× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Gabir will now eat salt rice not bharta bhaji Rizvi
hear-news
player
google_news print-icon

ভর্তা-ভাজি নয়, গরিব এখন খাবে লবণ-ভাত: রিজভী

ভর্তা-ভাজি-নয়-গরিব-এখন-খাবে-লবণ-ভাত-রিজভী
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আগে বলত গরিব মানুষ ভর্তা-ভাজি দিয়ে ভাত খায়। এখন ভর্তা-ভাজির দাম অনেক। ভর্তা করতে মরিচ লাগে, তার দাম আকাশ ছুঁইছুঁই করছে। এখন বলতে হবে কোনো রকম লবণ দিয়ে ভাত খাওয়া। কিন্তু সেই ভাত কেনারও সামর্থ্য নেই।’

নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে গরিব মানুষ এখন ভর্তা-ভাজি দিয়ে ভাত খাওয়ার সামর্থ্যও হারিয়েছে বলে মনে করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তার দাবি, এখন ভাত খেতে হয় কেবল লবণ দিয়ে। অনেকে সেই ভাত খাওয়ার ক্ষমতাও হারিয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৩০০ টাকা করার দাবি পূরণে সরকার কেন উদ্যোগ নিচ্ছে না, সেই প্রশ্ন রেখে বিএনপি নেতা এও বলেছেন যে জনগণের প্রতি আসলে তাদের কোনো দায়িত্ব নেই।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে এসব কথা বলেন রিজভী। চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৩০০ টাকা করার দাবিতে আন্দোলন ও কর্মবিরতির প্রতি সংহতি জানিয়ে এই কর্মসূচির আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল।

চা শ্রমিকদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে বিএনপি নেতা বলেন, ‘শ্রমিকদের দাবি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের গুরুদায়িত্ব আছে। কিন্তু সরকারের এখানে কোনো গুরুদায়িত্ব দেখতে পাচ্ছি না।

‘এই মুহূর্তে ১২০ টাকা একজন শ্রমিক মজুরি পান। অন্য সবকিছু বাদ দিলেও খাদ্যের যে দাম তাতে এই টাকা দিয়ে কি পেটভরে খাওয়াও সুযোগ আছে? আগে বলত গরিব মানুষ ভর্তা-ভাজি দিয়ে ভাত খায়। এখন ভর্তা-ভাজির দাম অনেক। ভর্তা করতে মরিচ লাগে, তার দাম আকাশ ছুঁইছুঁই করছে। এখন বলতে হবে কোনো রকম লবণ দিয়ে ভাত খাওয়া। কিন্তু সেই ভাত কেনারও সামর্থ্যও নেই।’

জনগণের কাছে তারা কীভাবে যাবে

জনগণের মধ্যে আওয়ামী লীগের কোনো ভিত্তি নেই বলে মনে করেন বিএনপি নেতা।

বলেন, ‘এত অবিচার, এত অন্যায়, এত গুম-খুন! জনগণের কাছে তারা যাবে কী করে? জনগণের মধ্যে ওনাদের কোনো ভিত্তি নেই। এ জন্য ওরা বিদেশের ভিত্তি তৈরি করছে।’

দেশের স্বার্থ বিক্রি করে দিয়ে নিজেদের ক্ষমতায় থাকার স্বার্থে বিদেশের কাছে ধরনা দিচ্ছে দাবি করে রিজভী বলেন, ‘এই সরকার যে তাঁবেদার, নতজানু, অন্য দেশের মুখাপেক্ষী, এগুলো আমাদের নতুন করে আর বলতে হচ্ছে না। মন্ত্রীরাই প্রমাণ করে দিচ্ছে তারা কাদের সরকার। কারণ ওরা তো জনগণের কাছে যেতে পারবে না।

আওয়ামী লীগ যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে, তার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রিজভী। বলেন, ‘নিজেদের স্বার্থে দেশের নিরাপত্তা বিদেশের কাছে বিক্রি করে দেয়াকে কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বলে? ওরা আসলে মিথ্যার চেতনায় বিশ্বাস করে। মিথ্যার চেতনাকে ঢাকা দেয়ার জন্যই তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে।’

একটি অনলাইন পোর্টালে গোয়েন্দা সংস্থার গোপন ঘরের বিষয়ে তথ্যচিত্র নিয়েও কথা বলেন রিজভী। বলেন, ‘আয়না ঘরের কথা শুনেছেন না? আয়না ঘর এখন ভূতের ঘর, আতঙ্কের ঘর হিসেবে সারা দেশের মানুষের মুখে মুখে।

‘আমরা যারা বিরোধী দলের রাজনীতি করি, সরকারের অন্যায়, অবিচার, গুম, খুনের সমালোচনা করি, তারা আতঙ্কে থাকি। সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললে তাদের ধরে নিয়েই অত্যাচার করা হয়। নির্যাতন করা হয়, নির্যাতনের মাত্রা বীভৎস।

‘এত রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশে আয়না ঘর হওয়ার কথা ছিল না। এই ঘরে তো বিরোধীদলীয় নেতা নিয়ে অত্যাচার করার কথা ছিল না।’

প্রমাণ হয়েছে ইসি সরকারের আজ্ঞাবহ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ১৫০টি আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএমে ভোট নেয়ার সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেন রিজভী। বলেছেন, নির্বাচন কমিশন যে শেখ হাসিনা সরকারের আজ্ঞাবহ তা আবার প্রমাণ করেছে।

তিনি বলেন, ‘প্রথমেই আমরা বলেছি এই সরকার যেখানে যাকে নিয়োগ করবে তাদের পরিচয় যা-ই হোক, তাদের অন্তর ছাত্রলীগ-যুবলীগ। যুবলীগ-ছাত্রলীগের অন্তর থাকার কারণে গণভবন থেকে যে নির্দেশনা আসবে তার বাইরে তারা যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘আমরা বলেছি এই নির্বাচন কমিশন শেখ হাসিনার আজ্ঞাবহ। সুষ্ঠু নির্বাচন করার ক্ষমতা এই নির্বাচন কমিশনের নেই। সেটা তিনি নিজেই আবার প্রমাণ করলেন। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে তিনি যে সংলাপ করেছিলেন, সেখানে অধিকাংশ দল ইভিএমের বিপক্ষে কথা বলেছে। কিন্তু গতকাল তিনি বললেন ১৫০টি আসনে ইভিএম ব্যবহার হবে। তাহলে কিসের জন্য এই সংলাপ?’

শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এ সময় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন ইসলাম। শ্রমিক দলের প্রচার সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জুও এ সময় বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন:
বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে ৮ পুলিশ আহত
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শোভাযাত্রা করবে বিএনপি
ক্ষীণ হয়ে আসছে সংলাপের সম্ভাবনা
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে মন্ত্রীদের আচরণ ভণ্ডামী: রিজভী
বিএনপি নেতা এ্যানীর বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
All wards will have gymnasiums Mayor Tapas

সব ওয়ার্ডে হবে ব্যায়ামাগার: মেয়র তাপস

সব ওয়ার্ডে হবে ব্যায়ামাগার: মেয়র তাপস ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। ছবি: নিউজবাংলা
‘৭৫টি ওয়ার্ডে মাত্র ১৭টি শরীরচর্চা কেন্দ্র আছে। আমরা প্রত্যেকটা ওয়ার্ডে সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্রের সঙ্গে একটি শরীরচর্চা কেন্দ্র রাখতে চাই। সেজন্য নতুন প্রকল্প নিচ্ছি। নতুন ৩৬টি সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। প্রত্যেকটা ওয়ার্ডেই জনগণের জন্য ব্যায়ামাগার সেবা নিশ্চিত করতে চাই।’

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন প্রতিটি ওয়ার্ডে ব্যায়ামাগার নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

মঙ্গলবার দুপুরে ডিএসসিসির প্রধান কার্যালয় নগর ভবনে করপোরেশনের দ্বিতীয় পরিষদের সপ্তদশ বোর্ড সভা হয়। সেখানে ডিএসসিসির আওতাধীন ব্যায়ামাগারসমূহ পরিচালনা নীতিমালা-২০২২ অনুমোদন দেয়া হয়।

মেয়র তাপস বলেন, ‘আমাদের ৭৫টি ওয়ার্ডে মাত্র ১৭টি শরীরচর্চা কেন্দ্র আছে। আমরা প্রত্যেকটা ওয়ার্ডে সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্রের সঙ্গে একটি শরীরচর্চা কেন্দ্র রাখতে চাই। সেজন্য নতুন প্রকল্প নিচ্ছি। নতুন ৩৬টি সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। প্রত্যেকটা ওয়ার্ডেই জনগণের জন্য ব্যায়ামাগার সেবা নিশ্চিত করতে চাই।

‘ব্যামাগারের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নীতিমালা করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশের আলোকে এলাকাভেদে ব্যায়ামাগারগুলোর ভাড়া নির্ধারণ করা হবে। বিদ্যমান আয়তন, সুবিধাদি ও যন্ত্রপাতি বিবেচনা করে ব্যায়ামাগারগুলোকে ক, খ ও গ তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। যারা ব্যায়ামাগার পরিচালনা করবেন তাদের অবশ্যই ট্রেড লাইসেন্স থাকতে হবে।’

সভায় করপোরেশনের কাউন্সিলরা ছাড়াও ডিএসসিসির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর সিতওয়াত নাঈম, প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহম্মেদ, পরিবহন মহাব্যবস্থাপক মো. হায়দর আলী, ভারপ্রাপ্ত প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে শামসুল কবির, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হকসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরের চেয়ে বাংলাদেশের উন্নতি দ্রুত: তাপস
মেয়র তাপসকে নিয়ে গুজব ছড়ানোর মামলার প্রতিবেদন পেছাল
ঢাকা এখন আর বর্জ্যের শহর নয়: মেয়র তাপস
ফার্মেসি খোলা ২৪ ঘণ্টা, তাপসের নির্দেশ নাকচ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
মেয়র তাপসের মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় পেছাল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The husband committed suicide by killing his wife

রাজধানীতে গলাকাটা স্ত্রীর পাশে ঝুলছিলেন স্বামী

রাজধানীতে গলাকাটা স্ত্রীর পাশে ঝুলছিলেন স্বামী মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ফাইল ছবি
খবর পেয়ে পুলিশ ভাড়া বাসার দরজা ভেঙে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন কাজলা এলাকার একটি বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ ধারণা করছে, স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন স্বামী।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খবর পেয়ে পুলিশ ভাড়া বাসার দরজা ভেঙে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

নিহতরা হলেন- বেবী আক্তার ও তার স্বামী রবিউল ইসলাম।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে খবর আসে কাজলা এলাকায় একটি বাসায় স্ত্রীকে হত্যার পর এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে। পরে ঘটনাস্থলে দরজা ভেঙে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। তাদের পারিবারিক কলহ চলছিল বলে জানতে পেরেছি। তবে এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।’

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনার খেলা দেখে আর ফেরা হলো না সাদেকুরের
ঘরে রক্তাক্ত মরদেহ, ভগ্নিপতি আটক
নিখোঁজের তিন দিন প‌র বাগা‌নে প্রবাসীর স্ত্রীর মর‌দেহ
ঢাবি ও ঢাকা মেডিক্যালে ২৪ ঘণ্টায় দুই মরদেহ
খালে ভাসছিল অজ্ঞাত বৃদ্ধের মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Got a new taste of motherhood after winning Corona Health Minister

করোনা জয় সদ্য মাতৃত্বের সুখের মতো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

করোনা জয় সদ্য মাতৃত্বের সুখের মতো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন। ছবি: সংগৃহীত
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন বলেন, ‘অনেক কষ্টের পর সন্তান জন্ম দিয়ে মা যে আনন্দ পান, করোনার মোকাবিলায় আমাদের জয়লাভ সেরকমই আনন্দের।’

কষ্টের পর সন্তান জন্মদানের পর মায়ের যে আনন্দ, করোনা জয়ের আনন্দ ঠিক তেমন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন।

রাজধানীর হোটেল রেডিসনে কোভিড যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘কোভিডের সময় অনেক ডাক্তার, নার্স নিয়োগ দিতে হয়েছে। সেন্ট্রাল আইসিইউ-র ব্যবস্থা করতে হয়েছে। শুরুতে শুধু একটা ল্যাব ছিল। এখন সরকারি ও বেসরকারিভাবে ৮০০টি ল্যাব রয়েছে। সমালোচনা সহ্য করে কোভিড যোদ্ধারা নিরলস কাজ করে গেছেন। এ জন্যই আমরা জয় পেয়েছি।

‘অনেক কষ্টের পর সন্তান জন্ম দিয়ে মা যে আনন্দ পান, করোনার মোকাবিলায় আমাদের জয়লাভ সে রকমই আনন্দের।’

করোনা জয় সদ্য মাতৃত্বের সুখের মতো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রায় নয় বছর কাজ করছেন জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমাদের কোভিড যুদ্ধের মোকাবিলা করতে হয়েছে। সে সময় অনেক ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়েছে। অনেক সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। অথচ আমরা তখন জানতামই না কীভাবে এর চিকিৎসা করতে হয়।

‘একটা সময় এমন গেছে যে আমরা ভ্যাকসিন পাইনি। তখন প্রধানমন্ত্রীকে বললাম আমাদের সিরিঞ্জ নেই। সেগুলো আনতে প্লেন লাগবে। তিনি সেটার ব্যবস্থা করে দিলেন। কোনো কোনো জায়গায় নৌকায় করে ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে। পাহাড়ি রাস্তায় পায়ে হেঁটেও পৌঁছে দেয়া হয়েছে ভ্যাকসিন। তারপরও কার্যক্রম বন্ধ ছিল না।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বিভিন্ন অংশীদার, আমেরিকাসহ কয়েকটি দেশ আমাদের ভ্যাকসিন দিয়েছে। জাতিসংঘ আমাদের সহায়তা করেছে। অনেক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসেছে। সবার সহযোগিতায় আমরা কাজ করেছি।’

করোনার মধ্যেও স্বাস্থ্যের অন্যান্য কাজ চলমান রাখা হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে। আমরা এই খাতকে আরও উন্নত করতে চাই।’

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ইমেরিটাস অধ্যাপক এবিএম আবদুল্লাহ।

তিনি বলেন, ‘কোভিডে আমি আমার স্ত্রীকে হারিয়েছি। অনেকের অনেক ত্যাগের পর আমরা কোভিড মোকাবিলায় আজ সফল। আমেরিকার ফ্লোরিডাতে এক ডাক্তার আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, বাংলাদেশে এত সুন্দরভাবে কীভাবে মোকাবিলা করলো। আমার উত্তর ছিল মহান আল্লাহই বাঁচিয়েছেন। আর সায়েন্টিফিক্যালি বলতে গেলে প্রত্যেক কাজের ক্ষেত্রে সৈন্যদের গাইড করার জন্য একজন প্রধান থাকেন। তিনি আমাদের প্রধানমন্ত্রী। তার নির্দেশনা এবং পরিকল্পনায় আমরা সফল হতে পেরেছি।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক খুরশিদ আলম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শরফুদ্দিন আহমেদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের সচিব আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাধিনতা চিকিৎসা পরিষদের (স্বাচিপ) সদস্যারা, (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

আরও পড়ুন:
১০ দিন পর করোনায় আবার মৃত্যু
করোনা শনাক্ত কমে ৪৮
করোনায় মৃত্যুহীন দিন, শনাক্ত ৫৪
সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষার ফি ১০০, বেসরকারিতে ৩০০
আ.লীগের লাঠি উঠলে বিএনপিকে খুঁজে পাওয়া যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
UN must be effective and strong Paltu

জাতিসংঘকে কার্যকর ও শক্তিশালী হতে হবে: পল্টু

জাতিসংঘকে কার্যকর ও শক্তিশালী হতে হবে: পল্টু জাতীয় প্রেস ক্লাবে মঙ্গলবার আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু। ছবি: নিউজবাংলা
আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু বলেন, ‘মাত্র ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তানিদের নির্যাতনে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছিলাম। আর ফিলিস্তিনের মানুষ বছরের পর বছর এই মুক্তির আন্দোলন করে আসছে। জীবন দিয়ে যাচ্ছে। তারা অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম করছে।’

আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু বলেছেন, ‘মানুষের ন্যায্য অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সবকিছু প্রতিষ্ঠা করার জন্যই জাতিসংঘের সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে আন্তর্জাতিক বড় বড় শক্তির কাছে জাতিসংঘ যেন অসহায়। বিশ্ব সংস্থাটিকে এই অসহায়ত্ব দূর করে শক্তিশালী ও কার্যকরী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড়াতে হবে।’

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘ফিলিস্তিনের জনগণের সাথে আন্তর্জাতিক সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ শান্তি পরিষদ আয়োজিত এই সভায় আয়োজক সংগঠনের সভাপতি পল্টু বলেন, ‘আমরা মাত্র ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধ করেছি। সেখানে পাকিস্তানিদের নির্যাতনে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছিলাম। আর ফিলিস্তিনের মানুষ বছরের পর বছর এই মুক্তির আন্দোলন করে আসছে। জীবন দিয়ে যাচ্ছে। তারা অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম করছে।’

তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি ফিলিস্তিনিদের দুঃখ-দুর্দশার খবর। তারা কোনো আধিপত্যের জন্য সংগ্রাম করেনি। আজকে নিজ ভূমিতে তারা প্রতিমুহূর্তে মৃত্যুর প্রহর গুনছে। ফিলিস্তিনের এমন অবস্থা সৃষ্টির সঙ্গে আমেরিকা জড়িত। আমেরিকাপন্থি ইসরায়েল তাদের ‌ওপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।’

‘ফিলিস্তিনের শিশুরা জন্ম থেকেই দেখছে তাদের সামনে মা-বাবাকে হত্যা করা হচ্ছে। তাদের ওপর পাশবিক নির্যাতন করা হচ্ছে। এই নির্মমতা সবাইকে উপলব্ধি করতে হবে। তাই আন্তর্জাতিক মহল ফিলিস্তিনের জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে এই দিনকে ফিলিস্তিন দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The Japanese do business smoothly in the country Salman F Rahman

দেশে নির্বিঘ্নে ব্যবসা করেন জাপানিরা: সালমান এফ রহমান

দেশে নির্বিঘ্নে ব্যবসা করেন জাপানিরা: সালমান এফ রহমান বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত ও শিল্পবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। ছবি: সংগৃহীত
সালমান এফ রহমান বলেন, ‘জাপানের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে নিজের দেশের অনুভূতি পান। এখানে তারা কোনো ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হন না। নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারেন।’

দেশে জাপানিরা স্বদেশের অনুভূতি পান এবং নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত ও শিল্পবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

বাংলাদেশ ও জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষে হাইব্রিড ফর্মে আয়োজিত ‘ইনভেস্টমেন্ট ফ্লাশ মব’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা (বিডা) যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

জাপানের টোকিওতে এএনএ ইন্টারন্যাশনাল হোটেলে মঙ্গলবার এ আয়োজনে দুই দেশের বিনিয়োগকারী, শিল্পপতি, ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।

সালমান এফ রহমান বলেন, ‘জাপানের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে নিজের দেশের অনুভূতি পান। এখানে তারা কোনো ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হন না। নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারেন।’

জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে ‘বিশেষ’ তকমা দিয়ে তিনি বলেন, ‘জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়া প্রথম দেশগুলোর একটি। দুই দেশের মধ্যে বিশেষ এক সম্পর্ক রয়েছে। এটা ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক।

‘সর্বপ্রথম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাপান সফর করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫ বার জাপান ভ্রমণ করেছেন। জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ভালো অবস্থানে রয়েছে। ইতোমধ্যে দেশের অবকাঠামো খাতে জাপানি বিনিয়োগকারীরা যুক্ত হয়েছে।’

জাপানকে ধন্যবাদ জানিয়ে সালমান এফ রহমান বাংলাদেশের উন্নয়নে আগামীতেও জাপানের সহযোগিতা কামনা করেন।

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। আগামীতে আরও স্মার্ট বাংলাদেশ হবে।’

এ সময় চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার বিষয়ে আলোকপাত করেন তিনি।

বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমেদ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেন।

বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া এবং বিএসইসি কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বিদেশি বিনিয়োগ আহ্বানের লক্ষ্যে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি ২০২১ ও ২০২২ সালে দুবাই, নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন, লস অ্যাঞ্জেলেস, সান্তাক্লারা, জুরিখ, জেনেভা, লন্ডন, ম্যানচেস্টার এবং আবুধাবিতে বিনিয়োগ সম্মেলন করেছে ঢাকা।

আরও পড়ুন:
অর্থনীতির বড় চ্যালেঞ্জ জ্বালানিসংকট: সালমান
বছরের শেষ দিকে ঘুরে দাঁড়াবে অর্থনীতি: সালমান এফ রহমান
‘ব‌রিশালে বেসরকা‌রি শি‌ল্প উন্নয়নে যা সহায়তা দরকার কর‌ব’
বেকারত্ব কোথায়, প্রশ্ন সালমান এফ রহমানের
মানবাধিকার প্রতিবেদন সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে না: যুক্তরাষ্ট্র

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The trial of two people including her husband in the murder case of heroine Shimu has begun

নায়িকা শিমু হত্যা মামলায় স্বামীসহ দুইজনের বিচার শুরু

নায়িকা শিমু হত্যা মামলায় স্বামীসহ দুইজনের বিচার শুরু চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমু। ফাইল ছবি
শিমু হত্যা মামলায় তার স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেল ও এস এম ফরহাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে আদালত। এর মাধ্যমে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এই অভিযোগ গঠন করেন।

চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমু হত্যা মামলায় তার স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেল ও এস এম ফরহাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে আদালত। এর মাধ্যমে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এই অভিযোগ গঠন করেন। একই সঙ্গে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২৩ জানুয়ারি দিন ঠিক করেন বিচারক।

এর আগে চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি ঢাকার মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে শিমুর স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেল ও তার বাল্যবন্ধু এস এম ফরহাদকে রিমান্ড চলাকালীন হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। ওই সময় আসামিরা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ডের আবেদন করা হয়।

সে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নোবেল ও ফরহাদ জবানবন্দি দেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।

এর আগে ১৮ জানুয়ারি আসামিদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় হওয়া হত্যা মামলায় আসামিদের ১০ দিন করে রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন উপপরিদর্শক (এসআই) চুন্নু মিয়া।

শুনানি শেষে ঢাকার মুখ্য বিচারিক হাকিম রাবেয়া বেগম তাদের তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।

একই দিন কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় নোবেল ও তার বাল্যবন্ধুর নামে মামলা করেন শিমুর ভাই হারুনুর রশীদ। মামলায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকেও আসামি করা হয়।

গত ১৭ জানুয়ারি সকাল ১০টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে চিত্রনায়িকা শিমুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শুরুতে পরিচয় মিলছিল না তার। উদ্ধারের রাতে মরদেহের ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে নাম-পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

শিমুর মরদেহ রাখা হয় ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে। সেখানে যাওয়ার পরই শিমুর স্বামী নোবেল ও তার বাল্যবন্ধু ফরহাদকে আটক করে র‌্যাব।

ওই সময় দুজনের কাছ থেকে একটি রক্তমাখা প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়। পরে তাদের পুলিশে হস্তান্তর করে র‌্যাব।

স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে রাজধানীর কলাবাগান এলাকার একটি বাসায় থাকতেন শিমু। ১৬ জানুয়ারি সকালে বাসা থেকে বেরিয়ে তিনি আর ফেরেননি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় রাতেই কলাবাগান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরদিন কেরানীগঞ্জে খোঁজ মেলে তার মরদেহের।

আরও পড়ুন:
কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন চিত্রনায়িকা একা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP will not be able to give provocative speech in Suhrawardy

সোহরাওয়ার্দীতে বিএনপির সমাবেশে উসকানিমূলক বক্তব্য নিষেধ

সোহরাওয়ার্দীতে বিএনপির সমাবেশে উসকানিমূলক বক্তব্য নিষেধ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ২০১৮ সালে বিএনপির সমাবেশ। ফাইল ছবি
রাষ্ট্রবিরোধী বা উসকানিমূলক কোনো বক্তব্য দেয়া যাবে না। মিছিলসহ সমাবেশে আসতে পারবেন না বিএনপির নেতা-কর্মীরা। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সিসিটিভি ক্যামেরা, প্রবেশপথে আর্চওয়ে বসানোসহ নিজস্ব উদ্যোগে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখতে হবে।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপিকে আগামী ১০ ডিসেম্বর সমাবেশ করতে পুলিশ অনুমতি দিলেও এই সমাবেশ করতে দলটিকে মানতে হবে দুই ডজনের বেশি শর্ত।

সমাবেশে রাষ্ট্রবিরোধী বা উসকানিমূলক কোনো বক্তব্য দেয়া যাবে না। মিছিলসহ সমাবেশে আসতে পারবেন না বিএনপির নেতা-কর্মীরা। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সিসিটিভি ক্যামেরা, প্রবেশপথে আর্চওয়ে বসানোসহ নিজস্ব উদ্যোগে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখতে হবে।

এ ধরনের মোট ২৬টি শর্তপূরণ সাপেক্ষে বিএনপিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

ডিএমপি সদর দপ্তর মঙ্গলবার এক চিঠিতে বিএনপিকে অনুমতি দেয়ার বিষয়টি জানায়। অবশ্য বিএনপি নেতারা বলছেন তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নয়, নয়াপল্টনেই সমাবেশ করতে অনড় অবস্থানে আছেন।

আরও পড়ুন: সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশের অনুমতি, পল্টনে অনড় বিএনপি

বিএনপির পক্ষ থেকে এর আগে নয়াপল্টনে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে ডিএমপি কমিশনারের কাছে আবেদন জানানো হয়। এর জবাবে মঙ্গলবার ডিএমপির পক্ষ থেকে পাঠানো এক চিঠিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কর্মসূচি আয়োজনের অনুমতি দেয়ার কথা জানানো হয়েছে।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে উদ্দেশ করে লেখা চিঠিতে ২৬টি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে দলটি ১০ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে পারবে।

নয়াপল্টনে সমাবেশ আয়োজনের অনুমতি না দেয়ার কারণ হিসেবে যানজট ও জনভোগান্তি সৃষ্টির কথাও উল্লেখ করা হয় চিঠিতে।

বিএনপিকে ডিএমপি দেয়া শর্তে বলা হয়:

১. এই অনুমতিপত্র স্থান ব্যবহারের অনুমতি নয়, স্থান ব্যবহারের জন্য অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে।

২. স্থান ব্যবহারের অনুমতিপত্রে উল্লেখিত শর্তাবলি যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

৩. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে সমাবেশের যাবতীয় কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

৪. নিরাপত্তার জন্য নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পর্যাপ্তসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক (দৃশ্যমান আইডি কার্ডসহ) নিয়োগ করতে হবে।

৫. স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সমাবেশস্থলের ভেতরে ও বাইরে উন্নত রেজ্যুলেশনের সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে।

৬. নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি প্রবেশ গেটে আর্চওয়ে স্থাপন এবং সমাবেশে আগতদের হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে চেকিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।

৭. নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভেহিক্যাল স্ক্যানার/সার্চ মিররের মাধ্যমে সমাবেশে আগত সব যানবাহন তল্লাশির ব্যবস্থা করতে হবে।

৮. নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সমাবেশস্থলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখতে হবে।

৯. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরে বা সড়কের পাশে মাইক/সাউন্ডবক্স ব্যবহার করা যাবে না।

১০. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরে বা সড়কের পাশে প্রজেক্টর স্থাপন করা যাবে না।

১১. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরের রাস্তা বা ফুটপাতে কোথাও সমাবেত হওয়া যাবে না।

১২. আজান, নামাজ ও ধর্মীয় সংবেদনশীল সময়ে মাইক/শব্দযন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।

১৩. ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আসতে পারে এমন কোনো বিষয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন, বক্তব্য দান বা প্রচার করা যাবে না।

১৪. অনুমোদিত সময়ের মধ্যে সমাবেশের সার্বিক কার্যক্রম শেষ করতে হবে।

১৫. সমাবেশ শুরুর দুই ঘণ্টা আগে লোকজন সমবেত হওয়ার জন্য আসতে পারবে।

১৬. সমাবেশস্থলের আশপাশের রাস্তায় কোনো অবস্থাতেই সমবেত হওয়া, যানবাহান ও জন চলাচলে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।

১৭. পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন বহনের আড়ালে কোনো ধরনের লাঠিসোঁটা, রড ব্যবহার করা যাবে না।

১৮. আইনশৃঙ্খলা পরিপন্থি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কার্যকলাপ করা যাবে না।

১৯. রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কার্যকলাপ ও বক্তব্য দেয়া যাবে না।

২০. উসকানিমূলক কোনো বক্তব্য দান বা প্রচারপত্র বিলি করা যাবে না।

২১. মিছিলসহ সমাবেশস্থলে আসা যাবে না।

২২. পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থানে গাড়ি পার্ক করতে হবে, মূল সড়কে কোনো গাড়ি রাখা যাবে না।

২৩. সমাবেশস্থলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে আয়োজক কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে।

২৪. স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করে সমাবেশ পরিচালনা করতে হবে।

২৫. উল্লেখিত শর্তাবলি যথাযথভাবে পালন না করলে তাৎক্ষণিক অনুমতির আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে।

২৬. জনস্বার্থে কর্তৃপক্ষ কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই এই অনুমতি আদেশ বাতিলের ক্ষমতা সংরক্ষণ করে।

আরও পড়ুন:
১০ ডিসেম্বর কী হতে যাচ্ছে ঢাকায়?
কুমিল্লায় বিএনপির সমাবেশে মোবাইল হারানোর ৭১ জিডি
কুমিল্লা সমাবেশ: বিএনপির ভেতরে ক্ষোভের আগুন
কুমিল্লায় সমাবেশ নিয়ে সাক্কু-কায়সারের রাজ্যের হতাশা
সম্প্রীতির অনন্য উদাহরণ কুমিল্লার সমাবেশ

মন্তব্য

p
উপরে