× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Have a little faith will not eat digbaji CEC
hear-news
player
print-icon

একটু আস্থা রাখুন, ডিগবাজি খাব না: সিইসি

একটু-আস্থা-রাখুন-ডিগবাজি-খাব-না-সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার - সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আমাদের ওপর একটু আস্থা রাখুন। আস্থা রাখতে গিয়ে চোখ বন্ধ করে রাখলে হবে না। আপনাদের নজরদারি থাকতে হবে। আমরা কি আসলেই সাধু পুরুষ না ভেতরে ভেতরে অসাধু। সেই জিনিসটা আপনারা যদি নজরদারি না রাখেন, তাহলে আপনারাও আপনাদের দায়িত্ব পালন করলেন না।’

নির্বাচন কমিশনের ওপর রাজনৈতিক দলগুলোকে আস্থা রাখার অনুরোধ করলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমের ওপর নজর রাখার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

সিইসি বলেন, ‘আমাদের ওপর একটু আস্থা রাখুন। আস্থা রাখতে গিয়ে চোখ বন্ধ করে রাখলে হবে না। আপনাদের নজরদারি থাকতে হবে। আমরা কি আসলেই সাধু পুরুষ না ভেতরে ভেতরে অসাধু। সেই জিনিসটা আপনারা যদি নজরদারি না রাখেন, তাহলে আপনারাও আপনাদের দায়িত্ব পালন করলেন না।

‘কঠোর নজরদারিতে আমাদের রাখতে হবে। কোনো কমপ্লেইন পেয়েছেন? সঙ্গে সঙ্গে আমাদের কাছে পাঠান। অনেক টেলিফোন থাকবে সে সময়। ক্যামেরা দিয়ে হয়তো আমরা অনেক সেন্টার ওয়াচ করতে পারব। আমরা প্রতিশ্রুতি যে দিচ্ছি তার কিছু মূল্য থাকা উচিত। একেবারে যে আমরা ডিগবাজি খেয়ে যাব তা তো নয়। সেটি হওয়ার কথা নয়।'

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মঙ্গলবার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের অষ্টম দিনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা বলেন সিইসি।

একটু আস্থা রাখুন, ডিগবাজি খাব না: সিইসি
ইসির সঙ্গে রাজনৈতিক সংলাপে বসে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ দলের প্রতিনিধিরা। ছবি: নিউজবাংলা

দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে ইসি। তারই অংশ হিসেবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছে সাংবিধানিক সংস্থাটি।

এর আগে কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করে। সে ভোটে ব্যাপক অনিয়ম, দিনের ভোট রাতে হওয়াসহ বিভিন্ন কেন্দ্রে শতভাগ ভোট পড়ারও অভিযোগ ওঠে। এরপর ইসির ওপর আস্থা হারানোর কথা বলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল।

হুদা কমিশনের মেয়াদ শেষের পর দায়িত্ব নিয়ে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নতুন কমিশন চেষ্টা করছে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে একটা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেয়ার।

তবে এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোকেও ইসিকে সহায়তা করতে হবে বলে জানান সিইসি হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন নির্বাচনের আইন অনুযায়ী হবে। সময় দেয়া হবে। ভোটাররা যাবেন। ভোট দিতে থাকবেন। আমরা আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে আমাদের অংশের দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করব। পাশাপাশি আপনাদের (রাজনৈতিক দল) অনুরোধ থাকবে, আপনারাও কিছু দায়িত্ব নেবেন। দায়িত্ব নিয়ে অর্থশক্তি, পেশিশক্তি, ভোটকেন্দ্রের শৃঙ্খলা রক্ষার চেষ্টা করবেন। আমরা দায়িত্বটা শেয়ার করব।’

ভোটে অর্থশক্তির ব্যবহার বন্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলারও আহ্বান জানান সিইসি।

হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘অর্থশক্তিকে আমরা কীভাবে সামাল দেব, আপনারা আমাকে একটা বুদ্ধি দেন। দেশে অর্থ বেড়েছে। আমাদের সবার বাড়িতে বস্তা বস্তা টাকা। বস্তা বস্তা অর্থ আমরা নির্বাচনে ব্যয় করি। এই অর্থ নিয়ন্ত্রণ করব কীভাবে?

‘যেটা প্রকাশ্যে হয় তার কিছুটা নির্বাচন কমিশনে দেখানো হয় যে, ৫ লাখ টাকা খরচ করেছে। তার বাইরে গিয়ে যদি আমি গোপনে ৫ কোটি টাকা খরচ করি, কীভাবে আপনি আমাকে ধরবেন বা আমি আপনাকে ধরব? এগুলোও সম্ভব যদি এ জন্য সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা হয়। সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘একটি অপসংস্কৃতি হয়ে গেছে। পয়সা নিয়ে ঢালতেছি। মাস্তান হায়ার করতেছি। প্রফেশনাল কিলারও হায়ার করতে খুব বেশি পয়সা লাগবে না। এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে আমাদের সবাইকে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। অর্থশক্তি, পেশিশক্তির ব্যাপারে আমরা এখনই কিছু বলতে পারব না। মাঠে আপনাদের থাকতে হবে। তথ্যগুলো পাঠালে আমরা কিন্তু সাহায্য করব।’

সংলাপে ইভিএমে ভোট নিয়েও জমিয়তের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন সিইসি। বলেন, ‘লাঠি দিয়ে হকিস্টিক দিয়ে ইভিএম মেশিনটা ভেঙে ফেলতে পারবেন। কিন্তু এখানে ভোটের নড়চড় হবে না। একজন লোক যদি ব্যালটে ১০০টা করে, পাঁচজন লোক যদি ৫০০টা করে ভোট দেয়, ভোট দিলে পাঁচজন। কিন্তু ভোট কাউন্ট হলো ৫০০।

‘ভোটের হার তো অনেকবেশি। কিন্তু সেটি কী ৫০০ ভোট, নাকি ৫ ভোট? পাঁচজন যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করল, সেটি ৫০০ জনের পক্ষে। এমন বিভিন্ন ধরনের সমস্যা আছে। এখন এটা আমি বলতে চাচ্ছি, কীভাবে সমস্যাগুলো ব্যালান্স করা যায়, একটা নিরপেক্ষ ও দুর্নীতিমুক্ত নির্বাচন করা যায় সেই চেষ্টা করছি।’

এ সময় বৈঠকে একাদশ সংসদ নির্বাচনের কথা উঠলে জানান, তিনি সে নির্বাচন সম্পর্কে কিছু জানেন না, দেখেনওনি। তবে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন আগের নির্বাচনের মতো হবে না বলে আস্থা রাখতে অনুরোধ করেন রাজনৈতিক দলটির নেতাদের।

সিইসি বলেন, ‘আপনারা আমাদেরকে অবশ্যই চাপে রাখবেন। আমি বিশ্বাস করি এটা প্রয়োজন আছে। আপনাদেরকেও আমাদের উপর নজরদারি রাখতে হবে। আমাদের থেকে কোনো অনিয়ম লক্ষ্য করলে তা প্রকাশ করে দেবেন।’

‘আমরা কোনোভাবেই পক্ষপাতিত্ব করতে চাই না’-যোগ করেন সিইসি।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কর্মপদ্ধতি ঠিক করতে ভোটের দেড় বছর আগেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করছে ইসি। এ লক্ষ্যে ৩৯টি রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে অনড় থাকা বিএনপিসহ বেশ কয়েকটি সমমনা দল ইসির এ সংলাপ বর্জন করেছে।

অষ্টম দিনে এসে ২৮টি দলের সঙ্গে সংলাপ হওয়ার কথা থাকলেও সর্বশেষ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ‘না’ করে দেয়ায় মঙ্গলবার পর্যন্ত সংলাপে অংশ নেয়া দলের সংখ্যা দাঁড়াবে ২১টি। এরপর আরও ১১ দলের সঙ্গে ইসির সংলাপে বসার কথা রয়েছে, যা চলবে এ মাসের শেষ দিন পর্যন্ত।

আরও পড়ুন:
নির্বাচন কমিশন মন্ত্রণালয় নয়: সিইসি
নির্বাচনকালীন সরকার সহায়তা না দিলে প্রশ্নবিদ্ধ হবে ভোট: সিইসি
ইভিএম বিরোধিতায় মুসলিম লীগ, দাবি ‘না’ ভোটেরও
ইসির সংলাপে এলডিপি ও বাসদের ‘না’
বিনিয়োগ আকর্ষণে বিএসইসির সেমিনার আজ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
There are excesses in Barguna IGP will take action Home Minister

বরগুনায় বাড়াবাড়ি হয়েছে, ব্যবস্থা নেবেন আইজিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বরগুনায় বাড়াবাড়ি হয়েছে, ব্যবস্থা নেবেন আইজিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরগুনায় পুলিশের ‍পিটুনির শিকার হন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। ফাইল ছবি
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বরগুনার ঘটনায় বাড়াবাড়ি করেছে। এটা কেন হলো আইজিপিকে বলা হয়েছে, ব্যবস্থা নিতে। তদন্ত হয়ে আসুক। আমার কাছে মনে হয়েছে, এতটা বাড়াবাড়ি ঠিক হয়নি। এটা ঘটানো উচিত হয়নি।’

বরগুনায় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের গণহারে পিটুনির ঘটনায় পুলিশের বাড়াবাড়ি ছিল বলে মনে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। এই ঘটনায় পুলিশের মহাপরিদর্শক বা আইজিপি বেনজীর আহমেদকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

জাতীয় শোক দিবসের আয়োজনে সোমবার বরগুনায় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের পুলিশের ‍পিটুনির পর দিন সচিবালয়ে সংবাদমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সচিবালয়ে মঙ্গলবার ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হ্যাসের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বরগুনার ঘটনা আমরা যেটা দেখেছি, এটা বাড়াবাড়ি করেছেন। অহেতুক কেন এমন হলো এটা আইজি সাহেবকে বলা হয়েছে। তিনি এটার ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

‘দেখুন এটি আমি ফেসবুকে দেখেছি, আপনারা যেমন দেখেছেন। এটা একটা তদন্ত কমিটি হয়েছে, এটা শেষ হয়ে আসুক। আমার কাছে মনে হয়েছে, এটা এতটা বাড়াবাড়ি হওয়া উচিত হয়নি। কার বাড়াবাড়ি সেটা ইনভেস্টিগেশনে বের হবে। আমি বলছি, যেটা হয়েছে এটা হওয়া উচিত হয়নি। এটা না হলেও পারত। এটা এভাবে হওয়া উচিত হয়নি।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বরগুনায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি কমপ্লেক্সে তার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে ফেরার সময় শিল্পকলা একাডেমির সামনে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ওপর পদবঞ্চিত কয়েকজন হামলা চালান। এ সময় দুই পক্ষের নেতা-কর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

পরে পুলিশ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বেধড়ক লাঠিপেটা করে। এর ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর সঙ্গে এক পুলিশ কর্মকর্তার তর্কাতর্কির ভিডিওটিও ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।

ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এর বিচার চাইছেন। যদিও এর মধ্যেই বরগুনা ছাত্রলীগের সভাপতি বিবৃতি দিয়ে পুলিশের পক্ষ নিয়েছেন। তবে জেলা আওয়ামী লীগ এর নিন্দা জানিয়েছে।

এদিকে জেলা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের মধ্যে পুলিশের লাঠিপেটার এ ঘটনায় তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে উপস্থিত পুলিশের ভূমিকার বিষয়টি তদন্তে জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ তিন কর্মকর্তার সমন্বয়ে সোমবার রাতে এ কমিটি হয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘সবার স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও খাদ্যের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে’
‘বিএনপি বিশৃঙ্খলা করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বসে থাকবে না’
বিএনপির শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বাধা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Strike on August 25 to demand lower oil prices

তেলের দাম কমানোর দাবিতে ২৫ আগস্ট হরতাল

তেলের দাম কমানোর দাবিতে ২৫ আগস্ট হরতাল
রাজধানীর শাহবাগে এক সমাবেশ থেকে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন বাম জোটের সমন্বয়ক ও ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুস ছাত্তার।

জ্বালানি তেলের দাম কমানোসহ কয়েকটি দাবিতে আগামী ২৫ আগস্ট দেশজুড়ে অর্ধদিবস হরতাল ডেকেছে গণতান্ত্রিক বাম জোট।

রাজধানীর শাহবাগে মঙ্গলবার দুপুরে এক সমাবেশ থেকে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন বাম জোটের সমন্বয়ক ও ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুস ছাত্তার।

তিনি বলেন, ‘আগামী ২৪ তারিখের মধ্যে তেল, সার, পরিবহন ভাড়া না কমালে ২৫ আগস্ট অর্ধদিবস হরতাল। সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারাদেশে এই হরতাল পালন করা হবে। আমরা এই কর্মসূচির নাম দিয়েছি দাম কমাও, জান বাঁচাও।’

এর আগে দুপুর ১২টার দিকে জ্বালানি তেল ও ইউরিয়া সারের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার এবং গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে পল্টন মোড় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে মিছিল নিয়ে রওনা হন বাম জোটের নেতাকর্মীরা। বিক্ষোভ মিছিলটি সাড়ে ১২টার দিকে শাহবাগ পৌঁছালে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে।

পুলিশের সঙ্গে নেতাকর্মীদের চলতে থাকে ধস্তাধস্তি। এক পর্যায়ে শাহবাগ পার হতে না পেরে নেতাকর্মীরা শিশু পার্কের গেটের সামনে সমাবেশ শুরু করেন।

বৈশ্বিক পরিস্থিতির কথা জানিয়ে দেশে গত ৫ আগস্ট জ্বালানি তেলের দাম আরেক দফা বাড়ানোর ঘোষণা দেয় সরকার। নতুন দর অনুযায়ী, ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ৩৪ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এক লিটার ডিজেল ও কেরোসিন কিনতে হচ্ছে ১১৪ টাকায়।

অন্যদিকে অকটেনের দাম লিটারে বাড়ানো হয় ৪৬ টাকা। এখন প্রতি লিটার অকটেন কিনতে ১৩৫ টাকা ‍গুনতে হচ্ছে। এর বাইরে লিটারপ্রতি ৪৪ টাকা বাড়ানো হয় পেট্রলের দাম। এখন থেকে জ্বালানিটির প্রতি লিটারের দাম ১৩০ টাকা।

আরও পড়ুন:
তেলের দাম কমানোর মিছিল শাহবাগে আটকাল পুলিশ
বিশ্ববাজারে অশোধিত তেলের ব্যারেল ৯০ ডলারের নিচে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
I have faked my face and called it hell instead of paradise State Minister Zakir

মুখ ফসকে জান্নাতের বদলে জাহান্নাম বলে ফেলেছি: প্রতিমন্ত্রী জাকির

মুখ ফসকে জান্নাতের বদলে জাহান্নাম বলে ফেলেছি: প্রতিমন্ত্রী জাকির ছড়িয়ে পড়া ভিডিও থেকে নেয়া স্ক্রিনশট।
‘রাজীবপুরের সভায় বঙ্গবন্ধুর জন্য শুভকামনা করার সময় আমি তার জন্য জান্নাতের সবচেয়ে ভালো স্থান কামনা করেছি। কিন্তু বক্তব্যের একপর্যায়ে মুখ ফসকে জান্নাতের জায়গায় জাহান্নাম শব্দটি উচ্চারিত হয়েছে, যা অনিচ্ছাকৃত।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্য জান্নাত কামনা করতে গিয়ে ‘মুখ ফসকে’ জাহান্নাম শব্দটি ব্যবহার করে ফেলেছেন বলে দাবি করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন।

সোমবার জাতীয় শোক দিবসের এক অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রামে ওই বক্তব্যের পর সমালোচনার মুখে পড়ে নিউজবাংলার কাছে এ দাবি করেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, ‘ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামে পৌঁছে ক্লান্ত অবস্থাতেই প্রথমে রৌমারী পরে চিলমারি এবং সর্বশেষ রাজীবপুরে শোক দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে হয়েছে।

‘রাজীবপুরের সভায় বঙ্গবন্ধুর জন্য শুভকামনা করার সময় আমি তার জন্য জান্নাতের সবচেয়ে ভালো স্থান কামনা করেছি। কিন্তু বক্তব্যের একপর্যায়ে মুখ ফসকে জান্নাতের জায়গায় জাহান্নাম শব্দটি উচ্চারিত হয়েছে, যা অনিচ্ছাকৃত।’

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতেও প্রতিমন্ত্রীর ওই ভুলের ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাজীবপুরে প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বক্তব্যের একপর্যায়ে মুখ ফসকে জাহান্নাম শব্দ উচ্চারণ করে ফেলেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি সেটি সংশোধন করে নেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রতিমন্ত্রীর অসাবধানতাবশত এ উচ্চারণকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার অপপ্রয়াসে লিপ্ত না হবার জন্য তিনি বিনীত অনুরোধ করেছেন। এরপরও কেউ এ নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালালে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে প্রতিমন্ত্রী জানান।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকীতে প্রতিমন্ত্রী কুড়িগ্রামের তিনটি উপজেলায় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। এর মধ্যে রাজীবপুরে আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় তিনি জান্নাতের জায়গায় জাহান্নাম শব্দ উচ্চারণ করেন। তবে আগে-পরে বেশ কয়েকবার তিনি জান্নাত শব্দ উচ্চারণ করেন।

কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য জাকিরের এই বক্তব্য মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওঠে সমালোচনার ঝড়।

আরও পড়ুন:
খুনি চক্র এখনও সক্রিয়, জাতি সাবধান: তাপস
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
No one compares to Bangabandhu Chunnu

বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে কারো তুলনা নেই: চুন্নু

বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে কারো তুলনা নেই: চুন্নু কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে সোমবার সন্ধ্যায় দোয়া মাহফিলে বক্তব্য দেন দলের মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু। ছবি: নিউজবাংলা
চুন্নু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ছিলেন অবিসংবাদিত নেতা তার সঙ্গে কারো তুলনা নেই। বঙ্গবন্ধু এবং তার পরিবারের সদস্যদের ষড়যন্ত্রকারীরা নৃশংসভাবে হত্যা করেছে, তাদের প্রতি ঘৃণা জানাই। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাই আমরা স্বাধীন স্বার্বভৌম একটি দেশ পেয়েছি। বঙ্গবন্ধুর ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার ইচ্ছা ও বাসনা ছিল।’

বঙ্গবন্ধু ছিলেন অবিসংবাদিত নেতা, তার সঙ্গে কারো তুলনা নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।

সোমবার জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী ও শোক দিবস উপলক্ষে জাতীয় পার্টির আয়োজনে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর কাকরাইলে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দেয়া মাহফিল হয়।

চুন্নু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ছিলেন অবিসংবাদিত নেতা তার সঙ্গে কারো তুলনা নেই। বঙ্গবন্ধু এবং তার পরিবারের সদস্যদের ষড়যন্ত্রকারীরা নৃশংসভাবে হত্যা করেছে, তাদের প্রতি ঘৃণা জানাই। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন।
তাই আমরা স্বাধীন স্বার্বভৌম একটি দেশ পেয়েছি। বঙ্গবন্ধুর ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার ইচ্ছা ও বাসনা ছিল।

‘তাই সরকারে প্রতি আহ্বান জানাই, দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি কমিয়ে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনা হোক। আমরা হানাহানি চাই না। সুখি-সমৃদ্ধি একটি বাংলাদেশ চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের নেতা জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাকে নতুন বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ৬৮ হাজার গ্রামবাংলার উন্নয়ন করেছেন।’

সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, প্রেসিডিয়াম সদস্য ফকরুল ইমাম, মো. সফিকুল ইসলাম সেন্টু, রেজাউল ইসলাম ভূঞা, জহিরুল ইসলাম জহির, মোস্তফা আল মাহমুদ।

আরও পড়ুন:
শোক দিবসে ক্রিকেটারদের শ্রদ্ধা
খুনি চক্র এখনও সক্রিয়, জাতি সাবধান: তাপস
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল
জাতির পিতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
শোক দিবসে বনানী কবরস্থানে ফুলেল শ্রদ্ধা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Didis support boosted cash

দিদির সমর্থন পেয়ে চাঙ্গা কেষ্ট

দিদির সমর্থন পেয়ে চাঙ্গা কেষ্ট তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট। ছবি: সংগৃহীত
আইনজীবীর কাছে কেষ্ট মণ্ডল বলেছেন, ‘গরু পাচারের এই ঘটনার সঙ্গে আমার কোন যোগ নেই। আমি নির্দোষ। জানতাম, দিদি বুঝতে পারবেন, পাশে থাকবেন। এটাই কাম্য ছিল।’

গরু পাচার মামলায় ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (সিবিআই) হেফাজতে থাকা তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট এখন মানসিকভাবে চাঙ্গা। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক জনসভায় তার প্রশংসা করায় কেষ্ট বেজায় খুশি। আইনজীবী মারফত এ কথা জেনে কেষ্ট বলেছেন, ‘জানতাম, দিদি পাশে থাকবেন’

আইনজীবী অনির্বাণ গুহ জানান, দল পাশে আছে কিনা তা জানতে উদগ্রীব ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। তার মারফত মমতার বার্তা পেয়ে খুশি হয়ে যান অনুব্রত।

আইনজীবীর কাছে কেষ্ট মণ্ডল বলেছেন, ‘গরু পাচারের এই ঘটনার সঙ্গে আমার কোন যোগ নেই। আমি নির্দোষ। জানতাম, দিদি বুঝতে পারবেন, পাশে থাকবেন। এটাই কাম্য ছিল।’

রোববার বেহালার একটি সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, ‘অনুব্রতকে গ্রেপ্তার কেন? কী করেছিল? কেষ্টকে জেলে আটকালে কী হবে? এজেন্সির কিছু লোক আছে, ওদের টাকা দিয়ে পোষে। মাঝ রাতে কেন সিবিআই বাড়িতে ঢুকছে?

‘কেষ্টরা ভয় পাবে না। একটা কেষ্ট ধরলে লক্ষ কেষ্ট রাস্তায় তৈরি হবে। গরু পাচার রোখার দায়িত্ব বিএসএফের। তাহলে তো তাদের মন্ত্রী অমিত শাহের জেলে যাওয়া উচিত।’

সোববার অনুব্রতর আইনজীবী তার সঙ্গে দেখা করেন এবং মমতার সমর্থনের কথা জানান।

১১ আগস্ট বীরভূমের নিচু পট্টির বাড়ি থেকে সিবিআই আটক করে অনুব্রত মণ্ডলকে। গরু পাচার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে তুলে ১০ দিনের হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২০ আগস্ট।

তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট মণ্ডল এর আগে অসুস্থতার অজুহাত তুলে ১০ বার সিবিআই নোটিশ এড়িয়ে যান। এবার তাকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি শুক্রবার সকালে কলকাতার আলিপুর কমান্ডো হাসপাতালে প্রায় ঘণ্টাখানেক তার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলে। ৪ সদস্যের বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ড জানিয়ে দেয়, কেষ্ট মণ্ডলের বড় কোনো শারীরিক সমস্যা নেই।

বীরভূমের প্রভাবশালী এ নেতাকে গরু পাচার মামলায় সিবিআই কর্মকর্তারা প্রশ্নবাণে জর্জরিত করলেও স্বীকারোক্তি মেলেনি। জিজ্ঞাসাবাদের মুখে কেষ্ট জবাব দিচ্ছেন দায় এড়িয়ে।

কলকাতার নিজাম প্যালেসের ১৪ তলায় সিবিআই গেস্ট রুমে রাখা হয়েছে অনুব্রত মণ্ডল কেষ্টকে। শ্বাসকষ্টের পুরনো সমস্যার কারণে তার শোবার চৌকির পাশে রাখা আছে অক্সিজেন সিলিন্ডার। ১০ দিনের হেফাজতে তাকে ডায়েট চার্ট মেনে খাবার দিতে বলেছে আদালত।

আরও পড়ুন:
গরু পাচার মামলায় ‘টেনশনে’ কেষ্ট
গরু পাচার মামলায় গ্রেপ্তার তৃণমূলের কেষ্ট
আমাদের দুর্নীতিগ্রস্ত বলে দাগ লাগানোর চেষ্টা চলছে: তৃণমূল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangabandhus call to increase practice to build a non sectarian rich country

অসাম্প্রদায়িক-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে বঙ্গবন্ধু চর্চা বাড়ানোর আহ্বান

অসাম্প্রদায়িক-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে বঙ্গবন্ধু চর্চা বাড়ানোর আহ্বান জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান। ছবি: নিউজবাংলা
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ইতিহাসের এক ঘৃণ্য দিন। এ দিনেই ঘাতকের নির্মম বুলেটে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে শাহাদত বরণ করতে হয়। তাকে হত্যার মাধ্যমে জাতির ইতিহাসকে উল্টোপথে নেয়ার অপচেষ্টা চালানো হয়।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন-দর্শন নতুন প্রজন্ম ও যুবসমাজের কাছে পৌঁছে দিতে ‘বঙ্গবন্ধু চর্চা’ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

উপাচার্য বলেছেন, বঙ্গবন্ধু চর্চা বাড়ালে অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন এক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভায় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, কোষাধ্যক্ষ মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজসহ অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, কর্মচারী সমিতি, কারিগরি কর্মচারী সমিতি ও চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়নের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

রেজিস্ট্রার প্রবীর কুমার সরকার অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

সভার শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্মের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়।

উপাচার্য আখতারুজ্জামান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ইতিহাসের এক ঘৃণ্য দিন। এ দিনেই ঘাতকের নির্মম বুলেটে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে শাহাদত বরণ করতে হয়। তাকে হত্যার মাধ্যমে জাতির ইতিহাসকে উল্টোপথে নেয়ার অপচেষ্টা চালানো হয়।’

জাতির পিতার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের নানান দিক তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন। শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়ে তিনি দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ঘটাতে চেয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর এই শিক্ষা-দর্শনের হুবহু বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।’

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সফল বাস্তবায়ন এবং তার অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এর আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।

দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান ভবন ও হলগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়, সেই সঙ্গে উত্তোলন করা হয় কালো পতাকা।

সকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

সকালে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা পরিদর্শন করেন।

এ ছাড়া উপাচার্য ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি আয়োজিত ‘মহাকালের খেরো খাতায় বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।

জোহরের নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ মসজিদুল জামিয়াসহ প্রত্যেক হল ও আবাসিক এলাকার মসজিদে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল শহীদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল এবং বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার অন্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

আরও পড়ুন:
পদানবতি পাওয়া শিক্ষককে স্বপদে পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত
রাবিতে পরীক্ষা দিতে প্রস্তুত বেলায়েত
ঢাবির ‘চ’ ইউনিটের অঙ্কনে পাস ১৬.০৫ শতাংশ 
ঢাবিতে কষ্ট পেলেও থামছেন না বেলাল
ঢাবির ‘গ’ ইউনিটে ফেল প্রায় ৮৬ শতাংশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
15 injured in clash in 2 groups of A League at Kangali Bhoj

কাঙালি ভোজে আ.লীগের ২ গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ১৫

কাঙালি ভোজে আ.লীগের ২ গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ১৫
নেত্রকোণা মডেল থানার ওসি জানান, চল্লিশা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লালচান মিয়া ও আওয়ামী লীগ নেতা বিপ্লব খানের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

নেত্রকোণা সদরের চল্লিশা ইউনিয়নে জাতীয় শোক দিবসের কাঙালি ভোজে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চল্লিশা ইউনিয়নের বাঘরা বাজারে এ সংঘর্ষ হয়। গুরুতর আহত চারজনকে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নেত্রকোণা মডেল থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, চল্লিশা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লালচান মিয়া ও আওয়ামী লীগ নেতা বিপ্লব খানের নেতাকর্মীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

এ বিষয়ে লালচান মিয়া বলেন, ‘জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আমরা বাঘরা বাজারে একটি মার্কেটের সামনে কাঙালি ভোজ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করি। আওয়ামী লীগ নেতা বিপ্লব খানের নেতৃত্বে কিছু লোক এসে হামলা চালান। পরে আমাদের নেতাকর্মীরা তাদের প্রতিহত করেন।’

বিপ্লব খান বলেন, ‘আমরা বাঘরা ফাজিল মাদ্রাসার পাশে কাঙালি ভোজ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছিলাম। প্রতিপক্ষের লোকজন আমাদের অনুষ্ঠান পণ্ড করতে চাইলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন নেতাকর্মী জানান, কাছাকাছি স্থানে দুই পক্ষের কাঙালি ভোজ আয়োজনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই উত্তেজনা বিরাজ করছিল। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হঠাৎ দুই পক্ষ লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

নেতাকর্মীরা আরও জানান, সংঘর্ষে চল্লিশা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবদুল জলিল, সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান লালু, সহসভাপতি জনি মিয়া, সুলতান মাহমুদ মিলন, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা জুয়েল মিয়া, লিটন মিয়া, এরশাদ মিয়া ও মজিবুর রহমানসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।

আবদুল জলিল, সাইফুর রহমান লালু, জনি মিয়া ও সুলতান মাহমুদ মিলনকে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ওসি বলেন, ‘পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিপ্লব খান ও আপ্তাব উদ্দিন নামের দুইজনকে হেফাজতে নিয়ে এসেছি। এ ঘটনায় এখনও কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি।’

আরও পড়ুন:
বিএনপি-ছাত্রলীগ সংঘর্ষে আহত ৩০
প্রশাসনকে ছাত্রদল সভাপতির হুঁশিয়ারি
ভোলায় সংঘর্ষ: নিহত ছাত্রদল নেতার দেহে গুলির চিহ্ন
দুই কর্মী নিহত: ভোলায় বিএনপির ব্যাপক বিক্ষোভ
ভোলায় সংঘর্ষে আহত জেলা ছাত্রদল সভাপতির মৃত্যু

মন্তব্য

p
উপরে