× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Date of hearing against Salim Pradhan postponed
hear-news
player
google_news print-icon

সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ পেছাল

সেলিম-প্রধানের-বিরুদ্ধে-সাক্ষ্যগ্রহণের-তারিখ-পেছাল
পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার সেলিম প্রধান। ফাইল ছবি
৫৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার বাদী হয়ে সেলিম প্রধানকে আসামি করে মামলাটি করেন।

অনলাইনে ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে দুদকের করা অবৈধ সম্পদ ও মানি লন্ডারিং আইনের মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ পিছিয়েছে।

বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালতে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ঠিক ছিল।

কিন্তু এদিন আদালতে কোনো সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৭ আগস্ট দিন ঠিক করে আদালত।

৫৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার বাদী হয়ে সেলিমকে আসামি করে মামলাটি করেন।

এ মামলায় তার বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে ১২ কোটি ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৭৫৪ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হয়েছিল।

২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি মামলাটির তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। এতে ৫৭ কোটি ৭৯ লাখ ২৮৮ টাকার জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ২১ কোটি ৯৯ লাখ ৫১ হাজার ১৪৫ হাজার টাকা থাইল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রে পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

এর আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে সেলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, দুর্নীতি ও ক্যাসিনোর মাধ্যমে সেলিম মোট ৫৭ কোটি ৪১ লাখ ৪৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন। এর মধ্যে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ৩৫ কোটি ৪১ লাখ ৯৭ হাজার টাকার। অর্জিত ২১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা পাচার করেছেন থাইল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রে।

জানা গেছে, সেলিম জাপান-বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং পেপার্সের চেয়ারম্যান। এই কোম্পানিতে তার ৪০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। ৬৯ হাজার শেয়ারের বিপরীতে এখানে বিনিয়োগ দেখানো হয়েছে ৬৯ লাখ টাকা।

তবে সেলিমের নামে শেয়ার মানি ডিপোজিট পাওয়া গেছে ২৩ কোটি ৫৫ লাখ ৮৪ হাজার ৬৫০ টাকা। এ টাকা তিনি অবৈধভাবে অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ। প্রিন্টিং পেপার্স কোম্পানি ২০১০ সালে মুনাফা করে ২৯ লাখ ৩৩ হাজার ৮৫৩ টাকা।

প্রতিষ্ঠানটি ২০১১ সালে মুনাফা করে এক কোটি ৪৬ লাখ ২১ হাজার ৭২ টাকা। এখান থেকে ২০১১-১২ অর্থবছরে আট কোটি টাকা ঋণ নেন বলে সেলিম তার ব্যক্তিগত আয়কর নথিতে উল্লেখ করেছেন। তবে এই কোম্পানি থেকে কীভাবে ঋণ গ্রহণ করেছেন, তিনি এ-সংক্রান্ত কোনো বৈধ কাগজ দেখাতে পারেননি।

আরও পড়ুন:
ক্যাসিনো ব্যবসায়ী সেলিম প্রধানের বিচার শুরু
সেলিম প্রধানের বিচার শুরুর আদেশ ৩১ অক্টোবর
গ্রামেও ছড়িয়েছে ‘বাজি’র ক্যাসিনো, বেশি বুঁদ শিক্ষার্থীরা
সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগপত্র অনুমোদন
যুক্তরাষ্ট্র থাইল্যান্ডে বিপুল সম্পদ সেলিম প্রধানের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Allegation of encroachment against BNP leader

দখলের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

দখলের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ তুলে ধরেন রাকিন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির এমডি সুইজারল্যান্ডের নাগরিক ফাদি বিতা। ছবি: নিউজবাংলা
অভিযুক্ত এস এ কে একরামুজ্জামান বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনও করেছেন। ১৪ বছর ধরে তিনি রাকিন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির এমডি ছিলেন।

রাকিন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির অফিস জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতা এস এ কে একরামুজ্জামানের বিরুদ্ধে। তিনি প্রতিষ্ঠানটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)।

বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে অভিযোগ তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান এমডি সুইজারল্যান্ডের নাগরিক ফাদি বিতা, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুমাইয়া তাসনীন, আইনজীবী ড. কাজী আক্তার হামিদ ও মোহাম্মদ ইকরাম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এস এ কে একরামুজ্জামান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতিও। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনও করেছেন।

প্রতিষ্ঠানটির নতুন এমডি ফাদি বিতা জানান, একরামুজ্জামান ২০০৮ সালে কোম্পানির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এমডির দায়িত্বে ছিলেন। কোম্পানি আইনের ১১০(৩) ধারা লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে তাকে ২০২২ সালের ২৫ এপ্রিল কোম্পানির ৮১তম বোর্ড সভার সিদ্ধান্তক্রমে অব্যাহতি দেয়া হয়।

কিন্তু গত ২৪ সেপ্টেম্বর সকালে ২০-২০ জন অস্ত্রধারী নিয়ে একরামুজ্জামান কোম্পানির মিরপুর অফিসে ঢোকেন। ফাদি বিতার ও সুমাইয়া তাসনীনকে লাঞ্ছিত করার পাশাপাশি তাদের কাছে থেকে পদত্যাগপত্রে সই করিয়ে নেন। অফিসে ঢোকার আগেই তারা সেখানকার সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করে দেন। বর্তমানে অফিসটি একরামুজ্জামানের দখলে আছে।

ফাদি বিতা অভিযোগ করে বলেন, কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের অনুমতি ছাড়াই একরামুজ্জামান সম্পত্তি বন্ধক রেখে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রায় ৭০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন। তিনি কোম্পানির নামে কয়েকটি অনুমোদনহীন ব্যাংক হিসাব খুলে সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন।

‘স্টার পোরসেলিন’ নামে একটি কোম্পানির নামেও তিনি ৭৩ কোটি ৩ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পরিচয়ে। এসব অনিয়মের বিষয়ে তাকে আইনি নোটিশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি নোটিশের জবাব দেননি। একরামুজ্জামানের বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি মামলা আছে, বিভিন্ন অভিযোগে আরও কয়েকটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।

একরামুজ্জামান ১৪ বছর ধরে এমডির দায়িত্ব পালনকালে কোম্পানির লাভ দেখাননি, বরং প্রায় ৪৫ কোটি টাকার ঘাটতি আছে। তার এসব অনিয়ম প্রকাশ্যে আসায় ক্ষিপ্ত হয়ে বেআইনিভাবে অফিস দখল করেছেন বলে মনে করেন নতুন এমডি।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে ফাদি বিতা বলেন, ‘আমরা যথাযথ বিচার, আইনি সুরক্ষা ও জীবনের নিরাপত্তা দাবি করছি। পাশাপাশি অফিসের দখল পেতে কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।’

অভিযোগের বিষয় জানতে একরামুজ্জামানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

আরও পড়ুন:
হাটের জায়গায় দোকান, হাটুরেদের জায়গা নেই
রামনাথের ‘দুইন্যা’ উদ্ধারে সাইকেলযাত্রা
জমি দখলের অভিযোগে নারী কাউন্সিলর বরখাস্ত, নিরাপত্তা চান ভুক্তভোগী
খতিয়ান জালিয়াতি করে প্রবাসীর বাড়ি দখলের চেষ্টা
রামনাথের বাড়ি দখলে নেয়া আ.লীগ নেতা ওয়াহেদ হারালেন পদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
24 robbers arrested on the night of power failure

বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের রাতে ২৪ ছিনতাইকারী আটক

বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের রাতে ২৪ ছিনতাইকারী আটক বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের রাতে রাজধানীতে ছিনতাই করতে গিয়ে আটক হওয়া কয়েকজন। ছবি: সংগৃহীত
ফারজানা হক বলেন, ‘রাজধানীতে বিদ্যুৎ না থাকার সুযোগ পেয়ে ছিনতাইকারী চক্রের দৌরাত্ম্য বেড়ে যাওয়ার খবরে সতর্ক হয় র‌্যাব-৩। বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৪ জনকে আটক করা হয়।’

জাতীয় গ্রিডে সমস্যায় দেশের চার বিভাগ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে পড়েছিল মঙ্গলবার। আর অন্ধকারকে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করে রাজধানীতে ছিনতাই করতে বের হয়ে আটক হয়েছে ২৪ জন।

মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর শাহজাহানপুর, মতিঝিল, পল্টন এবং যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত বিষাক্ত মলম ও দেশি অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৩।

র‌্যাব-৩ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ফারজানা হক বুধবার দুপুরে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, তারা নিয়মিতভাবে এসব এলাকায় ছিনতাই করে আসছিল এবং গত রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় সুযোগ নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে বড় ধরনের ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করে।

ফারজানা হক বলেন, ‘রাজধানীতে বিদ্যুৎ না থাকার সুযোগ পেয়ে ছিনতাইকারী চক্রের দৌরাত্ম্য বেড়ে যাওয়ার খবরে সতর্ক হয় র‌্যাব-৩। বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৪ জনকে আটক করা হয়।’

আটক ২৪ জন হলেন- রাজন, বিল্লাল হোসেন, হৃদয় হোসেন, জসমত, এনামুল হক, রানা, সুজন, শাহীন, বিল্লাল হোসেন, হৃদয়, মোবারক হোসেন, জনি, আবু বক্কর সিদ্দিক, মিলন চন্দ্র মণ্ডল, সুজন, আমান হোসেন, শরিফ উদ্দিন, রনি, আরিফ হোসেন, ইদ্রিস, নূর উদ্দিন, সোহেল ও আলামিন।

আরও পড়ুন:
পুলিশ পরিচয়ে দেড় হাজার ছিনতাই, ঢাবি ছাত্রীকে অপহরণ করে ধরা
ট্রাক আটকে ৬০ ড্রাম তেল ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৪
ছিনতাইকারীরা বেপরোয়া হয়ে উঠছে: র‌্যাব
বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মসজিদের টাকা ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ
চেয়ারম্যানের ভাইয়ের দোকানে মিলল ‘ছিনতাইয়ের’ ৪৪ ড্রাম তেল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1500 rupees a month in the trap of hundreds of millions of wind

মাসে ১৫০০ টাকা লাভের ফাঁদে শত কোটি হাওয়া

মাসে ১৫০০ টাকা লাভের ফাঁদে শত কোটি হাওয়া আমানতের টাকা ফেরত চেয়ে গ্রাহকদের মানববন্ধন। ছবি: নিউজবাংলা
সর্বনিম্ন দুই লাখ থেকে শুরু করে এক কোটি টাকাও জামানত রেখেছেন অনেকে। ১ হাজার ১০০ জনের মতো গ্রাহকের কয়েকশ কোটি টাকা আটকে আছে মনির আহমদের এই প্রতিষ্ঠানে।

নৌ বাহিনীতে চাকরি শেষে পেনশনের ৬ লাখ, স্ত্রীর তিন লাখ টাকাসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের ১৫ লাখ টাকা আহমেদীয়া ফাইনান্স অ্যান্ড কমার্স এমসিএস লিমিটেডে জমা রেখেছিলেন আব্দুল হাকিম। শর্ত ছিল, মাসে প্রতি লাখে দেড় হাজার টাকা লভ্যাংশ দেবে এমসিএস লিমিটেড।

শুরুর দিকে শর্ত অনুযায়ী ঠিকমতো লভ্যাংশ দিলেও কিছুদিন পর থেকে বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপর প্রতিষ্ঠান তালা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনির আহমেদ গ্রাহকদের ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে যান।

তাই লাভের চিন্তা বাদ দিয়ে এখন আসল টাকা উদ্ধারের জন্য পথে পথে ঘুরছেন আহমেদীয়া ফাইনান্স অ্যান্ড কমার্স এমসিএসর প্রায় ১ হাজার ১০০ গ্রাহক। পথে বসা গ্রাহকদের টাকা উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চান তারা।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর ক্রাইম রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে গিয়াস উদ্দিন এমসিএস লিমিটেডের ব্যবস্থা নিয়ে তাদের টাকা ফেরতের দাবি জানান। এ সময় শতাধিক গ্রাহক উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে জানতে আহমেদীয়া ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স এমসিএস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মনির আহমেদকে ফোন করা হলে তিনি ধরেননি।

প্রতিষ্ঠানটির মহাব্যবস্থাপক (জিএম) সাইফুল ইসলামকেও একাধিকবার ফোন করলে তিনি ধরেননি।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা জানান, সর্বনিম্ন দুই লাখ থেকে শুরু করে এক কোটি টাকাও জামানত রেখেছেন অনেকে। ১ হাজার ১০০ জনের মতো গ্রাহকের কয়েক শ কোটি টাকা আটকে আছে মনির আহমদের এই প্রতিষ্ঠানে।

ভুক্তভোগীরা বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান মো. মনির আহমেদসহ অন্যরা প্রতি লাখে দেড় হাজার টাকা করে লভ্যাংশ দেয়ার কথা বলে টাকা নেয়। ব্যাংকের চেয়ে অনেক বেশি টাকা লভ্যাংশ পাওয়ার আশায় ২০১৯ সাল থেকে সবাই লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে।

প্রথম দিকে ঠিকঠাক লভ্যাংশ দিলেও পরে সেটি কমিয়ে দেয়া হয়। এক পর্যায়ে ২০২০ সালের দিকে টাকা দেয়া বন্ধ করে দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

তারা জানান, অনেকে ফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠান হিসেবে জেনে টাকা রাখলেও পরে তারা জানতে পারেন এটি সমবায় অধিদপ্তর থেকে সমবায় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য রেজিস্ট্রেশন নেয়া হয়েছিল। পরে তারা আসল টাকা উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধান, পুলিশের মহাপরিদর্শক ও সমবায় অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

তাদের দাবি, এই প্রতিষ্ঠানে আমানত রাখা টাকা সরিয়ে একাধিক প্রতিষ্ঠান করেছেন মনির আহমেদ।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ইব্রাহিমপুরের ৮২/২ হোল্ডিংয়ের চতুর্থ তলায় অবস্থিত আহমেদীয়া ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স এমসিএস লিমিটেডের অফিস। এখানে আমানত রাখা শতাধিক গ্রাহকের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্য, পুলিশ যেমন আছেন, তেমনি রিকশাচালক থেকে শুরু করে আরও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা আছেন। সাবেক সরকারি চাকরিজীবীরা বেশিরভাগেই তাদের পেনশন ও গ্রাচুইটির টাকা দীর্ঘদিন ধরে এখানে এফডিআর করে রেখেছে। কিন্তু এখন লভ্যাংশ তো দূরে থাক আসল টাকা পাচ্ছেন না।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গ্রাহকদের আমানতের টাকা ফেরত পেতে সহযোগিতা চেয়ে তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন তারা। তার কাছে লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন। মন্ত্রী পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি দেখার জন্য নির্দেশনাও দিয়েছেন।

কিন্তু এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।

এমন অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করে সংবাদ সম্মেলনে গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘রিজেন্টের মতো বড় বড় দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের মালিকদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে। আমরা আশা করি প্রধানমন্ত্রী আমাদের কষ্টে জমানো টাকাগুলো উদ্ধার করে মনির আহমেদসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেবেন।’

আরও পড়ুন:
স্বপ্নে পাওয়া ‘ক্ষমতায়’ তিনি এখন ‘ক্যানসার চিকিৎসক’
রাষ্ট্রের সম্পত্তি ‘ভুল করে’ ব্যক্তি মালিকানায় খারিজ
আদালতকে প্রতারণায় বিচারকের মামলা
ফরিদপুরে ঢুকেছে ‘শয়তানের শ্বাস’
চকিত চাহনিতে যুবকের সব হারানোর অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Arrested on charges of rape of mother in law

শাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার

শাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ফরহাদ হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
র‌্যাব জানায়, লজ্জায় বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে জানাননি ভুক্তভোগী। পরদিন বিকেল ৪টার দিকে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে মেয়ের কাছে রাতের ঘটনা খুলে বলেন এবং নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন।

নওগাঁয় শাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগে ফরহাদ হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। র‌্যাব-৫ নাটোর ক্যাম্পের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার এ তথ্য জানানো হয়।

এ দিন ভোররাতে ঢাকার তুরাগ থানাধীন চাণ্ডালভোগ জামে মসজিদের সামনে অভিযান চালিয়ে ৩৫ বছর বয়সী ফরহাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বাড়ি নওগাঁ সদর থানার দুবলহাটি বনগাঁ গ্রামে।

র‌্যাব জানায়, ২৮ আগস্ট সন্ধ্যায় ১১ বছরের নাতি মারা গেলে মেয়েকে দেখতে জামাই ফরহাদের বাড়িতে যান শাশুড়ি। এর পর গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতের খাওয়া শেষে ১০টার দিকে পাশের কক্ষে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি।

রাত ৩টার দিকে শাশুড়ির শয়নকক্ষে ঢুকে ফরহাদ তাকে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করেন।

লজ্জায় বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে জানাননি ভুক্তভোগী। পরদিন বিকেল ৪টার দিকে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে মেয়ের কাছে রাতের ঘটনা খুলে বলেন এবং নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। পরে তিনি নওগাঁ সদর থানায় মামলা করেন।

র‌্যাবের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফরহাদ পলাতক ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তারে র‌্যাব-৫ এর কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেন এবং কোম্পানি উপ-অধিনায়ক মো. রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়।

ঢাকার তুরাগ থানাধীন চাণ্ডালভোগ জামে মসজিদের সামনে থেকে ফরহাদকে গ্রেপ্তারের পর নওগাঁ সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করেছে র‌্যাব।

নওগাঁ সদর মডেল থানার ওসি ফয়সাল বিন আহসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ফরহাদ হোসেনকে আদালতে তুলে কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানাবে পুলিশ।’

আরও পড়ুন:
দেশে প্রতি মাসে ধর্ষণের শিকার ৭১ কন্যাশিশু
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা
‘ধর্ষণের পর ১০ তলা থেকে ফেলে হত্যা’, মরদেহ উত্তোলন
দিয়াবাড়ির কাশবনে তরুণীকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’
স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার ২

মন্তব্য

বাংলাদেশ
6 arrested in case of Rohingya laden trawler sinking in the sea

সাগরে রোহিঙ্গাবোঝাই ট্রলারডুবির মামলায় গ্রেপ্তার ৬

সাগরে রোহিঙ্গাবোঝাই ট্রলারডুবির মামলায় গ্রেপ্তার ৬ বাহারছড়া ইউনিয়নের পুরানপাড়া সৈকত পয়েন্টে মঙ্গলবার দুপুরে ভেসে আসে ট্রলারডুবির ঘটনায় মারা যাওয়া এক নারীর মরদেহ। ছবি: নিউজবাংলা
ওসি বলেন, ‘মঙ্গলবার ট্রলারডুবির ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি উদ্ধারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে ক্যাম্পে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।’

কক্সবাজারের টেকনাফে বঙ্গোপসাগরে রোহিঙ্গাবাহী মালয়েশিয়াগামী ট্রলারডুবির ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় রোহিঙ্গাসহ ৬ দালালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ট্রলারডুবির ঘটনায় উদ্ধার হওয়া স্থানীয় নাগরিক ও রোহিঙ্গা রয়েছেন।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে ২৪ জনকে এজাহারভুক্তসহ ১০-১৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে টেকনাফ থানায় মামলাটি করেন বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) হুসনে মুবারক।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বুধবার দুপুরে নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে টেকনাফ সাবরাংয়ের কাটাবনিয়ার শহিদ উল্লাহকে। বাকি আসামিরা হলেন কক্সবাজারের মহেশখালী কুতুবজুম গ্রামের বাসিন্দা মো. সেলিম, একই এলাকার কোরবান আলী, ঈদগার হাজিপাড়ার মো. আবদুল্লাহ, উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মো. রশিদ এবং বাসিন্দা মো. শরীফ।

ওসি বলেন, ‘মঙ্গলবার ট্রলারডুবির ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি উদ্ধারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে ক্যাম্পে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।’

অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে টেকনাফে বঙ্গোপসাগর উপকূলে মঙ্গলবার ভোরে রোহিঙ্গাবাহী একটি ট্রলার ডুবে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিন রোহিঙ্গা নারীসহ এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। জীবিত উদ্ধার হয়েছে ৪৮ জন।

উদ্ধার হওয়াদের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, ওই ট্রলারে ৭০ জনের মতো লোক ছিল। সে হিসাবে, এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ২২ জনের মতো।

আরও পড়ুন:
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: ৩ মরদেহসহ উদ্ধার ৪৫ রোহিঙ্গা
ট্রলার ডুবে টেকনাফে সাঁতরে এলো মালয়েশিয়াগামী ৩৪ রোহিঙ্গা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Woman detained in Rajbari for spreading rumors in the name of the Prime Minister

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট: গ্রেপ্তার নারী কারাগারে

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট: 
গ্রেপ্তার নারী কারাগারে প্রধানমন্ত্রীর নামে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার সোনিয়া আক্তার স্মৃতি। ছবি: সংগৃহীত
রাজবাড়ীর মিজানপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক সামসুল আরেফিন চৌধুরীর অভিযোগে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর সুনাম নষ্টে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচার করেন স্মৃতি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দেয়ার অভিযোগে রাজবাড়ী সদর উপজেলা থেকে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাকে বুধবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পৌর এলাকার বেড়াডাঙ্গার বাসা থেকে মঙ্গলবার গভীর রাতে সোনিয়া আক্তার স্মৃতি নামের ওই নারীকে আটক করা হয়। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন এসব নিশ্চিত করেছেন।

স্মৃতি জেলা মহিলা দলের একজন কর্মী ও ‘রাজবাড়ী ব্লাড ডোনার্স ক্লাব’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা।

বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম স্মৃতির মহিলা দল কর্মি হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, স্মৃতির নামে রাজবাড়ীর মিজানপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক সামসুল আরেফিন চৌধুরী সদর থানায় অভিযোগ করেন। সে অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

অভিযোগে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর সুনাম নষ্টে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচার করেন স্মৃতি।

আটকের আগে ফেসবুকে লাইভে এসেছিলেন স্মৃতি। সেখানে পুলিশের সঙ্গে তাকে কথা বলতে শোনা যায়।

রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন জানান, সামসুল আরেফিনের অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে নিজ বাসা থেকে স্মৃতিকে আটক করা হয়। সে অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার মামলা রেকর্ড হয়। দুপুর ২টার দিকে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।

তিনি বলেন, ‘আদালতে তোলা হলে তিনি জামিন আবেদন করেছিলেন। বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।’

স্মৃতি দুই সন্তানের জননী। তার স্বামী খোকন আহমেদ সৌদি প্রবাসী।

মামলা বাদী সামসুল আরেফিন চৌধুরী বলেন, ‘স্মৃতি ৩১ আগস্ট এ আপত্তিকর পোষ্টটি তার ফেসবুকে দেন। ফেসবুক ব্যবহার করতে গিয়ে কয়েকদিন আগে আমার নজরে আসে এ পোস্টটি। তিনি আগেও এরকম আপত্তিকর কথা বলেছেন। আমি ৩ অক্টোবর সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেই। আজ ১৫৩/৫০৫ ধারায় মামলা হয়।’

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গ্রেপ্তার যুবক কারাগারে
বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরানোর চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার জন্মদিনে ভূমিষ্ঠ শিশুদের উপহার দিল স্বেচ্ছাসেবক লীগ
প্রধানমন্ত্রী জাপান যাচ্ছেন নভেম্বরে
রোহিঙ্গাদের অবশ্যই ফিরে যেতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Nafiza abduction case investigation officer summoned

নাফিজা অপহরণ মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব

নাফিজা অপহরণ মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব সুপ্রিম কোর্ট ভবনের একাংশ। ফাইল ছবি
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, চলতি বছরের জুলাইয়ে মোহাম্মদপুর থানায় চারজনের বিরুদ্ধে নাফিজা অপহরণ মামলা হয়, কিন্তু এখনও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় গ্রেপ্তার আসামি বিচারিক আদালতে জামিন চেয়ে ব্যর্থ হওয়ায় হাইকোর্টে আবেদন করেন। কেন নাফিজাকে উদ্ধার করা যায়নি, সে বিষয়ে জানতে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে সশরীরে হাজির হতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

অপহরণের দীর্ঘদিন পরও কম্পিউটার প্রকৌশলী নাফিজা সাদিয়া নাহিয়ানকে কেন উদ্ধার করা যায়নি, তার ব্যাখ্যা জানাতে তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেছে হাইকোর্ট।

তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই অনিক ভক্তকে ১১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় সশরীরে হাইকোর্টে হাজির হতে বলা হয়েছে।

বিচারপতি মো. সোহরাওয়ারদী ও বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেয়।

অপহরণ মামলায় আটক কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার অনির্বাণ দাস গুপ্তের জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত এ আদেশ দেয়।

আদেশের বিষয়টি বুধবার নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

তিনি জানান, আগামী ১১ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে হাইকোর্টে হাজির হতে বলা হয়েছে।

আদালতে আসামির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, চলতি বছরের জুলাইয়ে মোহাম্মদপুর থানায় চারজনের বিরুদ্ধে নাফিজা অপহরণ মামলা হয়, কিন্তু এখনও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় গ্রেপ্তার আসামি বিচারিক আদালতে জামিন চেয়ে ব্যর্থ হওয়ায় হাইকোর্টে আবেদন করেছেন।

তিনি আরও জানান, কেন নাফিজাকে উদ্ধার করা যায়নি, সে বিষয়ে জানতে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে সশরীরে হাজির হতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

অপহরণের অভিযোগে গত ১৬ জুলাই রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন নাফিজার মা সুফিয়া বেগম। মামলার পরের দিন আসামি জয়পুরহাটের সবুজনগর থানার বাসিন্দা, কম্পিউটার প্রকৌশলী অনির্বাণ দাস গুপ্তকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ওই মামলায় তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। সে সময় আদালত মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেন।

আরও পড়ুন:
সাংবাদিক আফতাব হত্যা মামলায় আপিল শুনানি শুরু
এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ‘অপহরণ’, প্রধান শিক্ষক পলাতক
দাখিল পরীক্ষার্থীদের ‘অপহরণচেষ্টা’, গ্রেপ্তার ৫
সুপ্রিম কোর্টে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ছুরিসহ আটক ৫
এসআই দোলার সঙ্গে রহিমার রাতভর ইশারাভাষা

মন্তব্য

p
উপরে