× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The Prime Minister is going to Tungipara to pay his respects to the Father of the Nation
hear-news
player
print-icon

জাতির পিতাকে শ্রদ্ধা জানাতে টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতির-পিতাকে-শ্রদ্ধা-জানাতে-টুঙ্গিপাড়া-যাচ্ছেন-প্রধানমন্ত্রী
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স। ছবি: নিউজবাংলা
প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-১ মোহাম্মদ শামীম মুসফিক গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর আগমনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

একই কর্মসূচিতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদেরও অংশ নেয়ার কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-১ মোহাম্মদ শামীম মুসফিক গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর আগমনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, ‘সোমবার বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা থেকে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে যাত্রা করবেন। বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা কমপ্লেক্স মাঠে নির্মিত হেলিপ্যাডে অবতরণ করবে হেলিকপ্টার। এরপর সেখান থেকে সড়কপথে প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সে পৌঁছবেন। দুপুর ১২টায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিন বাহিনীর একটি সশস্ত্র চৌকস দল তাকে অনার গার্ড প্রদান করবে।’

পরে সুরা ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

দুপুর সাড়ে ১২টায় জাতির পিতার সমাধি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত মিলাদ মাহফিলে অংশ নেবেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। এরপর বেলা ২টা ৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবেন বলে জানানো হয়।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে টুঙ্গিপাড়া পর্যন্ত প্রায় ৮০ কিলোমিটার সড়ক ও মহাসড়কে কালো কাপড় দিয়ে তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কালো পতাকা টাঙানো হয়েছে। টুঙ্গিপাড়াজুড়ে শোকের আবহ সৃষ্টি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সসহ আশপাশের এলাকা। জেলাজুড়েই নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক বিশ্বাস বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসে সরকারের কাছে আমাদের দাবি, বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার কার্যকর করার।’

টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. বাবুল শেখ বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকীতে উপজেলা আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি কাঙালিভোজের আয়োজন করা হবে।’

টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার মেয়র শেখ তোজাম্মেল হক টুটুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। তখন সর্বস্তরের মানুষ বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।’

গোপালগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুল হাসান বলেন, ‘জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতির পিতার সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সের ধোয়ামোছা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ যাবতীয় কাজ গণপূর্ত অধিদপ্তর শেষ করেছে।’

গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, ‘জাতীয় শোক দিবসে প্রধানমন্ত্রীর টুঙ্গিপাড়া সফর উপলক্ষে জেলা পুলিশের পক্ষে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আমরা সর্বত্র সজাগ আছি।’

জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা বলেন, ‘জাতির পিতার শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতির শোক দিবসের রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়ায় আসবেন। তার আগমনকে কেন্দ্র করে সব ধরনের প্রস্তুতি আমরা শেষ করেছি।’

আরও পড়ুন:
বঙ্গমাতা বিশ্বব্যাপী নারীদের কাছে অনুকরণীয়: প্রধানমন্ত্রী
যুব সমাজ যেন খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক চর্চায় আরও আন্তরিক হয়: প্রধানমন্ত্রী
খুনিচক্র আমাকেও সরাতে চায়: প্রধানমন্ত্রী
‘বিএনপি দিনের বেলায় সিল মারত, রাতে দেয়া লাগবে কেন’
বিএনপি নেতাদের হাতে হারিকেন ধরিয়ে দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Outcasts of Eden Chhatra League at the press conference

সংবাদ সম্মেলনে ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতরা

সংবাদ সম্মেলনে ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতরা ইডেন কলেজ ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতরা। ছবি: নিউজবাংলা
ইডেন কলেজ ক্যাম্পাসে সোমবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে সংবাদ সম্মেলন শুরু করেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতরা। এর আগে আমরণ অনশনে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত ১ নম্বর সহসভাপতি সোনালি আক্তার।

সংবাদ সম্মেলনে এসেছেন রাজধানীর ইডেন কলেজে মারামারির ঘটনায় বহিষ্কৃত ছাত্রলীগের পদধারীরা।

কলেজ ক্যাম্পাসে সোমবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে সংবাদ সম্মেলন শুরু করেন তারা।

এর আগে আমরণ অনশনে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত ১ নম্বর সহসভাপতি সোনালি আক্তার।

তিনি বলেন, সোমবার দুপুর থেকে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে অনশন শুরু হবে।

সোনালি বলেন, ‘আমাদের সহকর্মী জান্নাতুল ফেরদৌস আপুর ওপর হওয়া হামলার ঘটনায় এতসব ঘটনা। অথচ সেই আপুর ওপর হওয়া হামলার কোনো বিচার না করে আমরা যারা এটির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছি, তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। আমরা সুষ্ঠু বিচার চাই।’

তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচার না হয়ে একপাক্ষিক বিচার হয়েছে। এই একপাক্ষিক বিচারের প্রতিবাদে আমরা একটু পর ধানমন্ডির পার্টি অফিসে গিয়ে আমরণ অনশন করব।’

নিজেদের দাবির বিষয়ে ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত এ নেতা বলেছিলেন, ‘আমাদের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে ২৫ জন পদধারী নেত্রী, কিন্তু বহিষ্কার করা হয়েছে ১২ জনকে।

‘আমরা তাদের বহিষ্কার চাচ্ছি না। আমরা চাচ্ছি জান্নাতুল ফেরদৌস আপুর ওপর হওয়া হামলার সুষ্ঠু বিচার।’

তিনি আরও বলেন, ‘জান্নাত আপুর ওপর হওয়া হামলার বিচার না করে আমাদের কেন বহিষ্কার করা হলো? আগে তাদের বিচারের আওতায় এনে আমাদের যদি কোনো দোষ থাকে, সেটির ব্যবস্থা নিতে পারত।’

কমিটি স্থগিত

দুই পক্ষের হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে ১৬ জনকে।

রোববার মধ্যরাতে ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্থায়ী বহিষ্কার হওয়াদের মধ্যে ১০ জন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি, একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক আর চারজন কর্মী।

তারা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন অভিযোগ করে কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যকলাপে জড়িত থাকার অপরাধে ১৬ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আর এটির প্রাথমিক প্রমাণও পাওয়া গেছে।

স্থায়ী বহিষ্কার হওয়া ছাত্রীরা হলেন ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি সোনালি আক্তার, সুস্মিতা বাড়ৈ, জেবুন্নাহার শিলা, কল্পনা বেগম, জান্নাতুল ফেরদৌস, আফরোজা রশ্মি, মারজানা ঊর্মি, সানজিদা পারভীন চৌধুরী, এস এম মিলি ও সাদিয়া জাহান সাথী। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা খানম বিন্তি, সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখি এবং কর্মী রাফিয়া নীলা, নোশিন শার্মিলী, জান্নাতুল লিমা ও সূচনা আক্তার।

মারধরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও সংঘর্ষ

শনিবার রাতে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের এক সহসভাপতিকে মারধর করেন কলেজ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা। এর প্রতিবাদে রাতেই বিক্ষোভ করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

রোববার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে ওই ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার দাবি জানান ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের ৪৩ সদস্যের কমিটির ২৫ জন। সন্ধ্যায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ। বাকিরা এর প্রতিবাদ জানালে দুই পক্ষে আবারও সংঘর্ষ হয়।

আরও পড়ুন:
বাইডেন দেশের শত্রু: ট্রাম্প
ট্রাম্প সমর্থকরা গণতন্ত্রের জন্য হুমকি: বাইডেন
রিভার তোপে হলছাড়া সেই দুই ছাত্রী
ফের বিতর্কে ছাত্রলীগ নেত্রী রিভা
অডিও ফাঁস: ক্ষমা চাইলেন ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Committee of Eden Chhatra League suspended expulsion 16

ইডেন ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত, বহিষ্কার ১৬

ইডেন ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত, বহিষ্কার ১৬ ইডেন মহিলা কলেজে রোববার সন্ধ্যায় সৃষ্ট সংঘর্ষে আহত ছাত্রলীগ সভাপতি রিভাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
স্থায়ী বহিষ্কার হওয়াদের মধ্যে ১০ জন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি, একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক আর চারজন কর্মী। তারা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে বিভিন্ন অভিযোগ করে কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন।

দুই পক্ষের হামলা-পাল্টাহামলার ঘটনায় রাজধানীর ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে ১৬ জনকে।

রোববার মধ্যরাতে ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্থায়ী বহিষ্কার হওয়াদের মধ্যে ১০ জন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি, একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক আর চারজন কর্মী।

তারা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে বিভিন্ন অভিযোগ করে কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যকলাপে জড়িত থাকার অপরাধে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। আর এটির প্রাথমিক প্রমাণও পাওয়া গেছে।

কমিটি স্থগিতের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ইডেন মহিলা কলেজ শাখার সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা হলো।

এতে আরও বলা হয়, অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে এই বিশৃঙ্খলার সঙ্গে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের যারা জড়িত রয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থায়ী বহিষ্কার হওয়া ছাত্রীরা হলেন ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি সোনালি আক্তার, সুস্মিতা বাড়ৈ, জেবুন্নাহার শিলা, কল্পনা বেগম, জান্নাতুল ফেরদৌস, আফরোজা রশ্মি, মারজানা ঊর্মি, সানজিদা পারভীন চৌধুরী, এস এম মিলি ও সাদিয়া জাহান সাথী। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা খানম বিন্তি, সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখি এবং কর্মী রাফিয়া নীলা, নোশিন শার্মিলী, জান্নাতুল লিমা ও সূচনা আক্তার।

কীসের ভিত্তিতে বহিষ্কার করা হলো- এমন প্রশ্নে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা একটা তদন্ত কমিটি করেছিলাম, তারা তাতে আস্থা রাখতে পারছে না। তাই আমরা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ একটি বডি মিলে এই ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত করেছি। আমরা ভিডিও ফুটেজ দেখে হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

এ ঘটনায় আরও তদন্ত চলবে বলে জানান লেখক ভট্টাচার্য।

রোববার ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের নেত্রীরা অভিযোগ করেন কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাদের ফোন ধরেন না, যার ফলে তারা কোনো অভিযোগ জানাতে পারেন না।

এ বিষয়ে লেখক ভট্টাচার্য বলেন, ‘তারা আমাদের কোনো ফোনই দেয়নি। সব কিছু নিয়ে মিথ্যাচার করছে। তারা যে সিট বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির কথা বলছে, এটার কোনো প্রমাণ তো দিতে পারছে না তারা। কমিটি দেওয়ার পর থেকেই একটি অংশ বারবার কমিটিকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল।’

শনিবার রাতে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের এক সহসভাপতিকে মারধর করেন কলেজ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা। এর প্রতিবাদে রাতেই বিক্ষোভ করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

রোববার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে ওই ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের ৪৩ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির ২৫ জন। সন্ধ্যায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ। বাকিরা এর প্রতিবাদ জানালে দুই পক্ষে আবারও সংঘর্ষ হয়।

আরও পড়ুন:
ইডেনের সংঘর্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে আ. লীগ
ইডেনের ক্যাম্পাসছাড়া রিভা-রাজিয়া
ছাত্র পেটানো তিলোত্তমার নেতৃত্বে কমিটি মানেন না ইডেনের কর্মীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A League is taking action against those responsible for the clash in Eden

ইডেনের সংঘর্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে আ. লীগ

ইডেনের সংঘর্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে আ. লীগ ইডেন কলেজে সংঘর্ষের জের ধরে ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদক ক্যাম্পাসছাড়া হওয়ার পর রোববার রাতে বিরোধী পক্ষের উচ্ছ্বাস, স্লোগান। ছবি: নিউজবাংলা
আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের দায়িত্বশীল এক নেতা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ইডেনের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনগত দুই ধরনের ব্যবস্থাই নেয়া হবে। এর অংশ হিসেবে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পুলিশ হেফাজতে আছেন।’

ইডেন মহিলা কলেজে ছাত্রলীগের সংঘর্ষে জড়িত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছাত্রলীগকে দেখভালের দায়িত্বে থাকা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমকে রোববার রাতে টেলিফোন করে এ নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের বিশ্বস্ত একটি সূত্র নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, ওবায়দুল কাদের ফোনে নাছিমকে বলেন- ‘ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নেতাকর্মীদের গালাগাল করেছিলেন বলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের মেয়েরা নিজেদের মধ্যে মারামারি করে দুর্নাম বয়ে আনছে, দলের ক্ষতি করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সব উন্নয়ন অর্জন তারা ম্লান করে দিচ্ছে। এখনই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।’

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের দেখভাল করতে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেলকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

শাসক দলটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের দায়িত্বশীল এক নেতা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ইডেনের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনগত দুই ধরনের ব্যবস্থাই নেয়া হবে। এর অংশ হিসেবেই ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পুলিশ হেফাজতে আছেন।’

প্রসঙ্গত, শনিবার রাতে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের এক সহ-সভাপতিকে মারধর করেন কলেজ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা। এর প্রতিবাদে রাতেই বিক্ষোভ করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। রোববার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে ওই ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের ৪৩ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির ২৫ জন। সন্ধ্যায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ। বাকিরা এর প্রতিবাদ জানালে দু’পক্ষে পুনরায় সংঘর্ষ হয়।

আরও পড়ুন:
রিভার তোপে হলছাড়া সেই দুই ছাত্রী
ফের বিতর্কে ছাত্রলীগ নেত্রী রিভা
অডিও ফাঁস: ক্ষমা চাইলেন ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি
ট্রাম্পকে পুড়িয়ে ছেলেসহ অবকাশে বাইডেন
ফের করোনা পজিটিভ বাইডেন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
PMs words mean last elections were not fair Musharraf

প্রধানমন্ত্রীর কথার অর্থ গত নির্বাচনগুলো সঠিক ছিল না: মোশাররফ

প্রধানমন্ত্রীর কথার অর্থ গত নির্বাচনগুলো সঠিক ছিল না: মোশাররফ রাজধানীর বাড্ডা হাইস্কুল মাঠে রোববার সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
সমাবেশে খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘বিশ্বের কেউ গত নির্বাচনকে নির্বাচন বলে না। অথচ শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগের সময় গণতন্ত্রের সুবাতাস বয়। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। অর্থনীতিতে লুটপাট চালিয়েছে। আর বিএনপির ইতিহাস গণতন্ত্রকে বার বার পুনরুদ্ধার করা।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ কথার অর্থ বিগত নির্বাচনগুলো সঠিক ছিল না।

রাজধানীর বাড্ডা হাইস্কুল মাঠে রোববার বিকেলে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

জ্বালানি তেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিসহ সারাদেশে বিএনপির নেতা-কর্মীদের হত্যা ও হামলা-মামলার প্রতিবাদে এই সমাবেশ ডাকা হয়। গুলশান, বাড্ডা ও রামপুরা থানার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে অসংখ্য নেতা-কর্মী ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মিছিল নিয়ে এতে অংশ নেয়।

সমাবেশে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ করে মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘দেশে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করে রাস্তায় আসুন; সেখানে পরীক্ষা হবে।

তিনি বলেন, ‘সরকারের দুর্নীতি, লুটপাট আর বিদেশে টাকা পাচারের কারণে জ্বালানি তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ এখানে আমরা যে কারণে সমাবেশ করছি তা বিএনপির দলীয় কোনো ইস্যু নয়, দেশের ১৮ কোটি মানুষের ইস্যু।

‘এই সরকার মেগা প্রজেক্টের নামে মেগা দুর্নীতি করে বিদেশে টাকা পাচার করে দেশকে দেউলিয়া করে ফেলেছে। সরকার হঠাৎ করেই জ্বালানি তেলের দাম ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে দিয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য লাগামহীন। বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে আওয়ামী সিন্ডিকেট।

‘প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন লোডশেডিং জাদুঘরে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। অথচ আজ লোডশেডিংয়ের কারণে মানুষের জীবন বিপর্যস্ত। অর্থনীতি ধ্বংসের কিনারায় চলে গেছে। এর একমাত্র কারণ সরকারের দুর্নীতি ও বিদেশে টাকা পাচার।’

বিএনপির এই বর্ষীয়াণ নেতা বলেন, এই সরকার দিনের ভোট রাতে ডাকাতি করে গায়ের জোরে ক্ষমতায় রয়েছে। সেজন্য সাধারণ মানুষের প্রতি তাদের কোনো দায়বদ্ধতা নেই। আজ গরিব-খেটে খাওয়া মানুষের ঘরে হাঁড়ি জ্বলছে না।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশে গণতন্ত্রের সুবাতাস বয়- প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের সমালোচনা করে ড. মোশারফ বলেন, ‘আমি মনে করিয়ে দিতে চাই- ৭২ থেকে ৭৫ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থেকে গণতন্ত্র হত্যা করেছিল। তারা গণতন্ত্র হত্যাকারী। আজ যিনি প্রধানমন্ত্রী তিনি বিনাভোটে একবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। আর একবার ভোট ডাকাতি করে হয়েছেন।

‘বিশ্বের কেউ গত নির্বাচনকে নির্বাচন বলে না। অথচ তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সময় গণতন্ত্রের সুবাতাস বয়। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। অর্থনীতিতে লুটপাট চালিয়েছে। ১৯৭৪ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার কারণে বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল। আর বিএনপির ইতিহাস গণতন্ত্রকে বার বার পুনরুদ্ধার করা।’

বিএনপির এই বর্ষীয়াণ নেতা বলেন, ‘শেখ হাসিনা বলেছেন যে এবারের নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। আমরা তার কথায় বিশ্বাস করি না। আমরা ভোটারবিহীন সরকার দেখেছি। ১৫৪ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করেছিল।

‘সুষ্ঠু নির্বাচন হবে- প্রধানমন্ত্রীর এ কথা এদেশের জনগণ কেউ বিশ্বাস করে না। তাই আমাদের একটাই দাবি, অবিলম্বে পদত্যাগ করে সংসদ বাতিল করুন। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হোক, লেভেল প্লেইং ফিল্ড হোক, আপনারা রাস্তায় আসুন, সেখানে পরীক্ষা হবে।’

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ডাকসুর সাবেক ভিপি আমানউল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে ও এবিএম রাজ্জাকের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক, আবুল খায়ের ভূইয়া, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, নির্বাহী সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, মহানগর উত্তর বিএনপির নেতা তাবিথ আউয়াল, আমিনুল হক, আব্দুল আলীম নকী, মুনসী বজলুল বাসিত আনজু, শামসুল হক, তহিরুল ইসলাম তুহিন, যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
বিএনপি ক্ষমতায় এলে জাতীয় সংসদ হবে দ্বিকক্ষের: রুমিন
বিএনপি নয়, জনগণকে ক্ষমতায় বসানোর কথা বলছি: ফখরুল
সরকারের অন্যায় আদেশ মানতে গিয়ে নিষেধাজ্ঞায় র‍্যাব: ফখরুল
যুবদল কর্মী শাওনের দাফন
সরকারের পতন ঘটিয়ে শাওন হত্যার বদলা: ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There will be horses in Hatishal elephants in Ghorashal you will not stay

‘হাতিশালে হাতি, ঘোড়াশালে ঘোড়া থাকবে, আপনারা থাকবেন না’

‘হাতিশালে হাতি, ঘোড়াশালে ঘোড়া থাকবে, আপনারা থাকবেন না’ প্রেস ক্লাবের সামনে এক সমাবেশে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ছবি: সংগৃহীত
রিজভী বলেন, ‘মিথ্যা কথা বলে, জনগণের টাকা লুট করে আপনারা মনে করেছেন আপনাদের সাধের সিংহাসন ঠিক থাকবে। হাতিশালে হাতি আর ঘোড়াশালে ঘোড়া থাকবে, এই সুখের স্বপ্ন আর আপনাদের থাকবে না।’

সারা দেশের মানুষ উত্তাল হয়ে উঠেছে, আর কোনো ব্যারিকেড দিয়ে সরকার তাদের রুখতে পারবে না। হাতিশালে হাতি, ঘোড়াশালে ঘোড়া থাকলেও আওয়ামী লীগ আর সিংহাসনে থাকতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

আন্দোলনে যারা নিহত হয়েছেন, তাদের নিয়ে যারা বিভ্রান্তিমূলক কথা ছড়াচ্ছে, একদিন তারাও রেহাই পাবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

রাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে রোববার বাংলাদেশ লেবার পার্টির উদ্যোগে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের উদ্যোগগতি নিয়ন্ত্রণের দাবিতে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘বর্তমান দেশের যে পরিস্থিতি তা আর চলতে দেয়া যাবে না। গুলি করবেন? সেই গুলিতে শরীর থেকে রক্ত ঝরবে; সেই রক্ত যে মাটিতে পড়বে সেই মাটি আরও তেজস্বী হয়। সেই মাটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধে আরও অঙ্গীকারবদ্ধ হয়। দুই শাওন, নারায়ণগঞ্জের এবং মুন্সিগঞ্জের আব্দুর রহিম, নূরে আলমের যে রক্ত ঝরেছে নিশ্চয়ই এটা বৃথা যাওয়ার জন্য নয়।’

তিনি বলেন, ‘সারা দেশের মানুষ উত্তাল হয়ে উঠেছে, আর কোনো ব্যারিকেড দিয়ে রুখতে পারবেন না। পথে-ঘাটে-মাঠে এমন ব্যারিকেড তৈরি হবে। আজ যারা ফালতু কথা বলছে, হত্যা করার পরেও যারা নানাভাবে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, জনগণের আক্রোশ থেকে তারা রেহাই পাবেন না।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘মিথ্যা কথা বলে, জনগণের টাকা লুট করে আপনারা মনে করেছেন আপনাদের সাধের সিংহাসন ঠিক থাকবে। হাতিশালে হাতি আর ঘোড়াশালে ঘোড়া থাকবে, এই সুখের স্বপ্ন আর আপনাদের থাকবে না।’

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বিএনপির মুখপাত্র বলেন, ‘জনগণ প্রস্তুত আছে চূড়ান্ত আঘাতের জন্য। আপনি বন্দুক দিয়ে জনগণের শক্তিকে দমাতে পারবেন না। সেই রাইফেল জনগণের শক্তি কোন দিকে ঘুরিয়ে দিবে সেটা চিন্তা করে কথা বলবেন। এখনো সময় আছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন।’

নির্বাচন কমিশনার শেখ হাসিনার চাকর বলেও মন্তব্য করেন রিজভী। বলেন, ‘এরা নির্বাচন কী করবে? শেখ হাসিনা যদি এ কে বি বলে, এরাও বি ই বলবে। শেখ হাসিনা যদি দিনকে রাত বলে, এরা তাই বলবে। তাই এই চাকর-বাকর দিয়ে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে না।

‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার এসে সবার গ্রহণযোগ্য একটা নির্বাচন কমিশন গঠন করবে সেই নির্বাচনের অধীনেই সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনের গ্যারান্টি গণতন্ত্রের মা মুক্তি।’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জীবনের সব সুখ-শান্তি বিসর্জন দিয়ে গণতন্ত্রের পক্ষে কাজ করছেন বলেও জানান তিনি। তাই তাকে এখনো সরকার ভয়ে মুক্তি দিচ্ছে না বলেও উল্লেখ করেন।

একজনকে মারলে আওয়ামী লীগ সরকার ১০ জনকে মারে। অথচ জাতিসংঘে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শান্তির পক্ষে বক্তব্য দিচ্ছেন দাবি করে বলেন, তার এমন বক্তব্য দেয়া মানায় না।

সমাবেশে আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান ডাক্তার মুস্তাফিজুর রহমান ইরানসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বিএনপি ক্ষমতায় এলে জাতীয় সংসদ হবে দ্বিকক্ষের: রুমিন
বিএনপি নয়, জনগণকে ক্ষমতায় বসানোর কথা বলছি: ফখরুল
সরকারের অন্যায় আদেশ মানতে গিয়ে নিষেধাজ্ঞায় র‍্যাব: ফখরুল
লাশ ফেলে আন্দোলন জমানোর অশুভ তৎপরতায় বিএনপি: কাদের
সংঘর্ষের মামলায় ৩ নম্বর আসামি শাওন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Why should the government resign to whom Fakhrul Kader

সরকার কেন, কার কাছে পদত্যাগ করবে: ফখরুলকে কাদের

সরকার কেন, কার কাছে পদত্যাগ করবে: ফখরুলকে কাদের ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
‘নির্বাচন ও জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া সরকার পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। সরকার একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্বাচিত হয়েছে, যাথাসময়ে আগামী নির্বাচন হবে।’

বর্তমান সরকার কী কারণে এবং কার কাছে পদত্যাগ করবে- সেটি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের কাছে জানতে চেয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রোববার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে এক ব্রিফিংয়ে বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে তিনি এই প্রশ্ন রাখেন।

তিনি বলেন, ‘সরকার কী কারণে পদত্যাগ করবে, কেন পদত্যাগ করবে, কার কাছে পদত্যাগ করবে?’

২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে সরকারে থাকা আওয়ামী লীগে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে বা ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে বিএনপি ভোটের বদলে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে আন্দোলনে ফিরে গেছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে নিয়ে সরকারকে অবিলম্বে পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব।

তবে এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে কাদের বলেন, ‘নির্বাচন ও জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া সরকার পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। সরকার একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্বাচিত হয়েছে, যাথাসময়ে আগামী নির্বাচন হবে।’

সরকার পরিবর্তন চাইলে বিএনপিকে ইতিবাচক রাজনীতিতে ফিরে আসার আহ্বান জানান ক্ষমতাসীন দলের নেতা। বলেন, ‘নৈরাজ্য সৃষ্টি করে সরকার পরিবর্তনের দুঃস্বপ্ন দেখে কোনো লাভ নেই।’

উচ্চ আদালতের রায়ে বাতিল হওয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরানোর কোনো সুযোগ নেই বলে আবার জানিয়ে দেন কাদের। বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি মীমাংসিত ইস্যু। এ নিয়ে মাতামাতি করে কোনো লাভ নেই।’

আওয়ামী লীগের উন্নয়ন ও অর্জনের সঙ্গে দেশের জনগণ রয়েছে বলেও দাবি করেন ক্ষমতাসীন দলের নেতা। বলেন, ‘অগণতান্ত্রিক পথে বিএনপির ক্ষমতা দখলের খোয়াব অচিরেই ভেঙে যাবে।’

আওয়ামী লীগ যখন রাজপথে নামবে জনগণকে সঙ্গে নিয়েই নামবে বলে ঘোষণা দেন তিনি।

আরও পড়ুন:
তত্ত্বাবধায়ক ফিরে আসা আপাতত সম্ভব নয়: কাদের
রাজপথ বিএনপির পৈতৃক সম্পত্তি নয়: কাদের
বিএনপি নিজেদের মারামারিতে সরকারকে দায় দিচ্ছে: কাদের
ভোটে ‘অযোগ্য’ বিএনপি পথ খুঁজছে ষড়যন্ত্রে: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The workers of Eden did not accept the committee led by student Petano Tilottma

ছাত্র পেটানো তিলোত্তমার নেতৃত্বে কমিটি মানেন না ইডেনের কর্মীরা

ছাত্র পেটানো তিলোত্তমার নেতৃত্বে কমিটি মানেন না ইডেনের কর্মীরা ইডেন কলেজ প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলন কলেজ ছাত্রলীগের নেত্রীরা। ছবি: নিউজবাংলা
‘তদন্ত কমিটিতে রাখা হয়েছে নিশি ও তিলোত্তমাকে। এর আগে যখন রিভার অডিও ফাঁস হয়েছে সেটিরও তদন্ত করতে দেয়া হয় নিশি-তিলোত্তমাকে। তারা সেই তদন্তের কোনো রিপোর্ট আমাদের জানায়নি। নিশি আর তিলোত্তমার তদন্ত কমিটি আমরা মানব না।’

রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌসকে মারধরের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি মানেন না বলে জানিয়েছেন তার অনুসারীরা। তারা বলছেন, তদন্ত কমিটিতে রাখা হয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি তিলোত্তমা শিকদার এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেনজির হোসেন নিশিকে। এর আগেও বিভিন্ন ঘটনায় তাদের সদস্য করে কমিটি গঠন করা হলেও তারা শেষ পর্যন্ত কোনো রিপোর্ট জমা দেননি।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানাকে বহিষ্কার না করা হলে গণপদত্যাগেরও ঘোষণা দিয়েছেন ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের ২৫ নেত্রী।

এরা সবাই কলেজ ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির পদধারী।

রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় ইডেন কলেজ প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেয়া হয়।

এ সময় তারা এই দাবি মেনে নিতে ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকা ২৫ নেত্রী বর্তমান কলেজ ছাত্রলীগ কমিটির সহসভাপতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদধারী।

জান্নাতুলের অনুসারীরা শনিবারের ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটি মানেন না জানিয়ে তারা বলেন, ‘তদন্ত কমিটিতে রাখা হয়েছে নিশি ও তিলোত্তমাকে। এর আগে যখন রিভার অডিও ফাঁস হয়েছে সেটিরও তদন্ত করতে দেয়া হয় নিশি-তিলোত্তমাকে। তারা সেই তদন্তের কোনো রিপোর্ট আমাদের জানায়নি। নিশি আর তিলোত্তমার তদন্ত কমিটি আমরা মানব না।’

উপস্থিত নেত্রীরা বলেন, ‘বারবার অপরাধ করেও কেন্দ্র থেকে ইডেন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। এবার যদি কোনো ব্যবস্থা নেয়া না হয় তাহলে আমরা এখানে উপস্থিত ২৫ জনই গণহারে পদত্যাগ করব।’

গত ১৯ আগস্ট ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রিভার একটি অডিও সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ছাত্রলীগের কর্মসূচিতে না যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের হুমকির অডিও ছড়িয়ে যাওয়ার পর তা নিজের বলে গণমাধ্যমের কাছে স্বীকারও করেন তামান্না।

এদিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি তিলোত্তমা শিকদার নানা কারণে বারবার আলোচনায় এসেছেন।

এর আগে গত ২৬ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের সংঘর্ষের ঘটনায় তিলোত্তমার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় হাতে লাঠি ও হেলমেট পরা অবস্থায় দেখা যায় তাকে। এ ঘটনায় তিলোত্তমা শিকদারসহ ৩২ নেতার বিরুদ্ধে মামলাও হয়।

ইডেন কলেজের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে কথা বলায় নিজ অনুসারীদের দিয়ে কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌসকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার রাতে হওয়া এই ঘটনায় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং গভীর রাতেই রিভা-রাজিয়া বিরোধীপক্ষের অনুসারী শিক্ষার্থীরা কলেজ প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে তারা রিভা ও রাজিয়ার শাস্তি দাবি করেন। এ সময় তারা রাজিয়া ও রিভাকে হল থেকে বের করে দেয়ারও দাবি জানান।

রোববারের সংবাদ সম্মেলন থেকে আট দাবি জানানো হয়।

দাবিগুলো হলো- জান্নাতুল ফেরদৌসের ওপর হওয়া হামলার সাংগঠনিক জবাব চাই, সাধারণ শিক্ষার্থীদের হেনস্তার সুষ্ঠু বিচার চাই, ক্যাম্পাসের সব সিসিটিভি ফুটেজ লুকানোর চেষ্টা করা যাবে না, মাতৃতুল্য অধ্যক্ষকে নিয়ে কটাক্ষ করার জবাব চাই, একচেটিয়া রাজনীতি এবং চাঁদাবাজির রাজনীতি বন্ধ করতে হবে, প্রত্যেক শিক্ষার্থীর নিরাপদে থাকার ব্যবস্থা নিতে হবে, প্রায় শতাধিক রুম দখলের হিসাব দিতে হবে এবং জান্নাতুল ফেরদৌসের যেসব ছবি তোলা হয়েছে তা সব নেতাদের সামনে ডিলিট করতে হবে এবং তার সব জিনিস ফেরত দিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখী।

তিনি বলেন, ‘গতকাল জান্নাতুল ফেরদৌসের ওপর হওয়া হামলায় জড়িতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের নাম আমরা জানতে পেরেছি। তারা হলেন ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি নুজহাত ফারিয়া রোকসানা, আয়েশা সিদ্দিকা মিম, আর্ণিকা তাবাসসুম স্বর্ণা, শিরিনা আক্তার, সোমা মল্লিক পপি, জিনাত হাসনাইন, লিমা ফেরদৌস, আশরাফ লুবনা বিজলী আক্তার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ঋতু আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুন্নাহার জ্যোতি এবং ফারজানা ইয়াসমিন নীলা।’

বৈশাখী বলেন, ‘তবে মারধরের ঘণ্টাখানেক আগে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা জান্নাতুলের রুমে হামলা চালায়। এ সময় তার রুমে থাকা ল্যাপটপ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে যায়।

‘পরে হামলার সময় সহসভাপতি আয়েশা সিদ্দিকা মিম এবং রোকসানা জান্নাতুল ফেরদৌস এবং তার সঙ্গে থাকা ছোট বোনের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে সভাপতির হাতে তুলে দেন তারা।’

এ সময় রিভা-রাজিয়ার অনুসারীরা জান্নাতুলের গলার স্বর্ণের চেন, ব্যাগে থাকা নগদ ১৫ হাজার টাকা এবং ছোট বোনের হাতে থাকা আংটিও কেড়ে নেয় বলে অভিযোগ করেন বৈশাখী।

মন্তব্য

p
উপরে