× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
8 injured in attack on Hindu family
hear-news
player
print-icon

হিন্দু পরিবারের ওপর হামলায় আহত ৮

হিন্দু-পরিবারের-ওপর-হামলায়-আহত-৮
আজমিরীগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) সোহরাব রুস্তম বলেন, ‘হাসপাতালে আটজন ভর্তি হন। তাদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। শক্ত কিছু দিয়ে তাদের মারপিট করা হয়েছে।’

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে বাড়িতে ঢুকে এক হিন্দু পরিবারের নারীসহ আট সদস্যকে মারধর করা হয়েছে।

জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে স্থানীয় সাইজ উদ্দিন ও তার স্বজনরা এই হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে অবশ্য তাদের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফোন দেয়া হলে তারা কেউ বাড়িতে নেই বলে জানানো হয়েছে।

উপজেলার বদরপুর গ্রামে সোমবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুক আলী নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আহতরা হলেন রবীন্দ্র সূত্রধর, গোপাল সূত্রধর, প্রীতি সূত্রধর, কবিতা সূত্রধর, বিকাশ সূত্রধর, রথীন্দ্র সূত্রধর ও রনধীর সূত্রধর। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

স্থানীয়দের বরাতে ওসি জানান, বদরপুর গ্রামের বাসিন্দা রথীন্দ্র সূত্রধর বীজ বপনের জন্য জমি প্রস্তুত করে রাখেন। সেই জমিতে জোর করে বীজ বপন করতে শুরু করেন পাশের কালনীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সাইজ উদ্দিন। এ সময় রথীন্দ্র ও তার ছেলে বাধা দিলে সাইজ উদ্দিন ও তার ভাইরা তাদের গালাগাল করে ও মারধরের হুমকি দেয়।

রথীন্দ্র সূত্রধরের ভাই নিখিল সূত্রধর বলেন, ‘সাইজ উদ্দিনের জমির পাশেই আমাদের জমি। সাইজ উদ্দিনরা আমাদের অনেক জায়গা জোর করে দখল করেছে। এখন ছোট একটি বীজতলাও তারা দখলে নেয়ার চেষ্টা করছে। আমরা বীজতলাটি তৈরি করে রেখে আসতেই সাইজ উদ্দিন ও তার ভাইয়েরা এতে বীজ বাইন (বপন) করতে শুরু করে।

‘আমার ভাই ও ভাতিজা বাধা দিলে সাইজ উদ্দিনরা গালাগাল শুরু করে। এ সময় আমার ভাতিজা তার বাবাকে ওখান থেকে নিয়ে আসে এবং আইনের আশ্রয় নেয়ার কথা জানায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সাইজ উদ্দিন ও তার ভাইয়েরা হামলা চালায়। আমার ভাইয়েরা দৌড়ে বাড়িতে চলে এলে তারাও বাড়িতে এসে মারপিট শুরু করে। এমনকি ঘরের নারীদের মারপিট করে বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করে।’

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

আজমিরীগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) সোহরাব রুস্তম বলেন, ‘হাসপাতালে আটজন ভর্তি হন। তাদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। শক্ত কিছু দিয়ে তাদের মারপিট করা হয়েছে।’

হামলার বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত সাইজ উদ্দিনকে ফোন দেয়া হলে তা রিসিভ করেন তার মা। তিনি জানান, তার কোনো সন্তান বাড়িতে নেই। কোথায় আছেন তাও তিনি জানেন না। এর পরই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুক আলী বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে ঘটনার মূল কারণ আমরা জানার চেষ্টা করছি।’

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রে ফের হামলা, নাগরিকের গুলিতে নিহত বন্দুকধারী
জমির বিরোধে শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ
ঘোড়াঘাটের ইউএনওকে হত্যাচেষ্টার রায় ৩ মাসের মধ্যে
‘ঘের দখ‌লে প্রতিবাদ করায়’ শিক্ষ‌কের ওপর হামলা
‘একাত্তরেও এখানে নিরাপদ ছিলাম, এখন নেই’ 

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Two killed in a collision between two motorcycles

দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত দুই

দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত দুই সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা গেছে দুই বাইকের সংঘর্ষের ঘটনা। ছবি সিসিটিভির ফুটেজ থেকে নেয়া
বিকেল ৪টার দিকে নিউমার্কেট থেকে মোটরসাইকেলে করে বের হয়েছিলেন ইসমাইল ও আল আমিন। ঢাকা রোড ব্রিজের পাশে রোজা ফার্নিচারের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে তাদের বাইকের সংঘর্ষ হয়। 

যশোরে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুই আরোহী নিহত হয়েছেন।

যশোর-ঢাকা রোডের রোজা ফার্নিচারের সামনে বুধবার বিকেল ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

নিহতরা হলেন যশোর শহরের বারান্দী মোল্যাপাড়ার ইসমাইল হোসেন ও সিটি কলেজপাড়া বউ বাজার এলাকার আল আমিন হোসেন। তারা দুজন ছিলেন বন্ধু।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (পরিদর্শক-তদন্ত) মো. মনিরুজ্জামান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বিকেল ৪টার দিকে নিউমার্কেট থেকে মোটরসাইকেলে করে বের হয়েছিলেন ইসমাইল ও আল আমিন। ঢাকা রোড ব্রিজের পাশে রোজা ফার্নিচারের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে তাদের বাইকের সংঘর্ষ হয়।

স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শুভাশিস রায় জানান, হাসপাতালে নেয়ার আগেই দুই বন্ধুর মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:
বিজয় সরণিতে লরিচাপায় মোটরসাইকেল চালক নিহত
পেট ফেটে জন্মানো শিশুকে টাকা দেয়ার সময় বাড়াল হাইকোর্ট
রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসচাপায় হাইওয়ে পুলিশ নিহত
বাস উল্টে আহত ১৫ শ্রমিক
পিকআপের চাপায় টমটমের দুই যাত্রী নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BRTC is helpless under the pressure of bus owners

বাস মালিকদের দাপটে অসহায় সরকারি সংস্থা

বাস মালিকদের দাপটে অসহায় সরকারি সংস্থা ফরিদপুরে বিআরটিসি বাসের যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে জেলা বাস মালিক সমিতি।
মঙ্গলবার বোয়ালমারী থেকে বিআরটিসি বাস চালু করে কর্তৃপক্ষ। উদ্বোধনের পরদিন বুধবার সকাল ৭টায় বোয়ালমারী টার্মিনাল থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকার গুলিস্তানের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে একটি বাস। পথে ভাঙ্গা বাস টার্মিনালে এসে যাত্রী তুলতে গেলে সেটিকে আটকে দেয় সেখানকার বাস মালিক সমিতির লোকজন। নামিয়ে দেয়া হয় যাত্রীদের।

উদ্বোধনের একদিন পরেই ফরিদপুরের বোয়ালমারী থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা চলাচলে সরকারি সংস্থা বিআরটিসি বাস বন্ধ করে দিয়েছে জেলা বাস মালিক সমিতি। এমনকি মাঝপথ থেকে নামিয়ে দেয়া হয়েছে যাত্রীদের। তাদের সঙ্গে করা হয়েছে দুর্ব্যবহার, বাসের শ্রমিকদের হাত পা কেটে দেয়ার হুমকিও এসেছে।

পরিবহন মালিকদের কাছে সরকারি সংস্থার এই করুণ ‘আত্মসমর্পণে’ যাত্রীরা একইসঙ্গে হতাশ ও ক্ষুব্ধ। এর কারণ, বিআরটিসির বাসে ভাড়া যেমন তুলনামূলক কম, সেই সঙ্গে আসনও কিছুটা আরামদায়ক।

এই অবস্থায় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নিলেও রুখে দাঁড়িয়েছে জনতা। বিআরটিসি বাস চলতে দেয়া না হলে বোয়ালমারীতে ফরিদপুর জেলা বাস মালিক সমিতির কোনো বাস ঢুকতে দেয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে তারা।

পদ্মাসেতু চালু হওয়ার আগে থেকেই ফরিদপুরের বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিআরটিসি বাস চলাচলের দাবি উঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিআরটিসি কর্তৃপক্ষ ফরিদপুরের নগরকান্দা থেকে বাস চালু করে।

মঙ্গলবার বোয়ালমারী থেকে বিআরটিসি বাস চালু করে কর্তৃপক্ষ। উদ্বোধনের পরদিন বুধবার সকাল ৭টায় বোয়ালমারী টার্মিনাল থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকার গুলিস্তানের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে একটি বাস।

পথে ভাঙ্গা বাস টার্মিনালে এসে যাত্রী তুলতে গেলে সেটিকে আটকে দেয় সেখানকার বাস মালিক সমিতির লোকজন। নামিয়ে দেয়া হয় যাত্রীদের। ফলে চরম বিপাকে পড়েন তারা।

বাসের সুপারভাইজার তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের বাসটি সকাল ৭টায় ভাঙ্গা টার্মিনালের কাছে পৌঁছালে সেটিকে আটকে দেয়া হয়। আমাকে মারধর করে এবং হাত পা কেটে ফেলার হুমকি দেয়।’

যাত্রী ইমরান ফরহাদ বলেন, ‘আমাদের বাসটি ভাঙ্গা বাস টার্মিনালে আসার পর বেশ কয়েক ব্যক্তি চালকের কাছ থেকে চাবি ছিনিয়ে নেয়। তারা চালক ও হেলপারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। যাত্রীদের সঙ্গেও তারা অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।’

বাস বন্ধ করে দেবার খবর বোয়ালমারীতে পৌঁছালে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

বেশ কয়েকজন ক্ষুব্ধ মানুষ ঘোষণা দেন, বিআরটিসি বাস চলাচল বন্ধ করা হলে ফরিদপুর জেলা বাস মালিক সমিতির কোনো গাড়িই বোয়ালমারীর উপর দিয়ে চলাচল করতে দেয়া হবে না।

বিআরটিসির ম্যানেজার (অপারেশন) মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘বিআরটিসির বাস বন্ধ করার কোনো এখতিয়ার নেই জেলা বাস মালিক গ্রুপের। পরিবহন সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। সেই হিসাবে বিআরটিসি বাস চলাচল বন্ধ করা ঠিক হয়নি।’

ফরিদপুর জেলা বাস মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আনিচুর রহমান বলেন, ‘বিআরটিসি সারাদেশের ২৩ রুটে যে রুট পারমিট দিয়েছে সেখানে কোন উপজেলার অনুমতি নেই। তাছাড়া জেলা বাস মালিক গ্রুপ থেকেও অনুমতি নেয়নি। ফলে আমরা বিআরটিসি বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছি।’

এ বিষয়ে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান বলেন, ‘বাস চলাচলের বিষয়ে একটি ঝামেলার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। আশা করছি এ সমস্যাটির সমাধান হয়ে যাবে।

‘বিআরটিসির পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
বাসে ডাকাতি-ধর্ষণ: ১০ জনকে আদালতে তোলা হচ্ছে বিকেলে  
বিআরটিএ ঘুমিয়ে, ফায়দা নিয়েই যাচ্ছে রাইদা
সরকার পতন নিয়ে সংশয়ে আব্বাস-গয়েশ্বর
স্বাধীন পরিবহন ভাড়া কাটে ‘স্বাধীনভাবে’
চলন্ত বাসে ডাকাতির সময় ধর্ষণ ‘রতনের নির্দেশে’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
4 life for human trafficking

মানব পাচারের দায়ে ৪ জনের যাবজ্জীবন

মানব পাচারের দায়ে ৪ জনের যাবজ্জীবন
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) রকিব উদ্দিন বলেন, ‘১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে অভিযোগ প্রমাণের ভিত্তিতে বিচারক চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। পাশাপাশি একটি ধারায় ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।’

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মানব পাচার মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। খালাস দেয়া হয়েছে চারজনকে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক নাজমুল হক শ্যামল তিন আসামির উপস্থিতিতে বুধবার দুপুরে এ রায় দেন।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডিতরা হলেন মর্জিনা বেগম, জেসমিন বেগম, মো. টিটু ও সাহাবুদ্দিন। এর মধ্যে জেসমিন বেগম পলাতক।

পরিদর্শক জানান, ২০১৬ সালের ২৭ ডিসেম্বর বায়েজিদ নামের ৮ বছরের এক শিশু নিখোঁজ হয়। পরে বায়েজিদের মা নারায়ণগঞ্জ র‍্যাব-১১-এর কাছে অভিযোগ করেন, তার ছেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ চাওয়া হচ্ছে। মুক্তিপণ না পেলে বায়েজিদকে হত্যার হুমকিও দিয়েছেন অপহরণকারীরা। এরপর ১৮ জানুয়ারি সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগং রোড এলাকা থেকে বায়েজিদকে উদ্ধার করে র‍্যাব।

এ ঘটনায় ৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর সায়েদাবাদ ও সিদ্ধিরগঞ্জ বাগমারা এলাকা থেকে ৮ জনকে আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মানব পাচার আইনে মামলা হয়।

ওই বছরের শেষের দিকে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা। এতে বলা হয়, অপহরণকারীরা বায়েজিদকে অপহরণের কথা স্বীকার করেন। একই সঙ্গে তারা আরও অন্তত ১৭টি শিশু অপহরণের কথাও জানান।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) রকিব উদ্দিন বলেন, ‘১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে অভিযোগ প্রমাণের ভিত্তিতে বিচারক চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। পাশাপাশি একটি ধারায় ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
কুষ্টিয়ায় জোড়া খুনের ১৩ বছর পর ৫ জনের যাবজ্জীবন
স্কুলছাত্রী ধর্ষণ, অটোচালকের যাবজ্জীবন
প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ভাতিজিকে হত্যা, ২ জনের যাবজ্জীবন
তাইজ হত্যার ১০ বছর পর ৩ জনের যাবজ্জীবন
কৃষক হত্যায় যাবজ্জীবন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Trawler loaded with sugar sank in Meghna

মেঘনায় ডুবল চিনিবোঝাই ট্রলার

মেঘনায় ডুবল চিনিবোঝাই ট্রলার
পরিদর্শক বলেন, ‘স্থানীয় জেলেরা নৌকা ডেকে এনে ট্রলার থেকে ৩০০ বস্তা চিনি উদ্ধার করতে পেরেছেন। বাকি বস্তাসহ ট্রলারটি ডুবে গেছে। এ চিনি ভোলার হোসেন ট্রেডার্সের। মালিক ঘটনাস্থলে এসেছেন।

ব‌রিশা‌লের মেঘনা নদীতে সাড়ে ৩ হাজারের বেশি বস্তা চিনি নিয়ে একটি ট্রলার ডুবে গেছে।

হিজলা উপজেলার কাইছমা বাজারসংলগ্ন এলাকায় বুধবার সকাল ১০টায় তলা ফেটে ট্রলারটি ডুবে যায়।

হিজলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক বিকাশ চন্দ্র দে নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ফারহান-ফাহিম নামের ট্রলারটি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থেকে ৩ হাজার ৭২০ বস্তা চিনি নিয়ে ভোলার উদ্দেশে রওনা দেয়। নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ায় চালক ডুবোচর খেয়াল করেননি। ট্রলারটি একটি ডুবোচরে উঠে গেলে এর তলা ফেটে কাত হয়ে যায়। একপর্যায়ে প্রচণ্ড বাতাস ও ঢেউয়ের তোড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।

এ সময় টহলে থাকা নৌপুলিশের একটি দল ট্রলারে থাকা পাঁচজনকে উদ্ধার করে।

পরিদর্শক বলেন, ‘স্থানীয় জেলেরা নৌকা ডেকে এনে ট্রলার থেকে ৩০০ বস্তা চিনি উদ্ধার করতে পেরেছেন। বাকি বস্তাসহ ট্রলারটি ডুবে গেছে। এ চিনি ভোলার হোসেন ট্রেডার্সের। মালিক ঘটনাস্থলে এসেছেন।’

আরও পড়ুন:
ধনুতে ট্রলারডুবি, নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার 
ধনুতে ট্রলারডুবি: নারীর মরদেহ উদ্ধার, শিশু নিখোঁজ
পদ্মায় ধানবোঝাই ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ২
গজারিয়ায় ট্রলারডুবি: নিখোঁজ বাকি দুজনের মরদেহ উদ্ধার
গজা‌রিয়ায় ট্রলারডু‌বি: মৃত বেড়ে ৩

মন্তব্য

বাংলাদেশ
30 injured in clash over return of money to go abroad

প্রবাসে যাওয়ার টাকা ফেরত নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩০

প্রবাসে যাওয়ার টাকা ফেরত নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩০
সরাইল সার্কেলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুর বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ছাড়াও এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা আছে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের জয়ধরকান্দি গ্রামে বুধবার বেলা ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

সরাইল সার্কেলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, জয়ধরকান্দি গ্রামের আল আমিন প্রবাসে আছেন। প্রবাসে যাওয়ার আগে বোরহান নামের একজনকে বিদেশ নেয়ার জন্য তার কাছ থেকে টাকা নেন আল আমিন। বুধবার সকালে বোরহান তার টাকা ফেরত চান আল আমিনের বাবার কাছে৷ এ নিয়ে কথা কাটাকাটি থেকে দুইপক্ষ দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

আহতরা হলেন, বকুল, বিল্লাল, শাসসু, আজগর, শিমুল, তকির, বাহার, নাহিদ, নাদিম, জুবায়েদ, জসিম, ইলিয়াস, হারিস। তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুর আরও বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ছাড়াও এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা আছে।’

আরও পড়ুন:
পুলিশ বন্ধু, ভোলার প্রাণহানি দুর্ঘটনা: বিএনপি নেতা
বিএনপি-ছাত্রলীগ সংঘর্ষে আহত ৩০
প্রশাসনকে ছাত্রদল সভাপতির হুঁশিয়ারি
ভোলায় সংঘর্ষ: নিহত ছাত্রদল নেতার দেহে গুলির চিহ্ন
দুই কর্মী নিহত: ভোলায় বিএনপির ব্যাপক বিক্ষোভ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
10 fishermen are missing after the trawler sinks in the rough sea

উত্তাল সাগরে ট্রলার ডুবে নিখোঁজ ১০ জেলে

উত্তাল সাগরে ট্রলার ডুবে নিখোঁজ ১০ জেলে প্রতীকী ছবি
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি বলেন, ‘সাগরে মাছ শিকারের সময় বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার মিজান মল্লিকের মালিকানাধীন এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারের মাঝি আবুল কালাম দুই জেলেকে ভাসতে দেখে উদ্ধার করেন। এ ছাড়া চার জেলে ভাসতে ভাসতে পটুয়াখালীর মহিপুরে উঠেছেন।’

বরগুনার পাথরঘাটায় বঙ্গোপসাগরে একটি ট্রলার ডুবে গেছে। এ সময় দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও নিখোঁজ রয়েছেন ১০ জেলে।

উপজেলা থেকে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকায় বুধবার সকাল ৮টার দিকে ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায় ট্রলারটি। বিকেল ৫টা পর্যন্ত দুই জেলেকে উদ্ধার করে অপর একটি ট্রলারের জেলেরা।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারের মাঝি আবুল কালাম তাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিখোঁজ জেলেদের মধ্যে ৪০ বছরের আখতার হোসেন ও ২৪ বছরের সোহেল রয়েছেন। তাদের বাড়ি নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার সন্দীপ এলাকায়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অপর নিখোঁজদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ‘কয়েক দিন আগে রসদ সামগ্রী নিয়ে এফবি নিশান ফিস ট্রলারটি গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারের জন্য যায়। নিম্ন চাপের কারণে সাগর উত্তাল থাকায় বুধবার সকাল ৮টার দিকে বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকায় ট্রলারটি ডুবে যায়।

‘সাগরে মাছ শিকারের সময় বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা মিজান মল্লিকের মালিকানাধীন এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারের মাঝি আবুল কালাম দুই জেলেকে ভাসতে দেখে উদ্ধার করেন। এ ছাড়া চার জেলে ভাসতে ভাসতে পটুয়াখালীর মহিপুরে উঠেছেন।’

এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারটি উদ্ধার হওয়া ওই দুই জেলেকে বৃহস্পতিবার ঘাটে নিয়ে আসবে বলেও জানান তিনি।

কোস্টগার্ডের পাথরঘাটা স্টেশনের পেটি অফিসার আনোয়ার হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঘটনাটি আমি আপনার কাছেই শুনলাম। খোঁজ নিয়ে দেখছি।’

আরও পড়ুন:
পদ্মায় ট্রলার উল্টে ছাত্রলীগ নেতা নিখোঁজ
ধনুতে ট্রলারডুবি, নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার 
ধনুতে ট্রলারডুবি: নারীর মরদেহ উদ্ধার, শিশু নিখোঁজ
পদ্মায় ধানবোঝাই ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ২
গজারিয়ায় ট্রলারডুবি: নিখোঁজ বাকি দুজনের মরদেহ উদ্ধার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Manslaughter for rejecting a proposal of love Sentence of youth to death

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় হত্যা: যুবকের মৃত্যুদণ্ড

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় হত্যা: যুবকের মৃত্যুদণ্ড রায়ের পর কারাগারে নেয়ার পথে দণ্ডিত সঞ্জয়। ছবি: নিউজবাংলা
গ্রেপ্তারের পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সঞ্জয় চন্দ্র। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বুধবার আসামির উপস্থিতিতে আদালত এ রায় দেয়। রায়ের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সিরাজগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আব্দুর রহমান নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডিত ২২ বছরের শ্রী সঞ্জয় চন্দ্র সরকারের বাড়ি বেলকুচি উপজেলার শোলাকুড়া গ্রামে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শোলাকুড়া গ্রামের শ্রী পবিত্র সরকারের মেয়ে পূজা সরকারকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে প্রতিবেশী সঞ্জয় চন্দ্র প্রায়ই প্রেমের প্রস্তাব দিত। পূজা প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। এরই মধ্যে পূজাকে অন্যত্র বিয়ে দেয়ার জন্য পাত্র খুঁজতে থাকেন বাবা। পাত্রপক্ষ পূজা সরকারকে দেখতেও আসে।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে পূজাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন সঞ্জয়। ২০২১ সালের ৩ মে বাড়িতে ঢুকে পূজাকে ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যান তিনি।

এ ঘটনায় পূজার বাবা বেলকুচি থানায় হত্যা মামলা করেন। গ্রেপ্তারের পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সঞ্জয় চন্দ্র। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বুধবার আসামির উপস্থিতিতে আদালত এ রায় দেয়। রায়ের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন:
কন্যাকে পায়ে পিষে হত্যা, বাবার মৃত্যুদণ্ড
ব‍্যবসায়ী হত‍্যা মামলায় ২ জনের মৃত‍্যুদণ্ড
স্ত্রী হত্যা মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড
ক্ষমা বিশ্বাস হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড
আপিলে খালাস মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি

মন্তব্য

p
উপরে