× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Medical students protest in Barishal demanding safe halls
hear-news
player
print-icon

নিরাপদ হলের দাবিতে ব‌রিশা‌লে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের বি‌ক্ষোভ

নিরাপদ-হলের-দাবিতে-ব‌রিশা‌লে-মেডিক্যাল-শিক্ষার্থীদের-বি‌ক্ষোভ
অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভকারীরা। ছবি: নিউজবাংলা
এহসান উল্লাহ বলেন, ‘ছেলেদের তিনটি ছাত্রাবাসের মধ্যে হাবিবুর রহমান ছাত্রাবাসের অবস্থা খুবই খারাপ। গত রাতেও আমাদের এক সহপাঠীর রুমের পলেস্তারা খসে পড়ে, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পায় সে। আমাদের একটাই দাবি, আমরা নিরাপদ হল চাই।’

নিরাপদ হলের দাবিতে অধ্যক্ষের কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করছেন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার সকাল ৮টা থেকে অধ্যক্ষের কার্যালয় ও প্রশাস‌নিক ভবনে তালা দিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা।

বিক্ষোভকারীরা বলছেন, মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য তিনটি করে আলাদা ছয়টি হল রয়েছে; যার প্রতিটি হলের অবস্থাই জরাজীর্ণ। প্রায় প্রতিনিয়তই হলগুলোর ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে। এতে অনেক সময় অনেক শিক্ষার্থী আহত হচ্ছেন।

কর্তৃপক্ষ বলছেন, শিগগির তারা সংস্কারকাজ শুরু করবে।

হলের আবা‌সিক শিক্ষার্থী লিসা আক্তার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ছাত্রী হ‌লের অবস্থা খুবই খারাপ। প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয় আমাদের। এখন নিরাপদ হল আমা‌দের দাবি।’

শিক্ষার্থী এহসান উল্লাহ বলেন, ‘ছেলেদের তিনটি ছাত্রাবাসের মধ্যে হাবিবুর রহমান ছাত্রাবাসের অবস্থা খুবই খারাপ। গত রাতেও আমাদের এক সহপাঠীর রুমের পলেস্তারা খসে পড়ে, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পায় সে। আমাদের একটাই দাবি, আমরা নিরাপদ হল চাই।’

তাহসিন আহ‌ম্মেদ বলেন, ‘হাবিবুর রহমান ছাত্রাবাস কর্তৃপক্ষ পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে। দ্রুত এই ছাত্রদের পুনঃ আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।’

আবাসনসংকট নিরসনের দাবি জানিয়ে বলেন, ‘আমাদের অনেক প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে, কিন্তু হল নির্মাণ করা হয়নি। আবাসনসংকট নিরসনে নতুন হল নির্মাণে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাব।’

হুঁশিয়ারি দিয়ে চতুর্থ ব‌র্ষের শিক্ষার্থী সাগর ‌হো‌সেন ব‌লেন, ‘সাত দি‌নের ম‌ধ্যে হল নির্মাণের দৃশ্যমান কাজ দেখ‌তে চাই। এ ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ হ‌লের ছাত্র-ছাত্রী‌দের নিরাপদ স্থা‌নে রাখার দাবি জানাই। তা না হ‌লে অ‌নি‌র্দিষ্টকা‌লের জন্য অ্যাকা‌ডে‌মিক কার্যক্রম বন্ধ থাক‌বে।’

মেডিক্যাল ক‌লেজের অধ্যক্ষ ম‌নিরুজ্জামান শাহীন নিউজবাংলাকে ব‌লেন, ‘স‌চিব ম‌হোদয় কিছুক্ষণ আ‌গে ফোন ক‌রে হো‌স্টেল সংস্কা‌রের কথা ব‌লে‌ছেন। আমরা অ‌তি দ্রুত কাজ শুরু কর‌ব। এ ছাড়া ক‌লে‌জে দুটি হো‌স্টেল নির্মাণকাজ শিগগির শুরু হ‌বে।’

আরও পড়ুন:
চবিতে শাটল ট্রেনের চালককে ‘অপহরণ’
ভোলার ঘটনায় গায়েবানা জানাজা, বিক্ষোভ করবে বিএনপি
দাবি আদায়ে সড়ক অব‌রোধ
ফোনালাপ ফাঁস: এমপি পঙ্কজের বিরুদ্ধে মিছিল-সমাবেশ
এবার এমপির অনুসারীদের সড়ক অবরোধে ভোগান্তি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Concerned about setting up universities without preparation UGC is making policies

প্রস্তুতি ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন নিয়ে উদ্বিগ্ন ইউজিসি করছে নীতিমালা

প্রস্তুতি ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন নিয়ে উদ্বিগ্ন ইউজিসি করছে নীতিমালা নীতিমালা তৈরি করতে ইউজিসির কমিটির ভার্চুয়াল সভা হয় সোমবার। ছবি: সংগৃহীত
নীতিমালা প্রণয়ন কমিটির সভায় ইউজিসি সদস্য মে. আলমগীর বলেন, ‘অবকাঠামো ও কারিকুলাম চূড়ান্ত না করে নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরাও উচ্চশিক্ষার পরিবেশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ বিষয়টি সমাধানের জন্য নীতিমালা করা অত্যন্ত জরুরি।’

অবকাঠামো ও শিক্ষাক্রম চূড়ান্ত না করেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কারণে উচ্চশিক্ষার মান নিয়ে যে প্রশ্ন উঠছে, তার সুরাহা চাইছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন-ইউজিসি। তারা একটি নীতিমালা করে দিতে চাইছে, যেখানে নতুন কোনো বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করতে হলে এর অবকাঠামোকে কী থাকতে হবে, শিক্ষাক্রমে কী কী অন্তর্ভুক্ত হবে, তা সুনির্দিষ্ট করে দেয়া হবে।

পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়াই একের পর বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন নিয়ে ওঠা প্রশ্নের মধ্যে সম্প্রতি ইউজিসি সদস্য মুহাম্মদ আলমগীরকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদ্যস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। নীতিমালা তৈরি করতে এই কমিটির প্রথম সভা হয় সোমবার।

এক বিজ্ঞপ্তিতে নীতিমালা করার কারণ ব্যাখ্যা করে ইউজিসি বলছে, ‘অধিকাংশ নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হওয়ার পর কোনো ধরনের প্রস্তুতি ছাড়াই শিক্ষা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

‘এ ছাড়া ভাড়াকৃত ভবনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা কার্যক্রমেও ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। শিক্ষার মান ঠিক রাখা যাচ্ছে না।’

এ জন্য নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হওয়ার পর অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম শুরু করার বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা জরুরি বলে মনে করছে সংস্থাটি।

নীতিমালা প্রণয়ন কমিটির সভায় ইউজিসি সদস্য মো. আলমগীর বলেন, ‘অবকাঠামো ও কারিকুলাম চূড়ান্ত না করে নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরাও উচ্চশিক্ষার পরিবেশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ বিষয়টি সমাধানের জন্য নীতিমালা করা অত্যন্ত জরুরি।’

তিনি আরও বলেন, ‘নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা কার্যক্রম কীভাবে শুরু করবে, সে বিষয়ে একটি নীতিমালা করা হলে দেশে গুণগত উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত হবে এবং মানসম্পন্ন গ্র্যাজুয়েট তৈরি হবে।’

সভায় কমিটির সদস্যরা জানান, নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের সংকট রয়েছে এবং জুনিয়র শিক্ষকদের দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক মাস্টারপ্ল্যান তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুন:
পাঠ্যক্রমে নৈতিক শিক্ষার যোগ চায় ইউজিসি
উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সেবার তালিকা দৃশ্যমান করার নির্দেশ
এপিএতে সই শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউজিসির
প্রতিবন্ধীদের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিতে নীতিমালা করছে ইউজিসি
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় সহায়তা করতে চায় এলসেভিয়ার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Committee of Eden Chhatra League suspended expulsion 16

ইডেন ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত, বহিষ্কার ১৬

ইডেন ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত, বহিষ্কার ১৬ ইডেন মহিলা কলেজে রোববার সন্ধ্যায় সৃষ্ট সংঘর্ষে আহত ছাত্রলীগ সভাপতি রিভাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
স্থায়ী বহিষ্কার হওয়াদের মধ্যে ১০ জন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি, একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক আর চারজন কর্মী। তারা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে বিভিন্ন অভিযোগ করে কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন।

দুই পক্ষের হামলা-পাল্টাহামলার ঘটনায় রাজধানীর ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে ১৬ জনকে।

রোববার মধ্যরাতে ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্থায়ী বহিষ্কার হওয়াদের মধ্যে ১০ জন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি, একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক আর চারজন কর্মী।

তারা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে বিভিন্ন অভিযোগ করে কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যকলাপে জড়িত থাকার অপরাধে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। আর এটির প্রাথমিক প্রমাণও পাওয়া গেছে।

কমিটি স্থগিতের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ইডেন মহিলা কলেজ শাখার সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা হলো।

এতে আরও বলা হয়, অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে এই বিশৃঙ্খলার সঙ্গে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের যারা জড়িত রয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থায়ী বহিষ্কার হওয়া ছাত্রীরা হলেন ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি সোনালি আক্তার, সুস্মিতা বাড়ৈ, জেবুন্নাহার শিলা, কল্পনা বেগম, জান্নাতুল ফেরদৌস, আফরোজা রশ্মি, মারজানা ঊর্মি, সানজিদা পারভীন চৌধুরী, এস এম মিলি ও সাদিয়া জাহান সাথী। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা খানম বিন্তি, সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখি এবং কর্মী রাফিয়া নীলা, নোশিন শার্মিলী, জান্নাতুল লিমা ও সূচনা আক্তার।

কীসের ভিত্তিতে বহিষ্কার করা হলো- এমন প্রশ্নে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা একটা তদন্ত কমিটি করেছিলাম, তারা তাতে আস্থা রাখতে পারছে না। তাই আমরা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ একটি বডি মিলে এই ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত করেছি। আমরা ভিডিও ফুটেজ দেখে হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

এ ঘটনায় আরও তদন্ত চলবে বলে জানান লেখক ভট্টাচার্য।

রোববার ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের নেত্রীরা অভিযোগ করেন কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাদের ফোন ধরেন না, যার ফলে তারা কোনো অভিযোগ জানাতে পারেন না।

এ বিষয়ে লেখক ভট্টাচার্য বলেন, ‘তারা আমাদের কোনো ফোনই দেয়নি। সব কিছু নিয়ে মিথ্যাচার করছে। তারা যে সিট বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির কথা বলছে, এটার কোনো প্রমাণ তো দিতে পারছে না তারা। কমিটি দেওয়ার পর থেকেই একটি অংশ বারবার কমিটিকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল।’

শনিবার রাতে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের এক সহসভাপতিকে মারধর করেন কলেজ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা। এর প্রতিবাদে রাতেই বিক্ষোভ করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

রোববার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে ওই ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের ৪৩ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির ২৫ জন। সন্ধ্যায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ। বাকিরা এর প্রতিবাদ জানালে দুই পক্ষে আবারও সংঘর্ষ হয়।

আরও পড়ুন:
ইডেনের সংঘর্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে আ. লীগ
ইডেনের ক্যাম্পাসছাড়া রিভা-রাজিয়া
ছাত্র পেটানো তিলোত্তমার নেতৃত্বে কমিটি মানেন না ইডেনের কর্মীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
DU Vice Chancellor broke Hasnats fast with canned water

ডাবের পানি দিয়ে হাসনাতের অনশন ভাঙালেন ঢাবি উপাচার্য

ডাবের পানি দিয়ে হাসনাতের অনশন ভাঙালেন ঢাবি উপাচার্য ডাবের পানি পান করিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহর অনশন ভাঙালেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। ছবি: নিউজবাংলা
প্রশাসনিক ভবনে হয়রানি বন্ধসহ আট দাবি নিয়ে গত রোববার থেকে অবস্থান কর্মসূচি পালনের পর মঙ্গলবার দুপুরে অনশনে বসেন হাসনাত। মধ্যরাত থেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রশাসনিক ভবনের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর অনশন ভাঙিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

বুধবার দুপুর ২টার দিকে ঘটনাস্থলে এসে ডাবের পানি পান করিয়ে এই শিক্ষার্থীর অনশন ভাঙান তিনি। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানীসহ কয়েকজন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

প্রশাসনিক ভবনে হয়রানি বন্ধসহ আট দাবি নিয়ে গত রোববার থেকে অবস্থান কর্মসূচি পালনের পর মঙ্গলবার দুপুরে অনশনে বসেন হাসনাত। মধ্যরাত থেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।

হাসনাতের অনশন ভাঙিয়ে উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘এখন থেকে কোনো শিক্ষার্থীকে কোনো কাজে রেজিস্ট্রার বিল্ডিংয়ে আসতে হবে না। তাদের সেবা তাদের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে।

‘তাদের সব কাজ হল এবং বিভাগীয় অফিসে সম্পাদন করতে পারবে। সেখানে যদি কেউ অসহযোগী আচরণরর শিকার হয় তাহলে সেখানে অভিযোগ সেল আছে। সেখানে তারা জমা দিতে পারবে।’

উপাচার্য বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা কেন তাদের কাজের জন্য বিভিন্ন অফিসে অফিসে ধরনা দেবে? যেগুলো নিয়মিত কাজ সেগুলো তারা তাদের হল অফিস এবং বিভাগীয় অফিস থেকে পাবে। তবে শিক্ষার্থীদের ভুলের কারণে কোনো কাজ সৃষ্টি হলে সেজন্য তাদের আসতে হবে। এছাড়া তাদের আসতে হবে না। এজন্য আমরা কয়েকজন কর্মচার যুক্ত করেছি।’

তবে এই কাজটি কীভাবে হবে সেটির কোনো রূপরেখা উপাচার্য বলেনননি।

শিক্ষার্থীরা হাত তালি দিয়ে উপাচার্যের বক্তব্যকে স্বাগত জানান। পরে হাসনাতকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারের অ্যাম্বুলেন্স করে হাসাপাতালে পাঠানো হয়।

ডাবের পানি দিয়ে হাসনাতের অনশন ভাঙালেন ঢাবি উপাচার্য

হাসনাতের আন্দোলন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে হয়রানি বন্ধে ৮ দফা দাবি নিয়ে গত রোববার ওই ভবনের সামনে অবস্থান শুরু করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র হাসনাত আবদুল্লাহ।

এসব দাবির পক্ষে হাসনাত ছয় শতাধিক শিক্ষার্থীর গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করেন। এ ছাড়া তিনি সেখানে একটি অভিযোগ বক্স স্থাপন করেন। যাদের রেজিস্ট্রার বিল্ডিং নিয়ে অভিযোগ আছে তারা সেখানে অভিযোগ লিখে জমা দেন।

হাসনাত রোববার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন। তবে মঙ্গলবার দুপুরে উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস না পেয়ে আমরণ অনশনের ঘোষণা দেন।

এদিন বেলা আড়াইটার দিকে আমরণ অনশনে বসে হাসনাত। পরে মধ্যরাতে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল টিম প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা তার সঙ্গে দেখা করে হাসপাতালে নিতে চাইলে তিনি যাননি।

এক পর্যায়ে হাসনাতের সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দেন অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী। প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন ও উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন তারা।

পরে কার্যালয় থেকে গিয়ে শিক্ষার্থী হাসনাতের অনশন ভাঙান উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

হাসনাতের দাবি

আট দাবি হলো:

১. শিক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধ এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের জবাবদিহি নিশ্চিতে শিক্ষক ও ছাত্র প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে অভিযোগ সেল গঠন।

২. প্রশাসনিক সব কার্যক্রম অনতিবিলম্বে ডিজিটালাইজ করা।

৩. নিরাপত্তা এবং হারিয়ে যাওয়া কাগজপত্র তদন্তের স্বার্থে প্রতিকক্ষে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন।

৪. প্রশাসনিক ভবনে অফিসগুলোর প্রবেশদ্বারে ডিজিটাল ডিসপ্লে স্থাপন।

৫. কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যকর ও সুন্দর কর্মপরিবেশ নিশ্চিত এবং প্রশাসনিক ভবনের ক্যান্টিনের সংস্কার।

৬. কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আধুনিক সাচিবিক বিদ্যা, পেশাদারি, মানসিক ও আচরণগত প্রশিক্ষণ আইন করে বাধ্যতামূলক করা।

৭. অফিস চলাকালীন প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত, ব্যাবসায়িক কিংবা রাজনৈতিক কোনো কাজেই লিপ্ত না থাকা।

৮. কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্বাচনকালীন প্রচার পরিবেশবান্ধব করা।

আরও পড়ুন:
অনশনে অসুস্থ হাসনাত, আন্দোলনের সঙ্গী শিক্ষার্থীরাও
ঘুম থেকেই চিরনিদ্রায় ঢাবি শিক্ষার্থী
ঢাবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে আমরণ অনশনে হাসনাত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hasnat movement sick students are also on hunger strike

অনশনে অসুস্থ হাসনাত, আন্দোলনের সঙ্গী শিক্ষার্থীরাও

অনশনে অসুস্থ হাসনাত, আন্দোলনের সঙ্গী শিক্ষার্থীরাও অনশনে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ঢাবি শিক্ষার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। ছবি: নিউজবাংলা
মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অনশন শুরু করেন তিনি। এর মধ্যে মধ্যরাত থেকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত কয়েকবার জ্ঞান হারিয়েছেন এই শিক্ষার্থী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রশাসনিক ভবনে হয়রানি বন্ধের জন্য আট দাবি নিয়ে অনশনে বসা শিক্ষার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অনশন শুরু করেন তিনি। এর মধ্যে মধ্যরাত থেকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত কয়েকবার জ্ঞান হারিয়েছেন এই শিক্ষার্থী।

হাসনাতের আন্দোলনে সঙ্গী হয়েছেন অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী। প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার অনশন ভাঙানো ও তাকে হাসপাতালে নেয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। হাসনাত বলেছেন, দাবি না পূরণ হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাবেন।

মঙ্গলবার মধ্যরাতে ঘটনাস্থলে আসেন বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল হাসপাতালের একজন চিকিৎসক। পরে সকালে আসেন বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত প্রধান মেডিক্যাল অফিসার ড. হাফেজা জামানও।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. মোহাম্মদ আব্দুল মুহিতের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন সহকারী প্রক্টর ঘটনাস্থলে এসে হাসনাতকে অনশন ভাঙানোর চেষ্টা করলে তিনি অনশন ভাঙবেন না বলে জানান।

হাসনাতের দাবি, তার দাবির বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান কোনো লিখিত স্টেটমেন্ট না দেয়া পর্যন্ত এবং তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ হিসেবে ছাত্র-শিক্ষকের সমন্বয়ে অভিযোগ সেল গঠন না করা পর্যন্ত তিনি অনশন ভাঙবেন না।

হাসনাতের অনশনের ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী রিফাত রশীদ বলেন, ‘মঙ্গলবার রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে হাসনাত ভাইয়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। কিন্তু তবুও উনি নিজ অবস্থান থেকে সরে যাননি।

‘অ্যাম্বুলেন্স এলেও উনি হসপিটালে যাবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বাধ্য হয়ে শেষমেশ আমাদের ডাক্তার ডেকে আনতে হয়।’

এরপর সকালে আসা সহকারী প্রক্টররা অনশন ভাঙাতে এলে হাসনাত আবদুল্লাহ তিনি তার দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অনশন ভাঙবেন না বলে জানান।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘ডিজিএফআই থেকে আমার বাবা-মাকে হুমকি দেওয়ানো হচ্ছে। তারা বলছে, আমি নাকি হিজবুত তাহরীর সঙ্গে সম্পৃক্ত।’

এ সময় সহকারী প্রক্টররা তাকে ফের অনশন ভাঙানোর চেষ্টা করলে এই অনুরোধে সায় না দিলে শিক্ষকরা চলে যান।

হাসনাতের আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা

হাসনাতের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে বুধবার সকালে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন বিভিন্ন বিভাগের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী।

মানববন্ধন শেষে তারা উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে এলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম কার্যালয়ের দরজা বন্ধ করে দেয়। এরপর তারা কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়া শুরু করেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘শিক্ষার্থী যখন অনশনে ভিসি কেন এসি রুমে’, ‘ছাত্র যখন অনশনে ভিসি কেন লাঞ্চ করে’, ‘লাল ফিতার দৌরাত্ম্য বন্ধ করো, করতে হবে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন। পরে সহকারী প্রক্টর ড. মো. আব্দুল মুহিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কথা বলতে আসেন। তিনি শিক্ষার্থীদের শান্ত হতে বলেন এবং মাইক বন্ধ করতে বলেন।

তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শিক্ষার্থীদের সামনে এসে এসব দাবি কীভাবে বাস্তবায়ন করবেন সেটির রূপরেখা না বললে শিক্ষার্থীরা তাদের অবস্থান থেকে যাবেন না। পরে সহকারী প্রক্টর শিক্ষার্থীদের এই দাবি উপাচার্যকে জানাবেন বলে ভেতরে চলে যান।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকেও শিক্ষার্থীরা কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। অন্যদিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনেই অনশন করছেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

ছাত্রলীগের অবস্থান

হাসনাতের অনশনের ব্যাপারে অবস্থান জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন সুস্পষ্ট কোনো উত্তর দেননি।

তিনি বলেন, রেজিস্ট্রার বিল্ডিংকে অটোমেশনের আওতায় নিয়ে আসা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীরা ভোগান্তির শিকার হয়। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এ ব্যাপারে সব সময় সচেষ্ট থাকবে।

হাসনাতের আন্দোলন ও ৮ দাবি

মঙ্গলবার সকালে তৃতীয় দিনের মতো প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন হাসনাত। এদিন উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করে দাবি পূরণের আশ্বাস না পাওয়ায় তিনি আমরণ অনশনের ঘোষণা দেন।

হাসনাত আবদুল্লাহর আট দাবি হলো:

১. শিক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধ এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের জবাবদিহি নিশ্চিতে শিক্ষক ও ছাত্র প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে অভিযোগ সেল গঠন।

২. প্রশাসনিক সব কার্যক্রম অনতিবিলম্বে ডিজিটালাইজ করা।

৩. নিরাপত্তা এবং হারিয়ে যাওয়া কাগজপত্র তদন্তের স্বার্থে প্রতিকক্ষে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন।

৪. প্রশাসনিক ভবনে অফিসগুলোর প্রবেশদ্বারে ডিজিটাল ডিসপ্লে স্থাপন।

৫. কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যকর ও সুন্দর কর্মপরিবেশ নিশ্চিত এবং প্রশাসনিক ভবনের ক্যান্টিনের সংস্কার।

৬. কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আধুনিক সাচিবিক বিদ্যা, পেশাদারি, মানসিক ও আচরণগত প্রশিক্ষণ আইন করে বাধ্যতামূলক করা।

৭. অফিস চলাকালীন প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত, ব্যাবসায়িক কিংবা রাজনৈতিক কোনো কাজেই লিপ্ত না থাকা।

৮. কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্বাচনকালীন প্রচার পরিবেশবান্ধব করা।

এসব দাবির পক্ষে হাসনাত ছয় শতাধিক শিক্ষার্থীর গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করেছেন। এ ছাড়া তিনি সেখানে একটি অভিযোগ বক্স স্থাপন করেছেন। যাদের রেজিস্ট্রার বিল্ডিং নিয়ে অভিযোগ আছে তারা সেখানে অভিযোগ লিখে জমা দিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
ঢাবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে আমরণ অনশনে হাসনাত
তৃতীয় দিনের মতো ঢাবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে হাসনাত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
DU student in eternal sleep

ঘুম থেকেই চিরনিদ্রায় ঢাবি শিক্ষার্থী

ঘুম থেকেই চিরনিদ্রায় ঢাবি শিক্ষার্থী অমিত সরকার
হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল শাহ অমিতের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘জলজ্যান্ত একটা ছাত্র। রাতের বেলা ঘুমিয়েছে। সকালে যখন বন্ধুরা ডাকে তখন আর রেসপন্স করে না। এরপর ডাক্তার এসে দেখে সে মারা গেছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জগন্নাথ হলে ঘুমের মধ্যেই মারা গেছেন এক শিক্ষার্থী।

মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মারা যাওয়া অমিত সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউটের ২০১৩-১৪ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন।

তিনি থাকতেন জগন্নাথ হলের সন্তোষচন্দ্র ভবনের ৪০১১ নম্বর কক্ষে। তার গ্রামের বাড়ি যশোর।

হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল শাহ অমিতের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘জলজ্যান্ত একটা ছাত্র। রাতের বেলা ঘুমিয়েছে। সকালে যখন বন্ধুরা ডাকে তখন আর রেসপন্স করে না। এরপর ডাক্তার এসে দেখে সে মারা গেছে। আমরা এখন ঢাকা মেডিক্যালে আছি।’

মিহির লাল বলেন, ‘তাদের বাড়ি যশোর। তার পরিবারকে আমরা জানিয়েছি। তবে এখনো কেউ আসেনি। তার বোনের হাসবেন্ড আসছে।’

অমিতের রুমমেট সজিব মিত্র বলেন, ‘অমিত রাতে অনেক দেরি করে ঘুমাতেন এবং দেরি করে ঘুম থেকে উঠতেন। গত রাতেও দেড়টা পর্যন্ত মোবাইলে ছিলেন তিনি।

‘সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অমিতকে ডাকতে গেলে তার শরীর ঠাণ্ডা অনুভূত হয়। এরপর তাকে অনেক ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। মেডিক্যালে নেয়া হলে চিকিৎসক অমিতকে মৃত ঘোষণা করেন।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি শাহাবাগ থানা জানে।’

আরও পড়ুন:
ঢাবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে আমরণ অনশনে হাসনাত
তৃতীয় দিনের মতো ঢাবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে হাসনাত
ঢাবির রেজিস্ট্রার বিল্ডিংয়ে হয়রানি বন্ধে ফের অবস্থান হাসনাতের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hasnat on hunger strike in front of DU administration building

ঢাবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে আমরণ অনশনে হাসনাত

ঢাবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে আমরণ অনশনে হাসনাত আমরণ অনশনে হাসনাত আবদুল্লাহ। ছবি: নিউজবাংলা
উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘স্যার আমাদের যৌক্তিক আট দফা দাবি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে কোনো কথাই বলেননি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রশাসনিক ভবনে হয়রানি বন্ধে আট দাবি নিয়ে অবস্থান কর্মসূচির পর এবার আমরণ অনশনের ঘোষণা দিয়েছেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

মঙ্গলবার দুপুর দেড়টা থেকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী হাসনাতের এই কর্মসূচি শুরু হয়।

এর আগে বেলা পৌনে ১২টায় আট দাবি, গণস্বাক্ষরের কাগজ, জরিপ এবং নানা অভিযোগ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো আখতারুজ্জামানের সঙ্গে দেখা করেন এই শিক্ষার্থী। পরে নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দেন তিনি।

উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘স্যার আমাদের যৌক্তিক আট দফা দাবি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে কোনো কথাই বলেননি।’

তিনি বলেন, ‘ভিসি স্যার আমার সাথে অসহযোগিতা মূলক আচরণ করেছেন। আমি স্যারের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, স্যার আমি বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা সাংবাদিক ও চিক্ষার্থীদের কি বলবো?

‘উনি বলেছেন- আমি নাকি মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছি। বলেছেন, আমরা যা ইচ্ছে তা করতে। স্যারের এই অসহযোগিতামূলক আচরণের প্রতিবাদে ও আট দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমরণ অনশন ঘোষণা করছি।’

এদিন সকালে তৃতীয় দিনের মতো প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন হাসনাত। রোববার সকাল ১০টা থেকে এ অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন তিনি। তার কর্মসূচি চলছিল প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত।

হাসনাত আবদুল্লাহর আট দাবি হলো-

১. শিক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধ এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের জবাবদিহি নিশ্চিতে শিক্ষক ও ছাত্র প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে অভিযোগ সেল গঠন।

২. প্রশাসনিক সব কার্যক্রম অনতিবিলম্বে ডিজিটালাইজ করা।

৩. নিরাপত্তা এবং হারিয়ে যাওয়া কাগজপত্র তদন্তের স্বার্থে প্রতিকক্ষে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন।

৪. প্রশাসনিক ভবনে অফিসগুলোর প্রবেশদ্বারে ডিজিটাল ডিসপ্লে স্থাপন।

৫. কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যকর ও সুন্দর কর্মপরিবেশ নিশ্চিত এবং প্রশাসনিক ভবনের ক্যান্টিনের সংস্কার।

৬. কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আধুনিক সাচিবিক বিদ্যা, পেশাদারত্ব, মানসিক ও আচরণগত প্রশিক্ষণ আইন করে বাধ্যতামূলক করা।

৭. অফিস চলাকালীন প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত, ব্যাবসায়িক কিংবা রাজনৈতিক কোনো কাজেই লিপ্ত না থাকা।

৮. কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্বাচনকালীন প্রচার পরিবেশবান্ধব করা।

এসব দাবির পক্ষে হাসনাত ছয় শতাধিক শিক্ষার্থীর গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করেছেন। এ ছাড়া তিনি সেখানে একটি অভিযোগ বক্স স্থাপন করেছেন। যাদের রেজিস্ট্রার বিল্ডিং নিয়ে অভিযোগ আছে তারা সেখানে অভিযোগ লিখে জমা দিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
তৃতীয় দিনের মতো ঢাবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে হাসনাত
ঢাবির রেজিস্ট্রার বিল্ডিংয়ে হয়রানি বন্ধে ফের অবস্থান হাসনাতের
কমিটির জন্য জীবনবৃত্তান্ত নিল ঢাবির বিজয় একাত্তর হল ছাত্রলীগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hasnat in front of DUs administrative building for the third day

তৃতীয় দিনের মতো ঢাবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে হাসনাত

তৃতীয় দিনের মতো ঢাবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে হাসনাত দাবি আদায়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন হাসনাত আবদুল্লাহ। ছবি: নিউজবাংলা
রোববার সকাল ১০টা থেকে এ অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন তিনি। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করেন ঢাবির এই শিক্ষার্থী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রশাসনিক ভবনে হয়রানি বন্ধের জন্য দেয়া আট দাবি পূরণের আশ্বাস না পাওয়ায় তৃতীয় দিনের মতো প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

রোববার সকাল ১০টা থেকে এ অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন তিনি। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করেন ঢাবির এই শিক্ষার্থী।

দাবি পূরণে আশ্বাস না আসা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়া হাসনাত আবদুল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী।

হাসনাত আবদুল্লাহর আট দাবি হলো-

১. শিক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধ এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের জবাবদিহি নিশ্চিতে শিক্ষক ও ছাত্র প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে অভিযোগ সেল গঠন।

২. প্রশাসনিক সব কার্যক্রম অনতিবিলম্বে ডিজিটালাইজ করা।

৩. নিরাপত্তা এবং হারিয়ে যাওয়া কাগজপত্র তদন্তের স্বার্থে প্রতিকক্ষে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন।

৪. প্রশাসনিক ভবনে অফিসগুলোর প্রবেশদ্বারে ডিজিটাল ডিসপ্লে স্থাপন।

৫. কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যকর ও সুন্দর কর্মপরিবেশ নিশ্চিত এবং প্রশাসনিক ভবনের ক্যান্টিনের সংস্কার।

৬. কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আধুনিক সাচিবিক বিদ্যা, পেশাদারত্ব, মানসিক ও আচরণগত প্রশিক্ষণ আইন করে বাধ্যতামূলক করা।

৭. অফিস চলাকালীন প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত, ব্যাবসায়িক কিংবা রাজনৈতিক কোনো কাজেই লিপ্ত না থাকা।

৮. কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্বাচনকালীন প্রচার পরিবেশবান্ধব করা।

এসব দাবির পক্ষে হাসনাত রোববার অবস্থাকালীন গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করেছেন। এ ছাড়া তিনি সেখানে একটি অভিযোগ বক্স স্থাপন করেছেন। যাদের রেজিস্ট্রার বিল্ডিং নিয়ে অভিযোগ আছে তারা সেখানে অভিযোগ লিখে জমা দিয়েছেন।

হাসনাত বলেন, 'এই কর্মসূচিতে আমি ছয় শতাধিক শিক্ষার্থীর স্বাক্ষর পেয়েছি। গণস্বাক্ষরের কাগজ, আগে পরিচালিত জরিপ এবং সবার অভিযোগ নিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান স্যারের সঙ্গে দেখা করতে যাব।'

তিনি বলেন, 'স্যার যদি আমাদের যৌক্তিক আট দফা দাবি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ না করেন, তাহলে আরো কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।'

আরও পড়ুন:
ঢাবির রেজিস্ট্রার বিল্ডিংয়ে হয়রানি বন্ধে ফের অবস্থান হাসনাতের
কমিটির জন্য জীবনবৃত্তান্ত নিল ঢাবির বিজয় একাত্তর হল ছাত্রলীগ
ঢাবি হলে ছাত্র তোলা নিয়ে ছাত্রলীগে হাতাহাতি

মন্তব্য

p
উপরে