× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
30 injured in clash over return of money to go abroad
hear-news
player
google_news print-icon

প্রবাসে যাওয়ার টাকা ফেরত নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩০

প্রবাসে-যাওয়ার-টাকা-ফেরত-নিয়ে-সংঘর্ষ-আহত-৩০
সরাইল সার্কেলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুর বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ছাড়াও এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা আছে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের জয়ধরকান্দি গ্রামে বুধবার বেলা ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

সরাইল সার্কেলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, জয়ধরকান্দি গ্রামের আল আমিন প্রবাসে আছেন। প্রবাসে যাওয়ার আগে বোরহান নামের একজনকে বিদেশ নেয়ার জন্য তার কাছ থেকে টাকা নেন আল আমিন। বুধবার সকালে বোরহান তার টাকা ফেরত চান আল আমিনের বাবার কাছে৷ এ নিয়ে কথা কাটাকাটি থেকে দুইপক্ষ দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

আহতরা হলেন, বকুল, বিল্লাল, শাসসু, আজগর, শিমুল, তকির, বাহার, নাহিদ, নাদিম, জুবায়েদ, জসিম, ইলিয়াস, হারিস। তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুর আরও বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ছাড়াও এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা আছে।’

আরও পড়ুন:
পুলিশ বন্ধু, ভোলার প্রাণহানি দুর্ঘটনা: বিএনপি নেতা
বিএনপি-ছাত্রলীগ সংঘর্ষে আহত ৩০
প্রশাসনকে ছাত্রদল সভাপতির হুঁশিয়ারি
ভোলায় সংঘর্ষ: নিহত ছাত্রদল নেতার দেহে গুলির চিহ্ন
দুই কর্মী নিহত: ভোলায় বিএনপির ব্যাপক বিক্ষোভ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
They were on the river for 6 days

৬ দিন ধরে তারা করতোয়ার পাড়ে

৬ দিন ধরে তারা করতোয়ার পাড়ে
ভূপেন ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি। তাকে হারিয়ে পুরো পরিবার দিশেহারা। মাড়েয়া বামনপাড়া ইউনিয়নের ছত্র শিকারপুর হাতিডুবা গ্রামে ভূপেনের বাড়ি। তার খোঁজে প্রতিদিন নদীর তীরে আসছেন বাবা মদন চন্দ্র রায়।

‘আজ ৬ দিন পার হয়ে গেল, নিখোঁজ সন্তানের জন্যে ঘরে কারও মুখে খাবার যায় না। বাড়ির সবাই নদীর দুই পাড়ে পড়ে আছি।’

সন্তানকে ফিরে পাওয়ার আশায় পঞ্চগড়ের বোদায় করতোয়ার পাড়ে দাঁড়িয়ে একথা বলছিলেন সাকোয়া ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের খগেন্দ্র নাথ বর্মণ।

বোদার করতোয়া নদীর মাড়েয়া আউলিয়া থেকে বদ্বেশ্বরী ঘাটে যাওয়ার সময় গত ২৫ সেপ্টেম্বর রোববার নৌকাডুবিতে নিখোঁজ হন তার ছেলে সুরেন। সেদিন থেকে শুক্রবার পর্যন্ত ছেলের খোঁজে দুই ঘাটে ঘুরতে থাকেন বৃদ্ধ খগেন্দ্র। পরিবারটির অন্য সদস্যরাও সুরেনের ফিরে আসার অপেক্ষায় আছেন। তবে ঘটনার ষষ্ঠ দিনে এসে তাকে জীবিত ফেরত পাওয়ার আশা তারা ছেড়েই দিয়েছেন।

ওই দুর্ঘটনায় ডুবে যাওয়া যাত্রীদের মধ্যে এ পর্যন্ত ৬৯ জনের মরদেহ ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা মিলে উদ্ধার করেছে। এখনও পাওয়া যায়নি সুরেন, ভূপেন ও তিন বছর বয়সী জয়া রানীকে। তাদের উদ্ধারে প্রতিদিনও কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস।

ভূপেন ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি। তাকে হারিয়ে পুরো পরিবার দিশেহারা। মাড়েয়া বামনপাড়া ইউনিয়নের ছত্র শিকারপুর হাতিডুবা গ্রামে ভূপেনের বাড়ি। তার খোঁজে প্রতিদিন নদীর তীরে আসছেন বাবা মদন চন্দ্র রায়।

তিনি বলেন, ‘আমার পরিবারের একমাত্র উপার্যনক্ষম সন্তান ছিল ভূপেন। এতো কঠিন সাজা দিল ভগবান, জানি না কী অপরাধ করেছি আমরা।’

৬ দিন ধরে তারা করতোয়ার পাড়ে

ছোট্ট জয়া সেদিন মা ও আরেক বোনের সঙ্গে নৌকায় চড়ে মহালয়া দেখতে রওনা হয়েছিল। মাঝনদীতেই ডুবে গেল নৌকা, সে হারিয়ে গেল পানিতে। মা সাঁতার কেটে বেঁচে গেলেও পরে পাওয়া গেছে জয়ার বোনের মৃতদেহ। এখন বাবা ধীরেন্দ্র নাথ এক মেয়ের সৎকার করে আরেক মেয়ের লাশের জন্য নদীতীরে রয়েছেন অপেক্ষায়।

তিনি জানান, জয়ার মা দুই মেয়ে হারিয়ে পাগলপ্রায়। শিশুদুটি সারা বাড়ি মাতিয়ে রাখত। এখন তাদের ঘরজুড়ে কেবল আহাজারির শব্দ।

বোদায় করতোয়ার এক পারে পীর আউলিয়ার মাজার, আরেক পাড়ে ঐতিহ্যবাহী বদেশ্বরী মন্দির। এ কারণে দুই ঘাটের নাম আউলিয়া, বদেশ্বরী।

বদেশ্বরী মন্দিরে গত রোববার ছিল মহালয়ার আয়োজন। সেখানে যাওয়ার জন্যই নৌকাবোঝাই যাত্রীরা আউলিয়া ঘাট থেকে রওনা হয়েছিলেন। মাঝনদীতে নৌকা ডুবে গেলে অনেকে সাঁতরে ওঠে। কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয় জীবিত। এরপর চার দিনে ৬৯ জনের মৃতদেহ পাওয়া যায় নদীর আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে।

৬ দিন ধরে তারা করতোয়ার পাড়ে

প্রথম দিন থেকেই স্থানীয় প্রশাসন ও ঘাটের লোকজন এই দুর্ঘটনার জন্য যাত্রীদের বাধা না মেনে নৌকায় ওঠাকে দায়ি করে আসছে। কর্মকর্তারা বলেছেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ মাইকিং করে নৌকায় অতিরিক্ত যাত্রীদের উঠতে বার বার মানা করছিল। তারপরও হুড়মুড়িয়ে যাত্রীরা নৌকায় ওঠে। ভার নিতে না পেরে ডুবে যায় নৌকাটি।

স্থানীয় কৈলাশ চন্দ্র সাহা বলেন, ‘আমার এই জীবনে এত বড় নৌকাডুবি দেখিনি। এত মানুষের নির্মম মৃত্যু কোনো ভাবেই মানতে পারছি না।’

এই দুর্ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দীপঙ্কর রায় বলেন, ‘এলাকায় থেকে মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টার তদারকিসহ মৃতদের সৎকার, পরিবারগুলোর দেখভাল করতে সময় লেগেছে। এ কারণে সময়মতো তদন্তের কাজ হয়নি।

‘তদন্তের সময় বাড়ানো হয়েছে। শনিবার জেলা প্রশাসকের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে।’

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স পঞ্চগড়ের সহকারী উপ-পরিচালক শেখ মাহাবুবুল আলম জানান, নিখোঁজদের উদ্ধার না করা পর্যন্ত তাদের কাজ চলবে।

আরও পড়ুন:
করতোয়ায় নৌকাডুবি: লাশের সারি বাড়ছেই
মরণ তুচ্ছ করে স্বামীকে বাঁচালেন যশবালা
করতোয়ায় নৌকা ডুবতে দেখে উদ্ধারে ঝাঁপ দিয়েছিলেন তারা
পূজার পোশাক কিনতে জমানো টাকায় হচ্ছে সন্তানের সৎকার
করতোয়ায় নৌকাডুবি: দুই দিনে উদ্ধার ৫০ মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
2 drivers were killed in a collision between a bicycle and a motorcycle

বাইসাইকেল ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ২ চালকই নিহত

বাইসাইকেল ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ২ চালকই নিহত নিহত আরিফুলের স্বজনদের আহাজারি। ছবি: নিউজবাংলা
কালীগঞ্জ থানার ওসি আব্দুর রহিম মোল্লা বলেন, ‘আরিফুল ইসলাম বিকেলে মারা গেছে। কোনো অভিযোগ না থাকায় পরিবারের কাছে তার মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। আর আলেক মণ্ডল যশোরে মারা গেছে। তার মরদেহটি সেখানেই আছে।’

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বাইসাইকেল ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জন নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার বিকেলে উপজেলার তেঘরীহুদা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার কোলা ইউনিয়নের রাকড়া গ্রামের মাজেদুল হকের ছেলে ১৭ বছর বয়সী আরিফুল ইসলাম এবং একই গ্রামের ৪৫ বছর বয়সী আলেক মণ্ডল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার দুপুরে বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে গাজীরবাজারে যাচ্ছিলেন মাদ্রাসার ছাত্র আরিফুল। পথে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাইসাইকেলের সঙ্গে তার সংঘর্ষ হয়। এতে আরিফুল ও বাইসাইকেল আরোহী আলেক মণ্ডল গুরুতর আহত হন।

সংঘর্ষের পরপরই আশপাশের মানুষ ঘটনাস্থল থেকে তাদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আরিফুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে গুরুতর আহত অবস্থায় আলেক মণ্ডলকে যশোরে পাঠান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা। পরে সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

কালীগঞ্জ থানার ওসি আব্দুর রহিম মোল্লা বলেন, ‘আরিফুল ইসলাম বিকেলে মারা গেছে। কোনো অভিযোগ না থাকায় পরিবারের কাছে তার মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। আর আলেক মণ্ডল যশোরে মারা গেছে। তার মরদেহটি সেখানেই আছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
রাজধানীতে দুই বাসের প্রতিযোগিতায় কিশোর নিহত
সাফজয়ীদের সংবর্ধনায় এসে দুর্ঘটনায় নিহত স্কুলছাত্র
ইলেকট্রিক মিস্ত্রিকে মৃত ঘোষণা, ঢামেকে লেগুনা ফেলে পালান চালক
দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ২
বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল শিশুর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Ignorant party took life of insurance official

‘অজ্ঞান পার্টি’ নিল ইনস্যুরেন্স কর্মকর্তার প্রাণ

‘অজ্ঞান পার্টি’ নিল ইনস্যুরেন্স কর্মকর্তার প্রাণ
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে বাসে ঢাকা থেকে বরিশাল আসার পথে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েন দেলোয়ার। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। মরদেহ মর্গে নেয়া হয়েছে।

ঢাকা থেকে বরিশালের পথে বাসে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে মেঘনা লাইফ ইনস্যুরেন্সের দেলোয়ার হোসেন বাবু নামের কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার দুপুরে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন তিনি।

৪০ বছর বয়সী দেলোয়ারের বাড়ি বরিশাল নগরীর দক্ষিণ রুপাতলী এলাকায়। তিনি মেঘনা লাইফ ইনস্যুরেন্সে ঢাকায় কর্মরত ছিলেন।

শেবাচিম হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক)আব্দুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে বাসে ঢাকা থেকে বরিশাল আসার পথে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েন দেলোয়ার। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। মরদেহ মর্গে নেয়া হয়েছে।

হাসপাতালে দেলোয়ারের বড় ভাইর বন্ধু রুহুল জমাদ্দার জানান, সুগন্ধা পরিবহনের বাসে বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা থেকে বরিশালের উদ্দেশে রওনা দেন দেলোয়ার। বাস কর্তৃপক্ষ তাকে অজ্ঞান অবস্থায় পেয়ে তার ভাই জর্জকে জানায়। তারা দেলোয়ারকে হাসপাতালে ভর্তি করে।

রুহুল জানান, চার কন্যা সন্তানের জনক দেলোয়ার। তার মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার থেকে মামলা করতে আগ্রহী নয়। তবুও পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠিয়েছে।

কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই মো. রুম্মান জানান, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

মডেল থানার ওসি আজিমুল করিম জানান, এটি একটি হত্যাকাণ্ড। ঢাকা থেকে বরিশাল আসার পথে এই ঘটনা ঘটেছে। ভবিষ্যতে যে কোন সময় এই ঘটনায় জড়িতরা আটক হতে পারে। তখন পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে।

আরও পড়ুন:
অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর
আলাদা ঘটনায় তিনজন অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে
অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে ১২ লঞ্চযাত্রী
গরু ব্যবসায়ীদের অজ্ঞান করেন তারা
অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীর মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
One and a half thousand policemen will guard Ma Hilsa

মা ইলিশ পাহারা দেবে দেড় হাজার পুলিশ

মা ইলিশ পাহারা দেবে দেড় হাজার পুলিশ মা ইলিশ সুরক্ষায় প্রচারণামূলক সভা করছে প্রশাসন। ছবি: নিউজবাংলা
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশ রক্ষার কার্যক্রম চলবে।

এবার নদীতে মা ইলিশের সুরক্ষায় মোতায়েন করা হচ্ছে দেড় হাজার পুলিশ।

শুক্রবার নৌ-পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি পংকজ চন্দ্র রায় এ ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, ‘মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে নৌ-পুলিশের পক্ষ থেকে দেড় হাজার পুলিশ নদীতে মোতায়েন করা হবে। এ ছাড়া এবার সব ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট নিয়ে অভিযানে নামা হবে।’

শুক্রবার বিকেলে চাঁদপুর সদর উপজেলার দূর্গম চর রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জনসচেতনতামূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন পংকজ চন্দ্র রায়।

তিনি আরও বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞার সময়টিতে সব জেলার ট্রাস্কফোর্স কমিটি, মৎস্য মন্ত্রণালয়সহ সবার সুষ্ঠু সমন্বয়ে আমরা এই মা ইলিশ রক্ষা অভিযানটি সফল করতে চাই। তবে এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করতে হবে জনগণকে। অর্থাৎ যারা মৎস্যজীবী ও জেলে ভাই রয়েছে। আশা করছি, সবাই নিষেধাজ্ঞা মেনে আমাদের সহায়তা করবে।’

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশ রক্ষার কার্যক্রম চলবে। ইতোমধ্যেই নৌ পুলিশ অভায়শ্রম এলাকাগুলোতে প্রচারণা শুরু করেছে।

প্রচারণার অংশ হিসেবে রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি করে নৌ-পুলিশ।

চাঁদপুর নৌ-থানার ওসি মো. কামরুজ্জামানের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার (অপারেশন্স অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স) ড. আ ক ম আকতারুজ্জামান বসুনিয়া, চাঁদপুর নৌ-অঞ্চলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হযরত আলী বেপারি।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের উপহারের ইলিশ ভারতের বাজারে মঙ্গলবার
দুর্গাপূজার প্রথম চালানে ভারত গেল ১৬ টন ইলিশ
ইলিশ চেয়ে আবেদন
মনপুরায় ধরা পড়ল রাজা ইলিশ
যেভাবে ১৮ লাখ টাকার ইলিশ নিয়ে ফিরল ট্রলারটি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jailed for wife murder attempted murder of a woman again

স্ত্রী হত্যায় জেল খেটে ফের এক নারীকে ‘হত্যাচেষ্টা’

স্ত্রী হত্যায় জেল খেটে ফের এক নারীকে ‘হত্যাচেষ্টা’
ছালমা বলেন, ‘বাসায় আমি একা থাকি, আমর ছেলে ডাক্তার, সে ঢাকায় থাকে। এই সুযোগে বাড়িতে ঢুকে আমাকে হত্যার চেষ্টা করে চয়েন। ২০১০ সালে চয়েন তার স্ত্রীকে হত্যার দায়ে জেল খেটে গত বছরের শেষের দিকে মুক্তি পায়। তখন আমার স্বামীসহ গ্রামের অনেকেই চয়েনকে গ্রেপ্তারের ব্যাপারে পুলিশকে সহায়তা করেছিল। এ কারণেই সে আমাকে হত্যার চেষ্টা করে।’

নওগাঁর রাণীনগরে স্ত্রী হত্যা মামলার আসামি চয়েন আলী সরদার কারাভোগের পর বেরিয়ে আবারও এক নারীকে হত্যা চেষ্টা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় চয়েনের বিরুদ্ধে শুক্রবার বিকেলে রাণীনগর থানায় মামলা করেছেন ছালমা আক্তার নামের এক নারী।

ছালমা উপজেলার মালশন গ্রামের প্রয়াত ইব্রাহিম হোসেনের স্ত্রী। ৩৫ বছর বয়সী চয়েন একই গ্রামের বাসিন্দা।

২০১০ সালের জানুয়ারিতে স্ত্রী হত্যার দায়ে আদালত তাকে ১৪ বছর কারাদণ্ড দেয়। কারাবিধি মেনে চলার কারণে দুই বছর কম সাজাভোগ করতে হয় তাকে। গত বছরের ডিসেম্বরে কারাগার থেকে বের হন চয়েন।

ছালমার করা মামলার বিবরণে বলা হয়, গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে বাড়িতে তিনি একা ছিলেন। এ সময় চয়েন বাড়িতে ঢুকে দড়ি দিয়ে ছালমার শরীর বেঁধে ফেলার চেষ্টা করেন। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ছালমার একটি দাঁত ভেঙে যায়। তিনি চিৎকার শুরু করলে হত্যার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যান চয়েন।

ছালমা বলেন, ‘বাসায় আমি একা থাকি, আমর ছেলে ডাক্তার, সে ঢাকায় থাকে। এই সুযোগে বাড়িতে ঢুকে আমাকে হত্যার চেষ্টা করে চয়েন। ২০১০ সালে চয়েন তার স্ত্রীকে হত্যার দায়ে জেল খেটে গত বছরের শেষের দিকে মুক্তি পায়।

‘তখন আমার স্বামীসহ গ্রামের অনেকেই চয়েনকে গ্রেপ্তারের ব্যাপারে পুলিশকে সহায়তা করেছিল। এ কারণেই সে আমাকে হত্যার চেষ্টা করে। এমন অপরাধীকে দ্রুত আটক করে কঠিন শাস্তি দেয়া হোক, নইলে আমরা কেউই নিরাপদ নই।’

রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘ছালমা আক্তারকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে চয়েনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি। শিগগিরই তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।’

আরও পড়ুন:
ইউএনওকে হত্যাচেষ্টা মামলা: তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নিতে সমন
বিষাক্ত ইনজেকশন দিয়ে রোগীকে হত্যাচেষ্টা, স্ত্রী আটক
কৃষককে গুলি করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
২০০ টাকা নিয়ে বাকবিতণ্ডা, চা দোকানির গলায় পোচ
কপালে টিপ, হত্যাচেষ্টার অভিযোগ শিক্ষকের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two seven husbands in the hospital in the fight for votes

ভোটের লড়াইয়ে দুই সতিন, স্বামী হাসপাতালে

ভোটের লড়াইয়ে দুই সতিন, স্বামী হাসপাতালে দুই সতিনের নির্বাচনি পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত
আগামী ১৭ অক্টোবর সারা দেশে একযোগে জেলা পরিষদের এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনেই সদস্য পদে দুই সতিনের লড়াই নিয়ে দুর্গাপুর উপজেলায় চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

স্বামী গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এদিকে কঠিন ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন তার দুই স্ত্রী।

জেলা পরিষদ নির্বাচনে নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার (১ নং ওয়ার্ডের) সাধারণ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ওই দুই সতিন। তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে এলাকায় চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

ভোটের লড়াইয়ে একে অপরের মুখোমুখি হওয়া দুই সতিন হলেন- আনোয়ারা বেগম ও সুরমী আক্তার সুমি। সীমান্তবর্তী দুর্গাপুর পৌরসভার মেয়র ও ধনাঢ্য ব্যবসায়ী আলা-উদ্দীন আলালের স্ত্রী তারা।

আলালের বড় স্ত্রী আনোয়ারা লড়ছেন তালা প্রতীক নিয়ে। আর ছোট স্ত্রী সুরমী আক্তার সুমি লড়ছেন অটোরিকশা প্রতীকে। তবে ওই আসনটিতে তারা দুজন ছাড়াও দুই পুরুষ প্রার্থীও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- জুয়েল মিয়া ও মো. আব্দুল করিম।

দুর্গাপুর উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তা উল্লিখিত চারজনের প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আর দুর্গাপুর পৌরসভার মেয়র আলা-উদ্দীন আলালের ব্যবসায়িক সহযোগী ধনেশ পত্রনবীশ নিশ্চিত করেছেন, আনোয়ারা ও সুমি দুজনই মেয়র আলালের স্ত্রী।

ধনেশ পত্রনবীশ জানান, আলা-উদ্দীন আলাল বেশকিছুদিন ধরে গুরুতর অসুস্থ। মারাত্মক শ্বাসকষ্টসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন তিনি। বর্তমানে ঢাকার শ্যামলীতে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

একই পদে আলালের দুই স্ত্রীর প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে ধনেশ বলেন, ‘ছোট স্ত্রী সুরমী আক্তার সুমির প্রতি আলাল সাহেবের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। কিন্তু বড় স্ত্রী আনোয়ারা বেগমকে অনেক মানা করেও তিনি ফেরাতে পারেননি। এর পেছনে কিছু লোকের ইন্ধন রয়েছে।’

ধনেশ আরও বলেন, ‘দুই স্ত্রীর প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে আলাল আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি খুবই বিব্রত।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সতিন হওয়ায় আনোয়ারা ও সুমির মধ্যে অনেক আগে থেকেই সম্পর্কের বৈরিতা রয়েছে। দুর্গাপুরের আত্রাখালি এলাকায় আলাদা বাসায় বসবাস করেন আনোয়ারা। আর সুমি বসবাস করেন আলালের সঙ্গে তার তেরিবাজার এলাকার বাসায়।

দুজনের নির্বাচনি পোস্টারে দেখা গেছে, আনোয়ারা বেগম তার পোস্টারে স্বামীর নাম ও পরিচয় উল্লেখ করেছেন। কিন্তু সুরমী আক্তার সুমি এসব কিছুই উল্লেখ করেননি।

আলা-উদ্দীন আলাল অসুস্থ থাকায় তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তার ছোট স্ত্রী সুরমী আক্তার সুমি মুঠোফোনে বলেন, ‘আমার নির্বাচনকে সামনে রেখে আমার স্বামী অনেক আগে থেকেই কাজ করে আসছিলেন। তা ছাড়া পারিবারিক সিদ্ধান্তেই আমি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। কিন্তু আলালের সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আনোয়ারা বেগমকে প্রার্থী করেছে। যে স্বামীর ভালো চায় না তার বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই।’

সুমি আরও বলেন, ‘আমি ১৯ দিন ধরে স্বামীকে নিয়ে হাসপাতালে আছি। এ মুহূর্তে তার সুস্থতাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় বিষয়। আর ওদিকে আমার স্বামীর পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি সব আত্মীয়-স্বজন ও পৌর পরিষদের কাউন্সিলরা আমার পক্ষে মাঠে কাজ করছেন। ভোটারাও আমার সম্পর্কে এবং আলালের সিদ্ধান্তের কথা জানেন। আশা করি তারা আমাকে নির্বাচিত করবেন।’

এদিকে আনোয়ারা বেগম বলেন, ‘আলাল তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে থাকেন। আর আমি আলাদা থাকি। ওই মহিলা যা বলেন তিনি তাই করেন। তার স্ত্রী হিসেবে আমিও দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু আমি যখনই কোনো পদ-পদবিতে যেতে চাই তখনই অপর পক্ষ থেকে বাধা আসে।’

তিনি আরও বলেন ‘আমারও কিছু কর্মী-সমর্থক আছেন। তারা আমাকে জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে দেখতে চান। তাই তাদের সমর্থনে আমি প্রার্থী হয়েছি।’

আগামী ১৭ অক্টোবর সারা দেশে একযোগে জেলা পরিষদের এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন:
প্রতারণার মামলায় আ.লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী কারাগারে
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ২২ জন
‘আপনারা চান ব্যালটের ভোট সেহরি ইফতারি খাক’
চট্টগ্রামের ডিসিকে ভোটের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিচ্ছে ইসি
সেই রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে আইনি নোটিশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Barisal city is shining with lights

আলোয় আলোয় ঝলমলিয়ে বরিশাল নগর

আলোয় আলোয় ঝলমলিয়ে বরিশাল নগর
নগরীর সবচেয়ে বড় পূজামণ্ডপ শ্রী শ্রী শংকর মঠ পূজা উদযাপন ক‌মি‌টির সহ-সাধারণ সম্পাদক সবুজ দাস ব‌লেন, ‘ক‌রোনার প্রকোপ কা‌টি‌য়ে স্বাভা‌বিক অবস্থায় অ‌নেকটাই ফি‌রে‌ছি আমরা। তাই এ বছর বড় ভা‌বে পূজা উদযাপ‌নের উদ্যোগ নি‌য়ে‌ছি।’

বরিশাল নগরীর বিভিন্ন রাস্তা ও পূজামণ্ডপ বৃহস্পতিবার রাত থেকে ঝলমলিয়ে উঠেছে। সন্ধ্যা নামলেই বাহারি আলোকসজ্জা মুগ্ধ করছে নগরবাসীকে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে নগরীতে আলোয় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পায়রা সেতু।

করোনাকাল কাটিয়ে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এই বড় ধর্মীয় উৎসব উদযাপনে এবার কমতি রাখতে চায় না আয়োজকরা। পূজা ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও বেশ কঠোর বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

নগরীর সবচেয়ে বড় পূজামণ্ডপ শ্রী শ্রী শংকর মঠ পূজা উদযাপন ক‌মি‌টির সহ-সাধারণ সম্পাদক সবুজ দাস ব‌লেন, ‘ক‌রোনার প্রকোপ কা‌টি‌য়ে স্বাভা‌বিক অবস্থায় অ‌নেকটাই ফি‌রে‌ছি আমরা। তাই এ বছর বড় ভা‌বে পূজা উদযাপ‌নের উদ্যোগ নি‌য়ে‌ছি।

‘আধু‌নিক লাইট দি‌য়ে মূল ম‌ন্দির সাজা‌নো হ‌য়ে‌ছে। এছাড়া ম‌ন্দি‌রের ম‌ধ্যের ও বাই‌রের প্রায় আধা কি‌লো‌মিটার সড়কে আ‌লোকসজ্জা করা হ‌য়ে‌ছে। পুকু‌রের ম‌ধ্যে টিউবলাইট দি‌য়ে তৈরি করা হ‌য়ে‌ছে পায়রা সেতু। পাশাপা‌শি এলইডি লাইট দি‌য়ে তৈরি করা হ‌য়ে‌ছে দুই‌টি বিশাল তোড়ন।’

আলোয় আলোয় ঝলমলিয়ে বরিশাল নগর

আ‌লোকসজ্জা দেখ‌তে বের হয়েছেন স্থানীয় শ্রাবন্তী নন্দী। তিনি ব‌লেন, ‘দুর্গাপূজা এ‌লে পু‌রো নগরীর সড়ক আ‌লো‌তে ঝলমল ক‌রে ও‌ঠে। আর সেই ঝলমলে নগরী দেখ‌তেই প‌রিবার নি‌য়ে বের হ‌য়ে‌ছি।

‘৬‌টি পূজামণ্ডপের আ‌লোকসজ্জা ঘু‌রে দে‌খে‌ছি রিকশায় চড়ে। নতুন বাজার, অষ্ট‌কোনা মঠ, জগন্নাথ ম‌ন্দির, শংকর মঠ, কাটপ‌ট্রি চার্চওয়ার্ড ও পাষানময়ী কা‌লিমাতার মন্দিরে ঘু‌রে‌ছি।’

পূজা শুরুর আগেই মণ্ডপগু‌লো‌তে টহল জোড়দার করা হ‌য়ে‌ছে জা‌নি‌য়ে‌ মে‌ট্রোপ‌লিটন পু‌লি‌শের দ‌ক্ষিণ বিভা‌গের অ‌তি‌রিক্ত উপক‌মিশনার ফজলুল ক‌রিম ব‌লেন, ‘বন্দর ও কোতোয়ালি ম‌ডেল থানা এলাকা মি‌লি‌য়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপ আছে ১১‌টি। সেগু‌লো‌তে ৫ জন ক‌রে স্থায়ী পু‌লিশ থাক‌বে। পাশাপা‌শি পু‌লিশ সদস‌্যদের সহায়তা কর‌বে আনসার সদস‌্যরাও।’

আলোয় আলোয় ঝলমলিয়ে বরিশাল নগর

তি‌নি ব‌লেন, ‘মহানগ‌রের সব পূজামণ্ডপেই মোবাইল টিম থাক‌বে। পাশাপা‌শি সাদা পোশাকধারী পু‌লিশ সদস‌্যরা দা‌য়িত্ব পালন কর‌বে। আমরা মাদ‌কের বিরু‌দ্ধে বেশ শক্ত অবস্থা‌নে র‌য়ে‌ছি।’

ব‌রিশাল জেলা পু‌লিশ সুপার ওয়া‌হিদুল ইসলাম ব‌লেন, ‘জেলা পু‌লি‌শের থানাগু‌লোর আওতায় ৫৩২‌টি পূজা মণ্ডপে পূজা নি‌র্বিঘ্ন কর‌তে এসব মণ্ডপগু‌লোর ম‌ধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ও বেশি গুরুত্বপূর্ণ বি‌বেচনায় স্থায়ীভা‌বে মোট ৬০০ পু‌লিশ সদস‌্য দা‌য়িত্ব পালন কর‌বে।

‘কেউ য‌দি পূজামণ্ডপে অরাজকতা করার চেষ্টা ক‌রে তাহ‌লে তা ক‌ঠোর হা‌তে দমন করা হ‌বে।’

আরও পড়ুন:
দেবীপক্ষের সূচনা
পুরান ঢাকায় দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা
চলছে প্রতিমায় রং তুলির আচড়
পূজার ছুটিতেও পরীক্ষা নেবে ঢাবির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ
মেহে‌ন্দীগঞ্জে মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর

মন্তব্য

p
উপরে