× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Zias demand for posthumous execution before trial
google_news print-icon

বিচারের আগেই ফাঁসি, জিয়ার মরণোত্তর বিচার দাবি

বিচারের-আগেই-ফাঁসি-জিয়ার-মরণোত্তর-বিচার-দাবি
আন্তর্জাতিক গুম দিবসে মঙ্গলবার দুপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক আলোচনার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। ছবি: নিউজবাংলা
‘বিচার করার বিধি-বিধান আছে। কিন্তু কোনো নিয়ম জিয়া মানে নাই। নাম একজনের দেখে আরেকজনকে ফাঁসির কাষ্ঠে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আগে গুম করা হয়েছে তারপরে ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। তাদের লাশটা পর্যন্ত পাওয়া যায় নাই। আজকে স্বজনদের আর্তনাদ শুনতে হয়।’

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ১৯৭৭ সালে সেনা ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের অন্যায়ভাবে প্রক্রিয়া না মেনেই ফাঁসি দেয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। এসব ফাঁসিকে প্রহসনমূলক হত্যা উল্লেখ করে সে সময়ের জিয়ার মরণোত্তর বিচার দাবি করেছেন তিনি।

আন্তর্জাতিক গুম দিবসে মঙ্গলবার দুপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘১৯৭৭ সালে খুনি জিয়ার সামরিক ষড়যন্ত্রের শিকার আমরা’ ব্যানারে এক আলোচনার আয়োজন করা হয়। এতে তিনি এসব কথা বলেন।

এতে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে গুম এবং হত্যা জিয়াই শুরু করেন। জীবনকে বাঁজি রেখে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেন মুক্তিযোদ্ধারা। ১৯৭৭ সালের অক্টোবর মাসে সেই তাদেরকেই ফাঁসি দেন জিয়াউর রহমান।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘বিচার করার বিধি-বিধান আছে। কিন্তু কোনো নিয়ম জিয়া মানে নাই। নাম একজনের দেখে আরেকজনকে ফাঁসির কাষ্ঠে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আগে গুম করা হয়েছে তারপরে ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। তাদের লাশটা পর্যন্ত পাওয়া যায় নাই। আজকে স্বজনদের আর্তনাদ শুনতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর অনেক দেশে নজির রয়েছে মুক্তিযোদ্ধারা অপরাধ করলে তাদের অপরাধকে ক্ষমা করে দেয়া হয়। আর এখানে তাদেরকে বিচার করার আগেই ফাঁসি দেয়া হযেছে।’

জিয়ার মরণোত্তর বিচারের দাবি জানিয়ে মোজাম্মেল বলেন, ‘একটু আগে বিচারপতি বলে গেলেন মৃত ব্যক্তিদের বিচার হয় না। তবে গণদাবিতে অনেক কিছুই হয়। আইনের বাইরেও অনেক কিছু করতে হয়। গণমানুষের প্রয়োজনে আইনের ব্যত্যয়ও ঘটে। পৃথিবীতে মরণোত্তর বিচারের নজির আছে। বহু দেশে মরণোত্তর বিচার হয়েছে।

‘সেই দায়িত্বববোধ থেকে জিয়ার মরণোত্তর বিচার হওয়া বাঞ্ছনীয় ও জরুরি। এটা করা কোনো বেআইনিও হবে না।

বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, ‘আজ একটি নারকীয় দিবস। এ রকম নারকীয় দিবস আমাদের দেশে অনেক হয়েছে, যার শুরু হয়েছে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে। আমাদের জাতীয় নেতৃবৃন্দকে হত্যা করা হয়েছিল। এ রকমই আরেকটি ঘটনা ঘটেছিলো ১৯৭৭ সালে।

‘১৯৭৭ সালে বিচারের নামে দেড় হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে ফাঁসি দেয়া হয়েছিল। বিচারের কোনো প্রক্রিয়াই মানা হয়নি। তাদের লাশ কোথায় আছে সেটা আজও অনেকেই জানে না।’

পরিবারের সদস্যদের দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘তারা বিচারের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। তাদের দাবিগুলো মেনে নেয়া হোক।’

সংসদ ভবনে জিয়ার কবর থাকতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন মানিক।

সভাপতির বক্তব্যে ১৯৭৭ সালের সামরিক আদালতে বিচারের ভুক্তভোগী সার্জেন্ট আবুল বাসার খানের মেয়ে বিলকিস বেগম বলেন, ‘বাবা নিখোঁজ হওয়ার পর আমাদের কেউ কোনো খোঁজ রাখেনি। চার বছর বয়সে বাবাকে হারিয়ে কাঁদতে কাঁদতে সময় পার করেছি, জানি না কোথায় বাবার কবর হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার কাছে আবেদন, তিনি ১৯৭৭ সালের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার যেন করেন।’

তিনি বলেন, ‘এতটা সময় পার করেছি, কেউ আমাদের দিকে ফিরেও তাকায়নি। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে আমার মায়ের দাবি, সবাই যেন জানে, আমার বাবা নির্দোষ ছিল।’

আলোচনায় বক্তব্য রাখেন মেজর জেলারেল (অব.) হেলাল মোর্শেদ বীর বিক্রম, মুক্তিযুদ্ধ গবেষক লে. কর্নেল (অব.) সাজ্জাদ আলী জহির বীরপ্রতীক, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক খন্দকার বজলুল হকসহ ১৯৭৭ সালে ‘গণফাঁসি’ ও ‘গণগুমের’ শিকার সেনা ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের সন্তানরা।

কী ঘটেছিল সে সময়

১৯৭৭ সালে জাপানের উগ্রপন্থি গোষ্ঠী ‘রেড আর্মির’ সদস্যরা জাপান এয়ারলাইন্সের একটি বিমান ছিনতাই করে ঢাকা বিমানবন্দরে (বর্তমান পুরাতন বিমানবন্দর) অবতরণ করিয়েছিল। ওই ঘটনার অবসানের ব্যবস্থা নিতে তৎকালীন বিমানবাহিনী প্রধানসহ বিমান বাহিনীর বিরাট একটা অংশ সার্বক্ষণিকভাবে কাজে নিয়োজিত ছিলেন।

১ অক্টোবর যখন বিমান ছিনতাই ঘটনার অবসান ঘটে, সেই রাতে জিয়াউর রহমানের অনুগত বাহিনী ঢাকা সেনা ও বিমান বাহিনীর ছাউনিতে এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে। তারা শত শত ঘুমন্ত সৈনিককে ব্যারাক থেকে অস্ত্রের মুখে বের করে নিয়ে আসে এবং পরে তাদেরকেই অভুত্থানের অভিযাগে ক্যান্টনমেন্টের বিভিন্ন স্থানে গুলি করে হত্যা করে।

লিফলেটে বলা হয়, ষড়যন্ত্রকারীরা জিজ্ঞাসাবাদের নামে বিভিন্ন নির্যাতন কক্ষে নিমর্মভাবে পিটিয়ে, বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে শত শত সৈনিককে হত্যা করে। বিভিন্ন ট্রাইবুনালে বিচারের নামে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে অন্যায়ভাবে ফঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডও দেয়া হয়। কত সৈনিককে এই শাস্তি পেতে হয়েছিল, তার খবর দেশবাসী আজও সঠিকভাবে জানে না।

এতে বলা হয়, ফায়ারিং স্কোয়াড ও ফাঁসিতে ঝুলিয়ে প্রায় এক হাজার চারশ সেনা ও বিমান বাহিনীর সদস্যকে হত্যা করা হয়। ওইদিন তেজগাঁও বিমানবন্দরে ও সেনানিবাসের বিভিন্ন স্থানে যাদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে এবং ফায়ারিং স্কোয়াড যাদেরকে মারা হয়েছে তাদের হিসাব জানা নাই।

জিজ্ঞাসাবাদের নামে সৈনিকদেরকে হাত, পা ও চোখ বেঁধে দিনের পর দিন ফেলে রাখার অভিযোগও করা হয় লিফলেটে। বলা হয়, চোখ বাঁধা অবস্থাতেই সৈনিকদের অনেকের সই নেয়া হয় কোনো অজানা কারণে।

প্রচলিত নিয়ম অনুসারে কোনো অসুস্থ ব্যক্তি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসি দেয়া হয় না। কিন্তু সে সময় নির্যাতনের মাধ্যমে ক্ষতবিক্ষত অর্ধমৃত সৈনিকদেরকেও ফাঁসিতে ঝোলানো হয়।

আগে ফাঁসি পরে বিচারের রায়

আয়োজকরা জানান, ফাঁসি দেয়া শুরু হয় ১৯৭৭ সালের ৮ অক্টোবর থেকে। কিন্তু আদেশ জারি হয় তার ৬ দিন পর ১৪ অক্টোবর থেকে।

জিয়াউর রহমানের গঠন করা ‘মার্শাল ল ট্রাইব্যুনাল’ একেকজন সৈনিকের জীবণের সিদ্ধান্ত নিতে গড়ে ১ মিনিটেরও কম সময় নিয়েছিল।

যারা ট্রাইব্যুনালের বিচারক হয়েছিলেন, ‘বাংলাদেশ আর্মি অ্যাক্ট’ অনুযায়ী অনেকেরই বিচারক হওয়ার যোগ্যতাই ছিল না।

মার্শাল-ল ট্রাইবুনালের নিয়ম অনুযায়ী বিচারক হয় পাঁচ জনকে নিয়ে। এদের একজন হবেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল, বাকি চার জন ক্যাপ্টেন।

কিন্তু জিয়াউর রহমান নিজের মতো করে বিচারক সাজিয়েছিলেন। একজন কমিশনড অফিসার আর বাকি চার জন ছিলেন হাবিলদার ও সিপাহি।

তারা নিজের খেয়াল খুশিমতো রায় দিয়েছে। কোনো রায় সৈনিকদেরকে শোনানো হয়নি।

সাত দফা

সভায় ১৯৭৭ সালের ঘটনার ভুক্তভোগী স্বজনদের পক্ষ থেকে সাত দফা দাবি পেশ করা হয়।

দাবিগুলো হলো:

১. ১৯৭৭ সনের অক্টোবরে সেনা ও বিমান বাহিনীর সদস্য যারা অন্যায়ভাবে ফাঁসি, কারাদণ্ড ও চাকরিচ্যুত হয়েছেন তাদের নির্দোষ ঘোষণা;

২. সেদিন যারা সামরিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে ফাঁসি-কারাদণ্ড ও চাকুরিচ্যুত হয়েছেন, তাদের প্রত্যেককে স্ব-স্ব পদে সর্বোচ্চ র‌্যাংকে পদোন্নতি দেখিয়ে বর্তমান স্কেলে বেতন-ভাতা ও পেনশনসহ সরকারি সব সুযোগ সুবিধা প্রদান;

৩. সামরিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে যেসব বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সেনা ও বিমান বাহিনী সদস্যদের অন্যায়ভাবে ফাঁসি হয়েছে, তাদেরকে শহীদ হিসাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে ঘোষণা করা এবং কবরস্থান চিহ্নিত করে কবরস্থানে নামসহ স্মৃতি ফলক তৈরি;

৪. যারা সামরিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন, সেই সকল সেনা ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের পুনর্বাসিত করার লক্ষ্যে তাদের পোষ্যদের যোগ্যতা অনুসারে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ;

৫. সামরিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে সেনা ও বিমান বাহিনীর সদস্য যাদের অন্যায়ভাবে ফাঁসি কারাদণ্ড ও চাকুরিচ্যুত হয়েছেন, তাদের তালিকা প্রকাশ;

৬. অন্যায়ভাবে ফাঁসি, কারাদণ্ড ও চাকরিচ্যুত করার অপরাধে জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার;

এবং

৭. জিয়াউর রহমানের ‘তথাকথিত’ কবর জাতীয় সংসদ এলাকা থেকে অপসারণ করা।

আরও পড়ুন:
বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার পথ জানে না: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী
জিয়ার আমলে গুম-খুনের তদন্ত হবে: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Ramna Botmool and Dhaka University centered DMP traffic instructions on Pahela Boishakh

পহেলা বৈশাখে রমনা বটমূল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক ডিএমপির ট্রাফিক নির্দেশনা

পহেলা বৈশাখে রমনা বটমূল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক ডিএমপির ট্রাফিক নির্দেশনা পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে রমনা বটমূল ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকেন্দ্রিক স্কেচ ম্যাপ। ছবি: ডিএমপি
নগরবাসীকে ভোর পাঁচটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত সময়ে নির্দিষ্ট এলাকা/রোডগুলো পরিহার করে বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করতে ডিএমপির পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।

পহেলা বৈশাখ-১৪৩১ উদযাপন উপলক্ষে রোববার ভোর পাঁচটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত কিছু এলাকায় রাস্তা বন্ধ/রোড ডাইভারশন করবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক রমনা বিভাগ।

ডাইভারশন পয়েন্টগুলো

বাংলামোটর ক্রসিং, মিন্টো রোড ক্রসিং, অফিসার্স ক্লাব ক্রসিং, কাকরাইল চার্চ ক্রসিং, কদম ফোয়ারা ক্রসিং, ইউবিএল ক্রসিং, দোয়েল চত্বর ক্রসিং, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল সেন্টার ক্রসিং, জগন্নাথ হল ক্রসিং, ভাস্কর্য ক্রসিং, নীলক্ষেত ক্রসিং ও কাঁটাবন ক্রসিং।

যানবাহন চলাচলের বিকল্প রাস্তা

১. মিরপুর-ফার্মগেট থেকে শাহবাগ অভিমুখী যাত্রীবাহী যানবাহন বাংলামোটর-মগবাজার হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে।

২. বঙ্গবাজার-হাইকোর্ট থেকে মৎস্য ভবন অভিমুখী যাত্রীবাহী যানবাহন কদম ফোয়ারা-ইউবিএল ক্রসিং হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে।

৩. জিরো পয়েন্ট-কদম ফোয়ারা থেকে মৎস্য ভবন অভিমুখী যাত্রীবাহী যানবাহন ইউবিএল-নাইটিংগেল ক্রসিং হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে।

৪. শান্তিনগর-রাজমনি থেকে গুলিস্তান ও সদরঘাট অভিমুখী যাত্রীবাহী যানবাহন নাইটিংগেল-ইউবিএল ক্রসিং হয়ে গন্তেব্যে পৌঁছাবে।

নগরবাসীকে উল্লিখিত সময়ে উপর্যুক্ত এলাকা/রোডগুলো পরিহার করে বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করতে ডিএমপির পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
পহেলা বৈশাখে রমনায় বাড়তি নিরাপত্তা, অনুষ্ঠান শেষ হবে ৫টার মধ্যেই
ঈদ উপলক্ষে ডিএমপির ট্রাফিক নির্দেশনা
বরিশাল বিভাগে কালবৈশাখী ঝড়ে ৭ জনের প্রাণহানি
বাগেরহাট ও পিরোজপুরে ঝড়ে দু’জনের মৃত্যু, শিশুসহ আহত ৪
তৃতীয় লিঙ্গের কেউ চাঁদাবাজি করলে ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The extra security program in Ramna on Pahela Boishakh will end by 5 oclock

পহেলা বৈশাখে রমনায় বাড়তি নিরাপত্তা, অনুষ্ঠান শেষ হবে ৫টার মধ্যেই

পহেলা বৈশাখে রমনায় বাড়তি নিরাপত্তা, অনুষ্ঠান শেষ হবে ৫টার মধ্যেই ব্রিফিংয়ে ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান। ছবি: ইউএনবি
ডিএমপি কমিশনার সিসিটিভি নজরদারি, ড্রোন পর্যবেক্ষণ এবং ইভেন্ট ভেন্যুগুলোর চারপাশে কৌশলগতভাবে স্থাপন করা ওয়াচ টাওয়ারসহ বিস্তৃত সুরক্ষা ব্যবস্থার বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন।

রমনা পার্কের রমনা বটমূলে পহেলা বৈশাখ উদযাপন সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট হুমকির তথ্য না থাকলেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান।

শনিবার রমনা বটমূলে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি পর্যালোচনা বিষয়ক নিরাপত্তা ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান ডিএমপি কমিশনার। খবর ইউএনবির

তিনি বলেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমস্ত নির্ধারিত অনুষ্ঠান বিকেল ৫টার মধ্যে শেষ হবে এবং এর পরপরই প্রাঙ্গণ পরিষ্কার করা হবে। অতীতে এই জাতীয় সাংস্কৃতিক সমাবেশকে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের আলোকে এই পদক্ষেপগুলোর গুরুত্বের ওপর জোর দেন হাবিবুর রহমান।

ডিএমপি কমিশনার সিসিটিভি নজরদারি, ড্রোন পর্যবেক্ষণ এবং ইভেন্ট ভেন্যুগুলোর চারপাশে কৌশলগতভাবে স্থাপন করা ওয়াচ টাওয়ারসহ বিস্তৃত সুরক্ষা ব্যবস্থার বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন। বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট একটি প্রাথমিক নিরাপত্তা মূল্যায়নও সম্পন্ন করেছে এবং নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য সুস্পষ্ট কর্মকৌশলও নির্ধারণ করেছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রমনা পার্কের আশপাশের এলাকায় নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবে উদযাপনের জন্য শনিবার সন্ধ্যা থেকে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।

ডিএমপি কমিশনার স্পষ্ট করেছেন, রমনা বটমূলের নিরাপত্তা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া বাড়ানোর জন্য প্রতিটি প্রবেশদ্বারে আর্চওয়ে এবং মেটাল ডিটেক্টর স্থাপন করা হবে। রোববার বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে। এর পরে আর কোনো প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে না।

কমিশনার আরও উল্লেখ করেন, অতিরিক্ত সুরক্ষা স্তরগুলোর মধ্যে ডিএমপির গোয়েন্দা শাখা এবং অনুষ্ঠানস্থলের ভিভেতরে এবং বাইরে সাদা পোশাকের কর্মকর্তাদের সহায়তা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আন্তর্জাতিক দর্শনার্থীদের জন্য, ট্যুরিস্ট পুলিশ যে কোনো সমস্যা সমাধানে সহায়তা করতে প্রস্তুত থাকবে।

স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার দিক থেকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের সৌজন্যে যে কোনো জরুরি চিকিৎসা সেবা মোকাবিলায় একটি অস্থায়ী মেডিকেল সেন্টার চালু থাকবে। লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড সেন্টার এবং রক্তদান কেন্দ্রের মতো সুবিধাগুলোও ইভেন্টের সময় ব্যাপক সহায়তা পরিষেবা নিশ্চিত করে অংশগ্রহণকারীদেরকে সুবিধা প্রদান করবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A woman died among those burnt in a cylinder explosion in Bhashanate

ভাষানটেকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধদের মধ্যে এক নারীর মৃত্যু

ভাষানটেকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধদের মধ্যে এক নারীর মৃত্যু ফাইল ছবি
শুক্রবার ভোর চারটার দিকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আগুনে দগ্ধ হন ওই ৬ জন। পরে তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের ভর্তি করা হয়।

রাজধানীর পশ্চিম ভাষানটেকে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের দগ্ধ ছয়জনের মধ্যে একজন মারা গেছেন।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) শনিবার সকালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

মারা যাওয়া ওই নারী হলেন ৬৫ বছর বয়সী মোছাম্মৎ মেহেরুন্নেছা।

হাসপাতালে এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন মেহেরুননেছার মেয়ে সূর্য বানু (৪০), মেয়ের জামাই মো. লিটন (৫২) এবং লিটন ও সূর্য বানুর তিন সন্তান লিজা (১৮), সুজন (৮) ও লামিয়া (৭)।

এর আগে শুক্রবার ভোর চারটার দিকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আগুনে দগ্ধ হন ওই ৬ জন। পরে তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের ভর্তি করা হয়।

দগ্ধদের বাড়ির কেয়ারটেকার মো. সিফাত জানিয়েছিলেন, মশার কয়েল জ্বালাতে গেলে ঘরের মধ্যে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে, এতে একই পরিবারের ছয়জন দগ্ধ হন।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম জানান, ভাষানটেকের সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় ছয়জন বার্ন ইনস্টিটিউটে এসেছিলেন, সকালের দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক নারী মারা যান।

তিনি জানান, বাকি দগ্ধদের প্রত্যেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সূর্য বানুর শরীরের ৮২ শতাংশ, লিটনের ৬৭ শতাংশ. লামিয়ায় ৫৫ শতাংশ, মেহরুন্নেসার ৪৭ শতাংশ, সুজনের ৪৩ শতাংশ ও লিজার ৩০ শতাংশ দগ্ধ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Today Dhaka is second in the list of cities with polluted air

দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয়

দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় ফাইল ছবি
১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে বাতাসের মান ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ , ১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়।

ঈদের ছুটিতে বেশিরভাগ রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকলেও রাজধানী ঢাকার বাতাস দূষণমুক্ত হয়নি।

শনিবার সকাল সোয়া ১০টায় একিউআই সূচক ১৭৮ নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে ঢাকা। খবর ইউএনবির

এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, আজ ঢাকার বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ শ্রেণিকরণ করা হয়েছে।

নেপালের কাঠমান্ডু, ভারতের কলকাতা ও উজবেকিস্তানের তাসখন্দ যথাক্রমে ১৮৮, ১৭৪ ও ১৬৩ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার প্রথম, তৃতীয় ও চতুর্থ স্থাসে রয়েছে।

১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে বাতাসের মান ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ , ১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়।

২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়, ৩০১+ একিউআই স্কোরকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণে ভুগছে ঢাকা। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sadarghat launch tragedy Five accused on three day remand

সদরঘাট লঞ্চ ট্র্যাজেডি: তিন দিনের রিমান্ডে পাঁচ আসামি

সদরঘাট লঞ্চ ট্র্যাজেডি: তিন দিনের রিমান্ডে পাঁচ আসামি সদরঘাটে এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চটির ছিঁড়ে যাওয়া দড়ির আঘাতেই আশপাশে থাকা পাঁচজন প্রাণ হারান। ছবি: মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ/নিউজবাংলা
রিমান্ড পাওয়া আসামিরা হলেন এমভি ফারহান-৬ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাস্টার (চালক) আবদুর রউফ হাওলাদার (৫৪), দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার (চালক) সেলিম হাওলাদার (৫৪), ম্যানেজার ফারুক খান (৭০), এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাস্টার (চালক) মিজানুর রহমান (৪৮) ও দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার (চালক) মনিরুজ্জামান (২৮)।

রাজধানীর সদরঘাট টার্মিনালের পন্টুনে দুই লঞ্চের মধ্যে ধাক্কা লেগে রশি ছিঁড়ে পাঁচ যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় হওয়ায় মামলায় গ্রেপ্তার পাঁচ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।

পাঁচজনের মধ্যে তিনজন এমভি ফারহান-৬ লঞ্চের মাস্টার ও ম্যানেজার। বাকি দুজন এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চের মাস্টার।

ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফা চৌধুরী হিমেল শুক্রবার রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের এ আদেশ দেন।

ওই আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আনোয়ারুল কবির বাবুল নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শুক্রবার সদরঘাট নৌ পুলিশের সদস্যরা আসামিদের আদালতে হাজির করেন। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের সাত দিনের পুলিশি রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা সদরঘাট নৌ থানার উপপরিদর্শক নকীব অয়জুল হক। আসামিদের পক্ষে তাদের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়।

শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেক আসামিকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।

রিমান্ড পাওয়া আসামিরা হলেন এমভি ফারহান-৬ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাস্টার (চালক) আবদুর রউফ হাওলাদার (৫৪), দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার (চালক) সেলিম হাওলাদার (৫৪), ম্যানেজার ফারুক খান (৭০), এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাস্টার (চালক) মিজানুর রহমান (৪৮) ও দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার (চালক) মনিরুজ্জামান (২৮)।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের যুগ্ম পরিচালক ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন।

মামলার এজহারে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ২টা ৫৫ মিনিটে সদরঘাট টার্মিনালের ১১ নম্বর পল্টুনে এমভি তাসরিফ-৪ নোঙর করা অবস্থায় এমভি ফারহান-৬-এর চালক বেপরোয়া গতিতে লঞ্চ চালিয়ে ১১ নম্বর পন্টুনে ঢোকার সময় তাসরিফ লঞ্চকে ধাক্কা দেয়। এতে তাসরিফ লঞ্চের রশি ছিঁড়ে যায়। সেটি দ্রুত গতিতে এসে পন্টুনে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের আঘাত করলে তারা নদীতে পড়ে যায়। এতে এক পরিবারের তিনজনসহ পাঁচ যাত্রীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ফারহান এবং তাসরিফ লঞ্চের দায়িত্ব অবহেলা আছে।

লঞ্চ ট্র্যাজেডিতে প্রাণ হারিয়েছেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার মাটিচোরা গ্রামের প্রয়াত আবদুল মালেকের ছেলে বিল্লাল (৩০), তার স্ত্রী মুক্তা (২৬), তাদের মেয়ে সাইমা (৩)। প্রাণ হারানো বাকি দুজন হলেন পটুয়াখালী সদরের জয়নাল আবেদিনের ছেলে রিপন হাওলাদার (৩৮) এবং ঠাকুরগাঁও সদরের নিশ্চিতপুর এলাকার আব্দুল্লাহ কাফীর ছেলে রবিউল (১৯)।

এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ।

কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যানের কাছে প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএর পক্ষ থেকে মৃত প্রত্যেকের নমিনির কাছে দাফন-কাফন বাবদ ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সদরঘাটে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে পাঁচ যাত্রী নিহত
ঈদের সকালে হরিয়ানায় স্কুলবাস উল্টে ৬ শিশু নিহত, ‘মদ্যপ ছিলেন’ চালক
নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ৩
চট্টগ্রামে ট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কা, চালকসহ নিহত ২
শেষ কর্মদিবসে সদরঘাট ছেড়েছে যাত্রীভর্তি লঞ্চ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hazaribagh slum fire

হাজারীবাগে বস্তিতে অগ্নিকাণ্ড

হাজারীবাগে বস্তিতে অগ্নিকাণ্ড আগুনে পুড়ল টিনশেড বস্তি। ছবি: সংগৃহীত
ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জাননো হয়, হাজারীবাগ ফায়ার স্টেশনের ২টি, লালবাগের ২টি, মোহাম্মদপুরের ২টি ও সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনের একটি, মোট ৭টি ইউনিট চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

রাজধানীর হাজারীবাগে একটি বস্তিতে আগুনের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে হাজারীবাগের ঝাউচরের মোড়ে ওই টিনশেড বস্তিতে আগুনের খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৭টি ইউনিট দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জাননো হয়, হাজারীবাগ ফায়ার স্টেশনের ২টি, লালবাগের ২টি, মোহাম্মদপুরের ২টি ও সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনের একটি, মোট ৭টি ইউনিট চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

আগুনের কারণ এবং তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের খবর জানা যায়নি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
6 people of the same family were burnt due to gas cylinder explosion at home

বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৬ জন দগ্ধ

বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৬ জন দগ্ধ ফাইল ছবি
দগ্ধদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

রাজধানীর ভাষানটেকে একটি বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের নারী-শিশুসহ ছয়জন দগ্ধ হয়েছেন।

শুক্রবার ভোরে ভাষানটেকের ১৩ নম্বর নতুন বাজার কালভাট রোডের ওই বাসায় এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

তারা হলেন মেহেরুন্নেসা (৬৫) বছর), তার শরীরের ৪৭ শতাংশ দগ্ধ, সূর্যবানু (৩০ বছর), ৮২ শতাংশ দগ্ধ, লিজা আক্তার (১৮ বছর), ৩০ শতাংশ দগ্ধ, লামিয়া ( ৭ বছর ), ৫৫ শতাংশ দগ্ধ, সুজন (৮ বছর ), ৪৩ শতাংশ দগ্ধ ও মোহাম্মদ লিটন (৫২ বছর), ৬৭ শতাংশ দগ্ধ।

দগ্ধদের হাসপাতালে আনেন তারা যে বাসায় ভাড়া থাকেন সেই বাড়িটার কেয়ারটেকার মোহাম্মদ সিফাত হোসেন।

তিনি বলেন, আমি পশ্চিম ভাষানটেকের কালভাট রোডের ৪/১৩/এল দ্বিতীয় তলা বাড়ির কেয়ার টেকার। ফার্নিচার ব্যবসায়ী লিটন মিয়া বাসাটির নিচ তলায় পরিবার নিয়ে বসবাস করেন।

সিফাত হোসেন বলেন, ভোর চারটার দিকে মশার কয়েল ধরাতে গিয়ে তার বাসার গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়। এতে তার পরিবারের নারী-শিশু সহ ছয়জন দগ্ধ হন। পরে তাদেরকে ভোর পাঁচটার দিকে চিকিৎসার জন্য শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ভোরের দিকে ভাষানটেক থেকে সিলিন্ডারের আগুনে দগ্ধ ৬ জন এখানে এসেছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং তাদের সবার শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। সবাইকে বার্ন ইউনিটের অবজারভেশনে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

মন্তব্য

p
উপরে