× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Traffic instructions in the capital on National Day of Mourning
hear-news
player
print-icon

জাতীয় শোক দিবসে রাজধানীতে ট্রাফিক নির্দেশনা

জাতীয়-শোক-দিবসে-রাজধানীতে-ট্রাফিক-নির্দেশনা
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে রাজধানীতে যানবাহন চলাচলে নির্দেশনা দিয়েছে মহানগর পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠান উপলক্ষে ধানমন্ডি-৩২ এর চারপাশে রাস্তায় যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকবে।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ১৫ আগস্ট রাজধানীর বেশ কয়েকটি সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকবে। শনিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবসে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্যসহ বিভিন্ন স্তরের জনসাধারণ ধানমন্ডি-৩২, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন।

এ সময় ঢাকা মহানগরী ও পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে বিভিন্ন পরিবহনযোগে ও হেঁটে অসংখ্য নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষের আগমন ঘটবে। এ উপলক্ষে ধানমন্ডি–৩২-এর চারপাশে রাস্তায় যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের যানবাহন সুষ্ঠুভাবে চলাচল নিশ্চিত করতে ও যানজট এড়াতে ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর এলাকায় চলাচলরত গাড়িচালক বা ব্যবহারকারীদের ১৫ আগস্ট ভোর থেকে অনুষ্ঠান শেষ না হওয়া পর্যন্ত গমনাগমনের জন্য নিচের পথ অনুসরণের অনুরোধ করা হয়েছে:

১. মিরপুর-গাবতলী থেকে রাসেল স্কয়ার-আজিমপুর অভিমুখী যাত্রীবাহী যানবাহন ধানমন্ডি ২৭ নম্বর রোডে ডানে মোড় নিয়ে শংকর-জিগাতলা-সায়েন্সল্যাব হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে;

২. নিউ মার্কেট ও সায়েন্সল্যাব থেকে রাসেল স্কয়ার অভিমুখী যাত্রীবাহী যানবাহন ধানমন্ডি ২নং রোড বামে মোড় নিয়ে জিগাতলা-শংকর (সাতমসজিদ রোড) হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে;

৩. রেইনবো এফডিসি থেকে রাসেল স্কয়ার অভিমুখী যাত্রীবাহী বাস সোনারগাঁও ক্রসিংয়ে বামে মোড় নিয়ে বাংলামটর দিয়ে শাহবাগ হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে;

৪. আমন্ত্রিত অতিথিদের গমনাগমনের পথ: মানিক মিয়া এভিনিউ-ধানমন্ডি ২৭ হয়ে মেট্রো শপিং মলের সামে ডানে মোড় নিয়ে আহসানিয়া মিশন ক্রসিং হয়ে বামে মোড় নিয়ে ৩২নং পশ্চিম প্রান্তে পৌঁছাবে।

আরও পড়ুন:
টাঙানো হয়নি জাতীয় পতাকা, শোক ব্যানার
বঙ্গবন্ধুর দুর্লভ ছবি নিয়ে ঢাবিতে আলোকচিত্র প্রদর্শনী
শোক দিবসে শিশুরা আঁকল বঙ্গবন্ধুর ছবি
বঙ্গবন্ধু হত্যার দিন মালয়েশিয়ায় অস্থির ছিলেন সালাউদ্দিন-চুন্নুরা
‘যে মাটিতে শেখ সাহেব ঘুমিয়ে, তাতে আমি জুতা পায়ে হাঁটতে পারি না’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The expellees of Eden Chhatra League are going on hunger strike

আমরণ অনশনে যাচ্ছেন ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতরা

আমরণ অনশনে যাচ্ছেন ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতরা সংবাদ সম্মেলন শেষে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা হন ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতরা। ছবি: নিউজবাংলা
ইডেন কলেজ ক্যাম্পাসে সোমবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে সংবাদ সম্মেলন শুরু করেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতরা। সংবাদ সম্মেলন শেষে তারা ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা হন।

সংবাদ সম্মেলনের পর আমরণ অনশনে শুরু করছেন ইডেন কলেজে মারামারির ঘটনায় বহিষ্কৃত শাখা ছাত্রলীগের নেতারা।

কলেজ ক্যাম্পাসে সোমবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে সংবাদ সম্মেলন শুরু করেন তারা।

আমরণ অনশনে যাচ্ছেন ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতরা

সংবাদ সম্মেলন শেষে তারা ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা হন।

এর আগে আমরণ অনশনে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত ১ নম্বর সহসভাপতি সোনালি আক্তার।

তিনি বলেছিলেন, সোমবার দুপুর থেকে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে অনশন শুরু হবে।

কমিটি স্থগিত

দুই পক্ষের হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে ১৬ জনকে।

রোববার মধ্যরাতে ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্থায়ী বহিষ্কার হওয়াদের মধ্যে ১০ জন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি, একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক আর চারজন কর্মী।

তারা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন অভিযোগ করে কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যকলাপে জড়িত থাকার অপরাধে ১৬ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আর এটির প্রাথমিক প্রমাণও পাওয়া গেছে।

স্থায়ী বহিষ্কার হওয়া ছাত্রীরা হলেন ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি সোনালি আক্তার, সুস্মিতা বাড়ৈ, জেবুন্নাহার শিলা, কল্পনা বেগম, জান্নাতুল ফেরদৌস, আফরোজা রশ্মি, মারজানা ঊর্মি, সানজিদা পারভীন চৌধুরী, এস এম মিলি ও সাদিয়া জাহান সাথী। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা খানম বিন্তি, সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখি এবং কর্মী রাফিয়া নীলা, নোশিন শার্মিলী, জান্নাতুল লিমা ও সূচনা আক্তার।

মারধরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও সংঘর্ষ

শনিবার রাতে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের এক সহসভাপতিকে মারধর করেন কলেজ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা। এর প্রতিবাদে রাতেই বিক্ষোভ করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

রোববার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে ওই ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার দাবি জানান ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের ৪৩ সদস্যের কমিটির ২৫ জন। সন্ধ্যায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ। বাকিরা এর প্রতিবাদ জানালে দুই পক্ষে আবারও সংঘর্ষ হয়।

আরও পড়ুন:
সংবাদ সম্মেলনে ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতরা
ইডেন ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত, বহিষ্কার ১৬
ইডেনের সংঘর্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে আ. লীগ
ইডেনের ক্যাম্পাসছাড়া রিভা-রাজিয়া
ছাত্র পেটানো তিলোত্তমার নেতৃত্বে কমিটি মানেন না ইডেনের কর্মীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Outcasts of Eden Chhatra League at the press conference

সংবাদ সম্মেলনে ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতরা

সংবাদ সম্মেলনে ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতরা ইডেন কলেজ ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতরা। ছবি: নিউজবাংলা
ইডেন কলেজ ক্যাম্পাসে সোমবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে সংবাদ সম্মেলন শুরু করেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতরা। এর আগে আমরণ অনশনে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত ১ নম্বর সহসভাপতি সোনালি আক্তার।

সংবাদ সম্মেলনে এসেছেন রাজধানীর ইডেন কলেজে মারামারির ঘটনায় বহিষ্কৃত ছাত্রলীগের পদধারীরা।

কলেজ ক্যাম্পাসে সোমবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে সংবাদ সম্মেলন শুরু করেন তারা।

এর আগে আমরণ অনশনে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত ১ নম্বর সহসভাপতি সোনালি আক্তার।

তিনি বলেন, সোমবার দুপুর থেকে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে অনশন শুরু হবে।

সোনালি বলেন, ‘আমাদের সহকর্মী জান্নাতুল ফেরদৌস আপুর ওপর হওয়া হামলার ঘটনায় এতসব ঘটনা। অথচ সেই আপুর ওপর হওয়া হামলার কোনো বিচার না করে আমরা যারা এটির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছি, তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। আমরা সুষ্ঠু বিচার চাই।’

তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচার না হয়ে একপাক্ষিক বিচার হয়েছে। এই একপাক্ষিক বিচারের প্রতিবাদে আমরা একটু পর ধানমন্ডির পার্টি অফিসে গিয়ে আমরণ অনশন করব।’

নিজেদের দাবির বিষয়ে ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত এ নেতা বলেছিলেন, ‘আমাদের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে ২৫ জন পদধারী নেত্রী, কিন্তু বহিষ্কার করা হয়েছে ১২ জনকে।

‘আমরা তাদের বহিষ্কার চাচ্ছি না। আমরা চাচ্ছি জান্নাতুল ফেরদৌস আপুর ওপর হওয়া হামলার সুষ্ঠু বিচার।’

তিনি আরও বলেন, ‘জান্নাত আপুর ওপর হওয়া হামলার বিচার না করে আমাদের কেন বহিষ্কার করা হলো? আগে তাদের বিচারের আওতায় এনে আমাদের যদি কোনো দোষ থাকে, সেটির ব্যবস্থা নিতে পারত।’

কমিটি স্থগিত

দুই পক্ষের হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে ১৬ জনকে।

রোববার মধ্যরাতে ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্থায়ী বহিষ্কার হওয়াদের মধ্যে ১০ জন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি, একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক আর চারজন কর্মী।

তারা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন অভিযোগ করে কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যকলাপে জড়িত থাকার অপরাধে ১৬ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আর এটির প্রাথমিক প্রমাণও পাওয়া গেছে।

স্থায়ী বহিষ্কার হওয়া ছাত্রীরা হলেন ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি সোনালি আক্তার, সুস্মিতা বাড়ৈ, জেবুন্নাহার শিলা, কল্পনা বেগম, জান্নাতুল ফেরদৌস, আফরোজা রশ্মি, মারজানা ঊর্মি, সানজিদা পারভীন চৌধুরী, এস এম মিলি ও সাদিয়া জাহান সাথী। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা খানম বিন্তি, সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখি এবং কর্মী রাফিয়া নীলা, নোশিন শার্মিলী, জান্নাতুল লিমা ও সূচনা আক্তার।

মারধরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও সংঘর্ষ

শনিবার রাতে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের এক সহসভাপতিকে মারধর করেন কলেজ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা। এর প্রতিবাদে রাতেই বিক্ষোভ করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

রোববার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে ওই ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার দাবি জানান ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের ৪৩ সদস্যের কমিটির ২৫ জন। সন্ধ্যায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ। বাকিরা এর প্রতিবাদ জানালে দুই পক্ষে আবারও সংঘর্ষ হয়।

আরও পড়ুন:
বাইডেন দেশের শত্রু: ট্রাম্প
ট্রাম্প সমর্থকরা গণতন্ত্রের জন্য হুমকি: বাইডেন
রিভার তোপে হলছাড়া সেই দুই ছাত্রী
ফের বিতর্কে ছাত্রলীগ নেত্রী রিভা
অডিও ফাঁস: ক্ষমা চাইলেন ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1 killed in Hazaribagh chemical explosion

হাজারীবাগে কেমিক্যাল বিস্ফোরণে একজনের মৃত্যু

হাজারীবাগে কেমিক্যাল বিস্ফোরণে একজনের মৃত্যু কেমিক্যাল বিস্ফোরণের পর দুর্ঘটনাস্থল। ছবি: নিউজবাংলা
ওসি বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করছি। এখনো কর্তৃপক্ষের কাউকে পাইনি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছি। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ পেলে বিস্তারিত জানা যাবে। তাদের খুঁজছি আমরা। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।’

রাজধানীর হাজারীবাগে কেমিক্যাল বিস্ফোরণে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার রাত সোয়া ১২টার দিকে মেট্রো এক্সপ্রেস কুরিয়ার অ্যান্ড পার্সেল সার্ভিসে কেমিক্যাল আনলোডের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এই বিস্ফোরণে আরও তিন শ্রমিক আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনাস্থলেই মারা যাওয়া ৩৮ বছর বয়সী ব্যক্তির নাম মো. ইলিয়াস। আহতরা হলেন ২৮ বছর বয়সী হালিম, ৩৬ বছর বয়সী মার্সেল ও ৪০ বছর বয়সী আশিক।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোক্তারুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করছি। এখনো কর্তৃপক্ষের কাউকে পাইনি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছি। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ পেলে বিস্তারিত জানা যাবে। তাদের খুঁজছি আমরা। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।’

আহত শ্রমিকদের সহকর্মী মোহাম্মদ সালাম মিয়া জানান, আহতদের গ্রামের বাড়ি রাজশাহী জেলায়। তারা এখানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের কর্তব্যরত চিকিৎসক (ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল অফিসার) জানান, হাজারীবাগ এলাকা থেকে দগ্ধ হয়ে তিনজন এসেছেন। তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের চিকিৎসা চলছে।

আরও পড়ুন:
কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হাজতির ঢামেকে মৃত্যু
বাড়ির পাশে পুকুরে ভাসছিল ২ শিশুর মরদেহ
এক মেয়ের দেহ তুলতে গিয়ে পেলেন আরেক মেয়েকে
ব্যবসায়ী হত্যা: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৩ আসামির সাজা কমে যাবজ্জীবন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The husband was hanging the body of his wife on the bed

খাটে স্ত্রীর মরদেহ, ফ্যানে ঝুলছিলেন স্বামী

খাটে স্ত্রীর মরদেহ, ফ্যানে ঝুলছিলেন স্বামী প্রতীকী ছবি
পুলিশ জানায়, তারা স্বামী-স্ত্রী সাবলেট থাকতেন। দরজায় অনেকবার নক করেও তাদের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে বাড়ির কেয়ারটেকারের উপস্থিতিতে জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯-এ ফোন করে পাশের কক্ষের পরিবার। সেই ফোনেই ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

দিনে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া শুনেছেন পাশের কক্ষে সাবলেটে থাকা পরিবার। আর রাতেই একই কক্ষ থেকে উদ্ধার হলো তাদের মরদেহ।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের একটি বাসা থেকে এই দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, স্ত্রীকে মেরে স্বামী আত্মহত্যা করেছেন।

নিহতরা হলেন মো. নোমান ও ও তার স্ত্রী শামীমা। তাদের গ্রামের বাড়ি ভোলার লালমোহন এলাকায়।

রোববার রাত ১১টার দিকে বাসার কক্ষের দরজা ভেঙে নোমানকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে থাকা অবস্থায় এবং শামিমাকে বিছানার ওপর মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, তারা স্বামী-স্ত্রী সাবলেটে থাকতেন। দরজায় অনেকবার নক করেও তাদের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে বাড়ির কেয়ারটেকারের উপস্থিতিতে জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯-এ ফোন করে পাশের কক্ষের পরিবার। সেই ফোনেই ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মুজিব পাটোয়ারী।

তিনি বলেন, ‘নোমান সৌদি আরবে থাকেন। এই মাসের ৯ তারিখে দেশে এসেছেন। পরে বউ নিয়ে ঢাকায় এসে এই বাসায় সাবলেটে ভাড়া থাকেন। আজকে দিনে তারা অনেক ঝগড়াঝাটি করে কোনো একসময়ে স্ত্রীকে মেরে ফেলেছে নোমান। পরে নিজে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলেছেন।’

স্ত্রীকে কীভাবে মারা হয়েছে জানতে চাইলে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘স্ত্রীর মুখে রক্ত ও আঘাতের দাগ আছে। ঘটনাস্থলে থানা পুলিশের পাশাপাশি অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম সিনও আলামত সংগ্রহ করছে। ‍কাজ শেষ হলে এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।’

আরও পড়ুন:
নারী চিকিৎসক হত্যা: রেজাউলের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পিছিয়েছে
বাসার নিচে গৃহকর্মীর রক্তাক্ত দেহ, হাসপাতালে মৃত্যু
বাইরে তালা, ঘরে দম্পতির হাত-মুখ বাঁধা মরদেহ
কিশোরীকে ‘খুন’ করে নিখোঁজ মামলা, পরে ধরা  

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In a separate incident three people are in the clutches of Ajna Party

আলাদা ঘটনায় তিনজন অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে

আলাদা ঘটনায় তিনজন অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে
ঢামেক পুলিশ ক‍্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে গুলিস্তান আজিমপুর এবং তুরাগ থেকে তিন ব্যক্তি অসুস্থ অবস্থায় আনার পর তাদের পাকস্থলি পরিষ্কার করে তাদের মেডিসিন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।

রাজধানীর আলাদা ঘটনায় তিনজন অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েছেন। ভুক্তভোগীরা সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ সর্বোচ্চ লুট করে নিয়ে যায় অজ্ঞান পার্টির প্রতারক সদস্যরা। আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন গার্মেন্ট ব্যবসায়ী সাহেব আলী, রড ও স্টিলের দোকানের ম্যানেজার আবুল কাশেম এবং অটোরিকশার চালক কবির হোসেন।

শনিবার মধ্যরাত থেকে রোববার রাত ৮টার মধ্যে এসব ঘটনা ঘটে।

কবির হোসেন শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে তুরাগ সিএনজি স্ট্যান্ডে যাত্রীর অপেক্ষায় ছিলেন। তখন অজ্ঞান পার্টির প্রতারক চক্রের সদস্যরা হালুয়া খাইয়ে তার অটোরিকশা নিয়ে সটকে পড়েন। পরে পথচারী সোলায়মানসহ চারজন তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে ভর্তি করেন।

রোববার দুপুর দেড়টার দিকে আজিমপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে সাহেব আলী নামের ওই গার্মেন্ট ব্যবসায়ীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়। তার কাছে থাকা এক লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে কেটে পড়ে প্রতারক চক্রের সদস্যরা।

গুলিস্তান থেকে আবুল কাশেম নামের এক ব্যক্তিকে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়।

অসুস্থ আবুল কাশেমকে নিয়ে যাওয়া দোকানের মালিক মোহাম্মদ আলম বলেন, ‘আমার পোস্তগোলা এলাকায় একটি রড এবং স্টিলের দোকান আছে। সেখান থেকে সকালে আমার ম্যানেজার আবুল কাশেমকে পাওনা টাকা এবং ব্যক্তিগত কাজে মেঘনা তার ফ্যাক্টরিতে পাঠানো হয়। সেখান থেকে বিকেলে দোয়েল চাপা বাসে ঢাকা ফেরার পথে মেঘনা এবং যাত্রাবাড়ীর মাঝামাঝি স্থানে অজ্ঞান পার্টির প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে।’

ঢামেক পুলিশ ক‍্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে গুলিস্তান আজিমপুর এবং তুরাগ থেকে তিন ব্যক্তি অসুস্থ অবস্থায় আনার পর তাদের পাকস্থলি পরিষ্কার করে তাদের মেডিসিন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে ১২ লঞ্চযাত্রী
গরু ব্যবসায়ীদের অজ্ঞান করেন তারা
অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীর মৃত্যু
অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে রাজমিস্ত্রি
অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
National seminar on prevention of air pollution held in Dhaka

ঢাকায় বায়ুদূষণ রোধে জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত

ঢাকায় বায়ুদূষণ রোধে জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত
দুই পর্বে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারের প্রথম পর্বে মূল প্রবন্ধের ওপর উন্মুক্ত আলোচনার পাশাপাশি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ৫০ বছরের পথচলার তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

ঢাকার গুলশানে জারা কনভেশন সেন্টারে ‘ঢাকা শহরের বায়ু দূষণ রোধ-যুবদের ভাবনা ও ঘোষণা’ শিরোনামে জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের উদ্যোগে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

সেমিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, শের-ই বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, তিতুমীর কলেজসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রের যুবসমাজ নিজেদের মতামত ও ভাবনা তুলে ধরেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার।

দুই পর্বে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারের প্রথম পর্বে মূল প্রবন্ধের ওপর উন্মুক্ত আলোচনার পাশাপাশি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ৫০ বছরের পথচলার তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

এ ছাড়া এই পর্বে শিক্ষার্থী ও বিশিষ্টজনদের অংশগ্রহণে প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাইফুল মোমেন, স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ড. আহমেদ কামরুজ্জামান, ড. লেলিন চৌধুরি এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ থেকে চন্দন জেড গোমেজ। পর্বটি সঞ্চালনা করেন অর্চি রহমান।

প্যানেল আলোচনায় আলোচকরা ঢাকা শহরের বায়ুদূষণের বিভিন্ন কারণ, এর ফলাফল ও কীভাবে এর প্রতিকার করা যায় সে বিষয়ে আলোকপাত করেন। এ ছাড়া এই সমস্যা সমাধানে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে তরুণ শিক্ষার্থী ও যুবসমাজ কী ভূমিকা পালন করতে পারে, সে বিষয়েও তারা দিকনির্দেশনা দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ‘পরিবেশের উন্নয়নের জন্য আমাদের কথার চেয়ে কাজ বেশি করতে হবে। সমাজের প্রত্যেক স্তরের মানুষকে এই বিষয়ে অন্তর্ভুক্তের পাশাপাশি তাদের সচেতন করতে হবে। যদি জনগণকে সম্পৃক্ত না করতে পারি, তাহলে আমাদের মন্ত্রণালয়ের কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না।

‘পরিবেশের উন্নয়নের জন্য যেমন পুরস্কারের ব্যবস্থা থাকা দরকার, তেমনি পরিবেশ দূষণে মাঠপর্যায়ে ক্ষুদ্র শাস্তির ব্যবস্থাও রাখতে হবে।’

ঢাকায় বায়ুদূষণ রোধে জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত

দুপুরের পর দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয় জাতীয় অধ্যাপক আইনুন নিশাতের আলোচনার মাধ্যমে। জলবায়ু পরিবর্তন ও বায়ুদূষণ রোধে যুবাদের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।

এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতের জন্য জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ দূষণ সম্পর্কে আমাদের যুবাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আনতে হবে এবং তাদেরকেই দায়িত্ব নিতে হবে। আমাদের বেশি বেশি শহরকেন্দ্রিক সমস্যার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। কেননা শহরে জনসংখ্যা বাড়ছে প্রতিনিয়ত, যা পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। পাশাপাশি আমাদের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে হবে এবং আমাদের পরিবেশ সম্পর্কিত যেসব আইন রয়েছে সেগুলোকে বাস্তবায়নের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।’

এই পর্বে আরও আলোচনা করেন ‘অপারেজয় বাংলাদেশ’-এর নির্বাহী পরিচালক ওয়াহিদা বানু।

সেমিনার শেষ হয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনার পাশাপাশি ‘ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’-এর ‘ইয়ুথ ভিশন-২০২৩’ সম্পর্কিত আলোচনার মধ্য দিয়ে।

এ পর্বটি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের টেকনিক্যাল ম্যানেজার আরবান প্রোগ্রামের যোয়ান্না ডি রোজারিও পরিচালনা করেন। তিনি এই পর্বে ভিশন বাংলাদেশের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড, উন্নয়ন পরিকল্পনা, প্রচারণার মাধ্যমে দেশের শিশু ও বৃদ্ধদের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশগত বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন। এ বিষয়ে তরুণ শিক্ষার্থী ও যুবকদের অংশহগ্রহণে তাদের প্রতিষ্ঠান কাজ করছে বলে জানান তিনি। এ ছাড়া বায়ুদূষণ রোধে যুবাদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির গুরুত্বও তুলে ধরেন।

অন্যদের মধ্যে সেমিনারে অংশ নেন ঢাকা সিটি করপোরেশনের নগর পরিকল্পনাবিদ মাকসুদুর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ড. সাদাত আলম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আদিল মোহাম্মদ খান, ইয়ুথ ফোরাম বাংলাদেশের সভাপতি সজিব মিয়া এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সাগর মারান্ডি।

আরও পড়ুন:
ফিরে আসছে কালো ধোঁয়া
২০১৯ সালে ভারতে বায়ু-পানিদূষণে ২৩ লাখ মৃত্যু
শব্দদূষণের সবচেয়ে বড় শিকার কারা
৫৪ নদী দূষণমুক্ত করতে আইনি নোটিশ
ঢাকা যেন না হয় ‘মৃত নগরী’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Investigation to find out why expressway workers protested

এক্সপ্রেসওয়ের শ্রমিকদের বিক্ষোভ কেন জানতে তদন্ত

এক্সপ্রেসওয়ের শ্রমিকদের বিক্ষোভ কেন জানতে তদন্ত আন্দোলনে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের শ্রমিকরা। ছবি: নিউজবাংলা
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘এ বিষয়ে অবগত হয়েছি, যা অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগ এবং তা আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখি। আমরা এ স্পর্শকাতর বিষয়ের সত্যতা অনুসন্ধান করছি।’

রাজধানীতে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের শ্রমিকদের বেতন পরিশোধের পরও কেন পাওনা দাবিতে আন্দোলন হয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।

ফার্স্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বা এফডিইই কোম্পানি লিমিটেডের এক বিজ্ঞপ্তিতে রোববার এ কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২০ সেপ্টেম্বর তাদের নিয়োজিত উপঠিকাদার ও তাদের মনোনীত এজেন্টের নিয়োগ করা কিছু শ্রমিক তেজগাঁও এলাকায় নির্মাণস্থানে বকেয়া বেতন ও কিছু কাজের শর্তের বিষয় নিয়ে বিক্ষোভ করে। বিক্ষোভের একপর্যায়ে শ্রমিকরা ভাঙচুর করে বলেও বলা হয়।

সংক্ষুব্ধ শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে এফডিইই সহাভূতিশীল বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তিতে বলে, ‘আমরা উপঠিকাদারকে সময়মতো বিল পরিশোধ করেছি। উপঠিকাদারও আমাদের নিশ্চিত করেছে, তারা তাদের তিন শ্রমিক এজেন্টকে যাবতীয় বেতন পরিশোধ করেছে। তার পরও কোথাও বেতন বকেয়া আছে কি না এই বিষয়ের সত্যতা যাচাই করতে অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছি।’

প্রকল্পের কিছু ব্যবস্থাপক শ্রমিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এটিকে গুরুতর অভিযোগ হিসেবে দেখছে কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘এ বিষয়ে অবগত হয়েছি, যা অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগ এবং তা আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখি। আমরা এ স্পর্শকাতর বিষয়ের সত্যতা অনুসন্ধান করছি।’

অনুসন্ধানে কেউ দোষী প্রমাণ হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়াসহ নিপীড়িত শ্রমিকদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে বলে জানানো হয়।

আরও পড়ুন:
ইরানে পোশাকের স্বাধীনতার বিক্ষোভে মৃত বেড়ে ২৬
হিজাবে রাজি হননি সিএনএনের আমানপোর, ইরানি প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎকার বাতিল
ইরানি সেনারা জনতার পক্ষ নিন: সাবেক ফুটবল তারকা
নারীর পোশাকের স্বাধীনতার বিক্ষোভে ইরানে নিহত ১৭
ইরান বিক্ষোভে নিহত বেড়ে ৮, বাইডেনের সংহতি

মন্তব্য

p
উপরে