× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The first wifes son was killed in a land dispute
hear-news
player
google_news print-icon

জমির বিরোধে প্রথম স্ত্রীর ছেলেকে খুন

জমির-বিরোধে-প্রথম-স্ত্রীর-ছেলেকে-খুন
অভিযুক্ত আব্দুল কুদ্দুসের প্রথম স্ত্রীর ছেলে ছিলেন জাহাঙ্গীর।
সম্প্রতি দ্বিতীয় স্ত্রীর নামে কিছু জমি লিখে দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুদ্দুসের পরিবারে কলহ বাঁধে। এরই সূত্র ধরে মঙ্গলবার সকালে পাট ক্ষেতে বাবা আব্দুল কুদ্দুস ও ছেলে জাহাঙ্গীর আলমের মধ্যে ঝগড়া বাঁধে।

রাজশাহীর চারঘাটে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বাবার হাঁসুয়ার কোপে মারা গেছেন ছেলে। নিহত জাহাঙ্গীর আলম চারঘাট উপজেলার সদর ইউনিয়নের ঝিকড়াপাড়া গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঝিকড়াপাড়া গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। পরে বাবা কুদ্দুসকে আটক করেছে পুলিশ।

চারঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল লতিফ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, অভিযুক্ত আব্দুল কুদ্দুসের দুই স্ত্রী। নিহত জাহাঙ্গীর আলম তার প্রথম স্ত্রীর ছেলে। আর দ্বিতীয় স্ত্রীর ঘরে এক কন্যা সন্তান আছে কুদ্দুসের।

সম্প্রতি দ্বিতীয় স্ত্রীর নামে কিছু জমি লিখে দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুদ্দুসের পরিবারে কলহ বাঁধে। এরই সূত্র ধরে মঙ্গলবার সকালে পাট ক্ষেতে বাবা আব্দুল কুদ্দুস ও তার প্রথম স্ত্রীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলমের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে পাট কাটার হাঁসুয়া দিয়ে ছেলের ঘাড়ে আঘাত করে পালিয়ে যান কুদ্দুস।

এ সময় জাহাঙ্গীরকে অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয়রা চারঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেন। তবে রাজশাহী নেয়ার পথেই মারা যান জাহাঙ্গীর।

খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করে থানা পুলিশ। আর পালিয়ে যাওয়ার সময় আব্দুল কুদ্দুসকেও আটক করা হয়। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন:
স্ত্রীদের ঝগড়ায় ২ ভাইয়ের মারামারিতে বাবা নিহত
‘বাবা নিয়ে কিছু বলতে পারি না, আবেগাপ্লুত হয়ে যাই’
বাবা দিবসে জেমসের স্মৃতিচারণা
বাবারা নিঃসঙ্গ হয়ে যান যে কারণে
ছেলেকে নিয়ে চালক বাবার স্বপ্ন-সাধ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Hilsa fishing has been stopped in Padma Meghna from today

পদ্মা-মেঘনায় আজ থেকে ইলিশ ধরা বন্ধ

পদ্মা-মেঘনায় আজ থেকে ইলিশ ধরা বন্ধ ইলিশ শিকার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শাখা নদীতে জাল ও নৌকা ভিড়িয়ে রেখেছে জেলেরা। ছবি: নিউজবাংলা
চাঁদপুরে পদ্মা ও মেঘনা নদীর ৭০ কিলোমিটার এলাকাকে ইলিশের অভয়াশ্রম ঘোষণা করে বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ২২ দিন এখানে ইলিশ শিকার বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। এ সময়কালে মাছ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও পরিবহন বন্ধ থাকবে।

চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে ইলিশ শিকার বন্ধ হয়ে গেছে। পদ্মা-মেঘনার ৭০ কিলোমিটার জুড়ে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ২২ দিন ইলিশ শিকার বন্ধ থাকবে। এ সময়কালে মাছ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও পরিবহন বন্ধ থাকবে।

মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার জন্য চাঁদপুর জেলার ৪৪ হাজার ৩৫ জন জেলেকে খাদ্য সহায়তা হিসেবে ২০ কেজি চাল দেয়া হবে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী পর্যন্ত পদ্মা ও মেঘনা নদীর প্রায় ৭০ কিলোমিটার জুড়ে ইলিশ শিকার বন্ধ থাকবে। এই সময়ে নদীতে জেলা প্রশাসন, জেলা মৎস্য বিভাগ, কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ পৃথকভাবে অভিযান পরিচালনা করবে।

চাঁদপুর নৌ থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান জানান, ইলিশ প্রজনন রক্ষায় ২২ দিনের এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে তৎপর নৌ পুলিশ। আমাদের থানা পুলিশ ছাড়াও এ বছর অভয়াশ্রম এলাকায় নৌ পুলিশের সদস্যরা নদীতে টহলে দেবেন।’

চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদী হাসান জানান, ইলিশ প্রজনন রক্ষায় সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে জেলা টাস্কফোর্সের সভা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ নদীতে ইলিশ শিকার করলে এক থেকে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ইলিশ গবেষক ড. আনিসুর রহমান বলেন, ‘ইলিশ সাগরের মাছ হলেও ডিম ছাড়ার সময়ে উপকূলীয় মোহনার নদ-নদী ও পদ্মা-মেঘনায় চলে আসে।

‘অক্টোবর মাসের আশ্বিন কিংবা অমাবস্যার সময়টাকে ইলিশ প্রজননের জন্য বেছে নিয়ে থাকে। ২২ দিনের এই নিষেধাজ্ঞার সময়ে মা ইলিশ নিরাপদভাবে ডিম ছেড়ে যেতে পারলে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ উৎপাদন বজায় থাকবে। তাতে করে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে ৬ লাখ টন।’

আরও পড়ুন:
মধ্যরাত থেকে ২২ দিন নদীতে মাছ ধরা বন্ধ
নিষেধাজ্ঞায় ইলিশ বিক্রির শেষ দিনে বাজারে উপচে পড়া ভিড়
মা ইলিশ পাহারা দেবে দেড় হাজার পুলিশ
ইলিশের রাজ্যে ক্রেতাদের মনে হাহাকার
ইলিশের দাম কমেছে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP meeting in Kondale

কোন্দলে বিএনপির সভা পণ্ড

কোন্দলে বিএনপির সভা পণ্ড নালিতাবাড়ীতে অন্তকোন্দলে বিএনপির পরিচিতি সভা পণ্ড করে দিয়েছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
নালিতাবাড়ী থানার ওসি এমদাদুল হক বলেন, ‘বিএনপির দুই গ্রুপ একই স্থানে সভা ডাকায় গন্ডগোলের শঙ্কা দেখা দেয়। একারণে সেখানে সভা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাছাড়া মধুটিলা ইকোপার্ক বিনোদনের স্থান, সেখানে সভা-সমাবেশ করা ঠিক না।’

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে অন্তকোন্দলে সংঘর্ষের শঙ্কায় বিএনপির সভা পণ্ড করে দিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কে পোড়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপি পরিচিতি সভা ডাকে। একই স্থানে শ্রমিকদল সভা আহ্বান করায় সংঘর্ষের শঙ্কায় সব কর্মসূচি বন্ধ করা হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই কমিটির পরিচিতি সভা করার জন্য ইউনিয়ন বিএনপি চিঠি বিতরণ করে।

চিঠিতে পোড়াগাঁও ইউনিয়ন শ্রমিকদলের নেতাদের নাম না থাকায় ক্ষুব্ধ হয়ে তারাও শ্রমিকদলের কমিটি পুনর্গঠনের জন্য একই স্থানে সভা ডেকে চিঠি দেয়।

বিকেলে উপজেলা বিএনপির নেতারা সভাস্থলে উপস্থিত হন। এক পর্যায়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের শঙ্কায় পুলিশ গিয়ে সভা পণ্ড করে দেয়।

এ বিষয়ে পোড়াগাঁও ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল মুন্সি বলেন, ‘আমরা ইউনিয়ন শ্রমিকদলের কমিটি পুনর্গঠনের জন্য মূলদলের আগেই ৩ অক্টোবর চিঠি বিলি করে সভা আহ্বান করি। আর মূলদলের চিঠিতে সভার তারিখ ছিল না।’

পোড়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মজিবর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘দলীয় একটু সমস্যার কারণে পরিচিতি সভা স্থগিত করা হয়েছে।’

নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, ‘বিএনপির দুই গ্রুপ একই স্থানে সভা ডাকায় গন্ডগোলের শঙ্কা দেখা দেয়। একারণে সেখানে সভা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাছাড়া মধুটিলা ইকোপার্ক বিনোদনের স্থান, সেখানে সভা-সমাবেশ করা ঠিক না।’

আরও পড়ুন:
৯৬-এর আলোকে তত্ত্বাবধায়কের রূপরেখা করছে বিএনপি
কেবল বিদ্যুৎ নয়, সব কিছুতেই জাতি বিপর্যয়ে: ফখরুল
খুলনায় বিএনপির গণসমাবেশ ২২ অক্টোবর
দেবী দুর্গার আবির্ভাব সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায়: ফখরুল
সরকার পতন আন্দোলনে বিএনপির নেতৃত্ব চান অলি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
SI in jail in Domar rape case

ডোমারে ধর্ষণ মামলায় এসআই কারাগারে

ডোমারে ধর্ষণ মামলায় এসআই কারাগারে এসআই মহাবীর ব্যানার্জী। ছবি: সংগৃহীত
নীলফামারীর ডোমার থানার থানার ওসি মাহমুদ উন নবী জানান, মামলার আসামি মহাবীর ব্যানার্জীকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আদালতে হাজির করা হয়। আর ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য মেয়েটিকে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়েছে।

নীলফামারীতে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শকের (এসআই) বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। উপজেলা শহরের এক বাসিন্দা বৃহস্পতিবার বিকেলে ডোমার থানায় মামলাটি করেন।

মামলার আসামি ডোমার থানার সাবেক এসআই মহাবীর ব্যানার্জীকে সন্ধ্যায় আদালতে হাজির করে পুলিশ। তিনি দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার কেউটপাড়ার কালী মোহন ব্যানার্জীর ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, স্বামী-স্ত্রী বনিবনা না হওয়ায় এক বছর আগে স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন (জিডি) ওই নারী। ওই অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব পান সে সময়ে ডোমার থানায় থাকা এসআই মহাবীর। তদন্তের সুবাদে ওই নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন তিনি।

ছয় মাস আগে ডোমার থানা থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলা র‌্যাবে বদলি হন মহাবীর ব্যানার্জী। তবে বদলির পরও মোবাইল ফোনে যোগাযোগ অব্যাহত ছিলো তাদের। এক পর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ৫ অক্টোবর বুধবার রাতে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করেন মহাবীর। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্থানীয়রা তাকে আটক করেন।

ধর্ষণের শিকার ওই নারী জানান, এর আগে ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেন মহাবীর ব্যানার্জী। বুধবার রাতের ওই ঘটনার পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধির উপস্থিতিতে সালিস মিমাংসার উদ্যোগ নেয়া হয়। কিন্তু মহাবীর ওই নারীকে বিয়ে করতে রাজি হননি। এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার এসআই মহাবীরকে আসামি করে থানায় মামলা করতে হয়েছে।

ডোমার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুম আহমেদ বলেন, ‘পৌরসভার কাউন্সিলরের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। দুজনের কথাবার্তায় মনে হয়েছে তাদের মধ্যে একটা সম্পর্ক ছিল। গতকাল (বুধবার) রাতে পুলিশ কর্মকর্তাকে ওই নারীর নিকটাত্মীয়রা আটক করেন। কিন্তু এসআই মহাবীরের কোনো অভিভাবক না আসায় তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

এ ব্যাপারে ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদ উন নবী জানান, মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আসামি মহাবীরকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আদালতে হাজির করা হয়। আর ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য মেয়েটিকে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়েছে।

কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মোমিনুল ইসলাম মোমিন বলেন, ‘এসআই মহাবীর ব্যানার্জীকে সন্ধ্যায় আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
কক্ষে আটকে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, নির্যাতন আরেক শিশুকে
দেশে প্রতি মাসে ধর্ষণের শিকার ৭১ কন্যাশিশু
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা
‘ধর্ষণের পর ১০ তলা থেকে ফেলে হত্যা’, মরদেহ উত্তোলন
দিয়াবাড়ির কাশবনে তরুণীকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Abduction of child to marry mother

মাকে বিয়ে করতে সন্তান অপহরণ

মাকে বিয়ে করতে সন্তান অপহরণ র‍্যাব হেফাজতে শফিকুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত
বিয়েতে রাজি না হওয়ায় আছমাকে শায়েস্তা করতে ফন্দি আটেন শফিকুল। গত ২ অক্টোবর আছমা পোশাক কারখানায় গেলে সুযোগ বুঝে আরাফাতকে অপহরণ করা হয়। এরপর দেয়া হয় শফিকুলকে বিয়ে করার শর্ত।

গার্মেন্টস কর্মী আছমা খাতুনের বসবাস আশুলিয়ার জামগড়ার মিয়া বাড়ি এলাকায়। স্বামীহারা সংসারে ৭ বছর বয়সী ছেলে আরাফাতকে নিয়ে তার কাটছিল সময়। গত ২ অক্টোবর শিশু আরাফাত অপহরণের শিকার হয়। আর তার ‘মুক্তিপন হিসেবে’ প্রতিবেশি শফিকুল ইসলামকে বিয়ে করার শর্ত দেয়া হয় আছমাকে।

নিখোঁজের চারদিন পর কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি গোলক মন্ডল এলাকা থেকে র‍্যাব উদ্ধার করেছে শিশু আরাফাতকে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে অপহরণকারী শফিকুল ইসলামকে।

বৃহস্পতিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব জানায়, স্বামীহারা আছমা খাতুন জামগড়া এলাকার একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক। শিশু আরাফাতকে নিয়ে তিনি ভাড়া বাসায় থাকেন। প্রতিবেশি শফিকুল ইসলামের সঙ্গে আছমার প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হলেও বিয়ে নিয়ে জটিলতা বাধে। শফিকুলের গ্রামের বাড়িতে আরেক স্ত্রী থাকার কথা জেনে যান আছমা।

বিয়েতে রাজি না হওয়ায় আছমাকে শায়েস্তা করতে ফন্দি আটেন শফিকুল। গত ২ অক্টোবর আছমা পোশাক কারখানায় গেলে সুযোগ বুঝে আরাফাতকে অপহরণ করেন শফিকুল। এরপর মোবাইল ফোনে প্রথম পর্যায়ে ১ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরে দেয়া হয় শফিকুলকে বিয়ে করার শর্ত।

আরাফাত অপহরণের পরদিন তার মা আছমা খাতুন আশুলিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

শিশু অপহরণের অভিযোগ পেয়ে র‌্যাব-৪ ছায়াতদন্ত শুরু করে। প্রযুক্তির সহায়তায় র‍্যাব নিশ্চিত হয় কুড়িগ্রাম জেলায় শফিকুলের বাড়িতে রাখা হয়েছে অপহৃত শিশু আরাফাতকে। পরে অভিযান চালিয়ে শফিকুলকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় শিশুকে।

র‌্যাব-৪ সিপিসি-২ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অপহৃত শিশুকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। এঘটনায় আটক শফিকুলকে আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
নাফিজা অপহরণ মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব
এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ‘অপহরণ’, প্রধান শিক্ষক পলাতক
দাখিল পরীক্ষার্থীদের ‘অপহরণচেষ্টা’, গ্রেপ্তার ৫

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Killing her husband with her lover

প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে স্বামীকে জবাই

প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে স্বামীকে জবাই পুলিশ হেফাজতে আসামি আতিউর রহমান আতাই। ছবি: নিউজবাংলা
‘সাব্বিরের দ্বিতীয় স্ত্রী রজনীর সঙ্গে আতাইয়ের বিয়েবর্হিভূত সম্পর্ক ছিল। তা সাব্বির জেনে গেলে পারিবারিক ঝামেলা হয়। তখনই হত্যার পরিকল্পনা করেন রজনী-আতাই। ৩ অক্টোবর ভোরে তারা আড়ুয়াপাড়া ছোট ওয়ারলেস গেট সংলগ্ন বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় সাব্বিরকে গলা কেটে হত্যা করে।’

কুষ্টিয়ায় মেজবা উদ্দিন সাব্বির হত্যায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্ত্রীর বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের জেরেই সাব্বির দুদিন আগে খুনের শিকার হন বলে পুলিশের দাবি।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে কুষ্টিয়া পুলিশ লাইন্স সভাকক্ষে সাব্বির হত্যার বিষয়ে ব্রিফিং করেন পুলিশ সুপার খাইরুল আলম।

তিনি বলেন, ‘প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে সাব্বিরকে জবাই করেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী রজনী খাতুন। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এ হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন রজনী। গ্রেপ্তার করা হয়েছে তার প্রেমিক আতিউর রহমান আতাইকে। তাদের দেয়া তথ্যে মিরপুর উপজেলার বারইপাড়া ইউনিয়নের কবরবারিয়া এলাকার একটি বাঁশঝাড় থেকে উদ্ধার হয়েছে হত্যায় ব্যবহার করা ছুরি।

‘সাব্বিরের দ্বিতীয় স্ত্রী রজনীর সঙ্গে আতাইয়ের বিয়েবর্হিভূত সম্পর্ক ছিল। তা সাব্বির জেনে গেলে পারিবারিক ঝামেলা হয়। তখনই হত্যার পরিকল্পনা করেন রজনী-আতাই। ৩ অক্টোবর ভোরে তারা আড়ুয়াপাড়া ছোট ওয়ারলেস গেট সংলগ্ন বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় সাব্বিরকে গলা কেটে হত্যা করে।’

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার করা আসামি ৩০ বছর বয়সী আতিউর রহমান ওরফে আতাইয়ের বাড়ি কুষ্টিয়ার বাড়াদী উত্তরপাড়ায়। তার পিতা মৃত হানু মালিথা। বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে বারখাদা মীরপাড়া এলাকা থেকে আতাইকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার রজনী খাতুনের বাড়ি কুষ্টিয়ার লাহিনী বটতলায়। তার পিতার নাম শামসুল হক। ২৫ বছর বয়সী রজনী নিহত সাব্বিরের দ্বিতীয় স্ত্রী।

সাব্বির হত্যার পরদিন তার বোন রাবেয়া খাতুন বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি মামলা করেন।

তদন্তে নেমে দুদিনের মধ্যে পুলিশ হত্যা রহস্য উদঘাটনের পাশাপাশি দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

আরও পড়ুন:
‘বিয়েবহির্ভূত’ সম্পর্ক: স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম
স্বামীকে হত্যার দায়ে নারীসহ দুজনের মৃত্যুদণ্ড
‘বিয়েবহির্ভূত সম্পর্ক’: গৃহবধূকে জবাই করে হত্যা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
11 Chhatra League injured in attack in Gazipur protest blockade

গাজীপুরে হামলায় ছাত্রলীগের ১১ জন আহত, প্রতিবাদে বিক্ষোভ অবরোধ

গাজীপুরে হামলায় ছাত্রলীগের ১১ জন আহত, প্রতিবাদে বিক্ষোভ অবরোধ হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার গাজীপুর শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ করে ছাত্রলীগ। ছবি: নিউজবাংলা
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্রলীগের সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গুলি ছোড়ার কথা শুনেছি, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি।’

গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগ নেতাদের ওপর হামলা ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতে শহরের রথখোলার ঢালে এ ঘটনায় মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পদক শেখ মোস্তাক আহমেদ কাজলসহ ১১ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কাজলসহ ৭ জনকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে বৃহস্পতিবার শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে মহানগর ছাত্রলীগ। পরে নেতা-কর্মীরা শহরের শিববাড়ি মোড় প্রায় ৩০ মিনিট অবরোধ করে রাখে। এ সময় হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি মোশিউর রহমান সরকার বাবু।

আহত কাজল বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গাপূজায় প্রতিমা বিসর্জনের অনুষ্ঠান শেষে মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ওয়াজউদ্দীনকে রথখোলা এলাকায় আমরা বিদায় জানাচ্ছিলাম। অ্যাডভোকেট ওয়াজউদ্দীন চলে যাওয়ার পর মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) মাসুদ রানা এরশাদের নেতৃত্বে ২৫-৩০ জনের একটি দল আমাদের ওপর হামলা চালায়।

‘এ সময় আমাকে লক্ষ্য করে ৩ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। তা লক্ষভ্রষ্ট হওয়ায় প্রাণে বেঁচে যাই। এক পর্যায়ে চাপাতি দিয়ে কোপ দিলে আমার থুতনি কেটে যায়। আমাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে হামলাকারীদের চাপাতি ও হকিস্টিকের আঘাতে ছাত্রলীগ নেতা আনিছুর রহমান বাদল, মিরাজুর রহমান রায়হান, ইলিয়াস রুমন ও রনিসহ ১১ ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী আহত হয়। আমিসহ সাতজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছি।’

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে মাসুদ রানা এরশাদ বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি ছিলাম না। মোস্তাক আহমেদ কাজল ও কাজী আশরাফ রাকিব মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন। কাজল পদ পেলেও রাকিব পদ পাননি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। কাজলের অনুসারীরা রাকিবের ওপর হামলা চালিয়েছে।’

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) সদর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গুলি ছোড়ার কথা শুনেছি, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি।’

আরও পড়ুন:
ক্যাম্পাসে অস্ত্র হাতে ঘুরছে ছাত্রলীগের ২ গ্রুপ
ফরিদপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রলীগের ৩ জন গ্রেপ্তার
রিভাও তো মানুষ, ভুল করতেই পারে: তিলোত্তমা
শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ৭৬ ছাত্রীকে বাইসাইকেল দিল ছাত্রলীগ
বিয়ে, পিতৃত্ব শেষে এবার তারা ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Pre paid gas meters are sitting in Sylhet

সিলেটে গ্যাসের প্রি-পেইড মিটার, অবশেষে চুক্তি

সিলেটে গ্যাসের প্রি-পেইড মিটার, অবশেষে চুক্তি জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড ভবন। ছবি: নিউজবাংলা
বর্তমানে জালালাবাদ গ্যাসের ৩ লাখ আবাসিক গ্রাহক। প্রথম অবস্থায় ৫০ হাজার গ্রাহককে প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আনা হবে। পর্যায়ক্রমে বাকিদেরও এই মিটারের আওতায় নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সিলেটে গ্যাসের আবাসিক গ্রাহকদের প্রি-পেইড মিটারের দরপত্র আহ্বানের প্রায় এক বছর পর চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে।

দি কনসোর্টিয়াম অব জেনার মিটারিং টেকনোলজি (সাংহাই) লিমিটেড ও হেক্সিং ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড, চায়নার সঙ্গে গত সপ্তাহে চুক্তি করেছে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের (জেজিটিডিএসএল)।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে জেজিটিডিএসএলের গৃহস্থালি পর্যায়ের ৫০ হাজার গ্রাহক প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আসবেন। এতে গ্যাসের অপচয় রোধের পাশাপাশি গ্রাহকরা অতিরিক্ত বিল দেয়া থেকে রেহাই পাবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রাথমিক অবস্থায় সিলেটের ৫০ হাজার গ্রাহককে প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আনা হবে।

প্রথম ডিপিপি অনুযায়ী চলতি বছরের নভেম্বরে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। মার্চের মধ্যে কাজ শুরু হওয়ার কথা। তবে ডিপিপি সংশোধন করে গত মার্চে নতুন করে দরপত্র আহ্বান করে জালালাবাদ গ্যাস। এতে প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। এখনও শুরু না হওয়ায় এই সময়ের মধ্যেও কাজ শেষ হওয়া নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

দেরিতে চুক্তি সম্পর্কে এই প্রকল্পের পরিচালক লিটন চন্দ্র নন্দী বলেন, ‘২০১৯ সালে এ ব্যাপারে একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) মন্ত্রণালয়ে জমা দেয় জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকল্প অনুমেদন হয়। এরপর দরপত্র আহ্বান করা হলেও উপযুক্ত দরদাতা পাওয়া যাচ্ছিল না। এছাড়া প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয়েও কিছু অসামাঞ্জস্য ছিল। তাই ডিপিপি সংশোধন করে চলতি বছরে আবার দরপ্রত্র আহ্বান করা হয়।’

এই প্রকল্পে ১২০ কোটি টাকা ব্যয় হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘চুক্তির পর জরিপ কাজ শুরু হয়ে গেছে। চলতি বছরেই মাঠ পর্যায়ের কাজও শুরু হবে। আশা করছি, নির্ধারিত সময়েই কাজ শেষ করা যাবে।’

তিনি জানান, গ্যাসের প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের মাধ্যমে একদিকে যেমন গ্যাসের অপচয় রোধ হবে, অন্যদিকে গ্রাহকের প্রতি মাসের খরচও কমবে। দুই চুলার গ্যাসের জন্য এখন প্রতি মাসে গ্রাহক এক হাজার টাকার ওপর বিল দিচ্ছেন। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ছোট পরিবারের এক হাজার টাকায় তিন মাস গ্যাস ব্যবহার করতে পারবে। মাসে তার খরচ পড়বে ৩০০ টাকার মতো। এছাড়া গৃহস্থালি পর্যায়ে প্রি-পেইড গ্যাস মিটার ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহকদের মধ্যে গ্যাস ব্যবহারে সচেতনতা, কোম্পানির ব্যবস্থাপনা দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মনিটরিং ব্যয়ও কমবে।

প্রকল্প পরিচালক জানান, মিটারের মূল্য মাসিক ভাড়া হিসেবে সমন্বয় করা হবে। কাছাকাছি রিচার্জ পয়েন্ট থেকে স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে ক্রেডিট কিনে প্রি-পেইড মিটার রিচার্জ করা যাবে। রিচার্জ শেষ হলেও এতে ইমার্জেন্সি ব্যালেন্সের সুবিধা থাকবে।

তিনি জানান, ঢাকা ও চট্টগ্রামে প্রি-পেইড গ্যাস মিটার থাকলেও সিলেটে প্রথমবারের মতো চালু করা হচ্ছে এ পদ্ধতি।

জেজিটিডিএসএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী শোয়েব আহমদ মতিন জানান, প্রথমে নগরের শাহজালাল ও হাউজিং এস্টেট আবাসিক এলাকায় পাইলট ভিত্তিতে প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। কারণ সরকারি মালিকানাধীন এই দুই আবাসিক এলাকা পরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে। এখানে কাজ করা সহজ হবে।

তিনি বলেন, ‘২০২১ সালের শুরুতে প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর মিটার স্থাপনের জন্য অবশেষে চায়না কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি হল।’

তিনি আরও জানান, অনেকে ম্যাচের কাঠি বাঁচাতে অপ্রয়োজনে গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রাখেন। প্রি-পেইড মিটার যুক্ত হলে তারা এ কাজ থেকে বিরত থাকবেন। অনেক গ্রাহক আছেন, সারা মাস গ্যাস ব্যবহার না করলেও মাস শেষে নির্ধারিত বিল পরিশোধ করতে হয়। তাদের আর গ্যাস না জ্বালালে বিল দিতে হবে না। যতটুকু গ্যাস ব্যবহার করবেন কেবল ততটুকুর বিল দিতে হবে।

জেজিটিডিএসএল কর্মকর্তারা জানান, এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে প্রতিটি আবাসিক গ্রাহকের মাসিক গড় গ্যাস ব্যবহার ৬৬ ঘনমিটার থেকে ৪০ ঘনমিটারে নেমে আসবে। ফলে গ্রাহকপ্রতি গ্যাস সাশ্রয় হবে গড়ে ২৬ ঘনমিটার। গ্যাস বিতরণ লাইন লিকেজজনিত অপচয়ও রোধ হবে।

বর্তমানে জালালাবাদ গ্যাসের ৩ লাখ আবাসিক গ্রাহক। প্রথম অবস্থায় ৫০ হাজার গ্রাহককে প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আনা হবে। পর্যায়ক্রমে বাকিদেরও এই মিটারের আওতায় নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ ব্যাপারে হেক্সিং ইলেকট্রিক্যালের রিজিওনাল সিইও লিও জু বলেন, ‘বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডসহ এদেশে অনেক প্রকল্পে প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে আমাদের। আমরা ১৪ বছর ধরে এ কাজে নিয়োজিত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জালালাবাদ গ্যাসের প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের কাজ শেষ করতে পারবো বলে আশাবাদী।’

আরও পড়ুন:
গ্রিন টাউন এলপি গ্যাস ও টি কে গ্যাস সিলিন্ডারের চুক্তি
বিদ্যুৎ গ্যাস পানি এখন রাজনৈতিক পণ্য: আমীর খসরু
এবার লাটভিয়ায় গ্যাস বন্ধ রাশিয়ার
গ্যাস-বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করার আইন বাতিল চান ব্যবসায়ীরা
ইউরোপে রুশ গ্যাস পাওয়া নিয়ে নতুন শঙ্কা

মন্তব্য

p
উপরে