× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
DIG withheld evidence against Mizan
hear-news
player
google_news print-icon

ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য পেছাল

ডিআইজি-মিজানের-বিরুদ্ধে-সাক্ষ্য-পেছাল
পুলিশের বরখাস্ত হওয়া উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমান। ফাইল ছবি
রোববার মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির হননি। মামলাটিতে অভিযোগপত্রের ৩৩ সাক্ষীর মধ্যে ২৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। দুদকের মামলায় আসামিরা হলেন ডিআইজি মিজান, তার স্ত্রী সোহেলিয়া আনার, ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান ও ভাগনে মাহমুদুল হাসান।

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিং আইনের মামলায় পুলিশের বরখাস্ত হওয়া উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে।

ঢাকার বিশেষ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালতে রোববার মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির হননি। এ জন্য আগামী ১৪ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করে আদালত।

মামলাটিতে অভিযোগপত্রের ৩৩ সাক্ষীর মধ্যে ২৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

দুদকের মামলায় আসামিরা হলেন ডিআইজি মিজান, তার স্ত্রী সোহেলিয়া আনার, ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান ও ভাগনে মাহমুদুল হাসান। এর মধ্যে সোহেলিয়া ও মাহবুবুর পলাতক।

২০১৯ সালের ২৪ জুন ৩ কোটি ৭ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন ও ৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা অবৈধভাবে অর্জনের অভিযোগে মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

২০২০ সালের ১ জুলাই মিজানকে গ্রেপ্তার করে শাহবাগ থানা পুলিশ। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করা হলে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠান বিচারক।

ওই মামলার বর্ণিত সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধানের সময় দুদক কর্মকর্তা এনামুল বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দেয়ার কথা নিজে গণমাধ্যমে প্রকাশ করেন ডিআইজি মিজান। ওই মামলাটি ৪ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে বিচারাধীন।

ঘুষ লেনদেনে দুদকের করা মামলায় গত ২৩ ফেব্রুয়ারি দুদকের বরখাস্ত হওয়া পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে আট বছর ও পুলিশের বরখাস্ত ডিআইজি মিজানকে তিন বছর কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম।

এর মধ্যে মিজানকে দণ্ডবিধির ১৬১ ধারায় ও বাছিরকে দণ্ডবিধির ১৬৫(এ) ধারায় তিন বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। অন্যদিকে মানিলন্ডারিং আইনের ৪ ধারায় বাছিরকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়। পাশাপাশি ৮০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

৪০ লাখ টাকার ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগে ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লাহ বাদী হয়ে মামলাটি করেন। ২০২০ সালের ১৯ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেন দুদকের এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
সাবেক ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্য ৭ আগস্ট
ডিআইজি মিজানের জামিন বহাল
ডিআইজি মিজানের জামিন স্থগিত চেয়ে দুদকের আবেদন
দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে ডিআইজি মিজানের আপিল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Threatening to take off clothes of women who come to deposit money

টাকা জমা দিতে আসা নারীর কাপড় খুলে নেয়ার হুমকি

টাকা জমা দিতে আসা নারীর কাপড় খুলে নেয়ার হুমকি ডাকঘরের রানার হিসেবে কর্মরত সুমন আহমেদ। ছবি: নিউজবাংলা
অভিযোগ স্বীকার করে নিয়ে সুমন আহমেদ বলেন, ‘হাতে কাজ থাকায় সেবা নিতে আসা ওই নারীকে অপেক্ষা করতে বলেছিলাম। কিন্তু তিনি অপেক্ষা না করে আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করায় রেগে গিয়ে কাপড় খুলে নেয়ার কথা বলেছিলাম।…উত্তেজিত হয়ে আমি বাজে কথা বলেছি। মানুষ রাগের মাথায় অনেক কিছুই বলে। আমার এভাবে কথা বলা ঠিক হয়নি, আমার ভুল হয়েছে।’

গাজীপুর পোস্ট অফিসে ডাক জীবন বিমার টাকা জমা দিতে গিয়ে আউটসোর্সিং কর্মীর মাধ্যমে লাঞ্ছিত হয়েছেন এক নারী। এ সময় ওই নারীর কাপড় খুলে নেয়ারও হুমকি দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের প্রধান ডাকঘরে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত সুমন আহমেদ প্রায় আড়াই বছর ধরে ডাকঘরের আউটসোর্সিং কর্মী (রানার) হিসেবে কর্মরত। সেই নারীর অভিযোগের পর তিনি তা স্বীকারও করেছেন। বলেছেন, উত্তেজিত হয়ে এই কথা বলে ফেলেছেন।

শহরের বাসিন্দা মধ্য বয়সী এক নারী বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডাক জীবন বিমার কিস্তির টাকা জমা দিতে শহরের রাজবাড়ি সড়কের প্রধান ডাকঘরে যান। সেখানে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও টাকা জমা দিতে না পেরে পোস্টাল অপারেটর আয়েশা বেগমের দ্বারস্থ হন।

আয়েশা ওই নারীকে আউট সোর্সিং কর্মী (রানার) সুমন আহমেদের কাছে পাঠান। কিন্তু সুমনও তাকে দীর্ঘক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখেন।

পরে ওই নারী তার কাজটি দ্রুত করে দেয়ার অনুরোধ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন সুমন। এ নিয়ে দুই জনের মধ্যে তর্ক বাঁধে। এক পর্যায়ে সুমন কিস্তি জমা দিতে আসা ওই নারীকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে পরনের কাপড় খুলে নেয়ার হুমকি এবং মারার জন্য তেড়ে যান।

ওই নারীকে সেখানে বেশ কিছুক্ষণ অবরুদ্ধও করে রাখা হয়। প্রায় এক ঘণ্টা এমন অবস্থা চলাকালে বিভিন্ন সেবা নিতে ডাকঘরে আসা লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

একাধিক সেবা প্রার্থী অভিযোগ করে বলেন, এ ডাকঘরে সেবা পেতে দুর্ব্যবহারসহ মানুষকে নানা হয়রানি পোহাতে হয়।

সুমন বলেন, ‘হাতে কাজ থাকায় সেবা নিতে আসা ওই নারীকে অপেক্ষা করতে বলেছিলাম। কিন্তু তিনি অপেক্ষা না করে আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করায় রেগে গিয়ে কাপড় খুলে নেয়ার কথা বলেছিলাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘উত্তেজিত হয়ে আমি বাজে কথা বলেছি। মানুষ রাগের মাথায় অনেক কিছুই বলে। আমার এভাবে কথা বলা ঠিক হয়নি, আমার ভুল হয়েছে।’

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সহকারী পোস্ট মাস্টার ইব্রাহিম খলিল বলেন, ‘আউটসোর্সিং কর্মী সুমন স্টাফদের সঙ্গেও খারাপ আচরণ করে। আমাদের ক্ষমতা নেই তাকে বাদ দেয়ার, তাকে ওপর মহল থেকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।’

পোস্ট মাস্টার খন্দকার নূর কুতুবুল আলম জানান, ঘটনার সময় তিনি ব্যাংকে ছিলেন। পরে সব জেনে বলেন, ‘নারীর সঙ্গে করা আচরণ শোভন হয়নি। তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে ঘটনাটি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের লিখিতভাবে জানানো হবে।’

তিনি জানান, সুমন আহমেদের নিয়োগ রানার পদে। জনবল সংকটের কারণে তাকে দিয়ে কিছু অফিসিয়াল কাজ করানো হয়।

আরও পড়ুন:
গাজীপুরে হামলায় ছাত্রলীগের ১১ জন আহত, প্রতিবাদে বিক্ষোভ অবরোধ
সবচেয়ে দূষিত বায়ু গাজীপুরে, কম মাদারীপুরে
অপহরণের ৯ ঘণ্টা পর শিশু উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Akash Alis death casts a pall over the joy of worship

পূজার আনন্দে বিষাদ ঢেলেছে আকাশ আলীর মৃত্যু

পূজার আনন্দে বিষাদ ঢেলেছে আকাশ আলীর মৃত্যু বুধবার সন্ধ্যায় জামালপুরে ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে আকাশ আলীর মরদেহ উদ্ধারের পর স্বজনের কান্না। ছবি: নিউজবাংলা
৩৬০ বছর পুরনো শ্রীশ্রী দয়াময়ী মন্দিরের পুরোহিত নিরঞ্জন ভাদুড়ী বলেন, ‘ঘটনাটি শোনার পর থেকেই নিজের ভেতরে এক ধরনের অস্থিরতা অনুভব করছি। এত বড় একটা উৎসবে একজন মা তার আদরের ধন হারাল। একটা মায়ের বুক খালি হয়ে গেল। এই ছেলেটি আমার বা আপনারও হতে পারত। তাই আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।’

বছর ঘুরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য আনন্দের উপলক্ষ হয়ে আসে শারদীয় দুর্গোৎসব। ব্যতিক্রম হয়নি এবারও। কিন্তু একটি মৃত্যু সেই আনন্দের আবহে বিষাদ ছড়িয়ে দিয়েছে।

জামালপুরে বুধবার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের সময় ব্রহ্মপুত্র নদের পানিতে ডুবে মারা যান মো. আকাশ আলী। আনন্দ আয়োজন উদযাপনকালে ২২ বছর বয়সী এই তরুণের মৃত্যুর শোক ছুয়ে গেছে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে।

আকাশ জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা এলাকার সোজাউর রহমান রানার ছেলে। এই অকাল মৃত্যুতে পরিবারটি শোকে বাকরুদ্ধ। একইসঙ্গে স্থানীয় মুসলিম ও হিন্দু কমিউনিটির প্রতিটি মানুষ যেন মেনে নিতে পারছেন না এই দুর্ঘটনা। তারা বলছেন- আনন্দ উৎসবে এমন মর্মান্তিক ঘটনা কখনোই কাম্য নয়।

বৃহস্পতিবার সকালে নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক গোরস্তানে আকাশকে দাফন করা হয়েছে। তার এমন মৃত্যুতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পূজার আনন্দে বিষাদ ঢেলেছে আকাশ আলীর মৃত্যু
ব্রহ্মপুত্র নদের এই স্থানটিতেই বুধবার সন্ধ্যায় প্রতিমা বিসর্জনের সময় পানিতে ডুবে মারা যান মো. আকাশ আলী। ছবি: নিউজবাংলা

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জামালপুর জেলা শাখার সভাপতি প্রদীপ কুমার সোম বলেন, ‘গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যায় ফায়ার সার্ভিস মুকন্দবাড়ির প্রতিমার নিচ থেকে ছেলেটির দেহ উদ্ধার করার পর আমরা সবাই অস্থির হয়ে গেলাম। ছেলেটিকে হাসপাতালে নিয়ে গেলাম। সব জায়গায় খবর লাগালাম। পরে তার পরিবারের লোকজন এল। রাত ১২টার পর আমরা হাসপাতাল থেকে এলাম।

এ ঘটনায় আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাই শোকাহত। এমন দুঃখজনক ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে আমাদেরে আরও সচেতন থেকে উৎসব উদযাপন করা উচিত।’

৩৬০ বছর পুরনো শ্রীশ্রী দয়াময়ী মন্দিরের পুরোহিত নিরঞ্জন ভাদুড়ী বলেন, ‘আমাদের বিভিন্ন উৎসবে মুসলমান ছেলেরাই বেশি থাকে। আমরা সবাই মিলে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেই। একটি উৎসবে এমন মৃত্যু কারও কাম্য নয়।

‘ঘটনাটি শোনার পর থেকেই নিজের ভেতরে এক ধরনের অস্থিরতা অনুভব করছি। এত বড় একটা উৎসবে একজন মা তার আদরের ধন হারাল। একটা মায়ের বুক খালি হয়ে গেল। এই ছেলেটি আমার হতে পারত। আপনারও হতে পারত। তাই আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।’

জামালপুরের মানবাধিকার কর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, ‘আনন্দ উৎসবে এমন মর্মান্তিক ঘটনায় সবারই আনন্দ ম্লান করে দিয়েছে। হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সবাইকে ছুয়ে গেছে এই বিয়োগান্তক ঘটনা।’

বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক সাযযাদ আনসারী বলেন, ‘জামালপুরের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন উৎসবে মুসলমান কিশোর-যুবকরা বরাবরই দলে দলে অংশগ্রহণ করে থাকে। সবাই মিলে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে। এটি হচ্ছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি বড় উদাহর। প্রতিমা বিসর্জনের সময় ছেলেটির এই অকাল মৃত্যুতে আমরা সবাই শোকাহত। এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কারও কাম্য নয়।’

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন শাখার রেসকিউ বোট ক্রু তানজিল আহম্মেদ তন্ময়। তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যা ৭টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে মো. আকাশ আলী নামের ছেলেটি দুইবার নদে পড়ে যায়। সঙ্গে থাকা বন্ধু-বান্ধবরা দুবারই তাকে নদের পাড়ে তুলে আনে।

‘তৃতীয় বার যখন ছেলেটি নদে পড়ে যায় তখন আর কেউ খেয়ালা করেনি। মিনিট দশেক পর তার অনুপস্থিতি দেখে সঙ্গীয় বন্ধুরা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়।ক দেয় পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ছেলেটিকে নদীতে বিসর্জন দেয়া প্রতিমার নিচ থেকে তাকে উদ্ধার করে।’

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, ‘এই মৃত্যু নিয়ে আকাশের মা-বাবার কোনো অভিযোগ নেই। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জামালপুর সদর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
প্রতিমার সঙ্গে ডুবে মুসলিম যুবকের মৃত্যু
পূজার আলোকসজ্জার তারে জড়িয়ে যুবকের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
11 Chhatra League injured in attack in Gazipur protest blockade

গাজীপুরে হামলায় ছাত্রলীগের ১১ জন আহত, প্রতিবাদে বিক্ষোভ অবরোধ

গাজীপুরে হামলায় ছাত্রলীগের ১১ জন আহত, প্রতিবাদে বিক্ষোভ অবরোধ হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার গাজীপুর শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ করে ছাত্রলীগ। ছবি: নিউজবাংলা
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্রলীগের সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গুলি ছোড়ার কথা শুনেছি, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি।’

গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগ নেতাদের ওপর হামলা ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতে শহরের রথখোলার ঢালে এ ঘটনায় মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পদক শেখ মোস্তাক আহমেদ কাজলসহ ১১ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কাজলসহ ৭ জনকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে বৃহস্পতিবার শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে মহানগর ছাত্রলীগ। পরে নেতা-কর্মীরা শহরের শিববাড়ি মোড় প্রায় ৩০ মিনিট অবরোধ করে রাখে। এ সময় হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি মোশিউর রহমান সরকার বাবু।

আহত কাজল বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গাপূজায় প্রতিমা বিসর্জনের অনুষ্ঠান শেষে মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ওয়াজউদ্দীনকে রথখোলা এলাকায় আমরা বিদায় জানাচ্ছিলাম। অ্যাডভোকেট ওয়াজউদ্দীন চলে যাওয়ার পর মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) মাসুদ রানা এরশাদের নেতৃত্বে ২৫-৩০ জনের একটি দল আমাদের ওপর হামলা চালায়।

‘এ সময় আমাকে লক্ষ্য করে ৩ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। তা লক্ষভ্রষ্ট হওয়ায় প্রাণে বেঁচে যাই। এক পর্যায়ে চাপাতি দিয়ে কোপ দিলে আমার থুতনি কেটে যায়। আমাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে হামলাকারীদের চাপাতি ও হকিস্টিকের আঘাতে ছাত্রলীগ নেতা আনিছুর রহমান বাদল, মিরাজুর রহমান রায়হান, ইলিয়াস রুমন ও রনিসহ ১১ ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী আহত হয়। আমিসহ সাতজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছি।’

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে মাসুদ রানা এরশাদ বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি ছিলাম না। মোস্তাক আহমেদ কাজল ও কাজী আশরাফ রাকিব মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন। কাজল পদ পেলেও রাকিব পদ পাননি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। কাজলের অনুসারীরা রাকিবের ওপর হামলা চালিয়েছে।’

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) সদর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গুলি ছোড়ার কথা শুনেছি, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি।’

আরও পড়ুন:
ক্যাম্পাসে অস্ত্র হাতে ঘুরছে ছাত্রলীগের ২ গ্রুপ
ফরিদপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রলীগের ৩ জন গ্রেপ্তার
রিভাও তো মানুষ, ভুল করতেই পারে: তিলোত্তমা
শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ৭৬ ছাত্রীকে বাইসাইকেল দিল ছাত্রলীগ
বিয়ে, পিতৃত্ব শেষে এবার তারা ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
RAB has been trained on the advice of the United States Prime Minister

র‌্যাব তো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শে, ট্রেনিংও তাদের: প্রধানমন্ত্রী

র‌্যাব তো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শে, ট্রেনিংও তাদের: প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: বাসস
‘র‌্যাবের ওপরে তারা যখন স্যাংশন দিল, আমার প্রশ্নটা হচ্ছে র‌্যাব সৃষ্টি করেছে কে? র‌্যাব সৃষ্টি তো আমেরিকার পরামর্শ। আমেরিকা র‌্যাব সৃষ্টি করার পরামর্শ দিয়েছে। আমেরিকা তাদের ট্রেনিং দেয়। তাদের অস্ত্রশস্ত্র, তাদের হেলিকপ্টার, এমনকি তাদের ডিজিটাল সিস্টেম, আইসিটি সিস্টেম-সবই আমেরিকার দেয়া।’

যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শেই র‌্যাব গঠন করা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাদের দেয়া প্রশিক্ষণ অনুযায়ী র‌্যাব তার কার্যক্রম পরিচালনা করে।

বাংলাদেশে সন্ত্রাস দমনে র‌্যাব বিশেষ ভূমিকা রাখায় যুক্তরাষ্ট্র ‘নাখোশ’ হয়েছে কিনা, সে প্রশ্নও তুলেছেন সরকারপ্রধান।

গণভবনে বৃহস্পতিবার বিকেলে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘র‌্যাবের ওপরে তারা যখন স্যাংশন দিল, আমার প্রশ্নটা হচ্ছে র‌্যাব সৃষ্টি করেছে কে? র‌্যাব সৃষ্টি তো আমেরিকার পরামর্শ। আমেরিকা র‌্যাব সৃষ্টি করার পরামর্শ দিয়েছে। আমেরিকা তাদের ট্রেনিং দেয়। তাদের অস্ত্রশস্ত্র, তাদের হেলিকপ্টার, এমনকি তাদের ডিজিটাল সিস্টেম, আইসিটি সিস্টেম-সবই আমেরিকার দেয়া।’

একজন গণমাধ্যমকর্মী সরকার প্রধানের কাছে প্রশ্ন রাখেন সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে কোনো টানাপড়েন চলছে কি না। গণতন্ত্র সম্মেলনে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ না জানানো, র‌্যাবের ওপর দেশটির নিষেধাজ্ঞাসহ নানা প্রসঙ্গ তুলে ধরে এই প্রশ্ন রাখেন সেই গণমাধ্যমকর্মী।

পরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমেরিকা যখন স্যাংশন দেয় বা কোনো কথা বলে, বা অভিযোগ আনে, আমার একটাই কথা, যেমন আপনারা ট্রেনিং দিয়েছেন, তেমন তারা কার্যক্রম করেছে। এখানে আমাদের করার কী আছে? আপনাদের ট্রেনিংটা যদি একটু ভালো হতো, তাহলে না কথা ছিল।’

র‌্যাব তো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শে, ট্রেনিংও তাদের: প্রধানমন্ত্রী
এলিট ফোর্স র‌্যাবের বিভিন্ন কাজের সমালোচনা করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। ফাইল ছবি

‘আমরা শাস্তি দেই, যুক্তরাষ্ট্র দেয় না’

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্য অপরাধ করলে বাংলাদেশে তার শাস্তির বিধান থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রে তেমন নজির নেই বলেও দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা সে র‌্যাব হোক, পুলিশ হোক, আর্মি হোক, যে হোক, কেউ যদি অপরাধ করে তার কিন্তু বিচার হয়। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আপনারা দেখেছেন পুলিশ ইচ্ছা মতো গুলি করে মারলেও তাদের কিন্তু সহসা বিচার হয় না।

‘শুধু একটা বিচার হলো, আমেরিকার লোক সবাই যখন আন্দোলনে নামল, তখন ওই একটা বিচারই বোধ হয় তারা সারাজীবনে করতে পেরেছে। তা না হলে তো তারা কথায় কথায় গুলি করে মেরে ফেলে দেয়।

‘একটা বাচ্চা পকেটে হাত দিল, গুলি করে মেরে ফেলে দিল। একটা খেলনা পিস্তল নিয়ে তাকে মেরে ফেলে দিল। আমাদের কতজন বাঙালি মারা গেছে, সেখানে কিন্তু তারা কিছু বলেনি। সেই কথাগুলো আমি স্পষ্ট তাদেরকে বলেছি। আমি কিন্তু বসে থাকিনি। আমি মনে করি এটা আমাদের বলার কথা।’

‘যুক্তরাষ্ট্রের নিজেদের নিয়ে চিন্তা করা উচিত’

অন্য এক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

তিনি বলেন, ‘স্যাংশন তারা কতোটুকু তুলবে জানি না। তবে স্যাংশন দিয়ে তারা ক্ষতি যতটা করেছে, আমরা যাদের দিয়ে এ দেশে সন্ত্রাস দমন করেছি, তাদের ওপর স্যাংশন দেয়ার অর্থটা কী? সন্ত্রাসীদের মদদ দেয়া?

‘আমার এটাও প্রশ্ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে, তাহলে কী সন্ত্রাস দমনে তারা নাখোশ? ৪০ বছর ধরে আফগানিস্তানে তালেবানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, সেই তালেবানের হাতে ক্ষমতা দিয়ে ভেগে চলে আসল আমেরিকার সৈন্যরা।’

যুক্তরাষ্ট্র ‘নিজেদের ব্যর্থতা’ স্বীকার করে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভিয়েতনামে ৩০ বছর যুদ্ধ করল, বাংলাদেশে পাকিস্তানিদের মদদ দিল, সেভেন ফ্লিট পাঠাতে চাইল। আমরা কিন্তু আমাদের দেশ স্বাধীন করেছি। তাদের নিজেদের চিন্তা নিজেদের করা উচিত।

‘এখন ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধে সমানে মদদ দিয়ে যাচ্ছে, স্যাংশন দিচ্ছে। স্যাংশন দিয়ে কার ক্ষতি হচ্ছে? সাধারণ মানুষের ক্ষতি হচ্ছে। কথায় কথায় একটা দেশ আরেকটা দেশকে স্যাংশন দেয় এটা কেমন কথা?’

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়— আমরা এই নীতিতে বিশ্বাস করি। রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে সমস্যা থাকতে পারে, থাকে। কিন্তু কারও সঙ্গে আমরা ঝগড়া বিবাদে যাই না। যুক্তরাষ্ট্র সময়ে সময়ে আমাদের ওপর নানা ধরনের স্যাংশন, অথবা একসময় জিএসপি বাদ দিল, নানা রকমের ঘটনা ঘটায়।’

গুম প্রসঙ্গে মরিয়ম মান্নান, ফরহাদ মজহারের কথা স্মরণ

বিরোধীরা সরকারের বিরুদ্ধে যে গুমের অভিযোগ আনেন, সেটি নিয়েও কথা বলেন শেখ হাসিনা। বলেন, ‘কয়েকটা আন্তর্জাতিক সংস্থা খুব উৎফুল্ল, গুম-খুন, গুম-খুন, গুম-খুন। গুমের হিসাব যখন বের হতে শুরু করল তখন তো দেখা গেল সব থেকে বেশি গুম জিয়াউর রহমানের আমলেই শুরু। তারপর থেকে তো চলছে। তারপর আমরা যখন তালিকা চাইলাম, ৭৬ জনের তালিকা পাওয়া গেল। আর এই ৭৬ জনের মধ্যে কী পাওয়া গেছে, সেটা আপনারা নিজেরাই ভালো জানেন।’

সম্প্রতি মাকে গুম করার দাবি তুলে পরে বিব্রতকর অবস্থায় পড়া মরিয়ম মান্নানের ঘটনাও তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। উঠে আসে কবি ফরহাদ মজহারের গুমের ঘটনাও, যাকে গুম করার অভিযোগ নিয়ে তোলপাড়ের পর দেখা যায়, তিনি খুলনায় রেস্টুরেন্টে বসে খাওয়াদাওয়া করছেন, এমনকি বান্ধবীকে টাকাও পাঠান মোবাইল ব্যাংকিংসেবা ব্যবহার করে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এর মধ্যে এমনও আছে, মাকে লুকিয়ে রেখে অন্যজনকে শায়েস্তা করতেও মাকে খুন করেছে, গুম করেছে, সে ঘটনাও বের হয়ে যাচ্ছে। আমি সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানাই, আপনারা খুঁজে খুঁজে সেগুলো বের করেন, আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদেরকে ধরে। কেউ বোনকে লুকিয়ে রেখে, গুম হয়েছে সেটা বলে। কেউ ঢাকা থেকে চলে গেলেন খুলনা। বলা হলো তাকে গুম করা হয়েছে। দেখা গেল নিউ মার্কেটে ঘুরে বেড়াচ্ছে খুলনায়।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘যে তালিকা, সে তালিকায় দেখা যাচ্ছে, ভারত থেকে পলাতক কিছু আসামি, তাদের নামও সেই তালিকায়। এটা কেমন করে হয়?’’

গুমের তালিকায় কোনো কোনো নাম আমেরিকায় লুকিয়ে আছে বলেও দাবি করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘সে রকমও তথ্য আছে। বিষয়গুলো তাদের সামনে তুলে ধরেছি, এই যে গুম গুম করেন আগে দেখেন সেটা কী কারণে?’

এসময় সংবাদকর্মীদের ওপও ক্ষোভ ঝাড়েন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, ‘গুমের ঘটনা যখনই ঘটে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের খুঁজে বের করে। সেই নিউজটা আসেই না বা পত্রিকায়ও আপনারা সেটা বড় করে দেখান না। গুমটা যত বড় করে দেখান, গুমটা যখন উদ্ধার হয়, ওটা যদি সমানভাবে দেখাতেন তাহলে তো বাংলাদেশের এই বদনামটা হতো না।’

অপপ্রচারের অভিযোগ

দেশের কিছু মানুষের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগও আনেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘তারা যেসব স্টেটে থাকে সেখানকার স্থানীয় সিনেটর, কংগ্রেসম্যান, তাদের কাছে নানা রকম বানোয়াট মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকে। দিয়ে দিয়ে একটা পরিবেশ সৃষ্টি করে।

‘আর সেই সঙ্গে দেশের বদনাম করে। যারা করে তারা নিজেরা একেকটা অপকর্ম করে কিন্তু দেশ ছাড়া। কোনো না কোনো অপরাধে তারা অপরাধী অথবা চাকরিচ্যুত।’

মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ও স্বাধীনতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধীদের সন্তান ও তাদের প্রজন্মরাও এসব অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িত বলেও অভিযোগ করেন শেখ হাসিনা।

যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই

জাতিসংঘেও যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরার বিষয়টি নিয়েও কথা বলেন তিনি। বলেন, ‘আমি কিন্তু আমার বক্তৃতায় এ কথা স্পষ্টভাবে বলে আসছি, এটাও বলেছি এ যুদ্ধ থামাতে হবে। শুধু অস্ত্র প্রতিযোগিতা আর যুদ্ধ করে শুধু অস্ত্র প্রস্তুতকারী বা বিক্রিকারী দেশ লাভবান হবে আর আমাদের মতো সাধারণ দেশের মানুষ না খেয়ে মরবে, কষ্ট পাবে, আমাদের দেশ কেন, ইউরোপের মানুষ তো কষ্টে আছে।’

দেশে দেশে যুদ্ধের প্রভাব সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ব্রিটেনে বিদ্যুতের দাম ৮০ শতাংশ বাড়িয়েছে। আমি যদি ৪০ পার্সেন্ট বৃদ্ধি করি আপনারা কেমনভাবে চিল্লাবেন? একটা উন্নত দেশ, তাদের সবকিছুই বিদ্যুতে, বাড়ির দরজাও খুলে বিদ্যুতে, চুলাও জ্বলে বিদ্যুতে সবই, আমাদের তো এখনও তা না। আমেরিকারও একই অবস্থা। প্রত্যেকটা জিনিসের দাম বেড়েছে।’

ইউরোপ কয়লা নিয়ে এত কথা বলেও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ফিরে গেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘আমাদের ওপরেই প্রচণ্ড চাপ। অনেক কথা শুনতে হয়েছে। আমি তো কোনো চাপের কাছে মাথানত করিনি। যেটা আমার প্রয়োজন সেটা আমি করব। হ্যাঁ তাতে আমার দেশের এনভায়রনমেন্ট নষ্ট না হয়, সে ব্যাপারে আমি সচেতন। সেটা যে হচ্ছে না, তার প্রমাণও আমি দিয়েছি। আন্তর্জাতিক বহু ফোরামে এটা নিয়ে তর্ক হয়েছে। এখন পেলে জিজ্ঞেস করতাম, এখন আপনারা কী বলবেন, সেই আদিযুগেই তো ফিরতে হলো?’

আরও পড়ুন:
বিশ্বে দুর্ভিক্ষের শঙ্কা, দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী: প্রধানমন্ত্রী
বিদায় নেয়ার জন্য প্রস্তুত আমি: শেখ হাসিনা
সব ধর্মকে সম্মান দেখাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Suicide of lover at doctor lovers house

চিকিৎসক প্রেমিকের বাসায় প্রেমিকার আত্মহত্যা

চিকিৎসক প্রেমিকের বাসায় প্রেমিকার আত্মহত্যা আত্মহত্যায় প্ররোচণার মামলায় গ্রেপ্তার চিকিৎসক ফিরোজ আলম। ছবি: নিউজবাংলা
আশুলিয়া থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চিকিৎসক ফিরোজ তার ভাড়া ফ্ল্যাটে বারান্দায় গিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। এ সময় ফিরোজের অন্যত্র বিয়ের বিষয়টি জানতে পারেন নুসরাত। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে নুসরাত বারান্দা থেকে কক্ষে এসে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনায় ফিরোজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ঢাকার সাভারে চিকিৎসক প্রেমিকের বাসায় এসে আত্মহত্যা করেছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী। ওই তরুণীর বড় ভাইয়ের করা আত্মহত্যায় প্ররোচণার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রেমিককে।

আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম বৃহস্পতিবার সকালে নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বুধবার রাতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠায় আশুলিয়া থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তার ফিরোজ আলম ঢাকার দোহার থানার রাধানগর গ্রামের ওমর আলীর ছেলে। তিনি আশুলিয়ার একটি পোশাক কারখানায় মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে কর্মরত।

নুসরাত মিমের বড় ভাই ফেরদৌস আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি ফরিদপুরে একটি এনজিওতে চাকরি করি। আমার ছোট বোন সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স চতুর্থ বর্ষের ইংরেজি সাহিত্যে লেখাপড়া করত। পাশাপাশি সে সাভার সুপার হাসপাতালে নার্সের চাকরি করত।

‘বছর দুয়েক আগে সুপার হাসপাতালে ডিউটি ডাক্তার ফিরোজ আলমের সঙ্গে আমার বোনের পরিচয় হয়। এক সময় তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ৭-৮ মাস আগে ফিরোজ অন্যত্র গোপনে বিয়ে করে। তারপরও সে আমার বোনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক চালিয়ে আসছিল।’

ফেরদৌস আলম আরও বলেন, ‘৪ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে হাসপাতালে ডিউটি শেষ করার পর আমার বোনকে ফোন করে আশুলিয়ার পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় নিজের ভাড়া ফ্ল্যাটে ডেকে নেয় ফিরোজ। পরদিন ৫ অক্টোবর বিকেলে আমার বোনের আত্মহত্যার খবর পেয়ে ছুটে আসি। আমার বোনকে ডেকে এনে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’

এসআই জাহাঙ্গীর আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ফিরোজ তার ভাড়া ফ্ল্যাটে নুসরাতকে রেখে বারান্দায় গিয়ে গোপনে স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। এ সময় ফিরোজের অন্যত্র বিয়ের বিষয়টি জানতে পারেন নুসরাত। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে নুসরাত বারান্দা থেকে কক্ষে এসে ভেতর থেকে বারান্দার দিকের দরজা আটকে দেন। পরে নিজের ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। বিষয়টি জানালা দিয়ে দেখতে পেয়ে ফিরোজ চিৎকার করতে থাকেন। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি আশুলিয়া থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে।

‘এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাইয়ের করা মামলায় ফিরোজ আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাতেই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করে রিকশাচালকের ‘আত্মহত্যা’
ছেলের সামনেই স্বামীহারা নারীর ‘আত্মহত্যা’
গায়ে আগুন দিয়ে গৃহবধূর ‘আত্মহত্যা’
দাদির সঙ্গে অভিমানে শিশুর ‘আত্মহত্যা’
‘ধর্ষণের শিকার’ স্কুলছাত্রীর মৃত্যুতে মামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Evacuation of 30 illegal sidewalk shops

ফুটপাতের ৩০ অবৈধ দোকান উচ্ছেদ

ফুটপাতের ৩০ অবৈধ দোকান উচ্ছেদ ঢাকার মৌলভীবাজারে বৃহস্পতিবার ফুটপাতের অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। ছবি: নিউজবাংলা
অভিযানে ফুটপাত দখল করে গড়ে তোলা ৩০টি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। ফুটপাতে মালামাল রেখে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করায় ১১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এসময় আদায় করা হয় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

রাজধানীর মৌলভীবাজারে ফুটপাত দখল করে গড়ে তোলা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

বৃহস্পতিবার সকালে করপোরেশনের সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মাদ মুনিরুজ্জামানে নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে ফুটপাত দখল করে গড়ে তোলা ৩০টি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে।ফুটপাতে মালামাল রেখে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করায় ১১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এসময় আদায় করা হয় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, হাট-বাজারে পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে মেয়রের নির্দেশে এই অভিযান চালানো হয়েছে।

জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

অভিযানে অন্যদের মধ্যে ৩১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ মোহাম্মদ আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সাবেক এমপি র‌নির অবৈধ বাসভবন উচ্ছেদ
অতি ঝুঁকিপূর্ণ ১২০টি ঘর উচ্ছেদ শুরু
মতলবে বেড়িবাঁধ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান
ইউএনও-এসিল্যান্ডের নামে আদালতে মামলা
বহুতল মার্কেট করতে গুলিস্তান হকার্সে উচ্ছেদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Poor people dont even have money to pay lawyers Justice Jahangir

আইনজীবীদের দেয়ার অর্থও গরিবের নেই: বিচারপতি জাহাঙ্গীর

আইনজীবীদের দেয়ার অর্থও গরিবের নেই: বিচারপতি জাহাঙ্গীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সেমিনারে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম। ছবি: নিউজবাংলা
বিচারপতি জাহাঙ্গীর বলেন, ‘ধনীদের অর্থ আছে। তারা ভালো আইনজীবী রাখতে পারে। ভালো অর্থ আইনজীবীর পেছনে খরচ করতে পারে। আর গরিবের অর্থ নেই। ফলে আইন তাদের পক্ষে অনেক সময় থাকে না। কারণ তারা ভালো আইনজীবী রাখতে পারে না।’

আইনজীবীদের দেয়ার অর্থ গরিবের নেই। ফলে আইন ধনীদের জন্য বেশি এগিয়ে চলে বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও হাইকোর্টের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম।

তিনি বলেন, ‘ধনীদের অর্থ আছে। তারা ভালো আইনজীবী রাখতে পারে। ভালো অর্থ আইনজীবীর পেছনে খরচ করতে পারে। আর গরিবের অর্থ নেই। ফলে আইন তাদের পক্ষে অনেক সময় থাকে না। কারণ তারা ভালো আইনজীবী রাখতে পারে না।’

জাতীয় প্রেস ক্লাবে বৃহস্পতিবার সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম এ কথা বলেন। সেমিনারটি আয়োজক লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল জেলা-৩১৫।

বিচারপতি জাহাঙ্গীর বলেন, ‘যারা অর্থ ও সম্পদশালী তারা ভালো আইন, ভালো নজির ও শুনানি উপস্থাপন করতে পারেন। এ কারণেই অসহায়, দুস্থ ও গরিব বিচারপ্রার্থীদের আইনি সেবা দেয়ার জন্য ২০০০ সালে সরকার লিগ্যাল এইড প্রতিষ্ঠা করে।’

হাইকোর্ট বিভাগের এ বিচারপতি বলেন, ‘লিগ্যাল এইড আইন প্রণয়নের পর আজ ২২ বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু দেশের মানুষের মধ্যে লিগ্যাল এইড নিয়ে ধারণা কম। গ্রামের মানুষ এখনও জানে না লিগ্যাল এইড কিভাবে কাজ করে। অনেকে মনে করে লিগ্যাল এইডের কাছে আসলেই মনে হয় রায় পাওয়া যায়। অনেকে মনে করে লিগ্যাল এইড একটি মাধ্যম, টাকা-পয়সা খরচ করতে হয়। কিন্তু লিগ্যাল এইডের দায়িত্ব রাষ্ট্র নিজেই নিয়েছে। এখানে কোনো বিচারপ্রার্থীর একটি পয়সাও খরচ করার সুযোগ নেই। এজন্য লিগ্যাল এইডের ধারণা দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। গণমাধ্যম প্রতিনিয়তই সেই ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।’

আইন সবার জন্য সমান কি না প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে বলা আছে আইনের চোখে সবাই সমান। সবাই আইনের আশ্রয় লাভের অধিকারী। কিন্তু আমার মনে পীড়া দেয় আদৌ কি আমরা ইক্যুয়াল প্রটেকশন পাচ্ছি, এটা আপনারা ভেবে দেখবেন। অসহায়, দুস্থ বিচারপ্রার্থীদের কি ঠিকমত লিগ্যাল সাপোর্ট দিতে পারছি? আমার মত হচ্ছে পারছি না।’

এজন্য সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে কাজ করার পরামর্শ দেন এই বিচারপতি।

তিনি বলেন, ‘আগে নিজেকে চিনুন। যদি নিজেকে না চেনেন তাহলে সফলভাবে দায়িত্ব পালন দুরূহ। কারণ নিজেকে চিনতে পারলে সমাজ ও দেশের জন্য সঠিকভাবে কাজ করতে পারবেন।’

নিজ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়েই আমি কেন্দ্রীয় কারাগার পরিদর্শন করেছি। সেখানে গিয়ে বন্দিদের বক্তব্য শুনেছি। যাদের লিগ্যাল এইড দেয়া দরকার তাদের নিয়ে কাজ করছি। এ ছাড়া কিশোর সংশোধনাগারে গিয়েছি। অপরাধে জড়িয়ে শিশুরা সেখানে বন্দি। এ বয়সে যাদের বাবা-মায়ের কাছে থাকার কথা ছিল কিন্তু সমাজ সচেতন না হওয়ার কারণে শিশুদের এই দুরাবস্থা।

‘শিশুর তো কোনো দোষ নেই। আমরাই বাবা-মা সন্তানদের অসুস্থ প্রতিযোগিতার মধ্যে ঠেলে দিচ্ছি। বাচ্চা যেটা পারবে না সেটা তার ওপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছি। এজন্য বাবা-মা দায়ী।’

সেমিনারে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন তেজগাঁও কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল অধ্যাপক আঞ্জুমান আরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাইকোর্ট বিভাগের আরেক বিচারপতি মো. বশির উল্লাহ।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিশেষ অতিথি লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মো. আব্দুল ওয়াহহাব, লায়ন জালাল আহমেদ, লায়ন মোহাম্মদ হানিফ, লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা জজ ফারাহ মামুন,অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান, অ্যাডভোকেট হোসনে আরা বাবলী, অ্যাডভোকেট মুনমুন নাহার, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ফারজানা শম্পা, তামান্না ফেরদৌস প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
লিগ্যাল এইডের নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন

মন্তব্য

p
উপরে