× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The secretary went to school and started teaching
hear-news
player
print-icon

স্কুলে গিয়ে পড়ানো শুরু করে দিলেন সচিব

স্কুলে-গিয়ে-পড়ানো-শুরু-করে-দিলেন-সচিব
শ্রেণিকক্ষে এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে হাইফাই করছেন সিনিয়র সচিব আমিনুল ইসলাম খান টিপু।
এ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষার মান এবং পরিবেশ নিয়েও কথা বলেন তিনি। উপস্থিত শিক্ষকদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনাও দেন।

ক্লাসরুমে ঢুকেই কেতাদুরস্ত সরকারি আমলার পরিচয়টি বেমালুম ভুলে গেলেন সচিব। গেরুয়া শার্ট আর ফ্রকে সুসজ্জিত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দেখে পড়াতে শুরু করে দিলেন তিনি। হয়ে গেলেন শিক্ষক।

শনিবার ব‌রিশাল নগরীর পলাশপুরে আলহাজ্ব দলিল উদ্দিন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমন কাণ্ড করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আমিনুল ইসলাম খান টিপু।

এ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষার মান এবং পরিবেশ নিয়েও কথা বলেন তিনি। উপস্থিত শিক্ষকদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনাও দেন।

প্রাথমিক শিক্ষা বরিশাল বিভাগের উপপরিচালক জামাল উদ্দিন জানান, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সিনিয়র সচিব আমিনুল ইসলাম খান টিপু নগরীর পলাশপুর আলহাজ্ব দলিল উদ্দিন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে যান। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থান করেন।

জামাল উদ্দিন বলেন, ‘এ সময় ক্লাসরুমে পাঠ্যবই নিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান শুরু করে দেন তিনি।’

স্কুলে গিয়ে পড়ানো শুরু করে দিলেন সচিব

স্কুল পরিদর্শনের সময় সহকারী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জাহিদুল কবীর তুহিন, সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা দিলদার নাহারসহ অন্য শিক্ষা কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
তুরাগে মিলল নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ছাত্রের মরদেহ
শিক্ষাবিরতির পক্ষে বললেন শিক্ষামন্ত্রী
চবি ছাত্রীকে ‘যৌন হেনস্তা’, গ্রেপ্তার ৪
যৌন হেনস্তার অভিযোগ দিতে ‘বাধা’ চবি ছাত্রলীগ সভাপতির 
বিশ্ববিদ্যালয়ে আবশ্যিক পাঁচটি বিষয় পড়ানো উচিত: শিক্ষামন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Amir ahead of Jabir VC

জাবির ভিসি হতে এগিয়ে আমির

জাবির ভিসি হতে এগিয়ে আমির অধ্যাপক মো. আমির হোসেন (বামে), অধ্যাপক নূরুল আলম (মাঝে), অধ্যাপক অজিত কুমার মজুমদার। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
এই ফল বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে। এর মধ্য থেকে একজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেবেন আচার্য ও রাষ্ট্রপতি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য প্যানেল নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন সাবেক উপ উপাচার্য (প্রশাসন) ও অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মো. আমির হোসেন।

শুক্রবার বিকেলে ভোট শেষে সন্ধ্যায় এই ফল ঘোষণা করেছেন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ।

তিনি জানান, সর্বোচ্চ ৪৮ ভোট পেয়েছেন অধ্যাপক আমির। ৪৬ ভোট পেয়ে বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক নূরুল আলম দ্বিতীয় এবং ৩২ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক অজিত কুমার মজুমদার।

এই ফল বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে। এর মধ্য থেকে একজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেবেন আচার্য ও রাষ্ট্রপতি।

শুক্রবার বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট কক্ষে সিনেটের বিশেষ সভা শুরু হয়। পরে সন্ধ্যা ৬টা থেকে উপাচার্য প্যানেল নির্বাচনের ভোট শুরু হয়।

ভোট শুরুর আগে অধ্যাপক ড. মোতাহার হোসেন তার প্রার্থিতা বাতিল করে নেন।

নির্বাচনে শিক্ষকদের ৩টি প্যানেল থেকে মোট ৮জন প্রার্থী ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বহিষ্কার হয়েও থাকেন তিনি হলে
‘টপ মডেল’ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন জাবিবা
বঙ্গবন্ধু নিয়ে কটূক্তি: জাবি ছাত্রের সাত বছরের কারাদণ্ড
জাবির দুই ছাত্রীকে ‘যৌন হয়রানির চেষ্টা’ কর্মচারী গ্রেপ্তার
আত্মহত্যা মানতে নারাজ জাবি শিক্ষার্থীর বাবা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The head teacher comes and goes at the assistants request

সহকারীর জ্বালায় প্রধান শিক্ষক আসে আর যায়

সহকারীর জ্বালায় প্রধান শিক্ষক আসে আর যায় বিলাসবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ছবি: নিউজবাংলা
অভিযোগের বিষয়ে বদলগাছী উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রউফ বলেন, ‘বিলাসবাড়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। আমরা তদন্ত করছি। স্কুলের পরিবেশ যেন বজায় থাকে সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হবে।’

নওগাঁর বদলগাছীতে বিলাসবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফতাব হোসেনকে দায়িত্ব বুঝিয়ে না দিয়ে বাধা প্রদান, বিদ্যালয়ের মালামাল চুরি, ঘুষ দাবিসহ নানা হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে সহকারী শিক্ষক এ টি এম আব্দুল্লাহ ও তার ছোট ভাই দপ্তরি বুলবুল হোসেনের বিরুদ্ধে। এসব ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান চেয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন প্রধান শিক্ষক।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, বিলাসবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এ টি এম আব্দুল্লাহ ২০১৯ সালের ২২ মার্চ পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন। কোনো বিদ্যালয়ে শূন্য পদে প্রধান শিক্ষক যোগ দিলে তাকে মালামাল, নথি, ফাইল, রেকর্ড ও তালাচাবিসহ সবকিছু বুঝিয়ে দেয়ার নিয়ম। কিন্তু এই নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়েছেন এ টি এম আব্দুল্লাহ।

প্রধান শিক্ষক আফতাব হোসেন দাবি করেছেন, তিনি প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পরও সহকারী শিক্ষক আব্দুল্লাহ নিজের মতোই সবকিছু করছেন। শুধু তাই নয়, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে নানাভাবে মানসিক অত্যাচারও করছেন। কোনোভাবেই তিনি বিদ্যালয়ের দায়িত্বভার ছাড়তে রাজি নন।

স্থানীয় অবিভাবক ও বিভিন্ন শিক্ষকের বরাতে প্রধান শিক্ষক জানান, সহকারী শিক্ষক আব্দুল্লাহর একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। কোনো প্রধান শিক্ষক ওই বিদ্যালয়ে যোগ দিলে সিন্ডিকেটের কারণে সর্বোচ্চ ৬ মাস তিনি টিকতে পারেন। পরে বদলি হয়ে অন্যত্র চলে যান।

নতুন প্রধান শিক্ষক হিসেবে সর্বশেষ আফতাব হোসেন প্রায় পাঁচ মাস আগে স্কুলটিতে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু এই ৫ মাসে সহকারী শিক্ষক আব্দুল্লাহর কাছ থেকে এক প্রকার যুদ্ধ করে একটি স্টক রেজিস্ট্রার, কিছু মালামাল ও নথিপত্র দায়সারাভাবে বুঝে পান। বিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, ফাইলপত্র, রেকর্ডসহ আলমারির সব চাবি নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন আব্দুল্লাহ।

বিদ্যালয়টি যে এলাকায় অবস্থিত সহাকারী শিক্ষক আব্দুল্লাহর বাড়িও একই এলাকায়। তার ছোট ভাই বিদ্যালয়ের দপ্তরি ও নৈশ প্রহরী। দুই ভাই মিলে প্রভাব বিস্তার করে বিদ্যালয়ের সম্পদ চুরি এবং ক্ষতিসাধনের অভিযোগও আছে। প্রধান শিক্ষকের কোনো নির্দেশের তোয়াক্কা করেন না তারা। গভীর রাত পর্যন্ত নৈশ প্রহরী বুলবুল তার বন্ধু ও পরিচিতদের নিয়ে বিদ্যালয়ের ভেতর আড্ডা দেন।

ইতোপূর্বে বন্যাদুর্গত মানুষদের জন্য বিদ্যালয়টির ছাদে সরকার আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করেছিল। যদিও সংস্কারের অভাবে পরে তা অকেজো হয়ে যায়। আশ্রয়কেন্দ্রটি নির্মাণের সময় ২০ মিলি, ১৫ মিলি, ১০ মিলি রড, স্টিলের ২০ ফুট পাইপ, প্লাস্টিকের ২০ ফুট পাইপসহ অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করা হয়। পরে আশ্রয়কেন্দ্রটি অকেজো হয়ে গেলে আগের প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যরা এসব মালামালের হিসাব সংরক্ষণ করে স্টোর করে রাখে।

এদিকে করোনা মহামারিতে স্কুল বন্ধ থাকার কারণে সহকারী শিক্ষক আব্দুল্লাহ ও দপ্তরি বুলবুল স্টোরে রাখা মালগুলো রাতের আঁধারে বিক্রি করে দেন।

আরও অভিযোগ আছে, বিদ্যালয়টির ২০১৯ সালের আগের রেকর্ড, নথি ও ফাইলপত্র অফিস কক্ষের আলমারি থেকে চুরি করে নিজ বাড়িতে নিয়ে রেখেছেন আব্দুল্লাহ। প্রধান শিক্ষককে ফাঁসানো ও হেনস্তা করতেই তার এমন কাজ।

এ ছাড়া বিদ্যালয়ের জমির দলিল গোপন করে ও অন্যের কাছে টাকার বিনিময়ে জমি বন্ধক রেখেছেন বলেও অভিযোগ আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে। বর্তমানে কোনো কাগজপত্র না থাকায় বিদ্যালয়ের জমি বেদখল হয়ে যাওয়ারও ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। কোনো প্রকার খারিজ করা যাচ্ছে না। শ্রেণিকক্ষের ৩২টি বেঞ্চ চুরি হয়েছে। পানির মটর, সিলিং ফ্যান, ইলেকট্রিক সুইচ, বাল্ব, তালাচাবি নষ্ট করা হয়েছে হয়রানি ও টাকা খরচ করানোর জন্য।

বিভিন্ন ইস্যু তৈরি করে এলাকার বখাটে ছেলেদের দিয়ে পাঠদানে বাধা সৃষ্টি করে প্রধান শিক্ষকসহ অন্য শিক্ষকদের মানসিক নির্যাতন ও হেনস্তা করা হচ্ছে। বর্তমানে উন্নয়নমূলক কাজের সব অর্থ যৌথ হিসাব নম্বরে (ব্যাংক অ্যাকাউন্টে) জমা আছে। টাকা উত্তোলনের অভাবে কাজ করা যাচ্ছে না। বিদ্যালয়ের সভাপতি ও সহসভাপতি চেকে স্বাক্ষরের জন্য ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছেন।

এমন পরিস্থিতিতে গত ১৭ জুলাই উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ জানালেও কোনো সুরাহা হয়নি।

বর্তমান প্রধান শিক্ষক আফতাব হোসেন বলেন, ‘দীর্ঘ ২০ বছর ধরে সহকারী শিক্ষক এ টি এম আব্দুল্লাহ এই স্কুলে কর্মরত। এখানে কোনো প্রধান শিক্ষককে তিনি টিকতে দেন না। এর আগেও বেশ কয়েকজন প্রধান শিক্ষক তার অত্যাচারে অন্যত্র বদলি হয়ে চলে গেছেন। কোনো প্রধান শিক্ষক না থাকলে সিনিয়র হিসেবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নিয়ে বিদ্যালয়ের সম্পদ লুটপাট করাই তার উদ্দেশ্য।’

এ অবস্থায় সহকারী শিক্ষক আব্দুল্লাহর অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন আফতাব হোসেন।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয়ের দপ্তরি বুলবুল হোসেন বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে সব অভিযোগই মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি বিদ্যালয়ের কোনো মালামাল চুরি করিনি। আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের চেষ্টা করি।’

অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক এ টি এম আব্দুল্লাহ বলেন, ‘প্রধান শিক্ষকই নানাভাবে আমাদের হেনস্তা করছেন। প্রধান শিক্ষক হওয়ায় যা মন চায় তাই করছেন। আমাদের না জানিয়েই স্কুলের সব কাজে তিনি নিজেই সিদ্ধান্ত দেন। এসবের প্রতিবাদ করি বলেই আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।’

বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি শাম্মী আকতার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে চেকে সই করার জন্য আমি ও সহসভাপতি আসলাম হোসেন ঘুষ দাবি করেছি এটা সঠিক নয়। তিনিই (প্রধান শিক্ষক) স্কুলের নানা কাজে নিজেই একক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তদন্ত হলে সব বেরিয়ে আসবে।’

এ বিষয়ে বদলগাছী উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রউফ বলেন, ‘বিলাসবাড়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। আমরা তদন্ত করছি। স্কুলের পরিবেশ যেন বজায় থাকে সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে লাঞ্ছনার মামলা মাদ্রাসা অধ্যক্ষের
ফুলের মালা পরিয়ে কলেজে ফেরানো হলো অধ্যক্ষ স্বপনকে
অধ্যক্ষ স্বপন কলেজে যাচ্ছেন বুধবার
ক্লাসরুমে বাঁশে বাঁধা ফ্যান ছিঁড়ে চোখ গেল শিক্ষকের
আ. লীগ নেতার বিরুদ্ধে শিক্ষকদের অপমানের অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Butex admission exam in short syllabus in five centers today

পাঁচ কেন্দ্রে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে বুটেক্স ভর্তি পরীক্ষা আজ

পাঁচ কেন্দ্রে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে বুটেক্স ভর্তি পরীক্ষা আজ
রাজধানীর ঢাকা সিটি কলেজ, সরকারি মোহাম্মদপুর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট গার্লস পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) কেন্দ্রে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) চার বছর মেয়াদি বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের লেভেল-১ এর ভর্তি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রাজধানীর পাঁচটি কেন্দ্রে আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হয়ে পরীক্ষা চলবে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত।

রাজধানীর ঢাকা সিটি কলেজ, সরকারি মোহাম্মদপুর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট গার্লস পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) কেন্দ্রে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বুটেক্সের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শাহ আলিমুজ্জামান নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানান।

এবারের ভর্তি পরীক্ষায় পাঁচটি অনুষদের অধীনে মোট ১০টি বিভাগের ৬শ’ আসনের জন্য আবেদন পড়েছে ১২ হাজার ৮৬৩টি। আবেদন করা সব শিক্ষার্থীই ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন। সে হিসাবে প্রতি আসনের বিপরীতে লড়ছেন প্রায় ২১ জন শিক্ষার্থী।

ঢাকা সিটি কলেজ কেন্দ্রে (রোল: ১০০০০০১-১০২১০০) ২১০০, সরকারি মোহাম্মদপুর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে (রোল: ১০২১০১-১০৪১০০) ২০০০, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট গার্লস পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে (রোল: ১০৪১০১-১০৬৬০০) ২৬০০, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ কেন্দ্রে (রোল: ১০৬৬০১-১০৯৬০০) ৩৬০০ এবং বুটেক্স কেন্দ্রে (রোল: ১০৯৬০১-১১২৪৬৩) ৩২৬৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

বুটেক্সের এবারের ভর্তি পরীক্ষা হবে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে। ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য সংক্ষিপ্ত যে পাঠ্যসূচি (উচ্চতর গণিত, পদার্থ ও রসায়ন) নির্ধারিত ছিল, সে অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। তবে ইংরেজির ক্ষেত্রে ‘ফাংশনাল ইংলিশ’ অনুসরণ করা হবে। গণিত ৬০, পদার্থ ৬০, রসায়ন ৬০, ইংরেজি ২০ নম্বরসহ মোট ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হবে। কোনো বিষয়ে এমসিকিউ টাইপ প্রশ্ন থাকবে না।

বুটেক্সে এবার ৫টি অনুষদের অধীনে ১০টি বিভাগে মোট ৬০০ শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৮০, ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৮০, ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৮০, অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৮০, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজমেন্টে বিভাগে ৮০, টেক্সটাইল ফ্যাশন অ্যান্ড ডিজাইন বিভাগে ৪০, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৪০, টেক্সটাইল মেশিনারি ডিজাইন অ্যান্ড মেইনটেনেন্স বিভাগে ৪০, ডাইজ অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৪০ ও এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৪০টি আসন রয়েছে।

ভর্তি সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.butex.edu.bd) ও নোটিশ বোর্ডে জানা যাবে।

আরও পড়ুন:
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু
শিক্ষার্থীদের ফেল নয়, বাছাই করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
ঢাবি ‘গ’ ইউনিটে প্রথম সারওয়ার, দ্বিতীয় ইলমা
ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের ফলে শীর্ষ তিনের দুইজনই মেয়ে
ঢাবির ‘চ’ ইউনিটের অঙ্কন পরীক্ষা ২ জুলাই

মন্তব্য

বাংলাদেশ
One day a week online class in Shabi on energy and electricity saving

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শাবিতে সপ্তাহে এক দিন অনলাইনে ক্লাস

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শাবিতে সপ্তাহে এক দিন অনলাইনে ক্লাস শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ফটক। ছবি: সংগৃহীত
শাবিপ্রবি রেজিস্ট্রার বলেন, ‘সপ্তাহে এক দিন অনলাইনে ক্লাস নিলে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় হবে। সাশ্রয়ের লক্ষ্যে প্রতি সপ্তাহে বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবহন পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। সপ্তাহের অন্য দিনও পরিবহন সেবা কিছুটা হ্রাস করা হবে।’

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সপ্তাহে এক দিন অনলাইনে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) প্রশাসন।

শুধু বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের পরিবহন সেবা বন্ধ থাকবে। সপ্তাহের অন্য দিনও পরিবহন সেবা কিছুটা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন।

তিনি বলেন, উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলামসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও বিভাগীয় প্রধানরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন উপদেষ্টা কমিটির সুপারিশের আলোকে এসব সিদ্ধান্ত হয়।

রেজিস্ট্রার বলেন, ‘সপ্তাহে এক দিন অনলাইনে ক্লাস নিলে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় হবে। সাশ্রয়ের লক্ষ্যে প্রতি সপ্তাহে বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবহন পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। সপ্তাহের অন্য দিনও পরিবহন সেবা কিছুটা হ্রাস করা হবে।’

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সমস্যার কারণে সৃষ্ট জাতীয় এ সমস্যায় আমরা দেশবাসীর পাশে থাকতে চাই। করোনা মহামারিতে ক্যাম্পাসে করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করে দেশের মানুষের পাশে ছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়। এবারও জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে আমরা মানুষের পাশে থাকব।’

এই সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীরা যেন কোনো ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন না হয় সে ব্যাপারে বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষকদের দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ভিসি।

আরও পড়ুন:
বাড়তি ভাড়া: বাসমালিকদের সুমতির আশায় কাদের
বিআরটিএ ঘুমিয়ে, ফায়দা নিয়েই যাচ্ছে রাইদা
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি চ্যালেঞ্জ করে রিট
ঢাকা-ব‌রিশাল রু‌টে লঞ্চের খরচ বেড়ে দ্বিগুণ
পাম্পে পাম্পে হানা, কম তেলে জরিমানা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
VC panel election in Jahangirnagar on Friday

জাহাঙ্গীরনগরে ভিসি প্যানেল নির্বাচন শুক্রবার

জাহাঙ্গীরনগরে ভিসি প্যানেল নির্বাচন শুক্রবার নির্বাচনে তিন প্যানেলে তিনজন করে নয় প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। ছবি: সংগৃহীত
বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ ১৯৭৩ এর ১১(১) ধারা অনুযায়ী এ নির্বাচন হবে। শুধু নির্বাচিত সিনেট সদস্যরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত তিনজনের প্যানেল মনোনয়ন শেষে তা রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের কাছে পাঠানো হবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আট বছর পর শুক্রবার হতে যাচ্ছে ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) প্যানেল নির্বাচন।

নির্বাচনে তিনটি প্যানেল অংশ নিচ্ছে। প্রতিটি প্যানেলে তিনজন করে প্রার্থী। তিনটি প্যানেলই আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের। প্যানেল তিনটি হলো, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ এবং বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের দুইটি প্যানেল।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ প্যানেলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন। প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. সুফি মোস্তাফিজুর রহমান ও বাংলা বিভাগের অধ্যাপক পৃথ্বিলা নাজনীন নীলিমা।

বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের একাংশের প্যানেলে নেতৃত্বে আছেন বর্তমান ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ড. মো. নূরুল আলম। প্যানেলের অন্যরা হলেন, গাণিতিক ও পদার্থবিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. অজিত কুমার মজুমদার এবং শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. লায়েক সাজ্জাদ এন্দেল্লাহ্।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট কমিটির সভাপতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মো. আব্দুল্লাহ হেল কাফি বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের আরেক অংশের প্যানেলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ।
এই প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক তপন কুমার সাহা এবং শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ-জেইউ) অধ্যাপক ড. মো. মোতাহার হোসেন।

বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ ১৯৭৩ এর ১১(১) ধারা অনুযায়ী এ নির্বাচন হবে। শুধু নির্বাচিত সিনেট সদস্যরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত তিনজনের প্যানেল মনোনয়ন শেষে তা রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের কাছে পাঠানো হবে।

রাষ্ট্রপতি ক্ষমতাবলে প্যানেলের যে কাউকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে চার বছরের জন্য নিয়োগ দেবেন। এবারের নির্বাচনে ৮১ জন সিনেটর ভোট প্রদান করবেন।

২০১৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ ভিসি প্যানেল নির্বাচনে সর্বোচ্চসংখ্যক ভোট পেয়ে নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম নির্বাচিত হন। পরে রাষ্ট্রপতি তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেন।

আরও পড়ুন:
জাবিতে র‍্যাগ উৎসবের নাচ ঘিরে ‘শ্লীল-অশ্লীল’ বিতর্ক
জাবিতে প্রথম নারী উপাচার্যের ৮ বছর
খাবারের দাম নিয়ে ভোগান্তিতে জাবি শিক্ষার্থীরা
৭ ফেব্রুয়ারি থেকে জাবিতে সশরীরে ব্যাবহারিক ক্লাস-পরীক্ষা
করোনা: জাবিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটার সাক্ষাৎকার স্থগিত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Show Cause Notice to Jabi Student

জাবি ছাত্রীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ 

জাবি ছাত্রীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ 
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হল প্রশাসনকে না জানিয়ে রুম পরিবর্তন ও প্রভোস্টকে না জানিয়ে সাংবাদিকদের কাছে তথ্য দেয়ার অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে এক ছাত্রীকে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) সাংবাদিককে তথ্য দেয়ার অভিযোগে এক ছাত্রীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে হলকর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বুধবার ওই ছাত্রীকে নোটিশ দেন।

নোটিশে বলা হয়, হল প্রশাসনকে না জানিয়ে রুম পরিবর্তন ও প্রভোস্টকে না জানিয়ে ওই ছাত্রী সাংবাদিকদের কাছে তথ্য দিয়েছেন। এর কারণ লিখিতভাবে জানিয়ে আগামী ১৪ আগস্টের মধ্যে হল অফিসে জমা দিতে বলা হয়েছে। না হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে ওই ছাত্রী বলেন, ‘হলে রুম পরিবর্তন করা নিয়ে রাতভর র‍্যাগিংয়ের শিকার হয়েছি। সেই অভিযোগ প্রভোস্টের কাছে দিয়েছি। সাংবাদিকরা হয়ত অন্য কোনো সোর্স থেকে এ তথ্য পেয়েছে। পরে তারা আমার কাছে জানতে চাইলে আমি ঘটনা নিশ্চিত করেছি। এখানে দোষের কিছু দেখছি না।’

এ বিষয়ে জানতে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট মুজিবুর রহমানকে একাধিক বার ফোন করলেও তিনি ধরেননি। পরে এসএমএস করলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।

ঘটনার প্রেক্ষাপট

বুধবার বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ এনে প্রভোস্টের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন ওই ছাত্রী।

সেখানে তিনি বলেন, ‘শ্বাস কষ্ট জনিত সমস্যার কারণে গত মঙ্গলবার হলের ৬৩১ নম্বর রুম পরিবর্তন করে ২১৬ নম্বরে উঠি। জিনিসপত্র নিয়ে সেখানে যাওয়ার পর রুমের আপু প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ৪৭ তম ব্যাচের উম্মে হাবিবা (ফুর্তি) আমাকে রুম থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। না হলে বের করে দেয়ার হুমকি দেন তিনি।

‘হল সুপারকে এ কথা জানাতে গেলে সেই সুযোগে তিনি আমার জিনিসপত্র রুম থেকে বের করে দেন। পরে রুম থেকে বের না হলে হাবিবা আপু এবং একই ব্লকে থাকা তার সহপাঠী ওলিজা ও বিথী আমাকে গালিগালাজ ও অপদস্ত করেন।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Child died after school gate collapsed

স্কুলের গেট ভেঙে পড়ে শিশুর মৃত্যু

স্কুলের গেট ভেঙে পড়ে শিশুর মৃত্যু স্কুলে ঢোকার সময় গেটটি শ্রাবণ দেওয়ানের ‍ওপর ভেঙ্গে পড়ে। ছবি: নিউজবাংলা
খাগড়াছড়ির প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা মেহের ইয়াসমিন বলেন, ‘ঘটনার পরই বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষক বা অন্য কারো কোনো দায় আছে কি না তা তদন্তে কমিটি করতে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্রশাসকের কাছে চিঠি দেয়া হচ্ছে।’ 

খাগড়াছড়ি সদরের একটি স্কুলের গেট ভেঙে পড়ে এক শিশু শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

খবংপুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বুধবার সকাল ৯টার দিকে প্রবেশের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

৬ বছর বয়সী শ্রাবণ দেওয়ান ওই বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিকের শিক্ষার্থী। নারায়ণখাইয়া গ্রামের প্রণয় দেওয়ানের ছেলে শ্রাবণ।

নিউজবাংলাকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, স্কুলে ঢোকার সময় গেট ভেঙে পড়ে মারাত্মক জখম হন। ঘটনার পরপর রক্তাক্ত অবস্থায় শ্রাবণকে উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরিফুর রহমান বলেন, ‘মরদেহ খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। ময়নাতদন্ত ও পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

এদিকে দুর্ঘটনার জন্য এলাকাবাসী ও নিহতের স্বজনরা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেছেন।

স্বণির্ভর বাজারের ব্যবসায়ী কলিন চাকমা বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে গেটটি ভাঙা ছিল। শিক্ষার্থীরা আসা-যাওয়ার সময় গেট ধরে খেলত। এরপরও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গেটটি না সরিয়ে বাঁশের খুঁটি দিয়ে লাগিয়ে রেখেছিল। তাদের অব্যবস্থাপনার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।’

খাগড়াছড়ির প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা মেহের ইয়াসমিন বলেন, ‘ঘটনার পরই বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষক বা অন্য কারো কোনো দায় আছে কি না তা তদন্তে কমিটি করতে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি দেয়া হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
কিশোরী হত্যায় প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড
ছাদ থেকে পড়ে ঢামেকের নার্সের মৃত্যু
ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে কিশোরের মৃত্যু
স্ত্রী-কন্যা হত্যায় দণ্ডিত জাকির ১ যুগ পর ধরা
আগুন কেড়ে নিল ছোট্ট লামিয়াকে

মন্তব্য

p
উপরে