× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Tea workers celebrate increased wages by dancing and singing
hear-news
player
google_news print-icon

নেচে-গেয়ে বাড়তি মজুরি উদযাপন চা শ্রমিকদের

নেচে-গেয়ে-বাড়তি-মজুরি-উদযাপন-চা-শ্রমিকদের
নেচে-গেয়ে দিনটি উদযাপন করছেন শ্রমিকরা। ছবি: নিউজবাংলা
চান্দপুর চা-বাগানের পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি সাধন সাঁওতাল বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে আজকে দিনটি কাটাব। সারা দিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের প্রতীক নৌকা নিয়ে আনন্দ মিছিল করব। মিষ্টি বিতরণ করব। নাচ-গান করব আর প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রার্থনা করব। উনি যাতে সব সময় ভালো থাকেন।’

চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১৭০ টাকা নির্ধারণ হওয়ায় হবিগঞ্জের ২৪টি বাগানে শ্রমিকদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। বিভিন্ন বাগানে শ্রমিকরা আনন্দ-উল্লাস করে মিষ্টিও বিতরণ করছেন।

শ্রমিকরা জানান, প্রধানমন্ত্রী ১৭০ টাকা নির্ধারণ করে দেয়ায় খুশি তারা। তবে রোববার সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় তারা কাজে ফেরেননি। সারা দিন তাই আনন্দ উল্লাস করে দিনটি উদযাপন করবেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, নাচ-গানের পাশাপাশি আনন্দ শোভাযাত্রা করেন শ্রমিকরা। ঢোলের তালে তালে শ্রমিকদের নিজস্ব সংস্কৃতির বিভিন্ন নাচ প্রদর্শন করেন তারা। এ ছাড়া প্রতীকী নৌকা নিয়ে সরকারের বিভিন্ন স্লোগানও দেন তারা।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক নারী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সন্ধ্যা রানী ভৌমিক বলেন, ‘আমাদের দাবি ছিল ৩০০ টাকা মজুরি, কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেহেতু ১৭০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছেন, আমরা তাতেই খুশি। আমরা আনন্দ নিয়ে সোমবার থেকে কাজে ফিরে যাব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ আমরা সারা দিন আনন্দ-উল্লাস করব। আজ আমাদের বাগানে উৎসব শুরু হয়েছে। আজ আমরা সারা দিন নাচ-গান করব।’

চান্দপুর চা-বাগানের পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি সাধন সাঁওতাল বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে আজকে দিনটি কাটাব। সারা দিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের প্রতীক নৌকা নিয়ে আনন্দ মিছিল করব। মিষ্টি বিতরণ করব। নাচ-গান করব আর প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রার্থনা করব। উনি যাতে সব সময় ভালো থাকেন।’

দুপুরে চান্দপুর চা-বাগানে যান চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিদ্ধার্থ ভৌমিক। এ সময় তিনি শ্রমিকদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেন।

তিনি বলেন, ‘গতকাল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রমিকদের মজুরি ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১৭০ টাকা নির্ধারণ করায় শ্রমিকরা আনন্দ-উল্লাস করছেন শুনেই আমি আর অফিসে থাকতে পারলাম না। আমি শ্রমিকদের সঙ্গে দিনটি উদযাপন করতে চলে আসলাম।’

আরও পড়ুন:
চা শ্রমিকদের পক্ষে শাহবাগে সংহতি সমাবেশ
চা শ্রমিকদের মজুরি ১৭০ টাকা নির্ধারণ
চা শ্রমিকদের মজুরি ১৭০ টাকা নির্ধারণ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
গোপালগঞ্জে এলাকাবাসীর মহাসড়ক অবরোধ
এই ঘর দিয়ে মাসে দেখানো হয় ২৩০০ টাকা মজুরি!

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Akash Alis death casts a pall over the joy of worship

পূজার আনন্দে বিষাদ ঢেলেছে আকাশ মিয়ার মৃত্যু

পূজার আনন্দে বিষাদ ঢেলেছে আকাশ মিয়ার মৃত্যু বুধবার সন্ধ্যায় জামালপুরে ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে আকাশ আলীর মরদেহ উদ্ধারের পর স্বজনের কান্না। ছবি: নিউজবাংলা
৩৬০ বছর পুরনো শ্রীশ্রী দয়াময়ী মন্দিরের পুরোহিত নিরঞ্জন ভাদুড়ী বলেন, ‘ঘটনাটি শোনার পর থেকেই নিজের ভেতরে এক ধরনের অস্থিরতা অনুভব করছি। এত বড় একটা উৎসবে একজন মা তার আদরের ধন হারাল। একটা মায়ের বুক খালি হয়ে গেল। এই ছেলেটি আমার বা আপনারও হতে পারত। তাই আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।’

বছর ঘুরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য আনন্দের উপলক্ষ হয়ে আসে শারদীয় দুর্গোৎসব। ব্যতিক্রম হয়নি এবারও। কিন্তু একটি মৃত্যু সেই আনন্দের আবহে বিষাদ ছড়িয়ে দিয়েছে।

জামালপুরে বুধবার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের সময় ব্রহ্মপুত্র নদের পানিতে ডুবে মারা যান মো. আকাশ মিয়া। আনন্দ আয়োজন উদযাপনকালে ২২ বছর বয়সী এই তরুণের মৃত্যুর শোক ছুয়ে গেছে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে।

আকাশ জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা এলাকার সোজাউর রহমান রানার ছেলে। এই অকাল মৃত্যুতে পরিবারটি শোকে বাকরুদ্ধ। স্থানীয় মুসলিম এবং হিন্দু কমিউনিটির মানুষও মেনে নিতে পারছেন না এই দুর্ঘটনা। তারা বলছেন- আনন্দ উৎসবে এমন মর্মান্তিক ঘটনা কখনোই কাম্য নয়।

বৃহস্পতিবার সকালে নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক গোরস্তানে আকাশ মিয়াকে দাফন করা হয়েছে।

পূজার আনন্দে বিষাদ ঢেলেছে আকাশ মিয়ার মৃত্যু
ব্রহ্মপুত্র নদের এই স্থানটিতেই বুধবার সন্ধ্যায় প্রতিমা বিসর্জনের সময় পানিতে ডুবে মারা যান মো. আকাশ মিয়া। ছবি: নিউজবাংলা

আকাশ মিয়ার এই অকাল মৃত্যুতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জামালপুর জেলা শাখার সভাপতি প্রদীপ কুমার সোম বলেন, ‘গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যায় ফায়ার সার্ভিস মুকন্দবাড়ির প্রতিমার নিচ থেকে ছেলেটির দেহ উদ্ধার করার পর আমরা সবাই অস্থির হয়ে গেলাম। ছেলেটিকে হাসপাতালে নিয়ে গেলাম। সব জায়গায় খবর লাগালাম। পরে তার পরিবারের লোকজন এল। রাত ১২টার পর আমরা হাসপাতাল থেকে এলাম।

এ ঘটনায় আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাই শোকাহত। এমন দুঃখজনক ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে আমাদেরে আরও সচেতন থেকে উৎসব উদযাপন করা উচিত।’

৩৬০ বছর পুরনো শ্রীশ্রী দয়াময়ী মন্দিরের পুরোহিত নিরঞ্জন ভাদুড়ী বলেন, ‘আমাদের বিভিন্ন উৎসবে মুসলমান ছেলেরাই বেশি থাকে। আমরা সবাই মিলে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেই। একটি উৎসবে এমন মৃত্যু কারও কাম্য নয়।

‘ঘটনাটি শোনার পর থেকেই নিজের ভেতরে এক ধরনের অস্থিরতা অনুভব করছি। এত বড় একটা উৎসবে একজন মা তার আদরের ধন হারাল। একটা মায়ের বুক খালি হয়ে গেল। এই ছেলেটি আমার হতে পারত। আপনারও হতে পারত। তাই আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।’

জামালপুরের মানবাধিকার কর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, ‘আনন্দ উৎসবে এমন মর্মান্তিক ঘটনায় সবারই আনন্দ ম্লান করে দিয়েছে। হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সবাইকে ছুয়ে গেছে এই বিয়োগান্তক ঘটনা।’

বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক সাযযাদ আনসারী বলেন, ‘জামালপুরের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন উৎসবে মুসলমান কিশোর-যুবকরা বরাবরই দলে দলে অংশগ্রহণ করে থাকে। সবাই মিলে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে। এটি হচ্ছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি বড় উদাহর। প্রতিমা বিসর্জনের সময় ছেলেটির এই অকাল মৃত্যুতে আমরা সবাই শোকাহত। এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কারও কাম্য নয়।’

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন শাখার রেসকিউ বোট ক্রু তানজিল আহম্মেদ তন্ময়। তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যা ৭টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে মো. আকাশ আলী নামের ছেলেটি দুইবার নদে পড়ে যায়। সঙ্গে থাকা বন্ধু-বান্ধবরা দুবারই তাকে নদের পাড়ে তুলে আনে।

‘তৃতীয় বার যখন ছেলেটি নদে পড়ে যায় তখন আর কেউ খেয়ালা করেনি। মিনিট দশেক পর তার অনুপস্থিতি দেখে সঙ্গীয় বন্ধুরা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়।ক দেয় পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ছেলেটিকে নদীতে বিসর্জন দেয়া প্রতিমার নিচ থেকে তাকে উদ্ধার করে।’

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, ‘এই মৃত্যু নিয়ে আকাশের মা-বাবার কোনো অভিযোগ নেই। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জামালপুর সদর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
প্রতিমার সঙ্গে ডুবে মুসলিম যুবকের মৃত্যু
পূজার আলোকসজ্জার তারে জড়িয়ে যুবকের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The cause of the grid failure is still unknown

গ্রিড বিপর্যয়ের কারণ এখনও অজানা

গ্রিড বিপর্যয়ের কারণ এখনও অজানা গ্রিড বিপর্যয়ে মঙ্গলবার দেশের অর্ধেক এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। ছবি: নিউজবাংলা
জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে মঙ্গলবার ঢাকাসহ দেশের প্রায় অর্ধেক অংশ দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। এর আগে কয়েক বার ছোট পরিসরে এ ধরনের ঘটনা ঘটলেও সবচেয়ে বড় বিপর্যয় ঘটে ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর। সেবার সারা দেশ ১৭ ঘণ্টা ব্লাকআউট ছিল।

বিদ্যুতের জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণ দুই দিনেও পরিষ্কার হয়নি। ঘটনার সঙ্গে এখন পর্যন্ত মানুষের ত্রুটির (হিউম্যান ফল্ট) কোনো প্রমাণ মেলেনি বলে নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অফ বাংলাদেশ (পিজিসিবি) লিমিটেডের তদন্ত কমিটির প্রধান মো. ইয়াকুব ইলাহী চৌধুরী।

তবে প্রাথমিক তদন্তে এসেছে বড় বিপর্যয় ঠেকাতে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার অংশ হিসেবেই মঙ্গলবার ‘গ্রিড ট্রিপ’ এর ঘটনা ঘটে।

তদন্ত কমিটির প্রধান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুর্ঘটনার সময় প্রত্যেকটি পাওয়ার প্ল্যান্টেই কিছু না কিছু ঘটেছে। কেন সেটি ঘটেছে বা ওইসব ঘটনার সঙ্গে কোনো বিশেষ ত্রুটির সম্পর্ক আছে কিনা- আমরা অনুসন্ধান করছি।’

বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সরবরাহ ব্যবস্থা পরিদর্শন শুরু করেছেন তদন্ত কমিটির সদস্যরা। ইয়াকুব ইলাহী চৌধুরীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের কমিটি বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এর আগে তারা ঘোড়াশাল বিদ্যুৎকেন্দ্রেও যান।

ইয়াকুব ইলাহী চৌধুরী বলেন, ‘আমরা অন্য বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতেও যাব। কেন্দ্রগুলো থেকে আমরা বিভিন্ন তথ্যসংগ্রহ করছি। এগুলো পর্যালোচনা করা হবে। তবে এখনই গ্রিড বিপর্যয়ের কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট কিছু বলা যাবে না। সব কিছু বিবেচনায় নিয়েই তদন্ত চলছে।’

জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে মঙ্গলবার ঢাকাসহ দেশের প্রায় অর্ধেক অংশ দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। এর আগে কয়েক বার ছোট পরিসরে এ ধরনের ঘটনা ঘটলেও সবচেয়ে বড় বিপর্যয় ঘটে ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর। সেবার সারা দেশ ১৭ ঘণ্টা ব্লাকআউট ছিল।

স্মার্ট গ্রিড সিস্টেম চালু না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের ঝুঁকি থাকবে বলে মনে করেন বিদ্যুৎ খাত বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, পুরোনো আমলে অ্যানালগ পদ্ধতির লোড ব্যবস্থাপনাই জাতীয় গ্রিডকে ঝুঁকিতে ফেলেছে।

কেন এমনটা ঘটে

বিদ্যুৎ প্রবাহ লাইনে চলমান ফ্রিকোয়েন্সিতে তারতম্য ঘটলেই ব্লাক আউটের ঘটনা ঘটতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে বড় কোনো বিপর্যয় এড়াতে নিজ থেকেই ‘গ্রিড ট্রিপ’ ঘটে বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।

বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, বাংলাদেশে ৫০ মেগাহার্টজ তরঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়। কোনো কারণে এটি বেড়ে কিংবা কমে গেলে গ্রিড ট্রিপের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মঙ্গলবারের ব্ল্যাকআউটের মূল কারণ ছিল এই গ্রিড ট্রিপ।

বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মো. হাবিবুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঘোড়াশাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুটি সাবস্টেশনের মাঝখানে যে ইন্টারকানেকশন রয়েছে, সেখানেই মূলত সমস্যা। তবে সমস্যাটা কেন হল সেটা এখনও জানা যায়নি।’

তদন্ত কমিটির প্রধান প্রকৌশলী ইয়াকুব এলাহি চৌধুরী জানান, দেশের কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাওয়ার কন্টোল রুমগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। সব পরীক্ষা শেষে বিপর্যয়ের কারণ জানা যাবে।

৪ সেপ্টেম্বরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এই কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে বলা হয়েছে।

এর আগে ২০১৪ সালের নভেম্বরের ব্ল্যাকআউটের পর ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি করা হয়। ওই কমিটির প্রতিবেদনে কারিগরি ত্রুটি, দায়িত্বপালনে সীমাবদ্ধতা এবং নির্দেশ পালনে অবহেলাকে মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

প্রতিবেদনে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ডিজিটাল করা, কারিগরি ব্যবস্থার উন্নয়নসহ ২০ দফা সুপারিশ করা হয়। তবে আট বছরেও বেশির ভাগ সুপারিশ বাস্তবায়ন করা হয়নি।

২০১৭ সালে গ্রিড বিপর্যয়ে কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন ছিল দেশের উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৩২ জেলা। সর্বশেষ গত মাসে গ্রিড বিপর্যয়ে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল অঞ্চল ৪০ মিনিট থেকে দেড় ঘণ্টার বেশি সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ছিল।

এর আগে ২০০২, ২০০৭, ২০০৯ সালেও গ্রিড বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন:
ব্ল্যাকআউট যেভাবে
এটিএম বুথে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রভাব
বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সরকারের দুঃখ প্রকাশ
রাজধানীর বড় অংশে বিদ্যুৎ ফিরেছে
শাহজালালে কার্যক্রম চলছে জেনারেটরে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Trawler sank in the sea the bodies of two more Rohingya women were found

সাগরে ট্রলারডুবি: ভেসে এলো আরও দুই রোহিঙ্গা নারীর মরদেহ

সাগরে ট্রলারডুবি: ভেসে এলো আরও দুই রোহিঙ্গা নারীর মরদেহ
ট্রলারডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত এক শিশু ও পাঁচ নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় রোহিঙ্গাসহ ৬ দালালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গাবাহী মালয়েশিয়াগামী ট্রলারডুবির পরদিন সাগরে ভেসে উঠেছে আরও দুই রোহিঙ্গা নারীর মরদেহ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত এক শিশু ও পাঁচ নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শীলখালী সাগর পয়েন্ট থেকে বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান।

তিনি জানান, রাতে শীলখালী সাগর উপকূলে দুই নারীর মরদেহ ভেসে আসে। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠায়।

অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে টেকনাফে বঙ্গোপসাগর উপকূলে মঙ্গলবার ভোরে রোহিঙ্গাবাহী একটি ট্রলার ডুবে যায়। এরপর জীবিত উদ্ধার করা হয় ৪৮ জনকে।

উদ্ধার হওয়া যাত্রীদের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, ওই ট্রলারে ৭০ জনের মতো রোহিঙ্গা ছিল। সে হিসাবে এখনও অনেকে নিখোঁজ আছেন।

এ ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় রোহিঙ্গাসহ ৬ দালালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে ২৪ জনকে এজাহারভুক্তসহ ১০ থেকে ১৫ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে টেকনাফ থানায় মামলাটি করেন বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) হুসনে মুবারক।

আরও পড়ুন:
ট্রলারডুবি: নিরাপত্তা সরঞ্জাম না থাকায় বাড়ছে জেলে নিখোঁজের সংখ্যা
ডুবে যাওয়া ট্রলারের ৯ জেলে সুন্দরবনে উদ্ধার
ভারত থেকে ফিরলেন ৩২ জেলে
ট্রলারডুবি: নিখোঁজ ৭ জেলে উদ্ধার ভারতে
সাগরে এখনও নিখোঁজ দুই ট্রলার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Big market of Khulna without fire safety

অগ্নিনিরাপত্তাহীন খুলনার বড় বাজার

অগ্নিনিরাপত্তাহীন খুলনার বড় বাজার
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক সালেহ উদ্দিন বলেন, ‘এখানে গলিগুলো এত সরু যে আমাদের ছোট গাড়িটিও আগুনের কাছাকাছি নেয়া যায়নি। এখানে ফায়ার সেফটির ন্যূনতম ব্যবস্থা নেই। দোকানগুলোতে নিরাপত্তা বলতে কিছু নেই। বিদ্যুতের লাইনেও ঝামেলা আছে।’

বড় বাজার হিসেবে পরিচিত খুলনা বিভাগের বৃহত্তম পাইকারি বাজারে আগুনে পুড়ে গেছে ৭ টি দোকান ও গোডাউনের মালামাল। ফায়ার সার্ভিস বলছে, অগ্নি নিরাপত্তার জন্য ন্যূনতম ব্যবস্থা নেই বাজারটিতে।

বুধবার দুপুর ১টার দিকে খুলনা মহানগরীর বড় বাজারে ভৈরব স্ট্যান্ড রোডের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা ২ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

বড় বাজার ব্যবসায়ী সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ আনিচুর রহমান মিঠু বলেন, ‘পূজা উপলক্ষে বড় বাজারের সব দোকানপাট বন্ধ ছিল। দুপুরে কংস বণিক ভাণ্ডার নামে একটি অ্যালুমিনিয়ামের দোকানে আগুন লাগে। সেখান থেকে অন্যান্য দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

‘একে একে কংস বনিক ভান্ডার, সুরুচি বস্ত্রালয়, নাহিদ আমব্রেলা ও হোসেন হার্ডওয়ার নামক চারটি দোকান পুড়ে যায়। এই দোকানের উপরে থাকা আরও তিনটি গোডাউনেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আগুনে প্রায় আড়াই কোটি টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।’

অগ্নিনিরাপত্তাহীন খুলনার বড় বাজার

ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম সূত্র জানায়, দুপুর ১টা ৭ মিনিটের দিকে মোবাইল ফোনে আগুনের খবর জানানো হয়। পরে খুলনার বিভিন্ন স্টেশন থেকে ৮টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ইউনিটগুলোর নেতৃত্বে ছিলেন খুলনা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক সালেহ উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘দোকানগুলোতে প্লাস্টিক জাতীয় পদার্থ থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে একটু বিলম্ব হয়েছে। ধারণা করছি শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। ক্ষতির পরিমাণ ও আগুন লাগার কারণ তদন্তে বেরিয়ে আসবে।’

সুরুচি বস্ত্রালয়ের স্বত্বাধিকারী সমর কুমার ব্যানার্জি বলেন, ‘আমার কিছু থাকল না। আগুনে নগদ ১০ লাখ টাকা পুড়ে গেছে। মালামাল পুড়ে এক কোটি টাকার। টাকাটা আজ ব্যাংকে জমা দেয়ার কথা ছিল। আগুন লাগার পর ক্যাশের টাকা চুরিও গেছে।’

বড় বাজারের ব্যবসায়ী শেখ কামরুজ্জামান বলেন, ‘আমরা ফায়ার সার্ভিসকে তাৎক্ষণিক খবর দিলেও তারা অনেক পরে এসেছে। তারপর আগুন নেভানোর জন্য পানি দিতেও দেরি করেছে। এতে আমরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।’

অগ্নিনিরাপত্তাহীন খুলনার বড় বাজার

এ ব্যাপারে উপ-পরিচালক সালেহ উদ্দিন বলেন, ‘আগুন নেভাতে দেরি হওয়ায় আমাদের দোষ ঠিক নয়। আমরা খবর পাওয়ামাত্রই চলে এসেছি। তবে এখানের গলিগুলো এতটাই সরু যে আমাদের ছোট গাড়িটিও আগুনের কাছাকাছি নেয়া যায়নি। ফায়ার সেফটির ন্যূনতম ব্যবস্থা নেই। এ জন্য আগুন নেভাতে বেশ কষ্ট হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘অনেক আগে এই বাজার গড়ে উঠেছে। প্রতিটি দোকানে লাখ লাখ টাকার মালামাল রয়েছে। দোকানগুলোতে নিরাপত্তা বলতে কিছু নেই। ভূমিকম্প হলেও এখানে অনেক ক্ষতি হবে। বিদ্যুতের লাইনেও এখানে ঝামেলা আছে। অধিকাংশ দোকানে নিরাপদভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয় না।’

আরও পড়ুন:
দুর্বৃত্তের আগুনে গুরুতর দগ্ধ দম্পতি
ডেসটিনির গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে
সিলিন্ডারের আগুনে পুড়ে ছাই বসতঘর
চীনে নিভেছে জ্বলতে থাকা সেই ভবনের আগুন
ফোম তৈরির গুদামঘর পুড়ল আগুনে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jahangir was a good footballer

ভালো ফুটবলার ছিলেন জাহাঙ্গীর

ভালো ফুটবলার ছিলেন জাহাঙ্গীর ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বর মিশনে গিয়েছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। ছবি: সংগৃহীত
আইএসপিআর সূত্র মতে, বাংলাদেশ সময় গত মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে অপারেশন পরিচালনাকালে ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বিস্ফোরিত হয়ে তিন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন।

মধ্য আফ্রিকায় বোমা বিস্ফোরণে নিহত নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার জাহাঙ্গীর আলমের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।

ছেলেকে হারিয়ে নির্বাক বাবা-মা আর থামানো যাচ্ছে না স্ত্রী শিমু আকতারের কান্না।

গ্রামের মানুষ জানালেন, ভালো খেলোয়াড় ছিলেন জাহাঙ্গীর। ফুটবল খেলায় তার সুনাম ছিল বেশ। সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েও কৃতিত্বের সঙ্গে তিনি খেলা চালিয়ে গেছেন।

বুধবার উপজেলার ডিমলা ইউনিয়নের দক্ষিণ তিতপাড়া গ্রামে জাহাঙ্গীরের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, তার পরিবারকে সমবেদনা জানাতে স্থানীয় ভিড়। সকালে সেখানে গিয়েছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেনও।

ছেলের মুত্যুর খবরে শয্যাশায়ী মা গুলনাহার বেগম বলেন, ‘কয়েকদিন আগেই অনলাইনে ব্যাটার সাথে কথা হইল। কইল- মা, মুই ভালো আছো। মিশন শেষ হয়ছে। কিছুদিন পর দেশোত আসিম। তোমরা ভালো থাকো।’

কথা বলতে বলতেই ভাষা হারিয়ে ফেলা মা আবারও বলে উঠলেন, ‘মুই ছেলেটাক দেখির চাও।’

সন্তানের মরদেহ দ্রুত দেশে নিয়ে আসার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাবা লতিফর রহমান।

বাবা মায়ের পাঁচ সন্তানের মধ্যে জাহাঙ্গীর ছিলেন চতুর্থ। সবার বড় আবুজার রহমানও সেনাবাহিনীর সদস্য। দিনাজপুরের খোলাহাটি সেনানিবাসে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। দুর্ঘটনার খবরটি তাকেই প্রথম জানানো হয়। ছুটি দেয়া হয় বাড়িতে ফেরার জন্য।

আবুজার রহমান জানান, জাহাঙ্গীরের মরদেহ দেশে আনার বিষয়টি সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা দেখভাল করছেন।

এদিকে, চার বছর আগে জলঢাকা উপজেলার মীরগঞ্জ ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের মেয়ে শিমু আক্তারকে বিয়ে করেছিলেন জাহাঙ্গীর। স্বামী মৃত্যুর খবরে কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না শিমুর কান্না।

আহাজারি করে শিমু বলেন, ‘পরশু ভিডিও কলে কথা হয় ওর সাথে। জানাল ভালো আছে। কোনো সমস্যা নেই। মিশন তো শেষের পথে। কিছুদিন পরই আসছি। ভালো থাকো।’

ভালো ফুটবলার ছিলেন জাহাঙ্গীর
জাহাঙ্গীরের বাড়িতে এখন শোকের মাতম

গ্রামের মানুষেরা বলছেন- সৎ আর সহজ-সরল প্রকৃতির ছিলেন জাহাঙ্গীর। খেলোয়াড় হিসেবে সবাই তাকে চিনতো।

প্রতিবেশী শামসুল হক বলেন, ‘অত্যন্ত ভদ্র ছিল সে। ভালো ফুটবলার ছিল। আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসী করুক।’

২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সৈনিক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন জাহাঙ্গীর। মিশনের যাওয়ার আগে টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল সেনানিবাসে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বর মিশনে যান তিনি।

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন ও ডিমলা থানার ওসি লাইছুর রহমান পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাতে হাজির হয়েছিলেন জাহাঙ্গীরের বাড়িতে।

ইউএনও বলেন, ‘ঘটনাটি বেদনাদায়ক। দেশের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন জাহাঙ্গীর। শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।’

আইএসপিআর সূত্র মতে, বাংলাদেশ সময় গত মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে অপারেশন পরিচালনাকালে গাড়িতে ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বিস্ফোরিত হয়ে তিন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত হন। এর মধ্যে নীলফামারীর জাহাঙ্গীর আলমও ছিলেন।

আরও পড়ুন:
জাতিসংঘের মরণোত্তর পদক পেলেন বাংলাদেশের দুই সেনা
শান্তিরক্ষা মিশনে আরও সেনা পাঠাতে প্রস্তুত বাংলাদেশ
মাইন বিস্ফোরণে ৩ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী আহত
শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তায় এলো যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র
বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Khulna Big Bazaar fire under control

খুলনার বড় বাজারের আগুন নিয়ন্ত্রণে

খুলনার বড় বাজারের আগুন নিয়ন্ত্রণে খুলনার বড় বাজারের আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট। ছবি: নিউজবাংলা
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক সালেহ উদ্দিন জানান, বড় বাজারে দুপুর ১টার দিকে আগুন লাগে। বেলা পৌনে ৩টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস।

পৌনে ২ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে এসেছে খুলনার বৃহত্তম পাইকারি বাজারের আগুন।

খুলনা ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক সালেহ উদ্দিন বিষয়টি জানিয়েছেন।

তিনি জানান, বড় বাজারে দুপুর ১টার দিকে আগুন লাগে। বেলা পৌনে ৩টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস।

সালেহ উদ্দিন আরও বলেন, ‘এখন ডাম্পিংয়ের কাজ চলছে। ধারণা করছি (বৈদ্যুতিক) শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পরে নির্ণয় করা হবে।’

এর আগে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছিল, বাজারের ভৈরব স্ট্যান্ড রোডের একটি দোকান থেকে দুপুরে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে এ আগুন পাশের অন্য দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।

বাহিনীর নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে জানানো হয়, খুলনার বিভিন্ন স্টেশন থেকে ৮টি ইউনিট গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয়।

খুলনার বড় বাজারের আগুন নিয়ন্ত্রণে

খুলনা বড় বাজার ব্যবসায়ী সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ আনিচুর রহমান মিঠু বলেন, “আজকে পূজা উপলক্ষে সব দোকান বন্ধ ছিল। দুপুরে ‘কংস বণিক’ নামের একটি অ্যালুমিনিয়ামের দোকানে আগুন লাগে। সেখান থেকে আগুন অন্যান্য দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।

“পৌনে ২ ঘণ্টায় প্রায় সাতটি দোকান আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে প্রায় আড়াই কোটি টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।”

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি, শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল।’

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী সমর কুমার ব্যানার্জি বলেন, ‘আমার কিছু থাকল না। নগদ ১০ লাখ টাকা পুড়েছে। ১ কোটি টাকার মালামাল পুড়েছে।

‘আজ ব্যাংকে টাকা দেয়ার কথা ছিল। সব পুড়ে গেছে।’

খুলনার বড় বাজারের আগুন নিয়ন্ত্রণে

তিনি আরও বলেন, ‘ক্যাশের টাকা অনেকে আবার চুরিও করে নিয়ে গেছে।’

আরও পড়ুন:
ডেসটিনির গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে
সিলিন্ডারের আগুনে পুড়ে ছাই বসতঘর
চীনে নিভেছে জ্বলতে থাকা সেই ভবনের আগুন
ফোম তৈরির গুদামঘর পুড়ল আগুনে
চকবাজারে আগুন: পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
6 arrested in case of Rohingya laden trawler sinking in the sea

সাগরে রোহিঙ্গাবোঝাই ট্রলারডুবির মামলায় গ্রেপ্তার ৬

সাগরে রোহিঙ্গাবোঝাই ট্রলারডুবির মামলায় গ্রেপ্তার ৬ বাহারছড়া ইউনিয়নের পুরানপাড়া সৈকত পয়েন্টে মঙ্গলবার দুপুরে ভেসে আসে ট্রলারডুবির ঘটনায় মারা যাওয়া এক নারীর মরদেহ। ছবি: নিউজবাংলা
ওসি বলেন, ‘মঙ্গলবার ট্রলারডুবির ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি উদ্ধারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে ক্যাম্পে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।’

কক্সবাজারের টেকনাফে বঙ্গোপসাগরে রোহিঙ্গাবাহী মালয়েশিয়াগামী ট্রলারডুবির ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় রোহিঙ্গাসহ ৬ দালালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ট্রলারডুবির ঘটনায় উদ্ধার হওয়া স্থানীয় নাগরিক ও রোহিঙ্গা রয়েছেন।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে ২৪ জনকে এজাহারভুক্তসহ ১০-১৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে টেকনাফ থানায় মামলাটি করেন বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) হুসনে মুবারক।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বুধবার দুপুরে নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে টেকনাফ সাবরাংয়ের কাটাবনিয়ার শহিদ উল্লাহকে। বাকি আসামিরা হলেন কক্সবাজারের মহেশখালী কুতুবজুম গ্রামের বাসিন্দা মো. সেলিম, একই এলাকার কোরবান আলী, ঈদগার হাজিপাড়ার মো. আবদুল্লাহ, উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মো. রশিদ এবং বাসিন্দা মো. শরীফ।

ওসি বলেন, ‘মঙ্গলবার ট্রলারডুবির ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি উদ্ধারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে ক্যাম্পে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।’

অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে টেকনাফে বঙ্গোপসাগর উপকূলে মঙ্গলবার ভোরে রোহিঙ্গাবাহী একটি ট্রলার ডুবে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিন রোহিঙ্গা নারীসহ এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। জীবিত উদ্ধার হয়েছে ৪৮ জন।

উদ্ধার হওয়াদের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, ওই ট্রলারে ৭০ জনের মতো লোক ছিল। সে হিসাবে, এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ২২ জনের মতো।

আরও পড়ুন:
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: ৩ মরদেহসহ উদ্ধার ৪৫ রোহিঙ্গা
ট্রলার ডুবে টেকনাফে সাঁতরে এলো মালয়েশিয়াগামী ৩৪ রোহিঙ্গা

মন্তব্য

p
উপরে