× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Shabi vice chancellor ashamed of free movement of students
hear-news
player
print-icon

শিক্ষার্থীদের ‘অবাধ বিচরণে’ লজ্জিত শাবি উপাচার্য

শিক্ষার্থীদের-অবাধ-বিচরণে-লজ্জিত-শাবি-উপাচার্য
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখছেন শাবি উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। ছবি: নিউজবাংলা
এর আগে গত জানুয়ারিতে ভাইরাল হওয়া একটি অডিও ক্লিপে একজনকে বলতে শোনা যায়- অবাধে চলাফেরার কারণে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের কেউ বিয়ে করতে চায় না। শাবি শিক্ষার্থীরা দাবি করেন- ফাঁস হওয়া ওই রেকর্ডটি উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের। তবে ফরিদ উদ্দিন আহমেদ তা বরাবরই অস্বীকার করে এসেছেন।

ক্যাম্পাসে রাত-দিন শিক্ষার্থীদের অবাধ বিচরণ দেখে লজ্জিত বোধ করেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

খুন হওয়া শিক্ষার্থী বুলবুল আহমেদের মাগফিরাতের জন্য আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে এমন মনোভাব প্রকাশ করেন উপাচার্য। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে ওই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে লোকপ্রশাসন বিভাগ। বুলবুল এই বিভাগেরই শিক্ষার্থী ছিলেন।

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের মধ্যে অনন্য উচ্চতায় আছে উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, ‘শিক্ষা, গবেষণা, সুশাসন, অবকাঠামো উন্নয়ন সবদিকেই অন্যরা আমাদের অনুসরণ করে। তবে আমরা দেখছি, ইদানীং আমাদের ক্যাম্পাসে কোনো শৃঙ্খলা নেই। রাতে-দিনে যে যেভাবে পারে- সেভাবে অবাধ বিচরণ করছে; যা দেখলে আমরা নিজেরাও লজ্জিত বোধ করি।’

তিনি বলেন, ‘অবাধ বিচরণ করলে নিজেদের নিরাপত্তা কতটুকু থাকবে, তা নিয়ে আমরা সন্দিহান। তাই এই জায়গাটিকে ঠিক করতে পারলে এ বিশ্ববিদ্যালয় আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে।’

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবার কাছে করজোড়ে মিনতি করেন উপাচার্য।

ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা উল্লেখ করে উপাচার্য আরও বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের সব নিরাপত্তা দিতে পারব। তবে শিক্ষার্থীরা নিজে থেকে সচেতন না থাকলে এই নিরাপত্তা কোনো কাজে আসবে না। ক্যাম্পাসে বহিরাগতের আনাগোনা বেশি, তাই বিপদ হবে জেনেও যদি রাত-বিরাতে অবাধ বিচরণ করি, সচেতন না থাকি, সে ক্ষেত্রে আমরা হাজার চেষ্টা করেও নিরাপত্তা দিতে পারব না।’

এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের আরও সচেতন ও সুশৃঙ্খল হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, অনুশাসন মেনে চলার আহ্বান জানান অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় নতুন বিভিন্ন উদ্যোগের বিষয়ে উপাচার্য জানান, প্রায় ৩০ বছর পর শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চারদিকে সাড়ে ছয় কিলোমিটার সীমানাপ্রাচীর দেয়া হয়েছে। ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত আলো নিশ্চিত করে বিভিন্ন স্থান সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা হবে।

এ সময় বুলবুলের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘আমাদের প্রাণপ্রিয় শিক্ষার্থী বুলবুলের অকালমৃত্যুতে আমরা ব্যথিত এবং গভীরভাবে শোকাহত। আমরা আমাদের ছেলেমেয়েদের অকালে আর হারাতে চাই না। আমরা চেষ্টা করছি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বুলবুলের পরিবারকে সহযোগিতা করতে। আমরা সব সময় তার পরিবারের পাশে আছি।’

প্রসঙ্গত, গত ২৫ জুলাই সন্ধ্যায় এক ছাত্রীর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীকালুর টিলায় ঘুরতে যান বুলবুল আহমেদ। সেখানে ছুরিকাঘাতে আহত হন তিনি। পরে শিক্ষার্থীরা উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বুলবুল হত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, ছিনতাইয়ে বাধা দেয়ায় বুলবুলকে হত্যা করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া তিনজনের মধ্যে কামরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ হাসান বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আদালতে জবানবন্দি দেন। এর আগের সন্ধ্যায় জবানবন্দি দেন অন্য আসামি আবুল হোসেন।

আরও পড়ুন:
বুলবুলের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা দেবে শাবি
বুলবুল হত্যায় ‘সরাসরি জড়িত’ কামরুলসহ ৩
বুলবুলের মোবাইল, ‘হত্যায় ব্যবহৃত’ ছুরি উদ্ধার
বুলবুল হত্যা পরিকল্পিত, দাবি সহপাঠীদের
বাবার পাশে শায়িত হলেন বুলবুল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Application for admission of engineering batch started on August 20

২০ আগস্ট শুরু প্রকৌশল গুচ্ছের ভর্তির আবেদন

২০ আগস্ট শুরু প্রকৌশল গুচ্ছের ভর্তির আবেদন ফাইল ছবি
ভর্তি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. কে এম আজহারুল হাসান বলেন, মেধাস্থান প্রাপ্ত সব প্রার্থীকে আগামী ২০ আগস্ট থেকে ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে।

দেশের তিনটি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি কার্যক্রম আগামী ২০ আগস্ট শুরু হবে। চলবে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত। পরবর্তী সময়ে ২৮ আগস্ট একযোগে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. কে এম আজহারুল হাসান এবং সদস্যসচিব অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আবু ইউসুফ শুক্রবার রাতে নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে ভর্তি বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানান তারা।

যে তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা হবে সেগুলো হলো চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

ভর্তি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. কে এম আজহারুল হাসান বলেন, মেধাস্থান প্রাপ্ত সব প্রার্থীকে আগামী ২০ আগস্ট থেকে ভর্তিসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে।

ভর্তি প্রক্রিয়া সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষাসংক্রান্ত ওয়েবসাইট www.admissionckruet.ac.bd এই লিংকে আবেদন করা যাবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, মেধাস্থানপ্রাপ্ত সব প্রার্থীকে আগামী ২০ আগস্ট থেকে ভর্তিসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগের পছন্দক্রম প্রদান করতে হবে।

ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগগুলো এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের জন্য ৩৯টি পছন্দসহ একটি পছন্দক্রম পূরণ করতে হবে। এ ছাড়া স্থাপত্য বিভাগের জন্য ৩টি পছন্দসহ আলাদা একটি পছন্দক্রম পূরণ করতে হবে। ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্য ও পছন্দক্রম ২৭ আগস্ট দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রার্থীরা পরিবর্তন করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চুয়েট, কুয়েট ও রুয়েট কেন্দ্রে একযোগে ভর্তি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থী যে কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ওই কেন্দ্রেই উপস্থিত হয়ে ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে দেশের তিনটি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মেধাস্থান অনুযায়ী মেধাতালিকা প্রকাশ, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগ পছন্দ প্রদানের নির্দেশনা, ভর্তির নিয়মাবলি ও ভর্তির তারিখ প্রকাশিত হয়।

গত ৪ জুলাই ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। অনলাইনে ভর্তি আবেদন শুরু হয় ৬ জুন সকাল ১০টা থেকে এবং শেষ হয় ১৯ জুন বিকেল ৫টায়।

ভর্তির তারিখ, ওরিয়েন্টেশন, ক্লাস শুরুর তারিখ ও সময় এবং ভর্তিসংক্রান্ত অন্য বিজ্ঞপ্তি প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ড, নিজস্ব ওয়েবসাইট এবং সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে জানানো হবে।

গত বছরও এসব বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিয়েছিল। এবার ভর্তি পরীক্ষার নেতৃত্বে রয়েছে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)। গতবারের পরীক্ষার নেতৃত্বে ছিল চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)।

প্রকৌশল গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আহ্বায়ক এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, এবার ভর্তীচ্ছুদের খাতা খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মূল্যায়ন করা হয়েছে। সেখানে রাজশাহী ও চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

গত ৬ আগস্ট প্রকৌশল গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবার চুয়েট কেন্দ্রে ‘ক’ বিভাগে ৮ হাজার ৭৪০ জন এবং ‘খ’ বিভাগে ৭৩৭ জন মিলিয়ে মোট ৯ হাজার ৪৭৭ জন পরীক্ষার্থী; কুয়েট কেন্দ্রে ‘ক’ বিভাগে ৮ হাজার ৫৫৩ জন এবং ‘খ’ বিভাগে ৮৭০ জন মিলিয়ে মোট ৯ হাজার ৪২৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষার্থীয় অংশগ্রহণ করছেন।

রুয়েট কেন্দ্রে সর্বমোট ৯ হাজার ৪৯৫ জন ভর্তীচ্ছু অংশ নিচ্ছে। ‘ক’ গ্রুপের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগগুলো এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে সর্বমোট ৮ হাজার ৮৭৩ জন এবং ‘খ’ গ্রুপে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগগুলোতে নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এবং স্থাপত্য বিভাগে অংশ নিয়েছেন ৬২২ জন ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন:
গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটে পাস ৫৫.৬৩%
গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের প্রশ্ন নিয়ে নানা ‘প্রশ্ন’
রাজধানীর যে ৮ কেন্দ্রে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
4 Chhatra League leaders fight in Chabi due to trial at home

বাসায় বিচার দেয়ায় চবিতে ৪ ছাত্রলীগ নেত্রীর মারামারি

বাসায় বিচার দেয়ায় চবিতে ৪ ছাত্রলীগ নেত্রীর মারামারি ছবি: নিউজবাংলা
ঘটনার তদন্তে হলের সিনিয়র শিক্ষক ড. শাহ আলমকে আহ্বায়ক, আবাসিক শিক্ষক উম্মে হাবিবাকে সদস্যসচিব, সহকারী প্রক্টর আহসানুল কবির ও হাসান মুহাম্মদ রোমানকে সদস্য করে কমিটি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের খালেদা জিয়া হলে মারামারিতে জড়িয়েছেন শাখা ছাত্রলীগের ৪ নেত্রী। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেছে হল প্রশাসন।

এ ছাড়া শৃঙখলা ভঙ্গ, খারাপ আচরণ ও হলের পরিবেশ নষ্টের অভিযোগে তাদের একজনকে শোকজ করা হয়েছে।

কমিটিতে হলের সিনিয়র শিক্ষক ড. শাহ আলমকে আহ্বায়ক, আবাসিক শিক্ষক উম্মে হাবিবাকে সদস্যসচিব, সহকারী প্রক্টর আহসানুল কবির ও হাসান মুহাম্মদ রোমানকে সদস্য করা হয়েছে।

বৃ্হস্পতিবার রাতে খালেদা জিয়া হলে মারামারির ওই ঘটনাটি ঘটে। এতে অংশ নেয়া ছাত্রলীগ নেত্রীরা হলেন শাখা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির উপ-স্কুল বিষয়ক সম্পাদক সীমা আরা শিমু, উপছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক সাজমুন নাহার ইষ্টি, উপ-কৃষি শিক্ষা সম্পাদক নির্জনা ইসলাম, উপ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক তাসফিয়া জাসারাত নোলক।

এদের মধ্যে হলের সাধারণ ছাত্রীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তাসফিয়া জাসারাত নোলককে শোকজ করা হয়েছে। ছাত্রীদের অভিযোগ, নোলক অসৌজন্যমূলক ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করে হলের পরিবেশ নষ্ট করছেন।

খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. সাইদুল ইসলাম সোহেল নিউজবাংলাকে জানান, হলের ২০৩ নম্বর কক্ষে ছাত্রীরা মারামারি করে। এ ঘটনায় তারা পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দিয়েছে।

এক পক্ষ অভিযোগ করেছে, নোলক ও নির্জনার পরিবারের কাছে ফোন দিয়ে ইষ্টি বিচার দিয়েছিলেন। পরে কেন তাদের পরিবারের কাছে ফোন করা হয়েছে, ওই বিষয়ে জানতে চাইলে তর্কাতর্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

অপর পক্ষের অভিযোগ, ইষ্টি তার পরিচিত সিনিয়র সীমা আরা শিমুকে ফোন করে নিয়ে আসেন তর্কাতর্কির সময়। শিমু এসে তাদের ছাড়ানোর চেষ্টা করেন।

শিমুর অভিযোগ, এ সময় তার গেঞ্জিতে টান দেয় অন্য পক্ষ। এতে তিনি আহত হন। একই অভিযোগ নোলকও করেছেন।

প্রভোস্ট বলেন, ‘কে অভিযুক্ত, কে ভুক্তভোগী সেটা তদন্তের পর বের করা যাবে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভুঁইয়া বলেন, ‘আমরা বিষয়টি জেনেছি। বিষয়টি নিয়ে হল প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেবে।’

আরও পড়ুন:
কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা
ছাত্রলীগের পদ ছাড়াই বিদায় নিতে হবে অনেক কর্মীকে
চবি ছাত্রলীগের কমিটিতে ‘বিতর্কিত’ নেতার ছড়াছড়ি
বরগুনায় যুবদলের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ
জাবিতে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা তদন্তে কমিটি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Stories made and sold in my name by the top people of DU Samia

আমার নামে গল্প বানিয়ে বিক্রি করেছে ঢাবির শীর্ষ ব্যক্তিরা: সামিয়া

আমার নামে গল্প বানিয়ে বিক্রি করেছে ঢাবির শীর্ষ ব্যক্তিরা: সামিয়া সামিয়া রহমান। ফেসবুক থেকে নেয়া
সামিয়া রহমান লিখেছেন, ‘ধৈর্য নিয়ে অপেক্ষা করেছি। সৃষ্টিকর্তা পরীক্ষা করলেও শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচার করেন বলেই বোধ হয় উচ্চ আদালত প্রমাণ দিয়েছে ওদের সিদ্ধান্ত অবৈধ। গত ৬ বছর ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ ব্যক্তিরা আমার নামে নানা গল্প বানিয়ে বছরের পর বছর গণমাধ্যমে বিক্রি করেছে।’

৬ বছর ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শীর্ষপদের ব্যক্তিরা তার নামে নানা গল্প বানিয়ে গণমাধ্যমে বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন সামিয়া রহমান, যাকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পদাবনতি দেয়ার পর সম্প্রতি সেই আদেশ আবার অবৈধ ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট।

শুক্রবার সকালে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে ওই বিষয় নিয়ে কথা বলেন তিনি। ঢাবি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এই সাবেক শিক্ষক।

বর্তমানে দেশের বাইরে থাকা সামিয়া রহমান লিখেছেন, ‘গত ৬টা বছর ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষপদের ব্যক্তিদের হিংসা, প্রতিহিংসা, নোংরামি, ষড়যন্ত্র দেখতে দেখতে কখনো মনে হতো, আমিও ওদের মতোই ওদের ঘৃণা করি, ওদের প্রকৃত চরিত্র উন্মোচন করি।

‘আবার পরে মনে হতো, তাহলে আমিও তো ওদের পর্যায়েই নোংরামিতে নেমে গেলাম। তফাত আর থাকল কোথায়- মানুষে আর অমানুষে।’

তিনি লিখেছেন, ‘ধৈর্য নিয়ে অপেক্ষা করেছি। সৃষ্টিকর্তা পরীক্ষা করলেও শেষ পর্যন্ত ন্যায় বিচার করেন বলেই বোধহয় উচ্চ আদালত প্রমাণ দিয়েছে ওদের সিদ্ধান্ত অবৈধ। গত ৬ বছর ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ ব্যক্তিরা আমার নামে নানা গল্প বানিয়ে বছরের পর বছর গণমাধ্যমে বিক্রি করেছে।’

সামিয়া ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আমাকে তারা হুমকি-ধমকির মধ্যে রেখেছিল ক্রমাগত। আমি চাকরি না ছাড়লে, আমি গণমাধ্যমে বক্তব্য দিলে আমার ক্ষতি করবে- এমন প্রচণ্ড চাপের মধ্যে বছরের পর বছর আমি ছিলাম।

‘যে লেখাটিতে আমি জড়িত ছিলাম না, আমার স্বাক্ষর ছিল না, সেই লেখাটি নিয়ে আমার বিরুদ্ধে তারা ষড়যন্ত্র করে গেছে বছরের পর বছর। শিকাগো প্রেসের নাম করে মিথ্যা ফেইক চিঠি তৈরি করে আমার বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন তদন্ত শুরু করে।’

এই শিক্ষক ফেসবুকে আরও লিখেছেন, ‘আদালতে তো প্রমাণিত হয়েছেই এটি মিথ্যা, ফেইক চিঠি। ট্রাইব্যুনাল বলেছে, প্লেজারিজম হয়নি। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় শাস্তি দিল। কিসের ভিত্তিতে? এমনকি ট্রাইব্যুনালের রায়ের কপি পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে দিতে চায়নি মাসের পর মাস, পাছে সত্যি প্রমাণ হয়ে যায়।

‘মারজানের লিখিত স্বীকারোক্তিতে তার লেখা জমা দেবার, রিভিউ করা, স্বাক্ষর করার প্রমাণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে থাকা সত্ত্বেও একবারের জন্যও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন গণমাধ্যমে সেটি প্রকাশ করেনি। একবারের জন্যও প্রকাশ করেনি যে আমার কাছ থেকে তারা কোনো লেখা পায়নি এবং ডিন অফিস থেকেও কোনো লেখা আমার কাছে রিভিউ করার জন্য আসেনি।’

আমার নামে গল্প বানিয়ে বিক্রি করেছে ঢাবির শীর্ষ ব্যক্তিরা: সামিয়া

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগাম অবসর চেয়ে করা সামিয়া রহমানের আবেদন সম্প্রতি গ্রহণ করে তাকে অবসরের অনুমতি দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। পাশাপাশি তার কাছ থেকে ১১ লাখ ৪১ হাজার ৬০১ টাকা পাবে জানিয়ে এই টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ওই প্রসঙ্গে ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় ৪ আগস্ট মামলায় হেরে বর্তমান প্রশাসন ৮ আগস্ট আমার কাছে টাকা দাবি করে একটা ই-মেইল পাঠায়। যে ই-মেইল ৮ আগস্ট পাঠানো, কিন্তু এর ভেতরে ব্যাক ডেটে হাতে লেখা ৩ আগস্ট। মামলায় হেরে যেয়ে কি এখন এই প্রতিহিংসা? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আমার কোনো দেনা নেই। বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আমার পাওনা আছে। আদালতে লড়াই করেছি। করে যাব। সৃষ্টিকর্তা বলেতো একজন আছেন। তিনিই ন্যায়বিচার করবেন।’

২০১৬ সালের ডিসেম্বরে সামিয়া রহমান ও সৈয়দ মাহফুজুল হক মারজানের যৌথভাবে লেখা ‘এ নিউ ডাইমেনশন অফ কলোনিয়ালিজম অ্যান্ড পপ কালচার: এ কেস স্টাডি অফ দ্য কালচারাল ইম্পেরিয়ালিজম’ শিরোনামের আট পৃষ্ঠার একটি গবেষণা প্রবন্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সোশ্যাল সায়েন্স রিভিউ’ জার্নালে প্রকাশ করা হয়।

এটি ১৯৮২ সালের শিকাগো ইউনিভার্সিটির জার্নাল ‘ক্রিটিক্যাল ইনকোয়ারি’তে প্রকাশিত ফরাসি দার্শনিক মিশেল ফুকোঁর ‘দ্য সাবজেক্ট অ্যান্ড পাওয়ার’ নামের একটি নিবন্ধ থেকে প্রায় পাঁচ পৃষ্ঠা হুবহু নকল বলে অভিযোগ ওঠে। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে এক লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এই চুরির কথা জানিয়েছিল ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস।

শুধু ফুকোঁই নন, বুদ্ধিজীবী এডওয়ার্ড সাঈদের ‘কালচার অ্যান্ড ইম্পেরিয়ালিজম’ বইয়ের পাতার পর পাতা সামিয়া ও মারজান হুবহু নকল করেন বলে অভিযোগ ওঠে। তার পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরীন আহমেদকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট।

দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে গত বছর ওই কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয়। ওই প্রতিবেদনে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২৯ অক্টোবর তাদের অ্যাকাডেমিক অপরাধের শাস্তির সুপারিশ করতে আইন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মো. রহমত উল্লাহকে আহ্বায়ক করে একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ট্রাইব্যুনাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে শাস্তির বিষয়ে সুপারিশ জমা দিলে সিন্ডিকেটের সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়।

গবেষণায় চৌর্যবৃত্তির বিষয়টি প্রমাণ পাওয়ার পর ২০২১ সালের ২৮ জানুয়ারি সিন্ডিকেট সভায় তাকে এক ধাপ পদাবনতি দিয়ে সহকারী অধ্যাপক করা হয়। তবে এই আদেশের বিরুদ্ধে তিনি উচ্চ আদালতে যান।

গত ৪ আগস্ট সামিয়া রহমানকে পদাবনতির আদেশ অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে তাকে সব সুযোগ-সুবিধা ফিরিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। তবে আগেই সামিয়া আগাম অবসরের আবেদন করায় এবং সেটি কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করায় আপাতত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার শিক্ষকতা করা হচ্ছে না।

আরও পড়ুন:
সামিয়াকে আগাম অবসর, সাড়ে ১১ লাখ টাকা পাওনা দাবি ঢাবির
সামিয়াকে পদ ফিরিয়ে দিতে বলল হাইকোর্ট
গবেষণায় চুরি ধরতে ঢাবিতে সফটওয়্যার উদ্ভাবন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
One day a week online class in Shabi on energy and electricity saving

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শাবিতে সপ্তাহে এক দিন অনলাইনে ক্লাস

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শাবিতে সপ্তাহে এক দিন অনলাইনে ক্লাস শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ফটক। ছবি: সংগৃহীত
শাবিপ্রবি রেজিস্ট্রার বলেন, ‘সপ্তাহে এক দিন অনলাইনে ক্লাস নিলে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় হবে। সাশ্রয়ের লক্ষ্যে প্রতি সপ্তাহে বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবহন পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। সপ্তাহের অন্য দিনও পরিবহন সেবা কিছুটা হ্রাস করা হবে।’

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সপ্তাহে এক দিন অনলাইনে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) প্রশাসন।

শুধু বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের পরিবহন সেবা বন্ধ থাকবে। সপ্তাহের অন্য দিনও পরিবহন সেবা কিছুটা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন।

তিনি বলেন, উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলামসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও বিভাগীয় প্রধানরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন উপদেষ্টা কমিটির সুপারিশের আলোকে এসব সিদ্ধান্ত হয়।

রেজিস্ট্রার বলেন, ‘সপ্তাহে এক দিন অনলাইনে ক্লাস নিলে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় হবে। সাশ্রয়ের লক্ষ্যে প্রতি সপ্তাহে বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবহন পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। সপ্তাহের অন্য দিনও পরিবহন সেবা কিছুটা হ্রাস করা হবে।’

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সমস্যার কারণে সৃষ্ট জাতীয় এ সমস্যায় আমরা দেশবাসীর পাশে থাকতে চাই। করোনা মহামারিতে ক্যাম্পাসে করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করে দেশের মানুষের পাশে ছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়। এবারও জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে আমরা মানুষের পাশে থাকব।’

এই সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীরা যেন কোনো ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন না হয় সে ব্যাপারে বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষকদের দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ভিসি।

আরও পড়ুন:
বাড়তি ভাড়া: বাসমালিকদের সুমতির আশায় কাদের
বিআরটিএ ঘুমিয়ে, ফায়দা নিয়েই যাচ্ছে রাইদা
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি চ্যালেঞ্জ করে রিট
ঢাকা-ব‌রিশাল রু‌টে লঞ্চের খরচ বেড়ে দ্বিগুণ
পাম্পে পাম্পে হানা, কম তেলে জরিমানা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jobi students head cracked after falling on the billboard

বিলবোর্ড পড়ে মাথা ফাটল জবি ছাত্রীর

বিলবোর্ড পড়ে মাথা ফাটল জবি ছাত্রীর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ভবন। ফাইল ছবি
জবির সহকারী প্রক্টর নিউটন হাওলাদার জানান, ভেঙে পড়া বিলবোর্ডটি মোবাইল কোম্পানির। সেটি জরাজীর্ণ হওয়ায় হঠাৎ ভেঙে ছাত্রীর মাথায় পড়ে।

বিলবোর্ড ভেঙে পড়ে মাথা ফেটে গেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এক ছাত্রীর।

পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে বুধবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

ওই ছাত্রীর নাম সুমাইয়া মোস্তফা প্রাপ্তি। তিনি ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থী।

জবির ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষক ও সহকারী প্রক্টর নিউটন হাওলাদার জানান, ভেঙে পড়া বিলবোর্ডটি মোবাইল কোম্পানির। সেটি জরাজীর্ণ হওয়ায় হঠাৎ ভেঙে ওই ছাত্রীর মাথায় পড়ে।

তিনি আরও জানান, গুরুতর আহত ছাত্রীকে শুরুতে ন্যাশনাল মেডিক্যালে নেয়া হয়। সেখান থেকে চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠান। ঢামেকের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তার মাথায় ২০টি সেলাই করেন। সিটি স্ক্যান করে তাকে শঙ্কামুক্তও ঘোষণা করা হয়।

ওই ছাত্রীকে ঢামেক থেকে আবার ন্যাশনাল মেডিক্যালে নিয়ে আসা হয়েছে বলেও জানান প্রক্টর।

আরও পড়ুন:
জবি ছাত্রী হলের সামনের অবৈধ লেগুনা-রিকশাস্ট্যান্ড উচ্ছেদের দাবি
জবিতে লাইব্রেরি খুলে দেয়ার দাবিতে অবস্থান
গবেষণা ভাতার ব্যাপারে আগ্রহী নয় জবি প্রশাসন
জবিতে গুচ্ছ ভর্তির 'এ' ইউনিটের পরীক্ষা শুরু, যানজটে ভোগান্তি
জবি উপাচার্যসহ পাঁচজনকে লিগ্যাল নোটিশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Allegation of beating the intern doctor of Dhaka Medical at Shahid Minar

শহীদ মিনারে ঢাকা মেডিক্যালের ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ

শহীদ মিনারে ঢাকা মেডিক্যালের ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘আমাকে যখন মারা হচ্ছে, তখন তারা বলেছে এটা ঢাবি ক্যাম্পাস। আমি সেখানে কী করছি? এ সময় তাদের গায়ে ঢাবির লোগো সংবলিত টিশার্ট ছিল।’

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বসে থাকাকে কেন্দ্র করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের এক ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধর করে কান এবং নাক ফাটিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭-৮ জন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে।

গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন ইন্টার্ন চিকিৎসক এ কে এম সাজ্জাদ হোসেন।

তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। বর্তমানে তিনি একই হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত আছেন।

অবশ্য মারধরের শিকার হলেও অভিযুক্তদের নাম জানাতে পারেননি সাজ্জাদ হোসেন।

তিনি বলেন, ‘আমাকে যখন মারা হচ্ছে, তখন তারা বলেছে এটা ঢাবি ক্যাম্পাস। আমি সেখানে কী করছি? এ সময় তাদের গায়ে ঢাবির লোগো সংবলিত টিশার্ট ছিল।’

এই ঘটনায় সাজ্জাদ মঙ্গলবার শাহবাগ থানায় জিডি এবং আগামীকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেবেন বলে জানান।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সাজ্জাদ হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গতকাল সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত আমি হাসপাতালের রিডিংরুমে পড়াশোনা করি। ৯টার পর ইচ্ছে হলো, একটু চা খেয়ে আসি। এরপর চা খেতে শহীদ মিনারে যাই। চা খেয়ে শহীদ মিনারের নিচে বসে বাদাম খাচ্ছিলাম।

‘কিছুক্ষণ পর দেখি, সাত-আটজন ছেলে এসে সেখানে বসা সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল। আর কাউকে কাউকে তুলে দিচ্ছিল। তাদের কয়েকজনের গায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো সংবলিত টিশার্ট ছিল।’

তিনি বলেন, ‘পরে দুই-তিনজন ছেলে আমার কাছেও আসে। এসে জিজ্ঞেস করে, আমি সেখানে কী করছি? আমার পরিচয় কী, আমি কোথাকার? আমি নিজের পরিচয় দিলে তারা আমার পরিচয়পত্র দেখতে চায়। সে সময় আমার সাথে কার্ড ছিল না।’

সাজ্জাদ বলেন, ‘আমার কাছে পরিচয়পত্র নেই জানালে তারা আমাকে বলে, পরিচয়পত্র নেই কেন? আমাদের কাছে তো পরিচয়পত্র আছে। তখন আমি বললাম, সবাই কি সব সময় পরিচয়পত্র নিয়ে ঘোরে?’

‘তাকে এই প্রশ্ন কেন করলাম সে জন্য একজন সাথে সাথে আমাকে থাপ্পড় মেরে বলে আমার সাথে তো আইডি কার্ড আছে, তোর সাথে থাকবে না কেন? এরপর পাশে থাকা দুই-তিনজন এসে আমাকে চড়-থাপ্পড় মারা শুরু করে।’

সাজ্জাদ বলেন, ‘মারধরের একপর্যায়ে আমি চিৎকার করে বলি, আমি কী করেছি? আমাকে মারছেন কেন? আপনারা চাইলে আমার সঙ্গে ঢাকা মেডিক্যালে গিয়ে আমার পরিচয়পত্র দেখে আসতে পারেন।

‘এই কথা বলার পর তাদের একজন বলে, আপনি আবার কথা বলেন! এটা বলেই আরও কয়েকটা থাপ্পড় দিল। এ সময় আমার চিল্লানি শুনে তাদের সাথে আসা বাকিরাও আমার সামনে চলে আসে। তারা এসে ইচ্ছেমতো আমাকে চড়-থাপ্পড় মারতে থাকে। এর মধ্যে একজন কানের নিচে থাপ্পড় দিলে আমি ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যাই।’

সাজ্জাদ বলেন, ‘আমি কেন বসে যাই এবং কেন সেখান থেকে যাচ্ছি না, সে কথা বলে একজন আমাকে তার জুতা পায়ে মুখ বরাবর লাথি মারে। আমার মুখে স্যান্ডেলের বালি পর্যন্ত লেগে ছিল।

‘এরপর তারা আমাকে ধাক্কিয়ে ফুটপাত পর্যন্ত নিয়ে আসে। এই আনা পর্যন্ত যে যেভাবে পারছে আমারে মারছে। পরে তারা আমাকে একটা রিকশায় তুলে দিলে আমি আমার হলে ফিরে আসি।’

সাজ্জাদ বলেন, ‘হলে আসার পর আমি এক কানে কম শুনতেছি, নাক থেকে রক্ত বের হচ্ছিল। মাড়িও কেটে গেছে। গালের পাশে ফুলে আছে। চোখ ডান পাশেরটা লাল হয়ে আছে। এরপর ইমার্জেন্সিতে গেলাম। পুলিশ কেস সিলসহ ইঞ্জুরি নোট লিখল। নাক-কান-গলায় রেফার করল। নাক দেখে বলল, নাকের সেপ্টাম ইনজুর্ড হয়েছে।

‘কান দেখে বলেছে, কানের পর্দায় ব্লিডিং স্পট আছে, হিয়ারিং লস আছে কি না বুঝতে অডিওগ্রাম করতে হবে।’

বিষয়টি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিষয়টা আমি শুনেছি। তবে এখনো কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি। কেউ থানায় অভিযোগ দিলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের শনাক্ত করতে সার্বিক সহযোগিতা করবে।’

আরও পড়ুন:
পিকআপের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু
খিলগাঁওয়ে ট্রাকের ধাক্কায় রিকশাচালক নিহত
ফতুল্লায় ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
রাজধানীর ফুটপাত থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার
কম দামে মোবাইল কিনতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে শিক্ষার্থী আহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Full Committee of the Job Branch of the Science Fiction Society

সায়েন্স ফিকশন সোসাইটির জবি শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি

সায়েন্স ফিকশন সোসাইটির জবি শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি বাংলাদেশ সায়েন্স ফিকশন সোসাইটি জবি শাখার কমিটিতে পদপ্রাপ্ত কয়েকজন। ছবি: সংগৃহীত
‘আজকের কল্পনা আগামীর বিজ্ঞান’ স্লোগানকে সামনে রেখে ২০১৯ সালে কার্যক্রম শুরু করে বাংলাদেশ সায়েন্স ফিকশন সোসাইটি, জবি শাখা। এ নিয়ে দুইবার কমিটি গঠন হলো জবি শাখার।

বাংলাদেশ সায়েন্স ফিকশন সোসাইটি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সংগঠনটির সভাপতি জোবায়ের হোসেন রাহাত ও সাধারণ সম্পাদক রাফিয়া রহমান স্বাক্ষরিত মঙ্গলবারের বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

কমিটিতে সহসভাপতি হিসেবে রয়েছেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের হেলাল উদ্দিন এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের রায়হান রিয়াজ। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে পরিসংখ্যান বিভাগের মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ।

কমিটিতে কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রয়েছেন মার্কেটিং বিভাগের ইব্রাহিম শেখ। বিজ্ঞান ও সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে আছেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তামিম মাহমুদ।

অন্যান্য নেতাদের মধ্যে সহ-কোষাধ্যক্ষ পদ পেয়েছেন মো. সুলাইমান। সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন মো. মনিরুল ইসলাম। এ ছাড়া পল্লব কুমার সরকার ও মৃন্ময় রায় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, রেজাউল করিম দপ্তর সম্পাদক এবং সৌরভ রায় সহ-দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন।

প্রচার সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন আবদুল্লাহ আল রাফি সাকিব। সহ-প্রচার সম্পাদক হয়েছেন সৈয়দ মো. আল আমিন ও ইলমা আফরিন কথা। শাহাদাৎ হোসেইন সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

দায়িত্বরত সভাপতি জোবায়ের হোসেন রাহাত বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচিন্তা বিকশিত করতেই আমরা কাজ করে যাব। অনেকেই মনে করেন, বিজ্ঞানচিন্তা কেবল বিজ্ঞান নিয়ে যারা পড়াশোনা করে, তাদেরই কাজ। এই ভুল ধারণা থেকে বের করার জন্যই বাংলাদেশ সায়েন্স ফিকশন সোসাইটি, জবি শাখা কাজ করবে।’

‘আজকের কল্পনা আগামীর বিজ্ঞান’ স্লোগানকে সামনে রেখে ২০১৯ সালে কার্যক্রম শুরু করে বাংলাদেশ সায়েন্স ফিকশন সোসাইটি, জবি শাখা। এ নিয়ে দুইবার কমিটি গঠন হলো জবি শাখার।

সংগঠনটি বিভিন্ন কুইজ প্রতিযোগিতা থেকে শুরু করে নিয়মিত বিজ্ঞান আড্ডার আয়োজন করে আসছে।

কুইজে অংশ নিয়ে বিজয়ীদের মধ্যে তিনজনকে কলকাতা ভ্রমণের সুযোগ করে দেয় সায়েন্স ফিকশন সোসাইটি। এ ছাড়াও ভাবনায় বিজ্ঞান প্রতিযোগিতা, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিসহ নানাবিধি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে সংগঠনটি।

আরও পড়ুন:
জবিতে লাইব্রেরি খুলে দেয়ার দাবিতে অবস্থান
গবেষণা ভাতার ব্যাপারে আগ্রহী নয় জবি প্রশাসন
জবিতে গুচ্ছ ভর্তির 'এ' ইউনিটের পরীক্ষা শুরু, যানজটে ভোগান্তি
জবি উপাচার্যসহ পাঁচজনকে লিগ্যাল নোটিশ
জবির ভবনগুলোতে নেই নামফলক

মন্তব্য

p
উপরে