× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
If the price of electricity increases the government will reveal
hear-news
player
print-icon

বিদ্যুতের দাম বাড়ালে সরকার পতনের আন্দোলন: ইসলামী আন্দোলন

বিদ্যুতের-দাম-বাড়ালে-সরকার-পতনের-আন্দোলন-ইসলামী-আন্দোলন
বিক্ষোভ মিছিলে ইসলামি আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শেখ হাবিবুর রহমান বিক্রমপুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের দেশে যথেষ্ট পরিমাণ অকটেন, পেট্রল মজুত আছে। এই তেল আমরা বিদেশে সাপ্লাই করে থাকি, আমাদের কোনো সমস্যা নেই। তার এই বক্তব্যের কিছুদিন পরেই আমরা দেখতে পাই, তারা যেভাবে রাতের আঁধারে ভোট চুরি করেছে, ঠিক সেভাবে তেলের দাম বাড়িয়েছে। এ কারণে জনগণ অনেক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।’

সার ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মুন্সীগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

মুন্সীগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় বিক্ষোভ করেন নেতা-কর্মীরা। পরে একটি মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে কাচারি চত্বরে এসে শেষ হয়।

বিক্ষোভে জেলা সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শেখ হাবিবুর রহমান বিক্রমপুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের দেশে যথেষ্ট পরিমাণ অকটেন, পেট্রল মজুত আছে। এই তেল আমরা বিদেশে সাপ্লাই করে থাকি, আমাদের কোনো সমস্যা নেই।

‘তার এই বক্তব্যের কিছুদিন পরেই আমরা দেখতে পাই, তারা যেভাবে রাতের আঁধারে ভোট চুরি করেছে, ঠিক সেভাবে তেলের দাম বাড়িয়েছে। এ কারণে জনগণ অনেক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।’

সরকার হটানোর হুমকি দিয়ে তিনি বলেন, ‘যদি বিদ্যুতের দাম বাড়ে, তাহলে আমরা সর্বস্তরের জনগণ রাজপথে নেমে এই সরকারকে উৎখাত করব।’

আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে গত শুক্রবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয় সরকার। ওই দিন মধ্যরাতেই কার্যকর হয় নতুন দর। এর প্রতিবাদে চলছে বিক্ষোভ।

দেশে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ৩৪ টাকা বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী এক লিটার ডিজেল ও কেরোসিন কিনতে হবে ১১৪ টাকায়।

অকটেনের দাম লিটারে বাড়ানো হয় ৪৬ টাকা। এখন প্রতি লিটার অকটেন কিনতে ১৩৫ টাকা গুনতে হবে। এর বাইরে লিটারপ্রতি ৪৪ টাকা বাড়ানো হয় পেট্রলের দাম। এখন থেকে জ্বালানিটির প্রতি লিটার ১৩০ টাকা।

শতকরা হিসাবে ডিজেলের দাম বাড়ানো হয় ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ। আর অকটেন ও পেট্রলের দাম বৃদ্ধি করা হয় ৫১ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
২ মাস পর কমতে পারে তেলের দাম: তথ্যমন্ত্রী
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি: ঢাকার বিক্ষোভের খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে
তেলের দাম না কমানো পর্যন্ত শাহবাগে অবস্থান
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি চ্যালেঞ্জ করে রিট
ঢাকা-ব‌রিশাল রু‌টে লঞ্চের খরচ বেড়ে দ্বিগুণ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Boat sinking 5 missing on Kartowa coast Dhiren waits

নৌকাডুবি: করতোয়ার পাড়ে ৫ নিখোঁজের অপেক্ষায় ধীরেন

নৌকাডুবি: করতোয়ার পাড়ে ৫ নিখোঁজের অপেক্ষায় ধীরেন
ধীরেন বলেন, ‘বদেশ্বরী মন্দিরে মহালয়া পূজায় যোগ দিতে আমার ভাতিজা, ভাতিজার বউ, ভাতিজার শ্বশুর, শ্যালিকা এবং আমার ভাতিজি নৌকায় ওঠে দুর্ঘটনায় পড়েন। এখন পর্যন্ত কারো খোঁজ পাইনি। এখন তাদের লাশের অপেক্ষা করতেছি।’

পঞ্চগড়ের বোদায় করতোয়া নদীতে নৌকাডুবিতে সোমবার বেলা ১১টা পর্যন্ত ৩২ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এখনও নিখোঁজ অর্ধশতাধিক। তাদের জীবিত পাওয়ার আশা নেই বললেই চলে।

তবুও নিখোঁজদের খোঁজে করতোয়ার পাড়ে স্বজনদের অপেক্ষা। জীবিত না হোক, অন্তত মরদেহটি যদি মেলে।

এমনই দুর্বিষহ অপেক্ষায় রয়েছেন মাড়েয়া বটতলি এলাকার ধীরেন বাবু। নৌকাডুবিতে একজন, দু’জন নয়; তার নিকটাত্মীয় ৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এই ৫ স্বজন ছাড়াও নিখোঁজ রয়েছেন তার আরও দুই প্রতিবেশি।

ধীরেন ধরেই নিয়েছেন তার নিখোঁজদের কেউ বেঁচে নেই। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘বদেশ্বরী মন্দিরে মহালয়া পূজায় যোগ দিতে আমার ভাতিজা, ভাতিজার বউ, ভাতিজার শ্বশুর, শ্যালিকা এবং আমার ভাতিজি নৌকায় ওঠে দুর্ঘটনায় পড়েন। এখন পর্যন্ত কারো খোঁজ পাইনি। এখন তাদের লাশের অপেক্ষা করতেছি।’

বোদা উপজেলার মারেয়া আউলিয়া-বদ্বেশ্বরী ঘাটে করতোয়া নদীতে রোববার দুপুরে শতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ডুবে যায়। যার বেশির ভাগই মহালয়ার পুণ্যার্থী ছিলেন। তারা নদীর ওপারে বদ্বেশ্বরী মন্দিরে প্রার্থনা শেষে ফিরছিলেন।

এ ঘটনায় কিছু যাত্রী বেঁচে ফিরতে পারলেও এখন পর্যন্ত নারী ও শিশুসহ ৩২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে; নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৬০ জন।

সোমবার সকালে আউলিয়ার ঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ফায়ার সার্ভিস এবং ডুবুরি দলের তিনটি ইউনিট উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছে। সেখানে নদীর পাড়ে ভিড় করছেন নিখোঁজদের স্বজনেরা।

এর মধ্যে ভাই এবং ভাইপোর খোঁজে ঘাটে এসেছেন ষাটোর্ধ্ব কৃষ্ণ চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, ‘নদীর অপর পাড়ে বদেশ্বরী মন্দিরে মহালয়া পূজায় যোগ দিতে আমার ভাই নরেশ ও ভাইপো সিন্টু বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরেননি। নৌকাডুবির খবরে কাল থেকেই এখানে লাশের অপেক্ষায় আছি।’

নাতির খোঁজে উপজেলার পাঁচপীর এলাকা থেকে এসেছেন বৃদ্ধ সুমল চন্দ্র। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘নাতির মরদেহটা পেলে অন্তত নিজেরা সৎকারের কাজটা করতে পারতাম।’

রোববার রাত ১১টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করে ডুবুরিদল। সোমবার সকাল সাড়ে ৫টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত উদ্ধার হয় আরও সাত মরদেহ।

প্রথম দিনে উদ্ধার হওয়া সব মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দ্বিতীয় দিন উদ্ধার হওয়া মরদেহ মাড়েয়া ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে রাখা হচ্ছে। সেখান থেকে মরদেহ স্বজনদের কাছে স্থানান্তর করা হবে।

নৌকায় ধারণক্ষমতার ‘দিগুণ’ যাত্রী ছিল

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বোদা উপজেলার মাড়েয়া ইউনিয়নের করতোয়া নদীর অপর পাড়ে বদেশ্বরী মন্দিরে মহালয়া পূজা উপলক্ষে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ধর্মসভার আয়োজন করা হয়। রোববার দুপুরের দিকে মূলত ওই ধর্মসভায় যোগ দিতে সনাতন ধর্মালম্বীরা নৌকা যোগে নদী পার হচ্ছিলেন।

ডুবে যাওয়া নৌকাটিতে কতজন যাত্রী ছিলেন সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি। তবে স্থানীয়দের দাবি, তবে ৫০ থেকে ৬০ জনের ধারণক্ষমতার হলেও নৌকাটিতে যাত্রী ছিল শতাধিক। অতিরিক্ত যাত্রীর কারণে নদীর মাঝপথে নৌকাটি ডুবে যায়। অনেকে সাঁতার জানায় তীরে আসতে পারলেও সাঁতার না জানা বিশেষ করে নারী ও শিশুরা পানিতে ডুবে যায়। মনে করা হচ্ছে, স্রোতের কারণে অনেক মরদেহ পানিতে ভেসে যেতে পারে।

নৌকাডুবির ঘটনায় বেঁচে যাওয়া যাত্রী মাড়েয়া বামনপাড়া এলাকার সুবাস চন্দ্র রায় নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমিও নৌকায় ছিলাম। নৌকায় শতাধিক যাত্রী ছিল। আমরা নৌকায় উঠার পরপরই নৌকায় পানি ঢুকতে শুরু করে। এ সময় মানুষজন নৌকার মধ্যেই হুড়োহুড়ি শুরু করেন। পরে যে পাশেই যাচ্ছিলাম, সে পাশেই নৌকায় পানি ঢুকছিল।

‘আমরা পাঁচজন বন্ধু ছিলাম। কোনোমতে সাঁতার কেটে প্রাণে বেঁচে যাই। অন্য যাত্রীরা একে অন্যকে জড়িয়ে ধরে বাঁচার আকুতি করছিল। তবে এতো মানুষ মারা যাবে, তা বুঝতে পারিনি।’

এই প্রাণহানির জন্য জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলামও অতিরিক্ত যাত্রী বহনকে দায়ী করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘নৌকায় অতিরিক্ত যাত্রী ছিল। ঘটনাস্থলে মারওয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও পুলিশ ছিল। তারা সবাই ওই নৌকায় এত লোক উঠতে নিষেধ করেছিলেন।

‘গতকাল বৃষ্টি হওয়ার কারণে নদীতে পানি বেশি ছিল, স্রোতও বেশি ছিল। নিষেধ করতে করতে সবাই উঠে যায়। যেহেতু ধর্মীয় বিষয় সবাই উঠতে চাইছিলেন। এরপর মাঝনদীতে গিয়ে ডুবে যায় নৌকাটি।’

সোমবার নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া নিহত প্রত্যেক পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে প্রদান করা হচ্ছে। এ ঘটনায় একটি তথ্যকেন্দ্র খোলা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি: মৃত বেড়ে ৩২
বাধা না মেনে অতিরিক্ত যাত্রী ওঠায় নৌকাডুবি: ডিসি
করতোয়ায় নৌকাডুবিতে প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক
পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Extortion of crores of rupees a year from waste disposal

ময়লার ভাগাড় থেকে বছরে কোটি টাকার চাঁদাবাজি

ময়লার ভাগাড় থেকে বছরে কোটি টাকার চাঁদাবাজি সাভারে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের চক্রবর্তী, শ্রীপুর, বাইপাইল, পলাশবাড়ীসহ বেশ কয়েকটি স্থানে মূলত বাসাবাড়ির উচ্ছিষ্ট ময়লা দিন-রাত ছোট ছোট গাড়িতে করে এনে ফেলা হচ্ছে।
ছোট গাড়িতে করে ময়লাকর্মীরা বাসা থেকে ময়লা সংগ্রহ করে সড়কের পাশে এসব ভাগাড়ে ফেলেন। এ জন্য তাদের গাড়িপ্রতি দিতে হয় চাঁদা। ময়লার এসব ভাগাড় নিয়ন্ত্রণ করেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা।

মহাসড়ক কিংবা সড়কের যত্রতত্র ময়লার ভাগাড়। উটকো গন্ধে নাজেহাল পথচারী। রাজধানী ঢাকার কাছে সাভারের বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কের পাশে ময়লার ভাগাড়ের দুর্ভোগ এখানকার নাগরিকদের এখন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। উটকো পচা গন্ধে নাভিশ্বাস উঠলেও অভিযোগ জানানোর ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন তারা।

কেন বছরের পর বছর ধরে সড়কের পাশে ময়লা ফেলা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না– এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে নিউজবাংলার অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

সাভারে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের চক্রবর্তী, শ্রীপুর, বাইপাইল, পলাশবাড়ীসহ বেশ কয়েকটি স্থানে মূলত বাসাবাড়ির উচ্ছিষ্ট ময়লা দিন-রাত ছোট ছোট গাড়িতে করে এনে ফেলা হচ্ছে। মহল্লাভিত্তিক বাসাবাড়ি থেকে যারা ময়লা সংগ্রহ করেন, তারা বাসাপ্রতি ১০০ টাকা নিয়ে থাকেন। ছোট গাড়িতে করে তারা বাসা থেকে ময়লা সংগ্রহ করে সড়কের পাশে এসব ভাগাড়ে ফেলেন। এ জন্য তাদের গাড়িপ্রতি গুনতে হয় চাঁদা। ময়লার এসব ভাগাড় নিয়ন্ত্রণ করেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা।

আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় শাহরিয়ার গার্মেন্টস নামক একটি পোশাক কারখানার বিপরীতে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের পাশে রয়েছে এ রকম একটি ময়লার ভাগাড়। এখানে ময়লা ফেলতে গাড়িপ্রতি ৫০০ টাকা চাঁদা আদায় করে একটি চক্র। প্রতিদিন ৪০ থেকে ৪৫টি গাড়ি এখানে ময়লা ফেলে। সে হিসাবে মাসে এই একটি স্পট থেকে প্রায় ৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা চলে যায় চাঁদাবাজদের পকেটে। বছরে সেই অঙ্কটা প্রায় ১ কোটি টাকা।

ময়লার ভাগাড় থেকে বছরে কোটি টাকার চাঁদাবাজি

এ ছাড়া চক্রবর্তী, শ্রীপুর ও পলাশবাড়ীতে ময়লার স্পটগুলো থেকেও চাঁদাবাজির কথা জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ময়লা ব্যবসায়ীরা। আর হকার্স লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির সংশ্লিষ্টতার তথ্যও দিয়েছেন তারা।

বাসা থেকে ময়লা সংগ্রহকারী মো. বাবুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পাবলিকের কাছ থাইকে আমরা আগে নিছি ৬০ ট্যাকা রুমপ্রতি। এখন সব জিনিসের দাম বাড়ার কারণে ১০০ ট্যাকা কইরা নেই। ওহানে মাল ফালাইলে হ্যাগো কিছু ট্যাকা দেয়া লাগে। তিন গাড়ি মাল ফালাইলে ৫০০ ট্যাকা কইরা গাড়িপ্রতি মোট ১৫০০ ট্যাকা দেয়া লাগে। ওরা গাড়িপ্রতি ৫০০ ট্যাকা নেয় জুয়েল আর ওবায়দুল।’

এখন ময়লা ফেলানো বন্ধ আছে কি না- এমন প্রশ্নে বলেন, ‘না না, বন্ধ নাই। কোনো ঝামেলা নাই। ভোর ৬টা থাইকা শুরু কইরে মনে করেন সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মাল পড়ে। যত গাড়ি আপনে পারেন। ৪০ থেকে ৪৫টি গাড়ির ময়লা পড়ে।’

অভিযুক্ত আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মো. ওবায়দুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যদি ভাই আমারে দেহেন, আমারে পান, তহন আমারে ধইরা নিয়া যাইয়েন। আমার এলাকায় আমি ময়লার ব্যবসা করি। আমার একটা গাড়ি আছে। ওখানে বাধা দেয়ার পর আমার গাড়িগুলার ময়লা চক্রবর্তীতে পড়ে। আমি এটার মধ্যে জড়িত না ভাই। যারা নেয়, তাদের নামে নিউজ করেন। আমার কাছে আগে শরীফ নামের একজন নিত। আমি আগে মাসে ১১ হাজার ট্যাকা দিয়া ফালাইতাম। হকার্স লীগের ওই শরিফরে দিতাম। ঢাকা জেলা হকার্স লীগের আহ্বায়ক। ভাই, সত্য কথা, আমি আগে ফালাইতাম। এখন আর ফালাই না ভাই।’

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ কেন এমন প্রশ্নে বলেন, ‘জানি না। হয়তো যারা গাড়ির ময়লা ফালায়, আমার নাম দেয়। বিভিন্ন এলাকার আছে। আমার অবস্থান ভালো তো, হয়তো বা আমার নাম দিয়া বাঁইচা যায় আরকি। আমি আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগের সাবেক কমিটির সহসভাপতি ছিলাম।’

ময়লার ভাগাড় থেকে বছরে কোটি টাকার চাঁদাবাজি

মো. জুয়েল নামে আরেক অভিযুক্তের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলার চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।

তবে ঢাকা জেলা হকার্স লীগের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম সবুজ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি এটার সঙ্গে জড়িত না। আমি এটার বিপক্ষে। আমি ওখানে শাহরিয়ার গার্মেন্টসের সিকিউরিটি গার্ডকে বইলা রাখছি, একটা গাড়ি এখানে যদি ফেলতে দেখ, আমারে ফোন দিবা, আমি আসুম।’

সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ওবায়দুল আপনাকে টাকা দিয়ে এখানে ময়লা ফেলেছে- এমন প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ‘না না, ওবায়দুল নামের কাউকে চিনি না তো। যদি আমার নাম কেউ বলে থাকে, আমাকে ফোন দিবেন।’

মানিকগঞ্জ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নয়ারহাট শাখার উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শাখার প্রকৌশলী আরাফাত সাকলায়েন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি পুরোটা পরিষ্কার করেছি। পরিষ্কার করে ময়লাগুলো ঠেলে দিয়ে একটা ব্যানার দিছি বড়। আমাকে এলাকার লোকজন ফোন দিছিল। পাশাপাশি আমি জিডির কাগজ পৌঁছাইছি পুলিশের কাছে। পুলিশ এখনও জিডি করে নাই। ওনারা নাকি এখন সরেজমিনে পরিদর্শন করে জিডি করে। আমি লোক পাঠায় জিডিটা এনসিওর করাব।’

টাকার বিনিময়ে ওখানে ময়লা ফেলানো হচ্ছে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা ওই জায়গায় একটি বড় ড্রেন করি বাস যেন দাঁড়াতে পারে- এ রকম একটা কিছু করতে চাচ্ছি। যেহেতু জায়গাটা আমাদের হাত থেকে ছুটেই যাচ্ছে। ওরা বারবার ময়লা ফালাচ্ছে, এই করতেছে, সেই করতেছে। একটা পার্মানেন্ট সলুশন চাচ্ছি আরকি।’

আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অনেক দিন আগে ওই স্থানটি বেদখল হয়ে যাচ্ছে বলে আমাদের অবগত করা হয়েছিল। তবে জিডি বা অভিযোগ দায়ের হয়নি। নতুন করে ময়লার ভাগাড় থেকে চাঁদা উত্তোলনের বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে পিটুনি
বরিশালের অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ
সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মারধর-চাঁদাবাজির অভিযোগ
মেয়রের মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রলীগের ২ নেতা
মাঝিরঘাটে চাঁদাবাজির মামলায় সেই শহীদ চেংগা গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Boat capsizing in Panchgarh Death toll rises to 30

পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি: মৃত বেড়ে ৩২

পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি: মৃত বেড়ে ৩২ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের উদ্ধার কার্যক্রম। ছবি: নিউজবাংলা
বোদা উপজেলার মারেয়া আউলিয়া-বদ্বেশ্বরী ঘাটে করতোয়া নদীতে রোববার দুপুরে শতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ডুবে যায়। যার বেশির ভাগই মহালয়ার পুণ্যার্থী ছিলেন। তারা নদীর ওপারে বদ্বেশ্বরী মন্দিরে প্রার্থনা শেষে ফিরছিলেন।

পঞ্চগড়ের বোদায় করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় এক শিশুসহ আরও সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩২ জনে।

সোমবার সকালে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার আত্রাই নদীর জিয়া সেতুর নিচ থেকে একজনের, বীরগঞ্জ অংশে কাশিমনগর বাদলারঘাটে এক শিশুসহ দুজনের, বোদা ও দেবীগঞ্জে দুজন করে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

তাৎক্ষণিক উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুজয় কুমার রায়, খানসামা থানার ওসি চিত্তরঞ্জন, বীরগঞ্জ থানার ওসি সুব্রত কুমার সরকার ও দেবীগঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার সোহেল রানা নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক সৈয়দ মাহাবুবুল আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৫টায় দ্বিতীয় দিনের মতো নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রংপুর, কুড়িগ্রাম ও রাজশাহী থেকে ডুবুরিদল এসেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিস।

‘ঘটনাস্থল করতোয়ার আউলিয়ার ঘাট থেকে ৩০ কিলোমিটার ভাটির দিকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা টহল দিচ্ছেন, নজর রাখছেন।’

মাড়েয়া ইউপি সচিব কামরুজ্জামান নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন, নদীর বিভিন্ন অংশে মরদেহ ভেসে উঠছে। স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সেগুলো উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদে এনে রাখছে। সেখান থেকে মরদেহ স্বজনদের কাছে স্থানান্তর করা হবে।

বোদা উপজেলার মারেয়া আউলিয়া-বদ্বেশ্বরী ঘাটে করতোয়া নদীতে রোববার দুপুরে শতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ডুবে যায়। যার বেশির ভাগই মহালয়ার পুণ্যার্থী ছিলেন। তারা নদীর ওপারে বদ্বেশ্বরী মন্দিরে প্রার্থনা শেষে ফিরছিলেন।

এ ঘটনায় রোববার রাত ৮টা পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সব মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সৎকারের জন্য পরিবারগুলোকে ২০ হাজার করে টাকা দেয়া হয়েছে।

এই প্রাণহানির জন্য অতিরিক্ত যাত্রী বহনকে দায়ী করেছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি)।

তিনি বলেন, ‘নৌকায় অতিরিক্ত যাত্রী ছিল। ঘটনাস্থলে মারওয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও পুলিশ ছিল। তারা সবাই ওই নৌকায় এত লোক উঠতে নিষেধ করেছিলেন।

‘গতকাল বৃষ্টি হওয়ার কারণে নদীতে পানি বেশি ছিল, স্রোতও বেশি ছিল। নিষেধ করতে করতে সবাই উঠে যায়। যেহেতু ধর্মীয় বিষয় সবাই উঠতে চাইছিলেন। এরপর মাঝনদীতে গিয়ে ডুবে যায় নৌকাটি।’

এদিকে এই দুর্ঘটনা তদন্তে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথৈ আদিত্যকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
রাজশাহীতে পদ্মায় নৌকাডুবি, ৩ জন নিখোঁজ
নৌকাডুবির ৩ দিন পর মিলল শিশুর মরদেহ
গড়াই নদীতে নৌকাডুবি: নিখোঁজ শিশু উদ্ধারে ডুবুরিদল
নৌকা ডুবে যাওয়ায় স্থগিত বাইচ
গ্রিসে নৌকা ডুবে নিখোঁজ ৫০

মন্তব্য

বাংলাদেশ
However the court allowed Maryam Mannans DNA test

তবুও মরিয়ম মান্নানের ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি দিল আদালত

তবুও মরিয়ম মান্নানের ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি দিল আদালত অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহটি মায়ের দাবি করে ময়মনসিংহে মরিয়ম ও তার বোনেরা (বামে) ও মরদেহের পরনে থাকা কাপড়। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
ওসি বলেন, ‘রহিমা নামের ওই নারীকে উদ্ধার করতে না পারলে রোববারই তার মেয়ের ডিএনএ টেস্ট করানোর প্রচেষ্টা চালানো হতো। কিন্তু এখন আবেদনে লিখতে হবে নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে আদালতে জমা দিতে হবে।’

ময়মনসিংহের ফুলপুরে উদ্ধার মরদেহ মরিয়ম মান্নানের কি না- তা নিশ্চিত হতে ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে আদালত। জেলার মুখ্য বিচারিক ৬ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক কে.এম রওশন জাহান রোববার বিকেলে এ অনুমতি দেন।

মরিয়মের শুক্রবার করা আবেদন আমলে নিয়েছেন বিচারক। অথচ শনিবার রাতেই মরিয়মের মা রহিমা বেগমকে অক্ষত অবস্থায় ফরিদপুর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ খবরে আলোড়িত গোটা দেশ।

আদালত পরিদর্শক মো. জসিম উদ্দিন আদালতের ডিএনএ টেস্টের অনুমতি দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত শুক্রবার বিকেলে ময়মনসিংহের ফুলপুর থানায় করা মরিয়মের আবেদনটি শনিবার অনুমতির জন্য আদালতে তুলেছিল পুলিশ। বিচারক রোববার বিকেলে সেটির অনুমতি দেন।

ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন নিউজবাংলাকে জানান, গত ১০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বওলা ইউনিয়নের পূর্বপাড়া গ্রাম থেকে বস্তাবন্দি গলিত মরদেহ পাওয়া যায়। সেটি একজন নারীর। মরদেহ গলিত হওয়ায় ময়মনসিংহের পিবিআই সেটির হাতের আঙ্গুলের ছাপ নিতে পারেনি। পরে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে ১২ সেপ্টেম্বর সমাহিত করা হয়। তবে মরদেহটির ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণ করা হয়।

ওসি বলেন, ‘গত শুক্রবার সকালে থানায় এসে ওই মরদেহের ছবি দেখে মরিয়ম মান্নান শতভাগ নিশ্চিত হয়ে বলেছিলেন শরীর, কপাল, হাত ও সালোয়ার-কামিজ তার নিখোঁজ মায়ের। তিনি তার মাকে চিনতে ভুল করেননি। এমন অবস্থায় ডিএনএ টেস্টের পরামর্শ দেয়া হলে তিনি আবেদন করেন। পরে আবেদনটি আদালতে অনুমতির জন্য পাঠানো হয়। কিন্তু বিচারক অনুমতি দেয়ার আগেই অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় রহিমা বেগমকে।’

ডিএনএ টেস্টের আবেদনটি আদলতে অনুমোদন পাওয়ার পর কী করা হবে- এমন প্রশ্নে ওসি বলেন, ‘রহিমা নামের ওই নারীকে উদ্ধার করতে না পারলে রোববারই তার মেয়ের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার প্রচেষ্টা চালানো হতো। কিন্তু এখন আরেকটি আবেদনে লিখতে হবে নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে আদালতে সেটি জমা দিতে হবে।’

এদিকে মরিয়মের মাকে জীবিত উদ্ধারের পর অজ্ঞাত ওই মরদেহটির পরিচয় নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ। কোনো ক্লু-ই মিলছে না এ বিষয়ে। কর্মকর্তারা বলছেন, তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

মেয়েটিকে শ্বাসরোধে হত্যার আলামত স্পষ্ট বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ফুলপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন নিউজবাংলাকে জানান, মরদেহটি উদ্ধারের পরই সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। ছবিসহ জামাকাপড় ফেসবুকে পোস্ট করা হয়।

এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন থানায় মরদেহের বয়সসহ সব আলামতের বর্ণনা পাঠিয়ে খোঁজ করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত ওই নারীর খোঁজ পেতে থানায় কেউ এসেছেন এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।

প্রায় এক মাস ধরে খুলনার দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশা থেকে মা নিখোঁজের অভিযোগ করে মরিয়ম মান্নানের পোস্টগুলো ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের একটি ঘর থেকে অক্ষত অবস্থায় রহিমাকে উদ্ধার করে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
রহিমার ফরিদপুরে অবস্থানের তথ্য শুক্রবারই জানানো হয় মরিয়মদের
মরিয়ম মান্নানের ডাকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন মা
দালাল সাংবাদিকরা যে যা লিখে দিল: মরিয়ম
উদ্ধারের পর নিশ্চুপ মরিয়মের মা, আশ্রয়দাতারা হেফাজতে
মরিয়মের ডিএনএ টেস্টের প্রস্তুতির মধ্যেই মাকে উদ্ধার পুলিশের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The husband left his wifes body under the bed and ran away

স্ত্রীর মরদেহ খাটের নিচে রেখে পালাচ্ছিলেন স্বামী

স্ত্রীর মরদেহ খাটের নিচে রেখে পালাচ্ছিলেন স্বামী স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে হাসানকে আটক করে পুলিশ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক হাসান পুলিশের কাছে স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলেও জানান রাজাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম মোস্তফা।

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় স্ত্রীকে হত্যা করে খাটের নিচে মরদেহটি রেখে পালিয়ে যাচ্ছিলেন হাসান নামের এক যুবক। স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরে তাকে উপজেলার নৈকাঠি এলাকা থেকে আটক করে রাজাপুর থানা পুলিশ।

রোববার দুপুরে হাসানকে আটকের পর বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম মোস্তফা।

তিনি বলেন, ‘রাজাপুরের পূর্ব বাদুরতলা গ্রামের মিলবাড়ী এলাকার একটি ঘরে খাটের নিচ থেকে ২৫ বছর বয়সী গৃহবধূ শারমিন বেগমের মরদেহ উদ্ধার করেছি। পরে তার স্বামী রিকশাচালক হাসানকে নৈকাঠি থেকে আটক করেছি।’

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে স্ত্রীকে হত্যার কথা হাসান স্বীকার করেছেন বলেও জানান পুলিশ পরিদর্শক।

থানা সূত্র জানায়, রোববার বিকেলে নিহত শারমিনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে আটক হাসানের নামে একটি হত্যা মামলা হয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, এক সন্তানের জননী শারমিন ঝালকাঠি সদর উপজেলার শাচিলাপুর গ্রামের মনির খানের মেয়ে। তার আটক স্বামী হাসান রাজাপুর উপজেলার পূর্ব বাদুরতলা গ্রামের মিলবাড়ী এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে।

বাদুরতলা গ্রামের বাহারুল মিয়া বলেন, ‘দুপুর ২টার পর হত্যাকারী হাসানের ৮ বছর বয়সী ছোট ভাই রমজান ঘরে ঢুকে দেখে হাসান খাটের ওপর একা বসে আছে। খাটের নিচে চাদর প্যাঁচিয়ে ঘুমাচ্ছে শারমিন।

‘ঘটনাটি দেখে ছোট্ট রমজান এসে আমাকে বলে দেয়। কিন্তু এর মধ্যেই হাসান বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরে আমরা হাসানের ঘরে তার স্ত্রীর লাশ দেখে পুলিশে খবর দেই।’

এলাকাবাসী দাবি করেছে, হাসান নেশাগ্রস্ত হওয়ায় প্রায়ই স্ত্রী শারমিনকে মারধর করতেন। রোববার দুপুরেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়।

আরও পড়ুন:
প্রথম স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা, পুলিশের ফাঁদে আসামি
ইবি শিক্ষকের স্ত্রীকে হত্যা, দাবি পরিবারের
স্ত্রীকে হত্যার ৬ মাস পর যুবক গ্রেপ্তার 
স্ত্রী-সন্তান হত্যায় আলমগীরের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল
স্ত্রীর টাকায় নেশা-জুয়া, হিসাব চাইতে গিয়ে খুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
SP announces arrest if found outside in school dress

স্কুলড্রেসে বাইরে পেলেই আটক, ঘোষণা এসপির

স্কুলড্রেসে বাইরে পেলেই আটক, ঘোষণা এসপির প্রতীকী ছবি
বিকেল ৪টা থেকে শুরু হওয়া ওই অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

স্কুল চলাকালীন কোনো শিক্ষার্থীকে হোটেল-রেস্তোরাঁ কিংবা পার্কে পাওয়া গেলেই তাকে আটক করার নির্দেশ দিয়েছেন নীলফামারীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান।

এ ছাড়া স্কুল-কলেজের সামনে, এমনকি পাড়া-মহল্লায় কোনো বখাটে ঘোরাফেরা করলে তাদেরও আটক করে গোয়েন্দা কার্যালয়ে (ডিবি) নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

রোববার বিকেলে নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠে অনুষ্ঠিত ‘ওপেন হাউজ ডে’র অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন নবাগত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান।

এ সময় মাদকের বিস্তার রোধে আগামী এক মাসের মধ্যে সবাইকে নিয়ে সৈয়দপুরকে মাদকমুক্ত করার ঘোষণাও দেন তিনি।

সৈয়দপুর থানার আয়োজনে এই সভায় সভাপতিত্ব করেন সৈয়দপুর ওসি সাইফুল ইসলাম। অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রাবেয়া আলীম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আমিরুল ইসলাম, সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হোসাইন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহসিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল হক, সৈয়দপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র শাহিন হোসেন।

বিকেল ৪টা থেকে শুরু হওয়া ওই অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
শ্যামপুরে স্কুলছাত্রকে ছুরিকাঘাতে খুন
প্রতিবেশীর সন্তান দেখিয়ে মাতৃত্বকালীন ছুটি!
স্কুল-কলেজে নতুন সূচি
বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা ছুটি কাটিয়ে স্কুলে শিশুরা
পরিত্যক্ত ভবনে ৯ বছর ধরে স্কুল, ধসে পড়ল ছাদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There are 27 unopposed Zilla Parishad Chairman

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ২৭ জন

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ২৭ জন
এবারের জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২৭ জন, সংরক্ষিত পদে ১৯ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৬৮ জন এবং তিন পদে সব মিলিয়ে ১১৪ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।

দেশের ৬১ জেলা পরিষদ নির্বাচনে ২৭ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে। এর আগে ১৯ জেলার একক প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে তিন জনের প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় সে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২২ জনে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন সে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ জনে।

আট বিভাগের মধ্যে ঢাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত চেয়ারম্যানের সংখ্যা বেশি। এই বিভাগে ৭ জেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হচ্ছেন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগ। এ দুই বিভাগের প্রতিটিতে পাঁচ জেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। রংপুর বিভাগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন তিন জেলায়।

এবারের জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২৭ জন, সংরক্ষিত পদে ১৯ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৬৮ জন এবং তিন পদে সব মিলিয়ে ১১৪ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।

রোববার প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠানো তথ্য একীভূত করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তৈরি করা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক আসাদুজ্জামান আরজু এটি নিশ্চিত করেন।

ইসির তথ্য অনুযায়ী ৬১ জেলায় চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ১৬২ জন। তার মধ্যে বাছাই শেষে বৈধতা পেয়েছেন ১৪২ জন। বর্তমানে চেয়ারম্যান পদে ভোটের মাঠে রয়েছে ৯০ জন। সাধারণ সদস্য পদে মনোনয়নপত্র জমা পড়ে ১ হাজার ৯৮৩টি। বৈধতা পেয়েছে ১ হাজার ৭৪টি। তবে বর্তমানে ভোটের মাঠে রয়েছেন ১ হাজার ৫০৫ জন। এ পদে বিনা ভোটে নির্বাচিত হচ্ছেন ৬৮ জন।

সংরক্ষিত সদস্য পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ৭১৫ জন, যাদের মধ্যে বৈধতা পেয়েছেন ৬৭৩ জন। বর্তমানে ভোটের মাঠে রয়েছেন ৬২০ জন। বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন ১৯ জন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ছিল রোববার। প্রতীক বরাদ্দ হবে ২৬ সেপ্টেম্বর সোমবার। আর ভোটগ্রহণ ১৭ অক্টোবর।

জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে যে ২৭ জেলায় প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন সেগুলো হলো: ঢাকা বিভাগে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, টাঙ্গাইল, শরীয়তপুর, মুন্সীগঞ্জ ও মাদারীপুর; ময়মনসিংহ বিভাগে জামালপুর; বরিশাল বিভাগে বরিশাল, ঝালকাঠি, বরগুনা, ভোলা ও পিরোজপুর; রাজশাহী বিভাগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, নওগাঁ ও পাবনা; রংপুর বিভাগে লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও ঠাকুরগাঁও, চট্টগ্রাম বিভাগে কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী; সিলেট বিভাগে মৌলভীবাজার ও সিলেট এবং খুলনা বিভাগে বাগেরহাট।

আরও পড়ুন:
সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হচ্ছেন নাসির
জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মনোনয়নপত্র ছিনতাইয়ের অভিযোগ
৬১ জেলা পরিষদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী যারা
দেশের ৬১ জেলা পরিষদে নির্বাচন ১৭ অক্টোবর
ডাস্টবিন নির্মাণে অনিয়ম, পালিয়েছেন ঠিকাদার

মন্তব্য

p
উপরে