× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Again I will play
google_news print-icon

‘আবারও বলছি, খেলা হবে’

আবারও-বলছি-খেলা-হবে
ষড়যন্ত্রকারীদের চ্যালেঞ্জ জানালেন সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান। ছবি: নিউজবাংলা
শামীম ওসমান বলেন, ‘আগে হাজার বছরে একজন বঙ্গবন্ধু আসতেন, শত বছরে একটা মীরজাফর আসত। কিন্তু এখন দেখি বছর বছর খন্দকার মোশতাক জন্ম নেয়, জেলায় জেলায় এমনকি পাড়া-মহল্লায়ও জন্ম নেয়। তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান বলেছেন ‘খারাপ সময়ের সুযোগ নিয়ে অনেকে মরণ খেলা খেলতে চান। যদি মনে করেন সেই খেলায় জিতবেন, তাহলে সারা দেশে ঝামেলা করে লাভ নাই, আসেন নারায়ণগঞ্জে, এখানে খেলি। আবারও বলছি, খেলা হবে।’

শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের ২ নম্বর রেলগেটসংলগ্ন বঙ্গবন্ধু সড়কে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

শামীম ওসমান বলেন, ‘আপনারা খেলবেন ধ্বংসের পক্ষে, আর আমরা বিপক্ষে। আপনারা খেলবেন বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য, সাম্প্রদায়িকতার পক্ষে। আর আমরা খেলব অসাম্প্রদায়িকতার পক্ষে। যদি মনে করেন সেই খেলায় আপনারা জিতবেন, তারিখ দেন, কবে খেলবেন?

‘২০২৪ সালের নির্বাচনে যে বাবার হাতে-পায়ে ধরেন, তেল মারেন, তাতে লাভ নেই। বোমা মারেন, দুবাই থেকে টাকা আনেন, ইউরোপ-সৌদির লোক আনেন। যা খুশি করেন, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী থাকবেন শেখ হাসিনাই।’

দেশের সার্বিক সংকটের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘প্রথমে এলো রোহিঙ্গা, পরে করোনা এবং বন্যা। এরপর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলো। সবই সামাল দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। তবে অন্যদের তুলনায় আমরা ভালো আছি।’

কর্মীদের এক হতে আহ্বান জানিয়ে শামীম ওসমান বলেন, ‘সামনে একটা কঠিন সময় আসছে। এ সময়ে তারা বাংলাদেশটাকে ধ্বংস করতে চায়, যারা দেশের স্বাধীনতা মেনে নিতে পারেনি। ওরা ওদের জায়গায় ঠিক আছে, আমরা বিভক্ত। এখন সবার এক হওয়ার সময়। আসেন বাংলাদেশটাকে বাঁচানোর জন্য আমরা একসঙ্গে কাজ করি।

‘আগে হাজার বছরে একজন বঙ্গবন্ধু আসতেন, শত বছরে একটা মীরজাফর আসত। কিন্তু এখন দেখি বছর বছর খন্দকার মোশতাক জন্ম নেয়, জেলায় জেলায় এমনকি পাড়া-মহল্লায়ও জন্ম নেয়। তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’

‘আবারও বলছি, খেলা হবে’
২০২৪ সালে নির্বাচনের পর শেখ হাসিনা ফের প্রধানমন্ত্রী হবেন বলে আশাবাদী শামীম ওসমান। ছবি: নিউজবাংলা

ষড়যন্ত্রকারীদের সতর্ক করে শামীম ওসমান বলেন, ‘আপনাদের টার্গেট সরকার ফেলা না, আপনাদের টার্গেট শেখ হাসিনাকে সরিয়ে দেয়া। এর আগে ২১ বার হামলা হয়েছে। এখন ভুলেও সে পথে হাঁটবেন না, তাতে পরিণতি হবে ভয়াবহ।

‘লন্ডন থেকে নির্দেশ আসে আর আপনারা লাফান। খালেদা জিয়া অসুস্থ কিন্তু তার ছেলে আসেন না। ছেলের বউ ডাক্তার, তিনিও আসেন না। ব্যারিস্টার নাতনিও আসেন না। আপনারা যখন বিপদে পড়বেন, তখন তাদের কেউ আসবেন?’

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি বাবু চন্দন শীলের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ মো. বাদল ও মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজামসহ স্থানীয় নেতারা।

আরও পড়ুন:
২০২৪ সালে শেখ হাসিনাই দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন: শামীম ওসমান
চাষাঢ়া হামলার বিচার দেখতে পারব তো: শামীম ওসমান
মাজারের ফকিরের জন্য শামীম ওসমানের অনন্য উপহার
‘বিএনপি আর ক্ষমতায় আসবে না’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Diplomats are stunned by the devastation Foreign Minister

ধ্বংসযজ্ঞ দেখে কূটনীতিকরা স্তম্ভিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ধ্বংসযজ্ঞ দেখে কূটনীতিকরা স্তম্ভিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত
ড. হাছান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে আমাদের মিশনের সামনে একটি বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি সেটি আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। একইভাবে আমাদের বিভিন্ন মিশনের সামনে যে বিক্ষোভ হয়েছে, সেখানে বিএনপি-জামায়াত চক্র পাকিস্তান কমিউনিটির সহায়তা নিয়েছে বিভিন্ন জায়গায়।’

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র দেখে কূটনীতিকরা স্তম্ভিত হয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, “তারা এ ধরনের তাণ্ডবের তীব্র নিন্দা জানাতে ‘শেইম’, ‘শেইম’ উচ্চারণ করে বলেছেন- এটি তোমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, আমরা তোমাদের সঙ্গে আছি।”

বুধবার বিকেলে বিদেশি মিশনপ্রধান ও কূটনীতিকদের নিয়ে সম্প্রতি দুষ্কৃতকারীদের বিভিন্ন স্থানে তাণ্ডবলীলায় চরম ক্ষতিগ্রস্ত ও পুড়ে যাওয়া রাজধানীর চারটি স্থাপনা পরিদর্শন শেষে সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একথা জানান। সূত্র: ইউএনবি

ড. হাছান বলেন, ‘আজকে আমরা ডিপ্লোম্যাটিক মিশনগুলোর বাংলাদেশে কর্মরত কূটনীতিকদের ঢাকা শহরের বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান- সেতু ভবন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মিরপুর ১০ মেট্রোরেল স্টেশন ও বিটিভি ভবনের মতো জায়গায় নিয়ে গিয়েছিলাম। আমাদের পরিকল্পনা ছিল তাদের আরও কয়েক জায়গায় নিয়ে যাওয়া, বিশেষ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, ডেটা সেন্টার। কিন্তু রাস্তায় প্রচুর যানজট ও বৃষ্টির কারণে অনেক বেশি সময় লেগেছে। তবে তারা মিরপুরের মেট্রোরেলের ধ্বংসযজ্ঞ দেখেছেন। সেখানে কীভাবে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, এমনকি ফুটওভার ব্রিজও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সেতু ভবনে যেভাবে তাণ্ডব চালানো হয়েছে, সেখানে ১২ তলা পর্যন্ত আগুন দিয়েছে; সাততলা পর্যন্ত তারা উঠে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বিটিভি হচ্ছে টেলিভিশনের আঁতুর ঘর। আজকে যারা টেলিভিশন চ্যানেলগুলো চালান, তাদের অনেকের হাতেখড়ি হয়েছে বিটিভিতে। এই অঞ্চলের এবং বাংলা ভাষার প্রথম টিভি চ্যানেল বিটিভি। ১৯৬৪ সালে এটি স্থাপিত হয়। ভারতে তখনও টেলিভিশন চ্যানেল হয়নি। সেখানে যেভাবে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং কী পরিমাণ ধ্বংসযজ্ঞ, সারি সারি গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে!’

তিনি বলেন, ‘মেট্রোরেলের পাশের গাড়িগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এগুলো রাষ্ট্রের ওপর হামলা। এগুলো জনগণের সম্পত্তি। তাদের হামলা তৎকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর তাণ্ডবকেও হার মানিয়েছে।

‘পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কিন্তু আমাদের টেলিভিশন চ্যানেল জ্বালিয়ে দেয়নি, কিন্তু এরা জ্বালিয়ে দিয়েছে। হানাদার বাহিনী যেভাবে মানুষের ঘরবাড়ি পুড়িয়েছে, এরাও একই কায়দায় মানুষের সম্পত্তি, রাষ্ট্রের সম্পত্তি পুড়িয়েছে।’

ড. হাছান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে আমাদের মিশনের সামনে একটি বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। সেখানে পাকিস্তানিরা যোগ দিয়েছিল। বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি সেটি আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। একইভাবে আমাদের বিভিন্ন মিশনের সামনে যে বিক্ষোভ হয়েছে, সেখানে বিএনপি-জামায়াত চক্র পাকিস্তান কমিউনিটির সহায়তা নিয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। সেই সহায়তা নিয়ে এসব জায়গায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে এবং গুজব ছড়াচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আজকে কূটনীতিকরা যাওয়ার পর অনেকেই বলেছেন- দিস ইজ শেইম, শেইম। অনেকেই আমার কাছে তাদের অনুভূতি শেয়ার করেছেন, সবাই বলেছেন- ইটস ইওর ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার, উই আর উইথ ইউ।’

কূটনৈতিক অঙ্গনে এ সময়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভূমিকাও উঠে আসে মন্ত্রীর বক্তব্যে।

তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে বিদেশি মিশনগুলোর কাছে নোট পাঠিয়েছিলাম যে, এটি আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এটি নিয়ে যেন বিদেশি দূতাবাস বা কূটনীতিকরা গণমাধ্যমে কোনো বিবৃতি না পাঠায়। তারা সেটি মেনে চলেছে। আজকে তারা গণমাধ্যমে কথা বলতে চাননি। সেজন্য গণমাধ্যমকে সেখানে ডাকিনি।’

গণমাধ্যমকে ধন্যবাদ দিয়ে ড. হাছান বলেন, ‘অতীতে এ ধরনের কিছু ঘটলেই আমাদের কুটনীতিকদের উদ্বুদ্ধ করা হতো কথা বলার জন্য। এবার আপনারা (গণমাধ্যম) সেটি করেননি, সেজন্য আপনাদেরও ধন্যবাদ জানাই।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত আর বাংলাদেশি শ্রমশক্তি না নেওয়ার কথাটি সম্পূর্ণ গুজব। আজকেও ইউএই রাষ্ট্রদূত এটি নিশ্চিত করেছেন।’

প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, মিয়ানমার ছাড়াও থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, ফিলিস্তিনসহ রাশিয়া, চীন, জাপান, তুরস্ক, জার্মানি, ইতালি, স্পেন, ব্রুনাই, মিশর, আলজেরিয়া ও আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারবৃন্দ, ইউএনডিএসএস, আইইউটি, আইএফডিসির প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন দেশের ৪৯ জন কূটনীতিক এ পরিদর্শনে অংশ নেন।

এসময় পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
কোটা আন্দোলন চলছে বিএনপি-জামায়াতের প্রেসক্রিপশনে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রাজাকারের পক্ষে স্লোগানে নেতৃত্বদানকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
কোটা আন্দোলনে রাজনীতি ঢুকেছে তা স্পষ্ট: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশ থেকে তিন হাজার কর্মী নেবে ইউরোপের চার দেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গুলির ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নিন্দা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Govt wants to mislead nation by not giving information on casualties Fakhrul

হতাহতের তথ্য না দিয়ে সরকার জাতিকে বিভ্রান্ত করতে চায়: ফখরুল

হতাহতের তথ্য না দিয়ে সরকার জাতিকে বিভ্রান্ত করতে চায়: ফখরুল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সরকার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে হতাহতের বিষয়টি এড়িয়ে শুধু হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা তুলে ধরে বিএনপির ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে। এ পর্যন্ত বিরোধী দলের প্রায় ২০০০ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ঘিরে সারাদেশে অন্তত দুই হাজার বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘কতজন নিহত ও আহত হয়েছে, সরকার সেই তথ্য না দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করতে চায়।’

‘সরকার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে হতাহতের বিষয়টি এড়িয়ে শুধু হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা তুলে ধরার চেষ্টা করছে এবং বিএনপির ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে।’

বুধবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমনটা উল্লেখ করে অবিলম্বে গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবি করেন। সূত্র: ইউএনবি

ফখরুল বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি যে এখন পর্যন্ত আমাদের প্রায় দুই হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে সরকার যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করে দেয়ায় গ্রেপ্তার ও হতাহতের সঠিক তথ্য এই মুহূর্তে আমাদের কাছে নেই।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছি এবং সরকার যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ রাখায় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না।

‘নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযানের পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তালাবদ্ধ করে রাখায় তারা এখনও তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু করতে পারছেন না। আপনারা দেখেছেন কীভাবে আমাদের অফিসে অভিযান চালানো হয়েছে এবং সবকিছু তছনছ করা হয়েছে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, জামায়াত নেতা গোলাম পরওয়ার ও আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরসহ সিনিয়র নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

হতাহতের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কতজন নিহত ও আহত হয়েছে, সরকার সেই তথ্য না দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করতে চায়।

‘সরকার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে হতাহতের বিষয়টি এড়িয়ে শুধু হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা তুলে ধরার চেষ্টা করছে এবং বিএনপির ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে।’

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘সরকার আন্দোলনের বিষয়টি পুরোপুরি বাদ দিতে চায় এবং হতাহতের ঘটনা বাদ দিয়ে কেবল সরকারি ভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাই সামনে আনতে চায়। কারণ তারা এর দায় বিএনপির ওপর চাপাতে চায়।

নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে বিএনপিকে জড়িয়ে সরকারের অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন তিনি।

ফখরুল বলেন, ‘আমরা আন্দোলনকে সমর্থন করেছি। তার মানে এই নয় যে আমরা নাশকতাকে পৃষ্ঠপোষকতা করেছি। তারা (সরকার) সহিংসতায় উসকানি দিয়েছে এবং সমস্যাটিকে টেনে এনেছে।’

তিনি দাবি করেন, দলের ৪০ বছরের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ইতিহাসে বিএনপি কখনও রাষ্ট্রের ওপর হামলা চালায়নি।

আরও পড়ুন:
সরকারের জেদের কারণে আন্দোলন সহিংস রূপ নিয়েছে: ফখরুল
এখন সবার উচিত আন্দোলন করা: ফখরুল
কোটাবিরোধী আন্দোলনে বিএনপির ইন্ধন নয়, সমর্থন আছে: ফখরুল
কোটা ও পেনশন স্কিম বাতিলের আন্দোলনে বিএনপির সমর্থন
রেল করিডোর ও এমওইউ নিয়ে মিথ্যাচার করছে সরকার: ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP is still talking in the tone of destruction who

বিএনপি এখনও ধ্বংসের সুরে কথা বলছে: কাদের

বিএনপি এখনও ধ্বংসের সুরে কথা বলছে: কাদের আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মির্জা ফখরুল এখনও মিথ্যাচার করছেন। তিনি এখনও ধ্বংসের সুরে কথা বলছেন, আগুনের কথা বলছেন। এদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নেই।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নেতাদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নেই, তারা এখনও ধ্বংসের সুরে কথা বলছেন।

বুধবার রাজধানীর শ্যামলী-আদাবর রিং রোডে মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দুস্থদের মধ্যে খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মির্জা ফখরুল এখনও মিথ্যাচার করছেন। তিনি এখনও ধ্বংসের সুরে কথা বলছেন, আগুনের কথা বলছেন। এদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নেই।

‘আপনারা (বিএনপি) এ দেশ চাননি, মুক্তিযুদ্ধ চাননি। আপনারা পদ্মা সেতু চাননি, মেট্রো রেল চাননি। আজ মেট্রো রেল বন্ধ, ধ্বংসলীলায় পরিণত হয়েছে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ঢাকাবাসী চেয়েছিল মেট্রো রেল। আজ ধ্বংস হয়ে গেছে। মিরপুর স্টেশনে যে হামলা হয়েছে সেগুলো সারাতে এক বছর লাগবে। আমাদের যত অর্জন আছে, সন্ত্রাসীদের আক্রমণে সেগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

‘যে সেতুভবন পদ্মা সেতু করেছে সেই সেতু ভবন আক্রান্ত, দোতলায় আমার অফিস কয়লা হয়ে গেছে। বিআরটিএ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।’

কাদের বলেন, ‘যে অর্জনগুলো বাংলাদেশকে প্রশংসিত করেছে, সম্মানিত করেছে, শেখ হাসিনার এই অর্জনগুলো আজকে অগ্নিসন্ত্রাসের আক্রমণে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। আজকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ জয়বাংলা আক্রান্ত, একাত্তরের মহাবিজয় আজ আক্রান্ত।’

তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতু মাওয়া প্রান্ত, জাজিরা প্রান্তে বার বার আগুন দেয়ার চক্রান্ত হয়েছে। স্থানীয় জনগণ সেসব প্রতিরোধ করেছে। আমার দেশ ও অর্জন যখন আক্রান্ত হয় আমরা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করতে পারি না।’

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, আমাদের ইতিহাস ও সংস্কৃতির ধারক-বাহক বিটিভিকে পুড়ে ছাই করে দিয়েছে। মির্জা ফখরুল এখনও ধ্বংসের সুরে কথা বলেন। আর কত ধ্বংস চান?’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান।

আরও পড়ুন:
কোটা আন্দোলনের নেতৃত্বে বিএনপি-জামায়াত: কাদের
কোটা আন্দোলনের পেছনে মতলবি মহল আছে, সময়মতো ব্যবস্থা: কাদের
ক্যাম্পাসে আত্মস্বীকৃত রাজাকারদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে ছাত্রলীগ: কাদের
কোটা আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার ইচ্ছা নেই: কাদের
শিক্ষকদের দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উত্থাপন করা হবে: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The prime minister has assigned two ministers to negotiate with the quota protesters
সাংবাদিকদের আইনমন্ত্রী

কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় দুই মন্ত্রীকে দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর

কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় দুই মন্ত্রীকে দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর কোটা সংস্কারের দাবিতে ঢাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান। ফাইল ছবি
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য আমাকে, মানে আইনমন্ত্রীকে এবং শিক্ষামন্ত্রী জনাব মহিবুল হাসান চৌধুরী এমপি, তাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। আমরা তাদের সাথে বসব এবং আমরা এটাও বলতে চাই যে, তারা যখনই বসতে রাজি হবে, এটা যদি আজকে হয়, আজকেই আমরা বসতে রাজি আছি।’

দেশজুড়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুই মন্ত্রীকে দায়িত্ব দিয়েছেন বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের দেশব্যাপী কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচির মধ্যে জাতীয় সংসদ ভবনের টানেল গেটে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাদের (কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী) সঙ্গে আলোচনা করার জন্য আমাকে, মানে আইনমন্ত্রীকে এবং শিক্ষামন্ত্রী জনাব মহিবুল হাসান চৌধুরী এমপি, তাকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

‘আমরা তাদের সাথে বসব এবং আমরা এটাও বলতে চাই যে, তারা যখনই বসতে রাজি হবে, এটা যদি আজকে হয়, আজকেই আমরা বসতে রাজি আছি।’

তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয়ত, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে ঘোষণা দিতে বলেছেন যে, আগামী ৭ অগাস্ট, ২০২৪ সালে যে মামলাটা শুনানির কথা ছিল, সে মামলাটার শুনানি এগিয়ে আনার জন্য ব্যবস্থা নিতে।

‘আমি সেই মর্মে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলকে নির্দেশ দিয়েছি যে, আগামী রবিবার তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগে আবেদন করবেন, যাতে মামলাটার শুনানির তারিখ তারা এগিয়ে আনেন।’

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘তৃতীয়ত হচ্ছে যে, আপনারা জানেন যে গতকালকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির কথা ঘোষণা দিয়েছিলেন।

‘সেই প্রেক্ষিতে আমরা একজন বিজ্ঞ বিচারপতি, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি জনাব খন্দকার দিলীরুজ্জামানকে এই কমিটির বিচার বিভাগীয় তদন্তের দায়িত্ব দেয়ার জন্য কমিটি তৈরি করেছি।’

আরও পড়ুন:
কোটা সংস্কার আন্দোলনে প্রাণহানির প্রতিবাদে টরন্টোতে বিক্ষোভ
শাটডাউন: দেশজুড়ে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি
ঢাবি ক্যাম্পাস এলাকায় রাতেও শিক্ষার্থী-পুলিশ সংঘর্ষ
নিহত ওয়াসিমের মায়ের কান্না থামছে না
কুবিতে গায়েবানা জানাজায় ইমামের ‘না’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Considering the situation mobile internet is off blink

ইন্টারনেট নিয়ে প্রশ্নের জবাবে যা বললেন পলক

ইন্টারনেট নিয়ে প্রশ্নের জবাবে যা বললেন পলক রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিসিসি অডিটোরিয়ামে আইসিটি বিভাগের ‘দীক্ষা-দক্ষতা উন্য়নে শিক্ষা অনলাইনে’ প্রকল্পের আওতায় নিয়মিত কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ইন্টারনেট নিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাব দেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: ফেসবুক
মোবাইল ইন্টারনেট নিয়ে জানতে চাইলে পলক বলেন, ‘একদিকে যে রকম পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তারা চেষ্টা করছে, তাদের নিরাপত্তাটা রক্ষা করা। আমরা সাইবার নিরাপত্তাটা নিশ্চিত করার জন্য সাইবার প্ল্যাটফর্মে আমরা চেষ্টা করছি। যে জায়গায় যে ধরনের ভূমিকা নেয়া উচিত বা প্রয়োজন, সেটাই আমরা চেষ্টা করছি এবং সেটি আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় রেখেই আমরা সকলের সহযোগিতা পাচ্ছি এবং আমি আপনদেরও সহযোগিতা কামনা করব।’

কোটা সংস্কার আন্দোলনের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সাইবার প্ল্যাটফর্মে সরকার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিসিসি অডিটোরিয়ামে আইসিটি বিভাগের ‘দীক্ষা-দক্ষতা উন্য়নে শিক্ষা অনলাইনে’ প্রকল্পের আওতায় নিয়মিত কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

মোবাইল ইন্টারনেট নিয়ে জানতে চাইলে পলক বলেন, ‘এটা আসলে আমরা পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে, আমাদের যে গোয়েন্দা সংস্থার যে রিপোর্ট এবং সবকিছু মিলিয়ে একটা তো ছিল ধরেন যখন আন্দোলন হয়, তখন একটা জায়গায় যখন বেশি মানুষের আরকি উপস্থিতি হয়, তখন কিন্তু টেকনোলজির একটা প্রবলেম তৈরি হয়, কিন্তু বর্তমানে আমরা খেয়াল করছি যখন আমরা লক্ষ করলাম যে, এই সোশ্যাল মিডিয়াটাকে প্ল্যাটফর্মটাকে ব্যবহার করে গুজব, মিথ্যা, অপপ্রচার করাটাকে একটা অস্ত্র হিসেবে বেছে নিয়েছে একটা গোষ্ঠী এবং শুধু দেশের ভেতরে না, দেশের বাইরে থেকে কিছু কনটেন্ট বুস্ট করা হচ্ছে, তার মানে টাকা দিয়ে মিথ্যা খবরটা সবার কাছে পৌঁছে দেয়ার যে অপকৌশল বা ষড়যন্ত্র, এটা আমরা যখন দেখছি, তথ্য-উপাত্ত এবং গোয়েন্দা সংস্থার সকল বিশ্লেষণ, তখন আমরা মনে করেছি যে, দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের যার যতটুকু সক্ষমতা আছে, সেটা করা দরকার।

‘একদিকে যে রকম পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তারা চেষ্টা করছে, তাদের নিরাপত্তাটা রক্ষা করা। আমরা সাইবার নিরাপত্তাটা নিশ্চিত করার জন্য সাইবার প্ল্যাটফর্মে আমরা চেষ্টা করছি। যে জায়গায় যে ধরনের ভূমিকা নেয়া উচিত বা প্রয়োজন, সেটাই আমরা চেষ্টা করছি এবং সেটি আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় রেখেই আমরা সকলের সহযোগিতা পাচ্ছি এবং আমি আপনদেরও সহযোগিতা কামনা করব।’

আরও পড়ুন:
কুবিতে গায়েবানা জানাজায় ইমামের ‘না’
যৌথ অভিযানে চার ঘণ্টা পর মুক্ত রাবি উপাচার্য
বৃহস্পতিবার সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা শিক্ষার্থীদের
চট্টগ্রামে সংঘর্ষের ঘটনায় ৪ মামলা, আসামি কয়েক হাজার
জামালপুরে সড়ক ও রেলপথ অবরোধ, সংঘর্ষে আহত ১২

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Agitation turned violent due to governments insistence Fakhrul

সরকারের জেদের কারণে আন্দোলন সহিংস রূপ নিয়েছে: ফখরুল

সরকারের জেদের কারণে আন্দোলন সহিংস রূপ নিয়েছে: ফখরুল বুধবার বায়তুল মুকাররমে গায়েবানা জানাজায় অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমরা এই আন্দোলনের সঙ্গে কখনোই সরাসরি জড়িত নই। এই আন্দোলনের সঙ্গে শিক্ষার্থীরা জড়িত। আমরা তাদের নৈতিক সমর্থন দিয়েছি। তা দিয়ে যাব। কারণ আমরা মনে করি তাদের আন্দোলন ন্যায্য।’

সরকারের জেদের কারণে কোটা সংস্কার আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নিয়েছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার সারা বাংলাদেশে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছে।’

বুধবার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমে গায়েবানা জানাজায় অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সূত্র: ইউএনবি

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘খুব স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমরা এই আন্দোলনের সঙ্গে কখনোই সরাসরি জড়িত নই। এই আন্দোলনের সঙ্গে শিক্ষার্থীরা জড়িত। আমরা তাদের নৈতিক সমর্থন দিয়েছি। আমরা তাদের নৈতিক সমর্থন দিয়ে যাব। কারণ আমরা মনে করি, তাদের আন্দোলন ন্যায্য।’

তিনি বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে ঢাকাসহ দেশের সর্বত্র ত্রাসের রাজত্ব তৈরি করেছে সরকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ নগরীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বগুড়া, রংপুর, চট্টগ্রাম, বরিশালসহ বিভিন্ন জেলায় সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনী গুলি-সন্ত্রাস-নির্যাতন করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বন্ধ করার প্রচেষ্টা চালিয়েছে। ন্যায্য দাবি আদায় করতে গিয়ে ছয়জন নিহত হয়েছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, শিক্ষার্থী সাঈদকে রংপুরে কীভাবে সরাসরি গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এরকম ভয়াবহ ঘটনা আমাদের জীবনে কখনও দেখিনি। এই ধরনের দমননীতি, এ ধরনের নির্যাতন, এই ধরনের হত্যা-গুম করে সরকার আজকে জোর করে ক্ষমতায় টিকে আছে।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের দাবি সরকার আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে শেষ করতে পারত। শুধু তাদের জেদের কারণে তারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানাচ্ছি।’

এ সময় নিহত শিক্ষার্থীদের জন্য গায়েবানা জানাজা পড়তে এসেও তারা পুলিশি বাধার সম্মুখীন হন বলে অভিযোগ করেন বিএনপির এই নেতা।

তিনি বলেন, ‘সাদা পোশাকের পুলিশ আমাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বোমা ও লাঠিসোঁটা রেখে অভিযানের নামে নাটক করেছে। অতীতেও তারা একই নাটক করেছে।

‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যেই এ অভিযান চালানো হয়েছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘পাকিস্তান আমলে শাসকগোষ্ঠী এভাবে আন্দোলন দমন করার চেষ্টা করেছে, কিন্তু তারা পারেনি। একইভাবে আজকে সরকার যেভাবে চেষ্টা করছে, তার সঙ্গে কোনোমতেই আমরা একমত নই।’

ফখরুল বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা রেখেই শান্তিপূর্ণভাবে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। সরকার চাইলেই এটা করা যেত। কিন্তু তাদের সেই ইচ্ছা নেই।’

এর আগে কড়া নিরাপত্তা ও পুলিশি বাধা সত্ত্বেও বায়তুল মুকাররম মসজিদে গায়েবানা জানাজায় যোগ দেন বিএনপিসহ দলটির যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী।

বুধবার বাদ জোহর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমের উত্তর গেটে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপরই পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা।

আরও পড়ুন:
এখন সবার উচিত আন্দোলন করা: ফখরুল
কোটাবিরোধী আন্দোলনে বিএনপির ইন্ধন নয়, সমর্থন আছে: ফখরুল
কোটা ও পেনশন স্কিম বাতিলের আন্দোলনে বিএনপির সমর্থন
রেল করিডোর ও এমওইউ নিয়ে মিথ্যাচার করছে সরকার: ফখরুল
শেখ হাসিনার ভারত সফর ধারাবাহিক গোলামি চুক্তির নব সংস্করণ: বিএনপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Quota agitation is going on under the prescription of BNP Jamaat Foreign Minister

কোটা আন্দোলন চলছে বিএনপি-জামায়াতের প্রেসক্রিপশনে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

কোটা আন্দোলন চলছে বিএনপি-জামায়াতের প্রেসক্রিপশনে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় প্রেসক্লাবে বুধবার আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘কোটা আন্দোলনের মধ্যে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে বিএনপি-জামায়াত চাচ্ছিল দেশে লাশ তৈরি হোক। মঙ্গলবার তারা এই লাশগুলো তৈরি করেছে, ৬ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।’

কোটা আন্দোলন এখন আর শিক্ষার্থীদের হাতে নেই মন্তব্য করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘এখনকার কর্মসূচি বিএনপি-জামায়াতের প্রেসক্রিপশনে হচ্ছে।’

জাতীয় প্রেসক্লাবে বুধবার বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘কোটা আন্দোলনের মধ্যে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে বিএনপি-জামায়াত চাচ্ছিল দেশে লাশ তৈরি হোক। মঙ্গলবার তারা এই লাশগুলো তৈরি করেছে, ৬ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।

‘মঙ্গলবার সারা দেশে যে নৈরাজ্যের অপচেষ্টা হয়েছে, এর প্রধান কারণ হচ্ছে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত লাশ চেয়েছিল, পেয়েছে। তাদের ক্যাডাররা নেমে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে ৬ জনকে খুন করেছে। সরকার তদন্ত করছে। যে বা যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। আর কোটার বিষয়টি সর্বোচ্চ আদালতে বিচারাধীন।’

আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য উপকমিটির সদস্য লায়ন মশিউর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভাটি পরিচালনা করেন স্বাধীনতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন টয়েল।

প্রধান আলোচক ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল ওয়াদুদ দারা।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কৃষিবিদ ড. আওলাদ হোসেন এমপি, আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, এম এ করিম, স্বাধীনতা পরিষদের সভাপতি জিন্নাত আলী খান, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মানিক।

আরও পড়ুন:
রাজাকারের পক্ষে স্লোগানে নেতৃত্বদানকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
কোটা আন্দোলনে রাজনীতি ঢুকেছে তা স্পষ্ট: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশ থেকে তিন হাজার কর্মী নেবে ইউরোপের চার দেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গুলির ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নিন্দা
কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করবেন না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে