× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The body of the housekeeper of Akram Khans house was recovered
hear-news
player
google_news print-icon

আকরাম খানের বাসার গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার

আকরাম-খানের-বাসার-গৃহকর্মীর-মরদেহ-উদ্ধার
কাফরুল থানার এসআই মো. হাসিব বলেন, ‘মহাখালী ডিওএইচএসের ৩ নম্বর রোডের ১৫৭ নম্বর বাসার কাছে আকরাম খানের বাসার গৃহকর্মীর মরদেহ শনাক্ত করা হয়। মরদেহ সুরতহাল নারী পুলিশ সদস্য এসে করবেন। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে।’

রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএসে সাবেক ক্রিকেটার ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক আকরাম খানের বাসার গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার রাত ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে যায় কাফরুল থানা পুলিশ। তখন তারা আকরাম খানের বাসার পাশ থেকে সাহিদা নামের ২৫ বছর বয়সী ওই গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেন।

রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাফরুল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হাসিব।

তিনি বলেন, ‘মহাখালী ডিওএইচএসের ৩ নম্বর রোডের ১৫৭ নম্বর বাসার কাছে আকরাম খানের বাসার গৃহকর্মীর মরদেহ শনাক্ত করা হয়। মরদেহ সুরতহাল নারী পুলিশ সদস্য এসে করবেন। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে।’

মরদেহটি আকরাম খানের বাসার কাজের মেয়ে কি না জানতে চাইলে এসআই মো. হাসিব বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে আকরাম খানও আছেন। তারা পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে এসে পুলিশ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।’

সাহিদার বাড়ি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে। তিনি প্রায় ১৩ বছর ধরে ক্রিকেটার আকরাম খানের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কর্মরত।

আকরাম খানের পরিবারের বরাত দিয়ে এসআই হাসিব বলেন, ‘আকরাম সাহেবের মেয়ে সাহিদাকে খুঁজতে গিয়ে দেখেন বাসায় নেই। একপর্যায় পেছনের বাসার দেয়াল ও ওই বাসার দেয়ালের মাঝে ফাঁকা জায়গায় সাহিদাকে পাওয়া যায়।’

হাসিব জানান, আকরাম খানের বাসাটি ৩ নম্বর সড়কের একটি ছয়তলা ভবনের পঞ্চম ও ষষ্ঠ তলার ডুপলেক্স। আর সাহিদাকে পাওয়া গেছে ঠিক তার পেছনে ৪ নম্বর সড়কের চার তলা একটি ভবনের পাশে।

আরও পড়ুন:
দোকানে পড়ে ছিল কিশোর কর্মচারীর মরদেহ
বাসার নিচ থেকে উদ্ধার, হাসপাতালে মৃত্যু হলিক্রস ছাত্রীর
সিলেটে ৩ প্রবাসীর মৃত্যু ‘দুর্ঘটনায়’
নদীতে গোসলে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু
পুকুর-নদী থেকে ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
5 members of juvenile gang arrested

কিশোর গ্যাংয়ের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

কিশোর গ্যাংয়ের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার রাজধানীর পল্লবীর কিশোর গ্যাংয়ের তিনহনকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। ছবি: নিউজবাংলা
ডিআইজি বলেন, গত ২৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মিরপুর পল্লবীর সি-ব্লক এলাকায় চলতি বছরে এসএসসি পরীক্ষার্থী রাকিবের উপর হামলা করে কিশোর গ্যাং জুনিয়র গ্রুপের প্রধান রমজান তার সহযোগীরা। হামলাকারীরা পেছন থেকে রাকিবের পিঠের নিচের অংশে ছুরি মারে। গুরুতর আহত রাকিবের মোবাইল ও মানিব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।

রাজধানীর মিরপুর পল্লবীর এলাকায় দুই কিশোর গ্যাংয়ের দ্বন্দ্বে জুনিয়র গ্যাংয়ের হামলায় সিনিয়র গ্যাংয়ের সদস্য এসএসসি পরীক্ষার্থী রাকিব গুরুতর আহত হয়। ঘটনায় জড়িত কিশোর গ্যাং দলের প্রধানসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুর, যাত্রাবাড়ী, আশুলিয়াসহ বেশ কয়েকটি স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, কিশোর গ্যাং জুনিয়র গ্রুপের প্রধান মো. রমজান, আল আমিন, ইসমাইল হোসেন ওরফে পপকন, বিজয় ও মো. ইয়াসিন আরাফাত ওরফে সাইমন।

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‍্যাব-৪ এর অধিনায়ক ডিআইজি মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেন, গত ২৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মিরপুর পল্লবীর সি-ব্লক এলাকায় চলতি বছরে এসএসসি পরীক্ষার্থী রাকিবের উপর হামলা করে কিশোর গ্যাং জুনিয়র গ্রুপের প্রধান রমজান তার সহযোগীরা। হামলাকারীরা পেছন থেকে রাকিবের পিঠের নিচের অংশে ছুরি মারে। গুরুতর আহত রাকিবের মোবাইল ও মানিব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।

আহত অবস্থায় রাকিবকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় স্থানীয়রা। হামলায় আহত হওয়ার আগে রাকিব পাঁচটি পরীক্ষা দিয়েছিল। ৬ষ্ঠ পরীক্ষার দিন হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে পরীক্ষা দেয়ার জন্য নিয়ে গেলেও পরীক্ষার সময় সম্পূর্ণ অচেতন হয়ে পড়ে, পরে তাকে পরীক্ষার হল থেকে হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে জানান মোজাম্মেল হক।

ঢাকা মেডিক্যালের চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে র‍্যাব-৪ এর অধিনায়ক জানান, হামলায় আহত রাকিবের মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্তসহ শরীরের নিচের অংশ পুরোপুরি অবশ হয়ে গেছে। বর্তমানে সে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সিসিইউ বিভাগে জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। এ ঘটনায় রাকিবের বাবা আব্দুল্লাহ বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন।

গ্রেপ্তার কিশোরদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে ডিআইজি মোজাম্মেল হক বলেন, ‘পল্লবী এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে গ্যাং গড়ে উঠেছে। সেখানে সিনিয়র গ্রুপ জুনিয়র গ্রুপ নামে দুটি পৃথক কিশোর গ্যাং রয়েছে, যারা এলাকায় ইভটিজিং, ছোটখাট ছিনতাইসহ মাদক সেবন ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারে জড়িত। এই দুইটি গ্রুপ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সার্বক্ষণিক হাঙ্গামায় জড়িয়ে থাকে। আহত রাকিব সিনিয়র গ্রুপের সদস্য। গ্রেপ্তারকৃতরা জুনিয়র গ্রুপের সদস্য।’

তিনি আরও জানান, ঘটনার কয়েকদিন আগে জুনিয়র গ্রুপের সদস্য রমজান, আল আমিন, বিজয়, ইয়াসিনসহ আরও ৫-৬ জন মিলে মিরপুর-১২, ডি ব্লকে ধুমপান করার সময় পাশ দিয়ে সিনিয়র গ্রুপের কয়েকজন সদস্য গেলে আসামিরা তাদেরকে কোনো প্রকার সম্মান দেখায়নি। সে সময় সিনিয়র গ্রুপের সদস্যরা তাদেরকে বিভিন্ন প্রকার হুমকিসহ ধস্তাধস্তি ও চড়-থাপ্পড় মারে।

আরও পড়ুন:
উত্ত্যক্তের শিকার ছাত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে আহত দপ্তরি
‘কিশোর গ্যাং সদস্য’দের ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
গাজীপুরে ৯ ডাকাত গ্রেপ্তার, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার
মানিকগঞ্জে মাদকসহ গ্রেপ্তার ৫
স্ত্রীর সঙ্গে পুড়ে ‘মৃত’ ব্যক্তিকে ৫০ দিন পর গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bholavala Monir is the master of stealing

চুরিতে ওস্তাদ ‘ভোলাভালা’ মনির

চুরিতে ওস্তাদ ‘ভোলাভালা’ মনির অর্ধশতাধিক চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার মনির হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
তেজগাঁও অঞ্চলের ডিসি জানান, মনির দেখতে ভোলাভালা ভবঘুরে টাইপে। তবে তার এই চেহাররা আড়ালে এক চোর। সম্প্রতি ৪-৫টি চুরির সঙ্গে জড়িত থাকায় তার নাম পাওয়া গেছে।

অনাথ ও পথশিশুদের আশ্রয় এবং পড়াশোনা করতে সহযোগিতা করা প্রতিষ্ঠানের টাকা চুরি করে জুয়া খেলেন, নেশা করেন, আবার দানও করেন মনির হোসেন। অর্ধশতাধিক চুরির ঘটনার সঙ্গেও জড়িত মনির।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের মোহাম্মদীয়া হাউজিং লিমিটেডের ৩ নম্বর সড়কের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রাইটস অ্যান্ড সাইট ফর চিলড্রেন (আরএসসি) অনাথ ও পথশিশুদের আশ্রয় এবং পড়াশোনা করতে সহযোগিতা করে।

গত শনিবার মধ্যরাতে প্রতিষ্ঠানের অফিস রুমের গ্রিল কেটে প্রবেশ করে আলমারি থেকে সাড়ে ১২ লাখ টাকা চুরি করে নিয়েছে অজ্ঞাত এক চোর। এই ঘটনায় পরদিন প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার আব্দুন নাসের রোমেল বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় চুরির মামলা করেন।

এই ঘটনায় জড়িত মনির হোসেন নামের এক পেশাদার চোরকে গ্রেপ্তার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। তার বাড়ি কেরানীগঞ্জ উপজেলার তারানগর ইউনিয়নের পশ্চিম বাংলানগর গ্রামে। এ সময় চুরি যাওয়া ৭ লাখ ৮৭ হাজার টাকাও উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর শ্যামলীতে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এইচ এম আজিমুল হক।

তিনি বলেন, ‘মোহাম্মদীয়া হাউজিং লিমিটেড ৩ নম্বরের একটি বেসরকারি এনজিও প্রতিষ্ঠান রাইটস অ্যান্ড সাইট ফর চিল্ড্রেন অসহায় ও পথশিশুদের আশ্রয়, পড়াশোনা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করছে। এই প্রতিষ্ঠানের অফিসের গ্রিল কেটে ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যায় চোর। তদন্তে নেমে বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কেরানীগঞ্জ তারানগর ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে সাত লাখ ৮৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।’

আজিমুল হক আরও বলেন, ‘মনির বিপুল পরিমাণ টাকা চুরি করে নিয়ে যাওয়ার পর এই টাকা দিয়ে জুয়া খেলে অনেক টাকা নষ্ট করেছে। কিছু টাকা নেশার পেছনে খরচ করেছে। এ ছাড়া স্থানীয় দরিদ্র মানুষের মাঝেও দান করেছে।’

মনির পেশাদার চোর উল্লেখ করে তেজগাঁও অঞ্চলের ডিসি জানান, মনির দেখতে ভোলাভালা ভবঘুরে টাইপে। তবে তার এই চেহাররা আড়ালে এক চোর। সম্প্রতি ৪-৫টি চুরির সঙ্গে জড়িত থাকায় তার নাম পাওয়া গেছে।

এ ছাড়া অর্ধশতাধিক চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত মনির। তাকে মোহাম্মদপুর থানায় করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে চাওয়া হবে।

আরও পড়ুন:
সাবেক অতিরিক্ত আইজিপির বাসা থেকে ৪৫ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি
হাতকড়া নিয়ে লাফ, ফের গ্রেপ্তার জঙ্গলে
মাস্টার চাবি বানিয়ে ৫০০ বাইক চুরি
রিজার্ভ চুরির মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন ২ অক্টোবর
‘চুরি করা’ ১৬ শ লিটার ডিজেলসহ গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Muktar is the owner of hundreds of crores of illegal liquor business from waiter

ওয়েটার থেকে অবৈধ মদের ব্যবসা, শত কোটি টাকার মালিক মুক্তার

ওয়েটার থেকে অবৈধ মদের ব্যবসা, শত কোটি টাকার মালিক মুক্তার কিংফিশার রেস্টুরেন্টের আড়ালে বার চালানোর অভিযোগে ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। ছবি: নিউজবাংলা
ডিবিপ্রধান জানান, মুক্তার ২০০৮ সালের দিকে বারিধারায় এভিনিউ নামে একটি রেস্টুরেন্টে ওয়েটার হিসেবে কাজ করতেন। লেকভিউ নামে গুলশান ২ এলাকার একটি রেস্টুরেন্টেও ছিলেন, সেখানেও ওয়েটার হিসেবেই কাজ করতেন তিনি। সে ওয়েটার থেকে এখন শতকোটি টাকার মালিক। তার যুক্তরাষ্ট্রের বাড়ি-গাড়ি আছে। সেখানে তার স্ত্রী ও বাচ্চা বসবাস করে।

মুক্তার হোসেন। ২০০৮ সালের দিকে বারিধারায় বেভিলিয়ন নামে একটি রেস্টুরেন্টে ওয়েটার হিসেবে কাজ করতেন। লেকভিউ নামে গুলশান ২ এলাকার একটি রেস্টুরেন্টেও তিনি কাজ করতেন ওয়েটার হিসেবে। পরে অবৈধ মদের ব্যবসা করে মুক্তার এখন শতকোটি টাকার মালিক। সেই টাকায় যুক্তরাষ্ট্রে কিনেছেন বাড়ি-গাড়ি।

বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের গরীবে নেওয়াজ অ্যাভিনিউয়ের একটি বাসা থেকে একটি অবৈধ বারের ম্যানেজারসহ ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সেই প্রতিষ্ঠানের মালিক মুক্তার হোসেন, এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।

শুক্রবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিবির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, উত্তরার সে বারে শত শত ছেলে মেয়ে গানবাজনার নামে ডিজে পার্টি করেন। সেখানে বিক্রি হতো অবৈধ মদ। বিষয়টি নিয়ে উত্তরার সংসদ সদস্যসহ বেশ কয়েকটি জায়গা থেকেও ডিবির কাছে অভিযোগ আসে। পরে সত্যতা যাচাই করার পর বাড়িতে অভিযান চালায় ডিবি।

ডিবির প্রধান বলেন, ‘প্রথমে ভবনের সাত তলায় গিয়ে ডিবির দল দেখে অনেক ছেলে মেয়ে দৌড়াদৌড়ি করছে। পরে ভেতরে গিয়ে দেখেন সেখানে প্রচুর পরিমাণে বিদেশি মদ ও বিয়ার মজুত রয়েছে। ডিবির দলগুলো ৫ ও ৬ তলা গিয়েও একই অবস্থা দেখতে পান। পরে ডিবি এসব বিদেশি মদ ও বিয়ার একত্রিত করে কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চায় এইগুলো তারা কীভাবে দেশে নিয়ে এসেছে। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ কোনো তথ্যই ডিবিকে জানাতে পারেনি। সে কারণে সেখান থেকে আমরা ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করি এবং তাদের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা করা হয়। সে মামলায় তাদের আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ড আবেদন করা হবে।’

ভবনটিতে এই কার্যক্রম কি ব্যানারে চলতো প্রশ্ন করা হলে হারুর অর রশীদ বলেন, ‘কিংফিশার রেস্টুরেন্টে নামে এই ভবনের এসব কার্যক্রম চলত। কথিত এই বারের মালিক মুক্তার হোসেন। তার আরও বেশ কয়েকটি বার রয়েছে রাজধানীসহ নারায়ণগঞ্জে।’

মুক্তার হোসেনের কাছে বারের কয়টি লাইসেন্স আছে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা গতকাল যেই ভবনটিতে অভিযান পরিচালনা করেছি সেখানের ম্যানেজারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। ম্যানেজার আমাদের বলেছেন মুক্তার মিরপুর, গুলশান ও নারায়ণগঞ্জেসহ ৫টি বার চালায়। সেগুলো একই লাইসেন্সের কিনা সেটা আমরা জানি না। তবে গতকাল আমরা উত্তরার যে ভবনটিতে অভিযান পরিচালনা করেছি সেখানে কিংফিশার রেস্টুরেন্টের নামে এসব কার্যক্রম চলত।’

হারুন অর রশীদ জানান, সে বারের ম্যানেজারের মাধ্যমে ডিবি জানতে পেরেছে মুক্তার ২০০৮ সালের দিকে বারিধারায় এভিনিউ নামে একটি রেস্টুরেন্টে ওয়েটার হিসেবে কাজ করতেন। লেকভিউ নামে গুলশান ২ এলাকার একটি রেস্টুরেন্টেও ছিলেন, সেখানেও ওয়েটার হিসেবেই কাজ করতেন তিনি। সে ওয়েটার থেকে এখন শতকোটি টাকার মালিক। তার যুক্তরাষ্ট্রের বাড়ি-গাড়ি আছে। সেখানে তার স্ত্রী ও বাচ্চা বসবাস করে।

মামলায় প্রতিষ্ঠানটির কাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মালিক ও ম্যানেজারসহ অনেকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।’

এই কর্মকাণ্ডে সঙ্গে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কোনো কোরিয়ান নাগরিক জড়িত কিনা প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা যাচাই-বাছাই করছি।’

উত্তরার কথিত বারটিতে গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের যাতায়াত ছিল। তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে কিনা প্রশ্ন করা হলে ডিবিপ্রধান বলেন, ‘কাদের যাতায়াত ছিল সে বিষয়ে আমরা তদন্ত করব।’

আরও পড়ুন:
ডাচ্‌-বাংলার এটিএম বুথ বন্ধ থাকবে ৩০ ঘণ্টা
নতুন জ্যাকেটে ডিবি, কিউআর কোডেই কর্মকর্তার পরিচয়
ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিংয়ের নাম পরিবর্তন
ডলার মজুত করলে ব্যবস্থা
বাংলাদেশের রপ্তানি প্রত্যাশার চেয়ে জোরালো: এডিবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Arrest of human trafficking in the name of job abroad 2

বিদেশে চাকরির নামে মানবপাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২

বিদেশে চাকরির নামে মানবপাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২ র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার দুজন। ছবি: নিউজবাংলা
র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, চক্রটি দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলের দরিদ্রদের বিদেশে উচ্চ বেতনে চাকরি দেয়ার নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তারা দালালের মাধ্যমে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যেতে ইচ্ছুক এমন ব্যক্তিদের পাসপোর্ট সংগ্রহ করতো। গত দুই বছরে ৫২১টি পাসপোর্ট সংগ্রহ করেছে চক্রটি।

ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশে মানবপাচারের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর শান্তিনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় বেশ কিছু পাসপোর্ট, ভুয়া কোর্সের সনদ, ভুয়া মেডিক্যাল সার্টিফিকেট উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন মাহাবুব আল হাসান ও মাহমুদ করিম।

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব- ৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন এ সব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘চক্রটি দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলের দরিদ্রদের বিদেশে উচ্চ বেতনে চাকরি দেয়ার নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তারা দালালের মাধ্যমে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যেতে ইচ্ছুক এমন ব্যক্তিদের পাসপোর্ট সংগ্রহ করতো। গত দুই বছরে ৫২১টি পাসপোর্ট সংগ্রহ করেছে চক্রটি।

‘এর মধ্যে মধ্যেপ্রাচ্যে যেতে আগ্রহীদের কাছ থেকে দুই থেকে তিন লাখ টাকা করে আদায় করা হতো। যারা ইউরোপে যেতে ইচ্ছুক তাদের কাছ থেকে ছয় থেকে সাত লাখ টাকা নেওয়া হতো।’

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, বিদেশে বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে চাকরির ভুয়া নিয়োগপত্র, ভুয়া মেডিক্যাল সার্টিফিকেটসহ নিজস্ব কম্পিউটারে তৈরি করা বিভিন্ন ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে তাদেরকে বিদেশে পাঠানোর বিষয়ে নিশ্চয়তা দিত।

আরিফ মহিউদ্দিন বলেন, ‘এই চক্রটি বিভিন্ন প্রলোভন দেখালেও বিদেশে পাঠানো হতো না। ভুক্তভোগীদের আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপণ করা হতো। পরে ভুক্তভোগীরা টাকা ফেরতের জন্য তাগাদা দিলেও টাকা ফেরত দিতেন না। এ ছাড়া গত দুই বছরে পাসপোর্ট এবং অর্থ জমা দেয়া কাউকেই চক্রটি বিদেশে পাঠাতে পারেনি।’

তিনি বলেন, ‘গ্রেপ্তার মাহাবুব ২০০০ সাল থেকে সংঘবদ্ধ মানবপাচার ও প্রতারক চক্রের সদস্য। বিভিন্ন কৌশলে প্রতারণা করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তারা।’

আরিফ মহিউদ্দিন বলেন, ‘এই চক্রের মাধ্যমে বিদেশে পৌঁছানোর পর বিদেশে অবস্থানরত এজেন্ট দিয়ে তাদেরকে আবার প্রতারিত করা হয়। তাদেরকে কাজের নামে অজ্ঞাত জায়গায় নিয়ে বন্দি করে রাখা হয়। বন্দি করে রেখে শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করা হয়।

‘এ সময় মাহাবুবের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সে ভুক্তভোগীদের অপেক্ষা করতে বলে। সে জানায় কিছুদিন পরে কোম্পানি চালু হবে। তখন তারা বেতন ও কাজের সুযোগ পাবেন।’

এই চক্রটির ট্রাভেল এজেন্সি বা রিক্রুটিং এজেন্সি পরিচালনার কোনো লাইসেন্স নেই বলেও জানান র‍্যাবের এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
জঙ্গিদের চেয়ে স্মার্ট র‍্যাব: ডিজি
বিমানবন্দরে ৩০০ জনকে অজ্ঞান করা আমির এবার ধরা
বাধ্য না হলে র‌্যাব গুলি ছোড়ে না: বিদায়ী ডিজি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Helal Hafizs birthday is spent in the hospital

হাসপাতালেই কাটছে হেলাল হাফিজের জন্মদিন

হাসপাতালেই কাটছে হেলাল হাফিজের জন্মদিন হেলাল হাফিজ। ফাইল ছবি
এখন কেমন আছেন জানতে চাইলে হেলাল হাফিজ বলেন, ‘আমি তো ভালো নেই, শরীর খারাপ।’ জীবনের ৭৩টি বসন্ত পেরোনোর অনুভূতি জানতে চাইলে অবসন্নতায় ভরা কণ্ঠে ছোট্ট করে বললেন, ‘দোয়া কইরো।’

দ্রোহ ও ভালোবাসার কবি হেলাল হাফিজের ৭৪তম জন্মদিন শুক্রবার। মনে-প্রাণে এখনও চির তরুণ এই কবির শরীরটা ভালো নেই অনেকদিন ধরেই।

চোখ, কিডনি জটিলতা, ডায়াবেটিসসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন ৭৪ বছর বয়সী হেলাল হাফিজ। এসব নিয়েই গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি ভর্তি হয়েছিলেন সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ)।

সেখান থেকে কিছুটা সুস্থ হয়ে ফিরলেও শারীরিক জটিলতায় আবারও কয়েক দফায় তাকে ভর্তি থাকতে হয়েছে রাজধানীর বারডেম হাসপাতাল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে।

জন্মদিনেও কবি রয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে। সেখান থেকেই নিউজবাংলার সঙ্গে হলো জন্মদিনের শুভেচ্ছা বিনিময়।

এখন কেমন আছেন জানতে চাইলে হেলাল হাফিজ বলেন, ‘আমি তো ভালো নেই, শরীর খারাপ।’

জীবনের ৭৩টি বসন্ত পেরোনোর অনুভূতি জানতে চাইলে অবসন্নতায় ভরা কণ্ঠে ছোট্ট করে বললেন, ‘দোয়া কইরো।’

জন্মদিনে হাসপাতালে তার সঙ্গে কয়েকজন বন্ধুবান্ধবও রয়েছেন বলে জানালেন কবি।

১৯৪৮ সালের এই দিনে নেত্রকোণার আটপাড়া উপজেলার বড়তলী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন হেলাল হাফিজ। শৈশব, কৈশোর ও যৌবন কেটেছে নিজ শহর নেত্রকোণাতেই।

হেলাল হাফিজ ১৯৬৫ সালে নেত্রকোণা দত্ত হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৬৭ সালে নেত্রকোণা সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন।

কবি হেলাল হাফিজের লেখালেখির শুরুটা ষাটের দশকে। ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থানের সময় রচিত ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’ কবিতাটি তাকে খ্যাতি এনে দেয় ।

১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘যে জলে আগুন জ্বলে’। এর ২৬ বছর পর ২০১২ সালে প্রকাশিত হয় দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘কবিতা একাত্তর’।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে ৩৪টি কবিতা নিয়ে ঢাকা ও কলকাতা থেকে প্রকাশ হয় তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘বেদনাকে বলেছি কেঁদো না’।

জন্মদিনে ভক্ত-পাঠক-শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশ্যে কিছু বলার আছে কি না জানতে চাইলে বলেন ‘ভালোবাসাই ভরসা, সবাইকে ভালোবাসা জানাই।’
২০১৩ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান কবি হেলাল হাফিজ।

আরও পড়ুন:
ভীষণ দুর্বল কবি হেলাল হাফিজ দোয়া চাইলেন সবার
‘ভালোবাসাই ভরসা, সবাইকে ভালোবাসা জানাই’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of the maid was hanging in the house

বাসায় ঝুলছিল গৃহকর্মীর মরদেহ

বাসায় ঝুলছিল গৃহকর্মীর মরদেহ প্রতীকী ছবি
লালবাগ থানার এসআই মুক্তা উম্মা বলেন, আজিমপুরের চায়না বিল্ডিংয়ের একটি বাসার ড্রয়িং রুমে ফ্যানের সঙ্গে সাজেদাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার মাথার পেছনে রক্তাক্ত যখম ও গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।

রাজধানীর আজিমপুরে বাসা থেকে এক গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।

বুধবার জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে লালবাগ থানা পুলিশ।

৪৬ বছর বয়সী মোছা. সাজেদার মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) মর্গে। পরে মরদেহ গ্রামের বাড়ি দাফন হয়।

সাজেদ ধর্ষণের শিকার কি না তা পরীক্ষা হচ্ছে। এ ঘটনায় ওই নারী যার বাসায় কাজ করতেন সেই দম্পতিকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

লালবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মুক্তা উম্মা বলেন, আজিমপুরের চায়না বিল্ডিংয়ের একটি বাসার ড্রয়িং রুমে ফ্যানের সঙ্গে সাজেদাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার মাথার পেছনে রক্তাক্ত যখম ও গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।

সাজেদার ভাতিজা মো. শহীদ মিয়া ও তার ভাই আবুল হোসেন জানান, সাজেদাকে ২০ বছর আগে তার স্বামী তালাক দেন। এরপর থেকে বড় ভাই তারা মিয়ার কাছেই থাকতেন তিনি।

তারা জানান, গ্রামের এক নারীর মাধ্যমে প্রায় চার মাস আগে ঢাকার আজিমপুর একটি বাসায় বুয়া হিসেবে কাজে যোগ দেন সাজেদা। তার বাড়ি আমাদের ময়মনসিংহের তারাকান্দা। তার ১৩ বছরের মেয়ে বাবা হাসানের সঙ্গে বসবাস করছে।

আরও পড়ুন:
পুকুরে ভাসছিল তরুণীর দেহ
‘পুলিশের ভয়ে’ নদীতে ঝাঁপ, একদিন পর মিলল মরদেহ
মা ও দুই ছেলে হত্যা রহস্যের জট খুলেছে, সৎ মামা গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
12 were injured when the bus overturned in the race to get ahead

আগে যাওয়ার প্রতিযোগিতায় বাস উল্টে আহত ১২

আগে যাওয়ার প্রতিযোগিতায় বাস উল্টে আহত ১২ দুই বাসের প্রতিযোগিতায় একটি বাস উল্টে গেছে। ছবি: নিউজবাংলা
খিলক্ষেত থানার এসআই বজলুর রহমান বলেন, ‘আব্দুল্লাহপুর থেকে আজিমপুরগামী ভিআইপি-২৭ পরিবহনের দুইটি বাস শেওড়া রেলগেট এলাকায় কে কার আগে যাবে এ নিয়ে বেপরোয়া গতিতে প্রতিযোগিতা করতে থাকে। এ সময় একটি বাসের ধাক্কায় আরেকটি বাস উল্টে যায়।’

রাজধানীর বিমানবন্দর রাস্তায় ভিআইপি-২৭ পরিবহনের দুই বাসের প্রতিযোগিতায় একটি বাস উল্টে কমপক্ষে ১২ যাত্রী আহত হয়েছেন।

বিমানবন্দর রোডের শেওড়া রেলগেট এলাকায় শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আহতদের উদ্ধার করে ওই এলাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

খিলক্ষেত থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বজলুর রহমান বলেন, ‘আব্দুল্লাহপুর থেকে আজিমপুরগামী ভিআইপি-২৭ পরিবহনের দুইটি বাস শেওড়া রেলগেট এলাকায় কে কার আগে যাবে এ নিয়ে বেপরোয়া গতিতে প্রতিযোগিতা করতে থাকে। এ সময় একটি বাসের ধাক্কায় আরেকটি বাস উল্টে যায়। এ ঘটনায় কমপক্ষে ১২ যাত্রী আহত হয়েছেন। যাত্রীদের অনেকেই আশেপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।’

তিনি বলেন, ‘বাসটি এখনও রাস্তায় আছে। আমরা সেটিকে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য কাজ করছি। এ ঘটনায় চালকদের আটক করা যায়নি।’

আরও পড়ুন:
গুলিস্তানে বিআরটিসির বাসের ধাক্কায় নারী নিহত
সাফজয়ীদের সংবর্ধনায় এসে দুর্ঘটনায় নিহত স্কুলছাত্র
ইলেকট্রিক মিস্ত্রিকে মৃত ঘোষণা, ঢামেকে লেগুনা ফেলে পালান চালক
দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ২
বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল শিশুর

মন্তব্য

p
উপরে