× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Middle income people turned into low income people Abbas
hear-news
player
print-icon

মধ্যম আয়কারীরা নিম্ন আয়ের মানুষে পরিণত: আব্বাস

মধ্যম-আয়কারীরা-নিম্ন-আয়ের-মানুষে-পরিণত-আব্বাস
সিলেটে সোমবার দুপুরে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। ছবি: নিউজবাংলা
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ হায় হায় কোম্পানির কবলে পড়েছে, আর আওয়ামী লীগ হয়ে গেছে খাই খাই কোম্পানি। এই সরকারের লুটপাটের কারণের দেশের মধ্যম আয়ের মানুষ আজ নিম্ন আয়ের মানুষে পরিণত হয়েছে।’

সরকারের লুটপাটের কারণে দেশের মধ্যম আয়কারীরা এখন নিম্ন আয়ের মানুষে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

সোমবার দুপুরে সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন ও ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ যৌথভাবে এই ক্যাম্পের আয়োজন করে।

সেখানে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ হায় হায় কোম্পানির কবলে পড়েছে, আর আওয়ামী লীগ হয়ে গেছে খাই খাই কোম্পানি। এই সরকারের লুটপাটের কারণে দেশের মধ্যম আয়ের মানুষ আজ নিম্ন আয়ের মানুষে পরিণত হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ উৎপাদনের নামে পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে সরকার জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করছে। আওয়ামী লীগের লুটপাটের কারণে এই দেশটাই একদিন শেষ হয়ে যাবে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমান উল্লাহ আমান ও বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী।

আমান উল্লাহ আমান বলেন, ‘এই সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। শাহজালালের পুণ্যভূমি থেকেই সরকার পতনের আন্দোলনের সূচনা হবে।’

ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, ড. এনামুল হক চৌধুরী, ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন ও সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

আয়োজকরা জানান, ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পে ৫০ জনের বেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে সহস্রাধিক বন্যাদুর্গত মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
মন্ত্রিসভায় নোংরা লোক: মির্জা আব্বাস
সমালোচনা করলেই সরকার গোস্বা করে: মির্জা আব্বাস
যত পেটান, আমাদের শক্তি বাড়বে: পুলিশকে মির্জা আব্বাস
‘বিএনপির অগ্রযাত্রা আর ঠেকিয়ে রাখা যাবে না’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
In the 50 years of independence the Sada Dal of DU has not seen such a bad time

স্বাধীনতার ৫০ বছরে এমন বাজে সময় দেখেনি ঢাবির সাদা দল

স্বাধীনতার ৫০ বছরে এমন বাজে সময় দেখেনি ঢাবির সাদা দল জ্বালানি ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে সাদা দলের নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা
‘বিশ্বে যখন জ্বালানি তেলের দাম কমছে, তখন আত্মঘাতী একটি সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দেশে দাম বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যুৎ খাতেও বিপর্যয় ঘটেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে জনগণের ‌অবস্থা নাভিশ্বাস। ডিমের দামও বেড়ে গেছে। সরকার জনগণকে নিয়ে খেলতামাশা লাগিয়ে রেখেছে, ছিনিমিনি খেলছে। কারণ তারা জানে জনগণের ভোট তাদের লাগে না।’

বর্তমান সময়কে ক্রান্তিকাল হিসেবে দেখছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপি ও জামায়াতপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল। তাদের দাবি, স্বাধীনতার ৫০ বছরের মধ্যে দেশে বর্তমানের মতো এত কঠিন সময় আর আসেনি।

বিদ্যুৎ খাতে বিপর্যয় এবং জ্বালানি ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে মানববন্ধনে এসব কথা বলেন সাদা দলের নেতারা।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশের যে পরিস্থিতি সেটি জাতির একটি ক্রান্তিলগ্ন। স্বাধীনতার পর এ রকম ক্রান্তিলগ্ন এ দেশের মানুষ দেখেনি। আমরা জনগণের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবেকবান শিক্ষকরা এখানে দাঁড়িয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ খাতের এই বিপর্যয় একদিনে ঘটেনি। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ খাতের অব্যবস্থাপনা, চুরি-ডাকাতি এবং রেন্টাল ও কুইক রেন্টালের নামে টাকা-পয়সা যে পাচার করা হয়েছে কিংবা দিয়ে দেয়া হয়েছে, তারই সমন্বিত প্রভাব আজকের এই বিদ্যুৎ খাতের বিপর্যয়। জনগণের পিঠ আজ দেয়ালে ঠেকে গেছে। সরকারের উচিত দায়িত্বশীল আচরণ করে এই দুর্ভোগ কমানো।’

সাদা দলের সাবেক আহ্বায়ক ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্বে যখন জ্বালানি তেলের দাম কমছে, তখন আত্মঘাতী একটি সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দেশে দাম বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যুৎ খাতেও বিপর্যয় ঘটেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে জনগণের ‌অবস্থা নাভিশ্বাস। ডিমের দামও বেড়ে গেছে। সরকার জনগণকে নিয়ে খেলতামাশা লাগিয়ে রেখেছে, ছিনিমিনি খেলছে। কারণ তারা জানে জনগণের ভোট তাদের লাগে না।’

বিরোধীদের আন্দোলনে বাধা না দেয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের কথা তুলে ধরে ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘এসব কথা মুখে মধু রেখে অন্তরে বিষ রাখার মতো।

‘ভোলায় মিছিল হয়েছে, ছাত্রদলের সভাপতি মারা গেছে, তাদের মধু খাওয়াইছে নাকি বিষ খাওয়াইছে সেটা হচ্ছে দেখার বিষয়। সুতরাং আন্দোলন করলে কিছু করা হবে না, এ সমস্ত ভণ্ড কথা বাদ দেয়া উচিত।’

ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ সাদা দলের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি ও অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আল আমিনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে ফিন্যান্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাদা দলের সাবেক আহ্বায়ক ও রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক এমরান কাইয়ুম, আব্দুস সালামও মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন:
ঢাবির ‘চ’ ইউনিটের অঙ্কনে পাস ১৬.০৫ শতাংশ 
ঢাবিতে কষ্ট পেলেও থামছেন না বেলাল
ঢাবির ‘গ’ ইউনিটে ফেল প্রায় ৮৬ শতাংশ
ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের ফল আজ
১০২ পাউন্ডের কেক কেটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fakhrul wants to investigate the human rights situation under the supervision of the United Nations

জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে মানবাধিকার পরিস্থিতির তদন্ত চান ফখরুল

জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে মানবাধিকার পরিস্থিতির তদন্ত চান ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘জোর করে ক্ষমতায় থাকা এই অবৈধ সরকারের সঙ্গে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর তুলনা করতে হবে। নির্যাতন, হত্যা, গুম করে অনির্বাচিত এই সরকার দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা ধ্বংস করেছে। সবাই মিলে তাদেরকে হটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে কমিটি গঠন করে বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতির সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে এক দোয়া মাহফিলে অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান। খালেদা জিয়ার ৭৮তম জন্মদিন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ঢাকা মহানগর বিএনপি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে দেশে ভয়াবহ ফ্যাসিবাদী শাসন চলছে। রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে অত্যাচার-নির্যাতন করে ক্ষমতায় বসে আছে সরকার। এ কথাগুলো আমরা বার বার বলে আসছি।

‘দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার ইতিহাস হলো গণতন্ত্রের ইতিহাস। তিনি সারাটা জীবন গণতন্ত্র রক্ষা, পুনরুদ্ধার ও চর্চায় ব্যয় করেছেন। খালেদা জিয়া একটি প্রতিষ্ঠান। দেশের মানুষকে মুক্ত করতে তিনি লড়াই করে চলেছেন। গণতন্ত্রের জন্যই ভয়াবহ ফ্যাসিস্ট সরকার মিথ্যা মামলায় তাকে কারান্তরীণ করে রেখেছে।

‘আমাদের নেতা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে নির্বাসিত করে রাখা হয়েছে। ৩৫ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে। প্রতিদিন গ্রেপ্তার ও মিথ্যা মামলা দিচ্ছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘জোর করে ক্ষমতায় থাকা এই অবৈধ সরকারের সঙ্গে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর তুলনা করতে হবে। নির্যাতন, হত্যা, গুম করে অনির্বাচিত এই সরকার দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা ধ্বংস করেছে।

‘সরকারের পায়ের তলায় মাটি নেই, জনগণ তাদের সঙ্গে নেই। তারপরও এই সরকার সহজে যাবে না। সবাই মিলে তাদেরকে হটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তি প্রথম দাবি উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই সরকারকে পদত্যাগ করে, সংসদ বিলুপ্ত করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে।’

মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন ঢাকা মহানগর বিএনপি দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম, উত্তরের আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, বিএনপি নেতা আবদুস সালাম, মীর সরাফত আলী সপু প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
বিএনপির কর্মসূচিতে ড্রোন, ফখরুল বললেন, ‘ভয় পাই’
সরকারের দিন ফুরিয়ে এসেছে: ফখরুল
জ্বালানি তেল নিয়ে মন্ত্রী নাকি সচিব ঠিক, প্রশ্ন ফখরুলের
আর কান্না নয়, এবার জাগতে হবে: ফখরুল
যুগপৎ আন্দোলন হবেই, নিশ্চিত ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangladesh will be the world champion in mismanagement GM Quader

অব্যবস্থাপনায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবে বাংলাদেশ : জি এম কাদের

অব্যবস্থাপনায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবে বাংলাদেশ : জি এম কাদের জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। ফাইল ছবি
জি এম কাদের বলেন, ‘এমন মৃত্যু মেনে নেয়া যায় না। ভারী ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা সংরক্ষিত থাকার কথা। কার অবহেলায় ঝুঁকিপূর্ণ স্থানটি সংরক্ষণ করা হয়নি, তা খতিয়ে দেখে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।’

অব্যবস্থাপনায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবে বাংলাদেশ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদের। সোমবার বিআরটি প্রকল্পের গার্ডার চাপায় পাঁচ ও চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডে ছয়জনের মৃত্যুতে মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তিনি এমন মন্তব্য করেন।

শোকবার্তায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান।

জি এম কাদের বলেন, ‘এমন মৃত্যু মেনে নেয়া যায় না। ভারী ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা সংরক্ষিত থাকার কথা। কার অবহেলায় ঝুঁকিপূর্ণ স্থানটি সংরক্ষণ করা হয়নি, তা খতিয়ে দেখে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

‘জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ যেন অব্যবস্থাপনার স্বর্গরাজ্য। মনে হচ্ছে, জরিপে অব্যবস্থাপনায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবে বাংলাদেশ। প্রতিদিনই অবহেলা আর অব্যবস্থাপনায় অসংখ্য মায়ের কোল খালি হবে- এটাই যেন স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দুর্ঘটনা এখন দৈনন্দিন ঘটনায় পরিণত হয়েছে। তা সড়কপথে হোক, নৌপথে হোক কিংবা শিল্প-কারখানায় হোক বা যেকোনো জনসমাগমস্থলেই হোক। এভাবে চলতে দেয়া যায় না। দুটি দুর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হবে।’

কোনো দায়মুক্তি নয়, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

রাজধানীর চকবাজারের কামালবাগ এলাকার একটি চারতলা ভবনে আগুনের ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ছয়জন। আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রায় আড়াই ঘণ্টা কাজ করে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট। ভবনটির নিচতলার হোটেল থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা এমনটা জানালেও ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো বক্তব্য মেলেনি৷ পাঁচ সদস্যের কমিটি তদন্ত করে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে নিশ্চিত হবে।

তবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও প্রাথমিক তদন্তে বরিশাল হোটেল থেকেই যে আগুনের সূত্রপাত- এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন একাধিক সংস্থার কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে রাজধানীর উত্তরায় নির্মাণাধীন বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি প্রকল্পের ফ্লাইওভারের গার্ডার পড়ে পাঁচজন নিহত হন। ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangabandhu assassination commission outline ready Law Minister

বঙ্গবন্ধু হত্যার তদন্তে কমিশনের রূপরেখা প্রস্তুত: আইনমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু হত্যার তদন্তে কমিশনের রূপরেখা প্রস্তুত: আইনমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘আমরা কমিশনের রূপরেখা তৈরি করেছি। ২০১৯ সালে যখন প্ল্যান করলাম, তখন করোনার আক্রমণ শুরু হলো। এটার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুকন্যা ওতপ্রোতভাবে জড়িত৷ এ ক্ষেত্রে তার আদেশ শিরোধার্য। তিনি হয়তো পরিমার্জন করবেন, সে জন্য এর আগে আমি এটি জনসমক্ষে আনতে চাই না।’

দুই বছর আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডে তদন্ত কমিশন গঠনের কথা জানিয়েছিল ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। দুই বছর পরে এসে সে হত্যাকাণ্ডের তদন্তে ‘অচিরেই’ কমিশন গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। সে লক্ষ্যে একটি রূপরেখাও প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে মঙ্গলবার ‘সম্প্রীতির পথে সাফল্যের অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা জানান আইনমন্ত্রী। সভা আয়োজন করে সম্প্রীতি বাংলাদেশ নামের একটি সংগঠন।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘আমরা কমিশনের রূপরেখা তৈরি করেছি। ২০১৯ সালে যখন প্ল্যান করলাম, তখন করোনার আক্রমণ শুরু হলো। এটার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুকন্যা ওতপ্রোতভাবে জড়িত৷ এ ক্ষেত্রে তার আদেশ শিরোধার্য। তিনি হয়তো পরিমার্জন করবেন, সে জন্য এর আগে আমি এটি জনসমক্ষে আনতে চাই না।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে, তাকে হত্যা করা হবে, এটা কেউ ভাবতেও পারেনি। যারা ঘরের পাহারায় ছিল, তারাই বেইমানি করেছে। সে কারণেই তারা ঘরে ঢুকতে পেরেছে। বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে যদি কোনো আন্দোলন হতো, অপজিশন পার্টি থেকে, তাহলেও মানা যেত। ফলে এটাকে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বলা যাবে না। এটা ষড়যন্ত্রমূলক হত্যাকাণ্ড।’

বঙ্গবন্ধু হত্যা পরিকল্পিত ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবি করে আনিসুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশ এবং বঙ্গবন্ধু এটা অবিচ্ছেদ্য। যারা তাকে হত্যা করেছে, তারা বুঝতে পেরেছিল, যে ব্যর্থ রাষ্ট্র তারা করতে চেয়েছে, তার পরিবারের এক ফোঁটা রক্ত থাকলে সেটা তারা করতে পারবে না। এ থেকেই বোঝা যায়, এটি পূর্বপরিকল্পিত, ষড়যন্ত্রমূলক হত্যা।’

বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন বলে অনেক আগে থেকেই দাবি করে আসছেন আওয়ামী লীগের নেতারা।

এমনকি দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন সময় বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে জিয়াউর রহমানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে বক্তব্য দিয়েছেন। আইনমন্ত্রী আনিসুল হকও সে বিষয়টি সামনে এনেছেন।

জিয়াউর রহমানের সমালোচনা করে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান তো শুরুই করেছিলেন শাহ আইজুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রী বানিয়ে। তিনি ছিলেন রাজাকার নাম্বার ওয়ান। এ ছাড়া তার মন্ত্রিসভার অনেকেই আইয়ুব খানের মন্ত্রী ছিলেন। এই গোষ্ঠীর ধারাটা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যেই জিয়াউর রহমান দেশ শাসন শুরু করেছিলেন।’

আলোচনা সভায় বাংলাদেশে সফররত জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক চেয়রাম্যানের কাছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার লোকজনের অভিযোগ করা নিয়েও বক্তব্য দেন। বলেন, দেশে এখনও বাকস্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক চেয়ারম্যানের কাছে কিছু মানবাধিকারকর্মী বলেছে বাংলাদেশ নাকি পুলিশ স্টেট। অথচ এরা টক শোতে যায়, তারা অসভ্য ল্যাংগুয়েজ পর্যন্ত ব্যবহার করে। আমরা বাধা দিই না। এটাই বাকস্বাধীনতা। এটাই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা।’

আলোচনায় বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যের ঘটনায় তদন্ত কমিটি দাবি করেন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক।

তিনি বলেন, ‘আমরা আত্মতৃপ্তির জন্য বলে থাকি বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা কী তাই? বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যের ঘটনায় অত্যন্ত শক্তিশালী তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। অনেক শক্তিশালী লোকের নাম চলে আসবে তদন্তে। খেয়াল রাখতে হবে এমন কমিটি গঠন করতে হবে, যারা চোখ রাঙানোকে উপেক্ষা করতে পারবে।’

বিগত বিএনপি, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় বঙ্গবন্ধু হত্যার অনেক তথ্য গায়েব করে দিয়েছে বলে দাবি করেন এই বিচারপতি। বলেন, ‘এগুলো তো খুঁজে বের করা চাট্টিখানি কথা নয়। সেদিন শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল তা নয়, তার আদর্শকেও হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল।’

সভায় রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আলী শিকদার বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যা একটি গণহত্যার শামিল। এই হত্যাকাণ্ড তো হঠাৎ করে ঘটেনি। এর একটি বিশাল প্রেক্ষাপট ছিল। সেই গোষ্ঠী এখনও এ দেশে রাজনীতি করছে, এখনও সজাগ রয়েছে। পাকিস্তানিরা বলেছিল, একাত্তরের পরাজয়ের প্রতিশোধ তারা নেবেন। সে রূপরেখা ধরেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে।’

সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সচিব এ কে এম আতিকুর রহমান সভার সভাপতিত্ব করেন, সঞ্চালনা করেন বরেণ্য নাট্য অভিনেতা ও সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন:
ফুর্তি করতে আসিনি, পদ ছাড়তেও রাজি: বিএনপিকে সিইসি
অংশগ্রহণমূলক-স্বচ্ছ ভোটের প্রত্যাশা পশ্চিমাদের
ইসিতে পশ্চিমা কূটনীতিকরা
যাচ্ছেন দোরাইস্বামী, আসছেন দালেলা
এবার ঝিনাইদহ পৌর নির্বাচন স্থগিত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Noor will remove the government even with his life

জীবন দিয়ে হলেও সরকার হটাবেন নুর

জীবন দিয়ে হলেও সরকার হটাবেন নুর
প্রেস ক্লাবের সামনে মিছিলে নুরুল হক নুর বলেন, ‘শেখ হাসিনার উন্নয়ন আজ মানুষ মারার উন্নয়ন। গতকাল পাঁচজন গার্ডারের নিচে পড়ে মারা গিয়েছে। কোনো ঘটনা ঘটলে মন্ত্রীরা বলেন, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব। এখানেই শেষ। এটি নিয়ে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয় না।’

জীবন দিয়ে হলেও শেখ হাসিনা সরকার হটাবেন বলে জানিয়েছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর। নাটোরে কর্মী হত্যার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে যুব অধিকার পরিষদ আয়োজিত এক মিছিলে তিনি এ কথা বলেন।

নুরুল হক নুর বলেন, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য যুক্তরাষ্ট্র যেখানে আইজিপিসহ সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, সেখানে তাদের সরিয়ে না দিয়ে তাদের বেতন, গ্রেড ও সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। প্রশাসনের নির্ভরতায় শেখ হাসিনা টিকে আছেন। শেখ হাসিনা রাজনীতি ও প্রশাসনে এই দুর্বৃত্তায়ন ঘটিয়েছেন। বাংলাদেশকে একটি মাফিয়া সাম্রাজ্যে পরিণত করেছেন।

‘আমরা রাস্তায় নেমেছি। তাই জীবন দিয়ে হলেও শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদ থেকে দেশকে মুক্ত করব। যদি জীবন দিতে হয়, গুম হতে হয়, তাহলে হব।'

নুর বলেন, ‘হত্যার প্রতিবাদের নিউজ সাংবাদিকরা করছেন না। সেটি করা নাকি অফিস থেকে নিষিদ্ধ। মিডিয়া কি তাহলে পরীমনি আর ভংচং কভার করবে? তারা যা তৈরি করে দেবে, সেটাই জনগণকে খাওয়াতে চাচ্ছে। এ কারণে আজ মিডিয়া শুধু বঙ্গবন্ধুর আলোচনা নিয়ে আছে। এটি ভালো। এটি নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকন্যা যে ছয় শতাধিক মানুষকে গুম করেছেন, সেটি নিয়ে আলোচনা নেই। আজকে শেখ হাসিনাকে খুশি রাখার জন্য সবাই চাটুকারিতায় ব্যস্ত।'

নুর আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার উন্নয়ন আজ মানুষ মারার উন্নয়ন। গতকাল পাঁচজন গার্ডারের নিচে পড়ে মারা গিয়েছে। কোনো ঘটনা ঘটলে মন্ত্রীরা বলেন, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব। এখানেই শেষ। এটি নিয়ে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয় না। দেশে আইনপ্রণেতারা আজ আইন মানেন না।'

প্রতীকী লাশের এ মিছিলে বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের রাশেদ খান, ফারুক হাসান, তারেক রহমান, মাহফুজুর রহমান, মশিউর রহমান ও যুব অধিকার পরিষদের নেতারা।

আরও পড়ুন:
নুরের নামে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা
সেনাবাহিনী ভোটে কাজে আসে না: নুরুল হুদা
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মিজানকে ছেড়ে দিয়েছে ডিবি
জুরাইন থেকে অধিকারকর্মী মিজানকে তুলে নেয়ার অভিযোগ
বিএনপিকে ছাড়া নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পাবে না: নুরুল হুদা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There are excesses in Barguna IGP will take action Home Minister

বরগুনায় বাড়াবাড়ি হয়েছে, ব্যবস্থা নেবেন আইজিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বরগুনায় বাড়াবাড়ি হয়েছে, ব্যবস্থা নেবেন আইজিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরগুনায় পুলিশের ‍পিটুনির শিকার হন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। ফাইল ছবি
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বরগুনার ঘটনায় বাড়াবাড়ি করেছে। এটা কেন হলো আইজিপিকে বলা হয়েছে, ব্যবস্থা নিতে। তদন্ত হয়ে আসুক। আমার কাছে মনে হয়েছে, এতটা বাড়াবাড়ি ঠিক হয়নি। এটা ঘটানো উচিত হয়নি।’

বরগুনায় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের গণহারে পিটুনির ঘটনায় পুলিশের বাড়াবাড়ি ছিল বলে মনে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। এই ঘটনায় পুলিশের মহাপরিদর্শক বা আইজিপি বেনজীর আহমেদকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

জাতীয় শোক দিবসের আয়োজনে সোমবার বরগুনায় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের পুলিশের ‍পিটুনির পর দিন সচিবালয়ে সংবাদমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সচিবালয়ে মঙ্গলবার ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হ্যাসের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বরগুনার ঘটনা আমরা যেটা দেখেছি, এটা বাড়াবাড়ি করেছেন। অহেতুক কেন এমন হলো এটা আইজি সাহেবকে বলা হয়েছে। তিনি এটার ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

‘দেখুন এটি আমি ফেসবুকে দেখেছি, আপনারা যেমন দেখেছেন। এটা একটা তদন্ত কমিটি হয়েছে, এটা শেষ হয়ে আসুক। আমার কাছে মনে হয়েছে, এটা এতটা বাড়াবাড়ি হওয়া উচিত হয়নি। কার বাড়াবাড়ি সেটা ইনভেস্টিগেশনে বের হবে। আমি বলছি, যেটা হয়েছে এটা হওয়া উচিত হয়নি। এটা না হলেও পারত। এটা এভাবে হওয়া উচিত হয়নি।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বরগুনায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি কমপ্লেক্সে তার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে ফেরার সময় শিল্পকলা একাডেমির সামনে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ওপর পদবঞ্চিত কয়েকজন হামলা চালান। এ সময় দুই পক্ষের নেতা-কর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

পরে পুলিশ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বেধড়ক লাঠিপেটা করে। এর ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর সঙ্গে এক পুলিশ কর্মকর্তার তর্কাতর্কির ভিডিওটিও ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।

ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এর বিচার চাইছেন। যদিও এর মধ্যেই বরগুনা ছাত্রলীগের সভাপতি বিবৃতি দিয়ে পুলিশের পক্ষ নিয়েছেন। তবে জেলা আওয়ামী লীগ এর নিন্দা জানিয়েছে।

এদিকে জেলা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের মধ্যে পুলিশের লাঠিপেটার এ ঘটনায় তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে উপস্থিত পুলিশের ভূমিকার বিষয়টি তদন্তে জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ তিন কর্মকর্তার সমন্বয়ে সোমবার রাতে এ কমিটি হয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘সবার স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও খাদ্যের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে’
‘বিএনপি বিশৃঙ্খলা করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বসে থাকবে না’
বিএনপির শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বাধা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Strike on August 25 to demand lower oil prices

তেলের দাম কমানোর দাবিতে ২৫ আগস্ট হরতাল

তেলের দাম কমানোর দাবিতে ২৫ আগস্ট হরতাল
রাজধানীর শাহবাগে এক সমাবেশ থেকে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন বাম জোটের সমন্বয়ক ও ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুস ছাত্তার।

জ্বালানি তেলের দাম কমানোসহ কয়েকটি দাবিতে আগামী ২৫ আগস্ট দেশজুড়ে অর্ধদিবস হরতাল ডেকেছে গণতান্ত্রিক বাম জোট।

রাজধানীর শাহবাগে মঙ্গলবার দুপুরে এক সমাবেশ থেকে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন বাম জোটের সমন্বয়ক ও ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুস ছাত্তার।

তিনি বলেন, ‘আগামী ২৪ তারিখের মধ্যে তেল, সার, পরিবহন ভাড়া না কমালে ২৫ আগস্ট অর্ধদিবস হরতাল। সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারাদেশে এই হরতাল পালন করা হবে। আমরা এই কর্মসূচির নাম দিয়েছি দাম কমাও, জান বাঁচাও।’

এর আগে দুপুর ১২টার দিকে জ্বালানি তেল ও ইউরিয়া সারের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার এবং গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে পল্টন মোড় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে মিছিল নিয়ে রওনা হন বাম জোটের নেতাকর্মীরা। বিক্ষোভ মিছিলটি সাড়ে ১২টার দিকে শাহবাগ পৌঁছালে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে।

পুলিশের সঙ্গে নেতাকর্মীদের চলতে থাকে ধস্তাধস্তি। এক পর্যায়ে শাহবাগ পার হতে না পেরে নেতাকর্মীরা শিশু পার্কের গেটের সামনে সমাবেশ শুরু করেন।

বৈশ্বিক পরিস্থিতির কথা জানিয়ে দেশে গত ৫ আগস্ট জ্বালানি তেলের দাম আরেক দফা বাড়ানোর ঘোষণা দেয় সরকার। নতুন দর অনুযায়ী, ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ৩৪ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এক লিটার ডিজেল ও কেরোসিন কিনতে হচ্ছে ১১৪ টাকায়।

অন্যদিকে অকটেনের দাম লিটারে বাড়ানো হয় ৪৬ টাকা। এখন প্রতি লিটার অকটেন কিনতে ১৩৫ টাকা ‍গুনতে হচ্ছে। এর বাইরে লিটারপ্রতি ৪৪ টাকা বাড়ানো হয় পেট্রলের দাম। এখন থেকে জ্বালানিটির প্রতি লিটারের দাম ১৩০ টাকা।

আরও পড়ুন:
তেলের দাম কমানোর মিছিল শাহবাগে আটকাল পুলিশ
বিশ্ববাজারে অশোধিত তেলের ব্যারেল ৯০ ডলারের নিচে

মন্তব্য

p
উপরে