× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Housewifes body found in Banasrees flat
google_news print-icon

বনশ্রীর ফ্ল্যাটে গৃহবধূর মরদেহ

বনশ্রীর-ফ্ল্যাটে-গৃহবধূর-মরদেহ
প্রতীকী ছবি
সোহাগীর দেবর শেখ জাহিদ হাসান বলেন, ‘আমার ভাই অফিসের কাজে সকাল থেকে বাইরে ছিলেন। রাতে বাসায় ফেরার পর পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তর্ক হয়। এরপর ভাবি নিজের ঘরে ঢুকে দরজা আটকে দেন।’

রাজধানীর খিলগাঁও বনশ্রী এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে লাবনী আক্তার সোহাগী নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

দাম্পত্য কলহে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে স্বজনদের দাবি।

খিলগাঁও থানা পুলিশ শুক্রবার মধ্যরাতে সোহাগীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠিয়েছে।

সোহাগীর দেবর শেখ জাহিদ হাসান বলেন, ‘আমার ভাই অফিসের কাজে সকাল থেকে বাইরে ছিলেন। রাতে বাসায় ফেরার পর পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তর্ক হয়। এরপর ভাবি নিজের ঘরে ঢুকে দরজা আটকে দেন।

‘ডাকাডাকি করার পরও ভাবি দরজা খোলেননি। রাতেই ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে দেখা যায়, ফ্যানের হুকে ওড়না জড়িয়ে গলায় ফাঁস নিয়েছেন তিনি। পরে পুলিশকে খবর দিলে তার মরদেহ উদ্ধার হয়।’

খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সোনিয়া পারভীন বলেন, ‘বনশ্রীর ব্লক-এইচের একটি সাততলা ভবনের ফ্ল্যাট থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। পরিবার থেকে সংবাদ পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়।

‘আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি কলহের জেরে আত্মহত্যা করেছেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’

লাবনী আক্তার সোহাগীর বাড়ি ফরিদপুর নগরকান্দা উপজেলার উত্তর গোপীনাথপুর গ্রামে।

আরও পড়ুন:
গৃহবধূর মরদেহ নিয়ে স্বজনদের বিক্ষোভ
নিখোঁজের এক দিন পর পুকুরে ভেসে উঠলেন গৃহবধূ
গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Three killed in separate road accident in Gazipur

গাজীপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তিন

গাজীপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তিন ফাইল ছবি
কালিয়াকৈরে কালিয়াকৈরে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুই বন্ধ নিহত হয়েছেন। অপরদিকে কাপাসিয়ায় বাপের বাড়ি যাওয়ার পথে অটোরিকশায় ওড়না পেঁচিয়ে এক গৃহবধূ নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

গাজীপুরে পৃথক দৃটি সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। কালিয়াকৈরে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুই বন্ধ নিহত হয়েছেন। অপরদিকে কাপাসিয়ায় বাপের বাড়ি যাওয়ার পথে অটোরিকশায় ওড়না পেঁচিয়ে এক গৃহবধূ নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার দুপুর থেকে বিকেল পাঁচটার মধ্যে দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।

এর মধ্যে কালিয়াকৈরের শেওড়াতলী এলাকায় ঘটা দুর্ঘটনায় আরও একজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

নিহতরা হলেন- ঢাকার আশুলিয়া থানার গোয়ালবাড়ি এলাকার নুর ইসলাম খন্দকারের ছেলে শফিকুল খন্দকার ও নুরুল আমিনের ছেলে রায়হান খন্দকার। আহত অপর বন্ধু ওই এলাকার আকবর খানের ছেলে বিল্লাল খান।

এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, তিন বন্ধু শফিকুল, রায়হান ও বিল্লাল একটি মোটরসাইকেলে চড়ে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে কালিয়াকৈর-ধামরাই সড়কের শেওড়াতলী এলাকায় মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে তিনবন্ধু গুরুতর আহত হন। সঙ্গে সঙ্গে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শফিকুল ও রায়হানকে মৃত ঘোষণা করেন। আর বিল্লালকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

কালিয়াকৈর থানার ওসি (অপারেশন) জোবায়ের আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে দুইজনের মরদেহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

অটোরিকশায় ওড়না পেঁচিয়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর

কাপাসিয়ায় স্বামীর সঙ্গে বাপের বাড়ি যাওয়ার পথে অটোরিকশায় ওড়না পেঁচিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে তানিয়া আক্তার নামের এক গৃহবধূর।

সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে ফুলবাড়ির বৌমারা মার্কেট নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

২২ বছর বয়সী তানিয়া উপজেলার বড়চালা চড়পাড়া এলাকার বাবুলের কন্যা। তিনি গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইলেক্ট্রিশিয়ান আলম শেখের স্ত্রী।

নিহতের স্বজনরা জানান, স্বামীর সঙ্গে বাপের বাড়ির উদ্দেশে গাজীপুরের খিলগাঁও এলাকা থেকে অটোরিকশাযোগে বড়চালার চড়পাড়া অভিমুখে রওনা হন তানিয়া। পথিমধ্যে বৌমারা মার্কেট নামক স্থানে গিয়ে অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে চলন্ত অটোরিকশা থেকে ছিটকে পড়েন তিনি। এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে কাপাসিয়া থানার ওসি আবুবকর মিয়া বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি, তবে এ বিষয়ে অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ৩
ময়মনসিংহে এক দিনে সড়কে ঝরল ৮ প্রাণ
ময়মনসিংহে অটোরিকশায় ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ২

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Adam Directors body recovered from the flat

নিজ ফ্ল্যাটে ‘আদম’ পরিচালকের মরদেহ

নিজ ফ্ল্যাটে ‘আদম’ পরিচালকের মরদেহ গত বছরের ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাওয়া ‘আদম’ সিনেমা নির্মাণ করে পরিচিতি পান আবু তাওহীদ হিরণ। কোলাজ: নিউজবাংলা
ভবনের বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে রমনা থানার এসআই মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আজ সকাল ৬টার দিকে হিরণ বাড়ির দারোয়ানকে ফোন করে বলেন, তিনি স্ট্রোক করেছেন। দারোয়ানকে রুমে আসতে বলেন তিনি। দারোয়ান গিয়ে দরজায় নক করলেও ভেতর থেকে দরজা না খোলায় তিনি ফ্ল্যাটের অন্যান্য বাসিন্দাদের সহযোগিতায় দরজা ভেঙে ভেতরে তাকে পড়ে থাকতে দেখতে পান।’

তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতা আবু তাওহীদ হিরণ মারা গেছেন। গত বছরের ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাওয়া ‘আদম’ সিনেমা নির্মাণ করে পরিচিতি পান তিনি।

রাজধানীর রমনার নিজ বাসা থেকে সোমবার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

৩৭ বছর বয়সী হিরণ ‘ইএইচআর মিডিয়া হাউজ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। তিনি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদুরী শিবপুর গ্রামের সোহরাব হোসেন এর ছেলে। বর্তমানে রমনার ৩০ নম্বর নিউ ইস্কাটন রোডের একটি চতুর্থ তলা ভবনের দ্বিতীয় তলার ফ্লাটে একাই বসবাস করতেন তিনি। ওই ভবনেই তার মিডিয়া প্রতিষ্ঠানটি রয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন রমনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. হাবিবুর রহমান।

ওই ভবনের বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘আজ সকাল ৬টার দিকে হিরণ বাড়ির দারোয়ানকে ফোন করে বলেন, তিনি স্ট্রোক করেছেন। দারোয়ানকে রুমে আসতে বলেন তিনি। দারোয়ান গিয়ে দরজায় নক করলেও ভেতর থেকে দরজা না খোলায় তিনি ফ্ল্যাটের অন্যান্য বাসিন্দাদের সহযোগিতায় দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন। এ সময় তারা দেখতে পান, প্রায় উলঙ্গ অবস্থায় তিনি উপুড় হয়ে মেঝেতে পড়ে আছেন।’

তিনি বলেন, ‘পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

ইএইচআর মিডিয়া হাউজের ক্রিয়েটিভ পরিচালক ওমর ফারুক নয়ন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘খবর শুনে আমরা বাসায় গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাই।’

তিনি বলেন, “তাওহিদ ভাই ভালো মানুষ ছিলেন। আদম-এর পর ‘রং রোড’ নামে তার আরেকটি ছবির কাজ শেষে হয়েছে। ছবিটি বর্তমানে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Natore upazila election candidate and brother kidnapped

নাটোরে উপজেলা নির্বাচনের প্রার্থী ও ভাইকে অপহরণ

নাটোরে উপজেলা নির্বাচনের প্রার্থী ও ভাইকে অপহরণ অপহরণের পর আহত অবস্থায় দেলোয়ার হোসেনকে (ইনসেটে) তার বাড়ির সামনে ফেলে রেখে যায় দুর্বত্তরা। কোলাজ: নিউজবাংলা
এ ঘটনায় সিংড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থী এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের শ্যালক লুৎফুল হাবিব রুবেলের দিকে উঠেছে অভিযোগের আঙুল।

নাটোরের সিংড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী দেলোয়ার হোসেন ও তার ভাইকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সম্ভাব্য প্রার্থী লুৎফুল হাবিব রুবেলের দিকে উঠেছে অভিযোগের আঙুল।

সোমবার বিকেলে নাটোর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

লুৎফুল হাবিব রুবেল উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শেরকোল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের শ্যালক।

দেলোয়ার হোসেনের পরিবারের সদস্যরা জানান, ইউপি চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন লুৎফুল হাবিব রুবেল। রোববার পর্যন্ত তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আর কেউ মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি।

সোমবার সকালে অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিল ও ব্যাংকে জামানতের টাকা জমা দেয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন দেলোয়ার হোসেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার ভাই কলম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন মুন্সি।

এ সময় জরুরি প্রয়োজনে তারা জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের সামনে গেলে সেখান থেকে একটি কালো রঙের মাইক্রোবাসে চড়ে কয়েকজন যুবক আলাউদ্দিন মুন্সিকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে দেলোয়ার হোসেন নির্বাচন অফিস থেকে বের হেলে তাকেও একটি মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

গাড়ির ভেতর মারধর অপহরণকারীরা তাকে মারধর করে বলে অভিযোগ দেলোয়ার হোসেনের পরিবারের সদস্যদের।

তারা আরও জানান, এক পর্যায়ে তারা দেলোয়ারকে বাড়ির সামনে ফেলে দিয়ে চলে যায়। পরে তিনি জাতীয় জরুরি সেবার নম্বরে (৯৯৯) ফোন করে পুলিশকে ঘটনাটি জানান। এ সময় স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

দেলোয়ার হোসেনকে ছেড়ে দিলেও তার ভাই আলাউদ্দিন মুন্সিকে এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে লুৎফুল হাবিবের মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকার ফোন করে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি তা ধরেননি।

নাটোর পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরের মাধ্যমে অভিযোগ পাওয়ার থেকে পুলিশ দুর্বৃত্তদের অবস্থান শনাক্তে কাজ শুরু করেছে। আলাউদ্দিন মুন্সিকে উদ্ধারে পুলিশের কয়েকটি টিম কাজ করছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাকে উদ্ধার ও ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।’

আরও পড়ুন:
উপজেলা নির্বাচনে এমপি-মন্ত্রীরা প্রভাব খাটালে তাদেরই মান ক্ষুণ্ণ হবে: ইসি হাবিব

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Arrest warrant against Noor in Chittagong

নুরের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

নুরের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২২ সালের ১ জুন বাংলাদেশ ছাত্র যুব অধিকার পরিষদের সমাবেশে নুরুল হক নুর ছাত্রলীগ ও যুবলীগকে গুণ্ডা লীগ বলে আখ্যায়িত করেন। শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের বিরুদ্ধেও আপত্তিকর মন্তব্য করেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের মামলায় গণঅধিকার পরিষদ সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে চট্টগ্রামের একটি আদালত।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মোহাম্মদ জহিরুল কবীর সোমবার শুনানি শেষে এই পরোয়ানা জারি করেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক ও সিটি করপোরেশনের প্যানেল আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহরিয়ার তানিম ২০২২ সালের ১৪ জুন নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে এই মামলা করেন। মামলায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫, ২৯ ও ৩১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ট্রাইব্যুনালে ৬ ফেব্রুয়ারি অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। সোমবার মামলার ধার্য তারিখে অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।’

সাইবার ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১ জুন বাংলাদেশ ছাত্র যুব অধিকার পরিষদের সমাবেশে আসামি ছাত্রলীগ ও যুবলীগকে গুণ্ডা লীগ বলে আখ্যায়িত করেন। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের বিরুদ্ধেও আপত্তিকর মন্তব্য করেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী, ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নিয়ে ‘কুরুচিপূর্ণ’ মন্তব্য করার অভিযোগে ঢাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫, ২৯ ও ৩১ ধারায় মামলা করা হয়।

আদালত মামলাটির শুনানি শেষে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) চট্টগ্রাম মেট্রো ও জেলাকে তদন্তের জন্য নির্দেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি চট্টগ্রাম মেট্রো ও জেলার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল করিম গত ৬ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনালে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

আরও পড়ুন:
বিচার বিভাগ নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করবেন না, নুরকে বলল হাইকোর্ট
নুরকে হাইকোর্টে তলব
পুলিশের কাজে বাধার অভিযোগে নুরের বিরুদ্ধে মামলা
ঢাবিতে ছাত্র অধিকারের মিছিলে হামলা, নুরসহ আহত অনেকে
মামলার আসামি লুকিয়ে রেখেছিলেন নুর: হারুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Railways helpless with powerful KCC councillors

ক্ষমতাধর কেসিসি কাউন্সিলরের কাছে অসহায় রেলওয়ে

ক্ষমতাধর কেসিসি কাউন্সিলরের কাছে অসহায় রেলওয়ে খুলনা নগরের খালিশপুরে জলাশয় ভরাট করে রেলওয়ের ৬৬ শতক জমি দখল করে রেখেছেন কেসিসির কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম মুন্না। ছবি: নিউজবাংলা
স্থানীয় বাসিন্দা ইমতিয়াজ শেখ বলেন, ‘খুলনা নগরের খালিশপুর এলাকায় খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের পশ্চিম পাশে রেলওয়ের ৬৬ শতক জমি রয়েছে। রেলওয়ের মালিকানাধীন ওই জায়গা যখন ভরাট করা হয় তখন কাউন্সিলর মুন্না কেসিসির প্যানেল মেয়র ছিলেন। তাই প্রকাশ্যে জমি ভরাট করলেও তাকে বাধা দেয়ার মতো কেউ ছিল না।’

রেলওয়ের ৬৬ শতক জলাশয় ভরাট করে দখলে রেখেছেন স্থানীয় কাউন্সিলর। এক্ষেত্রে তিনি অজুহাতের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন খুলনা সিটি করপোরেশনকে (কেসিসি)। তার দাবি, মেয়র ওই জায়গায় পার্ক বানানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তাই পুলিশে অভিযোগ দিয়েও সেই সম্পত্তি উদ্ধার করতে পারছে না রেলওয়ে।

তবে কেসিসি থেকে জানানো হয়েছে, সেখানে কোনো নির্মাণ পরিকল্পনা করা হয়নি। আর কাউন্সিলের কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে কিছুই জানেন না মেয়র।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, খুলনা নগরের খালিশপুর এলাকায় খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের পশ্চিম পাশে রেলওয়ের ৬৬ শতক জমি রয়েছে। কয়েক বছর আগে স্থানীয় জনি মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে ওই জমি ইজারা দেয়া হয়েছিল। ওই জমিটুকু জলাশয় হওয়ায় ইজারার শর্তে উল্লেখ ছিল যে তা ভরাট করা যাবে না। তবে ইজারা নেয়ার কিছুদিনের মধ্যেই জায়গাটি ভরাট করে ফেলা হয়।

রেলওয়ের যশোর ও খুলনার ভূমি কর্মকর্তা মহসিন আলী বলেন, ‘স্থানীয় কাউন্সিলরের নির্দেশে ওই জমি ভরাট করা হয়েছে। জনি মিয়ার দায়িত্ব ছিল ওই জলাভূমি রক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণের। কিন্তু তিনি ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম মুন্নার সঙ্গে যোগসাজস করে ভূমির শ্রেণী পরিবর্তন করে ফেলেছেন।’

শর্ত ভঙ্গ করে ভূমি ভরাট করায় জনি মিয়ার বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর সরকারি রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি) স্টেশনে একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন ভূমি কর্মকর্তা। তবে প্রভাবশালী কাউন্সিলরের চাপে পুলিশ কিছুই করতে পারেনি।

মহসিন আলী বলেন, ‘তৎকালীন ভূমি কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম জিআরপি থানায় যে ডায়েরি করেছিলেন, তার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছিল। ওই সময়ে কাউন্সিলর মুন্না ও তার লোকজন প্রভাব খাটিয়ে ওই তদন্ত বন্ধ করে দেন। অবশেষে রেলওয়ের ৬৬ শতক জমির পুরো জলাশয়টি ধীরে ধীরে ভরাট হয়ে যায়।’

সম্প্রতি রেলওয়ের ওই সম্পত্তি পরিদর্শন করেন এই প্রতিবেদক। সেখানে দেখা যায়, জলাশয়টির কোনো অস্তিত্ব নেই। পুরো জায়গাটি সমতল মাঠে পরিণত হয়েছে। আর কিছু শ্রমিক ভরে ফেলা জায়গাটি সমতল করছে।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, রেলওয়ের ওই জমিতে শিশুপার্ক, কাউন্সিলর কার্যালয়, দোকানপাট ও বহুতল মার্কেট নির্মাণ করা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা ইমতিয়াজ শেখ বলেন, ‘রেলওয়ের মালিকানাধীন ওই জায়গা যখন ভরাট করা হয় তখন কাউন্সিলর মুন্না কেসিসির প্যানেল মেয়র ছিলেন। তাই প্রকাশ্যে জমি ভরাট করলেও তাকে বাধা দেয়ার মতো কেউ ছিল না।’

তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি রেলওয়ের কর্মকর্তারা এখানে এসে অসহায় বোধ করেন। মুন্না স্পষ্ট করেই তাদেরকে বলে দেন- এটি কেসিসির মালিকানাধীন পরিত্যক্ত জমি এবং তারা শিশুদের জন্য একটি পার্কসহ সেখানে কিছু স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন। তখন রেলওয়ের কর্মকর্তারা পুলিশের সহায়তা নেন।’

বিষয়টি নিয়ে কথা হয় খুলনার জিআরপি থানার ওসি ইদ্রিস আলী মৃধার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘স্থানীয় কাউন্সিলর দাবি করেন যে ড্রেন সংস্কারের সময় জমে থাকা মাটি ফেলার জায়গা নেই, তাই কেসিসি মেয়রের নির্দেশে তারা মাটি দিয়ে জলাশয়টি ভরাট করছেন।’

যোগাযোগ করা হলে কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম মুন্নাও দাবি করেন, কেসিসি মেয়রকে জানানোর পর তিনি জলাশয়টি ভরাট করেছেন।

তিনি বলেন,’ জলাশয়টি মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। আর তা স্থানীয়দের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তাই আমি মেয়রের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলি এবং জনগণের স্বার্থে জলাশয়টি ভরাট করে দিয়েছি। অদূর ভবিষ্যতে সেখানে একটি শিশুপার্ক নির্মাণ করা হবে।

অনুমতি ছাড়া রেলওয়ের সম্পত্তি জলাশয় ভরাট করা আইনসঙ্গত কিনা জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

তবে কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লস্কর তাজুল ইসলাম জানালেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, ‘ওই জমিতে সিটি করপোরেশনের পার্ক স্থাপনের কোনো পরিকল্পনা নেই। আর জমি ভরাট ও দখলের ব্যাপারে মেয়র কোনো কিছুই জানেন না।’

বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতি খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়কারী মাহফুজুর রহমান মুকুল। তিনি বলেন, ‘একজন জনপ্রতিনিধি রাজনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহার করে জলাশয় দখল করে নিলেন। আর জমির মালিক সরকারি প্রতিষ্ঠান পুলিশের আশ্রয় নিয়েও তা রক্ষা করতে পারলো না। এখানে আইন অন্ধ দৃষ্টির ভূমিকা রেখেছে।’

এ প্রসঙ্গে রেলওয়ের বিভাগীয় ভূমি সম্পত্তি কর্মকর্তা (পাকশী জোন) মো. নুরুজ্জামান বলেন, ‘যারা জলাশয়টি ভরাট করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমি ইতোমধ্যে স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তাকে জায়গাটির চারপাশে বেড়া দেয়ার নির্দেশ দিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
পূর্ব রেলের কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় অবশেষে মামলা
চাকরি স্থায়ী করতে প্রতারণার আশ্রয়, কপাল পুড়ল ৩৭ কর্মীর
পূর্ব রেলওয়ের কোটি টাকা আত্মসাৎ, কিনারা হয়নি ২৩ দিনেও
যাত্রীদের প্রত্যাশা পূরণে প্রস্তুত কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sadarghat launch tragedy 5 accused in jail after remand

সদরঘাট লঞ্চ ট্রাজেডি: রিমান্ড শেষে ৫ আসামি কারাগারে

সদরঘাট লঞ্চ ট্রাজেডি: রিমান্ড শেষে ৫ আসামি কারাগারে সদরঘাটে এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চটির ছিঁড়ে যাওয়া দড়ির আঘাতেই আশপাশে থাকা পাঁচজন প্রাণ হারান। ফাইল ছবি
সদরঘাট লঞ্চ দুর্ঘটনার পর গত বৃহস্পতিবার রাতে বিআইডব্লিউটিএ-এর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের যুগ্ম পরিচালক ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন।

রাজধানীর সদরঘাট টার্মিনালের পন্টুনে দুই লঞ্চের মধ্যে ধাক্কা লেগে রশি ছিড়ে পাঁচ যাত্রী নিহত হওয়ার ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচ আসামিকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

সোমবার ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফা চৌধুরী হিমেল এ আদেশ দেন।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আনোয়ারুল কবির বাবুল নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, পুলিশি রিমান্ড শেষে আসামিদের আদালতে পেশ করা হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে শুক্রবার সদরঘাট নৌ পুলিশের সদস্যরা আসামিদের আদালতে হাজির করেন। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের সাতদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা সদরঘাট নৌ থানার উপ-পরিদর্শক নকীব অয়জুল হক। আসামিদের পক্ষে তাদের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেক আসামিকে তিনদিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেয়।

কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন- এমভি ফারহান-৬ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাস্টার (চালক) ৫৪ বছর বয়সী আব্দুর রউফ হাওলাদার, দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার (চালক) ৫৪ বছর বয়সী সেলিম হাওলাদার, ৭০ বছর বয়সী ম্যানেজার ফারুক খান, এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাস্টার (চালক) ৪৮ বছর বয়সী মিজানুর রহমান এবং দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার (চালক) ২৮ বছর বয়সী মনিরুজ্জামান।

গত বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের যুগ্ম পরিচালক ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন।

মামলার এজহারে বলা হয়, বৃহস্পতিবার ২টা ৫৫ মিনিটে সদরঘাট টার্মিনালের ১১ নম্বর পন্টুনে এমভি তাসরিফ-৪ নোঙর করে থাকা অবস্থায় এমভি ফারহান-৬ এর চালক বেপরোয়া গতিতে লঞ্চ চালিয়ে ১১ নম্বর পন্টুনে ঢোকার সময় তাসরিফ লঞ্চকে ধাক্কা দেয়। এতে তাসরিফ লঞ্চের রশি ছিঁড়ে যায়। সেটি দ্রুত গতিতে এসে পন্টুনে অপেক্ষমান যাত্রীদের আঘাত করলে তারা নদীতে পড়ে যায়। এতে এক পরিবারের তিনজনসহ ৫ যাত্রীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ফারহান এবং তাসরিফ লঞ্চের দায়িত্ব অবহেলা আছে।

ওই ঘটনায় নিহত হন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার মাটিচোরা গ্রামের মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে ৩০ বছর বয়সী বিল্লাল, তার স্ত্রী ২৬ বছর বয়সী মুক্তা, তাদের ৩ বছরের মেয়ে সাইমা। তারা তিনজন একই পরিবারের সদস্য। বাকি দুজন হলেন- পটুয়াখালী সদরের জয়নাল আবেদিনের ছেলে ৩৮ বছর বয়সী রিপন হাওলাদার এবং ঠাকুরগাঁও সদরের নিশ্চিতপুর এলাকার আব্দুল্লাহ কাফীর ছেলে ১৯ বছর বয়সী রবিউল।

দুর্ঘটনার পর তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। বিআইডব্লিউটিএ-এর ক্রয় ও সংরক্ষণ পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম কমিটির আহ্বায়ক, নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. আজগর আলী এবং বন্দর শাখার যুগ্ম পরিচালক মো. কবীর হোসেন কমিটির সদস্য।

কমিটিকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ'র চেয়ারম্যানের নিকট প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হয়।

এ ছাড়াও বিআইডব্লিউটিএ-এর পক্ষ থেকে প্রত্যেক মৃত ব্যক্তির নমিনির নিকট দাফন-কাফন বাবদ ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সদরঘাট লঞ্চ ট্র্যাজেডি: তিন দিনের রিমান্ডে পাঁচ আসামি
সপরিবারে সদরঘাটে নিহত মুক্তা ছিলেন অন্তঃসত্ত্বা
সদরঘাটে ৫ প্রাণহানির ঘটনায় মামলা
সদরঘাটে দুর্ঘটনা: দুই লঞ্চের মাস্টার ম্যানেজারসহ পাঁচজন আটক
সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনা তদন্তে কমিটি, দুই লঞ্চের রুট পারমিট বাতিল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Allegation of assaulting a woman in a residence for 170 rupees

১৭০ টাকার জন্য বসতঘরে হামলা, নারীকে পেটানোর অভিযোগ

১৭০ টাকার জন্য বসতঘরে হামলা, নারীকে পেটানোর অভিযোগ নেত্রকোণার কলমাকান্দায় হামলার ঘটনায় এক নারীকে পিটিয়ে আহত করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রুপচাঁনের ছেলে উজ্জ্বল মিয়ার কাছে প্রতিবেশী রুবেল মিয়া ১৭০ টাকা পাওনাদার ছিলেন, কিন্তু রুবেল মিয়া উজ্জ্বল মিয়ার কাছে ২০০ টাকা দাবি করেন। পরে ওই টাকা পরিশোধের সময় তর্ক-বির্তকের একপর্যায়ে রুবেলসহ তার লোকজন উজ্জ্বল মিয়াকে মারধর করে।

নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলায় ১৭০ টাকার জন্য বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় এক নারীকে পিটিয়ে আহত করা হয়।

আহত তারাবানু (৪২) নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের উলুকান্দা গ্রামের মো. রুপচাঁনের স্ত্রী। তিনি কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন।

শনিবার রাতের এ ঘটনায় আহত তারাবানুর স্বামী রুপচাঁন বাদী হয়ে রোববার রুবেল মিয়া (৩৫), রাসেল মিয়া (৩২), ইদ্রিস মিয়া (৪৫), জাহাঙ্গীর (২৫), সাদ্দাম মিয়া (২৩), আকবর আলীসহ (৩৮) ১২ জনের নামে কলমাকান্দা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রুপচাঁনের ছেলে উজ্জ্বল মিয়ার কাছে প্রতিবেশী রুবেল মিয়া ১৭০ টাকা পাওনাদার ছিলেন, কিন্তু রুবেল মিয়া উজ্জ্বল মিয়ার কাছে ২০০ টাকা দাবি করেন। পরে ওই টাকা পরিশোধের সময় তর্ক-বির্তকের একপর্যায়ে রুবেলসহ তার লোকজন উজ্জ্বল মিয়াকে মারধর করে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্য বিরোধ চলছিল। শনিবার রাত ৮টার দিকে উজ্জ্বল মিয়ার বসতঘরে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাট করে রুবেল মিয়াসহ তার লোকজন। হামলার প্রতিবাদ করলে রুপচাঁনের স্ত্রী তারাবানুকে মারধর করা হয়।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) ইউসুফ আলী বলেন, ‘রুপচাঁনের বাড়িতে রুবেল মিয়ার লোকজন হামলা করেছে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। তাৎক্ষণিক আহত তারাবানুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক।’

কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জয়ত্রী দেবনাথ জানান, তারাবানুর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বর্তমানে তারাবানু হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রুবেল মিয়াকে পাওয়া যায়নি, তবে রুবেল মিয়ার মামা আকবর আলী জানান, ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও সাজানো।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা থানার ওসি মুহাম্মদ লুৎফুল হক জানান, রুপচাঁন বাদী হয়ে কলমাকান্দা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি তদন্ত করতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
দুর্বৃত্তের হামলায় পা বিচ্ছিন্ন হওয়া যুবকের মৃত্যু
বান্দরবানে কঠোর অবস্থানে যাবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মাদ্রাসা সুপার ও সভাপতির বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ
কিশোরগঞ্জে ভূমি অফিস সহায়ককে সাময়িক বরখাস্ত, তদন্তে কমিটি
নিউজবাংলায় সংবাদ: পত্নীতলার ভূমি কর্মকর্তাকে শোকজ

মন্তব্য

p
উপরে