× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Two trawlers are still missing in the sea
google_news print-icon

সাগরে এখনও নিখোঁজ দুই ট্রলার

সাগরে-এখনও-নিখোঁজ-দুই-ট্রলার
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল বারী বলেন, ‘ওই জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করে উদ্যোগ নেয়া হবে। উদ্ধার করা জেলেরা বরগুনা, পাথরঘাটাসহ বিভিন্ন স্থানে আছেন। তারা পরিবারের কাছে ফিরে যাবেন।’

বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে নিখোঁজ পিরোজপুরের ৭টি ট্রলারের মধ্যে ৫টির সন্ধান মিলেছে।

পিরোজপুর মৎস্য ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি কমল দাস জানান, শনিবার রাতে সন্ধান মেলে ওই পাঁচ ট্রলারের। তার মধ্যে একটি ট্রলার সাগরে ডুবে গেলেও ওই ট্রলারের জেলেদের ভারতীয় জেলেরা উদ্ধার করেছেন। সন্ধান পাওয়া জেলেদের মধ্যে পাড়েরহাট মৎস্যপল্লীর একই পরিবারের ছয় সদস্য আছেন কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে ভারতীয় জেলেদের হাতে উদ্ধার বাংলাদেশি জেলেদের ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানিয়েছে তাদের পরিবার।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল বারী বলেন, ‘ওই জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করে উদ্যোগ নেয়া হবে। উদ্ধার করা জেলেরা বরগুনা, পাথরঘাটাসহ বিভিন্ন স্থানে আছেন। তারা পরিবারের কাছে ফিরে যাবেন।’

তিনি বলেন, ‘সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, এখনো দুটি ট্রলারসহ মোট ১৫ জন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন বাকি দুটি ট্রলার আল্লাহর দান ও মায়ের দোয়া ইন্দুরকানী উপজেলার।’

ইন্দুরকানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুৎফুন্নেছা খানম জানান, সাগরে দুর্ঘটনাকবলিত সব জেলে পরিবারের মধ্যে খাদ্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
বাল্কহেডের ধাক্কায় সিমেন্টবোঝাই ট্রলারডুবি
ট্রলার ডুবে ২ গরুর মৃত্যু, নিখোঁজ ৮টি
ধলেশ্বরীতে লঞ্চের ধাক্কায় ট্রলারডুবি
পদ্মায় ট্রলার উল্টে নিখোঁজ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
পদ্মায় ট্রলার উল্টে ছাত্রলীগ নেতা নিখোঁজ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Three of the 11 admitted have received clearance from the Burn Institute
বেইলি রোডের আগুন

বার্ন ইনস্টিটিউট থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১১ জন, ভর্তি তিন

বার্ন ইনস্টিটিউট থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১১ জন, ভর্তি তিন বেইলি রোডে গত বৃহস্পতিবার আগুনে পুড়ে যাওয়া ভবনের সামনে উৎসুক লোকজনের ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার রাতে বেইলি রোডের ঘটনায় আমাদের হাসপাতালে যে ১৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছিলেন, তার মধ্যে আজ সকাল ১১টা পর্যন্ত আমরা ১১ জনকে ছুটি দিতে পেরেছি। তাদের অবস্থা এই মুহূর্তে ভালো আছে। স্টেবল আছেন তারা এবং ভালো ফিল করছেন। সুস্থ থাকায় তাদের ১১ জনকে আমরা ছেড়ে দিয়েছি।’

রাজধানীর বেইলি রোডের ‘গ্রিন কোজি কটেজ’ নামের ভবনে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ধরা আগুনে দগ্ধ হয়ে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি হওয়া ১১ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।

হাসপাতালটিতে এখনও চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনজন, যাদের অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।

বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি রোগীদের অবস্থা জানাতে রোববার প্রতিষ্ঠানটিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান আবাসিক চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম।

বেইলি রোডের ভবনটিতে আগুনে প্রাণহানি হয় ৪৬ জনের। এ ঘটনায় দগ্ধ ১৪ জনকে ভর্তি করা হয় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে।

তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার রাতে বেইলি রোডের ঘটনায় আমাদের হাসপাতালে যে ১৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছিলেন, তার মধ্যে আজ সকাল ১১টা পর্যন্ত আমরা ১১ জনকে ছুটি দিতে পেরেছি। তাদের অবস্থা এই মুহূর্তে ভালো আছে। স্টেবল আছেন তারা এবং ভালো ফিল করছেন। সুস্থ থাকায় তাদের ১১ জনকে আমরা ছেড়ে দিয়েছি।

‘হাসপাতালে এই মুহূর্তে ভর্তি আছেন তিনজন। এই তিনজনও ইমপ্রুভমেন্টের (উন্নতি) দিকেই আছেন। তাদের আগের শ্বাসককষ্ট, কাশি অপেক্ষাকৃত কম, তবে তারা এখনও সম্পূর্ণ সুস্থ নন। এদের মধ্যে দুজনের আগে থেকে শ্বাসকষ্ট ছিল এবং আরেকজনের শরীরে কিছু ব্যথা-বেদনা রয়েছে। তো সবকিছু মিলিয়ে তারা পরিপূর্ণ সুস্থ নন বলে এই তিনজনকে এখন পর্যন্ত ভর্তি রাখা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
রাজধানীর আবাসিক এলাকায় রেস্তোরাঁ বন্ধ চেয়ে রিট
ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শেষে তিন মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন
কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চা চুমুকের মালিকসহ রিমান্ডে ৪
বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় মামলা
ডিএনএ টেস্টের জন্য অভিশ্রুতি বা বৃষ্টির মরদেহ বার্ন থেকে ঢামেকে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Abhishruti or rain bodies are taken from the burn for DNA test
বেইলি রোড ট্র্যাজেডি

ডিএনএ টেস্টের জন্য অভিশ্রুতি বা বৃষ্টির মরদেহ বার্ন থেকে ঢামেকে

ডিএনএ টেস্টের জন্য অভিশ্রুতি বা বৃষ্টির মরদেহ বার্ন থেকে ঢামেকে বৃষ্টি খাতুন বা অভিশ্রুতি শাস্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত
রমনা থানার ওসি বলেন, ‘রমনা কালীমন্দির কর্তৃপক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বী হিসেবে মেয়েটির মরদেহের সৎকার করার জন্য। তবে মেয়েটির দুটি নাম নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। তাই ডিএনএ টেস্টের পরই মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।’

নাম-পরিচয় জটিলতায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের মর্গে পড়ে আছে রাজধানীর বেইলী রোডের অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো নারী সাংবাদিকের মরদেহ। বৃষ্টি খাতুন নাকি অভিশ্রুতি শাস্ত্রী- এ নিয়ে ধোঁয়াশা না কাটায় শনিবার বিকেল পর্যন্ত তার মরদেহ হস্তান্তর করা হয়নি।

ডিএনএ পরীক্ষার পর অভিভাবকত্বের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে মরদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এ অবস্থায় মরদেহ নিতে এসে বিপাকে পড়েছেন তার বাবা সাবুরুর আলম সবুজ।

পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ওই নারী সাংবাদিকের আসল নাম বৃষ্টি খাতুন। তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার বেতবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বনগ্রাম পশ্চিমপাড়ায়।

এদিকে অভিশ্রুতি বা বৃষ্টির জন্ম নিবন্ধন সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, ইডেন কলেজে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষার প্রবেশপত্র এবং চাকরির জন্মবৃত্তান্তে বাবা-মা সম্পর্কে নানা তথ্য দেয়া থাকলেও স্থায়ী ঠিকানা সব জায়গায় একই উল্লেখ করা আছে।

সবুজ বলেন, ‘আমার মেয়ের আসল নাম মোছা. বৃষ্টি খাতুন। সে লেখালেখিতে অভিশ্রুতি নাম ব্যবহার করতে চেয়েছিলো। কিন্তু সে আমারই মেয়ে।’

বার্ন ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ নিউজবাংলাকে জানায়, ‘বেইলি রোডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাণ হারানোদের মধ্যে একটি মরদেহই এখানে মর্গে ছিল। সেটি পরিচয় নিশ্চিত না হওয়া মেয়েটির। মরদেহ ডিএনএ টেস্টের জন্য ঢাকা মেডিক্যালের ফরেনসিক বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’

এদিকে রমনা কালীমন্দিরের পক্ষ থেকে রমনা থানায় মেয়েটিকে সনাতন ধর্মের নিয়ম অনুযায়ী সৎকার করার আবেদন করা হয়েছে বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন রমনা থানার ওসি।

তিনি বলেন ‘রমনা কালীমন্দির কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বী হিসেবে মেয়েটির মরদেহের সৎকার করার জন্য। কারণ তারা তাকে অভিশ্রুতি শাস্ত্রী নামেই চেনেন।

‘কিন্তু মেয়েটির দুটি নাম নিয়ে জটিলতা ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। তাই আমরা ডিএনএ টেস্ট করবো। পরিচয় মিললে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।’

ওসি বলেন, ‘মন্দির কর্তৃপক্ষের কেউ ডিএনএ টেস্ট করার জন্য আবেদন করতে পারবেন না। এটা আমরা করবো।’

প্রসঙ্গত, নিহত নারী সাংবাদিকের নাম-পরিচয় নিয়ে বিভ্রাট সৃষ্টির বিষয়টি নিয়ে শুক্রবার নিউজবাংলায় ‘অভিশ্রুতি নাকি বৃষ্টি, মারা যাওয়া মেয়েটি আসলে কে’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়।

আরও পড়ুন:
বার্ন ইউস্টিটিউটে ১১ ও ঢামেক হাসপাতালে ৩ জন চিকিৎসাধীন
আগুনের সূত্রপাত নিচতলায় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে: র‌্যাব ডিজি
মাকে ইফতার সামগ্রী কিনে দেয়া হলো না জিহাদের
ওয়ারীতে রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ড
আগুন কেড়ে নিল পাঁচ সদস্যের পরিবারকে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Five critically injured in Bailey Road fire
সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বেইলি রোডের আগুনে দগ্ধ পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

বেইলি রোডের আগুনে দগ্ধ পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক রাজধানীর বেইলি রোডে পুড়ে যাওয়া ভবনের সামনে পুলিশ সদস্য ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যে ছয়জনকে ছেড়ে দেব, তারা মোটামুটি ভালো আছে। তাদের মধ্যে আবার পরীক্ষার্থীও আছে। আর পাঁচজন যে থাকবে, তারা এখনও কেউ শঙ্কামুক্ত না।’

রাজধানীর বেইলি রোডে ‘কাচ্চি ভাই’ রেস্তোরাঁর ভবনে ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে ধরা আগুনে দগ্ধ পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে দগ্ধ রোগীদের পরিদর্শন শেষে শনিবার সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

বেইলি রোডের বহুতল ভবনটির আগুনে প্রাণ গেছে ৪৬ জনের। এ আগুনে দগ্ধ হয়ে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি হওয়া ১১ জনের মধ্যে ছয়জনকে ছাড়পত্র দেয়া হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

দগ্ধদের পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বেইলি রোডের একটা মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, যেখানে প্রায় ৪৫ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, সেই দুর্ঘটনায় আমাদের এখানে এখন ১১ জন রোগী আজকে সকালে ছিল। কিছুক্ষণ আগে আমরা রাউন্ড দিয়েছি। আমার সাথে এখানকার সমস্ত যারা সিনিয়র প্রফেসর ছিলেন, ডিজি সাহেব (স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক) আমাদের ভাইস চ্যান্সেলর (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি)…তারপর আমাদের একটা মেডিক্যাল বোর্ড বসাই।

‘সেই মেডিক্যাল বোর্ডে সদস্য হচ্ছে আমাদের এখানে যে মেডিক্যাল বোর্ডটা করি আমরা, ১৭ জন সদস্য, যার প্রধান হিসেবে আমি কাজ করি। আমরা এই রোগীগুলা দেখি। ১১ জনের মধ্যে আমরা এখন ডিসিশন নিয়েছি যে, ছয়জনকে আমরা ছেড়ে দেব। আর পাঁচজন থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যে ছয়জনকে ছেড়ে দেব, তারা মোটামুটি ভালো আছে। তাদের মধ্যে আবার পরীক্ষার্থীও আছে। আর পাঁচজন যে থাকবে, তারা এখনও কেউ শঙ্কামুক্ত না।’

আগুনে দগ্ধদের খরচ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বহন করবেন জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কালকে (শুক্রবার) রাত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে এই বঙ্গভবনে এটাকে নিযে এই সমস্ত রোগীদের জন্য বলছেন যে, যতটুকু কেয়ার নেয়া দরকার, সেই কেয়ার নেয়ার কথা এবং সমস্ত চিকিৎসার খরচ বাংলাদেশ সরকার, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজে বহন করবে এবং সেই অনুযায়ী আজকে উনি আমাদের এখানে একটা ‍উনার ফান্ড আছে, সেই ফান্ডে বেশ কিছু টাকাও পাঠিয়ে দিয়েছেন আজকে সকালে।’

আরও পড়ুন:
বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড: পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠান বাতিল
বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে আহতদের কেউই শঙ্কামুক্ত নন
বেইলি রোডের আগুন কেড়ে নিল দুই বুয়েট শিক্ষার্থীর প্রাণ
বেইলি রোডের আগুনে প্রাণ গেল ২ ড্যাফোডিল শিক্ষার্থীর
বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডে কর্তৃপক্ষের অবশ্যই দায় আছে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If I hadnt jumped I might have been a burnt coal

‘লাফ না দিলে আমিও হয়তো পুড়ে কয়লা হতাম’

‘লাফ না দিলে আমিও হয়তো পুড়ে কয়লা হতাম’ রাজধানীর বেইলি রোডের একটি ভবনে বৃহস্পতিবার রাতে ধরা আগুন থেকে বেঁচে যাওয়া বেসরকারি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাবেক ছাত্র মোহাম্মদ আমিন। ছবি: নিউজবাংলা
আগুন ধরার পরের পরিস্থিতি নিয়ে মোহাম্মদ আমিন বলেন, ‘অনেকবার চেষ্টা করি লাফ দিতে; পারিনি, কিন্তু পেছনে অনেকের বাঁচার আকুতি ও পুড়তে থাকা দেখে বেঁচে ফেরার চিন্তায় গত রাতে লাফ দিয়েছিলাম। নইলে আমিও হয়তো পুড়ে কয়লা হতাম মিনহাজ ভাইয়ের মতো।’

“কেবল খাবার অর্ডার করে বসেছি। হঠাৎ চিৎকার, চেঁচামেচি। ধোঁয়া দেখি। একটু পর বিকট শব্দ। বেরিয়ে দেখি নিচে আগুন। ওপরে উঠে যাই। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। চারদিকে অন্ধকার আর প্রচণ্ড ধোঁয়া।

“মানুষের ছোটাছুটির মধ্যে দেখি অনেকে পুড়ছিল। অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি অনেককে। নিজে বাঁচার অনেক চেষ্টা করি। ‘কাচ্চি ভাই’ রেস্টুরেন্টের রান্না ঘরের জানালা দিয়ে কার্নিশ থেকে নিচে লাফিয়ে পড়ি। এরপর আমাকে নেয়া হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে।”

রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ভবনে বৃহস্পতিবার ধরা আগুনের ঘটনা নিয়ে শুক্রবার দুপুরে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের বাইরে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কথাগুলো বলছিলেন মোহাম্মদ আমিন।

গতকাল রাতের আগুনে ৪৬ জনের প্রাণহানি হয়েছে। সেই আগুন থেকে বেঁচে যাওয়া একজন বেসরকারি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাবেক ছাত্র আমিন।

আগুন ধরার পরের পরিস্থিতি নিয়ে এ যুবক বলেন, ‘অনেকবার চেষ্টা করি লাফ দিতে; পারিনি, কিন্তু পেছনে অনেকের বাঁচার আকুতি ও পুড়তে থাকা দেখে বেঁচে ফেরার চিন্তায় গত রাতে লাফ দিয়েছিলাম। নইলে আমিও হয়তো পুড়ে কয়লা হতাম মিনহাজ ভাইয়ের মতো।’

তিনি বলেন, “আমি আর মিনহাজ ভাইসহ বেশ কয়েকজন গিয়েছিলাম বেইলি রোডে। আমি আর মিনহাজ ভাই উঠে যাই ভবনটির চতুর্থ তলায় ‘খানা’স রেস্টুরেন্টে’। আমরা সেখানে বসি। খাবার অর্ডার দিয়ে সেলফিও তুলি। এর কিছুক্ষণ পর চারদিকে চিৎকার চেঁচামেচি আর ধোঁয়া দেখতে পাই।

“কিছুক্ষণ পর চেঁচামেচি-চিৎকার বন্ধ হয়ে যায়, কিন্তু হঠাৎ বিস্ফোরণের শব্দ পাই। তখন রাত ৯টা ৫০ মিনিটের মতো। সিঁড়ি ধোয়ায় আচ্ছন্ন। ওপরে দ্রুত উঠতে থাকি। এর মধ্যেই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ছুটোছুটিতে মিনহাজ ভাইকে হারিয়ে ফেলি। মোবাইলের লাইট জ্বালিয়ে ওপরে উঠি। আবার নিচে নামি। দেখি নিচে সব জ্বলছে।”

এ যুবক বলেন, “অনেকক্ষণ মিনহাজ ভাইকে খুঁজেছি, পাইনি। ফ্লোরে ফ্লোরে কান্নার আওয়াজ, চিৎকার আর বাঁচার আকুতি শুনেছি। মোবাইলের আলোতে দেখেছি অনেককে পুড়তে। ‘বাঁচাও বাঁচাও’ আকুতি কানে বাজছিল।”

আমিনের বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাই সৌমিত আহমেদ অরণ্য বলেন, ‘গতকাল রাতে ছোট ভাই আমিন, মিনহাজসহ কয়েকজন রাজধানীর বেইলি রোডে গিয়েছিলাম খেতে কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্ট ভবনে। আমিন আর মিনহাজ ছিল ওপরে। আমরা কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্ট থেকে নেমে বাইরে যাই। আমার মা বাড়ি যাবে। এ জন্য আমি আরেক বন্ধু মেহেদি হাসান রিফাতকে নিয়ে শ্যামলী যাই।

‘সাড়ে ১০টার দিকে আমিন ফোন করে জানায় যে, সে কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টের রান্নাঘরের পাশ দিয়ে ওপর থেকে নিচে লাফিয়ে পড়েছে। এরপর সে দাঁড়াতে পারতেছে না; ওপরে মিনহাজ। কোমরে ব্যথা পেয়েছে। এরপর আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ফিরে আসি এবং ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে আমিনকে রেসকিউ করে হাসপাতালে পাঠাই।’

অরণ্য আরও বলেন, ‘একাধিকবার আমরা মিনহাজের মোবাইল ফোনে কল করেছি, কিন্তু কল রিসিভ হয়নি। সারা রাত ধরে মিনহাজকে খোঁজ করেছি; হাসপাতালে খুঁজেছি৷ সর্বশেষ কয়লা হয়ে যাওয়া একটা লাশ আমরা দেখতে পাই। সেই লাশের হাতের ঘড়ি দেখে মিনহাজের মরদেহ শনাক্ত করি আমরা।’

আরও পড়ুন:
বেইলি রোডের আগুনে মৃত্যু বেড়ে ৪৫, শনাক্ত ৪০
এখনও নেভেনি বেইলি রোডের আগুন
বেইলি রোডে আগুনে ৪৩ মৃত্যু, গুরুতর দগ্ধ ২২
বেইলি রোডে কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টে আগুন, আটকা অনেকে
বিস্ফোরণ নয়, সিলিন্ডারের ছেড়ে দেয়া গ্যাসে ভাসানচরে অগ্নিকাণ্ড

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Journalist Abhishruti died in the Bailey Road fire

সাংবাদিক অভিশ্রুতির প্রাণ গেল বেইলি রোডের আগুনে

সাংবাদিক অভিশ্রুতির প্রাণ গেল বেইলি রোডের আগুনে সাংবাদিক অভিশ্রুতি শাস্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত
দ্য রিপোর্ট ডট লাইভের চিফ রিপোর্টার গোলাম রাব্বানি শুক্রবার নিউজবাংলাকে অভিশ্রুতির মৃত্যুর বিষয়টি জানিয়ে বলেন, ‘সে (অভিশ্রুতি) গত জানুয়ারি পর্যন্ত দ্য রিপোর্টের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার ছিল। জানুয়ারিতে সে চাকরি ছেড়ে দেয়। চাকরিরত অবস্থায় অভিশ্রুতি নির্বাচন কমিশন বিট করত।’

রাজধানীর বেইলি রোডের একটি ভবনে বৃহস্পতিবার রাতের আগুনে মৃত্যু হয়েছে অভিশ্রুতি শাস্ত্রী নামের এক সাংবাদিকের, যিনি কাজ করতেন দ্য রিপোর্ট ডট লাইভ নামের একটি সংবাদমাধ্যমে।

দ্য রিপোর্ট ডট লাইভের চিফ রিপোর্টার গোলাম রাব্বানি শুক্রবার নিউজবাংলাকে অভিশ্রুতির মৃত্যুর বিষয়টি জানিয়ে বলেন, ‘সে (অভিশ্রুতি) গত জানুয়ারি পর্যন্ত দ্য রিপোর্টের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার ছিল। জানুয়ারিতে সে চাকরি ছেড়ে দেয়। চাকরিরত অবস্থায় অভিশ্রুতি নির্বাচন কমিশন বিট করত।

‘তার বাড়ি কুষ্টিয়া জেলায়। সে সদ্য ইডেন মহিলা কলেজ থেকে অনার্স পরীক্ষা দিয়েছে।’

তিনি আরও জানান, ঢাকার শান্তিনগরের একটি বাসায় থাকতেন অভিশ্রুতি। তার মরদেহ শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে রাখা হয়েছে।

বেইলি রোডের ‘কাচ্চি ভাই’ নামের রেস্তোরাঁর ভবনে বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটে আগুনের খবর পেয়ে ৯টা ৫৬ মিনিটে ঘটনাস্থলে যায় ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট। বাহিনীর ১৩টি ইউনিট রাত ১১টা ৫০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ওই আগুনে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে শুক্রবার জানিয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসন।

আরও পড়ুন:
বেইলি রোডে কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টে আগুন, আটকা অনেকে
বিস্ফোরণ নয়, সিলিন্ডারের ছেড়ে দেয়া গ্যাসে ভাসানচরে অগ্নিকাণ্ড
শাহজাহানপুরে গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে দগ্ধ ৭
শেরপুরে আগুনে পুড়ে দাদি-নাতির মৃত্যু
ভাসানচরে আগুন: দগ্ধ আরও এক রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bailey Road fire death toll rises to 45 identified 40

বেইলি রোডের আগুনে মৃত্যু বেড়ে ৪৫, শনাক্ত ৪০

বেইলি রোডের আগুনে মৃত্যু বেড়ে ৪৫, শনাক্ত ৪০ রাজধানীর বেইলি রোডে বৃহস্পতিবার রাতের আগুনের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার তৎপরতা। ছবি: ফায়ার সার্ভিস
ঢাকা জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেছেন, আগুনের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪০ জনের মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে। ৩৫ জনের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

রাজধানীর বেইলি রোডের ‘কাচ্চি ভাই’ রেস্তোরাঁর ভবনে বৃহস্পতিবার রাতে ধরা আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৫ জনে দাঁড়িয়েছে জানিয়ে ঢাকা জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেছেন, এখন পর্যন্ত ৪০ জনের মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নিউজবাংলাকে জানান, সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী আগুনের ঘটনায় ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে শনাক্ত করা গেছে ৪০ জনকে।

তিনি আরও জানান, ৩৫টি মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে বেইলি রোডের ভবনটির আগুন এখনও পুরোপুরি নেভেনি।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষের এক কর্মকর্তা শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জানান, আগুন এখনও সম্পূর্ণ নেভেনি। ঘটনাস্থলে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট।

আগুনে হতাহতের বিষয়ে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের জানান, আগুনে কমপক্ষে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ২২ জন গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন।

এর আগে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল জানায়, বেইলি রোডের ভবনটিতে বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটে আগুনের খবর পেয়ে ৯টা ৫৬ মিনিটে ঘটনাস্থলে যায় বাহিনীর প্রথম ইউনিট। ১৩টি ইউনিট রাত ১১টা ৫০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

বাহিনীটি আরও জানায়, আগুনের ঘটনায় জীবিত উদ্ধার করা হয় ১৫ নারীসহ ৭৫ জনকে। এ ছাড়া তিনজনকে মৃত ও ৪২ জনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন:
শেরপুরে আগুনে পুড়ে দাদি-নাতির মৃত্যু
ভাসানচরে আগুন: দগ্ধ আরও এক রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু
আগুন নিঃস্ব করল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধ চা শ্রমিককে
বরিশালে রেস্তোরাঁয় আগুন, বিএম কলেজছাত্রী আহত
ভাসানচরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন, ছয় শিশুসহ দগ্ধ ৯

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Still the Neveny Bailey Road fire

এখনও নেভেনি বেইলি রোডের আগুন

এখনও নেভেনি বেইলি রোডের আগুন বেইলি রোডের ভবনটিতে বৃহস্পতিবার রাতে আগুন ধরে। ছবি: ফায়ার সার্ভিস
ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষের এক কর্মকর্তা শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নিউজবাংলাকে জানান, আগুন এখনও সম্পূর্ণ নেভেনি। ঘটনাস্থলে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট।

রাজধানীর বেইলি রোডের একটি ভবনে বৃহস্পতিবার রাতে ধরা আগুন এখনও পুরোপুরি নেভেনি।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষের এক কর্মকর্তা শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নিউজবাংলাকে জানান, আগুন এখনও সম্পূর্ণ নেভেনি। ঘটনাস্থলে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট।

৪৩ মৃত্যু, গুরুতর দগ্ধ ২২

বেইলি রোডের ‘কাচ্চি ভাই’ নামের রেস্তোরাঁয় আগুনে কমপক্ষে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন।

এ ঘটনায় ২২ জন গুরুতর দগ্ধ হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান মন্ত্রী।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল জানায়, বেইলি রোডের রেস্তোরাঁটিতে বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটে আগুনের খবর পেয়ে ৯টা ৫৬ মিনিটে ঘটনাস্থলে যায় বাহিনীর প্রথম ইউনিট। ১৩টি ইউনিট রাত ১১টা ৫০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

বাহিনীটি আরও জানায়, আগুনের ঘটনায় জীবিত উদ্ধার করা হয় ১৫ নারীসহ ৭৫ জনকে। এ ছাড়া তিনজনকে মৃত ও ৪২ জনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের জানা মতে, ৪৩ জন মারা গেছে। এর বাইরে কতজন মারা গেছে, আমি এখানে বলতে পারব না।’

আহত বা দগ্ধের সংখ্যা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বার্ন ইউনিটে আটজন আর এখানে ১৪ জন। এই আহত অবস্থায় আছে। এদের অবস্থা খুব একটা ভালো না।’

৫ সদস্যের কমিটি ফায়ার সার্ভিসের

বেইলি রোডের আগুনের ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে ফায়ার সার্ভিস, যার সভাপতি বাহিনীর পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী। ফায়ার সার্ভিস ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক মো. ছালেহ উদ্দিনকে কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে। এ ছাড়া কমিটির সদস্য করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট জোনের ডিএডি,

সিনিয়র স্টেশন অফিসার ও ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টরকে।

আরও পড়ুন:
বেইলি রোডে আগুনে ৪৩ মৃত্যু, গুরুতর দগ্ধ ২২
বেইলি রোডে কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টে আগুন, আটকা অনেকে
বিস্ফোরণ নয়, সিলিন্ডারের ছেড়ে দেয়া গ্যাসে ভাসানচরে অগ্নিকাণ্ড
শাহজাহানপুরে গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে দগ্ধ ৭
শেরপুরে আগুনে পুড়ে দাদি-নাতির মৃত্যু

মন্তব্য

p
উপরে