× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Padma Bridge toll at 100 million milestone
hear-news
player
google_news print-icon

শতকোটির মাইলফলকে পদ্মা সেতুর টোল

শতকোটির-মাইলফলকে-পদ্মা-সেতুর-টোল-
সেতুর নির্মাণ ব্যয়ের ০.৩৩ শতাংশের মতো উঠে এসেছে দেড় মাসেরও কম সময়ে। এই হারে টোল আদায় হলে সেতুর নির্মাণ ব্যয় ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা উঠবে ৩৭ বছরে। অবশ্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশা করছেন, ভবিষ্যতে এই রুটে গাড়ি বাড়বে এবং নির্মাণ ব্যয় ২০ বছরে উঠে আসবে। সেটি করতে হলে বর্তমান হারের চেয়ে টোল আদায় বাড়তে হবে পৌনে দুই গুণ। 

চালু হওয়ার ৪২ দিনের মাথায় পদ্মা সেতুর টোল ১০০ কোটি টাকা অতিক্রম করল।

গত ২৬ জুলাই থেকে যান চলাচল শুরু হওয়ার পর ৬ আগস্ট শনিবার রাত ১২টা পর্যন্ত সেতু পাড়ি দিয়েছে ছোট-বড় ৯ লাখ ৩ হাজার ৮৪০টি গাড়ি। এতে টোল আদায় হয়েছে ১০১ কোটি ৯ লাখ ১৪ হাজার ৪০০ টাকা।

এই টোলের মধ্যে রাজধানী হয়ে দক্ষিণের মুখে আদায় কিছুটা বেশি। অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চল থেকে নদী পারের আদায় কিছুটা কম, যদিও এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য খুব একটা বেশি নয়।

রোববার দুপুরে তথ্য নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

অর্থাৎ দিনে গড়ে টোল আদায় হচ্ছে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার বেশি। এই টোলের মধ্যে এক দিনে সর্বোচ্চ টোল আদায় হয়েছে গত ৮ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায়। ঈদের ছুটির আগে আগে ঘরমুখো মানুষের ভিড়ে সেদিন আদায় হয় ৪ কোটি ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫০ টাকা।

সেতু চলাচলের প্রথম ২০ দিনে টোল আদায় ছাড়িয়ে ছিল অর্ধশত কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রথম ২০ দিনের সমপরিমাণ টোল আদায় করতে সময় লেগেছে এর পরের ২২ দিন।

সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ২৬ জুন থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত মুন্সীগঞ্জের মাওয়া টোল প্লাজা হয়ে সেতু পাড়ি দিয়েছে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৫৩৮টি যান। এতে টোল আদায় হয়েছে ৫০ কোটি ৭২ লাখ ৯৩ হাজার ৮৫০ টাকা।

অন্যদিকে শরীয়তপুরের জাজিরা টোল প্লাজা হয়ে সেতু পাড়ি দিয়েছে ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৩০২টি যানবাহন। এতে আদায় হয়েছে ৫০ কোটি ৩৬ লাখ ২০ হাজার ৫৫০ টাকা।

অর্থাৎ রাজধানীর দিক থেকে দক্ষিণমুখী গাড়ি পারাপারে টোল বেশি আদায় হয়েছে ৩৬ লাখ টাকার কিছু বেশি।

পদ্মা সেতুর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবুল হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অল্প সময়ে বিনা বাধায় টোল আদায়ে আমরা কাজ করছি। টোল প্লাজায় ভবিষ্যতে ফাস্ট ট্রাক বসানোর কাজ চলছে। তখন যানবাহন না থেমেও কার্ডের মাধ্যমে টোল দিতে পারবে। আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে এই কার্যক্রম শুরু হবে আশা করছি।’

গত ২৫ জুলাই বহুল প্রত্যাশিত স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরদিন ২৬ জুলাই ভোর থেকে যান চলাচলের জন্য উন্মোচিত হয় সেতুটি। সেতুতে বিশৃঙ্খলা এড়াতে বন্ধ রয়েছে মোটরসাইকেল চলাচল। এদিকে সেতুতে বর্তমানে রেলপথ নির্মাণের কাজ চলছে।

অর্থাৎ সেতুর নির্মাণ ব্যয়ের ০.৩৩ শতাংশের মতো উঠে এসেছে দেড় মাসেরও কম সময়ে। এই হারে টোল আদায় হলে সেতুর নির্মাণ ব্যয় ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা উঠবে ৩৭ বছরে। অবশ্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশা করছেন, ভবিষ্যতে এই রুটে গাড়ি বাড়বে এবং নির্মাণ ব্যয় ২০ বছরে উঠে আসবে। সেটি করতে হলে বর্তমান হারের চেয়ে টোল আদায় বাড়াতে হবে পৌনে দুই গুণ।

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতুর প্রভাবে বন্ধ গ্রিন লাইন
৯৯৯ টাকায় পদ্মা সেতু ঘুরতে সরকারের প্যাকেজ
মমতাকে পদ্মা সেতু পরিদর্শনের আমন্ত্রণ শেখ হাসিনার
পদ্মা সেতু: প্রধানমন্ত্রীর সাহসিকতায় মুগ্ধ চীনের এনপিসি
পদ্মা সেতুতে পিকআপ দুর্ঘটনায় আহত ৩ জন ঢামেকে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Technical education institute fees can be paid through tap

‘ট্যাপ’ এর মাধ্যমে দেয়া যাবে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফি

‘ট্যাপ’ এর মাধ্যমে দেয়া যাবে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফি
চুক্তির আওতায় এখন থেকে ট্যাপের মাধ্যমে বাংলাদেশের সকল কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে ঝামেলহীনভাবে খুব সহজে অ্যাডমিশন ও রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে পারবেন।

মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান (এমএফএস) ট্রাস্ট আজিয়াটা পে বা ‘ট্যাপ’ এর মাধ্যমে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফি দেয়া যাবে।

অ্যাডমিশন ও রেজিস্ট্রেশন ফি প্রদানের লক্ষ্যে ট্যাপ ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়েছে। চুক্তির আওতায় এখন থেকে ট্যাপের মাধ্যমে বাংলাদেশের সকল কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে ঝামেলহীনভাবে খুব সহজে অ্যাডমিশন ও রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে পারবেন।

সম্প্রতি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অফিসে এক অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ্যে চুক্তি সই করেন ‘ট্যাপ’ এর হেড অফ স্কুল ব্যাংকিং বোরহানুল ইসলাম ও বোর্ডের সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ‘ট্যাপ’ এর স্কুল ব্যাংকিং ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আলাউদ্দিন ও হাবিব গাফফার এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কারিকুলামের পরিচালক প্রকৌশলী ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ, কারিকুলাম বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী ফারুক রেজা ও রুপক কান্তি বিশ্বাস।

‘ট্যাপ’ এর অ্যাপের মাধ্যমে টিউশন ফি প্রদানের জন্য ‘ট্যাপ’ এর অ্যাপ লগইন করে ফিস অপশনে গিয়ে টিউশন ফিস অপশন নির্বাচন করতে হবে। এরপর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা থেকে বাছাই করে স্টুডেন্ট আইডি ও মাস নির্বাচন করে খুব সহজে টাকা জমা দেয়া যাবে বলে ট্যাপের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
প্রবাসীদের দেশে টাকা পাঠানোর সহজ মাধ্যম ট্যাপট্যাপ সেন্ড
ট্যাপ বাড়াল আরও সুবিধা
ট্যাপ ক্যাশব্যাকে বিশেষ অফার
ট্রাস্ট ব্যাংকে যোগ হলো ‘ট্যাপ’ সার্ভিস
মোবাইল আর্থিক সেবা ট্যাপের যাত্রা শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bengal Plastics won the export trophy 13 times in a row

টানা ১৩ বার রপ্তানি ট্রফি পেল বেঙ্গল প্লাস্টিকস     

টানা ১৩ বার রপ্তানি ট্রফি পেল বেঙ্গল প্লাস্টিকস     
দেশের রপ্তানি খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৩ বারের মতো জাতীয় রপ্তানি পদক (স্বর্ণ) পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

স্বর্ণপদক পেয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় প্লাস্টিকস পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এনভয় বেঙ্গল প্লাস্টিকস্ লিমিটেড।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৩ বারের মতো জাতীয় রপ্তানি পদক (স্বর্ণ) পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

সম্প্রতি রাজধানীর পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডপিপ এক্সিবিশন সেন্টারে এক অনুষ্ঠানে বেঙ্গল প্লাস্টিকস্ লিমিটেডের পরিচালক হুমায়ুন কবির বাবলুর হাতে স্বর্ণপদক তুলে দেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ও ব্যবসায়ী শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই’র সভপতি মো. জসিম উদ্দিন।

এবার মোট ৭১টি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন খাতে সর্বোচ্চ রপ্তানির জন্য ট্রফি পেয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি জসিম উদ্দিন, বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান।

আরও পড়ুন:
বেঙ্গল প্লাস্টিকসের ওয়ার্ল্ড ট্যুর প্রতিযোগিতার পুরস্কার প্রদান
বেঙ্গল গ্রুপের ব্রেস্ট ক্যানসার নিয়ে সচেতনতা কর্মসূচি
বেঙ্গল প্লাস্টিক পাইপসের পরিবেশকদের নেপাল ভ্রমণ
বেঙ্গল পলিমার ওয়্যারসের ডিলার সম্মেলন নেপালে অনুষ্ঠিত
বেঙ্গল ব্যাংকের যাত্রা শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Where is the condition of the banking sector bad? Finance Ministers question

ব্যাংক খাতের অবস্থা কোথায় খারাপ, অর্থমন্ত্রীর প্রশ্ন

ব্যাংক খাতের অবস্থা কোথায় খারাপ, অর্থমন্ত্রীর প্রশ্ন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ফাইল ছবি
ইসলামী ব্যাংকসহ দেশের সার্বিক ব্যাংক ব্যবস্থা নিয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘ব্যাংকের অবস্থা কোথায় খারাপ তা লিখিত দিয়ে যান, আমরা খতিয়ে দেখব।’

দেশে ব্যাংক খাতের অবস্থা ভালো নয়- এমনটা মানতে নারাজ অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। উল্টো দেশের ব্যাংকগুলোর অবস্থা কোথায় খারাপ তা লিখিতভাবে জানাতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে মঙ্গলবার সরকারি কর্মচারীদের গৃহনির্মাণ ঋণ ব্যবস্থাপনা মডিউল উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী। অনুষ্ঠান শেষে চলে যাওয়ার সময় ইসলামী ব্যাংকসহ দেশের সার্বিক ব্যাংক ব্যবস্থা নিয়ে মন্তব্য জানতে চান সাংবাদিকরা।

জবাবে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘ব্যাংকের অবস্থা কোথায় খারাপ তা লিখিত দিয়ে যান, আমরা খতিয়ে দেখব।’

অর্থ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব ফাতিমা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ, মহা হিসাব নিয়ন্ত্রক মো. নুরুল ইসলাম, অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মুরশেদুল কবীর, ইসলামী ব্যাংকের এমডি মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা প্রমুখ।

সরকারি কর্মচারীদের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ২০১৮ সালের ৩০ জুলাই ‘সরকারি কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহনির্মাণ ঋণ প্রদান নীতিমালা’ প্রণয়ন করে সরকার। এরপর ২০১৯ সালের ডিসেম্বর প্রণয়ন করা হয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের শিক্ষক/কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহনির্মাণ ঋণ প্রদান নীতিমালা। একই ধারাবাহিকতায় ২০২১ সালের জুনে প্রণয়ন করা হয় প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহনির্মাণ ঋণ প্রদান নীতিমালা।

এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘গৃহনির্মাণ ঋণের জন্য যে ব্যবস্থা চালু রয়েছে, তাতে অধিকাংশ সময় আবেদনকারীর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বেশ সময় লেগে যায়। আবেদনের অবস্থা কী বা কোন পর্যায়ে আছে, তা জানারও কোনো সুযোগ থাকে না আবেদনকারীদের। আশা করি ঋণ আবেদন প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজ করা হলে এ ধরনের সমস্যা দূর হবে।’

অর্থমন্ত্রীর মতে, ঋণ আবেদনপ্রক্রিয়া ডিজিটালাইজ করা হলে আবেদনকারী সরাসরি অনলাইনে অর্থ বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। ব্যাংক ও মন্ত্রণালয় মিলে অল্প সময়ের মধ্যে অর্থ বিভাগ থেকে সুদ-ভর্তুকির মঞ্জুরি আদেশ জারি করাও সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে হলে আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি হবে। সবচেয়ে বড় কথা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হবে।

এদিকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য গৃহনির্মাণ ঋণ দেয়ার পদ্ধতি সহজ করা বা অনলাইনে আবেদনের প্রক্রিয়া করা হলেও সাধারণ মানুষের জন্য একই পদ্ধতি চালুর বিষয়ে সরকার এখনও কোনো উদ্যোগ নেয়নি বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সবকিছুতেই পরিবর্তন এনেছি। আগে যেভাবে বাজেট পেশ করতাম, সেখানেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। সবকিছু ডিজিটাল করা হয়েছে।’

‘আমি নিজেও একজন নিরীক্ষক ছিলাম। তখন একটাই অভিযোগ পেতাম, মাস শেষে লাইন ধরে বসে থেকেও পেনশনের টাকা পাওয়া যায় না। ভাবতাম, এটা কী করে সম্ভব? পেনশন কেন পাওয়া যাবে না? আসলে তখন সবকিছু ছিল কাগজে-কলমে। স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা না থাকার কারণেই সমস্যা ছিল বেশি। এখন কোনও সমস্যা হচ্ছে না।’

সরকার সর্বজনীন পেনশনের যে কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে, তা দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দেন অর্থমন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
আইএমএফের ঋণে শর্ত নেই: অর্থমন্ত্রী
অবকাঠামো উন্নয়নে এআইআইবি’র সহায়তা চান অর্থমন্ত্রী
মালয়েশিয়ার সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চান অর্থমন্ত্রী
‘ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের সংবাদে অর্থমন্ত্রীর অবস্থান প্রতিফলিত হয়নি’
জ্বালানির দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে: অর্থমন্ত্রী
বাংলাদেশ
At the last moment the deadline for return submission may increase

শেষ মুহূর্তে রিটার্ন জমার হিড়িক, সময় বাড়তে পারে

শেষ মুহূর্তে রিটার্ন জমার হিড়িক, সময় বাড়তে পারে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কর অফিসে মঙ্গলবার রিটার্ন জমা দিতে আসা করদাতার ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা
এনবিআর বুধবার জাতীয় আয়কর দিবস পালন করবে। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এনবিআর চেয়ারম্যান আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা এক মাস বাড়ানোর ঘোষণা দিতে পারেন।

শেষ মুহূর্তে আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার হিড়িক পড়েছে। মঙ্গলবার সারা দেশের কর অফিসগুলোতে ভিড় ছিল লক্ষণীয়। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকার কর অফিসগুলো করদাতাদের পদচারণে ছিল মুখর।

এদিকে ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যক্তি-শ্রেণির আয়কর রিটার্ন জমার সময় এক মাস বাড়তে পারে। বেঁধে দেয়া সময়সীমার শেষ দিন বুধবার ৩০ নভেম্বর এই ঘোষণা আসতে পারে বলে এনবিআর সূত্রে জানা গেছে।

বুধবার জাতীয় আয়কর দিবস পালন করবে এনবিআর। এ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে এনবিআর চেয়ারম্যান সময় বাড়ানোর ঘোষণা দিতে পারেন।

নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, বুধবার রিটার্ন জমার শেষ সময়। বরাবরই শেষ সময়ে এসে রিটার্ন জমার চাপ বেশি থাকে। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি।

তরুণ করদাতা আব্দুল হামিদ একজন ব্যাংকার। তিন ধরে তিনি নিয়মিত আয়কর দিয়ে আসছেন। মঙ্গলবার মতিঝিলে নিজের অফিস থেকে ছুটি নিয়ে তিনি সেগুনবাগিচায় আসেন আয়কর রিটার্ন জমা দিতে।

রাজধানীর কর আঞ্চল-৮-এর সার্কেল ১৭০ অফিসের করদাতা তিনি। নিজের ফাইল নিজেই পূরণ করেন তিনি।

সেগুনবাগিচায় কর অফিসে কথা হলো আব্দুল হামিদের সঙ্গে। ‍নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘এখানে এসে ভালো লেগেছে। তেমন কোনো ঝামেলা পোহাতে হয়নি। কর্মকর্তারা যথেষ্টই আন্তরিক। দ্রুত সময়ে রিটার্ন জমা দিতে পেরেঠি। আমরা চাই কর অফিসে সারা বছর এমন পরিবেশ বজায় থাকুক।’

এনবিআর এবার কর মেলার আয়োজন করেনি। তবে করদাতাদের সুবিধার্থে প্রতিটি কর অফিস প্রাঙ্গণে মেলার আদলে সেবার আয়োজন করা হয়েছে। ১ নভেম্বর থেকে কর সেবার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চলবে শেষ দিন পর্যন্ত। সহজে ও কম সময়ে রিটার্ন জমা দিতে পারছেন বলে এনবিআরের এই উদ্যোগে সন্তুষ্ট করদাতারা।

এনবিআর সূত্র জানায়, মঙ্গলবার পর্যন্ত ২১ লাখ রিটার্ন জমা পড়েছে। এর মধ্যে অনলাইনে জমা পড়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার। তবে করদাতা শনাক্তকরণ বা টিআইএনধারীর সংখ্যা ৮০ লাখ।

নিবন্ধনের তুলনায় রিটার্ন জমার সংখ্যা কম হওয়ায় চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক ঋণ, ক্রেডিট কার্ড, গাড়ি ক্রয়সহ ৩৯ সেবা খাতে রিটার্নের সঙ্গে প্রমাণপত্র বা প্রাপ্তিস্বীকার দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর ফলে এনবিআর আশা করছে এবার রিটার্ন জমার সংখ্যা ৩৫ লাখ ছাড়িয়ে যাবে।

রিটার্ন জমার সময় বারবার বাড়ানোর সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে ২০১৬ সালে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এর ধারাবাহিকতায় ২০১৬-১৭ অর্থবছর থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করে ৩০ নভেম্বর আয়কর দিবসে রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন নির্দিষ্ট করা হয়। এ নিয়ে সে বছরই সংসদে আইন পাস হয়।

এনবিআর বলেছে, দেশে কোনো মহামারি কিংবা দুর্যোগ পরিস্থিতি হলে বিশেষ ব্যবস্থায় যেকোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা রয়েছে সরকারের। এর অংশ হিসেবে করোনা সংক্রমণের মধ্যে আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪-এর ১৮৪ জি ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত দুই বছর রিটার্ন জমার সময় বাড়ানো হয়েছে।

করোনা নিয়ন্ত্রণে এলেও ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। ব্যবসায়ীরাও ভালো নেই। এমন পরিস্থিতিতে রিটার্ন জমার সময় বাড়ানোর দাবি এসেছে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের পক্ষ থেকে।

আইন অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন জমা না দিলে জরিমানা দিতে হয়। তবে জরিমানা এড়াতে সময় বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। যৌক্তিক কারণ দেখিয়ে আবেদন করলে তিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত সময় দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে লাগবে আয়কর রিটার্ন
মূল বেতন ১৬ হাজার টাকার বেশি হলেই কর
টাকা সাদা করার সুযোগের বিপক্ষে এনবিআর
ব্যক্তি আয়করে ছাড়ের সম্ভাবনা নেই
করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর দাবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The future of Bangladeshs capital market is bright BSEC Chairman

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল: বিএসইসি চেয়ারম্যান

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল: বিএসইসি চেয়ারম্যান বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম। ফাইল ছবি
বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে রিটার্ন অন্যান্য পুঁজিবাজারের তুলনায় অনেক ভালো। গত এক যুগে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে ফান্ড রেইজিং ও ক্যাপিটালাইজেশন হয়েছে অভাবনীয়। আমাদের পুঁজিবাজারের অশেষ সম্ভাবনা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে। বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে এই উন্নয়নের অংশীদার হন।’

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল উল্লেখ করে বিদেশিদের বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম।

বাংলাদেশ ও জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষে হাইব্রিড ফর্মে আয়োজিত ‘ইনভেস্টমেন্ট ফ্লাশ মব’ শিরোনামে অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বিএসইসি ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা (বিডা) যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

জাপানের টোকিওতে এএনএ ইন্টারন্যাশনাল হোটেলে মঙ্গলবার এ আয়োজনে দুই দেশের বিনিয়োগকারী, শিল্পতি, ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে রিটার্ন অন্যান্য পুঁজিবাজারের তুলনায় অনেক ভালো। গত এক যুগে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে ফান্ড রেইজিং ও ক্যাপিটালাইজেশন হয়েছে অভাবনীয়। আমাদের পুঁজিবাজারের অশেষ সম্ভাবনা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ করে এই উন্নয়নের অংশীদার হন।’

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা শক্তিশালী উল্লেখ করে অধ্যাপক শিবলী বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেক ভালো অবস্থানে রয়েছে। জিডিপি এবং মাথাপিছু আয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। রেমিট্যান্সের পরিমাণ বাড়ছে। অনেক দেশের তুলনায় এখানে মূল্যস্ফীতি অনেক কম।’

দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ইতিহাস তুলে ধরে জাপানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন শিবলী রুবাইয়াত। বলেন, ‘বাংলাদেশ ও জাপানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। জাপানে রপ্তানির পরিমাণও বাড়ছে। বিনিয়োগ ছাড়াও বাংলাদেশের উন্নয়নে জাইকা অসামান্য অবদান রেখেছে।’

এ ছাড়াও তিনি ‘ফিফটি ইয়ারস অব বাংলাদেশ: দ্য রাইজ অব বেঙ্গল টাইগার’ শিরোনামে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল: বিএসইসি চেয়ারম্যান

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত ও শিল্পবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমেদ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেন।

এ ছাড়া বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া এবং বিএসইসি কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগ আহ্বানের লক্ষ্যে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি ২০২১ ও ২০২২ সালে দুবাই, নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন, লস অ্যাঞ্জেলেস, সান্তাক্লারা, জুরিখ, জেনেভা, লন্ডন, ম্যানচেস্টার এবং আবুধাবিতে বিনিয়োগ সম্মেলন করেছে।

আরও পড়ুন:
‘যেভাবে চলতে পারে না’, সে বৃত্তেই পুঁজিবাজার
চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিএসইসি, যুদ্ধ শেষের অপেক্ষা
‘পুঁজিবাজার এভাবে চলতে পারে না’
শেয়ার কেনার ‘কেউ নেই’, দেড় বছরে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন লেনদেন
প্রি ওপেনিংকে ফের কারসাজির সুযোগ ভাবল বিএসইসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Finland is interested in working in Bangladesh in the energy sector

জ্বালানি খাতে বাংলাদেশে কাজ করতে আগ্রহী ফিনল্যান্ড

জ্বালানি খাতে বাংলাদেশে কাজ করতে আগ্রহী ফিনল্যান্ড রাজধানীর একটি হোটেলে সোমবার বিকেলে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রিতভা কাউক্কু-রুনদি। ছবি: নিউজবাংলা
ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করতে চাই। বিশেষ করে কারিগরী এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে। এখানে জ্বালানি, স্মার্ট সিটি, বন্দর ব্যবস্থাপনা খাতে ফিনল্যান্ডের প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করতে পারে।’

জ্বালানি, স্মার্ট সিটি ও বন্দর ব্যবস্থাপনা খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশে কাজ করতে আগ্রহী ফিনল্যান্ড।

২০৪১ নাগাদ সমৃদ্ধ দেশ হবার লক্ষ্যকে সামনে রেখে অবকাঠামোগত একটি রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ উন্নয়নকে টেকসই করতে যেখানে প্রয়োজন আধুনিক প্রযুক্তি, কারিগরী দক্ষতা এবং যথাযথ অর্থায়ন। বাংলাদেশের এই উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অংশীদার হতে চায় ফিনল্যান্ড।

সোমবার বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ফিনল্যান্ড’স স্মার্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডে; বিল্ডিং বাংলাদেশ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে ফিনল্যান্ড দূতাবাস এবং এফবিসিসিআই।

সভায় ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রিতভা কাউক্কু-রুনদি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করতে চাই। বিশেষ করে কারিগরী এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে বলে আমি মনে করছি। এখানে জ্বালানি, স্মার্ট সিটি, বন্দর ব্যবস্থাপনা খাতে ফিনল্যান্ডের প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করতে পারে।’

এ সময় পরস্পরের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণে এফবিসিসিআই-এর সহযোগিতা চান তিনি।

সভায় এফবিসিসিআই-এর সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশ ফিনল্যান্ডকে অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে বিবেচনা করে। দুদেশের মধ্যে সহযোগিতার সম্পর্ক আরও উন্নত হবে বলে আমি মনে করি। বিশেষ করে শিল্প কারখানার যন্ত্রপাতি, বন্দর ব্যবস্থাপনা এবং জ্বালানি খাতে ফিনল্যান্ডের কোম্পানিগুলোর সুনাম রয়েছে। এসব খাতে তাদের অভিজ্ঞতা এবং প্রযুক্তি বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সহায়ক হবে।’

এইচএসবিসি-এর এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘স্থানীয় বাজারের আকারের দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে নবম। এই বাজারে ফিনল্যান্ডের কোম্পানিগুলোর জন্যও বড় সম্ভাবনা রয়েছে।’

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চি করতে বাংলাদেশ সরকার ‘মিক্সড বেজ’ বিদ্যুৎ উৎপাদনে গুরুত্ব দিয়েছে। এমন অবস্থায়, পরিবেশবান্ধব জ্বালানি খাতে বাংলাদেশ এবং ফিনল্যান্ডের মধ্যে প্রযুক্তি স্থানান্তরের ওপর জোর দেন বাংলাদেশে ফিনল্যান্ডের কনসাল-জেনারেল এবং সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজ খান।

সভায় নিজেদের ব্যবসা পরিচিতি এবং পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে ফিনল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান নকিয়া, ওয়ার্টসিলা, এলিমেটিক, কোনক্রেনস, বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান সামিট গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ, জেমকন গ্রুপ এবং কসমস গ্রুপ।

সভায় উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই-এর সিনিয়র সহ সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, সহ সভাপতি মো. আমিন হেলালী, সালাহউদ্দিন আলমগীর, পরিচালকবৃন্দ, মহাসচিবসহ অন্যান্যরা।

আরও পড়ুন:
জ্বালানি শোধনাগার নির্মাণে কুয়েতের প্রস্তাব বাস্তবায়নের নির্দেশ
ডেফার্ড পেমেন্টে সৌদির কাছে জ্বালানি তেল চান প্রধানমন্ত্রী
ধারদেনায় ইউরোপের ৪২% মানুষ
‘বিদ্যুৎ-জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে’
অস্থির তেলের বাজারে বিপি ফুলে-ফেঁপে লাল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Meeting with Japanese investors on Tuesday

জাপানের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠক মঙ্গলবার

জাপানের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠক মঙ্গলবার
জাপানে গিয়ে এই সম্মেলন করার কথা থাকলেও সেই সফর বাতিল করা হয়। যাদের জাপানে যাওয়ার কথা ছিল তারা বাংলাদেশে বসে জুম-এর মাধ্যমে বৈঠকে যুক্ত থাকবেন। আর টোকিওতে এএনএ ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে থাকবেন জাপানের অংশগ্রহণকারীরা।

দেশে বিনিয়োগ টানতে জাপানের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠক করবে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই বৈঠক হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বিএসইসি।

এর আগে জাপানে গিয়ে এই সম্মেলন করার কথা থাকলেও সেই সফর বাতিল করা হয়। এখন বাংলাদেশ থেকে যাদের জাপানে যাওয়ার কথা ছিল তারা বাংলাদেশে বসে জুমের মাধ্যমে বৈঠকে যুক্ত থাকবেন। আর জাপানে এএনএ ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে জাপানের অংশগ্রহণকারীরা থাকবেন।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মাহাবুব আলম বলেন, ‘এই বৈঠক হাইব্রিডভাবে অনুষ্ঠিত হবে। জাপানে থাকবেন সে দেশে থাকা বাংলাদেশিরা, জাপান দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমেদ আর জাপানি বিনিয়োগকারীরা। আর বাংলাদেশে থাকবেন বিএসইসি চেয়ারম্যান, বিআইডিএ চেয়ারম্যান, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টাসহ আরও অনেকে।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ ও জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিএসইসি ও বিডা এই ‘ইনভেস্টমেন্ট ফ্ল্যাশ মব’ আয়োজন করেছে।

অনুষ্ঠানে বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন। বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া কথা বলবেন বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের পরিবেশ নিয়ে। বিএসইসি কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন কথা বলবেন বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে কিভাবে বাইরে থেকে বিনিয়োগ করা যাবে, সেসব নিয়ে।

এ ছাড়া কথা বলবেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেন ও প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

আর জাপানে থাকবেন দুই দেশের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা, বিনিয়োগকারীরা এবং শিল্পপতি-ব্যবসায়ীরা। তারা থাকবেন জাপানের টোকিওতে এএনএ ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে।

মন্তব্য

p
উপরে