× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
A case against the police on the charge of entrapment with weapons
hear-news
player
print-icon

অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

অস্ত্র-দিয়ে-ফাঁসানোর-অভিযোগে-পুলিশের-বিরুদ্ধে-মামলা
ফেনী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন। ফাইল ছবি
যুবদল নেতাকে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে থানার ওসি, এসআই ও ছাত্রলীগ নেতাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন স্ত্রী।

ফেনী মডেল থানার ওসি, তিন এসআই এবং স্থানীয় দুই ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে যুবদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে।

জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. আশিকুর রহমানের আদালতে বুধবার বিকেলে এই মামলার আবেদন করেন জেলা যুবদল সভাপতি জাকির হোসেনের স্ত্রী লুৎফুন নাহার।

বিচারক আবেদন আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক গোলাম মোহাম্মদ জিলানী এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, যুবদল নেতা জাকিরকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ করা হয়েছে এজাহারে।

আসামি করা হয়েছে ওসি মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, এসআই মো. ইমরান হোসেন, নারায়ণ চন্দ্র দাশ, হাবিবুর রহমান এবং ছাত্রলীগ নেতা সাব্বির হোসেন ও মো. সৈকতকে।

যুবদল নেতা জাকিরকে ফেনী মডেল থানা পুলিশ গত ২১ জুলাই রাজধানীর পল্টনের বিজয়নগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী ফেনী শহরের রামপুরে তার বাসায় শুক্রবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে একটি ৭.৬৫ এমএম পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, ৪ রাউন্ড গুলি এবং ২টি দেশীয় অস্ত্র জব্দ করে ফেনী মডেল থানা পুলিশ। থানা পুলিশ তার নামে এরপর অস্ত্র মামলা করে।

এই অভিযোগ শুরু থেকে অস্বীকার করে আসছিল জাকিরের পরিবার। তাকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানো হয়েছে দাবি করে সংবাদ সম্মেলনও করেছিলেন স্বজনরা।

আরও পড়ুন:
জাবিতে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা তদন্তে কমিটি
জাবিতে সাংবাদিক নির্যাতন: ৮ ছাত্রলীগ কর্মীকে অব্যাহতি
সন্ধ্যা নামলেই শহরজুড়ে ‘ছাত্রলীগ’ আতঙ্ক
পরচুলা ছিনতাইয়ে ছাত্রলীগ নেতার নাম
চবি ছাত্রলীগে পদবঞ্চিতদের অবরোধ প্রত্যাহার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
All the achievements of Sheikh Hasina

শেখ হাসিনার যত অর্জন

শেখ হাসিনার যত অর্জন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন আজ বুধবার। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তার অর্জনের তালিকা দীর্ঘ। সেসব অর্জনের সূত্র ধরেই বঙ্গবন্ধু-কন্যা ভূষিত হয়েছেন ‘জননেত্রী’, ‘গণতন্ত্রের মানসকন্যা’, ‘দেশরত্ন’, ‘রাষ্ট্রনায়ক’ প্রভৃতি উপাধিতে।

গণতন্ত্র ও দেশের মানুষের ভোট-ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন-সংগ্রামে অসামান্য অবদান রাখার পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনায়ও ব্যাপক সাফল্যের পরিচয় দিয়ে চলেছেন বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা। নিজের অর্জনেই তিনি ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন আজ বুধবার। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তিনি ‘জননেত্রী’, ‘গণতন্ত্রের মানসকন্যা’, ‘দেশরত্ন’, ‘রাষ্ট্রনায়ক’ প্রভৃতি উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন।

আওয়ামী লীগের টানা তিন মেয়াদের ক্ষমতায় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থেকে তার অর্জনের তালিকাটা এককথায় বিশাল। তার শাসনামলেই চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়েছে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার। শেষ হয়েছে একাত্তরের ঘাতক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার।

সংবিধান সংশোধনের মধ্য দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি ও সমুদ্রবক্ষে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ব্লু ইকনোমির নতুন দিগন্ত উন্মোচন, ভারতের সঙ্গে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন ও ছিটমহল বিনিময়, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফল উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে মহাকাশ জয়, সাবমেরিন যুগে বাংলাদেশের প্রবেশের মতো বড় বড় অর্জন এসেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আরও অনেক অর্জনের মধ্যে রয়েছে- নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ, মেট্রোরেল, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন নতুন উড়াল সেতু, মহাসড়কগুলো ফোর লেনে উন্নীত করা, এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন ও মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৮২৪ ডলারে উন্নীতকরণ।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থেকে শেখ হাসিনা জাতির জন্য আরও যেসব অর্জন নিয়ে এসেছেন তার মধ্যে রয়েছে- দেশে দারিদ্র্যের হার হ্রাস, গড় আয়ু প্রায় ৭৪ বছর ৪ মাসে উন্নীত হওয়া, যুগোপযোগী শিক্ষানীতি প্রণয়ন, সাক্ষরতার হার ৭৫ দশমিক ৬০ শতাংশে উন্নীত করা, বছরের প্রথম দিনে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে নতুন বই তুলে দেয়া, মাদ্রাসা শিক্ষাকে মূলধারার শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা ও স্বীকৃতি দান, মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, প্রতিটি জেলায় একটি করে সরকারি/বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ, নারী নীতি প্রণয়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও ফাইভ-জি মোবাইল প্রযুক্তি চালু।

শেখ হাসিনা ১৯৯৬-০১ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি ও ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি তার সরকারের অন্যতম সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। বিশ্বসভায় আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাঙালি।

গণতন্ত্র, শান্তি ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং নারী শিক্ষার বিস্তার, শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস ও দারিদ্র্য বিমোচনের সংগ্রামে অসামান্য ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে দেশি-বিদেশি বেশ কিছু পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হয়েছেন শেখ হাসিনা।

সেসবের মধ্যে সাউথ-সাউথ ভিশনারি পুরস্কার-২০১৪, শান্তি বৃক্ষ-২০১৪, জাতিসংঘ পুরস্কার-২০১৩ ও ২০১০, রোটারি শান্তি পুরস্কার-২০১৩, গোভি পুরস্কার-২০১২, সাউথ-সাউথ পুরস্কার-২০১১, ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার-২০১০, পার্ল এস. বার্ক পুরস্কার-২০০০, সিইআরইএস মেডাল-১৯৯৯, এম কে গান্ধী পুরস্কার-১৯৯৮, মাদার তেরেসা শান্তি পুরস্কার-১৯৯৮, ইউনেস্কোর ফেলিক্স হোফুয়েট-বোয়েগনি শান্তি পুরস্কার-১৯৯৮ উল্লেখযোগ্য।

এছাড়া পরিবেশ সংরক্ষণে অসামান্য অবদানের জন্য এ বছর জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’-এ ভূষিত হয়েছেন শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন
শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে কাব্য সংকলন প্রকাশ
গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতায় নির্বাচনের বিকল্প নেই: ডেপুটি স্পিকার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two groups of Chhatra Dal called Jai Bangla were involved in the attack Chhatra League

ছাত্রদলের দুই গ্রুপ জয়বাংলা বলে হামলায় জড়িয়েছে: ছাত্রলীগ

ছাত্রদলের দুই গ্রুপ জয়বাংলা বলে হামলায় জড়িয়েছে: ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস বলেছেন, ‘হামলায় ছাত্রলীগের কেউ জড়িত নয়। ছাত্রলীগকে কলুষিত করতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপ জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়ে হামলায় জড়িয়েছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের ওপর স্যার এ এফ রহমান হল ছাত্রলীগের হামলার ঘটনার দায় অস্বীকার করেছে ছাত্রলীগ। সংগঠনটির দাবি, ছাত্রদলের দুই গ্রুপ আওয়ামী লীগের নামে স্লোগান দিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস বলেছেন, ‘হামলায় ছাত্রলীগের কেউ জড়িত নয়। ছাত্রলীগকে কলুষিত করতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপ জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়ে হামলায় জড়িয়েছে।’

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ছাত্রদলের ওপর হওয়া হামলার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন সনজিত চন্দ্র দাস।

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হামলার ছবি আছে বলে জানালে সনজিত বলেন, ‘ছবি থাকুক। এই ঘটনায় ছাত্রলীগের কেউ জড়িত নয়। আমরা জানি তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে এই মারামারি। ছাত্রলীগের কেউ এর সঙ্গে জড়িত নয়।

‘আমরা আজ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে উপাচার্য স্যারের কাছে স্মারকলিপি দিতে এসেছি। আমাদের সব নেতাকর্মী এখানেই আছে। আমাদের কনসার্নের বাইরে গিয়ে আমাদের ছাত্রলীগ কর্মীরা কোন ধরনের কাজ করে না।’

সনজিত বলেন, ‘ছাত্রদল অছাত্রদের সংগঠন। তাদের কোনো কর্মসূচি আছে কি নেই তা নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। বাইরে যারা দাবি করছে যে ছাত্রলীগ তাদের ওপর হামলা করেছে আসলে তাদের একটা ফোবিয়া হয়েছে যে তারা যেখানেই মার খায় ও ধরপাকড়ের শিকার হয়, মনে করে যে ছাত্রলীগ করেছে।

‘আমরা শুনেছি তারা নীলক্ষেত মোড়ে রাস্তা আটকেছে। তখন জনতা ও সাধারণ ছাত্ররা তাদের গণধোলাই দিয়েছে। এখানে ছাত্রলীগের দায় কেন হবে? ওরা মিথ্যাচার করছে। এখানে ছাত্রলীগের বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা নেই।’

জয়বাংলা বলে হামলা করেছে জানালে তিনি বলেন, ‘জয় বাংলা এখন জাতীয় স্লোগান। ছাত্রদল করে বলে জয় বাংলা বলতে পারবে না এটা ঠিক না। ছাত্রদল বা বিএনপিও এখন জয় বাংলা বা জয় বঙ্গবন্ধু বলতে পারবে। ছাত্রলীগকে কুলষিত করার জন্য ওরা জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়ে নিজেরা হামলায় জড়িয়েছে।’

সনজিত বলেন, ‘ছাত্রদল তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ সংগঠন নয়। তারা এখানে আসতেই পারে। তারাও রাজনীতি করবে। আমরাও রাজনীতি করবে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ যদি ছাত্রলীগও নস্যাৎ করে তাহলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রতিহত করতে পারে। আবার ছাত্রদল করলে তাদেরও প্রতিহত করতে পারে।’

ছাত্রদল নিজেদের মধ্যে হামলায় জড়িয়েছে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা গণধোলাই দিয়েছে- দুই ধরনের বক্তব্য কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে দুই ধরনের তথ্যই রয়েছে।’

উপাচার্য যা বললেন

উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসার সময় ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলার বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘সবাই আমাদের কাছে শিক্ষার্থী। কে কোন সংগঠন করবে সে স্বাধীনতা তাদের আছে। সোমবার ছাত্রদল ও ছাত্রলীগ দুটি ছাত্র সংগঠনই দেখা করার জন্য সময় চেয়েছিল। ছাত্রলীগকে ৩টায় এবং ছাত্রদলকে ৪টায় সময় দেয়া হয়েছিল।

‘ছাত্রলীগ যথাসময়ে এসেছে। তাদের সঙ্গে কথা হলো। তারা প্রায় ৩০টি দাবি, কিছু সুপারিশ সংবলিত স্মারকলিপি দিল। এরপর তাদেরকে বললাম, আমাদের আরেকটা ছাত্র সংগঠন আসবে, তাদেরকে সুযোগ করে দাও। এরপর আমি ছাত্রদলের জন্য অপেক্ষা করছি। পরে প্রক্টর সাহেব এসে বললেন- তারা গেট পর্যন্ত এসেছিল, ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি।’

তিনি বলেন, ‘তথ্যগুলো ভালোভাবে এখনও জানি না। ক্যাম্পাসে প্রতিটি ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের রাজনীতি পরিচালনার অধিকার আছে। তারা কেন আসতে পারল না সেটা জানতে হবে। কী ঘটল, কোনো সমস্যা হলো কিনা, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটল কিনা সেটা দেখতে হবে। আমি প্রক্টর সাহেবের কাছে বিষয়টা জানব, বিস্তারিত তথ্যগুলো নিতে বলব।’

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের হামলায় আহত ছাত্রদলের ৬ নেতাকর্মী ঢাকা মেডিক্যালে
ঢাবিতে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Alokavartikas 76th birthday today

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
১৯৪৭ সালে সবে ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হয়েছে উপমহাদেশ। সদ্য স্বাধীনতা পাওয়া রাষ্ট্র পাকিস্তানের পূর্ব অংশের গোপালগঞ্জে ২৮ সেপ্টেম্বর জন্ম নিল এক মেয়ে শিশু। নাম রাখা হলো শেখ হাসিনা। আনন্দ, সংগ্রাম, বেদনার নানা ঘটনাপ্রবাহের পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি মেয়াদের প্রধানমন্ত্রী তিনি। ৭৬তম জন্মদিনে এসে বাংলাদেশের রাজনীতির নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় এই বঙ্গবন্ধু-কন্যা।

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন আজ বুধবার। ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্ম হয় তার। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের প্রথম সন্তান।

১৯৭৫ সালের পটপরিবর্তনের পর ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে দলীয় প্রধানের দায়িত্ব নেন বঙ্গবন্ধু-কন্যা। এরপর থেকে ৩৪ বছর ধরে নিজ রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও আপসহীন নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশের অসাম্প্রদায়িক-গণতান্ত্রিক রাজনীতির মূল স্রোতধারার প্রধান নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি। পর পর তিনবার সরকারের প্রধান হিসেবে আলোকবর্তিকা হয়ে দেশকে নিয়ে যাচ্ছেন সমৃদ্ধির দিকে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েট ডিগ্রি লাভকারী শেখ হাসিনা তৎকালীন ছাত্রলীগের অন্যতম নেত্রী ছিলেন। আশির দশকের রাজনীতির মূলধারায় আসার পর তার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ এবং অন্য রাজনৈতিক জোট ও দলগুলো ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করে। ১৯৯৬ সালে তার নেতৃত্বেই ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় প্রধান বিরোধী দলের নেতা হিসেবে তার নেতৃত্বে অসাম্প্রদায়িক-গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে প্রথমে ১৪ দলীয় জোট এবং পরে মহাজোট গড়ে ওঠে। ১৪ দল ও মহাজোটের তীব্র আন্দোলনের মুখে অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ২২ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

শেখ হাসিনার শিক্ষাজীবন শুরু হয় টুঙ্গিপাড়ার এক পাঠশালায়। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমপিএ) নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি পরিবারকে ঢাকায় নিয়ে আসনে। পুরান ঢাকার মোগলটুলির রজনী বোস লেনে বসবাস শুরু করেন তারা। পরে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সদস্য নির্বাচিত হলে আবাস স্থানান্তরিত হয় ৩ নম্বর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে। ১৯৫৬ সালে শেখ হাসিনা ভর্তি হন টিকাটুলির নারীশিক্ষা মন্দির বালিকা বিদ্যালয়ে। বঙ্গবন্ধু ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর রোডের বাড়িতে বসবাস শুরু করেন ১৯৬১ সালের ১ অক্টোবর।

শেখ হাসিনা ১৯৬৫ সালে আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৬৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন ঢাকার বকশী বাজারের ইন্টারমিডিয়েট গভর্নমেন্ট গার্লস কলেজ (বর্তমানে বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়) থেকে। কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি কলেজ ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে নির্বাচিত হন। একই বছর ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ছাত্রলীগের নেত্রী হিসেবে আইয়ুব-বিরোধী আন্দোলন এবং ৬ দফা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন শেখ হাসিনা। ১৯৬৭ সালের ১৭ নভেম্বর পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম. এ ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে শেখ হাসিনা বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন। এই দম্পতি এক পুত্র ও এক কন্যা (সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুল) সন্তানের গর্বিত বাবা-মা।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে ঘাতকের নির্মম বুলেটে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হন। এ সময় বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। শুরু হয় তাদের প্রবাস জীবন।

১৯৮১ সালের ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ইডেন হোটেলে অনুষ্ঠিত হয় আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক কাউন্সিল অধিবেশন। এই কাউন্সিলের মধ্য দিয়ে জাতির এক ক্রান্তিলগ্নে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাকে সংগঠনের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ডাক আসে দেশমাতৃকার হাল ধরার। সামরিক শাসকদের রক্তচক্ষু ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন শেখ হাসিনা। রাজনৈতিক পথচলায় তিনি ‘জননেত্রী’, ‘গণতন্ত্রের মানসকন্যা’, ‘দেশরত্ন’, ‘রাষ্ট্রনায়ক’ প্রভৃতি উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট তদানীন্তন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের মদদে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা করে শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। গুরুতর আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান তিনি। শুধু এই হামলা নয়, সাফল্য গাঁথা কর্মময় জীবন কখনোই কুসমাস্তীর্ণ ছিল না বঙ্গবন্ধুর বড় মেয়ের, ছিল কণ্টকাপূর্ণ।

মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস তিনি গৃহবন্দি থেকেছেন। এক/এগারোর সময়ও কারাগারে তার জীবননাশের ষড়যন্ত্র চলে। সামরিক স্বৈরশাসনামলেও বেশ কয়েকবার তাকে কারানির্যাতন ভোগ করতে হয়েছে। থাকতে হয়েছে গৃহবন্দি। বার বার তার জীবনের ওপর ঝুঁকি এসেছে। অন্তত ২০ বার তাকে হত্যার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়েও তিনি অসীম সাহসে তার লক্ষ্য অর্জনে থেকেছেন অবিচল। হয়ে উঠেছেন বাঙালি জাতির ‘রানার’।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ এ পর্যন্ত চার মেয়াদে ক্ষমতাসীন হয়েছে। ১৯৯৬ সালে তার নেতৃত্বে দীর্ঘ ২১ বছর পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া দলটি। ওই বছরের ১২ জুনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী হয়ে ২৩ জুন সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ।

এরপর ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের ঐতিহাসিক নির্বাচনে চার-তৃতীয়াংশ আসনে ভূমিধস বিজয় অর্জনের মাধ্যমে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গঠিত হয়। দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। ২০১৪ এর ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর ১২ জানুয়ারি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা দ্বিতীয় মেয়াদের মহাজোট সরকার গঠিত হয়।

সবশেষ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার পরিচালনা করছে শেখ হাসিনার দল। এছাড়া ১৯৮৬ সালের তৃতীয়, ১৯৯১ সালের পঞ্চম ও ২০০১ সালের অষ্টম সংসদে বিরোধী দলের নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে জ্ঞানভিত্তিক উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে জননেত্রী শেখ হাসিনা ‘প্রেক্ষিত পরিকল্পনা তথা রূপকল্প-২০৪১’ ঘোষণা করেছেন। সেই রূপকল্প বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে তার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার।

এছাড়াও আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত, সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ, কল্যাণকর ও নিরাপদ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি জলবায়ু সহিষ্ণু ব-দ্বীপ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’ ঘোষণা করা হয়েছে।

দুই বছর বিরতি দিয়ে এবারও জন্মদিনে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন বঙ্গবন্ধু-কন্যা। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন তিনি। ৪ অক্টোবর তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে আজ জন্মদিনের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হবে। ঢাকা থেকেও টেলিফোনে তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাবেন কেন্দ্রীয় নেতারা।

বিভিন্ন দল ও সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন করবে। এ লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ বএকল ৩টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে আওয়ামী লীগ।

এছাড়াও কেন্দ্রীয়ভাবে বাদ জোহর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমসহ দেশের সব মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি সকাল ১০টায় ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে (বাসাবো, সবুজবাগ) বৌদ্ধ সম্প্রদায়, সকাল ৯টায় মিরপুর ব্যাপ্টিস্ট চার্চে (৩/৭/এ সেনপাড়া, পর্বতা, মিরপুর-১০) খ্রীষ্টান এসোসিয়েশন বাংলাদেশ (সিএবি) এবং সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকেশ্বরী মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায় বিশেষ প্রার্থনা সভার আয়োজন করবে।

জন্মদিন আয়োজনের অংশ হিসেবে আজ ঢাকাসহ সারাদেশে সব সহযোগী সংগঠন আলোচনা সভা, আনন্দ শোভাযাত্রা, দোয়া মাহফিল, বিশেষ প্রার্থনা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে।

আরও পড়ুন:
শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে কাব্য সংকলন প্রকাশ
গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতায় নির্বাচনের বিকল্প নেই: ডেপুটি স্পিকার
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে বিটিভিতে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Poetry collection published on the occasion of Sheikh Hasinas birthday

শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে কাব্য সংকলন প্রকাশ

শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে কাব্য সংকলন প্রকাশ বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদ মঙ্গলবার শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজন করে ‘হাজার লেখকের সম্মিলন ২০২২’। ছবি: নিউজবাংলা
বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদের এই আয়োজনে প্রকাশ পেয়েছে দেশ-বিদেশের প্রথিতযশা ৭৬জন কবির কবিতা নিয়ে ‘বঙ্গোত্তম শেখ হাসিনাকে নিবেদিত কবিতা’ সংকলন এবং তারুণ্যে উদ্দীপ্ত লেখকদের উৎসর্গ করা চারশ’ কবির ‘নবযাত্রা’ ও ‘অগ্রযাত্রা’ নামে দুটি কবিতা সংকলন।

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে ‘হাজার লেখকের সম্মিলন ২০২২’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদের আয়োজনে মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রকাশ পেয়েছে দেশ-বিদেশের প্রথিতযশা ৭৬জন কবির কবিতা নিয়ে ‘বঙ্গোত্তম শেখ হাসিনাকে নিবেদিত কবিতা’ সংকলন এবং তারুণ্যে উদ্দীপ্ত লেখকদের উৎসর্গীকৃত চারশ’ কবির ‘নবযাত্রা’ ও ‘অগ্রযাত্রা’ নামে দুটি কবিতা সংকলন।

সম্মিলনের উদ্বোধন করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কথাশিল্পী সেলিনা হোসেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের নিয়ে কাব্যগ্রন্থগুলোর মোড়ক উন্মোচন করেন তারা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল রাষ্ট্র। যে ধারায় উন্নয়ন-অগ্রগতি হচ্ছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে, তা অব্যাহত থাকলে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। এই অবিশ্বাস্য ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে শেখ হাসিনার কারণে। তার দক্ষ-বিচক্ষণ নেতৃত্ব, মেধা-প্রজ্ঞা ও বিচক্ষণতার কারণে আজ আমরা এ পর্যায়ে আসতে সক্ষম হয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি শেখ হাসিনা এসেছিলেন বাঙালি জাতির মুক্তির আলোবর্তিকা হয়ে। তিনি এসেছিলেন বলেই আজ আমরা উন্নত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখতে পারছি। আজকের এই দিনে সব কবির পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাকে আমরা শ্রদ্ধা জানাই, তার জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাই।’

অনুষ্ঠানে মাসব্যাপি কর্মসূচি ঘোষণা করেন বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক কবি ও প্রাবন্ধিক কামরুল ইসলাম।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- ২৮ অক্টোবর বিকেল ৪টায় বাংলা একাডেমিতে আন্তর্জাতিক সেমিনার এবং ২৯ অক্টোবর সমাপনী অনুষ্ঠান।

শেষ দিনের আয়োজনে রয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন এবং বঙ্গোত্তম শেখ হাসিনার জন্মস্থানে সাংস্কৃতিক উৎসব।

সমাপনীতে দুদিনের অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি যোগ দেবেন।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে বিটিভিতে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNPs Tukus statement was angered by Jamaat

বিএনপির টুকুর বক্তব্যে ক্ষেপেছে জামায়াত

বিএনপির টুকুর বক্তব্যে ক্ষেপেছে জামায়াত হাজারীবাগে বিএনপির সমাবেশে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে নেতিবাচক বক্তব্য দেন। ছবি: নিউজবাংলা
‘জনাব ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে যে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত, অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেছেন তা দেশবাসীকে বিস্মিত করেছে। এটি কোনো রাজনীতিবিদের ভাষা হতে পারে না। তার এ বক্তব্য স্বৈরাচারী শাসনকে প্রলম্বিত করার ক্ষেত্র তৈরি করবে।’

জামায়াত-আওয়ামী লীগ পরকীয়া চলছে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর এমন বক্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। বিএনপি নেতার বক্তব্যকে ‘অশালীন ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত বলেছে দলটি।

রাজধানীতে বিএনপির সমাবেশ থেকে বক্তব্য আসার পর দিন মঙ্গলবার জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম বিবৃতি দিয়ে তার প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘২৬ সেপ্টেম্বর বিএনপির এক সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে যে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত, অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেছেন তা দেশবাসীকে বিস্মিত করেছে। এটি কোনো রাজনীতিবিদের ভাষা হতে পারে না। তার এ বক্তব্য স্বৈরাচারী শাসনকে প্রলম্বিত করার ক্ষেত্র তৈরি করবে।’

আগের দিন রাজধানীর হাজারীবাগে বিএনপির সমাবেশে টুকু বলেন, ‘আওয়ামী লীগের অনেকের মুখে একটা বুলি হয়ে গেছে বিএনপি-জামায়াত, বিএনপি-জামায়াত। আমি বলছি এখন সময় এসেছে, আওয়ামী লীগ-জামায়াত, আওয়ামী লীগ-জামায়াত বলার। জামায়াতও উর্দু, আওয়ামী লীগও উর্দু। দুটো একসঙ্গে মিলবে ভালো। কেননা উনারা জামায়াতের নিবন্ধন ক্যানসেল করেন, কিন্তু বেআইনি ঘোষণা করেন না। তাহলে কি আমি বলব, ওনাদের (জামায়াত-আওয়ামী লীগের) পরকীয়া চলছে?’

টুকু ‘জামায়াত’ শব্দটিকে ‘উর্দু’ ভাষা বলে উল্লেখ করে অজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয় জামায়াতের বিবৃতিতে। এতে বলা হয়, ‘আমরা আশা করছি ভবিষ্যতে এ ধরনের অসংলগ্ন বক্তব্য প্রদান করা থেকে সংশ্লিষ্ট সকলেই বিরত থাকবেন।’

১৯৭১ সালে পাকিস্তানের পক্ষে অস্ত্র ধরা জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির জোট চলছে সেই ১৯৯৯ সাল থেকে। সম্প্রতি ধর্মভিত্তিক দলটি আমির শফিকুর রহমান একটি রুকন সম্মেলনে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে দলের কর্মীদেরকে জানান, বিএনপির সঙ্গে তাদের জোট ভেঙে গেছে। দুই দল যুগপৎ আন্দোলন করবে, কিন্তু জোটে আর নেই।

বিষয়টি রাজনীতিতে তোলপাড় তুললেও বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো কিছুই বলা হচ্ছে না। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য না দেয়াকে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার বলেছেন।

টুকু বলেন, ‘আমাদের বলা হচ্ছে বিএনপি-জামায়াত, আর আপনারা আমাদের বলেন স্বাধীনতাবিরোধী দল। আমিও স্বীকার করলাম। কিন্তু নিবন্ধন বাতিল করলেন, বেআইনি ঘোষণা করলেন না। তার অর্থ আওয়ামী লীগ-জামায়াতের সঙ্গে তলে তলে বন্ধুত্ব করে। সেজন্য বাতিল করে না। তাই আজকে থেকে আওয়ামী-জামায়াত হবে, বিএনপি-জামায়াত আর হবে না।’

জামায়াতের বিবৃতিতে টুকুর বক্তব্যের নিন্দা জানিয় বলা হয়, ‘যে মুহূর্তে দেশের সকল গণতান্ত্রিক শক্তি ঐক্যবদ্ধভাবে দেশে গণতন্ত্র ও জনগণের ন্যায্য ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নির্বাচনকালীন দলনিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর, সে সময় তার এ বক্তব্য জাতিকে হতাশ করেছে। তার বক্তব্য থেকে প্রতীয়মান হয়, তিনি জনগণের ভাষা বুঝতে অক্ষম এবং তিনি জনগণের ভাষায় কথা বলতে পারেন না। আমরা তার এ বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

জামায়াতের নিবন্ধন নিয়ে টুকুর বক্তব্যের আসল উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তেলে জামায়াত। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল ও বেআইনি ঘোষণা সংক্রান্ত বিষয়ে তার কথা ও মর্মবেদনায় জনগণের মধ্যে প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে, কার স্বার্থে এবং কাকে সন্তুষ্ট করার জন্য তিনি এ বক্তব্য প্রদান করেছেন? আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, জামায়াতে ইসলামী কখনও কোনো আপোষ, গোপন ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না এবং করার প্রশ্নই আসে না।’

ধর্মভিত্তিক কয়েকটি রাজনৈতিক দলের আবেদনের পর ২০১৩ সালের ১ আগস্ট জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল ও অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট। আট বছর পর ২০১৮ সালের ৮ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন নিবন্ধন বাতিল করে কোনো প্রজ্ঞাপন জারি করে। জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিও আছে। তবে সরকার এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

আরও পড়ুন:
বন্দুকের নল যে কোনো সময় ঘুরে যাবে: আব্বাস
জামায়াতের জোট ছাড়ার গুঞ্জন স্বীকার বিএনপি নেতার
ফের পেট্রলবোমা ছুড়লে জনগণকে নিয়ে প্রতিরোধ: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The barrel of the gun will turn any time Abbas

বন্দুকের নল যে কোনো সময় ঘুরে যাবে: আব্বাস

বন্দুকের নল যে কোনো সময় ঘুরে যাবে: আব্বাস ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ। ছবি: নিউজবাংলা
গত জুলাই থেকে বিএনপি রাজপথে কর্মসূচি বাড়ানোর পর এখন পর্যন্ত সংঘর্ষে দলটির সহযোগী সংগঠনগুলোর চারজন কর্মী নিহত হয়েছেন। এদের সবাই পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন।

সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘যে বন্দুক দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের বুকে রক্ত ঝরাচ্ছেন, সেই নল যে কোনো সময় ঘুরে যাবে৷ এটা বিগত দিনে কোনো স্বৈরাচারি সরকার আগে টের পায়নি, আপনারাও পাচ্ছেন না। তাই সাবধান করছি বন্দুকের নল সামলে রাখুন।’

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটর এলাকার বিয়াম মিলনায়তনের সামনে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন বিএনপি নেতা।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, লোডশেডিং, গণপরিবহনের ভাড়া ও নিত্যপণ্যের দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি, পুলিশের গুলিতে দলের চার নেতা-কর্মীর মৃত্যুর প্রতিবাদে ঢাকা মহানগরীর ১৬টি স্পটে ধারাবাহিক সমাবেশের অংশ হিসেবে এই প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে যোগ দিতে দুপুর ২ টার পর থেকেই মোটা বাঁশের লাঠির সঙ্গে জাতীয় পতাকা বেঁধে হাতে নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্হলে যোগ দিতে থাকে। এ সময় তারা খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে।

গত জুলাই থেকে বিএনপি রাজপথে কর্মসূচি বাড়ানোর পর এখন পর্যন্ত সংঘর্ষে দলটির সহযোগী সংগঠনগুলোর চারজন কর্মী নিহত হয়েছেন। এদের সবাই পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘যে বন্দুকের নল দিয়ে গুলি করছেন তাও জনগণের পকেটের টাকা দিয়ে কেনা। তাই বন্দুকের নলের ভয় আর দেখাবেন না।’

তিনি বলেন, ‘আজকে সকল ব্যারিকেড থেকে আমাদের বেরিয়ে এসে ঢাকার অলিতে-গলিতে ছড়িয়ে পড়তে হবে। মিটিং মিছিল করা আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার, এই অধিকার যারা কেড়ে নিতে চায় তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। জনগণকে আশ্বস্ত করতে হবে আমরা তাদের পাশে আছি। বিএনপির কমীরা বুক পেতে দিতে শিখেছে। আর ভয় নেই।’

দেশের সব গণতান্ত্রিক কাঠামোগুলোকে ভেঙে ফেলা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা। বলেন, ‘এসব মেরামত আমাদেরই করতে হবে। কারণ, জনগণ বিএনপির দিকে তাকিয়ে আছে। ৮ হাজার কোটি টাকা দিয়ে যে ইভিএম কিনতে চাওয়া হচ্ছে এই টাকাও বিফলে যাবে।’

নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আদায় করেই বিএনপি নিবাচনে যাবে বলেও ঘোষণা দেন আব্বাস। বলেন, ‘সরকার নিরপেক্ষ পরিবেশ তৈরি করে দেখুন বিএনপিকে হারানের ক্ষমতা জনগণকে তাদের দিয়েছে কিনা।’

সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান বলেন, ‘ভোট ডাকাতির ক্ষমতা থেকে জনগণ নামিয়ে আনবে এটা এখন সময়ের দাবি। রাস্তায় নেমে আসুন, এখন থেকে পুলিশ নিরপেক্ষ থাকবে দেখি কাদের শক্তি বেশি।’

তিনি বলেন, ‘পার্লামেন্ট ভেঙে নিদলীয় নিবাচন দিতে হবে, প্রশাসনও নিরপেক্ষ হয়ে যাবে। হাসিনা যদি বিএনপিকে রেখে নির্বাচন করতে চায়, নিবাচন কমিশনপর একটা বিল্ডিয়ের ইট ও থাকবে না।’

সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য জয়নাল আবদীন ফারুক, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সম্পাদক শহীদ-উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী।

আরও পড়ুন:
জামায়াতের জোট ছাড়ার গুঞ্জন স্বীকার বিএনপি নেতার
ফের পেট্রলবোমা ছুড়লে জনগণকে নিয়ে প্রতিরোধ: তথ্যমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর কথার অর্থ গত নির্বাচনগুলো সঠিক ছিল না: মোশাররফ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Continuity of democracy has no alternative to elections Deputy Speaker

গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতায় নির্বাচনের বিকল্প নেই: ডেপুটি স্পিকার

গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতায় নির্বাচনের বিকল্প নেই: ডেপুটি স্পিকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে মঙ্গলবার সিরডাপ মিলনায়তনে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সম্প্রীতি বাংলাদেশ। ছবি: নিউজবাংলা
শামসুল হক টুকু বলেন, ‘রাজপথে সংঘাত-সহিংসতা না করে সংসদে গিয়ে জনগণের জন্য কথা বলতে হবে। নির্বাচনে অংশ নিতে হবে। আমরা সব দলকে সংসদে নিয়েই কাজ করতে চাই।’

গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রাখতে নির্বাচনের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু। তিনি বলেছেন, ‘গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে হলে নির্বাচনের বিকল্প নেই। আর প্রধানমন্ত্রী সব দলকে নিয়েই নির্বাচন করতে চান।’

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘রাজপথে সংঘাত-সহিংসতা না করে সংসদে গিয়ে জনগণের জন্য কথা বলতে হবে। নির্বাচনে অংশ নিতে হবে। আমরা সব দলকে সংসদে নিয়েই কাজ করতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা তার কন্যার মধ্যে প্রোথিত আছে বলেই শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পেরেছেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছেন।

‘এ দেশ স্বাধীন করেছে সব ধর্মের মানুষ। তাই ধর্মান্ধতার বিভ্রান্তি থেকে আমাদের মুক্ত থাকতে হবে।’

টুকু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনাকে যদি জানতে চান তাহলে বঙ্গবন্ধুকে জানতে হবে, বঙ্গবন্ধুকে যদি জানতে চান তাহলে বাংলাদেশকে জানতে হবে। আমাদের মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

‘বঙ্গবন্ধু জীবিত থাকলে আরও আগেই বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে পরিণত করতেন। এখনই সময় দুশমনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর। সময় এসেছে আবারও ১৯৫২, ১৯৫৪, ১৯৬৯ ও ১৯৭১-এর মতো একতাবদ্ধ হয়ে হিংস্র শকুনের দলকে রুখে দেয়ার।’

আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান বলেন, ’৭৫-এ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর পাকিস্তানি পরাজিত শক্তির সীমাহীন উল্লাস দেখেছি। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যা করেই খুনিরা ক্ষান্ত হয়নি, তারা জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করেছে। দেশকে নিয়ে গেছে অন্ধকারের দিকে।

‘১৯৮১ সালে বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশে ফিরে দূর করেছেন সেই অন্ধকার। তিনি শুধু দলের হালই ধরেননি, জাতিকে দিয়েছেন দিশা। দেশকে নিয়ে গেছেন উন্নয়নের পথে। বার বার প্রাণনাশের চেষ্টার পরও তিনি দমে যাননি।’

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সম্প্রীতি বাংলাদেশ-এর আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়। সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- প্রফেসর হারুন অর রশিদ, প্রফেসর মাহফুজা খাতুন, মাওলানা আজাদ, প্রফেসর আব্দুল মান্নান, প্রফেসর নিজামুল হক, সৈয়দ বোরহান কবির, প্রফেসর সাদেকা হালিম, ড. উত্তম বড়ুয়া, ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে বিটিভিতে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান

মন্তব্য

p
উপরে