আক্তার ও আদুরী আক্তার ফুলপুর থানায় পৌঁছান।

এ সময় পুলিশ অজ্ঞাত ওই নারীর ছবিসহ পরনে থাকা আলামতগুলো মেয়েদের দেখান। মরিয়ম মান্নান তার মায়ের ছবিসহ সালোয়ার-কামিজ দেখে দাবি করেন, এটিই তার মায়ের মরদেহ।

মরিয়ম মান্নান সে সময় সাংবাদিকদের বলেন, ‘২৭ দিন ধরে আমার মা নিখোঁজ। আমরা প্রতিনিয়ত মাকে খুঁজছি। এরই মধ্যে গত ১০ সেপ্টেম্বর ফুলপুর থানায় অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে আমরা এখানে এসেছি। সালোয়ার-কামিজ ছাড়াও ছবিতে আমার মায়ের শরীর, কপাল ও হাত দেখে মনে হয়েছে এটাই আমার মা।’

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে মরিয়মকে জানানো হয়, ডিএনএ টেস্ট ছাড়া মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

ফুলপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল মোতালেব চৌধুরী শুক্রবার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মরিয়মের মায়ের বয়স ৫৫ বছর। আমরা যে গলিত মরদেহটি উদ্ধার করেছি, তার আনুমানিক বয়স ২৮ থেকে ৩২ বছর মনে হচ্ছে। এসব দিক বিবেচনায় মরদেহটি তার মায়ের নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।’

আরও পড়ুন: বস্তাবন্দি মরদেহ মরিয়ম মান্নানের মায়ের কি না সংশয়

ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত ১০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বওলা ইউনিয়নের পূর্বপাড়া গ্রাম থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটির পরনে তখন গোলাপি রঙের সালোয়ার; গায়ে সুতির ছাপা গোলাপি, কালো-বেগুনি ও কমলা রঙের কামিজ এবং গলায় গোলাপি রঙের ওড়না প্যাঁচানো ছিল। পরে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করতে না পেরে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে ১২ সেপ্টেম্বর দাফন করা হয়। ডিএনএ টেস্ট করতে প্রয়োজনীয় আলামতও সংরক্ষণ করা হয়েছে।’

ওসি বলেন, ‘মরিয়ম মান্নান ওই মরদেহটি তার মা রহিমার দাবি করলেও নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করতে পারেননি। চূড়ান্তভাবে মরদেহ শনাক্তে মরিয়মের ডিএনএ টেস্ট করা প্রয়োজন।’

আরও পড়ুন:
কারা অপহরণ করেছিল, জানেন না অপহৃত দুজন
টেকনাফে অপহৃত ৪ জন উদ্ধার, গ্রেপ্তার যুবক
শিশু অপহরণের দায়ে স্বামী-স্ত্রীর ১৪ বছরের কারাদণ্ড
টেকনাফে ২ যুবক অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি
বস্তাবন্দি জীবিত কিশোরী উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার নারী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A case of throwing acid on a housewife

গৃহবধূকে এসিড নিক্ষেপের ঘটনায় মামলা 

গৃহবধূকে এসিড নিক্ষেপের ঘটনায় মামলা 
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ‘জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার জন্য ঘরের জানালা দিয়ে বোতলে থাকা এসিড নিক্ষেপ করে। নিক্ষিপ্ত এসিডে তার মুখের বাম দিকের কিছু অংশ, গলার বাম পাশ ও বাম হাতের বিভিন্ন স্থান ঝলসে যায়।’

খুলনার কয়রায় গৃহবধূর শরীরে অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনায় ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শনিবার রাত ৮টায় ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে কয়রা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় প্রতিবেশী আবদুল খালেক গাজী, সাইফুল গাজী, আবদুল মালেক গাজী ও নূর আলম গাজীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৩/৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার রাত ৩টার দিকে উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউ‌নিয়নের গিলাবা‌ড়ি কু‌চির মোড়ে নিজ বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় তার গায়ে অ্যাসিড নিক্ষেপ করা হয়। রাতেই তাকে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ‘জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার জন্য ঘরের জানালা দিয়ে বোতলে থাকা এসিড নিক্ষেপ করে। নিক্ষিপ্ত এসিডে তার মুখের বাম দিকের কিছু অংশ, গলার বাম পাশ ও বাম হাতের বিভিন্ন স্থান ঝলসে যায়।’

ওই গৃহবধূর ছেলে আবু জাফর সিদ্দিক বলেন, ‘পূর্বশত্রুতার জেরে শুক্রবার রাতে আমার নানা গফফার গাজীকে মারধর করে খালেক গাজীসহ কয়েকজন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে তারা পালিয়ে যায়। ওই রাতে ঘরে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় জানালা দিয়ে দুর্বৃত্তরা অ্যাসিড নিক্ষেপ করে। মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে দ্রুত তাকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।’

তিনি বলেন, ‘এর আগে ১১ জুলাই সকালে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে খালেক গাজী, আনিচ গাজীসহ কয়েকজন মিলে মাকে বাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে বিবস্ত্র করে মারধর করে। তখন আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।’

কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুদীপ বালা বলেন, ‘ওই নারীর শরীরে ক্যামিকেল জাতীয় পদার্থ ছুড়ে মারা হয়েছে। এটা আমরা নিশ্চিত হয়েছি। তবে সেটা এসিড কিনা তা ল্যাব পরীক্ষা ছাড়া বলা সম্ভব নয়। তবে এসিড জাতীয় পদার্থের মতোই মনে হয়েছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।’

কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ বি এম এস দোহা বলেন, ‘বিকেলে ওই নারী বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Spy arrested in West Bengal

পশ্চিমবঙ্গে ‘গুপ্তচর’ গ্রেপ্তার

পশ্চিমবঙ্গে ‘গুপ্তচর’ গ্রেপ্তার পাকিস্তানের চর সন্দেহে গ্রেপ্তার পীর মোহাম্মদ। ছবি: সংগৃহীত
পীর মোহাম্মদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন ও একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়েছে। এসটিএফ কর্মকর্তারা তা পরীক্ষা করছেন। জব্দ করা ডিভাইসে ভারতীয় সেনা ছাউনির বিভিন্ন ছবি মিলেছে। ফোনবুকে আছে অনেক পাকিস্তানি নম্বর।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ’র মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় থাকা পীর মোহাম্মদ নামের কথিত এক গুপ্তচরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ) পশ্চিমবঙ্গের কালিংপং থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশের দাবি, পীর মোহাম্মদ পাকিস্তানের চর। গুরুদাসপুরে রেললাইন ওড়ানোর ষড়যন্ত্রে তার সংশ্লিস্টতা আছে। জঙ্গিরা ভারতের কোথায় কোথায় ঘাঁটি তৈরি করতে পারে, সে বিষয়ে তথ্য পাচারের বেশ কিছু প্রমাণ আছে। তার কাছে পাকিস্তানি সিমকার্ড পাওয়া গেছে।

গ্রেপ্তারের সময় পীর মোহাম্মদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন ও একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়েছে। এসটিএফ কর্মকর্তারা তা পরীক্ষা করছেন।

জব্দ করা ডিভাইসে ভারতীয় সেনা ছাউনির বিভিন্ন ছবি মিলেছে। ফোনবুকে আছে অনেক পাকিস্তানি নম্বর। হোয়াটস অ্যাপ কলের মাধ্যমে তিনি রাওয়ালপিন্ডিতে পাক অফিসারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন বলে দাবি করেছেন এসটিএফ গোয়েন্দারা।

পীর মোহাম্মদ মূলত নেপালের বাসিন্দা, তবে তিনি দীর্ঘদিন কালিংপংয়ে অবস্থান করছিলেন। তিনি গ্রামে ঘুরে ঘুরে সহজ কিস্তিতে ইলেকট্রনিক্স জিনিস বিক্রি করতেন। ২০২০ সালে পীর মোহাম্মদ নেপালে যান। তাবলিগ-ই জামাত করতে গিয়ে তিনি পাক গোয়ান্দের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। এরপর টাকার বিনিময়ে তাদের তথ্য সরবরাহ করতেন।

মূলত ‘তথ্যের বিনিময়ে টাকার’ টোপ দিয়ে পীর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দারা। হেফাজতে রেখে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
কলকাতায় জঙ্গি নেতার বাড়িতে তল্লাশি
কালা জাদুর অভিযোগে ঘরছাড়া করা অপ্রত্যাশিত: কলকাতা হাইকোর্ট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Accused arrested for hacking housewife

গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা, আসামি গ্রেপ্তার

গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা, আসামি গ্রেপ্তার
ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গৃহবধূকে হত্যার ঘটনায় শুক্রবার রাতে মামলা করেন নিহতের বোন। শনিবার দুপুরে শহর থেকে বাবুলকে আটক করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

ময়মনসিংহে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মো. বাবুল নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার দুপুরে ময়মনসিংহ শহর থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক বাবুল নগরীর আকুয়া এলাকার বাসিন্দা।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সাথী আক্তার নামে ওই গৃহবধূকে হত্যার ঘটনায় শুক্রবার রাত ১২টার দিকে হৃদয় ও তার মামা বাবুলের নাম উল্লেখসহ আরও চারজনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেন নিহতের বোন। মামলার পর থেকেই আসামিদের ধরতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। শনিবার দুপুরে শহর থেকে বাবুলকে আটক করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

মামলার বরাত দিয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ‘১০ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে বাবার বাসার পাশেই থাকতেন সাথী। প্রতিবেশী যুবক হৃদয়ের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

‘সম্প্রতি সাথী বিয়ের জন্য হৃদয়কে চাপ দিচ্ছিলেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে মাঝেমধ্যেই বাগবিতণ্ডা হতো। এরই জের ধরে শুক্রবার ভোরে হৃদয় তার মামা বাবুলসহ কয়েকজনকে নিয়ে সাথীর ঘরে ঢুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এ সময় সাথীর মোবাইল ফোনটিও নিয়ে যায় তারা।

ওসি জানান, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন:
স্বজনদের দুর্ঘটনা দাবি করা গৃহবধূর মৃত্যুতে এবার মামলা
গৃহবধূর মৃত্যু: স্বজনদের দাবি দুর্ঘটনা, স্থানীয়দের কাছে রহস্য
গৃহবধূকে নির্যাতন করে হত‍্যার অভিযোগে স্বামী-শ্বশুর আটক
পুলিশের স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার
বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কে সাড়া না পেয়ে গৃহবধূর স্বামীকে নাজেহালের অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
22 thousand liters of diesel seized

২২ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ

২২ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ ডিজেলের চালানসহ আটক করা হয় দুজনকে। ছবি: সংগৃহীত
ইঞ্জিনচালিত দুটি ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে পাওয়া যায় ২২ হাজার লিটার ডিজেল, যা চোরাই তেল বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযানে আটক করা হয় জলিল সরদার ও তারেক রহমান নামে দুজনকে।

ধলেশ্বরী নদীতে অভিযান চালিয়ে কোস্টগার্ড জব্দ করেছে ২২ হাজার লিটার ডিজেলসহ দুটি ট্রলার। এ সময় আটক করা হয়েছে দুজনকে।

মুন্সীগঞ্জ শহরের উপকণ্ঠ মুক্তারপুর গ্রামসংলগ্ন নদীতে শুক্রবার গভীর রাতে এ অভিযান চলে।

কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার খন্দকার মুনিফ তকি শনিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

মুক্তারপুর শাহ সিমেন্ট ফ্যাক্টরির কাছে ধলেশ্বরী নদীতে শুক্রবার রাতে বিশেষ অভিযান চালায় পাগলা কোস্টগার্ড স্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট শামস সাদেকীন নির্ণয়ের নেতৃত্বে একটি টিম। ইঞ্জিনচালিত দুটি ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে পাওয়া যায় ২২ হাজার লিটার ডিজেল, যা চোরাই তেল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অভিযানে আটক করা হয় জলিল সরদার ও তারেক রহমান নামে দুজনকে। তাদের বাড়ি পটুয়াখালীর মহিপুর ও লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে। জব্দ করা ডিজেলের বৈধ কাগজপত্র তারা দেখাতে পারেননি।

কোস্টগার্ড কর্মকর্তা খন্দকার মুনিফ তকি জানান, জব্দ করা ডিজেলের বাজারমূল্য প্রায় ২৪ লাখ টাকা। ডিজেলসহ আটক দুজনকে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fraudster arrested with fake money

জাল টাকাসহ প্রতারক গ্রেপ্তার

জাল টাকাসহ প্রতারক গ্রেপ্তার জাল টাকাসহ আটক ফখরুল। ছবি: নিউজবাংলা
ব্যবসায়ী হাসান আলী অভিযোগ করেন, ‘শনিবার দুপুরে করমদি বাজারে নিজের দোকানে বসে থাকার সময় এক ব্যক্তি ১০ হাজার টাকা বিকাশ করতে আসেন। বাড়িওয়ালা অসুস্থ, তাই দ্রুত দশ হাজার টাকা বিকাশ করতে হবে বলে জানান। টাকা পাঠানোর পর তিনি যে নোট দেন তা দেখে সন্দেহ হয়।’

বিকাশ ব্যবসায়ীকে জাল টাকা গছিয়ে দেয়ার সময় মেহেরপুরের গাংনীতে ফখরুল ইসলাম নামে এক প্রতারককে আটক করা হয়েছে। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

শনিবার বেলা ৩টার দিকে গাংনী উপজেলার তেতুলবাড়িয়া ইউনিয়নের করমদি বাজারে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ইউপি সদস‍্য আব্দুল ওহাব বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ব্যবসায়ী হাসান আলী অভিযোগ করেন, ‘শনিবার দুপুরে করমদি বাজারে নিজের দোকানে বসে থাকার সময় এক ব্যক্তি ১০ হাজার টাকা বিকাশ করতে আসেন। বাড়িওয়ালা অসুস্থ, তাই দ্রুত দশ হাজার টাকা বিকাশ করতে হবে বলে জানান। টাকা পাঠানোর পর তিনি যে নোট দেন তা দেখে সন্দেহ হয়।

‘পরীক্ষা করে নোটগুলো জাল বলে নিশ্চিত হলে অন্য ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় আটক করা হয় ফখরুল নামের ব্যক্তিকে। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।’
পুলিশ জানায়, ফখরুল ইসলামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার খেজুরবাড়িয়া গ্রামে। মেহেরপুরে তার অবস্থানসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

গাংনী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনজিত কুমার বলেন, ‘জাল টাকা নিয়ে বিকাশ ব্যবসায়ীর সঙ্গে প্রতারণা করার সময় ফখরুল ইসলাম নামের একজনকে জনতা আটক করেছে। তার বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

আরও পড়ুন:
ধার শোধে জাল নোট দেয়ায় নারী কারাগারে
নিজ বাসায় জাল টাকার কারবার, মূলহোতা গ্রেপ্তার
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জাল টাকাসহ ২ তরুণ আটক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
58 cows returned to the flag meeting

পতাকা বৈঠকে ফিরল ৫৮ গরু

পতাকা বৈঠকে ফিরল ৫৮ গরু মুচলেকা নিয়ে মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয় গরু। ছবি: নিউজবাংলা
শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে গরুর পাল রাজশাহীর খিদিরপুর বিওপি’র সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তে ঢুকে পড়ে। ঘাস খেতে খেতে গরুগুলো ভারতীয় সীমান্তে আনুমানিক ৫০০ গজ ভেতরে গেলে বিএসএফ ৫৮টি গরু আটক করে নিয়ে যায়।

মাঠে ঘাস খেতে খেতে ভারতীয় সীমান্তে ঢুকে পড়েছিল গরুর পাল। অবৈধভাবে সীমানা অতিক্রমের অপরাধে তাদের আটক করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। পরে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ৫৮টি গরু ফেরত এনেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

ঘটনাটি রাজশাহী সীমান্তের। ১৯ ঘণ্টা পর শনিবার সকালে মালিকদের কাছে ৫৮টি গরু হস্তান্তর করে বিজিবি।

বিজিবির রাজশাহী ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাব্বির আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

বিজিবি কর্মকর্তা জানান, শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে গরুর পাল রাজশাহীর খিদিরপুর বিওপি’র সীমান্ত পিলার-১৫৯/৪-এস-এর পাশ দিয়ে ভারতীয় সীমান্তে ঢুকে পড়ে। এসব গরুর মালিক বাংলাদেশি নাগরিকরা। ঘাস খেতে খেতে গরুগুলো ভারতীয় সীমান্তে আনুমানিক ৫০০ গজ ভেতরে ঢুকে যায়।

ভারতের ১১৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের রাজানগর ক্যাম্পের টহল দল ৫৮টি গরু আটক করে নিয়ে যায়। ঘটনা জানার পর শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে খিদিরপুর বিওপি কমান্ডার এবং রাজানগর ক্যাম্প কমান্ডার পতাকা বৈঠকে বসেন।

সীমান্তে পতাকা বৈঠকের পর আটক গরুগুলো বিজিবির কাছে ফেরত দিতে রাজি হয় বিএসএফ। গরু বুঝে নেয়ার পর শনিবার তা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করে বিজিবি।

শনিবার বেলা ১১টার দিকে বিজিবি ১ ব্যাটালিয়নের অ্যাডজুটেন্ট সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, হরিয়ান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মফিদুল ইসলাম বাচ্চু, ইউপি মেম্বার গোলাম মোস্তফাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এ নিয়ে বৈঠক করেন।

রাখাল ও মালিকের উপস্থিতিতে মুচলেকা নিয়ে গরুগুলো হস্তান্তর করা হয়। ভবিষ্যতে গবাদিপশু যেন ভারতের সীমান্তে ঢুকে না পড়ে, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলেন বিজিবি কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তরক্ষীর প্রীতি ফুটবল ম্যাচ
‘বিএসএফের গুলিতে’ বাংলাদেশি নিহত
কোলের শিশুকে ছুড়ে ধর্ষণের অভিযোগ বিএসএফ ২ জওয়ানের বিরুদ্ধে
সীমান্ত থেকে বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ
ঢাকায় বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন শুরু

মন্তব্য

p
উপরে