× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
BNP dialogue with 3 parties to build a united movement
hear-news
player
print-icon

ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়তে ৩ দলের সঙ্গে সংলাপ বিএনপির

ঐক্যবদ্ধ-আন্দোলন-গড়তে-৩-দলের-সঙ্গে-সংলাপ-বিএনপির
গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে প্রথমে ইসলামী ঐক্যজোট, তারপর ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এনডিপি ও সব শেষে ইসলামিক পার্টির সঙ্গে সংলাপ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

সরকারবিরোধী আন্দোলনে ঐক্য গড়ে তুলতে মঙ্গলবার তিনটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে পৃথকভাবে সংলাপ করেছে বিএনপি। রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে প্রথমে ইসলামী ঐক্যজোট, তারপর ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এনডিপি ও সব শেষে ইসলামিক পার্টির সঙ্গে ওই সংলাপ হয়েছে।

ইসলামী ঐক্যজোটের সঙ্গে সংলাপ শুরু হয় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে। সংলাপে সংগঠনটির পক্ষে নেতৃত্ব দেন দলের চেয়ারম্যান মওলানা অ্যাডভোকেট আব্দুর রকিব। অন্যদের মধ্যে ছিলেন মহাসচিব মওলানা অধ্যাপক আব্দুল করিম; ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহআলম মাস্টার, ইঞ্জিনিয়ার শামছুল হক, সৈয়দ মোহাম্মাদ আহসান ও শওকত আমীন; যুগ্ম মহাসচিব ইলিয়াস আতাহারী, প্রচার সম্পাদক মওলানা আনোয়ার হোসাইন আনসারী, সহকারী সম্পাদক কামরুজ্জামান এবং সদস্য ইলিয়াস রেজা।

এনডিপির সঙ্গে সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে সংলাপ শুরু করে বিএনপি। এতে এনডিপির নেতৃত্বে ছিলেন দলের সভাপতি কে এম আবু তাহের। এ ছাড়া দলের মহাসচিব আবদুল্লাহ আল হারুন সোহেল; প্রেসিডিয়াম সদস্য আহমেদ বদরুদ্দিন আহমেদ, এম এ মালেক, মিজানুর রহমান পাটওয়ারী ও মো. ফারুক মিয়া; ভাইস চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি হাফেজ মোহাম্মদ আবু সাঈদ, ঢাকা জেলা সভাপতি হাসান মিয়া এবং সম্পাদক আনন্দ দে সংলাপে অংশ নেন।

সবশেষে ইসলামিক পার্টির মহাসচিব অ্যাডভোকেট আবুল কাসেমের নেতৃত্বে সংলাপে অংশ নেন

ভাইস-চেয়ারম্যান সিদ্দিক আহমেদ নোমান ও আব্দুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন চৌধুরী ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আদিলুর রহমান।

পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত এসব সংলাপে বিএনপির পক্ষে অংশ নেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

সংলাপ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা জনগণের প্রতিনিধিত্বশীল সরকার ও সংসদ গঠনে একমত হয়েছি। এ বিষয়ে অন্যান্য দলের সঙ্গেও আমরা কথা বলব।’

ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মওলানা অ্যাডভোকেট আব্দুর রকিব বলেন, ‘আমরা বিএনপিরে সঙ্গে সরকারবিরোধী আন্দোলন বিষয়ে একমত হয়েছি।

‘আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া‌। বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তি এবং দেশে গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাব।’

এনডিপি সভাপতি কে এম আবু তাহের বলেন, ‘২০১৩ সাল থেকে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া যা যা বলেছেন আমরা তা করেছি। আমরা একসঙ্গে দীর্ঘদিন লড়াই করে যাচ্ছি। আগামী দিনেও আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুগপৎ আন্দোলনে শরিক হব।’

ইসলামিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমাদের প্রথম শর্ত, ২০ দলীয় জোটের নেত্রী খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। দ্বিতীয় শর্ত হলো, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। অন্যথায় ২০ দলীয় জোটের কেউ নির্বাচনে অংশ নেবে না।

তৃতীয় শর্ত, ২০ দলীয় জোটের যেসব নেতাকর্মীর নামে মামলা আছে তা প্রত্যাহার করতে হবে। এ ছাড়া খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করতে হবে ও উলামা-মাশায়েখদের মুক্তি দিতে হবে।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চা খেতে শর্ত ফখরুলের
আন্দোলনে জয়ী হলে জাতীয় সরকার: ফখরুল
বৈশ্বিক সংকটেও ঘোলা পানিতে মাছ শিকারে বিএনপি: কাদের
ফখরুল-রিজভীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
শুধু উন্নয়নের স্লোগান দিয়ে দেশ চলতে পারে না: মঈন খান

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
GM Quaders car was hit by a bus and the driver was arrested

জি এম কাদেরের গাড়িতে বাসের ধাক্কা

জি এম কাদেরের গাড়িতে বাসের ধাক্কা জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদের। ফাইল ছবি
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান শনিবার বিকেল ৫টার দিকে বনানী কার্যালয় থেকে উত্তরার বাসায় ফেরার পথে খিলক্ষেত এলাকায় লা-মেরিডিয়ান হোটেল সংলগ্ন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরকে বহনকারী সরকারি গাড়িতে যাত্রীবাহী একটি বাস ধাক্কা দিয়েছে। তিনি সামান্য ব্যথা পেলেও বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি। পুলিশ চালকসহ বাসটি আটক করেছে।

জি এম কাদের শনিবার বিকেল ৫টার দিকে বনানী কার্যালয় থেকে উত্তরার বাসায় ফেরার পথে খিলক্ষেত এলাকায় লা-মেরিডিয়ান হোটেল সংলগ্ন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জাপা চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী জানান, জি এম কাদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিজ বাসভবনে বিশ্রামে আছেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রাতের খাবার ও প্রয়োজনীয় ওষুধ খেয়েছেন।

আরও পড়ুন:
সাংবাদিক ঐক্যের প্রধান উপদেষ্টা জি এম কাদের
রওশনকে দেখতে থাইল্যান্ড জি এম কাদের
থাইল্যান্ড যাচ্ছেন জি এম কাদের
টাকা পাচারে সহায়তাকারীদের শাস্তি দাবি জি এম কাদেরের
রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরানোর ব্যবস্থা নিন, কূটনৈতিকদের জি এম কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Former leaders did not talk about writing Chhatra League on the banner Buet VC

ব্যানারে ‘ছাত্রলীগ’ লেখার কথা বলেনি সাবেক নেতারা: বুয়েট ভিসি

ব্যানারে ‘ছাত্রলীগ’ লেখার কথা বলেনি সাবেক নেতারা: বুয়েট ভিসি
বুয়েট উপাচার্য সত্যপ্রসাদ মজুমদার বলেন, ‘কিন্তু ওরা ব্যানারের মধ্যে যেটা লিখছে সেটা আমরা জানতাম না। বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ এটা তারা পরে লিখেছে। আবেদনের সময় এটা ছিল না।’

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার পর ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকলেও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়ার আয়োজন করে ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা। ছাত্রলীগের ব্যানারে শনিবার বিকেলে আয়োজনটি ঘিরে বিক্ষোভ করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা আয়োজনটির জন্য কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমতি নিলেও ব্যানারে ছাত্রলীগ রাখার বিষয়টি সম্পর্কে জানেন না বলে জানিয়েছেন বুয়েট উপাচার্য সত্যপ্রসাদ মজুমদার।

তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে বলেছি। মূলত এটি আমরা পরে জানতে পেরেছি। আগে জানতাম না। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অনুমতি দেয়া হয়েছিল। তারা যে আবেদন লিখেছে সেখানে বুয়েটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী লিখা ছিল। সে জন্যই তাদের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

‘কিন্তু ওরা ব্যানারের মধ্যে যেটা লিখছে সেটা আমরা জানতাম না। বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ এটা তারা পরে লিখেছে। আবেদনের সময় এটা ছিল না।’

সত্যপ্রসাদ মজুমদার বলেন, ‘আমরা শোক দিবস পালন করি। ছাত্ররাও করে। এটি নিয়ে তাদের কোনো আপত্তি নেই। শুধু ছাত্রলীগ লিখা ছিল, এ জন্যই তাদের আপত্তি।’

বুয়েটে ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের ব্যানারের সে আলোচনা সভা ঘিরে জড়ো হয়ে ‘ছাত্রলীগের ঠিকানা, এই বুয়েটে হবে না’, ‘আবরারের রক্ত, বৃথা যেতে দিব না’ ইত্যাদি স্লোাগান দেন।

ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়া স্বত্ত্বেও ছাত্রলীগের ব্যানারে প্রোগ্রাম আয়োজন করতে দেয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন শিক্ষার্থীরা।

এই ঘটনার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ৮টায় শিক্ষার্থীরা সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেয়া কোনো শিক্ষার্থীই তাদের পরিচয় বলেননি।

‘শিক্ষার্থীরা সাংগঠনিক ছাত্ররাজনীতির পুনরুত্থানের আশঙ্কায় আছে’

বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা সাংগঠনিক ছাত্ররাজনীতির পুনরুত্থানের আশঙ্কায় আছে উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘শোকের মাস আগস্ট। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাঙালি হারায় হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

‘তার আদর্শ অনুসরণ করেই আমরা নিরন্তর কাজ করে চলেছি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাকে গড়ে তুলতে। তারই ধারাবাহিকতায় নিরাপদ এবং সন্ত্রাসমুক্ত শিক্ষাঙ্গন নিশ্চিত করা সকল শিক্ষার্থীর মৌলিক চাহিদার মধ্যে অন্যতম।’

‘অথচ দুঃখজনক হলেও সত্য, যে ছাত্ররাজনীতি একসময় দেশের ক্রান্তিলগ্নে অগ্রগণ্য ভূমিকা রেখেছিল, পরাধীনতার হাত থেকে যুক্ত করে জন্ম দিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের, সেই ছাত্ররাজনীতি আজ ক্ষমতার অপব্যবহারে কলুষিত।’

শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকা সত্ত্বেও শনিবার সেমিনার হল বুয়েট অডিটোরিয়াম কমপ্লেক্সে ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বুয়েটের সাবেক নেতৃবৃন্দ’ আয়োজনে একটি ব্যানার দেখা যায়।

গত ২ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম হলে আরিফ রায়হান দিপের স্মৃতিফলকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং ৮ জুন সাবেকুন নাহার সনির স্মৃতিফলকে বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের পক্ষ থেকে ব্যানার টানানো হয়।

ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও অত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র সংগঠনের বারবার নিজেদের উপস্থিতি জানিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি পাওয়ায় বুয়েট কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে বলে দাবি করেন শিক্ষার্থীরা।

তারা বলেন, ‘এমন কার্যক্রমের ব্যাপারে আমরা, বুয়েটের সব সাধারণ শিক্ষার্থী, কর্তৃপক্ষের অবস্থান এবং সুস্পষ্ট জবাব আশা করছি।’

আরও পড়ুন:
বুয়েটে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের আয়োজন ঘিরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
ছাত্রলীগ ও যুবদলের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
বাসায় বিচার দেয়ায় চবিতে ৪ ছাত্রলীগ নেত্রীর মারামারি
বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপি-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ
লক্ষ্মীপুরে বিএনপির সমাবেশে ‘ছাত্রলীগের’ হামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mourning Day discussion meeting at National Museum today

জাতীয় জাদুঘরে শোক দিবসের আলোচনা সভা আজ

জাতীয় জাদুঘরে শোক দিবসের আলোচনা সভা আজ
‘১৫ই আগস্ট জাতির পিতা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের ষড়যন্ত্র ও সহায়তাকারী জিয়াসহ অন্যদের খুঁজতে তদন্ত কমিশন চাই’ শীর্ষক এ আলোচনা সভা জাতীয় জাদুঘরে সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে।

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাৎবার্ষিকী ‘জাতীয় শোক দিবস’ উপলক্ষে আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির উদ্যোগে আজ রবিবার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

জাতীয় জাদুঘরের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব মিলনায়তনে সকাল ১১টায় এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। ‘১৫ই আগস্ট জাতির পিতা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের ষড়যন্ত্র ও সহায়তাকারী জিয়াসহ অন্যদের খুঁজতে তদন্ত কমিশন চাই’ শীর্ষক এ আলোচনায় প্রধান অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এ. এইচ. এম. খায়রুজ্জামান (লিটন)।

সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দকার বজলুর রহমান। সঞ্চলনা করবেন বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন।

আরও পড়ুন:
শোকের মাসে ব্যাংকগুলোকে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের নির্দেশ
বঙ্গবন্ধুর দুর্লভ ছবি নিয়ে ঢাবিতে আলোকচিত্র প্রদর্শনী
বঙ্গবন্ধু হত্যার দিন মালয়েশিয়ায় অস্থির ছিলেন সালাউদ্দিন-চুন্নুরা
বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে আনতে সর্বোচ্চ ভূমিকা থাকবে: অ্যাটর্নি জেনারেল 
জাতীয় শোক দিবস: মাস্ক ছাড়া অনুষ্ঠানে প্রবেশ নিষেধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangabandhus killers are the beneficiaries of August 15 Amu

১৫ আগস্টের সুবিধাভোগীরাই বঙ্গবন্ধুর খুনি: আমু

১৫ আগস্টের সুবিধাভোগীরাই বঙ্গবন্ধুর খুনি: আমু
আমির হোসেন আমু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার পর সুবিধাভোগী কারা ছিল এবং কারা ষড়যন্ত্র করেছে তা জিয়া, মোশতাক ও জাতীয় পার্টির কাজই পরিষ্কার করে দেয়। সেই ষড়যন্ত্র এখনও আছে। কেননা বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার সুবিধাভোগীরাই তার খুনি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু।

শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনিস্টিউশনের সেমিনার হলে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

১৪ দলের এই মুখপাত্র বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার পর সুবিধাভোগী কারা ছিল এবং কারা ষড়যন্ত্র করেছে তা জিয়া, মোশতাক ও জাতীয় পার্টির কাজই পরিষ্কার করে দেয়। সেই ষড়যন্ত্র এখনও আছে। কেননা বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।’

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতা বলেন, ‘ওই সময় আমাদের নেতৃত্ব কেন কোনো ঘোষণা দিতে পারল না, সে কথা আজ বলতে চাই না। তবে বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্য কুশীলবদের খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিশন গঠন সময়ের দাবি। বিচার বিভাগ হোক বা গণকমিশন হোক, সেটা গঠন করে নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করা হোক।’

সভায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড নিছক কোনো ব্যক্তিকে হত্যা নয়। তা ছিল বাংলাদেশকে দ্বিতীয় পাকিস্তান বানানোর ষড়যন্ত্র। সেই কাজ জেনারেল জিয়াউর রহমান পরিকল্পিতভাবে করেছেন। এরশাদ করেছেন। সংবিধানে এখনও সাম্প্রদায়িকতা-সামরিক সরকারের ক্ষত আছে। এগুলো ধীরে ধীরে দূর করতে হবে।’

কোভিড আক্রান্ত হওয়ায় ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ মেনন অনুষ্ঠানে ছিলেন না। তার পক্ষে সূচনাপত্র পড়ে শোনান দলের নেতা কামরুল আহসান। ওই পত্রে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের ষড়যন্ত্র প্রকাশ করতে ‘জাতীয় তদন্ত কমিশন’ গঠনের দাবি জানানো হয়।

একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবীর বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার মূল নায়ক জিয়াউর রহমান। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের ভাবধারায় ফিরিয়ে নেয়া হয়েছিল। সে কারণে সংবিধান সংশোধন করে জিয়া বিসমিল্লাহ বসান মাথার উপরে। বঙ্গবন্ধু ধর্মীয় রাজনীতি বন্ধ করেছিলেন। জিয়া সেটা ফিরিয়ে আনেন।’

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি। অন্যদের মধ্যে কবি ও সাংবাদিক সোহরাব হাসান বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন:
আ.লীগের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান আমুর
শেখ হাসিনা ক্ষমতায় বলেই বিচারহীনতা দূর হয়েছে: আমু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP is a party that came out of the barrel of a gun

‘বিএনপি বন্দুকের নল থেকে নির্গত দল’

‘বিএনপি বন্দুকের নল থেকে নির্গত দল’ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠা করা বিএনপি বন্দুকের নল থেকে নির্গত দল। তিনি বন্দুকের নল উঁচিয়ে ক্ষমতা দখল করেছিলেন, ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে বিএনপি গঠন করেন। সেই উচ্ছিষ্ট গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল, খন্দকার মোশাররফ, গয়েশ্বর বাবুসহ যারা যোগদান করেছিলেন, তারাই এখন বিএনপির বড় বড় নেতা। তারা সবাই রাজনীতির কাক।’

বিএনপি বন্দুকের নল থেকে নির্গত দল বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠা করা বিএনপি বন্দুকের নল থেকে নির্গত দল। তিনি বন্দুকের নল উঁচিয়ে ক্ষমতা দখল করেছিলেন, ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে বিএনপি গঠন করেন। সেই উচ্ছিষ্ট গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল, খন্দকার মোশাররফ, গয়েশ্বর বাবুসহ যারা যোগদান করেছিলেন, তারাই এখন বিএনপির বড় বড় নেতা। তারা সবাই রাজনীতির কাক।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির পেট্রলবোমা সন্ত্রাসীরা আবার মাঠে নেমেছে। তাদের তাড়িয়ে দিতে হবে এবং প্রতিরোধ করতে হবে। বিএনপির সমাবেশে আমরা কখনো বাধা দিইনি, দেবও না। যদি পেট্রলবামা বাহিনীদের দেখি, তখন কিন্তু আমরা বসে থাকব না, প্রতিরোধ গড়ে তুলব।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির লাফালাফি হচ্ছে পুঁটি আর মলা মাছের মতো। তেলের দাম বাড়াতে ওরা একটু লাফাচ্ছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সারা পৃথিবীতে তেলের দাম দ্বিগুণ হয়েছে। ৬০ ডলারের তেল ১৭০ ডলারে গিয়েছে। এখন সেটি ১৩৮-১৪০ ডলার। দ্বিগুণের চেয়ে বেশি। আমাদের দেশে আমরা তেলের দাম দ্বিগুণ করি নাই। সব মিলিয়ে ৩৮-৪০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।

‘আমরা দাম বাড়িয়ে পশ্চিমবাংলার সমান করেছি। বিশ্ববাজারে যদি তেলের দাম স্থিতিশীলভাবে কমে তাহলে আবার দাম সমন্বয় করা হবে। তাই বিএনপির এই পুঁটি ও মলা মাছের মতো এত লাফালাফির কোনো প্রয়োজন নেই।’

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী জিয়াউর রহমান ও তার পরিবার উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার প্রসিডিং সংরক্ষিত আছে, সেই মামলার প্রসিডিংয়ে আসামি এবং সাক্ষীরা তাদের জবানবন্দিতে সবিস্তারে বলেছেন, কখন কোথায় কীভাবে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে দেখা করেছিল, তিনি কীভাবে ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর মেজর জেনারেল সফি উল্লাহকে সরিয়ে দিয়ে জিয়াউর রহমানকে সেনাবাহিনী প্রধান করেছিন খোন্দকার মোস্তাক।’

তিনি বলেন, ‘আমরা রাজপথে এখনো নামিনি, আগামী মাসে পরিপূর্ণভাবে নামব। রাজপথে নামলে বিএনপি পালানোর জায়গা পাবে না। বিএনপিকে অবশ্য এখনও সারা দেশে খুঁজে পাওয়া যায় না, বিএনপি আছে নয়াপল্টনের অফিস এবং প্রেস ক্লাবের সামনে। বিএনপির সমাবেশে এখন অনেক নেতাকর্মী দেখতে পাচ্ছি। তাদের কীভাবে গর্তে ঢুকাতে হয়, সেই ওষুধ আমাদের জানা আছে। প্রয়োজনে প্রয়োগ করা হবে।’

রাঙ্গুনিয়া পৌর অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুল মোনাফ সিকদার। যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন।

সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ নেতা স্বজন কুমার তালুকদার, আবুল কাশেম চিশতি, জহির আহমদ চৌধুরী, মো. শাহজাহান সিকদার, নজরুল ইসলাম তালুকদার, ইদ্রিচ আজগর, বেদারুল আলম চৌধুরী বেদার, আকতার হোসেন খান, জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, আবু তাহের, এমরুল করিম রাশেদ ও শেখ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী।

আরও পড়ুন:
ভোলায় প্রাণহানির দায় বিএনপির: তথ্যমন্ত্রী
১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের প্রধান কুশীলব জিয়া: তথ্যমন্ত্রী
সরকারকে ধাক্কা দিতে গিয়ে বিএনপিই পড়ে গেছে: তথ্যমন্ত্রী
নির্বাচনি ট্রেন কারও জন্য থেমে থাকবে না: তথ্যমন্ত্রী
ফখরুল সাহেবরা রাজনৈতিক সংকটে: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Students protest over the organization of former Chhatra League leaders in Buet

বুয়েটে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের আয়োজন ঘিরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

বুয়েটে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের আয়োজন ঘিরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ বুয়েটে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের এক আয়োজনকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
রাত ৮টার দিকে বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা যখন ক্যাফেটরিয়া থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন শিক্ষার্থীরা ‘ছাত্রলীগের ঠিকানা এই বুয়েটে হবে না’ বলেও স্লোগান দেন। এ সময় বুয়েটের বিভিন্ন ব্যাচের পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার্থী আবরার হত্যার পর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করে কর্তৃপক্ষ। রাজনীতি নিষিদ্ধের মধ্যেই ক্যাম্পাসে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করে বুয়েট ছাত্রলীগের সত্তর ও আশির দশকের সাবেক নেতারা। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

শনিবার বিকেল ৫টা থেকে বুয়েট ক্যাফেটরিয়ার সেমিনারে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বুয়েটের সাবেক নেতাদের ব্যানারে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান শুরু হয়।

খবর পেয়ে সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্যাফেটরিয়ার বাইরে জড়ো হতে থাকেন।

এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে ‘ছাত্ররাজনীতির ঠিকানা, এই বুয়েটে হবে না’, ‘আমার ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেব না’ ইত্যাদি লেখাসংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

রাত ৮টার দিকে বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা যখন ক্যাফেটরিয়া থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন শিক্ষার্থীরা ‘ছাত্রলীগের ঠিকানা এই বুয়েটে হবে না’ বলেও স্লোগান দেন। এ সময় বুয়েটের বিভিন্ন ব্যাচের পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

তার কিছুক্ষণ পর আশির দশকে বুয়েট ছাত্রলীগের এক নেতা শিক্ষার্থীদের সামনে আসেন। বলেন, ‘আমরা শুধুমাত্র জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের সদস্যদের জন্য দোয়া করতে আসছি।’

তখন শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে আমরা সবাই ভালোবাসি। বঙ্গবন্ধু সবার। ওনার জন্য দোয়া করতে ছাত্রলীগের ব্যানার কেন ব্যবহার করতে হবে? বিশ্ববিদ্যালয় তো ওনার জন্য দোয়া করতই।’

শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘শোক দিবস পালন নিয়ে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। আমাদের আপত্তি ব্যানারে ছাত্রলীগ শব্দ ব্যবহারে।’

সাবেক ওই ছাত্রলীগ নেতা বলেন, ‘আমরা জানি বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ। আমাদের প্রোগ্রামে ছাত্রলীগের কোনো শিক্ষার্থী ছিল না। সবাই সত্তর-আশির দশকের নেতৃবৃন্দ ছিল। আমরা সবাই সাবেক।’

এ সময় শিক্ষার্থীরা বলে উঠেন, ‘সাবেক ছাত্রলীগই আবরার ভাইকে হত্যা করেছে। আপনারাই আবরার ভাইকে হত্যা করেছেন।’

শিক্ষার্থীরা তখন ‘ছাত্রলীগ খুনি’ বলে স্লোগান দেয়া শুরু করলে সাবেক নেতারা বেরিয়ে যান।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শের-ই-বাংলা হলে আবরার ফাহাদ রাব্বীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সবাই বুয়েটের শিক্ষার্থী।

হত্যার ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে পরদিন ৭ অক্টোবর রাজধানীর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহতের বাবা বরকত উল্লাহ।

আবরার হত্যার ঘটনায় বিক্ষোভে ফেটে পড়ে বুয়েটের শিক্ষার্থীরা। লাগাতার বিক্ষোভ আন্দোলনের পর ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করে কর্তৃপক্ষ।

মামলাটির বিচারিক কাজ শেষে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান।

আরও পড়ুন:
অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা
উপজেলা ছাত্রলীগ সম্পাদকের বিরুদ্ধে গৃহবধূর ধর্ষণ মামলা
কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা
ছাত্রলীগের পদ ছাড়াই বিদায় নিতে হবে অনেক কর্মীকে
চবি ছাত্রলীগের কমিটিতে ‘বিতর্কিত’ নেতার ছড়াছড়ি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sohail Taj was not discussed in the party forum

সোহেল তাজকে নিয়ে দলে আলোচনা বাড়ছে

সোহেল তাজকে নিয়ে দলে আলোচনা বাড়ছে তানজিম আহমদ সোহেল তাজ। ছবি: সংগৃহীত
আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ বলেন, ‘সোহেল তাজ দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহমদের সন্তান। তিনি নিজেও যোগ্য। শিক্ষা, পরিবার এবং যোগ্যতা বিবেচনায় তিনি দলে পদ পেতেই পারেন। তবে দলীয় ফোরামে এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।’

দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সন্তান ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমদ সোহেল তাজকে নিয়ে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে আওয়ামী লীগে। তার বোন মাহজাবিন আহমদ মিমির ফেসবুকে দেয়া একটি পোস্ট থেকে এ আলোচনার সূত্রপাত।

শাসক দলের নেতারা বলছেন, সোহেল তাজ আওয়ামী পরিবারের সন্তান। তিনি সৎ ও যোগ্য। দলে পদ পেতেই পারেন। তাকে নিয়ে সংগঠনের ভেতরে আলোচনা আছে এবং সাম্প্রতিক সময়ে তা বাড়ছে। তবে সংগঠনে তার পদ পাওয়া নিয়ে দলীয় ফোরামে কোনো আলোচনা হয়নি।

আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ এ বিষয়ে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সোহেল তাজ দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহমদের সন্তান। তিনি নিজেও যোগ্য।

‘এর আগে দলের মনোনয়নে সংসদ সদস্য এবং স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। যে কোনো কারণে সেসব ছেড়ে দিয়ে তিনি আমেরিকা চলে গিয়েছিলেন। এখন দলে কাজ করতে চাচ্ছেন। শিক্ষা, পরিবার এবং যোগ্যতা বিবেচনায় তিনি দলে পদ পেতেই পারেন। তবে পদ ছোট হবে না বড় হবে সেটা বলতে পারি না। তবে দলীয় ফোরামে এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।’

এমন স্ট্যাটাস দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে মাহজাবিন আহমদ মিমি বলেন, ‘সোহেল (সোহেল তাজ) সব সময় আওয়ামী লীগে ছিল। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী থেকে পদত্যাগ করার পরও দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। আওয়ামী লীগের প্রতিটি সম্মেলনেই সে উপস্থিত থেকেছে। দলে সক্রিয় হওয়ার বিষয়ে সে পরিবারে আলোচনা করেছে। আমরাও বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচক মতামত দিয়েছি।’

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা বা তিনি কোনো ইঙ্গিত দিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে মিমি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোহেলকে স্নেহ করেন। তিনি সবসময় চেয়েছেন সে দলে সক্রিয় থাকুক। নির্বাচনের আগে সবসময় একটা ষড়যন্ত্র হয়। বিভিন্ন গোষ্ঠী আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে। তাই আমরা মনে করছি এ সময় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে যোগ্য, বিশ্বস্ত ও নিবেদিতদের থাকা প্রয়োজন।’

তাজউদ্দীন আহমদ-জোহরা তাজউদ্দীন দম্পতির ছোট সন্তান এবং সোহেল তাজের বোন মাহজাবিন আহমদ মিমি বৃহস্পতিবার রাতে তার ফেসবুক প্রোফাইলে লেখেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আসন্ন কাউন্সিল অধিবেশনে তানজিম আহমদ (সোহেল তাজ) দলীয় নেতৃত্বে আসছেন ইনশাআল্লাহ। জয় বাংলা! জয় বঙ্গবন্ধু! জয়তু শেখ হাসিনা!! বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।’

এই স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। অফ লাইন-অনলাইন দুই মাধ্যমেই আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থক-অনুসারীরা এ বক্তব্যের মমার্থ খুঁজতে শুরু করেন। অনেকেই সোহেল তাজকে শুভ কামনা জানান।

নেতাকর্মীদের পাশাপাশি দলীয় নেতাদের মধ্যেও এ নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চলে। এমনকি ‘সোহেল তাজ আওয়ামী লীগের সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ পদ পাচ্ছেন’ শীর্ষক গণমাধ্যমে একটি রিপোর্টও হয়। সোহেল তাজ তার ফেসবুক পেজে সেই রিপোর্ট এবং লিংক শেয়ারও করেছেন। তার ফেসবুক পেজেও অসংখ্য মানুষ তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

তবে আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, সম্মেলনের আগে এ ধরনের আলোচনা হওয়াটা স্বাভাবিক। কে দলে আসবে, কে বাদ যাচ্ছেন তা নিয়ে প্রতিবারই কথা হয়। কিন্তু সম্মেলনের এখনও অনেক দেরি। এখনই এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলার সুযোগ নেই।

জানতে চাইলে দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘যিনি স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি সোহেল তাজের বোন। ভাই বড় পদে থাকুক তারা সেটা চাইবেন এটাই স্বাভাবিক। তবে দলে এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে বলে আমার জানা নেই।’

এদিকে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবন গণভবন-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, নিকট অতীতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাজউদ্দীন পরিবারের কেউ দেখা করতে আসেননি। তবে তারা পারিবারিকভাবে ঘনিষ্ঠ। নিজেদের মধ্যে ফোনে যোগাযোগ আছে।

আওয়ামী লীগে পদ পাওয়া নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টে সোহেল তাজ একটি বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি দলের (আওয়ামী লীগের) জন্য সর্বদা প্রস্তুত আছি। যে কোনো পরিস্থিতিতে দল যদি মনে করে যে আমি অবদান রাখতে পারি, তাহলে আমাকে ডাকলে যাব। আমি আওয়ামী লীগের জন্য অতীতে প্রস্তুত ছিলাম, এখনো প্রস্তুত, ভবিষ্যতেও তৈরি থাকব।’

তাজ আরও বলেন, ‘আমি মনে করি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। তার জ্বলন্ত উদাহরণ পদ্মা সেতু। এখন প্রয়োজন মানবিক উন্নয়ন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশের মানুষের একটা সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন। এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও চাচ্ছেন বলে আমি মনে করি। সেজন্য তার (প্রধানমন্ত্রী) পাশে যোগ্য ও নিবেদিত মানুষ প্রয়োজন, তাকে সহায়তা করার জন্য।’

সোহেল তাজের ছেড়ে দেয়া গাজীপুরের কাপাসিয়া আসনে আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য তার মেজ বোন সিমিন হোসেন রিমি। যিনি এর আগে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

আরও পড়ুন:
তাজউদ্দীনের জন্মদিনে সোহেল তাজের আক্ষেপ, আ.লীগের পোস্ট
৩ নভেম্বরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দাবিতে গণভবনে সোহেল তাজ

মন্তব্য

p
উপরে