× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Father son dies in 2 bike collision mother in critical condition
hear-news
player
print-icon

২ বাইকের সংঘর্ষে বাবা-ছেলের মৃত্যু, আশঙ্কাজনক মা

২-বাইকের-সংঘর্ষে-বাবা-ছেলের-মৃত্যু-আশঙ্কাজনক-মা
নিহত বাবা-ছেলের স্বজনদের আহাজারি। ছবি: নিউজবাংলা
মহাদেবপুর থানার ওসি আজম উদ্দিন মাহমুদ জানান, ঘটনাস্থল থেকে মোটরসাইকেল দুটি জব্দ করে থানায় নেয়া হয়েছে। অন্য মোটরসাইকেলের চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় দুই মোটরসাইকেল সংঘর্ষে বাবা-ছেলে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী পূজা রানী গুরুতর আহত অবস্থায় নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কের বলিহার বেলিব্রিজ সংলগ্ন রানিপুকুর নামক স্থানে ওই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতারা হলেন- জেলার মান্দা উপজেলার সতিহাটের ঢেপড়া গ্ৰামের ৩৬ বছর বয়সী রথীন্দ্রনাথ ও তার ৬ বছরের ছেলে রাধাকান্ত।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন মহাদেবপুর থানার ওসি আজম উদ্দিন মাহমুদ।

নিহতের ফুফাতো ভাই সত্যম কুমার জানান, উপজেলার শিকারপুরে শ্বশুরবাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে চড়ে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন রথীন্দ্রনাথ। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়।

পরে তাদেরকে উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতাল নিয়ে আসলে রথীন্দ্রনাথ ও রাধাকান্তকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। একই হাসপাতালে বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন রথীন্দ্রনাথের স্ত্রী পূজা রানী।

২ বাইকের সংঘর্ষে বাবা-ছেলের মৃত্যু, আশঙ্কাজনক মা
এই বাইকেই স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে চড়েছিলেন নিহত রথীন্দ্রনাথ

মহাদেবপুর থানার ওসি আজম উদ্দিন মাহমুদ জানান, ঘটনাস্থল থেকে মোটরসাইকেল দুটি জব্দ করে থানায় নেয়া হয়েছে। অন্য মোটরসাইকেলের চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

ওসি বলেন, ‘পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় এখনও কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

উল্লেখ্য, এর আগে দুপুর ১টার দিকে একই উপজেলার একই মহা-সড়কে ফয়েজ উদ্দিন কোল্ডস্টরের পাশে একটি প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে গেলে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:
সীতাকুণ্ডে বাইক দুর্ঘটনায় ২ নারী নিহত
ফেরি দিয়ে বাইক পারাপারের উদ্যোগ
বাইক বন্ধে ফিরল বাসের টিকিটের দুর্ভোগ
বাইক নিয়ে পদ্মা সেতু পার হওয়ার চেষ্টা, চালক আটক
ঈদযাত্রায় বাইকারদের নিতে হবে মুভমেন্ট পাস

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Chittagong DC warns around Durga Puja

দুর্গাপূজা ঘিরে চট্টগ্রামের ডিসির হুঁশিয়ারি

দুর্গাপূজা ঘিরে চট্টগ্রামের ডিসির হুঁশিয়ারি চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহরে মঙ্গলবার দুপুরে সম্প্রীতি শোভাযাত্রা বের করে জেলা প্রশাসন। ছবি: নিউজবাংলা
চট্টগ্রামের ডিসি বলেন, ‘এবার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করলে বিন্দুমাত্র ছাড় নেই। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড কঠোর হাতে দমন করা হবে। এ দেশে কোনো অপশক্তি যেনো মাথাচাড়া দিতে না পারে, সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’

দুর্গাপূজা ঘিরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টকারীদের বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মমিনুর রহমান।

চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহরে এলজিইডি মিলনায়তনে মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসন আয়োজিত সম্প্রীতি সমাবেশে এই হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

ডিসি বলেন, ‘কয়েক দিন পরই হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। এ উৎসব ঘিরে উন্নয়নবিরোধী একটি মহল দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। গত বছর দুর্গাপূজার সময় কুমিল্লায় ফেসবুকে অপপ্রচার চালিয়ে তারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চেয়েছিল, তা সফল হয়নি।

‘এবার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করলে বিন্দুমাত্র ছাড় নেই। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড কঠোর হাতে দমন করা হবে। এ দেশে কোনো অপশক্তি যেনো মাথাচাড়া দিতে না পারে, সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’

সমাবেশের শুরুতে বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা গড়ার শপথ বাক্য পড়ান জেলা প্রশাসক। পরে সম্প্রীতি শোভাযাত্রা বের করা হয়।

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ সমাবেশে বলেন, ‘শুধু দুর্গাপূজা নয়, কখনোই কোনো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়া যাবে না। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে। আগামি দুর্গাপূজায় কোনো বিশৃঙ্খল পরিবেশ থাকবে না। পূজামণ্ডপ ঘিরে কেউ নাশকতার পরিকল্পনা বা উসকানি দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. বদিউল আলম সমাবেশ সঞ্চালনা করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফফর আহমদ, জেলা ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার একেএম সরোয়ার কামাল দুলু, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মফিজুর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম এহেছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল।

আরও পড়ুন:
পূজায় এবার যেতে হবে না বাবার বাড়ি, ২ গ্রামে
দেবীপক্ষের সূচনা
পুরান ঢাকায় দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা
চলছে প্রতিমায় রং তুলির আচড়
পূজার ছুটিতেও পরীক্ষা নেবে ঢাবির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
I dont have to go to my fathers house in 2 villages for puja

পূজায় এবার যেতে হবে না বাবার বাড়ি, ২ গ্রামে

পূজায় এবার যেতে হবে না বাবার বাড়ি, ২ গ্রামে শারদীয় দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে প্রস্তুত হচ্ছে রুটি গ্রামের পূজা মণ্ডপ। ছবি: নিউজবাংলা
আখাউড়া পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব বিশ্বজিৎ পাল বলেন, ‘এবার আখাউড়ায় ২২টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে। তবে মূল আকর্ষণ হিসেবে থাকবে মসজিদপাড়া ও রুটি গ্রামের পূজা।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার পৌর এলাকার মসজিদপাড়া আর ধরখার ইউনিয়নের রুটি গ্রাম। প্রতিবছর দুর্গাপূজা এলেই তা উদযাপনের জন্য হিন্দু অধ্যুষিত এ গ্রাম দুটির গৃহবধূরা চলে যেতেন বাবার বাড়ি। কারণ গত পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে এ দুটি গ্রামে কোনো দুর্গাপূজা হয়নি।

দীর্ঘ বছর পর এবার ওই দুটি গ্রামে উদযাপিত হতে যাচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব। দেবী দুর্গার প্রতিমাকে ঠাঁই দিতে গ্রাম দুটির সার্বজনীন পূজা আয়োজনের স্থানে সাজানো হচ্ছে মণ্ডপ।

স্থানীয়রা জানান, স্বাধীনতারও ৪/৫ বছর বছর আগে সর্বশেষ ওই দুটি গ্রামে দুর্গাপূজা উদযাপিত হয়েছে। পরে আর্থিক অসচ্ছলতা, লোকবল আর উদ্যোগের অভাবে অর্ধশত বছরেরও বেশি সময় ধরে দেবী দুর্গার পূজা করতে পারেননি তারা।

এ দুটি গ্রামের বাসিন্দারা তাই অন্য এলাকায় গিয়ে পূজা করতেন। পূজার সময় এলে বাবার বাড়িতে দল বেঁধে রওনা হতেন গৃহবধূদের অনেকেই।

মঙ্গলবার গ্রাম দুটিতে গিয়ে দেখা যায়, পূজা উদযাপন হবে এমন আনন্দে মেতেছেন বাসিন্দারা। সাজ সাজ রব তাদের। পূজার স্থানে চলছে প্যান্ডেল ও মণ্ডপ তৈরির কাজ। নির্মিত হচ্ছে তোরণ। সড়ক থেকে পূজার জন্য নির্ধারিত স্থান পর্যন্ত সরু পথের দুই পাশে থাকবে আলোকসজ্জাও।

তবে শুধু আর্থিক স্বচ্ছলতাই নয়। বাসিন্দারা জানালেন, এবার গ্রাম দুটিতে পূজা উদযাপনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন আখাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল।

এ বিষয়ে পৌর মেয়র বলেন, ‘দীর্ঘদিন রুটি গ্রামের শশ্মানঘাটের জায়গা বেদখল ছিল। তবে আইনমন্ত্রী সে জায়গাটি উদ্ধার করে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে ফিরিয়ে দিয়েছেন। তাই আমি গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে বলেছি- এ বছর পূজা উদযাপন করুন। আমরা সহযোগিতা করবো।’

আখাউড়া পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব বিশ্বজিৎ পাল বলেন, ‘এবার আখাউড়ায় ২২টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে। তবে মূল আকর্ষণ হিসেবে থাকবে মসজিদপাড়া ও রুটি গ্রামের পূজা। আশা করি, এখন থেকে প্রতিবছরই এ দুটি গ্রামে পূজা উদযাপিত হবে।’

রুটি গ্রামের গৃহবধূ জোসনা রানী শীল জানান, ২৩ বছর আগে তিনি এ গ্রামটিতে বউ হয়ে এসেছেন। কিন্ত স্বামীর বাড়িতে কোনোদিন দূর্গাপুজার আয়োজন না হওয়ায় পূজার আনন্দ করতে পারেননি।

জোসনা রানীর মতো বকুল রানীও জানালেন, এবার পূজায় তাই বাবার বাড়ি যেতে হবে না তাদের।

আরও পড়ুন:
দেবীপক্ষের সূচনা
পুরান ঢাকায় দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা
চলছে প্রতিমায় রং তুলির আচড়
পূজার ছুটিতেও পরীক্ষা নেবে ঢাবির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ
মেহে‌ন্দীগঞ্জে মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 were killed in an autorickshaw hit by a bus

অটোরিকশায় বাসের ধাক্কায় নিহত ৩

অটোরিকশায় বাসের ধাক্কায় নিহত ৩
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর থেকে যাত্রী নিয়ে অটোরিকশাটি ভৈরবের দিকে যাচ্ছিল। বিকেল ৩টার দিকে অটোরিকশাটি কুলিয়ারচরের ছয়সূতী এলাকা পার হওয়ার সময় পেছনে থাকা একটি বাস ধাক্কা দেয়।

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে অটোরিকশায় বাসের ধাক্কায় তিন জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন একজন।

কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক সড়কের কুলিয়ারচরের ছয়সূতী এলাকায় মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন কুলিয়ারচরের লালপুর গ্রামের মতিয়ার রহমান ও ভৈরবের নূরুল ইসলাম। নিহত আরেকজনের পরিচয় নিশ্চিত করেনি পুলিশ।

তথ্যগুলো জানিয়েছেন কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর থেকে যাত্রী নিয়ে অটোরিকশাটি ভৈরবের দিকে যাচ্ছিল। বিকেল ৩টার দিকে অটোরিকশাটি কুলিয়ারচরের ছয়সূতী এলাকা পার হওয়ার সময় পেছনে থাকা একটি বাস ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশায় থাকা চারজনের মধ্যে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা আহতদের হাসপাতালের নেয়ার সময় পথে আরও একজন মারা যান।

ওসি আরও জানান, খবর পেয়ে তখনই গিয়ে বাসটিকে জব্দ করা হয়। তবে চালককে পাওয়া যায়নি। আহত ব্যক্তিকে ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মাইক্রোবাসের চাপায় প্রাণ গেল পথচারীর
ট্রাকচাপায় পা হারাল ৩ বছরের শিশু
রাস্তা পার হওয়ার সময় বাইকের ধাক্কায় নারী নিহত
ট্রাকচাপায় ইজিবাইকে থাকা নানি-নাতনি নিহত
অসুস্থ মাকে দেখতে গিয়ে প্রাণ হারালেন নারী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After 11 years of rape and murder 9 people get life

ধর্ষণের পর হত্যায় ১১ বছর পর ৯ জনের যাবজ্জীবন

ধর্ষণের পর হত্যায় ১১ বছর পর ৯ জনের যাবজ্জীবন
২০১১ সালের মার্চ মাসে সদরের বিষয়খালী গ্রামের ওই গৃহবধূকে তুলে নিয়ে নিয়ে ধর্ষণ করে আসামিরা। তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

ঝিনাইদহ সদরে ১১ বছর আগে গৃহবধুকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার রায়ে ৯ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মিজানুর রহমান মঙ্গলবার দুপুরে এ রায় দেন।

আসামিরা হলেন বিষয়খালী এলাকার মোহাম্মদ রসুল, শরিফুল ইসলাম, আমিরুল ইসলাম, গোলাম রসুল, আব্দুল আজিজ, আজিজুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম, বাদশা মিয়া ও আব্দুল বাতেন। এদের মধ্যে শরিফুল ও আমিরুল ইসলাম পলাতক আছেন।

মামলার আরেক আসামি মো. আনোয়ারের মৃত্যু হয়েছে।

২০১১ সালের মার্চ মাসে সদরের বিষয়খালী গ্রামের ওই গৃহবধূকে তুলে নিয়ে নিয়ে ধর্ষণ করে আসামিরা। তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

এ হত্যার নিহতের স্বামী পরদিন আসামি করে সদর থানায় মামলা করেন।

মামলার বাদী নিহতের স্বামী বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর হলেও বিচার পেয়ে আমরা খুশি। এই রায় যেন কার্যকর হয়।’

আরও পড়ুন:
রাতে শিশুটিকে ডোবায় ফেলে এসে ঘুমিয়ে পড়েন বাবা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ধর্ষণের অভিযোগে ওয়ার্ডবয় গ্রেপ্তার
জমি নিয়ে বিরোধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
প্রতিবেশীর আমবাগানে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদকের ঝুলন্ত মরদেহ
চুরির অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The doctor was released from the peon while going to jail

জেলে যাওয়ার সময় পিয়ন, ছাড়া পেয়ে ‘ডাক্তার’

জেলে যাওয়ার সময় পিয়ন, ছাড়া পেয়ে ‘ডাক্তার’ করোনার ভুয়া সনদ তৈরি করায় গ্রেপ্তার হন সাঈদ হোসেন। জামিনে মুক্তি পেয়ে গ্রামে গিয়ে হয়েছেন চিকিৎসক। ছবি: নিউজবাংলা
সাঈদ হোসেনের মা সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিৎসকের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। মায়ের অনুরোধে সাঈদকে সাভার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পিওনের চাকরি পাইয়ে দেন সেই চিকিৎসক। করোনার ভুয়া সনদ বিক্রির অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় তিনি গ্রেপ্তার হন ২০২০ সালের ২৫ মে। পরের বছর জামিনে মুক্তি পেয়ে ফেরেন বাড়িতে। সেখানে গিয়ে নামের সঙ্গে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করে শুরু করেন চিকিৎসা।

নওগাঁর সাঈদ হোসেন। ছিলেন ঢাকার সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর অফিস সহায়ক (পিয়ন)। ২০২০ সালে দেশে করোনা মাহামারি শুরু হলে বিদেশগামী যাত্রীদের কাছে করোনার জাল সনদ বিক্রির দায়ে গ্রেপ্তার হয়ে যান কারাগারে। জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি গ্রামের বাড়ি নওগাঁর হোগল বাড়িতে ফিরে বনে গেছেন চিকিৎসক।

সব রোগের ‘চিকিৎসা জানা আছে’ সাঈদের। তাই কাউকে ফেরান না। নামের আগে পদবিও লিখছেন, ‘ডাক্তার’। রোগীদের ওষুধ লিখে ব্যবস্থাপত্র দিচ্ছেন ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায়।

সেই ব্যবস্থাপত্রে নিজের নামের পাশে ডিগ্রি হিসেবে লিখেছেন, ‘ডিএমএফ’, নিজেকে পরিচয় দিচ্ছেন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার।

কোত্থেকে এই ‘ডিএমএফ’ ডিগ্রি নিয়েছেন, এর মানে কী, কারা এই ডিগ্রি নেন, তার সনদ বা রোল-রেজিস্ট্রেশন নম্বর কী, তার কোনো কিছুই দেখাতে পারেননি সাঈদ।

এই ডিএমএফ ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের একটি ডিগ্রি। তবে যে কেউ এটি করতে পারেন এমন নয়। বিজ্ঞান বিষয়ে পড়াশোনা করে পরীক্ষা দিয়ে এই কোর্সে ভর্তি হতে হয়।

চার বছরের এই ডিগ্রি শেষ করে সদনধারীদের কমিউনিটির ডাক্তার হিসেবে কাজ করতে হবে। তাদেরকে গ্রামে-গঞ্জে থাকতে হবে। শহরে থাকতে পারবেন না।

আবার হাইকোর্টের একটি রায় অনুযায়ী বিকল্প ধারার চিকিৎসা পদ্ধতির পেশাধারীরা নামের সঙ্গে ডাক্তার লিখতে পারবেন না।

চিকিৎসকদের নিবন্ধন দেয় যে সংস্থা, সেই বিএমডিসির আইনেও নিবন্ধনভুক্ত মেডিক্যাল বা ডেন্টাল ইনস্টিটিউট কর্তৃক এমবিবিএস অথবা বিডিএস ডিগ্রিধারী ছাড়া কেউ ডাক্তার পদবি ব্যবহার করতে পারবেন না।

তবে সাঈদ থাকেন শহরে। নওগাঁর সদর উপজেলার হোগল বাড়ি মোড়ে ভাই ভাই মেডিকেয়ার ফার্মেসিতে বসেন। রোগী দেখেন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত।

পরিচিতজনদের কাছ থেকে তথ্য মিলেছে, সাঈদ হোসেনের মা সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিৎসকের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। মায়ের অনুরোধে সাঈদকে সাভার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পিওনের চাকরি পাইয়ে দেন সেই চিকিৎসক।

করোনা শুরু হওয়ার পর সাঈদ জড়িয়ে যান করোনার ভুয়া সনদ তৈরিতে। বিষয়টি জানাজানি হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে করে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা। ২০২০ সালের ২৫ মে গ্রেপ্তার হন তিনি।

মামলাটির বিচার এখনও শেষ হয়নি। এর মধ্যে ২০২১ সালে জামিনে মুক্তি পান তিনি। ফিরে আসেন গ্রামের বাড়িতে। সেখানে একটি ফার্মেসি ও চেম্বার বসিয়ে শুরু করেন চিকিৎসা।


চিকিৎসা করাতে এসে প্রাণ যায় যায়

হোগল বাড়ি গ্রামের সাজু হোসেন নামে এক ভুক্তভোগী জানান, মাস তিনেক আগে তার বাচ্চার সুন্নাতে খাৎনা করান সাঈদের কাছে। এরপর থেকে শিশুর রক্তপাত থামছিল না। অবস্থা বেগতিক দেখে রাত দেড়টার দিকে শিশুটিকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান তার বাবা।

সাজু বলেন, ‘আমার বাচ্চা সেদিন মরেই যাচ্ছিল। আল্লাহ পুনরায় হায়াত দিছে।’

সেদিনের ঘটনা গ্রামের মাতব্বরদের জানালে শালিসে সাঈদকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

জেলে যাওয়ার সময় পিয়ন, ছাড়া পেয়ে ‘ডাক্তার’
সাঈদ হোসেনের দেয়া ব্যবস্থাপত্র। ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয় মোতাহার হোসেন নামের এক প্রবীণ বলেন, ‘সাঈদ একটা ভুয়া ডাক্তার। আমার একটা সমস্যার জন্য দীর্ঘদিন থেকে তার কাছে চিকিৎসা করছি, কিন্তু রোগ সারেনা। উপায় না পেয়ে আমি শহরে ভালো ডাক্তার দেখাই। তারা আমাকে জানায় অসুখ অনুযায়ী ওষুধ ঠিক হয় নাই, রোগ সারবে কই থেকে?

‘পরে সেই ডাক্তার আমাকে এক শ টাকার ওষুধ দিছে, খেয়ে আমি বর্তমানে সুস্থ। এ তো রোগ-ই ধরতে পারে না, তাহলে কীসের ডাক্তার এই সাঈদ?’

চিকিৎসা নিতে আসা খাদেমুল ইসলাম নামে আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘প্রসাবের জ্বালাপোড়া, মাথা ঘোরানো ও চোখে ঝাপসা এই সমস্যা নিয়ে আসছি। এর আগেও চিকিৎসা নিয়েছি, কিন্তু কোনো উন্নতি হচ্ছে না। বরং সমস্যা আরও বাড়ছে। ১০দিন পর আসতে বলছিল, তাই আবার এসেছি।’

আবুল কালাম আজাদ হোসেন নামে স্থানীয় একজন বলেন, ‘সে (সাঈদ) তো ঢাকায় একটা হাসপাতালের পিওন ছিল। এরপর শুনেছি করোনার জাল সনদ বিক্রি করার জন্য জেলে গেছে। এখন জেল থেকে এসে আবার দেখি ডাক্তার হয়ে গেছে। সে কখন ভর্তি হলো, আর কখন চাকরি করল, আর কীভাবেই বা ডাক্তার হলো বিষয়টা তদন্ত হওয়া দরকার।’


সাঈদ যা বলছেন

সাঈদ হোসেনের চেম্বারে গিয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সাভার প্রিন্স মেডিক্যাল ইনস্টিটিটিউট (ম্যাটস) থেকে আমি ১১-১২ সেশনে ডিএমএফ করেছি।’

এর চেয়ে বেশি কোনো তথ্য দিতে পারেননি তিনি।

আপনার কোনো সনদ বা পাশ করার প্রমাণ আছে- এমন প্রশ্ন করা হলে জবাব এড়িয়ে চেম্বার ছেড়ে বাইরে চলে যান সাঈদ।

পরে আবার ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘সামনে মাসে ২৩ তারিখ আমার মামলার হাজিরা আছে। সেটা শেষ করে এসে সকল তথ্য দেবো, আমার সকল কাগজপত্র আছে।’

এক পর্যায়ে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, ‘এসব ব্যাপারে কোনো তথ্য দিতে পারব না। আপনাদের যা ইচ্ছে করতে পারেন।’

বিষয়টি নিয়ে কথা হলে নওগাঁর সিভিল সার্জন আবু হেনা মোহাম্মদ রায়হানুজ্জামান সরকার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আপনাদের মাধ্যমে বিষয়টি সম্পর্কে জানলাম। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
রোগীর পেটে কাঁচি ফেলে আসায় চিকিৎসক জেলে
নারী চিকিৎসক হত্যা: রেজাউলের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পিছিয়েছে
‘ভুল চিকিৎসা’য় প্রসূতির মৃত্যুর জেরে সংঘর্ষ
নিজ হাসপাতালে হয়রানির শিকার হয়ে বিস্মিত চিকিৎসক
বাবার লাশের পাশে ফেসবুক লাইভ: অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Protests over deaths in police custody in Tangail

পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু নিয়ে বিক্ষোভ টাঙ্গাইলে

পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু নিয়ে বিক্ষোভ টাঙ্গাইলে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী। ছবি: নিউজবাংলা
লেবু মিয়ার স্ত্রী আলেয়া বেগম বলেন, ‘ভালো মানুষকে নিয়ে গেছে পুলিশ। তার সঙ্গে কিছুই ছিল না। কীভাবে রশি তার কাছে গেলো? এটা আত্মহত্যা না হত্যা করা হয়েছে।’

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আটক এক ব্যক্তির মৃত্যুর পর ব্যাপক বিক্ষোভ দেখিয়েছেন এলাকাবাসী। তারা টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক বন্ধ করার পাশাপাশি স্থানীয় একটি বাজারে ঘণ্টাব্যাপী অবরোধও করেন।

পুলিশের দাবি, সেই ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। তবে স্বজন ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, তাকে পুলিশ নির্যাতন করে হত্যা করেছে। এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সোমবার রাতে উপজেলার বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়িতে লেবু মিয়া নামে এক ব্যক্তি মারা যান। তিনি বাঁশতৈল গ্রামের বাহার উদ্দিনের ছেলে।

সখিনা আক্তার নামে এক নারীকে হত্যায় জড়িত থাকার সন্দেহে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লেবু মিয়া ও সেই নারীর সাবেক স্বামী মফিজুর রহমানকে আটক করে।

পুলিশ জানায়, পাঁচ বছর আগে স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয় সখিনা আক্তারের। দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর প্রবাসী ছেলের স্ত্রীকে থাকতেন। পুত্রবধূ বাড়িতে যাওয়ায় গত রোববার রাতে সখিনা বাড়িতে একাই ছিলেন। রাতের কোনো এক সময় তার ঘরে ঢুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরদিন বেলা ১২ টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে বাঁশতৈল ফাড়ি পুলিশ। এই ঘটনায় মফিজুর ও লেবুকে আটক করে রাতে ফাঁড়ির হাজাতখানায় রাখা হয়।

বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মনিরুজ্জামান বলেন, ‘মঙ্গলবার সকালে পুলিশ ফাঁড়িতে যাই। সেখানে গিয়ে লেবু মিয়ার গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় তাকে দেখতে পাই।’

পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু নিয়ে বিক্ষোভ টাঙ্গাইলে
বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়িতে মারা যান লেবু মিয়া। ছবি: সংগৃহীত

লেবু মিয়ার স্ত্রী আলেয়া বেগম বলেন, ‘ভালো মানুষকে নিয়ে গেছে পুলিশ। তার সঙ্গে কিছুই ছিল না। কীভাবে রশি তার কাছে গেলো? এটা আত্মহত্যা না হত্যা করা হয়েছে।’

এই ঘটনায় বিক্ষোভ দেখানো মাসুদ মিয়া বলেন, ‘এটা আত্মহত্যা না, হত্যা করা হয়েছে। তিনি মানসিক রোগী না যে আত্মহত্যা করবেন। তিনি ভালো মানুষ। তাকে বেধরক মারপিটের কারণে মারা গেছে।’

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন, ‘বিষয়টি মর্মান্তিক। তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পরই আসলে বোঝা যাবে তার মৃত্যুটা কীভাবে হয়েছে।

‘যেহেতু ঘটনা স্পর্শকাতর তাই ঘটনা তদন্ত পূর্বক সকল ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

লেবুর স্ত্রীর অভিযোগ, পরিবারকে না জানিয়ে পুলিশ লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
হেফাজতে মৃত্যু: রামপুরায় সড়কে বিক্ষোভ, যানজট
হেফাজতে মৃত্যু: লাশ হস্তান্তর নিয়ে স্বজন-পুলিশের বিপরীত বক্তব্য
হাতিরঝিল থানা হেফাজতে মৃত্যু: ২ পুলিশ বরখাস্ত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Half naked Tiktkar arrested in front of female students

ছাত্রীদের সামনে লুঙ্গি তুলে নাচা টিকটকার আটক

ছাত্রীদের সামনে লুঙ্গি তুলে নাচা টিকটকার আটক শোভনের নির্মাণ করা এই ভিডিও ফেসবুক ও টিকটকে ভাইরাল হয়ে যায়। ছবি: নিউজবাংলা
ছাত্রীদের সামনে লুঙ্গি তুলে নাচা অবস্থায় শোভনের একটি ভিডিও ফেসবুক ও টিকটকে ভাইরাল হয়ে গেলে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসে।

মেহেরপুরে সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে স্কুলছাত্রীদের সামনে লুঙ্গি তুলে নেচে টিকটক ভিডিও নির্মাণ করে ভাইরাল হওয়া এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার রাতে মেহেরপুর সদর থানা পুলিশের একটি দল অভিযুক্ত কিশোর শোভনকে নিজ বাসা থেকে আটকের পর মঙ্গলবার দুপুরে তাকে জেলা প্রবেশন কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করে।

অষ্টম শ্রেণিতে পড়া টিকটকার শোভনের বয়স ১৪ বছর। তিনি মেহেরপুর শহরের ফৌজদারি পাড়ার শামীম হোসেনের ছেলে।

আটকের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন মেহেরপুর সদর থানার ওসি তদন্ত মেজবাহ উদ্দিন।

ওসি জানান, মেহেরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও মহিলা কলেজ রোড পাশাপাশি হওয়ায় ছুটির পর কিছু উঠতি বয়সের ছেলে স্কুল-কলেজের মেয়েদের নানাভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছে। এদের মধ্যে শোভন সম্প্রতি লুঙ্গি তুলে ছাত্রীদের উদ্দেশে অঙ্গভঙ্গি করে একটি টিকটক ভিডিও নির্মাণ করেন।

শোভনের ওই ভিডিও পরে ফেসবুক ও টিকটকে ভাইরাল হয়ে গেলে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসে।

আটক শোভনের বিষয়ে ওসি বলেন, ‘যেহেতু সে এখনও শিশু, তাই তাকে আমরা প্রবেশন কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেছি।’

এ বিষয়ে জেলা প্রবেশন ও সমাজসেবা কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, আটক শোভন অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে এবং শিশু হওয়ায় তার বাবা-মাকে ডেকে আনা হয়। পরে মুচলেকা নিয়ে তাদের কাছে শোভনকে হস্তান্তর করা হয়।’

আরও পড়ুন:
ক্লাস ফাঁকি দিয়ে টিকটক করায় ৩ ছাত্রীকে টিসি
ধলেশ্বরীতে নিখোঁজ ‘টিকটকারের’ মরদেহ উদ্ধার
সেতু থেকে ধলেশ্বরীতে লাফ দিয়ে টিকটকার নিখোঁজ
ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে নিরাপদ করতে টিকটকে নতুন ফিচার
টিকটকারদের ওপর নজরদারি বাড়ানোর সুপারিশ

মন্তব্য

p
উপরে