× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The entrance to Sundarbans is opening after 3 months
hear-news
player
google_news print-icon

৩ মাস পর খুলছে সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার

৩-মাস-পর-খুলছে-সুন্দরবনের-প্রবেশদ্বার
তিন মাস পরে খুলছে সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার। ছবি: নিউজবাংলা
খুলনাঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দে বলেন, ‘পুরো সুন্দরবন এলাকা সংরক্ষিত। যে কেউ চাইলে সেখানে যেতে পারে না। প্রবেশের আগে সরকারি রাজস্ব পরিশোধ করে আগে অনুমতি নিতে হয়। তবে গত মাস প্রবেশের অনুমতি দেয়া বন্ধ ছিল। এ সময়ে বনে কেউ প্রবেশ করতে পারেনি। আগামী ৩১ আগস্ট থেকে সেই নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে। ১ সেপ্টেম্বর থেকে পুনরায় প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে।’

টানা তিন মাস প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকার পর আগামী ১ সেপ্টেম্বর পর্যটকদের জন্য খুলছে সুন্দরবন। ওই দিন থেকেই বন বিভাগের অনুমতি নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

ইতোমধ্যে বনে পর্যটক নেয়ার জন্য অগ্রিম বুকিং নেয়া শুরু করেছে ট্যুর অপারেটরগুলো। ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্রগুলো নিচ্ছে প্রস্তুতি। মৎস্যজীবীরাও নৌকা, জালসহ আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম গুছিয়ে নিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

গত ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদের নির্দেশে সুন্দরবনে সবার প্রবেশের অনুমতি বন্ধ রেখেছিল বন মন্ত্রণালয়।

৩ মাস পর খুলছে সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার

খুলনাঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দে বলেন, ‘পুরো সুন্দরবন এলাকা সংরক্ষিত। যে কেউ চাইলে সেখানে যেতে পারে না। প্রবেশের আগে সরকারি রাজস্ব পরিশোধ করে আগে অনুমতি নিতে হয়। তবে গত মাসে প্রবেশের অনুমতি দেয়া বন্ধ ছিল। এ সময়ে বনে কেউ প্রবেশ করতে পারেনি। আগামী ৩১ আগস্ট থেকে সেই নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে। ১ সেপ্টেম্বর থেকে পুনরায় প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে।’

বুকিং শুরু করেছে ট্যুর অপারেটরগুলো

বন বিভাগসূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবনে পর্যটকদের জন্য বর্তমানে ৭টি ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্র রয়েছে। সেখানে প্রতি বছর প্রায় দুই লাখ ৫০ হাজার পর্যটক ভ্রমণ করেন। এ ছাড়া পর্যটকদের জন্য নতুন করে চারটি ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্র তৈরি করা হচ্ছে।

৩ মাস পর খুলছে সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার

সুন্দরবনের পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবীর বলেন, ‘স্থলভাগের সব থেকে কাছে হওয়ায় করমজলে মোট পর্যটকের ৯০ শতাংশ ভ্রমণ করে। দীর্ঘদিন পর আবারও পর্যটক আসবে, তাই এলাকাটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে।’

ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবনের সাধারণ সম্পাদক এম নাজমুল আযম ডেভিড বলেন, ‘আমরা অগ্রিম বুকিং নেয়া শুরু করেছি। ১ সেপ্টেম্বর থেকে পর্যটকদের বনে ভ্রমণ করতে দেয়া হবে।’

প্রস্তুতি নিচ্ছেন জেলেরা

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবন থেকে সম্পদ আহরণের জন্য প্রায় ১২ হাজার নৌকাকে বোর্ড লাইসেন্স সার্টিফিকেট (বিএলসি) দেয়া হয়েছে। তাতে করে প্রতি বছর প্রায় দেড় লাখ বনজীবী সুন্দরবন থেকে সম্পদ আহরণ করেন।

৩ মাস পর খুলছে সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার

সুন্দরবনের পশ্চিম বন বিভাগের খুলনা রেঞ্জের কালাবগী ফরেস্ট স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম জুয়েল বলেন, ‘১ সেপ্টেম্বর থেকে জেলেদের প্রবেশের অনুমতি দেয়া শুরু হবে। তখন থেকে তারা মাছ আহরণ করতে পারবেন।’

খুলনার দাকোপ উপজেলার কালাবগী গ্রামের প্রায় সবাই জীবিকার জন্য সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল।

ওই গ্রামের জেলে মো. মুশফিক হাসান বলেন, ‘তিন মাস আমাদের বনে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। এই সময়ে আমাদের অন্য কোনো কাজও ছিল না। সরকার থেকে কোনো সহায়তাও দেয়া হয়নি। দীর্ঘদিন পরে সবাই বনে যেতে পারবে। তাই নৌকা ও জাল মেরামত করতে কালাবগীর জেলেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।’

সুন্দরবনের পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মোহসিন হোসেন বলেন, ‘বর্ষা মৌসুমে সুন্দরবনের অধিকাংশ প্রাণীর প্রজনন হয়। এই সময়ে যাতে বন্যপ্রাণীদের কোনো ধরনের সমস্যা না হয়, সে জন্য সবাইকে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়ে থাকে।’

আরও পড়ুন:
সুন্দরবনে প্রবেশ নিষেধ, ২৩ হাজার পরিবার বিপাকে
সুন্দরবনে ৩ মাস মাছ ধরা ও পর্যটক প্রবেশ বন্ধ
পার্থর প্রথম, পার্থ-বাপ্পা-পান্থও এক সঙ্গে প্রথমবার
সুন্দরবনে বাঘ ১১৪টি
বাঘ সংরক্ষণ শিখতে বিদেশ যাবেন ২০ কর্মকর্তা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Low pressure in the ocean is the number three warning signal

সাগরে লঘুচাপ, ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

সাগরে লঘুচাপ, ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত লঘুচাপের প্রভাবে দেশের সমুদ্র বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। ফাইল ছবি
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এ সময় উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপের প্রভাবে দেশের সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় গভীর সঞ্চারণশীল মেঘমালার সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। সমুদ্রবন্দরগুলো, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এ সময় উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

গত কয়েক দিন ধরেই সাগরে সৃষ্টি লঘুচাপের ফলে দেশের দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে বৃষ্টিপাত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছিল, এই বৃষ্টিপাত আরও দুই দিন চলবে। এ সময় মৌসুমি বায়ুর প্রভাব বিদ্যমান থাকবে।

আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন সোমবার নিউজবাংলাকে বলেছিলেন, যে লঘুচাপ মধ্য সাগরে অবস্থান করছে তা পরবর্তী সময়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হতে পারে। ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে।

মৌসুমি বায়ুর অক্ষ পূর্ব-উত্তর প্রদেশ, বিহার, ওড়িশা, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

রংপুর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা ময়মনসিংহ, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিজলি চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতে সামান্য কমতে পারে।

আরও পড়ুন:
ঢাকার আকাশ থাকবে মেঘলা, বৃষ্টির সম্ভাবনা কম
আর পোড়াবে না খরতাপ
জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা, সাগরে ৩ নম্বর সংকেত
আবার বৃষ্টির পূর্বাভাস অধিদপ্তরের, এবার মিলবে কি
বৃষ্টি না হওয়ায় দুই আবহাওয়াবিদ বরখাস্ত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After 2 days of Ilshegundi rain heat will return

বৃষ্টির পর ফিরবে গরম

বৃষ্টির পর ফিরবে গরম ফাইল ছবি
টানা কয়েকদিনের গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে দেশে গরমের তীব্রতাও অনেক কমে এসেছে। বৃষ্টিপাতের ফলে সারা দেশের তাপমাত্রা ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমেছে।

উত্তর ও তৎসংলগ্ন মধ্য বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের প্রভাবে সারা দেশে ভিজছে ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টিতে। আরও দুদিন এমন বৃষ্টি ঝরবে। এরপর ফিরবে গরম; তবে তীব্রত থাকবে কম।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন সোমবার নিউজবাংলাকে এতথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘সোমবার সারাদিন থেমে থেমে বৃষ্টি হবে। এই বৃষ্টি আরো দুদিন এমনই থাকবে।’

সাগরে এখনো লঘুচাপ বিদ্যমান জানিয়ে এই আবহাওয়াবিদ বলেন, ‘লঘুচাপের কারণেই এই বৃষ্টিপাত। সেই সঙ্গে মৌসুমি বায়ুর প্রভাব রয়েছে, যা এই মাসের দ্বিতীয়ার্ধ পর্যন্ত বিরাজ করবে।’

দুই দিনের বৃষ্টি শেষে আবার গরম ফিরে আসবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই বৃষ্টি শেষ হলেই একটু গরমের তীব্রতা বাড়বে। তবে সেটা খুবই সামান্য। সারা দেশে কোনো তাপপ্রবাহ থাকবে না।’

অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোববার সারাদিন ও সোমবার ভোর পর্যন্ত সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে নোয়াখালীর মাইজদীকোর্টে। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ১৩৪ মিলিমিটার। আর হাতিয়াতে বৃষ্টি হয়েছে ১৩১ মিলিমিটার। এ সময় ঢাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ১২ মিলিমিটার।

টানা কয়েকদিনের গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে দেশে গরমের তীব্রতাও অনেক কমে এসেছে। বৃষ্টিপাতের ফলে সারা দেশের তাপমাত্রা ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন মধ্য-বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমী বায়ুর অক্ষ পূর্ব উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

সোমবার সকাল থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে অধিদপ্তর জানিয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিজলি চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনেরর বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধনেরর ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। তাপমাত্রা সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আরও পড়ুন:
ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টি সারা দিন
দুর্গাপূজা হবে বৃষ্টিভেজা
হালকা বৃষ্টি হতে পারে, গরম থাকবে এমনই

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Searching for oceans deep within the Earth

পৃথিবীর গভীরে মহাসাগরের সন্ধান

পৃথিবীর গভীরে মহাসাগরের সন্ধান পৃথিবীতে আরেক মহাসাগরের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা। ছবি: সংগৃহীত
ফ্রাঙ্কফুর্টের গোয়েথে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট ফর জিওসায়েন্সেসের একদল গবেষক বলছেন, পৃথিবীর একেবারে উপরের আবরণ (mantle) ও কেন্দ্রের মধ্যবর্তী একটি স্তরে লুকিয়ে আছে এই মহাসাগর।

পৃথিবীতে আরেক মহাসাগরের সন্ধান মিলেছে। এই গ্রহের বুকজুড়ে ছড়িয়ে থাকা পাঁচ মহাসাগরের কোনোটির চেয়ে এটির ব্যাপ্তি কম না।

তাৎপর্যের বিষয় হলো- আমাদের জানা মহাসাগরগুলোকে আমরা দেখতে পাই। কারণ সেগুলো আছে পৃথিবীর উপরিভাগে। নতুন আবিষ্কৃত মহাসাগরের অবস্থান পৃথিবীর গভীরে।

জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টের গোয়েথে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট ফর জিওসায়েন্সেসের একদল গবেষক সম্প্রতি বিরল এক হীরার ওপর গবেষণা চালিয়ে নতুন মহাসাগরের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার দাবি করেছেন। তারা বলছেন, পৃথিবীর একেবারে উপরের আবরণ (mantle) ও কেন্দ্রের মধ্যবর্তী একটি স্তরের মধ্যে লুকিয়ে আছে এটি।

‘বাকি পাঁচটি মহাসাগর যেখানে উপরের আবরণের মধ্যে অবস্থিত, সেখানে ৬ নম্বরটি তার নিচে। এ কারণে এটির অস্তিত্ব এতদিন টের পাওয়া যায়নি।’

গবেষকরা বলছেন, দুই আবরণের মধ্যবর্তী স্তরে পাথরের মাঝে আটকে আছে বিপুল জলরাশি, যা কোনো মহাসাগরের চেয়ে কম নয়। তাই এটিকে ৬ নম্বর মহাসাগর বলার যথেষ্ট যুক্তি রয়েছে।

আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের দেশ বতসোয়ানায় সম্প্রতি বিরল এক হীরার সন্ধান মেলে। ১ দশমিক ৫ সেন্টিমিটারের হীরাটি ৬১০ কিলোমিটার গভীরে গঠিত হয়েছিল বলে গবেষকরা জানান।

তারা বলছেন, হীরাটির বেশিরভাগ অংশজুড়েই পানি। আর এই পানির উৎস খুঁজতে গিয়েই খোঁজ মেলে নতুন মহাসাগরের।

ফ্রাঙ্কফুর্টের গোয়েথে ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট ফর জিওসায়েন্সেসের অধ্যাপক ফ্রাঙ্ক ব্রেনকার বলেন, ‘রামন এবং এফটিআইআর স্পেকট্রোমেট্রিসহ বেশ কয়েকটি কৌশলের মাধ্যমে বিরল এই হীরার ওপর গবেষণা চালাই। এতে বহুদিনের একটি তত্ত্বের প্রমাণ মিলেছে যেখানে বলা হয়, ভূপৃষ্ঠের দুই আবরণের মাঝে পানির অস্তিত্ব আছে।

‘সাগরের পানি স্ল্যাবগুলোকে সাবডাক্ট করে এবং একই প্রক্রিয়ায় ট্রানজিশন জোনে প্রবেশ করে। এর মানে হলো, আমাদের গ্রহের পানিচক্র পৃথিবীর অভ্যন্তরের সঙ্গে যুক্ত।’

‘পুরো ট্রানজিশন জোন ভাঙতে প্রায়ই অসুবিধায় পড়তে হয় সাবডাক্টিং প্লেটগুলোকে। তাই এই অঞ্চলে বিপুল পানি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব কিছু এটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এখানে লুকিয়ে আছে আরেকটি মহাসাগর।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Ilshegundi will rain all day

ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টি সারা দিন

ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টি সারা দিন ফাইল ছবি
এই বৃষ্টিকে ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টি আখ্যা দিয়ে আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম বলেন, ‘আগামী ২৪ ঘণ্টা এমন বৃষ্টি চলবে। দেশের মধ্যাঞ্চল ও দক্ষিণ অঞ্চলের আকাশে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে মেঘমালার সঞ্চারণ হবে যার ফলে আগামী কয়েক দিন এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’

উত্তর ও তৎসংলগ্ন মধ্য বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের প্রভাবে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হচ্ছে। ভোর থেকে হতে থাকা এই ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টি হবে দিনভর। কমবে গরমের তীব্রতাও।

রোববার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম আজাদ নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘সাগরে এখনো লঘুচাপ আছে। সেই সঙ্গে সক্রিয় আছে মৌসুমি বায়ু। যার ফলে ঢাকাসহ সারা দেশে থেমে থেমে বৃষ্টি হবে।’

এই বৃষ্টিকে ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টি আখ্যা দিয়ে আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম বলেন, ‘আগামী ২৪ ঘণ্টা এমন বৃষ্টি চলবে। দেশের মধ্যাঞ্চল ও দক্ষিণ অঞ্চলের আকাশে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে মেঘমালার সঞ্চারণ হবে, যার ফলে আগামী কয়েক দিন এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’

ভোর থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও গুঁড়িগুঁড়ি কোথাও বা মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। এতে গত কয়েক দিন ধরে ভ্যাপসা গরমে জনজীবনে যে অস্বস্তি তৈরি করছিল, তা কিছুটা কমতে শুরু করেছে।

ঢাকার বৃষ্টি অবশ্য স্বস্তির সঙ্গে ভোগান্তিও যোগ করেছে। অফিসগামীদের যানবাহন পেতে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে সকালে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণও কমতে শুরু করে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সাগরে লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে বৃষ্টি হবে। যেসব অঞ্চলে বৃষ্টি হবে সেখানে গরমের তীব্রতা কমে যাবে।’

দেশের দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে। সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে শ্রীমঙ্গলে, ৫০ মিলিমিটার। এছাড়া চাঁদপুরে ৪৩, ফেনীতে ৩১ ও কুমিল্লায় ২৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। গড় বৃষ্টিপাত হয়েছে ৪২ মিলিমিটার।

রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন মধ্য-বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। মৌসুমী বায়ুর অক্ষ ভারতের পূর্ব উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিজলি চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সে সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

আরও পড়ুন:
দুর্গাপূজা হবে বৃষ্টিভেজা
হালকা বৃষ্টি হতে পারে, গরম থাকবে এমনই
১ ঘণ্টার বৃষ্টিতে তলিয়েছে কুষ্টিয়া শহর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Earthquake in Myanmar mild shaking in Bangladesh

মিয়ানমারে ভূমিকম্প, মৃদু কম্পন বাংলাদেশে

মিয়ানমারে ভূমিকম্প, মৃদু কম্পন বাংলাদেশে
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার। আমাদের দেশে ভোরে মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে দেশের কোন অঞ্চলে এমন কম্পন অনুভূত হয়েছে, এর কোনো সঠিক তথ্য নেই।’

মিয়ানমারে সৃষ্ট ভূমিকম্পে শুক্রবার ভোরে সারা দেশে মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ২২ মিনিটে মিয়ানমারের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর মওলাইকে ভূমিকম্প আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৬।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার। আমাদের দেশে ভোরে মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে দেশের কোন অঞ্চলে এমন কম্পন অনুভূত হয়েছে, এর কোনো সঠিক তথ্য নেই। যেহেতু আমাদের দেশে এর উৎপত্তিস্থল ছিল না, তাই আমরা এখনও নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাইনি।’

ইউরোপীয় ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তি মিয়ানমারের মনিওয়া থেকে প্রায় ১১২ কিলোমিটার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমে, সেখানে এর গভীরতা ছিল ১৪৪ কিলোমিটার।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার ব্যাপারে উল্লেখ করেছেন। দেশের পার্বত্য অঞ্চলের সঙ্গে মিয়ানমারের সংযোগ থাকার ফলে অনেকেই পোস্ট দিয়ে জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙ্গামাটিসহ সীমান্তবর্তী এলাকায় কম্পনের পরিমাণ বেশি ছিল।

আরও পড়ুন:
খুলনা, যশোর ও চুয়াডাঙ্গায় ভূমিকম্প
সব জরাজীর্ণ ভবন ভাঙা হবে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
চট্টগ্রামে পাঁচ মাসে ৫ ভূকম্পন বড় ভূমিকম্পের বার্তা?

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Traffickers with endangered owls arrested

মহাবিপন্ন উল্লুকসহ পাচারকারী আটক

মহাবিপন্ন উল্লুকসহ পাচারকারী আটক বন বিভাগের তথ্যমতে, সারা দেশে মাত্র ২৫০টি উল্লুক রয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
আটক সোহেল দাবি করেছেন, উল্লুকটিকে তিনি ১৬ হাজার টাকায় বান্দরবানের এক ব্যক্তির কাছ থেকে কিনেছেন। ভারতীয় পাচারকারীদের হাতে বেশি দামে এটিকে পৌঁছে দেয়াই ছিল তার উদ্দেশ্য।

পাচারের উদ্দেশ্যে পরিবহনের সময় মহাবিপন্ন প্রাণী উল্লুকসহ এক পাচারকারীকে আটক করেছে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল।

রোববার গভীর রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মিয়াবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে উল্লুকটিসহ পাচারকারী জুয়েল রহমান সোহেলকে আটক করা হয়।

২৭ বছর বয়সী সোহেলের বাড়ি খুলনা সিটি করপোরেশনের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের হাফিজনগর এলাকায়।

সোমবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) এম তানভীর আহমেদ।

পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাসের নির্দেশে গোয়েন্দা পুলিশের ওসি রাজেস বড়ুয়ার নেতৃত্বে ওই অভিযানটি পরিচালিত হয়।

এ সময় ইম্পেরিয়াল এক্সপ্রেস নামে একটি যাত্রীবাহী বাসের ভেতর তল্লাশি চালিয়ে কৌশলে লুকিয়ে রাখা উল্লুকটিকে জব্দ করে গোয়েন্দা পুলিশ।

আটক সোহেল দাবি করেছেন, উল্লুকটিকে তিনি ১৬ হাজার টাকায় বান্দরবানের এক ব্যক্তির কাছ থেকে কিনেছেন। ভারতীয় পাচারকারীদের হাতে বেশি দামে এটিকে পৌঁছে দেয়াই ছিল তার উদ্দেশ্য।

মহাবিপন্ন উল্লুকসহ পাচারকারী আটক

তবে পাচারের আগেই ডিবি পুলিশের হাতে আটক হন সোহেল। পরে তার মোবাইল ফোন তল্লাশি করে আরও বহু বিপন্ন প্রাণীর ছবি পেয়েছে পুলিশ। এতে আটক সোহেলকে বন্যপ্রাণী পাচারকারী দলের সক্রিয় সদস্য হিসেবে সন্দেহ করা হচ্ছে।

কুমিল্লা ডিবির পুলিশের ওসি রাজেশ বড়ুয়া জানান, বন্যপ্রাণী আইনে মামলা করে আটক সোহেলকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া উল্লুকটিকে কুমিল্লা বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কুমিল্লা বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘উল্লুক মহাবিপন্ন প্রাণী। আমাদের হিসাবমতে, সারা দেশে মাত্র ২৫০টি উল্লুক রয়েছে। এসব প্রাণী ভারত হয়ে মধ্যপ্রাচ্যর ধনী ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত চিড়িয়াখানায় স্থান পায়। মাঝে হাতবদলের সময় বড় অঙ্কের লেনদেন হয়। উদ্ধার করা উল্লুকটিকে আমরা খুব শিগগির বনে উন্মুক্ত করব।’

এদিকে কুমিল্লা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মুজিবুর রহমান বলেন, ‘সোহেলকে আদালতে নিয়ে এলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।’

আরও পড়ুন:
মেয়াদোত্তীর্ণ কৃমিনাশকে ৯ ভেড়ার মৃত্যু
শহীদুলের ‘মধু পরিবার’
কুকুর নিধন বন্ধ করলেন মেয়র
রিসোর্টের ১৪টি বন্যপ্রাণী সুন্দরবনে অবমুক্ত
১২ জনকে কামড়ানো কুকুরকে পিটিয়ে হত্যা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
United Nations emphasis on nature conservation in tourism

পর্যটনে প্রকৃতি সংরক্ষণে জোর জাতিসংঘের

পর্যটনে প্রকৃতি সংরক্ষণে জোর জাতিসংঘের
বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই পরিচ্ছন্ন ও টেকসই পর্যটনে বিনিয়োগ করতে হবে। এর মাধ্যমে এই খাতে জ্বালানি খরচ কমাতে হবে। কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনার পথে হাঁটতে হবে। জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে হবে।’

টেকসই উন্নয়নের শক্তিশালী মাধ্যম পর্যটন। তবে এই পর্যটনের বিকাশে প্রকৃতি সংরক্ষণ ও পর্যটন অঞ্চলের বিশেষ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে।

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে এক বিশেষ বাণীতে এমন অভিমত প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। সোমবার জাতিসংঘ সদর দফতর থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এমন অভিমত তুলে ধরা হয়।

বিশ্ব সংস্থাটির মহাপরিচালক অ্যান্তোনিও গুতেরেস বাণীতে বলেন, ‘বিশ্ব পর্যটন দিবসের অন্তর্ভুক্তি প্রকৃতি সংরক্ষণ ও সাংস্কৃতিক বোঝাপড়াকে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে পর্যটনের ক্ষমতা তুলে ধরে।

‘টেকসই উন্নয়নের শক্তিশালী এক চালক হল পর্যটন। শিক্ষা, নারী ও তরুণ জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন এবং আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে পর্যটন অবদান রাখে। সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা পুনরুদ্ধার ও সমৃদ্ধির ভিত্তি গড়ে দেয়।’

গুতেরেস বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই পরিচ্ছন্ন ও টেকসই পর্যটনে বিনিয়োগ করতে হবে। এর মাধ্যমে এই খাতে জ্বালানি খরচ কমাতে হবে। কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনার পথে হাঁটতে হবে। জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে হবে।

‘মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পর্যটন রাষ্ট্র ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী যেন লাভবান হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। শিল্প যুগের আগের তুলনায় বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ধরে রাখতে এবং টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদের অবশ্যই পর্যটন অনুশীলন করতে হবে। এর ওপর এই শিল্প এবং স্মল আইল্যান্ড ডেভেলপিং স্টেটসের (উন্নয়নশীল ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র) মতো পর্যটন আকর্ষী ভূখণ্ডগুলোর টিকে থাকা নির্ভর করছে।’

বাণীতে জাতিসংঘ মহাসচিব আরও বলেন, ‘এ বছর জাতিসংঘ মহাসাগর সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এই সম্মেলনে বৈশ্বিক সম্প্রদায় ও পর্যটন খাত ২০২৪ সালের মধ্যে প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে আইনি কাঠামো তৈরির লক্ষ্যে চুক্তির বিষয়ে একমত হয়েছে।

‘অপচয় করার মতো সময় নেই। আসুন, আমরা নতুন করে চিন্তা করি এবং পর্যটন খাতকে নতুন করে গড়ে তুলি। আমরা একসঙ্গে সবাইকে আরও বেশি টেকসই, সমৃদ্ধ ও স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যৎ উপহার দেই।’

মন্তব্য

p
উপরে