× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Allegation of torture by arresting Chhatra League worker
hear-news
player
google_news print-icon

ছাত্রলীগ কর্মীকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ

ছাত্রলীগ-কর্মীকে-আটকে-রেখে-নির্যাতনের-অভিযোগ
ব‌রিশাল বিশ্ব‌বিদ্যালয়ের প্রক্টর খোরশেদ আ‌লম বলেন, ‘রা‌ব্বি খান আমাদের কাছে নিরাপত্তার জন্য আবেদন করে‌ছিলেন। তাকে বলা হয়ে‌ছি‌ল, পরীক্ষা থাকলে সেই সময় নিরাপত্তাহীনতা বোধ করলে আমাদের‌ জানাতে। রোববার তার পরীক্ষা ছি‌ল কি না, সে বিষয়‌টি আমাদের জানায়‌নি।’

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ কর্মীকে ক্যাম্পাস থেকে তুলে হোটেল কক্ষে আটকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে সংগঠনটির এক নেতার বিরুদ্ধে।

নির্যাতনের অভিযোগ করা রাব্বি খান রাজ নামে ওই ছাত্র বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের চতুর্থ বর্ষে পড়েন।

রাব্বি জানান, রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে একটি হোটেলে নির্যাতনের এই ঘটনা ঘটে।

রাব্বি আরও জানান, তিনি বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীমের অনুসারী অমিত হাসান রক্তিম গ্রুপের কর্মী। প্রতিপক্ষ গ্রুপ বরিশাল সিটির মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর অনুসারী মহিউদ্দীন আহমেদ সিফাতের নেতৃত্বে তার ওপর হামলা হয়েছে। তবে মহিউদ্দিন অভিযোগ নাকচ করেছেন।

হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রাব্বি বলেন, ‘রোববার ১২টায় আমার ক্লাস টেস্ট ছিল। প্রক্টরের আশ্বাসে আ‌মি ক্যাম্পাসে পরীক্ষা দিতে যাই। পরীক্ষা দিয়ে বের হয়ে দুপুর ১টার দিকে আ‌মি উপাচার্যের বাসভবনের ফটক থেকে নগরীতে আসার জন্য গাড়ির অপেক্ষা করছিলাম। এ সময় চার সন্ত্রাসী এসে আমাকে ধরে ফেলে। পেছনে আরও ১০-১২ জন ছিল। আমাকে তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের নাজেমস নামের একটি হোটেলে নিয়ে যায়।

‘সেখানে মহিউদ্দীন আহমেদ সিফাত ৩০-৩৫ জন সন্ত্রাসী নিয়ে অপেক্ষা করছিল। সে এক অনুসারীকে হলে তার কক্ষ থেকে দা নিয়ে আসতে নির্দেশ দেয়। সেটি আনা হলে মহিউদ্দীন নিজেই দায়ের কাঠের হাতল দিয়ে আমার বাঁ পায়ের হাঁটুতে এবং ডান পায়ের হাঁটুর নিচে পেটায়। তার সহযোগীরাও আমার মাথায় ও পিঠে কিল-ঘুষি মারে। এভাবে প্রায় পৌনে ২ ঘণ্টা আটকে আমার ওপর নির্যাতন চালানো হয়।’

রাব্বি জানান, প্রক্টর এ ঘটনার খবর পেয়ে মহিউদ্দীনকে কল দিয়ে তাকে ছেড়ে দিতে বলেন। তার পরও নির্যাতন চলতে থাকে। বেলা পৌনে ৩টার দিকে প্রক্টর খোরশেদ আলম ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।

রাব্বির পক্ষে ছাত্রলীগ কর্মী অ‌মিত হাসান র‌ক্তিম বলেন, ‘বিশ্ব‌বিদ‌্যালয়ের সামনে নাজেমস ভবনে এই নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। সন্ত্রাসী সিফাত ও তার দলবল ওই ভবনেই আড্ডা দেয়। তাদের সব অস্ত্র ওই ভবনেই থাকে। আমাদের চার ছাত্রলীগ কর্মী নিরাপত্তার আবেদন করেও এই নির্যাতনের শিকার হয়েছে।’

নির্যাতনের বিষয়ে ছাত্রলীগের একটি পক্ষের নেতৃত্ব দেয়া মহিউদ্দীন আহমেদ সিফাত বলেন, ‘আপনার কাছেই প্রথম শুনলাম এই ঘটনা। আর এই ধরনের কিছুই শু‌নি‌নি। আমার কোনো লোকজন এমনটা করলে জানতাম। যদি কেউ এই ধরনের অভিযোগ করে থাকে, তবে তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’

ব‌রিশ‌াল বিশ্ব‌বিদ‌্যালয়ের প্রক্টর খোরশেদ আ‌লম জানান, গত ৭ আগস্ট তার ও বিভাগীয় চেয়ারম্যানের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছিলেন।

তিনি বলেন, ‘রা‌ব্বি খান আমাদের কাছে নিরাপত্তার জন‌্য আবেদন করে‌ছিলেন। তাকে বলা হয়ে‌ছি‌ল পরীক্ষা থাকলে সেই সময় নিরাপত্তাহীনতা বোধ করলে আমাদের‌ জানাতে। রোববার তার পরীক্ষা ছি‌ল কি না, সে বিষয়‌টি আমাদের জানায়‌নি।

‘দুপু‌রের দিকে রা‌ব্বিকে বিশ্ব‌বিদ‌্যালয়ের সামনের এক‌টি বাসা থেকে বের করে আনা হয়। এরপর সে জানায় শা‌রীরিকভাবে অসুস্থ এবং সে শহরে যেতে চায়। তারপর তাকে শহরে যাওয়ার ব‌্যবস্থা করে দেয়া হয়। তবে তা‌র সঙ্গে কী হয়ে‌ছি‌ল সে বিষয়ে আমাদের কিছু বলে‌নি। আমরা বিষয়‌টি সম্প‌র্কে খোঁজ নেব এবং রা‌ব্বির সঙ্গে ফের কথা ব‌লব।’

আরও পড়ুন:
বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপি-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ
লক্ষ্মীপুরে বিএনপির সমাবেশে ‘ছাত্রলীগের’ হামলা
ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদকের বিরুদ্ধে পদবাণিজ্যের অভিযোগ
অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা
উপজেলা ছাত্রলীগ সম্পাদকের বিরুদ্ধে গৃহবধূর ধর্ষণ মামলা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
7 students could not take the exam the central secretary was exempted

পরীক্ষা দিতে পারেনি ৭ শিক্ষার্থী, কেন্দ্র সচিবকে অব্যাহতি

পরীক্ষা দিতে পারেনি ৭ শিক্ষার্থী, কেন্দ্র সচিবকে অব্যাহতি পরীক্ষা দিতে না পারা সাত শিক্ষার্থী। ছবি: নিউজবাংলা
বৃহস্পতিবার ছিল জীববিজ্ঞান বিষয়ে পরীক্ষার দিন। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পর পরীক্ষা দিতে যায় চরআবদুল্যাহ ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী জিয়া উদ্দিন, আকিব হোসেন, তাজরিন জাহান, আরমান হোসেন, রুমানা আক্তার, শরীফুল ইসলাম ও নুশরাত জাহান ইতি।

লক্ষ্মীপুরে রামগতিতে দাখিলের ৭ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে না পারায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কেন্দ্র সচিব ও আলেকজান্ডার কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তৈয়ব আলীকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়া চরআবদুল্যাহ মাদ্রারাসাতুল জামেয়াতুল ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবদুল হাকিমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোছাইন আকন্দ।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তবে জীববিজ্ঞান বিষয়ে ৭ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে না পারলেও অন্য বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে।

আনোয়ার হোছাইন আকন্দ বলেন, ‘যেসব শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে পারেনি, তাদেরও গাফিলতি ছিল। তারা রেগুলার মাদ্রাসায় আসা-যাওয়া না থাকায় এ সমস্যা হয়েছে। তারপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

গতকাল বৃহস্পতিবার ছিল জীববিজ্ঞান বিষয়ে পরীক্ষার দিন। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পর পরীক্ষা দিতে যায় চরআবদুল্যাহ ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী জিয়া উদ্দিন, আকিব হোসেন, তাজরিন জাহান, আরমান হোসেন, রুমানা আক্তার, শরীফুল ইসলাম ও নুশরাত জাহান ইতি।

দেরিতে যাওয়ায় কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ তাদের পরীক্ষা দিতে দেয়নি বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।

তাদের অভিযোগ, পরীক্ষা হলে অনুপস্থিত থাকায় হল কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ করলে নয় শিক্ষার্থীর দুইজন পরীক্ষা শুরু ১৫ মিনিট পর উপস্থিত হন। বাকিরা যথা সময়ে উপস্থিন না হওয়ায় পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি।

পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে (একাডেমিক সুপারভাইজার) তাৎক্ষণিক উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন। কিন্তু মাদ্রাসার অধ্যক্ষ খামখেয়ালীপনার কারণে তারা পরীক্ষা দিতে পারেনি।

পরে শিক্ষার্থীরা ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানায়।

শিক্ষার্থী জিয়া উদ্দিন বলেন, ‘চরআবদুল্যাহ ফাজিল মাদ্রাসার বিজ্ঞান বিভাগের ৯ শিক্ষার্থী অতিরিক্ত বিষয় হিসেবে কৃষিশিক্ষা বিষয়টি পাঠ্য হিসেবে অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় অংশ নিলেও প্রবেশপত্রে জীববিজ্ঞান এসেছে। প্রতিষ্ঠান থেকে জানানো হয় জীববিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা হবে না। এ কারণে নিয়মিত ক্লাসও হয়নি। এ জন্য নবম-দশম শ্রেণির দুবছরে একদিনও জীববিজ্ঞানের ক্লাস করাননি। জীববিজ্ঞান পরীক্ষা হবে না। স্যারের কথামত জীববিজ্ঞান পড়ি নাই।’

আরেক শিক্ষার্থী রুমানা আক্তার বলেন, ‘এ ছাড়া প্রাক নির্বাচনি ও নির্বাচনি পরীক্ষায় জীববিজ্ঞান পরীক্ষা নেয়া হয়নি। অ্যাডমিট কার্ডে জীববিজ্ঞান আসায় বিষয়টি অবগত করলেও বিজ্ঞান শিক্ষক রবি শংকর ও অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুল হাকিম জীববিজ্ঞান পরীক্ষা হবে না বলে আমাদের নিশ্চিত করেছেন।’

অব্যাহতি পাওয়া কেন্দ্র সচিব ও আলেকজান্ডার কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা তৈয়ব আলী বলেন, ‘পরীক্ষা শুরুর পর অনুপস্থিত দেখে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। এরপর ৯ পরীক্ষার্থীর দুইজন পরীক্ষা শুরু ১৫ মিনিট পর আসলে অন্যরা সময় মতো না আসায় পরীক্ষা নেয়া হয়নি। এর বেশি কিছু আমি অবগত নয়। এইখানে আমার কোনো অবহেলা ছিল না।’

চরআবদুল্যাহ মাদ্রারাসাতুল জামেয়াতুল ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবদুল হাকিমকে বেশ কয়েকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।

ইউএনও এসএম শান্তুনু চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে শোকজ করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

‘এ ছাড়া পাবলিক পরীক্ষা সংক্রান্ত নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে না পারায় কেন্দ্র সচিব পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ দিতে পারেনি শিক্ষার্থীদের।’

আরও পড়ুন:
‘ভূরুঙ্গামারীর ইউএনওর অবহেলায়’ এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস
প্রশ্নফাঁস: কুড়িগ্রামের উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরখাস্ত
দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন ২ ঘণ্টা পরই
এসএসসি: দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত ৪ বিষয়ের সূচি ঘোষণা
এসএসসির ‘প্রশ্ন ফাঁস’: কুড়িগ্রামে গ্রেপ্তার আরও ৩

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chhatra League gave bicycles to 76 students on the occasion of Sheikh Hasinas birthday

শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ৭৬ ছাত্রীকে বাইসাইকেল দিল ছাত্রলীগ

শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ৭৬ ছাত্রীকে বাইসাইকেল দিল ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে বৃহস্পতিবার ৭৬ ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার দিয়েছে ছাত্রলীগ। ছবি: নিউজবাংলা
প্রথমেই ছাত্রীদের মাঝে বাইসাইকেল উপহারের জন্য আবেদন ফর্ম বিতরণ করা হয় এবং পরে চূড়ান্তভাবে ৭৬ জন ছাত্রীকে ক্রমিক নম্বর সংবলিত টোকেন দেয়া হয়। এসব ছাত্রী প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে ‘জন্মদিনের শুভেচ্ছা চিঠি’ লিখেন। তাদের মধ্য থেকে সেরা ১০ জনকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা বই উপহার দেয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে ৭৬ ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার দিয়েছে ছাত্রলীগ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি ছাত্রী হল, ইডেন কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ এবং গভর্নমেন্ট কলেজ অফ অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্স কলেজের ছাত্রীদের শিক্ষা অনুষঙ্গ হিসেবে এই উপহার দেয়া হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে বৃহস্পতিবার এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

ছাত্রলীগ সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান। প্রধান আলোচক ছিলেন ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. নুজহাত চৌধুরী।

ছাত্রলীগ নেতাদের মধ্যে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের নেতৃবৃন্দ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ছাত্রলীগের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ইমরান জমাদ্দার, উপ-ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ফারুক আহম্মেদ এবং আনোয়ার হোসেন।

অনুষ্ঠানটি সফল করতে প্রথমেই ছাত্রীদের মাঝে বাইসাইকেল উপহারের জন্য আবেদন ফর্ম বিতরণ করা হয় এবং পরে চূড়ান্তভাবে ৭৬ জন ছাত্রীকে ক্রমিক নম্বর সংবলিত টোকেন দেয়া হয়।

এসব ছাত্রী প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে ‘জন্মদিনের শুভেচ্ছা চিঠি’ লিখেন। তাদের মধ্য থেকে সেরা ১০ জনকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা বই উপহার দেয়া হয়।

উপহার প্রদান অনুষ্ঠানে অতিথিরা ‘দুর্যোগ দুর্বিপাকে, সংকট সংশয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ’ শীর্ষক ম্যাগাজিনের মোড়ক উন্মোচন করেন।

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের হামলায় আহত ছাত্রদলের ৬ নেতাকর্মী ঢাকা মেডিক্যালে
ইডেন কলেজ বন্ধের খবরটি গুজব
চবিতে সাংবাদিককে ‘মারধর’ ছাত্রলীগের
ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতদের ‘আমরণ অনশন’ টিকল ১ ঘণ্টা
‘ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদক কেন বহিষ্কার হলেন না?’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Application for admission in batch 17 27 October

গুচ্ছে ভর্তির আবেদন ১৭-২৭ অক্টোবর

গুচ্ছে ভর্তির আবেদন ১৭-২৭ অক্টোবর
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক জানান, কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। আবেদন সংক্রান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে ১৪ অক্টোবর। প্রতি ইউনিটে আবেদন ফি ৫০০ টাকা এবং জামানত ৫ হাজার টাকা।

গুচ্ছ পদ্ধতিতে দেশের ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে সমন্বিত ভর্তি কার্যক্রম চূড়ান্ত করা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ১৭ থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পৃথকভাবে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন।

ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে ১৪ অক্টোবর।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক উপাচার্যদের বৈঠক শেষে বৃহস্পতিবার রাতে নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানান।

ড. ইমদাদুল হক বলেন, ‘গুচ্ছের ভর্তি কার্যক্রমের আবেদন শুরু হবে ১৭ অক্টোবর। কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। আবেদন সংক্রান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ১৪ অক্টোবর প্রকাশ করা হবে। কোটায় ভর্তির জন্য সর্বনিম্ন নম্বর ৩০। অর্থাৎ ৩০-এর নিচে যারা আছে তাদের কোটায় ভর্তি হওয়ার সুযোগ নেই।

‘প্রতি ইউনিটে আবেদন ফি ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন আলাদাভাবে শুরু হবে কিন্তু কেন্দ্রীয়ভাবে মেধাতালিকা প্রস্তুত হবে। অনলাইনে সফটওয়ারের মাধ্যমে এ আবেদন গ্রহণ করা হবে।’

তিনি জানান, শিক্ষার্থীরা আগে অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতো। এতে অনেক টাকা খরচ হতো। এবার ৫ হাজার টাকা জামানত রাখা হবে। সবশেষ যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবে সেখানে এই টাকা সমন্বয় করে দেয়া হবে।

এবার এক আবেদনেই ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা যাবে। এজন্য প্রতি ইউনিট বাবদ ৫০০ টাকা ফি জমা দিতে হবে। এছাড়া ভর্তির সুযোগ পেলে পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। ভর্তি নিশ্চায়ন ছাড়া কেউ ভর্তির সুযোগ পাবেন না।

আরও পড়ুন:
গুচ্ছের ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা শনিবার
গুচ্ছের ‘বি’ ইউনিটে সেরা দিগন্ত, আগ্রহ অর্থনীতিতে
গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটে পাস ৫৫.৬৩%
গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের প্রশ্ন নিয়ে নানা ‘প্রশ্ন’
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
60 students in hospital after drinking water at school

স্কুলে পানি খেয়ে ৬০ শিক্ষার্থী হাসপাতালে

স্কুলে পানি খেয়ে ৬০ শিক্ষার্থী হাসপাতালে স্কুলে পানি পান করে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ছবি: সংগৃহীত
মোহম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, ‘বিদ্যালয়ের টিউবওয়েলের পানি পান করার পর প্রথমে চারজন ও পরে আরও তিনজন হাসপাতালে আসে পেট ব্যথা ও বমির লক্ষণ নিয়ে। তাদের মধ্যে তিনজন বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ে।’

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে একটি স্কুলের টিউবওয়েলের পানি পান করে ৬০ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। পরে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বুধবার সকালে উপজেলার শিতলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর থেকেই শিক্ষার্থী ও অভিভাবদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

নিউজবাংলাকে খবরটি নিশ্চিত করেছেন হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) মোহম্মদ আসাদুজ্জামান।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘বিদ্যালয়ের টিউবওয়েলের পানি পান করার পর প্রথমে চারজন ও পরে আরও তিনজন হাসপাতালে আসে পেট ব্যথা ও বমির লক্ষণ নিয়ে। তাদের মধ্যে তিনজন বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ে।’

ওই চিকিৎসকের ধারণা, পানিতে বিষাক্ত কিছু বা ছত্রাক নাশক কোনো রাসায়নিক মেশানো হতে পারে। সে ধরনের লক্ষণই দেখা গেছে বলে জানান তিনি।

আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমরা পানি সংগ্রহ করেছি। তার নমুনা আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) ঢাকায় পাঠানো হবে পরীক্ষার জন্য। এই সাত জনের বাইরে যারা এসেছে, তারা আতঙ্কিত হয়ে ভর্তি হয়েছে। আমরা সবাইকে চিকিৎসা দিচ্ছি। ৬০ জনই এখন শঙ্কামুক্ত।’

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাদিয়া বলেন, ‘পিপাসা লাগলে কয়েকজন বান্ধবী মিলে পানি খাই। টিউবওয়েলের পানি খাওয়ার পর থেকে পেট ব্যথা করতে শুরু করে। ধীরে ধীরে ৩০ মিনিটের মধ্যে অসুস্থ্যতা বোধ করি। তখন স্কুল থেকে ভ্যানে করে হাসপাতালে নেয়া হয় আমাদের।’

এ বিষয়ে জানতে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলতাফুর রহমান বলেন, ‘স্কুলে অ্যাসেম্বলি শেষে একটি এক ক্লাস হয়, এরপর ছাত্রীরা পানি খাওয়ার পর এমন ঘটনা ঘটে। সে সময় আমি স্কুলে ছিলাম না৷ স্কুলে ক্লাস শুরু হলে মেয়েকে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দিকে গিয়েছিলাম। কেন এমন হলো আমরা সেটি তদন্ত করে দেখছি।’

হরিপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রাইহানুল ইসলাম মিঞা বিকেলে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘স্কুলে টিউবওয়েলের পানি পান করে ৬ জনের মতো শিক্ষার্থী প্রথমে অসুস্থতার খবর পাওয়া যায়। স্কুল কর্তৃপক্ষকে টিউবওয়েলের পানি পান বন্ধে ব্যবস্থা নিতে বলি, পরে পুলিশকে জানাতে বলি। তবে বর্তমানে হাসপাতালে ৩০ জনের মতো শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের খোঁজ নিতে গিয়ে এবং চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি তারা শঙ্কামুক্ত। তবে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।’

হরিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যালয়ের টিউবওয়েলে কোনো বিষ জাতীয় কিছু মেশানো হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এমনটি জানিয়েছেন। আমরা ঘটনা তদন্ত করছি।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two groups of Chhatra Dal called Jai Bangla were involved in the attack Chhatra League

ছাত্রদলের দুই গ্রুপ জয়বাংলা বলে হামলায় জড়িয়েছে: ছাত্রলীগ

ছাত্রদলের দুই গ্রুপ জয়বাংলা বলে হামলায় জড়িয়েছে: ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস বলেছেন, ‘হামলায় ছাত্রলীগের কেউ জড়িত নয়। ছাত্রলীগকে কলুষিত করতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপ জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়ে হামলায় জড়িয়েছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের ওপর স্যার এ এফ রহমান হল ছাত্রলীগের হামলার ঘটনার দায় অস্বীকার করেছে ছাত্রলীগ। সংগঠনটির দাবি, ছাত্রদলের দুই গ্রুপ আওয়ামী লীগের নামে স্লোগান দিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস বলেছেন, ‘হামলায় ছাত্রলীগের কেউ জড়িত নয়। ছাত্রলীগকে কলুষিত করতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপ জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়ে হামলায় জড়িয়েছে।’

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ছাত্রদলের ওপর হওয়া হামলার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন সনজিত চন্দ্র দাস।

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হামলার ছবি আছে বলে জানালে সনজিত বলেন, ‘ছবি থাকুক। এই ঘটনায় ছাত্রলীগের কেউ জড়িত নয়। আমরা জানি তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে এই মারামারি। ছাত্রলীগের কেউ এর সঙ্গে জড়িত নয়।

‘আমরা আজ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে উপাচার্য স্যারের কাছে স্মারকলিপি দিতে এসেছি। আমাদের সব নেতাকর্মী এখানেই আছে। আমাদের কনসার্নের বাইরে গিয়ে আমাদের ছাত্রলীগ কর্মীরা কোন ধরনের কাজ করে না।’

সনজিত বলেন, ‘ছাত্রদল অছাত্রদের সংগঠন। তাদের কোনো কর্মসূচি আছে কি নেই তা নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। বাইরে যারা দাবি করছে যে ছাত্রলীগ তাদের ওপর হামলা করেছে আসলে তাদের একটা ফোবিয়া হয়েছে যে তারা যেখানেই মার খায় ও ধরপাকড়ের শিকার হয়, মনে করে যে ছাত্রলীগ করেছে।

‘আমরা শুনেছি তারা নীলক্ষেত মোড়ে রাস্তা আটকেছে। তখন জনতা ও সাধারণ ছাত্ররা তাদের গণধোলাই দিয়েছে। এখানে ছাত্রলীগের দায় কেন হবে? ওরা মিথ্যাচার করছে। এখানে ছাত্রলীগের বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা নেই।’

জয়বাংলা বলে হামলা করেছে জানালে তিনি বলেন, ‘জয় বাংলা এখন জাতীয় স্লোগান। ছাত্রদল করে বলে জয় বাংলা বলতে পারবে না এটা ঠিক না। ছাত্রদল বা বিএনপিও এখন জয় বাংলা বা জয় বঙ্গবন্ধু বলতে পারবে। ছাত্রলীগকে কুলষিত করার জন্য ওরা জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়ে নিজেরা হামলায় জড়িয়েছে।’

সনজিত বলেন, ‘ছাত্রদল তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ সংগঠন নয়। তারা এখানে আসতেই পারে। তারাও রাজনীতি করবে। আমরাও রাজনীতি করবে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ যদি ছাত্রলীগও নস্যাৎ করে তাহলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রতিহত করতে পারে। আবার ছাত্রদল করলে তাদেরও প্রতিহত করতে পারে।’

ছাত্রদল নিজেদের মধ্যে হামলায় জড়িয়েছে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা গণধোলাই দিয়েছে- দুই ধরনের বক্তব্য কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে দুই ধরনের তথ্যই রয়েছে।’

উপাচার্য যা বললেন

উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসার সময় ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলার বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘সবাই আমাদের কাছে শিক্ষার্থী। কে কোন সংগঠন করবে সে স্বাধীনতা তাদের আছে। সোমবার ছাত্রদল ও ছাত্রলীগ দুটি ছাত্র সংগঠনই দেখা করার জন্য সময় চেয়েছিল। ছাত্রলীগকে ৩টায় এবং ছাত্রদলকে ৪টায় সময় দেয়া হয়েছিল।

‘ছাত্রলীগ যথাসময়ে এসেছে। তাদের সঙ্গে কথা হলো। তারা প্রায় ৩০টি দাবি, কিছু সুপারিশ সংবলিত স্মারকলিপি দিল। এরপর তাদেরকে বললাম, আমাদের আরেকটা ছাত্র সংগঠন আসবে, তাদেরকে সুযোগ করে দাও। এরপর আমি ছাত্রদলের জন্য অপেক্ষা করছি। পরে প্রক্টর সাহেব এসে বললেন- তারা গেট পর্যন্ত এসেছিল, ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি।’

তিনি বলেন, ‘তথ্যগুলো ভালোভাবে এখনও জানি না। ক্যাম্পাসে প্রতিটি ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের রাজনীতি পরিচালনার অধিকার আছে। তারা কেন আসতে পারল না সেটা জানতে হবে। কী ঘটল, কোনো সমস্যা হলো কিনা, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটল কিনা সেটা দেখতে হবে। আমি প্রক্টর সাহেবের কাছে বিষয়টা জানব, বিস্তারিত তথ্যগুলো নিতে বলব।’

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের হামলায় আহত ছাত্রদলের ৬ নেতাকর্মী ঢাকা মেডিক্যালে
ঢাবিতে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Employees should be moderate in using social media

সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক করল প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়

সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক করল প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা’ উদ্ধৃত করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পোস্ট, ছবি, অডিও-ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করার ব্যাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজ একাউন্টে ক্ষতিকর কন্টেন্টের জন্য ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হবেন। এর জন্য তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা’ উদ্ধৃত করে এমন নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সব পরিচালক/প্রকল্প পরিচালক, সব উপ-পরিচালক/বিভাগীয় উপ-পরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা/সুপারিনটেনডেন্ট, পিটিআই, সব উপজেলা/থানা শিক্ষা কর্মকর্তা/ইনস্ট্রাক্টর, ইউআরসিকে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও কর্মচারীদের করণীয় নির্ধারণ করা এবং এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বলা হয়েছে। এছাড়াও নির্দেশিকায় সামাজিক মাধ্যমে দাপ্তরিক ও ব্যক্ষিগত একাউন্ট তৈরি করা এবং এতে পরিহারযোগ্য বিষয়াদি উল্লেখ রয়েছে।

যেসব নির্দেশনা

চিঠিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে সরকার বা রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। জাতীয় ঐক্য ও চেতনা পরিপন্থী তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

কোনো সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে এমন বা ধর্মনিরপেক্ষতা নীতির পরিপন্থী কোনো তথ্য প্রকাশ করা যাবে না। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট বা আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে এমন কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কোনো ‘কন্টেন্ট’ বা ‘ফ্রেন্ড’ সিলেকশনে সবাইকে সতর্কতা অবলম্বন এবং অপ্রয়োজনীয় ট্যাগ, রেফারেন্স বা শেয়ার করা পরিহার করতে হবে।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার বা নিজ অ্যাকাউন্টে ক্ষতিকারক কন্টেন্টের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হবেন এবং সেজন্য তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোনো সার্ভিস বা পেশাকে হেয়প্রতিপন্ন করে এমন কোনো পোস্ট দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। লিঙ্গ বৈষম্য বা এ সংক্রান্ত বিতর্কমূলক কোনো তথ্য প্রকাশ করা যাবে না।

জনমনে অসন্তোষ বা অপ্রীতিকর মনোভাব সৃষ্টি করতে পারে এমন কোনো বিষয়ে লেখা, অডিও বা ভিডিও প্রকাশ বা শেয়ার করা যাবে না। ভিত্তিহীন, অসত্য ও অশ্লীল তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকতে হবে।

কোনো রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য সংবলিত কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Controversial Name for Best Education Officer

শ্রেষ্ঠ শিক্ষা কর্মকর্তা পদক তালিকায় বিতর্কিত নাম

শ্রেষ্ঠ শিক্ষা কর্মকর্তা পদক তালিকায় বিতর্কিত নাম আবদুল আমিন। ছবি সংগৃহীত
সিদ্দিক মোহাম্মদ ইউসুফ রেজা বলেন, ‘চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি নিয়ে আবদুল আমিনের বিরুদ্ধে কোনো শিক্ষক জেলা প্রশাসককে অভিযোগ করার বিষয়টি আমি অবগত নই। কেউ এমন অভিযোগ করে থাকলে সেটি ক্ষতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

নওগাঁয় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২২ তালিকায় বিতর্কিত কর্মকর্তার নাম সুপারিশের অভিযোগ উঠেছে সদর উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটির বিরুদ্ধে।

বিতর্কিত ওই কর্মকর্তা আবদুল আমিন সদরের সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদাবাজিসহ তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এরপরই তার নাম সুপারিশ করায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশ পাওয়ার পর যাচাই-বাছাই কমিটি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যোগ্যজনই যেন পুরস্কার পান সে দাবি করেছেন জেলার সুধীজনরা।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রতি বছর প্রায় ২০ ক্যাটাগরিতে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক দেয়া হয়। একটি নীতিমালার আলোকে প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষক, বিদ্যালয়, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিশেষ অবদান রাখায় সম্মানিত করা হয়।

২০১৩ সালে পদক নীতিমালা হওয়ার পর ২০১৭, ২০১৯ ও ২০২১ সালে সংশোধন করা হয়। দেশের প্রতি জেলায় শ্রেষ্ঠ নির্বাচিতদের প্রতি বছর শিক্ষা পদক দিয়ে আসছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার মহাদেবপুর উপজেলার উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের আব্দুল আমিন ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে নওগাঁ সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। তার আগেও তিনি বিভিন্ন উপজেলায় একই পদে কর্মরত ছিলেন।

সদর উপজেলায় যোগ দেয়ার পর থেকেই তিনি নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়েন। বিভিন্ন বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের বরাদ্দ খাত থেকে উৎকোচ নিচ্ছিলেন বলেও অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।

গত ২৪ এপ্রিল আমিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন সদর উপজেলার মঙ্গলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরিফুর রহমান। তাৎক্ষণিক অভিযোগ ক্ষতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠনও করেন জেলা প্রশাসক।

তবে অভিযোগের ৫ মাস পেরোলেও অজানা কারণে তদন্ত প্রতিবেদন এখনও জমা দেয়া হয়নি। শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে সখ্য থাকায় আমিনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের তদন্ত পিছিয়েছে বলে মনে করেন অনেকেই।

এরইমধ্যে চলতি বছর জেলায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক দিতে শ্রেষ্ঠ তালিকায় উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটি আব্দুল আমিনের নাম সুপারিশ করে। বিষয়টি প্রকাশ পেলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা প্রতিবাদ জানান।

মঙ্গলপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরিফুর রহমান বলেন, ‘আব্দুল আমিনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করার পর থেকেই আমাকে শোকজসহ স্কুলে এসে নানাভাবে হয়রানি করা হয়েছে। সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে সখ্যতার সুবাদে তিনি সব স্কুল থেকে প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজি করেন। প্রতিটা স্কুল থেকে প্রতি বছর কমপক্ষে ৩০ হাজার টাকা করে চাঁদা নেন। এ ছাড়া তিনি বদলি ব্যবসা করেন। এই ধরনের বিতর্কিত কর্মকর্তা কোনভাবেই পদকে ভূষিত হতে পারেন না।’

সুপারিশের তালিকা থেকে বিতর্কিত এই কর্মকর্তার নাম বাদ দেয়ার পাশাপাশি তার অনিয়ম ক্ষতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ চান এই শিক্ষক।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে আব্দুল আমিন বলেন, ‘শ্রেষ্ঠ পদকের তালিকায় আমার নাম আছে এমন কথা আমিও শুনেছি। তবে বিষয়টি অফিস থেকে এখনো আমাকে জানানো হয়নি। কর্তৃপক্ষ আমার যোগ্যতা দেখেই আমাকে পদক দেবেন। বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে চাঁদা আদায়সহ অন্য যেসব অভিযোগ, সেগুলো সঠিক নয়।’

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক নওগাঁ সদরের যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ও সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ইতিয়ারা পারভিন বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে আব্দুল আমিনের চলতি বছরের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ছিল বলেই তার নাম সুপারিশ করে কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। এখানে আমার ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ নেই। তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আছে এমন বিষয় আমার জানা ছিল না।’

কমিটির আরেক সদস্য সচিব ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিক মোহাম্মদ ইউসুফ রেজা বলেন, ‘চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি নিয়ে আবদুল আমিনের বিরুদ্ধে কোনো শিক্ষক জেলা প্রশাসককে অভিযোগ করার বিষয়টি আমি অবগত নই। কেউ এমন অভিযোগ করে থাকলে সেটি ক্ষতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে নামটি আমাদের কাছে এসেছে। এখনো কাউকে চূড়ান্ত করা হয়নি। প্রাথমিক শিক্ষায় যারা বিশেষ অবদান রেখেছেন এমন যোগ্যদেরকে মূল্যায়ন করেই পদক দেয়া হবে। শীঘ্রই তালিকাটি প্রকাশ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
যেখানেই যান, সেখানেই ‘ঘুষ-অনিয়মে’ সালাম

মন্তব্য

p
উপরে