× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Fakhrul is sure that there will be a simultaneous movement
hear-news
player
print-icon

যুগপৎ আন্দোলন হবেই, নিশ্চিত ফখরুল

যুগপৎ-আন্দোলন-হবেই-নিশ্চিত-ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
ফখরুলের কাছে প্রশ্ন ছিল, ঘোষণা থাকলেও অন্য দলগুলো বিএনপির কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত হচ্ছে না কেন। জবাবে তিনি বলেন, ‘কে বলছে হচ্ছে না? আপনি কথা বলছেন, কিন্তু আপনি খবর রাখেন না। প্রত্যেকটি দলের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে আপনারা দেখেছেন সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। সেখানে তারা বলেছে তারা যুগপৎ আন্দোলনে যাবেন।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আশা করছেন, যাদের সঙ্গে তারা আলোচনা করছেন, তাদের নিয়ে যুগপৎ আন্দোলন গড়ে তুলতে পারবেন।

বিএনপির সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ঘোষণা দেয়া চারটি দল আরও তিনটি দলকে নিয়ে তৃতীয় শক্তি হওয়ার মানসে নতুন মোর্চা গঠনের ঘোষণার দিন মঙ্গলবার এ কথা বলেন ফখরুল।

বিকেলে মোস্তফা মহসীন মন্টুর নেতৃত্বাধীন গণফোরামের একাংশের সঙ্গে সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন বিএনপি নেতা।

গত ২৪ মে থেকে বিভিন্ন দলের সঙ্গে ধারাবাহিক এই বৈঠক শুরু করে বিএনপি। সংলাপ শেষে প্রতিদিনই দুই পক্ষ থেকেই বলা হয়, সরকার পতনে ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনে একমত হয়েছে দুই পক্ষ।

তবে এই ঘোষণা দেয়া জেএসডি, নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি আরও তিনটি দলকে গিয়ে নতুন মোর্চা গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ৮ আগস্ট ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ নামে এই জোট আত্মপ্রকাশ করবে বলে দুপুরের পর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক মতবিনিময়ে জানানো হয়।

সেই আলোচনায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, তারা মনে করেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি-দুই দলকেই জনগণ চায় না। এ জন্য তারা তৃতীয় শক্তি হতে চান।

এই মোর্চার আরেক দল গণঅধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক নুর বলেছেন, ‘নির্যাতিত দল’ হিসেবে তারা বিএনপিকে সঙ্গে রাখবেন। তবে তাদের হাতে ক্ষমতা দেয়া যাবে না।

ফখরুলের কাছে প্রশ্ন ছিল, ঘোষণা থাকলেও অন্য দলগুলো বিএনপির কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত হচ্ছে না কেন।

জবাবে তিনি বলেন, ‘কে বলছে হচ্ছে না? আপনি কথা বলছেন, কিন্তু আপনি খবর রাখেন না। প্রত্যেকটি দলের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে আপনারা দেখেছেন সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। সেখানে তারা বলেছে যুগপৎ আন্দোলনে যাবে।’

অবশ্য ফখরুল শুরুতে কোনো প্রশ্নের জবাব দেবেন না বলে জানিয়েছিলেন। নিজের বক্তব্য দেয়ার পর ‘নো কোশ্চেন’ বলে চেয়ার থেকে উঠে যান। কিন্তু পরে গণমাধ্যমকর্মীরা প্রশ্ন ছুড়ে দিলে তিনি কথা বলতে শুরু করেন।

বিএনপি যে এক দফার আন্দোলনের কথা বলছে, সেটিই বা কবে শুরু হবে- এমন প্রশ্নে ফখরুল বলেন, ‘এক দফার দাবিতে মাঠে নেমেই আছি তো।

‘একটি ভুল কথা বললেন, আজকেও আপনি দেখেছেন আমরা বিশাল জনসভা করেছি। আমাদের আন্দোলনের ভিত্তিতে একজনকে গুলি করে হত্যা করেছে সরকারের বাহিনী।’

এর আগে ফখরুল কথা বলেন তাদের বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সেটি নিয়ে।

বিকেল ৪টায় শুরু হওয়া ওই বৈঠকে গণফোরামের একাংশের সভাপতি মোস্তফা মহসিন মন্টু, সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী ও নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক আবু সাইয়িদ। বিএনপির পক্ষে ফখরুল ছাড়াও ছিলেন স্থায়ী কমিটির সভাপতি আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আবদুল মঈন খান, সাবেক সংসদ সদস্য জহিরউদ্দিন স্বপন।

ফখরুল বলেন, ‘গণফোরামের সঙ্গে আলোচনা করে বিশ্বাস জন্মেছে যে সকল রাজনৈতিক দলগুলো আমাদের সঙ্গে একমত হবে এই সরকারকে সরাতে। এ ব্যাপারে যুগপৎ আন্দোলনের ব্যাপারে আমরা একমত হয়েছি।’

বিএনপি নেতা বলেন, ‘দেশে একটি নির্দলীয় সরকারের অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। এ ছাড়া খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দির মুক্তি দাবি করছি।

‘আমরা এই সরকারের অবিলম্বে পদত্যাগ চাই, সংসদ বিলুপ্ত করা চাই, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। সেই সঙ্গে নতুন যে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসবে, সেখানে সব দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন গঠন হবে।’

বিএনপির আন্দোলনে যারা অংশ নেবে, নির্বাচন শেষে তাদের নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করা হবে বলেও জানান বিএনপি নেতা। বলেন, ‘দেশে যে অব্যবস্থাগুলো রয়েছে, যে প্রতিষ্ঠাগুলোকে ধ্বংস করা হয়েছে, সেই প্রতিষ্ঠানগুলোকে আবার তৈরি করার জন্য আমরা জাতীয় সরকার গঠন করতে চাই।’

গণফোরাম নেতা মন্টু বলেন, ‘অত্যন্ত সুন্দর পরিবেশে বিএনপির নেতাদের সঙ্গে আমরা আলোচনা করেছি। আমরা ঐক্যের বিষয়ে একমত হয়েছি।

‘আমরা ঐকমত্যে পৌঁছেছি, আগামীতে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।’
গণফোরাম নেতা বলেন, ‘২০১৮ সালের নির্বাচন জাতির কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। প্রধানমন্ত্রী প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলেন সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা তিনি করবেন। কিন্তু সে কথা উনি রাখতে পারেননি। ফলে আমরা বিশ্বাস করি এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন আর সুষ্ঠু হবে না।

‘ফলে অতীতের অভিজ্ঞার আলোকে একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একটি নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই। এ বিষয়ে আমরা একসঙ্গে কাজ করব।’
সরকারবিরোধী বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তুলতে গত ২৪ মে থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করছে বিএনপি। এ নিয়ে মোট ১৮টি দলের সঙ্গে সংলাপ করল বিএনপি। তবে গত নির্বাচনে যার নেতৃত্বে বিএনপি ভোটে গিয়েছিল, সেই ড. কামাল হোসেনকে এড়িয়ে চলছে দলটি।

আরও পড়ুন:
ঐক্য গড়তে দুটি দলের সঙ্গে বৈঠক বিএনপির
সস্ত্রীক করোনামুক্ত মির্জা ফখরুল
ফের করোনা আক্রান্ত মির্জা ফখরুল
আশপাশের দেশে সয়াবিন তেলের দাম বাড়েনি: ফখরুল
বিএনপির ইফতারে বিদেশি কূটনীতিকরা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The 7 party alliance of disaffected people is not important in politics Information Minister

জনবিচ্ছিন্নদের ৭ দলীয় জোট রাজনীতিতে গুরুত্বহীন: তথ্যমন্ত্রী

জনবিচ্ছিন্নদের ৭ দলীয় জোট রাজনীতিতে গুরুত্বহীন: তথ্যমন্ত্রী তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ মঙ্গলবার মহাখালীতে পদ্মা সেতু নিয়ে ছেলেধরা গুজবের জের ধরে নিহত তাসলিমা বেগম রেনুর পরিবারকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে অর্থ সহায়তা দেন। ছবি: নিউজবাংলা
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘গণতন্ত্র মঞ্চ নামে ৭ দলীয় একটি জোট গঠিত হয়েছে দেখলাম। যারা এই জোট গঠন করেছে তারা সবাই রাজনীতিতে পরিত্যক্ত ব্যক্তিবিশেষ এবং রাজনীতিতে গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছেন। জনগণের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। এখন তারা একটি জোট করে নিজেদের গুরুত্ব বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।’

রাজনীতি কিংবা ভোটের মাঠে নবগঠিত রাজনৈতিক জোট ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’-এর কোনো গুরুত্ব নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততাহীন ও রাজনীতিতে পরিত্যাজ্যরা মিলে এই জোট গঠন করেছে।

রাজধানীর মিণ্টো রোডের সরকারি বাসভবনে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি মূলত সাত দলের জোট ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ গঠন নিয়ে জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রবের ঘোষণার জবাব দেন।

সোমবার জেএসডি, নাগরিক ঐক্য, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, ভাসানী অনুসারী পরিষদ ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন- এই সাত দলের সমন্বয়ে এই জোটের ঘোষণা দেয়া হয়।

আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘গণতন্ত্র মঞ্চ নামে ৭ দলীয় একটি জোট গঠিত হয়েছে দেখলাম। যারা এই জোট গঠন করেছে তারা সবাই রাজনীতিতে পরিত্যক্ত ব্যক্তিবিশেষ এবং রাজনীতিতে গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছেন। এরা প্রত্যেকেই নানা দল করে, নানা ঘাটের পানি খেয়ে আজকের এ অবস্থায় এসেছেন। জনগণের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। এখন তারা একটি জোট গঠন করে নিজেদের গুরুত্ব বাড়ানোর চেষ্টা করছেন মাত্র।

হাছান মাহমুদ এর আগে সকালে মহাখালীতে পদ্মা সেতু নিয়ে ছেলেধরা গুজবের জের ধরে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার তাসলিমা বেগম রেনুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তাদেরকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নগদ অর্থ সহায়তা দেন।

এ সময় আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘২০১৯ সালে যখন পদ্মা সেতুর কাজ পুরোদমে শুরু হয় তখন বিএনপি-জামায়াত সারাদেশে গুজব ছড়িয়ে দেয় যে পদ্মা সেতুতে মানুষের রক্ত লাগবে, নরবলি দিতে হবে।

‘তসলিমা বেগম রেনু সে সময় বাচ্চাদের স্কুলে ভর্তি করাতে গিয়ে গুজবের পরিপ্রেক্ষিতে নির্মম হত্যার শিকার হন। শুধু তসলিমা বেগমই নন, বিএনপি-জামায়াতের ওই গুজবের কারণে আরো অনেককে অসহায়ভাবে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে।’

আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, মহাখালী থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. জসিম উদ্দিনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
কোনো দেশের পক্ষে এভাবে ভর্তুকি দেয়া সম্ভব না: তথ্যমন্ত্রী
‘সেপ্টেম্বরে মাঠে নামছে আ.লীগ, পালানোর পথ পাবে না বিএনপি’
ভোলায় প্রাণহানির দায় বিএনপির: তথ্যমন্ত্রী
১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের প্রধান কুশীলব জিয়া: তথ্যমন্ত্রী
সরকারকে ধাক্কা দিতে গিয়ে বিএনপিই পড়ে গেছে: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The meeting of the delegation of the US Embassy with the JAPA chairman

জাপা চেয়ারম্যানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

জাপা চেয়ারম্যানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের পলিটিক্যাল চিফ স্কট ব্রান্ডন ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের পলিটিক্যাল চিফ স্কট ব্রান্ডন এবং পলিটিক্যাল, ইকোনমিক ও কালচারাল কাউন্সিলর আর্টুরো হাইন্স জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীর কার্যালয়ে গেলে জি এম কাদের তাদের স্বাগত জানান।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে ঢাকাস্থ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের প্রতিনিধিদল।

দলের চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের পলিটিক্যাল চিফ স্কট ব্রান্ডন এবং পলিটিক্যাল, ইকোনমিক ও কালচারাল কাউন্সিলর আর্টুরো হাইন্স জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীর কার্যালয়ে গেলে জি এম কাদের তাদের স্বাগত জানান।

এ সময় তারা বন্ধুপ্রতিম যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন।

সভায় আশা প্রকাশ করা হয়, আগামী দিনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

এ সময় জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু এবং জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বিশেষ দূত ও উপদেষ্টা মাসরুর মওলা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
চীন সীমান্তে ভারতের সঙ্গে সামরিক মহড়ায় যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের ফোন ‘ধরছে না’ চীন
আগুন নেভাতে গিয়ে দেখলেন মৃতদের সবাই পরিবারের
উত্তেজনা বাড়িয়ে তাইওয়ানে শান্তি চাইলেন পেলোসি
চীনকে মোকাবিলায় ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন তাইওয়ানের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
It is not so easy to remove A League from power

‘আ.লীগকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করা এত সহজ নয়’

‘আ.লীগকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করা এত সহজ নয়’ ভোলা জেলা পরিষদ মিলনায়তনে মঙ্গলবার সকালে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন তোফায়েল আহমেদ। ছবি: নিউজবাংলা
‘প্রেস রিলিজ আর সংবাদ সম্মেলন ছাড়া তাদের আর কোনো কাজ নেই। মির্জা ফখরুল বলেছেন আওয়ামী লীগ যেকোনো সময় বিদায় নেবে। আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করা এত সহজ নয়। বিএনপি ৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন করেছিল, আন্দোলনের মুখে ৩১ মার্চ ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। আওয়ামী লীগ সেই দল।’

আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করা এত সহজ নয় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

ভোলা জেলা পরিষদ মিলনায়তনে মঙ্গলবার সকালে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

তোফায়েল বলেন, ‘বিএনপি কথায় কথায় বলে আওয়ামী লীগের পায়ের নিচে মাটি নেই। অথচ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিবৃতি দিয়েই তার দলকে টিকিয়ে রেখেছেন।

‘প্রেস রিলিজ আর সংবাদ সম্মেলন ছাড়া তাদের আর কোনো কাজ নেই। মির্জা ফখরুল বলেছেন আওয়ামী লীগ যেকোনো সময় বিদায় নেবে। আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করা এত সহজ নয়। বিএনপি ৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন করেছিল, আন্দোলনের মুখে ৩১ মার্চ ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। আওয়ামী লীগ সেই দল।’

প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ১৪ বছর ক্ষমতায় থাকলেও বিএনপির ওপর কোনো অত্যাচার-নির্যাতন করেনি। অথচ বিএনপি ২০০১ সালে ক্ষমতায় থাকাকালে আওয়ামী লীগের কর্মীরা বাড়িতে থাকতে পারেননি। এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়িয়েছেন।

‘বিএনপি যখনই সুযোগ পায় তখনই মানুষের ওপর অত্যাচার করে। ভোলায় সমাবেশে পুলিশের ওপর তাণ্ডব চালিয়েছে বিএনপি, ১৪ বছরে এমন ঘটনা ঘটেনি। আগামী নির্বাচন সামনে রেখে প্রতিটি অঙ্গসংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থাকলে আওয়ামী লীগকে কেউ কিছুই করতে পারবে না। বিএনপি অত্যাচার শুরু করলে পাল্টা জবাব দিতে হবে।’

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি দোস্ত মাহামুদ।

বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আজিজুল ইসলাম, ভোলা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজিবুল্লাহ নাজু, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলী নেওয়াজ পলাশ, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আতিকুর রহমান।

আরও পড়ুন:
ভালো আছেন তোফায়েল
তোফায়েলের স্ট্রোক, নেয়া হলো দিল্লিতে
বঙ্গবন্ধুকে দেখার জন্য মানুষ ব্যাকুল থাকত: তোফায়েল
বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকর করাই লক্ষ্য: তোফায়েল
টিকা নিতে ও মাস্ক পরতে বাধ্য করার পক্ষে তোফায়েল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP leaders indication of not giving hartal blockade

হরতাল-অবরোধ না দেয়ার ইঙ্গিত বিএনপি নেতার

হরতাল-অবরোধ না দেয়ার ইঙ্গিত বিএনপি নেতার আন্দোলন-সংগ্রামে বিএনপি। ফাইল ছবি
নজরুল বলেন, 'আমরা হরতাল করি না বা করতে পারি না- তা না। কিন্তু যখন-তখন করব কেন? আমরা অবরোধ এর আগে করতে পারি নাই তা না। কিন্তু যখন-তখন করব কেন? যখন করার সিদ্ধান্ত হবে তখন করব।’

সরকার পতনের দাবিতে আন্দোলনে নামলেও আগেরবারের মতো হরতাল-অবরোধের মতো কর্মসূচি না দেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

নজরুল এও মনে করেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকার ব্যর্থ। আর এ কারণে জনগণ ক্ষুব্ধ হচ্ছে। সংগঠিত হচ্ছে। এ কারণে যে কর্মসূচিই বিএনপি দেবে, তাতেই জনগণ সম্পৃক্ত হবে।

আশুরা উপলক্ষে মঙ্গলবার নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে মিলাদ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

নজরুল বলেন, 'আমরা হরতাল করি না বা করতে পারি না- তা না। কিন্তু যখন-তখন করব কেন? আমরা অবরোধ এর আগে করতে পারি নাই তা না। কিন্তু যখন-তখন করব কেন? যখন করার সিদ্ধান্ত হবে তখন করব।’

তিনি বলেন, ‘জনগণের সংঘবদ্ধ সংগ্রাম প্রতিরোধ মানেই আন্দোলন। সেটা হরতালের মাধ্যমে হতে পারে। আরও বিভিন্ন মাধ্যমে হতে পারে।’

২০১৩ সালের শেষে এবং ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির দশম সংসদ নির্বাচনের আগে এবং ২০১৫ সালে ওই সরকারের এক বছর পূর্তির দিন থেকে বিএনপির আন্দোলনে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ দেয়া হয়। পরে সেটি অকার্যকর হয়ে পড়লে হরতাল ও অবরোধ একসঙ্গে ঘোষণা করা হয়।

২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর সরকার গঠন হলে বিএনপি তার আন্দোলন স্থগিত করলেও ২০১৫ সালের আন্দোলনের বিষয়ে কোনো ঘোষণা দেয়া হয়নি।

সে সময়ের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধ আর হরতাল প্রত্যাহার বা স্থগিত কিছুই করা হয়নি। সেই কর্মসূচি এখনও আছে কি না-এই প্রশ্নও এখন আর কেউ বিএনপিকে করে না। এর মধ্যে বিএনপি নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে আবার আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। বলছে, দাবি পূরণ না হলে নির্বাচনে তারা যাবে না, আর ভোট করতেও দেয়া হবে না।

নজরুল ইসলাম খান মনে করেন, বিএনপি এবার যে কর্মসূচি দেবে, তা খুবই সফল হবে। তিনি বলেন, ‘সরকারের যে অযোগ্যতা রাষ্ট্র পরিচালনায়, যে ব্যর্থতা- এর বিরুদ্ধে জনগণের মত সংগঠিত হচ্ছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সংগঠিত হচ্ছে। তাতে আগামী দিনে যখনই কর্মসূচি দেব, জনগণ সম্পৃক্ত হবে।’

আন্দোলন নিয়ে বিএনপিতে কোনো মতভেদ আছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এই সরকারের অনেক মন্ত্রীরা আছেন তারা বলেন আমরা নাকি আন্দোলন করতে পারি না। তারা আন্দোলন বলতে যা বুঝে এটা যদি সবাই বুঝতে চান তাহলে বিপদ হবে।'

‘এটা যদি সভ্য দেশ হতো, তাহলে অন্যান্য সভ্য দেশের মতো বেশ কিছু লোক যদি একত্রে দাবি জানাত, তাহলে সেই দাবির বিবেচনা করে তার ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিত।’

গত নির্বাচনে বিএনপির জোটের দুই শরিক এবং আরও পাঁচটি ছোট দল ও সংগঠন নিয়ে নবগঠিত ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ সম্পর্কে অবস্থান জানতে চাইলে নজরুল বলেন, ‘এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই। কারণ, আমরা যে জাতীয় ঐক্যের কথা বলছি, জাতীয়ভাবে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের কথা বলছি, সে ক্ষেত্রে একটা অগ্রগতি বলেই আমরা মনে করি।

‘তারা যেসব দাবি উল্লেখ করেছে সেই দাবিগুলো দীর্ঘদিন ধরে আমরা করে আসছি। এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হতে পারে না। সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে হবে, নির্বাচন কমিশন পুনরায় গঠন করতে হবে। এসব কথা তাদের দাবিতে আছে আমরা দেখলাম।

‘দীর্ঘদিন যে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের কথা বলে আসছি তার একটা সাফল্য। এই জোট গঠনের ফলে আগামী দিনে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের এক ধাপ অগ্রগতি।’

বিএনপি সরকারবিরোধী ‘বৃহত্তর প্ল্যাটফর্ম’ গঠনের যে উদ্যোগ নিয়েছে তার অগ্রগতি কত দূর- জানতে চাইলে নজরুল বলেন, ‘এই ব্যাপারগুলো আলোচনার মাধ্যমে হয়। আগে থেকে বোঝা গেলে ব্যর্থ করে দেয়ার লোক আছে। কিছু মন্ত্রীর কথায় বিভ্রান্ত হয়েন না। বড়ই বিপদে আছে তারা।’

বিএনপি এককভাবে ক্ষমতায় আসতে চায় না জানিয়ে তিনি বলেন, 'দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ঘোষণা দিয়ে দিয়েছেন, সরকার পতনের লড়াইয়ে যারা যুক্ত থাকবেন, তাদের সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে দেশ পরিচালনার কাজ করব।’

আরও পড়ুন:
আগাম জামিন পেলেন বিএনপির ৬০ নেতাকর্মী
ভোলায় ছাত্রদল সভাপতি নুরে আলমের দাফন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Additional fares Bus owners hoping for relief

বাড়তি ভাড়া: বাসমালিকদের সুমতির আশায় কাদের

বাড়তি ভাড়া: বাসমালিকদের সুমতির আশায় কাদের রাজধানীর বাসে ভাড়া আদায় করছেন এক কন্ডাক্টর। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
রাজধানীতে কয়েক বছর ধরে ওয়েবিল নামে একটি কৌশলে অতিরিক্ত যে ভাড়া আদায় চলছে, একই পদ্ধতিতে এবার কিলোমিটারপ্রতি কোথাও সাড়ে তিন টাকা, কোথাও চার টাকা, এমনকি ৬ টাকা হারে আদায়ের প্রমাণ মিলছে। বাড়তি ভাড়া আদায়ে স্বল্পসংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট নামিয়ে জরিমানা করে এর আগে কখনও সফল না হওয়া বিআরটিএ এবারও একই পদ্ধতিতে মাঠে নেমেছে। তবে তাতে সুফল মিলছে না। ওয়েবিল বন্ধ হয়নি। আর সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা না রেখে ১৫ টাকা বা তার চেয়ে বেশি আদায় চলছে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর সরকার নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি বাস ভাড়া আদায় নিয়ে কঠোর কোনো বার্তা না দিয়ে পরিবহন মালিক সমিতির সহযোগিতা চাইলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বলেছেন, সহযোগিতা না পেলে তারা আইনি ব্যবস্থা নেবেন।

আগে থেকেই বর্তমান হারের চেয়ে বেশি আদায় করা নগর পরিবহনে এখন কোনো কোনো ক্ষেত্রে নির্ধারিত হারের চেয়ে দ্বিগুণ বা তার চেয়ে বেশি আদায়ের মধ্যে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএর কার্যকর কোনো উদ্যোগ না থাকার মধ্যে এই কথা বললেন মন্ত্রী।

মঙ্গলবার রাজধানীতে সরকারি বাসভবনে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

ডিজেলের দাম লিটারে ৩৪ টাকা বাড়ানোর পর রাজধানীতে কিলোমিটারপ্রতি ২ টাকা ৫০ পয়সা হারে ভাড়া নির্ধারণ করে বিআরটিএ জানিয়েছে, সর্বনিম্ন ভাড়া থাকছে আগের মতো ১০ টাকা।

তবে রাজধানীতে গত কয়েক বছর ধরে ওয়েবিল নামে একটি কৌশলে অতিরিক্ত যে ভাড়া আদায় চলছে, একই পদ্ধতিতে এবার কিলোমিটারপ্রতি কোথাও সাড়ে তিন টাকা, কোথাও চার টাকা, এমনকি ৬ টাকা হারে আদায়ের প্রমাণ মিলছে।

বাড়তি ভাড়া: বাসমালিকদের সুমতির আশায় কাদের
দূরত্বের হিসাবে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি ভাড়া আদায় করছে রাইদা পরিবহন। ছবি: নিউজবাংলা

বাড়তি ভাড়া আদায়ে স্বল্পসংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট নামিয়ে জরিমানা করে এর আগে কখনও সফল না হওয়া বিআরটিএ এবারও একই পদ্ধতিতে মাঠে নেমেছে। তবে তাতে সুফল মিলছে না। ওয়েবিল বন্ধ হয়নি। আর সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা না রেখে ১৫ টাকা বা তার চেয়ে বেশি আদায় চলছে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ বাস ভাড়ার পরিস্থিতি জানতে রোববার মিরপুর থেকে কাকলী যান।

মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের পূরবী সিনেমা হলের সামনে থেকে বাসে ওঠেন ক্ষমতাসীন দলের এই নেতা। তিনি কালসী হয়ে বনানী ফ্লাইওভার পার হয়ে নৌবাহিনীর সদরদপ্তর পার হয়ে বনানীর চেয়ারম্যানবাড়িতে নামেন।

এই পথের দূরত্ব ৮ দশমিক ২ কিলোমিটার। কিলোমিটার আড়াই টাকা হারে ভাড়া হারে ভাড়া আসে ২০ টাকা ৫০ পয়সা। কিন্তু জাফরউল্লাহর কাছ থেকে আদায় করা হয় ৩০ টাকা। বলা হয়, ৩০ টাকা না দিলে যেন তিনি নেমে যান।

অর্থাৎ সরকার নির্ধারিত হারের চেয় দেড়গুণ ভাড়া আদায় করা হচ্ছে এই রুটে। এটি সব রুটের চিত্র। মোহাম্মদপুর থেকে বনশ্রী হয়ে চলাচলকারী স্বাধীন পরিবহনে কোনো কোনো গন্তব্যে ৬ টাকা কিলোমিটার, উত্তরার দিয়াবাড়ী থেকে পোস্তগোলা পর্যন্ত চলা রাইদা পরিবহনে কোনো কোনো গন্তব্যে ৪ টাকা কিলোমিটার হারে ভাড়া আদায়ের প্রমাণ পেয়েছে নিউজবাংলা।

বাড়তি ভাড়া: বাসমালিকদের সুমতির আশায় কাদের
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত

গত নভেম্বরে বাস ভাড়া বাড়ানোর পর একই ধরনের অনিয়মের সময় বিআরটিএ কর্মকর্তারা গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বললেও টানা তিন দিন চেষ্টা করেও এবার সংস্থাটির বক্তব্যই পাওয়া যাচ্ছে না।

সড়কমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এখনও বাসমালিকদের সুমতির দিকে তাকিয়ে। তিনি বলেন, ‘পরিবহন মালিক-শ্রমিকগণ সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকুন। তারাসহ বৈঠক করে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা বাস্তবে প্রয়োগ করবেন।

‘যারা সমন্বয়কৃত ভাড়ার বেশি আদায়ের চেষ্টা করছেন- আমাদের মনিটরিংয়ের আওতায় তারা রয়েছেন। তাই আবারও তাদের সহযোগিতা চাচ্ছি। অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।’

বাসে ধর্ষণ ও ডাকাতির মতো ঘটনা যারা ঘটায় তাদের ‘গণশত্রু’ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘তারা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করছে। এদের কঠোর হস্তে দমন করতে হবে।’

‘সংকট কেবল বাংলাদেশে নয়’

গোটা বিশ্বেই এখন অর্থনৈতিক সংকট ঘনীভূত হচ্ছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির সরবরাহে অস্থিতিশীলতা ও মূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ সংকট কোনো দেশের নয়, এ সংকট সারা বিশ্বের।

‘বাস্তবতা অনুধান না করে বিএনপি ও তার দোসররা শুধু বাংলাদেশ সরকারকে দায়ী করছেন।’

বাড়তি ভাড়া: বাসমালিকদের সুমতির আশায় কাদের
রাজধানীতে স্বাধীন পরিবহনের ভাড়া আদায়ের পরিমাণ ও রাস্তার দূরত্ব। ছবি: নিউজবাংলা

দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগের বিষয়ে বিএনপি নেতাদের অভিযোগ নিয়েও কথা বলেন ক্ষমতাসীন দলের নেতা। বলেন, ‘অন্ধকারে ঢিল না ছুড়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ দিয়ে বলুন, কোথায় কারা, কে দুর্নীতি করছে। দুর্নীতির প্রশ্নে শেখ হাসিনা সরকারের শূন্য সহিষ্ণুতা নীতির কোনো নড়চড় হয়নি।’

‘নির্বাচন হতে না দেয়ার আস্ফালন করে লাভ নেই’

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার না থাকলে ভোটে না যাওয়া এবং ভোট হতে না দেয়ার বিষয়ে বিএনপি এবং সমমনা দলগুলোর বক্তব্য নিয়েও কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

‘নির্বাচনে আসা না আসা যেকোনো দলের নিজস্ব সিদ্ধান্তের ব্যাপার’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কিন্তু নির্বাচন হতে না দেয়ার আস্ফালন করে লাভ নেই।’

যতই বাধা আসুক, সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে বলেও ঘোষণা দেন আওয়ামী লীগ নেতা।

সরকার আন্দোলনে ভীত- বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্য ‘কমেডি ক্লাবের জন্য জুতসই হতে পারে’ উল্লেখ করে কাদের বলেন, ‘দেশের বাস্তবতার সঙ্গে এর কোনো মিল নেই।’

তিনি বলেন, ‘একবার শুনি রাজপথ দখলে নেবে, আবার শুনি সরকারকে টেনে নামাবে, কখনও শুনি নির্বাচন হতে দেবে না। আসলে বিএনপির সক্ষমতা কতটুকু তা আমাদের জানা আছে।

‘বিএনপি নেতাদের প্রতিদিন অভিন্ন বক্তব্য, হুমকি-ধমকি শুনতে শুনতে জনগণ এখন হাসে।’

আরও পড়ুন:
ট্যাংকলরির ধর্মঘট স্থগিত
বিশ্ববাজারে কমলে দেশেও কমবে তেলের দাম: কাদের
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদ মহাসড়কে
লঞ্চ ভাড়া কতটা বাড়বে, সিদ্ধান্ত বিকেলে
ভাড়া বাড়ানোর দাবিতে ধর্মঘটে ট্যাংকলরি মালিকরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Where did the profit go?

‘লাভের টাকা কোথায় গেল’

‘লাভের টাকা কোথায় গেল’ প্রতীকী ছবি
জি এম কাদের বলেন, ‘আগে আমি যখন বলেছি, দেশ শ্রীলঙ্কার দিকে যাচ্ছে। তখন বলা হলো- আমি নাকি মূর্খ। তাহলে দেশের এই অবস্থা কেন? শ্রীলঙ্কার সঙ্গে আমাদের অনেক মিল আছে। সেখানে স্বৈরশাসন চলেছে, জনগণের কাছে শাসকদের জবাবদিহি নেই। আর সেখানে মেগা প্রকল্পের নামে লুটপাট ও দুর্নীতি চলেছে।’

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের মনে করেন দেশে যখন তেলের দাম কম ছিল, তখন হাজার হাজার কোটি টাকা লাভ হয়েছে। আর সেই সব টাকা লুটপাট হয়েছে। এখন আবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে মানুষের জীবনকে দুর্বল ও দুর্বিষহ করে তোলা হয়েছে।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সোমবার রাজধানীর কাকরাইলে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করে জাতীয় পার্টি। সেখানেই পার্টির চেয়ারম্যান এ কথা বলেন।

জি এম কাদের বলেন, ‘সরকারের নির্দয় সিদ্ধান্তে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। মানুষের প্রতি ভালোবাসা থাকলে সরকার এমন গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।

‘যখন তেলের দাম কম ছিল, তখন হাজার হাজার কোটি টাকা লাভ হয়েছে। সেই টাকা গেল কোথায়? নিশ্চয় তা লুটপাট হয়েছে। করোনা ও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে এখন মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। তখন জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে মানুষের জীবনকে দুর্বল ও দুর্বিষহ করে তোলা হয়েছে।’

সরকারের সমালোচনায় তিনি বলেন, ‘তেলের দাম বাড়লেই গণপরিবহন বন্ধ করে দেয়া হয়। তখন সরকার পরিবহন মালিকদের হাত-পা ধরে ভাড়া বাড়িয়ে দেয়। অতিরিক্ত ভাড়া দিতে রাজি না হলে যাত্রীকে পথে নামিয়ে দেয়া হয়। জনগণের এই দুর্ভোগ দেখার যেন কেউ নেই।

‘বিদ্যুৎ খাতে রেন্টাল, কুইক রেন্টাল আর ক্যাপাসিটি চার্জের নামে উৎপাদন ছাড়াই হাজার কোটি টাকা লোপাট হচ্ছে। আমরা জ্বালানি খাতের দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে বলছি।’

‘লাভের টাকা কোথায় গেল’
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজধানীর কাকরাইলে সমাবেশ করে জাতীয় পার্টি। ছবি: নিউজবাংলা

ক্ষোভ প্রকাশ করে জি এম কাদের বলেন, ‘আগে আমি যখন বলেছি, দেশ শ্রীলঙ্কার দিকে যাচ্ছে। তখন বলা হলো আমি নাকি মূর্খ। তাহলে দেশের এই অবস্থা কেন? শ্রীলঙ্কার সঙ্গে আমাদের অনেক মিল আছে। সেখানে স্বৈরশাসন চলেছে, জনগণের কাছে শাসকদের জবাবদিহি নেই। আর সেখানে মেগা প্রকল্পের নামে লুটপাট ও দুর্নীতি চলেছে।’

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘আমরা সরকারের সঙ্গে নির্বাচনি জোট করেছিলাম। তারা এত লুটপাট-দুর্নীতি করবে, এটা ভাবতেও পারিনি। প্রধানমন্ত্রী গণভবনের গণ্ডির মধ্যে থেকে সঠিক অবস্থা জানতে পারছেন না। তার দলের লোকজন কীভাবে লুটপাট করছে, তা জানতে পারছেন না।’

সমাবেশে জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশীদ, কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, কো-চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামসহ নেতারা বক্তব্য রাখেন।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে জাতীয় পার্টি দুই দিনের কর্মসূচি দিয়েছে। সোমবার সমাবেশের পাশাপাশি তারা পল্টন এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে। ১০ আগস্ট তারা দেশব্যাপী প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
আগামী নির্বাচনে যে হারবে সেই নিশ্চিহ্ন: জি এম কাদের
ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থ হলে সরে দাঁড়ান, সরকারকে জিএম কাদের
বাংলাদেশের অবস্থা শ্রীলঙ্কার মতো হতে পারে: জি এম কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Governments days are over Fakhrul

সরকারের দিন ফুরিয়ে এসেছে: ফখরুল

সরকারের দিন ফুরিয়ে এসেছে: ফখরুল সোমবার নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে বিএনপির সমাবেশ। ছবি: নিউজবাংলা
যুবদলের বিক্ষোভে যোগ দিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এই সমাবেশের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে সরকারের দিন ফুরিয়ে এসেছে। তাদের পক্ষে আর সম্ভব হবে না। বৃহত্তর কর্মসূচি নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাব। এই ভয়াবহ দানবীয় সরকারের পতন ত্বরান্বিত করব।’

দেশের পরিস্থিতি দেখে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিশ্বাস জমেছে, সরকারের দিন ফুরিয়ে এসেছে। তারা বেশি দিন ক্ষমতায় থাকতে পারবে না।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও ভোলায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ছাত্রদল নেতা ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী নিহতের প্রতিবাদে সোমবার রাজধানীতে যুবদলের বিক্ষোভে তিনি এ কথা বলেন।

বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এই সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায় অবশ্য সংশয় প্রকাশ করে বলেন, বিএনপি যেভাবে কর্মসূচি দিচ্ছে, তাতে সরকারের পতন হবে না।

তবে ফখরুল বলেন, ‘এই সমাবেশের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে সরকারের দিন ফুরিয়ে এসেছে। তাদের পক্ষে আর সম্ভব হবে না।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতির কারণেই আজকে জ্বালানি তেলের সংকটসহ দেশে নানা সংকট শুরু হয়েছে। কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টের নামে তারা হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করেছে।’

সমাবেশ থেকে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে দুই দিনের কর্মসূচিও ঘোষণা করেন বিএনপি নেতা। জানান, আগামী বৃহস্পতিবার নয়াপল্টনে ও পরদিন দেশের সব জেলা ও মহানগরে সমাবেশ হবে।

ফখরুল বলেন, ‘এরপর আরও বৃহত্তর কর্মসূচি নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাব। এই ভয়াবহ দানবীয় সরকারের পতন ত্বরান্বিত করব।‘

অবশ্য বিএনপির কর্মসূচি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ফখরুলকে উদ্দেশ করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমাদের মনে হয় সীমানা নির্ধারণ হয়ে গেছে। সীমানা হয় প্রেস ক্লাব, না হয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে। আমরা যদি এই সীমানার বাইরে না যেতে পারি, তাহলে এই সরকারের পতন হবে না।’

গয়েশ্বর বলেন, ‘শুধু বক্তব্য দিয়ে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে নামানো যাবে না। আমরা সবাই বক্তৃতা করেও শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে নামানো যাবে না। শেখ হাসিনাকে নামাতে রাজপথে আমাদের যেমন কুকুর, তেমন মুগুর কর্মসূচি দিতে হবে।’

ফখরুল বলেন, ‘গতকাল ঢাকার শাহবাগে বামপন্থি ছাত্রদের ছোট একটি মিছিল হয়েছে। সেখানে পুলিশ নির্মমভাবে নির্যাতন করেছে। সারা দেশে এই অত্যাচার-নির্যাতন-নিপীড়ন চালিয়ে এ সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকতে চায়।

‘তারা শুধু আমাদের নুরে আলম-আব্দুর রহিমকে হত্যা করেনি, গত ১৫ বছরে তারা আমাদের ছয় শতাধিক নেতাকর্মীকে গুম ও খুন হত্যা করেছে। ৩৫ লাখের বেশি নেতাকর্মীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে সরকার হয়রানি করেছে।’

আরও পড়ুন:
হিন্দু কমেছে সম্পদ দখল করে দেশ ছাড়া করায়: ফখরুল
নির্বাচনি সহিংসতায় শিশুও রেহাই পায় না: ফখরুল
এবারের আন্দোলন নিয়ে আরও আত্মবিশ্বাসী: ফখরুল
ঐক্য গড়তে দুটি দলের সঙ্গে বৈঠক বিএনপির
সস্ত্রীক করোনামুক্ত মির্জা ফখরুল

মন্তব্য

p
উপরে