× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Fire in Chowkbazar DC provided burial assistance
hear-news
player
print-icon

চকবাজারে আগুন: দাফন সহায়তা দিলেন ডিসি

চকবাজারে-আগুন-দাফন-সহায়তা-দিলেন-ডিসি
চকবাজারের আগুনে ৬ হোটেল কর্মচারীর মৃত্যু হয়। ছবি: নিউজবাংলা
মঙ্গলবার বিকেলে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যান জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম। এ সময় তিনি মৃত ৬ হোটেল কর্মচারীর পরিবারের কাছে দাফন ও সৎকারের জন্য ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান তুলে দেন।

চকবাজারে চারতলা ভবনের আগুনে মৃত ব্যক্তিদের দাফনকাজে সহায়তায় ২৫ হাজার টাকা করে দিয়েছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম।

মঙ্গলবার বিকেলে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যান জেলা প্রশাসক। এ সময় তিনি মৃত ছয় হোটেল কর্মচারীর পরিবারের কাছে দাফন ও সৎকারের জন্য ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান তুলে দেন।

ডিসি শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘এটা খুবই মর্মান্তিক ঘটনা। স্বজন হারিয়ে পরিবারের সদস্যরা দিশেহারা। সরকারের তহবিল থেকে তাই তাৎক্ষণিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

‘তাদের পরিবার সদস্যদের নাম-ঠিকানা ও ফোন নম্বর আমরা রাখছি। যদি আরও সহযোগিতা লাগে, আমরা সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেব।’ আগুনে মারা যাওয়া কর্মচারী স্বপন সরকারের বড় ভাই সজল সরকার লেখাপড়া চালিয়ে যেতে চাইলে ডিসি সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এদিকে আগুনের ঘটনা তদন্তে ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। একজন এডিসির নেতৃত্বে কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করবে।

ভবনের নিচতলায় হোটেলের গ্যাসের লাইন, বিদ্যুতের লাইনসহ সম্ভাব্য যেসব ত্রুটি থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে তদন্ত কমিটি তার সবকিছু খতিয়ে দেখবে। আজকালের মধ্যেই তদন্তকাজ শুরু হবে বলে জানান ডিসি।

আরও পড়ুন:
চকবাজারে আগুন: প্লাস্টিক পাইপে গ্যাস নেয়া হোটেল মালিক গ্রেপ্তার
চকবাজারে আগুন: নিহতদের পরিবারকে ২ লাখ করে সহায়তা
চকবাজারের আগুন ‘হোটেল থেকে’
ঘুমিয়ে ছিলেন ৬ হোটেল কর্মচারী
চকবাজারে পুড়ে যাওয়া ভবনে ৬ মরদেহ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
BNPs Tukus statement was angered by Jamaat

বিএনপির টুকুর বক্তব্যকে ক্ষেপেছে জামায়াত

বিএনপির টুকুর বক্তব্যকে ক্ষেপেছে জামায়াত হাজারীবাগে বিএনপির সমাবেশে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে নেতিবাচক বক্তব্য দেন। ছবি: নিউজবাংলা
‘জনাব ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে যে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত, অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেছেন তা দেশবাসীকে বিস্মিত করেছে। এটি কোনো রাজনীতিবিদের ভাষা হতে পারে না। তার এ বক্তব্য স্বৈরাচারী শাসনকে প্রলম্বিত করার ক্ষেত্র তৈরি করবে।’

জামায়াত-আওয়ামী লীগ পরকীয়া চলছে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর এমন বক্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। বিএনপি নেতার বক্তব্যকে ‘অশালীন ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত বলেছে দলটি।

রাজধানীতে বিএনপির সমাবেশ থেকে বক্তব্য আসার পর দিন মঙ্গলবার জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম বিবৃতি দিয়ে তার প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘২৬ সেপ্টেম্বর বিএনপির এক সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে যে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত, অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেছেন তা দেশবাসীকে বিস্মিত করেছে। এটি কোনো রাজনীতিবিদের ভাষা হতে পারে না। তার এ বক্তব্য স্বৈরাচারী শাসনকে প্রলম্বিত করার ক্ষেত্র তৈরি করবে।’

আগের দিন রাজধানীর হাজারীবাগে বিএনপির সমাবেশে টুকু বলেন, ‘আওয়ামী লীগের অনেকের মুখে একটা বুলি হয়ে গেছে বিএনপি-জামায়াত, বিএনপি-জামায়াত। আমি বলছি এখন সময় এসেছে, আওয়ামী লীগ-জামায়াত, আওয়ামী লীগ-জামায়াত বলার। জামায়াতও উর্দু, আওয়ামী লীগও উর্দু। দুটো একসঙ্গে মিলবে ভালো। কেননা উনারা জামায়াতের নিবন্ধন ক্যানসেল করেন, কিন্তু বেআইনি ঘোষণা করেন না। তাহলে কি আমি বলব, ওনাদের (জামায়াত-আওয়ামী লীগের) পরকীয়া চলছে?’

টুকু ‘জামায়াত’ শব্দটিকে ‘উর্দু’ ভাষা বলে উল্লেখ করে অজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয় জামায়াতের বিবৃতিতে। এতে বলা হয়, ‘আমরা আশা করছি ভবিষ্যতে এ ধরনের অসংলগ্ন বক্তব্য প্রদান করা থেকে সংশ্লিষ্ট সকলেই বিরত থাকবেন।’

১৯৭১ সালে পাকিস্তানের পক্ষে অস্ত্র ধরা জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির জোট চলছে সেই ১৯৯৯ সাল থেকে। সম্প্রতি ধর্মভিত্তিক দলটি আমির শফিকুর রহমান একটি রুকন সম্মেলনে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে দলের কর্মীদেরকে জানান, বিএনপির সঙ্গে তাদের জোট ভেঙে গেছে। দুই দল যুগপৎ আন্দোলন করবে, কিন্তু জোটে আর নেই।

বিষয়টি রাজনীতিতে তোলপাড় তুললেও বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো কিছুই বলা হচ্ছে না। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য না দেয়াকে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার বলেছেন।

টুকু বলেন, ‘আমাদের বলা হচ্ছে বিএনপি-জামায়াত, আর আপনারা আমাদের বলেন স্বাধীনতাবিরোধী দল। আমিও স্বীকার করলাম। কিন্তু নিবন্ধন বাতিল করলেন, বেআইনি ঘোষণা করলেন না। তার অর্থ আওয়ামী লীগ-জামায়াতের সঙ্গে তলে তলে বন্ধুত্ব করে। সেজন্য বাতিল করে না। তাই আজকে থেকে আওয়ামী-জামায়াত হবে, বিএনপি-জামায়াত আর হবে না।’

জামায়াতের বিবৃতিতে টুকুর বক্তব্যের নিন্দা জানিয় বলা হয়, ‘যে মুহূর্তে দেশের সকল গণতান্ত্রিক শক্তি ঐক্যবদ্ধভাবে দেশে গণতন্ত্র ও জনগণের ন্যায্য ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নির্বাচনকালীন দলনিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর, সে সময় তার এ বক্তব্য জাতিকে হতাশ করেছে। তার বক্তব্য থেকে প্রতীয়মান হয়, তিনি জনগণের ভাষা বুঝতে অক্ষম এবং তিনি জনগণের ভাষায় কথা বলতে পারেন না। আমরা তার এ বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

জামায়াতের নিবন্ধন নিয়ে টুকুর বক্তব্যের আসল উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তেলে জামায়াত। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল ও বেআইনি ঘোষণা সংক্রান্ত বিষয়ে তার কথা ও মর্মবেদনায় জনগণের মধ্যে প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে, কার স্বার্থে এবং কাকে সন্তুষ্ট করার জন্য তিনি এ বক্তব্য প্রদান করেছেন? আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, জামায়াতে ইসলামী কখনও কোনো আপোষ, গোপন ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না এবং করার প্রশ্নই আসে না।’

ধর্মভিত্তিক কয়েকটি রাজনৈতিক দলের আবেদনের পর ২০১৩ সালের ১ আগস্ট জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল ও অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট। আট বছর পর ২০১৮ সালের ৮ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন নিবন্ধন বাতিল করে কোনো প্রজ্ঞাপন জারি করে। জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিও আছে। তবে সরকার এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

আরও পড়ুন:
বন্দুকের নল যে কোনো সময় ঘুরে যাবে: আব্বাস
জামায়াতের জোট ছাড়ার গুঞ্জন স্বীকার বিএনপি নেতার
ফের পেট্রলবোমা ছুড়লে জনগণকে নিয়ে প্রতিরোধ: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The barrel of the gun will turn any time Abbas

বন্দুকের নল যে কোনো সময় ঘুরে যাবে: আব্বাস

বন্দুকের নল যে কোনো সময় ঘুরে যাবে: আব্বাস ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ। ছবি: নিউজবাংলা
গত জুলাই থেকে বিএনপি রাজপথে কর্মসূচি বাড়ানোর পর এখন পর্যন্ত সংঘর্ষে দলটির সহযোগী সংগঠনগুলোর চারজন কর্মী নিহত হয়েছেন। এদের সবাই পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন।

সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘যে বন্দুক দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের বুকে রক্ত ঝরাচ্ছেন, সেই নল যে কোনো সময় ঘুরে যাবে৷ এটা বিগত দিনে কোনো স্বৈরাচারি সরকার আগে টের পায়নি, আপনারাও পাচ্ছেন না। তাই সাবধান করছি বন্দুকের নল সামলে রাখুন।’

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটর এলাকার বিয়াম মিলনায়তনের সামনে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন বিএনপি নেতা।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, লোডশেডিং, গণপরিবহনের ভাড়া ও নিত্যপণ্যের দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি, পুলিশের গুলিতে দলের চার নেতা-কর্মীর মৃত্যুর প্রতিবাদে ঢাকা মহানগরীর ১৬টি স্পটে ধারাবাহিক সমাবেশের অংশ হিসেবে এই প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে যোগ দিতে দুপুর ২ টার পর থেকেই মোটা বাঁশের লাঠির সঙ্গে জাতীয় পতাকা বেঁধে হাতে নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্হলে যোগ দিতে থাকে। এ সময় তারা খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে।

গত জুলাই থেকে বিএনপি রাজপথে কর্মসূচি বাড়ানোর পর এখন পর্যন্ত সংঘর্ষে দলটির সহযোগী সংগঠনগুলোর চারজন কর্মী নিহত হয়েছেন। এদের সবাই পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘যে বন্দুকের নল দিয়ে গুলি করছেন তাও জনগণের পকেটের টাকা দিয়ে কেনা। তাই বন্দুকের নলের ভয় আর দেখাবেন না।’

তিনি বলেন, ‘আজকে সকল ব্যারিকেড থেকে আমাদের বেরিয়ে এসে ঢাকার অলিতে-গলিতে ছড়িয়ে পড়তে হবে। মিটিং মিছিল করা আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার, এই অধিকার যারা কেড়ে নিতে চায় তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। জনগণকে আশ্বস্ত করতে হবে আমরা তাদের পাশে আছি। বিএনপির কমীরা বুক পেতে দিতে শিখেছে। আর ভয় নেই।’

দেশের সব গণতান্ত্রিক কাঠামোগুলোকে ভেঙে ফেলা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা। বলেন, ‘এসব মেরামত আমাদেরই করতে হবে। কারণ, জনগণ বিএনপির দিকে তাকিয়ে আছে। ৮ হাজার কোটি টাকা দিয়ে যে ইভিএম কিনতে চাওয়া হচ্ছে এই টাকাও বিফলে যাবে।’

নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আদায় করেই বিএনপি নিবাচনে যাবে বলেও ঘোষণা দেন আব্বাস। বলেন, ‘সরকার নিরপেক্ষ পরিবেশ তৈরি করে দেখুন বিএনপিকে হারানের ক্ষমতা জনগণকে তাদের দিয়েছে কিনা।’

সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান বলেন, ‘ভোট ডাকাতির ক্ষমতা থেকে জনগণ নামিয়ে আনবে এটা এখন সময়ের দাবি। রাস্তায় নেমে আসুন, এখন থেকে পুলিশ নিরপেক্ষ থাকবে দেখি কাদের শক্তি বেশি।’

তিনি বলেন, ‘পার্লামেন্ট ভেঙে নিদলীয় নিবাচন দিতে হবে, প্রশাসনও নিরপেক্ষ হয়ে যাবে। হাসিনা যদি বিএনপিকে রেখে নির্বাচন করতে চায়, নিবাচন কমিশনপর একটা বিল্ডিয়ের ইট ও থাকবে না।’

সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য জয়নাল আবদীন ফারুক, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সম্পাদক শহীদ-উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী।

আরও পড়ুন:
জামায়াতের জোট ছাড়ার গুঞ্জন স্বীকার বিএনপি নেতার
ফের পেট্রলবোমা ছুড়লে জনগণকে নিয়ে প্রতিরোধ: তথ্যমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর কথার অর্থ গত নির্বাচনগুলো সঠিক ছিল না: মোশাররফ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The youth will be the craftsmen of forty one Prime Minister

তরুণরাই হবে একচল্লিশের কারিগর: প্রধানমন্ত্রী

তরুণরাই হবে একচল্লিশের কারিগর: প্রধানমন্ত্রী ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রোববার সকালে শেখ হাসিনা ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২২ বিতরণ অনুষ্ঠানে গণভবন প্রান্ত থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন সরকারপ্রধান। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আর পিছিয়ে যেন না যায়, এটাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আজকে আমাদের তরুণ সমাজই হবে একচল্লিশের কারিগর, যারা দেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলবে। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা আমরা গড়ে তুলে এ দেশের প্রতিটি মানুষ যাতে সুন্দর জীবন পায়, আমরা সে পথে এগিয়ে যাব।’

উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাওয়া বাংলাদেশকে উন্নত দেশে উন্নীত করার লড়াইয়ে দেশের তরুণ ও যুবকদের ওপরই ভরসা রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, তরুণরাই হবে একচল্লিশের কারিগর, তারাই দেশকে উন্নত সমৃদ্ধ হিসেবে গড়ে তুলবে।

ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রোববার সকালে শেখ হাসিনা ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২২ বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। গণভবন প্রান্ত থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন সরকারপ্রধান।

তরুণ সমাজ ‘জাতির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ’ আখ্যা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা প্রাপ্তির পর আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে উন্নত বাংলাদেশ গড়া। ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা উন্নত বাংলাদেশ গড়ব। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমাদের কর্মসূচি প্রণয়ন করেছি।’

তিনি বলেন, ‘আর পিছিয়ে যেন না যায়, এটাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আজকে আমাদের তরুণ সমাজই হবে একচল্লিশের কারিগর, যারা দেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলবে। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা আমরা গড়ে তুলে এ দেশের প্রতিটি মানুষ যাতে সুন্দর জীবন পায়, আমরা সে পথে এগিয়ে যাব।

‘এ দেশটা এগিয়ে যাবে শত বাধা অতিক্রম করে, সেটাই আমি চাই। আমাদের যুব সমাজ এটা আমাদের বড় একটা শক্তি। পৃথিবীর অনেক দেশ এখন বয়োবৃদ্ধ দেশে পরিণত হয়েছে। আমরা তা হতে চাই না। আমাদের যুবসমাজই পারবে সারা বাংলাদেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করতে।’

বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর ওপর তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘প্রায় ৭০ শতাংশ ভর্তুকি দিয়ে আমরা কৃষি যান্ত্রিকীকরণে আমাদের কৃষক সমাজকে উৎসাহিত করছি। সেখানেও আমাদের যুবসমাজ, শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন। কারণ উন্নতমানের খাদ্য উৎপাদন, আজকে যদিও আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, তবুও এটাকে অব্যাহত রাখতে হবে। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের কাজ করতে হবে।’

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর দেশের যুবসমাজকে দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত করার ক্ষেত্রে তৎকালীন স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান কোনো ভূমিকা রাখেনি বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘এই জিয়াউর রহমান এ দেশের যুবসমাজ যারা মেধাবী, এক হাতে তাদের হাতে পুরস্কার যেমন তুলে দিয়েছে, অপর হাতে অস্ত্র, অর্থ দিয়ে তাদের বিপথে পাঠিয়েছে। তাদের তার অবৈধভাবে দখল করা ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অস্ত্রের ঝনঝনানি, সেখানে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করা, যুবসমাজকে প্রকৃতপক্ষে অস্ত্রধারী বাহিনীতে পরিণত করে নিজেদের উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করার প্রচেষ্টা চালিয়ে বিভ্রান্তির পথে ঠেলে দিয়েছিল।’

প্রতিটি উপজেলায় কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলাসহ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, ‘প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে যাতে আগামী দিনের জন্য যেন আমাদের যুবসমাজ প্রস্তুতি নিতে পারেন, সেই ব্যবস্থাটাই আমরা করে দিচ্ছি।’

আগামী দিনের প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশের তরুণ ও যুব সমাজকে গড়ে তোলার ওপর সরকার জোর দিচ্ছে বলেও জানান শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, যেটি সম্পূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর হবে আমাদের দেশে-বিদেশে। কাজেই দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য এই চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের উপযুক্ত মানবসম্পদ গড়ে তোলা, তার ব্যবস্থাও আমরা নিয়েছি। আমরা প্রতিটি উপজেলায় শেখ জামাল যুব প্রশিক্ষণ ও বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আমরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজের সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছি। একদিকে ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করতে পারবে, অন্যদিকে কাজও করতে পারবে।’

যারা পেলেন শেখ হাসিনা ভলান্টিয়ার ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড

যুব উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান ক্যাটাগরিতে অনন্য অবদান রাখায় শরীয়তপুরের মাসুম আলম এবং নেত্রকোণার কামরুন নাহার লিপিকে দেয়া হয়েছে শেখ হাসিনা ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড।

শিক্ষা, বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি ও কারিগরি বিভাগে অ্যাওয়ার্ড পান জাগো ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক করভি রাকসান্দ দ্রুব এবং পেন ফাউন্ডেশনের মেঘনা খাতুন।

দেশপ্রেম, বীরত্ব ও সাহসিকতার ক্ষেত্রে অবদানের জন্য রাঙ্গামাটির এন কে এম মুন্না তালুকদার এবং লক্ষ্মীপুরের রাজু আহমেদ এই অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন।

জ্যেষ্ঠদের প্রতি আদর্শ সেবা বা সমাজকল্যাণে অবদানের জন্য বরিশালের মিল্টন সমাদ্দার এবং সুনামগঞ্জের কাস্মিরুল হককে দেয়া হয় সম্মাননা।

ক্রীড়া, কলা (চারু ও কারু) ও সংস্কৃতিতে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক শেরপুরের মেয়ে নিগার সুলতানা জ্যোতি এবং রাজশাহীর মোস্তফা সরকারও পেয়েছেন এই স্বীকৃতি।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল। বিজয়ীদের প্রত্যেকে পেয়েছেন এক লাখ টাকা ও সম্মাননা স্মারক।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে কী পেল বাংলাদেশ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক কূটনীতির রোল মডেল: শেখ হাসিনা
তিস্তা হয়নি, কুশিয়ারা হয়েছে, যা পেয়েছি খুশি: কাদের
ভারতের বাজারে ১২টি নতুন পণ্যের প্রবেশ চায় বাংলাদেশ
মোদিকে পদ্মা সেতু দেখার আমন্ত্রণ হাসিনার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Western Marine declares but does not pay dividends

লভ্যাংশ ঘোষণা করে কিন্তু দেয় না ওয়েস্টার্ন মেরিন

লভ্যাংশ ঘোষণা করে কিন্তু দেয় না ওয়েস্টার্ন মেরিন ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড। ফাইল ছবি
২০২১ সালের জুনে সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য কোম্পানিটি নো ডিভিডেন্ড ঘোষণা করলেও গত ২৩ ডিসেম্বর বার্ষিক সাধারণ সভা বা এজিএমে সে প্রস্তাব বাতিল করে ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করে। কিন্তু সেই লভ্যাংশ বিতরণ করার কোনো ঘোষণা পরে আর আসেনি। আগের বছর কোম্পানিটি ৩ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করে, কিন্তু সে বছরও তা বিতরণ করা হয়নি।

নো ডিভিডেন্ড ঘোষণার পর পড়তির দিকে থাকা শেয়ারদর তরতর করে বাড়তে থাকে এজিএমে এক শতাংশ লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্তে। অল্প কয়েক দিনের মধ্যে শেয়ারদর ৫০ শতাংশ বেড়েও যায়। তবে সেই লভ্যাংশ আর বিতরণ করা হয়নি।

এই কাণ্ড করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড। ২০২১ সালের জুনে সমাপ্ত অর্থবছরের লভ্যাংশ ঘোষণার পর এই কাণ্ড করেছে তারা। আগের বছরেও একই কাজ করেছে কোম্পানিটি।

ঘোষিত লভ্যাংশ বিতরণ করে যে প্রতিবেদন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বা ডিএসইতে দেয়ার কথা ছিল, সেটি জমা দেয়া হয়নি। বিষয়টি অবহিত করে নির্দেশনা চেয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।

অভিযোগ উঠেছে, লভ্যাংশ সংক্রান্ত এসব ঘোষণা দিয়ে শেয়ারদর বাড়িয়ে কোম্পানির কর্মকর্তারা ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হচ্ছেন। এ নিয়ে যোগাযোগ করা হলে কোম্পানির পক্ষ থেকে বক্তব্য দেয়ার জন্য কাউকে পাওয়া যায়নি।

নো ডিভিডেন্ডের সিদ্ধান্ত পাল্টানোর পর শেয়ারদরে লাফ

২০২১ সালের জুনে সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য কোম্পানিটি নো ডিভিডেন্ড ঘোষণা করলেও গত ২৩ ডিসেম্বর বার্ষিক সাধারণ সভা বা এজিএমে সে প্রস্তাব বাতিল করে ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করে।

কিন্তু সেই লভ্যাংশ বিতরণ করার কোনো সিদ্ধান্ত আর জানানো হয়নি।

২০২১ সালের ১১ নভেম্বর কোম্পানিটি লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ার দিন শেয়ারদর ছিল ১১ টাকা ১০ পয়সা। পরিচালনা পর্ষদের এই সিদ্ধান্তের পর শেয়ারদর কমে আসে ৯ টাকা ৫০ পয়সা।

এজিএমের দিন শেয়ারদর ছিল ১০ টাকা ২০ পয়সা। লভ্যাংশ সংক্রান্ত ঘোষণা পাল্টানোর সিদ্ধান্ত আসার পর শেয়ারদর আবার দেয় লাফ। ১২ কর্মদিবস পর ১০ জানুয়ারি শেয়ারদর বেড়ে দাঁড়ায় ১৪ টাকা ৬০ পয়সা। এই সময়ে বাড়ে ৪ টাকা ৪০ পয়সা বা ৪৩ দশমিক ১৩ শতাংশ।

যে কোম্পানিটির ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে যাওয়ার কথা ছিল, লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্তের কারণে সেটি আর সেই ক্যাটাগরিতে না গিয়ে ‘বি’তে লেনদেন হতে থাকে।

বিএসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম নিউজবাংলাকে জানান, বিধান হলো এজিএমে লভ্যাংশ অনুমোদনের ৩০ দিনের মধ্যে তা বিনিয়োগকারীর হিসাবে পাঠাতে হবে। লভ্যাংশ শেয়ারে দেয়ার সিদ্ধান্ত হলে তা পাঠাতে হয় বিও হিসাবে আর নগদে হলে দিতে এখন সরাসরি ব্যাংক হিসাবে পাঠাতে হয়। আর যদি বিনিয়োগকারী মার্জিন ঋণ নিয়ে শেয়ার কিনে থাকেন, তাহলে নগদ লভ্যাংশও যাবে বিনিয়োগকারীর বিও হিসাবে।

কিন্তু এজিএমের ১০ মাসেও পর্যন্ত লভ্যাংশ বিতরণ সংক্রান্ত কোনো বিজ্ঞপ্তি শেয়ারধারীদেরকে জানানো হয়নি।

আগের বছর একই চিত্র

২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ৩ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড। এর মধ্যে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ নগদ ও বাকি ২ দশমিক ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার। অর্থাৎ প্রতি ২০০ শেয়ারের বিপরীতে পাঁচটি বোনাস শেয়ার ও ১০ পয়সা নগদ বিতরণ করা হয়।

ওই বছরের ২৯ ডিসেম্বর এজিএমে সেই লভ্যাংশ অনুমোদনও হয়। কিন্তু সে বছরও লভ্যাংশ বিতরণ করে কোনো প্রতিবেদন দেয়া হয়নি।

পরিচালনা পর্ষদ লভ্যাংশ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত জানানোর দিন শেয়ারদর ছিল ১১ টাকা ৫০ পয়সা। পরের বছর ৫ আগস্ট দর বেড়ে দাঁড়ায় ১৭ টাকা।

কোম্পানিটি ২০২১ সালের জুনে সমাপ্ত অর্থবছরের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করার পর এখন পর্যন্ত কোনো প্রান্তিক প্রতিবেদনও প্রকাশ করেনি। অথচ এরই মধ্যে আরও একটি অর্থবছর শেষ হয়ে গেছে। জুনে যেসব কোম্পানির অর্থবছর শেষ হয়, সেগুলোর মধ্যে বেশ কিছু কোম্পানি তাদের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে লভ্যাংশও ঘোষণা করেছে, হাতে গোনা এক দুইটি বাদ দিয়ে বাকিগুলো মার্চে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কয়েক মাস আগেই।

ডিএসইর চিঠিতে যা বলা হয়েছে

বিএসইসিতে পাঠানো ডিএসইর চিঠিতে বলা হয়, ডিএসইর ২০১৫ সালের রেগুলেশনস অনুযায়ী- তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে এক্সচেঞ্জ ও বিএসইসিতে লভ্যাংশ প্রদান সংক্রান্ত প্রতিবেদন সাতদিনের মধ্যে কমিশন নির্ধারিত ফরম্যাটে জমা দিতে হবে।

এর ব্যত্যয় ঘটলে সেই কোম্পানিকে কমিশনের অনুমোদনক্রমে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করার বিধান রয়েছে। কিন্তু ওয়েস্টার্ন মেরিন দুই বছর ধরে ডিভিডেন্ড কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা না দেয়ার পরও তাদের ‘ক্যাটাগরি’ সমন্বয় হয়নি।

ডিএসইর ওয়েব সাইট দেয়া কোম্পানির যোগাযোগ নম্বরে ফোন করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

নিউজবাংলা ডিএসইর চিঠিটি পেলেও সংস্থাটির মুখপাত্র ও উপ-মহাব্যবস্থাপক শফিকুর রহমান বলেন, ‘চিঠির বিষয়টি আমার জানা নেই। না জেনে কিছুই বলতে পারব না।’

ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সাইফুর রহমান মজুমদারের ফোনে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

পুঁজিরবাজারে তালিকাভুক্ত ওয়েস্টার্ন শিপইয়ার্ডের অনুমোদিত মূলধন ৬০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ২৩৫ কোটি ২০ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এর বিপরীতে রিজার্ভ রয়েছে ২৬১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।

বর্তমানে কোম্পানিটির শেয়ার সংখ্যা ২৩ কোটি ৫২ লাখ ৩ হাজার ৭৬৯টি। এর মধ্যে ৩০ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ১৬ দশমিক ১৪ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ৫৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।

আরও পড়ুন:
সিংহভাগ কোম্পানি ফ্লোরে, নামছে আরও অনেকগুলো
ব্যবসা বৃদ্ধির চুক্তি, সাইফ পাওয়ারের মুনাফা বাড়বে ২৫ কোটি
রেকর্ডের চার দিনের মাথায় লেনদেন অর্ধেকের নিচে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Employees should be moderate in using social media

সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক করল প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়

সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক করল প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা’ উদ্ধৃত করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পোস্ট, ছবি, অডিও-ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করার ব্যাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজ একাউন্টে ক্ষতিকর কন্টেন্টের জন্য ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হবেন। এর জন্য তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা’ উদ্ধৃত করে এমন নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সব পরিচালক/প্রকল্প পরিচালক, সব উপ-পরিচালক/বিভাগীয় উপ-পরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা/সুপারিনটেনডেন্ট, পিটিআই, সব উপজেলা/থানা শিক্ষা কর্মকর্তা/ইনস্ট্রাক্টর, ইউআরসিকে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও কর্মচারীদের করণীয় নির্ধারণ করা এবং এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বলা হয়েছে। এছাড়াও নির্দেশিকায় সামাজিক মাধ্যমে দাপ্তরিক ও ব্যক্ষিগত একাউন্ট তৈরি করা এবং এতে পরিহারযোগ্য বিষয়াদি উল্লেখ রয়েছে।

যেসব নির্দেশনা

চিঠিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে সরকার বা রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। জাতীয় ঐক্য ও চেতনা পরিপন্থী তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

কোনো সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে এমন বা ধর্মনিরপেক্ষতা নীতির পরিপন্থী কোনো তথ্য প্রকাশ করা যাবে না। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট বা আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে এমন কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কোনো ‘কন্টেন্ট’ বা ‘ফ্রেন্ড’ সিলেকশনে সবাইকে সতর্কতা অবলম্বন এবং অপ্রয়োজনীয় ট্যাগ, রেফারেন্স বা শেয়ার করা পরিহার করতে হবে।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার বা নিজ অ্যাকাউন্টে ক্ষতিকারক কন্টেন্টের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হবেন এবং সেজন্য তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোনো সার্ভিস বা পেশাকে হেয়প্রতিপন্ন করে এমন কোনো পোস্ট দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। লিঙ্গ বৈষম্য বা এ সংক্রান্ত বিতর্কমূলক কোনো তথ্য প্রকাশ করা যাবে না।

জনমনে অসন্তোষ বা অপ্রীতিকর মনোভাব সৃষ্টি করতে পারে এমন কোনো বিষয়ে লেখা, অডিও বা ভিডিও প্রকাশ বা শেয়ার করা যাবে না। ভিত্তিহীন, অসত্য ও অশ্লীল তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকতে হবে।

কোনো রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য সংবলিত কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
96 days toll 200 crore construction cost 38 years

৯২ দিনে টোল ২০০ কোটি, নির্মাণ ব্যয় উঠতে ‘৩৮ বছর’

৯২ দিনে টোল ২০০ কোটি, নির্মাণ ব্যয় উঠতে ‘৩৮ বছর’
সেতুর নির্মাণ ব্যয়ের ০.৬৬ শতাংশের মতো উঠে এসেছে তিন মাসে কম সময়ে। এই হারে টোল আদায় হলে সেতুর নির্মাণ ব্যয় ব্যয় ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা উঠবে ৩৮ বছরে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশা করছেন, ভবিষ্যতে এই রুটে গাড়ি বাড়বে এবং নির্মাণ ব্যয় ২০ বছরে উঠে আসবে। সেটি করতে হলে বর্তমান হারের চেয়ে টোল আদায় বাড়াতে হবে পৌনে দুই গুণ।

উদ্বোধনের তিন মাসের মাথায় পদ্মা সেতুর টোল আদায় দুই শ কোটি টাকা ছাড়িয়ে।

গত ২৬ জুন থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯২ দিনে মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তে মোট টোল আদায় হয়েছে ২০১ কোটি ১৩ লাখ ২৭ হাজার ৫০ টাকা। এই সময়ে সেতু পারাপার হয়েছে ১৪ লাখ ৪৭ হাজার ৮৫২ টি যানবাহন।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সেতু দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ১৫ হাজার ৫৬৮ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, প্রতিদিন গড়ে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ১৬ লাখ ২৭ হাজার ১৭২ টাকা।

অর্থাৎ সেতুর নির্মাণ ব্যয়ের ০.৬৬ শতাংশের মতো উঠে এসেছে তিন মাসে কম সময়ে। এই হারে টোল আদায় হলে সেতুর নির্মাণ ব্যয় ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা উঠবে ৩৮ বছরে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশা করছেন, ভবিষ্যতে এই রুটে গাড়ি বাড়বে এবং নির্মাণ ব্যয় ২০ বছরে উঠে আসবে। সেটি করতে হলে বর্তমান হারের চেয়ে টোল আদায় বাড়াতে হবে পৌনে দুই গুণ।

৯২ দিনে টোল ২০০ কোটি, নির্মাণ ব্যয় উঠতে ‘৩৮ বছর’
পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় এমন ভিড় থাকে প্রায় সব সময়

গত ২৫ জুলাই পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরদিন ২৬ জুলাই ভোর থেকে যান চলাচলের জন্য উন্মোচিত হয় সেতুটি। সেতুতে বিশৃঙ্খলা এড়াতে বন্ধ রয়েছে মোটরসাইকেল চলাচল। তা না হলে টোল আরও বাড়তে পারত।

সর্বোচ্চ আদায় জুলাইয়ে, পরের দুই মাসে নিম্নমুখি

সেতু চালুর পর জুন মাসের ৫ দিনে ২৩ হাজার ৪২১ গড়ে পদ্মা সেতু পারাপার হয় মোটরসাইকেল সহ ১ লাখ ১৭ হাজার ১০৪ টি যানবাহন। এই মাসের ৫ দিনে রাজস্ব আদায় হয় ১০ কোটি ১৪ লাখ ১ হাজার টাকা।

জুলাই মাসে সর্বোচ্চ ৭৮ কোটি ৫০ লাখ ১৯ হাজার ৪০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে। এই মাসে সর্বোচ্চ ৫ লাখ ৮৭ হাজার ২০ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে প্রতিটি যানবাহন থেকে গড়ে ১ হাজার ৩৮৯ টাকা করে টোল আদায় করা হয়েছে।

এই মাসের ৩১ দিনে যানবাহন পারাপার হয় ৫ লাখ ৮৭ হাজার ২০টি, ওই মাসে টোল আদায় হয় ৭৮ কোটি ৫০ লাখ ১৯ হাজার ৪০০ টাকা।

পরের মাস আগস্টের ৩১ দিনে সেতু পারাপার হওয়া ৪ লাখ ১২ হাজার ৩০৩টি যানবাহন থেকে টোল বাবাদ আদায় হয় ৬১ কোটি ৯৭ লাখ ৩৪ হাজার ৪০০ টাকা।

সেপ্টেম্বর মাসের ২৬ দিনে সেতু পার হওয়া ৩ লাখ ৩১ হাজার ৪২৫টি যানবাহন থেকে টোল আদায় হয় ৫০ কোটি ৫১ লাখ ৭১ হাজার ৪০০ টাকা।

এক দিনের হিসেবে সর্বোচ্চ ৫১ হাজার ৩১৬টি যানবাহন পারাপার হয় গত ১৬ জুন, আর টাকার অঙ্কে সর্বোচ্চ আদায় হয় গত ৮ জুলাই ৪ কোটি ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫০ টাকা।

পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের আশা করছেন, কালনা সেতুর চালু হলে পদ্মা সেতুতে যানবাহনের চাপ আরও বাড়বে। প্রতিদিন গড়ে অতিরিক্ত অন্তত ৫০০ থেকে ৮০০ যানবাহন পারাপার হবে এই পথে। এতে আগামীতে সেতুর রাজস্ব আয় আরও অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে।

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতু চালুর পর শীতনিদ্রায় বরিশালের আকাশপথ
পদ্মা সেতুর প্রভাবে আবেদন হারানো লঞ্চে ভাড়া শতভাগ বাড়ানোর দাবি
শতকোটির মাইলফলকে পদ্মা সেতুর টোল
পদ্মার ট্রেন জবির নতুন ক্যাম্পাসে থামবে কি না
পদ্মা সেতুতে ট্রেন: দুই প্রান্তে দিন-রাত কাজ চলছে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Tourism Day State Minister wants 36 runs from 6 balls

পর্যটন দিবস: ৬ বলে ৩৬ রান চান প্রতিমন্ত্রী

পর্যটন দিবস: ৬ বলে ৩৬ রান চান প্রতিমন্ত্রী পর্যটন দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, ‘আমরা পর্যটনকে একটা টার্গেট নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা যথাসম্ভব আমাদের টার্গেটে পৌঁছাব। এটাই হোক আমাদের আজকের পর্যটন দিবসের প্রতিশ্রুতি।’

দেশের পর্যটন শিল্পকে বিকশিত করার লক্ষে ছয় বলে ৩৬ রান করতে চান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। তিনি বলেন, ‘আমাদের সামনে সেই সুযোগটা রয়েছে ছয় বলে ৩৬ রান করার। আমাদের সমস্ত উপকরণ আছে, আমাদের ইচ্ছা আছে।’

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পর্যটন দিবস উপলক্ষে পর্যটন ভবনের শৈলপ্রপাত হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মাহবুব আলী বলেন, ‘আমরা পর্যটনকে একটা টার্গেট নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা যথাসম্ভব আমাদের টার্গেটে পৌঁছাব। এটাই হোক আমাদের আজকের পর্যটন দিবসের প্রতিশ্রুতি।’

পর্যটন দিবস: ৬ বলে ৩৬ রান চান প্রতিমন্ত্রী

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পর্যটন দিবস উপলক্ষে পর্যটন ভবনের শৈলপ্রপাত হলে আয়োজিত আলোচনায় বক্তব্য দেন বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। ছবি: নিউজবাংলা

দেশের ইতিহাসের ওপর আঘাত এসেছে দাবি করে মাহবুব আলী বলেন, ‘ঐতিহ্য ম্লান করা হয়েছে এবং মূল্যবোধগুলোকে পদাঘাত করা হয়েছে। আজকে সময় এসেছে এগুলো রিকভারি করার। আমাদের মূল্যবোধ ধরে রাখতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ, মূল্যবোধ, চেতনা এগুলো ধারণ করা এবং আমাদের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।’

বিশ্বের মধ্যে অনেক দেশ পর্যটনকে কেন্দ্র করে অনেক দূর এগিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কিন্তু আমাদের দেশের বিভিন্ন জেলায় উপজেলায় এর চেয়ে বেশি তথ্য উপাত্ত আছে। সবার বক্তব্যই এসেছে এটি সবার সামনে তুলে ধরার জন্য। সামনে আমরা আরও চেষ্টা করব দীর্ঘ সময় পরিকল্পনা করে এই আয়োজন করার। একজন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে পর্যটনের জন্য ডেডিকেটেড করার চেষ্টা আমরা করব। কিছু বাধ্যবাধকতা আছে, তবে আমরা সব শহরে এটা ছড়িয়ে দিতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আগামী বছর চেষ্টা করব আরও সবাইকে ধারণ করে যাতে করে এক-দুই মাস আগ থেকে প্রস্তুতি নেব। আরও বড় আকারে বড় ধরনের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করব। বিশ্ববাসীর আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য আরও জানতে পারবে।’

পর্যটন দিবস: ৬ বলে ৩৬ রান চান প্রতিমন্ত্রী

সকালে গ্রামীণ ঐতিহ্য ও হাতি-ঘোড়া নিয়ে র‍্যালির আয়োজন করে পর্যটন করপোরেশন। ছবি: নিউজবাংলা

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিলিপ্ত ঘটনা ঘটে, এটা সংশ্লিষ্ট দেশের সংবাদমাধ্যম নেগেটিভ ভাবে উপস্থাপন করে না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘কয়েক মাস আগে কক্সবাজারের একটা ঘটনা পর্যটন সেক্টরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ একটা ঘটনায় যেনো পুরো সেক্টরে ক্ষতি না হয়। আর আমরাও চাই একটি অপরাধও যাতে দেশে না হয়।’

পর্যটন নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে বলে জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোকাম্মেল হোসেন। বলেন, ‘আমরা কোভিড পূর্ববর্তী যে ব্যবস্থা ছিল সেখানে যেতে চাই না। তার চেয়ে অনেক এগিয়ে যেতে চাই।’

পর্যটনকে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরার জন্য মিডিয়ার ভূমিকা বেশি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পর্যটনের উন্নয়নে মিডিয়া কিন্তু সরকার ও বেসরকারি খাতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্ব রাখে।’

গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই সচিব বলেন, ‘আমি অনুরোধ করব দেশের স্বার্থে আমরা যেন পজিটিভলি খবর প্রকাশ করি।’

পরিকল্পনা অনুযায়ী সবার সঙ্গে আলোচনা করে পর্যটন নিয়ে চূড়ান্ত পরিকল্পনা করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ডিসেম্বরে সেই মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে যাব।’

এ দিকে আলোচনা সভা শুরুর আগে সকালে হাতি-ঘোড়া নিয়ে র‍্যালির আয়োজন করে পর্যটন করপোরেশন। ‘রিথিংকিং ট্যুরিজম অর্থাৎ ‘পর্যটনে নতুন ভাবনা’এই বিষয়টিকে প্রতিপাদ্য নিয়ে সারাদেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব পর্যটন দিবস৷

আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবনের সামনে থেকে সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে এই শোভাযাত্রা শুরু হয়। শুরুতে রয়েছে টুরিস্ট পুলিশের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা। এরপরে গ্রাম বাংলার আবহের ঐতিহ্য হিসেবে প্রতীকী পালকি। আর সেই পালকিতে দেখা মেলে প্রতীকী নতুন বর-কনের। সেই সঙ্গে ছিল বাংলার আদিবাসী, জেলে, বাউলসহ নানা চরিত্র। ছিল ঐতিহ্যের ঘোড়ার গাড়ি ও হাতি।

এছাড়া পর্যটন করপোরেশন আয়োজন করেছে খাদ্য উৎসব, লাইভ কুকিং শো এবং হোটেল-মোটেলের আবাসনে ৩০ শতাংশ ছাড়।

এদিকে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. আলি কদর ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মো. জাবের।

আরও পড়ুন:
শীতের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে কুয়াকাটা
পর্যটনে প্রকৃতি সংরক্ষণে জোর জাতিসংঘের
ফাঁকা সৈকতে খুশি পর্যটকরা, হতাশ ব্যবসায়ীরা

মন্তব্য

p
উপরে