× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Amanchasis hands on the head in the drought after the flood
hear-news
player
print-icon

বন্যার পর খরায় আমন চাষির হাত মাথায়

বন্যার-পর-খরায়-আমন-চাষির-হাত-মাথায়
খরায় আমনের জমি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। ছবি: নিউজবাংলা
রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘অনাবৃষ্টির কারণে আমন ধান রোপণ কিছুটা ব্যাহত হলেও কৃষকরা যন্ত্রের মাধ্যমে সেচ দিয়ে ধান রোপণ শুরু করেছে। ‘আমরা খোঁজ নিয়েছি কৃষকরা শতভাগ প্রস্তুতি নিয়ে আছেন। বৃষ্টি হলে আমন লাগানোর ধুম পড়ে যাবে। এতে আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রাও অর্জিত হবে, আশা করছি।’

মাসখানেক আগেও বন্যায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে কুড়িগ্রামের বাসিন্দারা। প্লাবিত হয় রংপুর ও লালমনিরহাটের তিস্তা নদীর নিম্নাঞ্চল। সেই ধকল এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি তারা। অথৈই পানিতে ডুবে থাকা ঘরবাড়ি ও ফসলের ক্ষতির ছাপ এখনও আছে পাড়ায় পাড়ায়।

সেই থইথই পানির দৃশ্য এক মাসেই বদলে গেছে। পানির অভাবে এখন কুড়িগ্রামসহ রংপুর অঞ্চলের পাঁচ জেলার মানুষ আমনের আবাদ করতে পারছেন না। আমন ধান রোপণের সময়ও পেরিয়ে যাচ্ছে। তাই দুশ্চিন্তায় রয়েছেন জেলার কয়েক লাখ কৃষক।

বৃষ্টির অপেক্ষায় থাকতে থাকতে আষাঢ় পেরিয়ে এখন চলছে শ্রাবণ। এরপর এ অঞ্চলে চলছে তীব্র দাবদাহ। খরা কাটাতে দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির জন্য নামাজ পড়া, মোনাজাতসহ ব্যাঙের বিয়ে দেয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে।

বন্যার পর খরায় আমন চাষির হাত মাথায়
ফেটে যাওয়া আমনের জমিতে সেচ দিচ্ছে দুই শিশু। ছবি: নিউজবাংলা

শনিবার জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ৪ সপ্তাহের প্রখর রোদে ও খরায় ফসলের জমি শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। এরই মধ্যে রোপণ করা আমনের চারা পানির অভাবে লালচে হয়ে মরে যেতে শুরু করেছে। বিকল্প উপায়ে কৃষকরা পানি দিয়ে ধানের চারা বাঁচানোর চেষ্টা করছেন।

এদিকে পানির অভাবে সঠিক সময়ে চারা রোপণ করতে না পারায় বীজতলাতেই সেগুলো বাড়ছে। এতে আমন ধানের উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। একই সঙ্গে বৃষ্টি না থাকায় আমন চাষে খরচ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তাদের।

তবে কৃষি বিভাগ থেকে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের সেচযন্ত্রের মাধ্যমে চারা রোপণের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অনেক কৃষক।

রংপুর আঞ্চলিক কৃষি অফিস জানিয়েছে, রংপুর অঞ্চলের পাঁচ জেলায় ৬ লাখ ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে আমনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। জুলাই মাস শেষ হতে চললেও এখন পর্যন্ত আমন রোপণ করা হয়েছে মাত্র ৩৯ হাজার ২৩৯ হেক্টর জমিতে।

কৃষকের দুশ্চিন্তা

কুড়িগ্রামের রৌমারী সদর উপজেলার কৃষক রহমত আলী বলেন, ‘যখন পানি দরকার তখন বৃষ্টি হয় না, যখন দরকার নেই তখন পানিতে তলিয়ে যায় সবকিছু। বানের পানিতে ঘর-বাড়ি তলিয়ে গেছে। ফসল নষ্ট হয়েছে। আর এখন জমিতে সেচ দেয়া লাগছে।’

নাগেশ্বরী উপজেলার বালাটারী গ্রামের কৃষক আব্দুল কাদের বলেন, ‘উঁচু জমিতে শ্যালো মেশিন বা মটারের পানি উঠানো যায় না, কিন্তু বৃষ্টির পানি জমে থাকে। এবার বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ মাসে কিছু বৃষ্টি হলেও পুরো আষাঢ় মাসে কোনো বৃষ্টি হয়নি। প্রচণ্ড গরম আর খরায় মাটি ফেটে ফেটে যাচ্ছে। অথচ অন্য বছরগুলোতে এ সময় অর্ধেক জমিতে চারা লাগানো হয়ে যায়।’

একই গ্রামের আনসারুল ইসলাম বলেন, ‘বৃষ্টি না হওয়ায় ধানের বিচন মরে যাচ্ছে। বিচন বাঁচাইতে শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি দিতে হচ্ছে। এদিকে রোদে মাটি শুকিয়ে ফেটে যাচ্ছে। এমন খরা আবহাওয়া থাকলে আমন ধান হওয়ার কোনো নিশ্চয়তা নেই।’

বন্যার পর খরায় আমন চাষির হাত মাথায়
বিকল্প উপায়ে ক্ষেতে দেয়া হচ্ছে পানি। ছবি: নিউজবাংলা

তিন বিঘা জমিতে আমনের চাষ করেছেন কাউনিয়ার বিন্যাটারী গ্রামের কৃষক মফিজুল ইসলাম। চারা লাগানোর পর থেকে ১০ দিনে ৪ বার সেচ দিতে হয়েছে ক্ষেতে। এক বিঘা জমিতে একবার সেচ দিতে খরচ হচ্ছে ৬০০ টাকা। এ ছাড়া সার ও কীটনাশকের দামও বেড়েছে। আমনের আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তার।

মমিনপুর ইউনিয়নের কৃষক আবদুস সালাম বলেন, ‘দেড় মাস থেকে বৃষ্টি নাই। রোদে মাঠ-ঘাট খাঁ খাঁ করছে। দুদিন পরপর আমনের ক্ষেতে পানি দিচ্ছি। এভাবে আবাদ করলে খরচ বেড়ে যাবে, পোষানো যাবে না। তখন মরণ ছাড়া উপায় নাই।’

তাই সার ও কীটনাশকের দাম কমানোসহ আর বেশিসংখ্যক ডিপটিউবওয়েল বসালে অনাবৃষ্টিতেও কৃষকরা কিছুটা উপকৃত হতো বলে জানান কৃষক আফজাল হোসেন।

রংপুর অফিসের আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজার রহমান জানান, কয়েক দিন ধরেই এ অঞ্চলের তাপমাত্রা ৩৫ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জলবায়ু দুই সপ্তাহ ধরে চলছে এ অবস্থা। চলতি সপ্তাহে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যা বলছে

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘অনাবৃষ্টির কারণে আমন ধান রোপণ কিছুটা ব্যাহত হলেও কৃষকরা যন্ত্রের মাধ্যমে সেচ দিয়ে ধান রোপণ শুরু করেছেন।

‘মাঠপর্যায়ের অফিসারদের মাধ্যমে আমরা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি, উঁচু জমিতে সেচ দিয়ে আমন চাষ করতে। এতে খরচ একটু বেশি হয়। প্রাকৃতিক কারণেই এমন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা খোঁজ নিয়েছি কৃষকরা শতভাগ প্রস্তুতি নিয়ে আছেন। বৃষ্টি হলে আমন লাগানোর ধুম পড়ে যাবে। এতে আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রাও অর্জিত হবে, আশা করছি।’

আরও পড়ুন:
বিএনপির ষড়যন্ত্র রুখতে পাড়ায় পাড়ায় পাহারা বসান: কৃষিমন্ত্রী
ভাইরাল অধ্যাপকের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ কতটা সত্যি
বৃষ্টি-পাহাড়ি ঢলে পানি বৃদ্ধি, ধান নিয়ে বিপাকে চাষি
২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির কর মওকুফ হচ্ছে
পতিত জমিতে চাষাবাদে মিলবে সরকারি সহায়তা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The stock of fertilizer in the country is sufficient

দেশে সারের মজুত পর্যাপ্ত

দেশে সারের মজুত পর্যাপ্ত গাজীপুরের পুবাইলে জমিতে সার ছিটাচ্ছেন কৃষক। ফাইল ছবি
কৃষি মন্ত্রনালয় জানিয়েছে, বর্তমানে দেশে ইউরিয়া সারের মজুত আছে ৬ লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিক টন, টিএসপি ৩ লাখ ৯৪ হাজার টন, ডিএপি ৭ লাখ ৩৬ হাজার টন এবং এমওপি ২ লাখ ৭৩ হাজার টন। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সারের বর্তমান মজুত বেশি।

কৃষকদের চাহিদার বিপরীতে দেশে সব রকমের সারের পর্যাপ্ত মজুত আছে বলে জানিয়েছে কৃষি মন্ত্রনালয়।

বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

কৃষি মন্ত্রনালয় জানিয়েছে, বর্তমানে দেশে ইউরিয়া সারের মজুত আছে ৬ লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিক টন, টিএসপি ৩ লাখ ৯৪ হাজার টন, ডিএপি ৭ লাখ ৩৬ হাজার টন এবং এমওপি ২ লাখ ৭৩ হাজার টন।

গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সারের বর্তমান মজুত বেশি। গতবছর এই সময়ে ইউরিয়া সারের মজুত ছিল ৬ লাখ ১৭ হাজার মেট্রিক টন, টিএসপি ২ লাখ ২৭ হাজার টন ও ডিএপি ৫ লাখ ১৭ হাজার টন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সারের বর্তমান মজুতের বিপরীতে আগস্ট মাসে সারের চাহিদা ইউরিয়া ২ লাখ ৫১ হাজার টন, টিএসপি ৪৭ হাজার টন, ডিএপি ৮১ হাজার টন এবং এমওপি ৫২ হাজার টন।

কৃত্রিমভাবে যাতে কেউ সারের সংকট তৈরি করতে না পারে এবং দাম বেশি নিতে না পারে, সে বিষয়ে কৃষি মন্ত্রণালয় ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা নিবিড় তদারকি করছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

মন্ত্রনালয় জানায়, বৃহস্পতিবার ইউরিয়া সারের মজুদ ১৬৭৩ মেট্রিক টন, টিএসপি ৬৮৯ টন, ডিএপি ১৪০০ টন এবং এমওপি ৪৪৪ টন। বগুড়া জেলাতেও সব রকমের সারের মজুদ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি আছে বলে জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

আরও পড়ুন:
সার না পেয়ে সড়ক অবরোধ কৃষকদের
ক্রেতা ভেবে বললেন সার নেই, ধরা খেয়ে দিলেন জরিমানা
সার নিয়ে তেলেসমাতি, গুদাম রক্ষায় পুলিশ
মজুত সার জব্দ, গুদাম সিলগালা
সারের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়বে না উৎপাদনে: কৃষিমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
76 thousand applications in 8 agricultural universities in batch

গুচ্ছভর্তিতে ৮ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭৬ হাজার আবেদন

গুচ্ছভর্তিতে ৮ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭৬ হাজার আবেদন রাজধানীতে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত
মঙ্গলবার রাত ১২টায় গুচ্ছভর্তিতে আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়। এ ছাড়াও সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ৭টি কেন্দ্রে একযোগে এ ভর্তি পরীক্ষা হবে ১০ সেপ্টেম্বর।

দেশের ৮টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবর্ষ স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার আবেদন গ্রহণ শেষ হয়েছে।

সমন্বিত এ ভর্তি পরীক্ষায় ৭৬ হাজারের বেশি ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। আবেদনের সময়সীমা আর বাড়ানো হবে না।

মঙ্গলবার রাত ১২টায় আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়। এ ছাড়াও সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ৭টি কেন্দ্রে একযোগে এ ভর্তি পরীক্ষা হবে ১০ সেপ্টেম্বর।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া নিউজবাংলাকে বুধবার রাতে এ সব তথ্য জানিয়েছেন।

অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘৭৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করেছেন। আবেদনের সময়সীমা আজ (বুধবার) রাত ১২টায় শেষ হবে। আবেদনের সময় বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।’

‘ভর্তি পরীক্ষা পূর্নাঙ্গ সিলেবাসের আলোকে হবে সেটি আগে নির্ধারণ করেছিল কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত কমিটি। তখন সমালোচনার জন্য সিলেবাসের কথা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি। তবে নতুন মিটিং অনুসারে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসেই পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার্থীরা এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে, শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থেই কমিটি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে।’

‘কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা ১০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টা ৩০ থেকে ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত সাতটি কেন্দ্র ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এক বা একাধিক উপকেন্দ্রের অধীনে একযোগে হবে। ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো সিলেকশন করা হবে না।’

তিনি জানান, এ বছর অষ্টম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যুক্ত হয়েছে হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতীত বাকি ৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার কেন্দ্র হবে।

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টা ৩০ মিনিট থেকে ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এক ঘণ্টাব্যাপী মোট ৭টি কেন্দ্র ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এক বা একাধিক উপকেন্দ্রের অধীনে একযোগে হবে। এইচএসসি বা সমমান পর্যায়ে ইংরেজিতে ১০, প্রাণিবিজ্ঞানে ১৫, উদ্ভিদবিজ্ঞানে ১৫, পদার্থবিজ্ঞানে ২০, রসায়নে ২০ এবং গণিতে ২০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য এক নম্বর দেয়া হবে এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য দশমিক ২৫ নম্বর কাটা যাবে।

মোট ১৫০ নম্বরের ভিত্তিতে ফল প্রস্তুত করা হবে। ভর্তি পরীক্ষার ১০০ নম্বরের সঙ্গে এসএসসি বা সমমানের জন্য ২৫ এবং এইচএসসি বা সমমানের জন্য ২৫ নম্বর যোগ করে ফল প্রস্তুত করে মেধা ও অপেক্ষমাণ তালিকা তৈরি করা হবে।

ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে এবং ভর্তি কমিটি যেকোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন ও পরিমার্জনের অধিকার রাখে।

ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়; বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর; শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা; পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী; চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম; সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট এবং খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা।

পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর তালিকা অনুযায়ী আবেদনকারীকে ১ থেকে ৭ পর্যন্ত পরীক্ষা কেন্দ্রের পছন্দক্রম উল্লেখ করতে হবে। তবে আবেদনকারীর পছন্দক্রম অনুযায়ী পরীক্ষা কেন্দ্রের আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে অগ্রাধিকারভিত্তিতে পরীক্ষা কেন্দ্র নির্ধারণ করা হবে।

ওয়েবসাইটের ভর্তি নির্দেশিকা অনুযায়ী অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। আবেদন সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য www.acas.edu.bd ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কত আসন

কৃষি গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়া ৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বমোট আসন রয়েছে ৩ হাজার ৫৩৯টি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আসন রয়েছে ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে, এক হাজার ১১৬টি।

এ ছাড়া শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০৪, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৬০, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৪৩, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৪৫, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৩১, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫০ এবং হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯০টি আসন রয়েছে। এ বছর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩০টি ও হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯০টি আসন যোগ হয়েছে।

আরও পড়ুন:
গুচ্ছের ‘বি’ ইউনিটে সেরা দিগন্ত, আগ্রহ অর্থনীতিতে
গুচ্ছের বি ইউনিটে পাস ৫৬.২৬%
২০ আগস্ট শুরু প্রকৌশল গুচ্ছের ভর্তির আবেদন
গুচ্ছের ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা শনিবার
পাঁচ কেন্দ্রে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে বুটেক্স ভর্তি পরীক্ষা আজ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Farmers blocking roads without getting fertilizer

সার না পেয়ে সড়ক অবরোধ কৃষকদের

সার না পেয়ে সড়ক অবরোধ কৃষকদের গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করেন কৃষকরা। ছবি: নিউজবাংলা
কৃষক সামসুল আলম বলেন, ‘সারা সকাল দাঁড়িয়ে থাকার পর ডিলার জানান, মাত্র তিনটি ওয়ার্ডের কৃষকদের সার দেয়া হবে। তখন সব কৃষক ক্ষুব্ধ হন। এখন ধান লাগানোর শেষ সময়। এ সময় কৃষককে ভোগান্তিতে ফেলা কী ঠিক?’

বগুড়ার ধুনটে চাহিদা অনুযায়ী সার না পেয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন কৃষকরা।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী ধুনট-বগুড়া বাইপাস সড়ক অবরোধ করে রাখেন তারা। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পুলিশ ও কৃষি কর্মকর্তা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

উপজেলার ধুনট-বগুড়া বাইপাস সড়কের খাদ্যগুদাম এলাকায় মেসার্স এশিয়া এন্টারপ্রাইজের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এটির মালিক শামিম সরকার ধুনট ইউনিয়নের বিসিআইসি সার ডিলার।

বিক্ষুব্ধ কৃষকরা জানান, দুই দিন ধরে সার নিতে এসে না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন অনেকে। মঙ্গলবারও তারা এখানে সার নিতে আসেন। পরে তাদের বলা হয়, চাহিদামতো সার দেয়া হবে না। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করেন তারা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলছেন, উপজেলায় নতুন করে সার বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

ধুনট ইউনিয়নের কৃষক আমিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সকালে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর শুনি সার দেবে না। পরে আমরা সবাই মিলে রাস্তা অবরোধ করি।’

সার না পেয়ে ক্ষুব্ধ একই ইউনিয়নের সামসুল আলমও। বলেন, ‘সারা সকাল দাঁড়িয়ে থাকার পর ডিলার জানান, মাত্র তিনটি ওয়ার্ডের কৃষকদের সার দেয়া হবে। তখন সব কৃষক ক্ষুব্ধ হন। এখন ধান লাগানোর শেষ সময়। এ সময় কৃষককে ভোগান্তিতে ফেলা কী ঠিক?’

জানতে চাইলে ডিলার শামিম সরকার কথা বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ‘যা কিছু বলার ইউএনও বলবেন।’

ধুনট উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, উপজেলায় আগস্টের জন্য সরকারিভাবে ৮৯০ টন ইউরিয়া সার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় একজন করে বিসিআইসি সার ডিলার রয়েছেন। বরাদ্দের এই সার ডিলারদের মাঝে ভাগ করে দেয়া হয়েছে।

কৃষি অফিসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিদিন একটি ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডের কৃষকদের সার দেয়া হবে।

ধুনট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বুধবার সকাল থেকে ধুনট ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষকদের মাঝে জমির পরিমাণ অনুযায়ী দুজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ইউরিয়া সার বিক্রি করার কথা ছিল। কিন্তু সার বিক্রি শুরু করার আগেই কৃষকরা ক্ষুব্ধ হয়ে সড়ক অবরোধ করেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইউনিয়নের সব ওয়ার্ড থেকে কৃষকের আসার কারণে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে। আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত কৃষকদের কাছে সার বিক্রি করা হবে।’

ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় কুমার মহন্ত নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঘটনাস্থলে গিয়ে কৃষকদের শান্ত করে সার বিক্রি হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব ওয়ার্ডের কৃষকদের সার দেয়া হবে। এ ছাড়া উপজেলায় নতুন করে সার বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
মজুত সার জব্দ, গুদাম সিলগালা
সারের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়বে না উৎপাদনে: কৃষিমন্ত্রী
বেশি দামে সার বিক্রি, দুই ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা
সারের দাম কমানোর দাবিতে সমাবেশ
সারের দাম বাড়ানোর পরও কেজিতে ভর্তুকি ৫৯ টাকা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In three years the yield in Malta garden is 3 times

তিন বছরে মাল্টার বাগানে ফলন ৩ গুণ

তিন বছরে মাল্টার বাগানে ফলন ৩ গুণ
ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘মাল্টা একটি লাভজনক ফসল। জেলায় দিন দিন এ চাষ বাড়ছে৷ কৃষকদের আরও দক্ষ করে তুলতে মাঠপর্যায়ে গিয়ে পরামর্শ করছি ৷ যেকোনো প্রয়োজনে কৃষকরা আমাদের সঙ্গে সহজে যোগাযোগ করতে পারেন।’

প্রায় প্রতিটি গাছেই থোকায় থোকায় ঝুলছে মাল্টা। ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ মহাসড়কের পাশে সাড়ে তিন বিঘা জমিজুড়ে এ মাল্টার বাগান। বাগানটি করেছেন নির্মল রায়। তার দাবি তিন বছরেই তিন গুণ ফলন বেড়েছে তার বাগানে৷

নির্মল রায় জানান, ২০১৯ সালে তিনি উদ্যোগ নেন মাল্টা চাষের। বগুড়া থেকে চারা এনে এক হাজার মাল্টার চারা রোপণ করেন তিনি। অল্প সময়েই চারাগাছ থেকে ভালো ফলন হয়েছে মাল্টার।

চারা রোপণের পর স্থানীয় কৃষি অফিস থেকে পরামর্শ নিয়েছেন, প্রতিনিয়ত পরিচর্যা করে এসেছেন চারা বড় করতে। প্রতিদিন গড়ে ১০ জন করে শ্রমিক তার এ মাল্টা বাগানে পরিচর্যার কাজ করেন।

নির্মল বলেন, ‘সবুজ জাতের বারি-১ জাতের মাল্টা বাণিজ্যিকভাবে চাষ শুরু করি। ২০১৯ সালে চারা রোপণের পর থেকে ফলন বেড়েছে তিন গুণ। এর আগে মাত্র ২ লাখ টাকার মাল্টা বিক্রি করেছি। যে হারে ফলন এসেছে এবারে কমপক্ষে ৮ লাখ টাকার মাল্টা বিক্রির প্রত্যাশা করছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রত্যাশা পূরণ হতে পারে।

‘এ ছাড়া বাগানে কর্মসংস্থান হয়েছে কিছু মানুষের। শুধু তা-ই নয়, কাজের জন্য শ্রমিকদের শেখানো হয় মাল্টার চারা পরিচর্যার।’

শ্রমিক বিমল কুমার বলেন, ‘আমরা শ্রমিকরা যারা কাজ করছি, তারা কয়েক বছর ধরে করছি। বাগানে ফলন ভালো এসেছে, তবে খুব দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে হয়। নতুন যারা আসছে তাদের শিখিয়ে দক্ষ করে তোলা হচ্ছে। যেহেতু এটি লাভজনক ফসল, সে ক্ষেত্রে শ্রমিকের প্রয়োজন হবে। কারণ অনেক নতুন উদ্যোক্তাও আগ্রহ নিয়ে আসছেন, জানছেন।’

শ্রমিক শ্রীরায় বলেন, ‘কয়েক মাস ধরে এসব কাজ করছি। খুব একটা যে কঠিন তা নয়৷ তবে মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে হবে, যেন ফলের কোনো ক্ষতি না হয়। ফল বেড়ে উঠতে সাহায্য করে ডাল কাটিং। এখন এ কাজই করছি। ধীরে ধীরে এসব কাজে শ্রমিক বাড়ছে।’

বাগান পরিদর্শনে এসে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী তাহমিদ আহমেদ বলেন, ‘লেখাপড়ার পাশাপাশি গ্রামে এসব বাগান করার শখ আমার। এতে ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হয়ে ফলের চাহিদাও পূরণ হবে৷ এটি গ্রামে করা সম্ভব। আমি আপাতত জানতে এসেছি। যেসব বেকার বন্ধু গ্রামে থাকেন তাদের উদ্যোক্তা হতে আহ্বান করব।’

বাগান মালিক নির্মল রায় বলেন, ‘ঠাকুরগাঁওয়ে মাল্টা চাষে সবারই ভাগ্য বদল হতে পারে৷ সে ক্ষেত্রে উদ্যোক্তা গড়ে তুলতে অনেক উদ্যোগ নেয়া উচিত সরকারের৷ কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে এ চাষের প্রতি আহ্বান করতে হবে। আমরা যারা ফলচাষি রয়েছি, তারা যদি ফল সংরক্ষণের জন্য সরকারের কোনো ব্যবস্থা পাই, তাহলে অনেকেই এ চাষ থেকে মুখ ফেরাবেন না।’

ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, হরিপুর, পীরগঞ্জ, রানীশংকৈল, বালিয়াডাঙ্গী ও সদর উপজেলার প্রায় ৬৫ হেক্টর এবং প্রায় তিন হেক্টর বসতবাড়ির জমিতে মাল্টার চাষ হচ্ছে। মার্চ-এপ্রিলে এসব গাছে ফুল আসে।

আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ফল পাকে। পাঁচ-ছয়টি মাল্টা ওজনে এক কেজি হয়। ঠিকভাবে পরিচর্যা করলে একটি পরিণত গাছে গড়ে ১৫০-৩০০টি পর্যন্ত ফল ধরে। এ ছাড়া প্রায় দেড় শতাধিক কৃষক মাল্টা চাষ করছেন।

ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘মাল্টা একটি লাভজনক ফসল। জেলায় দিন দিন এ চাষ বাড়ছে৷ কৃষকদের আরও দক্ষ করে তুলতে মাঠপর্যায়ে গিয়ে পরামর্শ করছি ৷ যেকোনো প্রয়োজনে কৃষকরা আমাদের সঙ্গে সহজে যোগাযোগ করতে পারেন।’

আরও পড়ুন:
পতিত জমিতে চাষাবাদে মিলবে সরকারি সহায়তা
বেগুনের ভালো ফলন, বেড়েছে চাহিদাও
তিড়িং পোকা কাটছে পাতা-ডগা
পতিত জমিতে তিল চাষে সফলতা
সার সংকটে চা চাষিরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Aman Abad is disrupted due to flooding in Cowadighi Howre

কাউয়াদিঘী হাওরে জলাবদ্ধতা, আমন আবাদ ব্যাহত

কাউয়াদিঘী হাওরে জলাবদ্ধতা, আমন আবাদ ব্যাহত কাউয়াদিঘী হাওর এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে নষ্ট হচ্ছে ধানের চারা। ছবি: নিউজবাংলা
হাওরপারের রাজন আহমেদ বলেন, ‘হাওরঘেঁষা রাজনগর ও মৌলভীবাজার সদরে জলাবদ্ধতার কারণে প্রায় এক হাজার হেক্টর জমিতে আমন আবাদ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। আমরা এ নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে কথা বলেছি, আন্দোলন করছি, কিছুতেই ফল মিলছে না।’

মৌলভীবাজারের কাউয়াদিঘী হাওর এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে নষ্ট হচ্ছে ধানের চারা। এক হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষাবাদ নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন কৃষক।

লোডশেডিংয়ের কারণে মনু নদী প্রকল্পের আওতায় কাশিমপুর পাম্প হাউস পানি নিষ্কাশন করতে না পারায় জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনায় হাওরঘেরা ৪০ গ্রামের কৃষকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। সমস্য নিরসনের দাবিতে তারা মিছিল-সমাবেশ করছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বলছে, বিদ্যুৎ সংকটের কারণে সেচের সমস্যা হচ্ছে।

কৃষকরা জানান, মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলায় কাউয়াদিঘী হাওর সাড়ে ২২ হাজার হেক্টর বিস্তৃত। মনু নদী সেচ প্রকল্পের আত্ততায় কাউয়াদিঘী হাওর ও হাওর এলাকার পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথ কাশিমপুর পাম্প হাউস। সেখানে ৮টি পাম্প বিদ্যুতের কারণে সচল না থাকায় আমন চাষের জমিতে ৩-৪ ফুট জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে।

পানিতে তলিয়ে আছে রোপা আমনের বীজতলা। পানি না কমায় আমন ধানের চারা রোপণের সময় চলে যাচ্ছে। বয়স্ক চারা রোপণ করে আশানুরূপ ফলন পাওয়া যাবে না বলে জানান স্থানীয় কৃষকরা।

হাওরপারের রাজন আহমেদ বলেন, ‘হাওরঘেঁষা রাজনগর ও মৌলভীবাজার সদরে জলাবদ্ধতার কারণে প্রায় এক হাজার হেক্টর জমিতে আমন আবাদ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। আমরা এ নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে কথা বলেছি, আন্দোলন করছি, কিছুতেই ফল মিলছে না।’

এ সংকট নিরসনের দাবিতে দুপুরে মৌলভীবাজার প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশ করেন দুই শতাধিক কৃষক। কৃষি ও কৃষক রক্ষা কমিটির উপদেষ্টা সেলিম আহমদের সভাপতিত্বে ও হুমায়ুন রশিদ সোয়েবের সঞ্চালনায় সমাবেশ হয়।

সমাবেশে বক্তব্য দেন কৃষক সমিতি মৌলভীবাজার জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জহর লাল দত্ত, হাওর রক্ষা সংগ্রাম কমিটি মৌলভীবাজার জেলার সাধারণ সম্পাদক জুনেদ আহমদ চৌধুরী, পাঁচগাঁও ইউনিয়নের বাবুল আহমদ, মুন্সিবাজার ইউনিয়নের ফয়ছল আহমদ, কৃষক নেতা সুলতান আহমদ, আক্তার মিয়া, সুলেমান মিয়া ও ইউপি সদস্য জুবেল আহমদ।

সমাবেশ শেষে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসানের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে কৃষি ও কৃষক রক্ষা কমিটি।

রাজনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা পাউবো ও বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছি।’

পাউবোর যান্ত্রিক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এম এ হান্নান খান জানান, বিদ্যুৎ সংকটের কারণে কাশিমপুর পাম্প হাউসের ৮টি পাম্প চালু করা যাচ্ছে না । শিগগিরই এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের কেউ এ নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান জানান, অবিলম্বে পানি উন্নয়ন বোর্ডের যান্ত্রিক শাখাসহ সবাইকে নিয়ে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কৃষিকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।

কৃষি বিভাগ জানায়, মৌলভীবাজার জেলায় ১ লাখ ১ হাজার ৪৫৫ হেক্টর জমিতে আমন চাষ হচ্ছে। এবার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৩৩ টন।

আরও পড়ুন:
পানির নিচে বীজতলা, আমন আবাদে বিপর্যয়ের শঙ্কা
বৃষ্টির অভাবে বন্ধ আমনের চারা রোপণ
আমনের ফলন ‘ভালো’, কৃষকের মুখে হাসি
বৃষ্টি ধানচাষিদের কাছে আশীর্বাদ
সুনামগঞ্জে তলিয়েছে আমনের জমি, উদ্বিগ্ন কৃষক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The effect of oil on the rice market has increased by Tk 300 per bag

তেলের প্রভাব চালের বাজারে, বস্তায় বেড়েছে ৩০০ টাকা

তেলের প্রভাব চালের বাজারে, বস্তায় বেড়েছে ৩০০ টাকা দিনাজপুরের পাইকারি বাজারে বেড়েছে চালের দাম। ছবি: নিউজবাংলা
এনএ মার্কেটের রণজিৎ চাল ঘরের স্বত্বাধিকারী রণজিৎ সাহা বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে মিলগেটে চালের দাম বেশি নেয়া হচ্ছে। কারণ হিসেবে মিল থেকে জানানো হচ্ছে, বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে ধান নেই। যেসব ধান পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলো ৫০ কেজির বস্তাপ্রতি বেড়েছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে মিলের উৎপাদন কম হচ্ছে। উৎপাদন এবং মিল থেকে বাজারে চাল সরবরাহে পরিবহন খরচ বেড়েছে।’

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে দেশের শীর্ষ ধান ও চাল উৎপাদনকারী জেলা দিনাজপুরে। পাঁচ দিনের ব্যবধানে জেলার পাইকারি বাজারে ৫০ কেজির বস্তাপ্রতি চালের দাম বেড়েছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। বাড়তি দামেও বাজারে গুটি স্বর্ণ চালের দেখা পাচ্ছে না ক্রেতা।

বাজারে ধানের সংকটের পাশাপাশি জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে পরিবহন ব্যয় বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা।

এদিকে বাজারে ধানের সরবরাহ কম। ধান পাওয়া যা যাচ্ছে তাও ৫০ কেজির বস্তাপ্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি বলে মিলমালিকরা জানিয়েছেন।

দিনাজপুরে চালের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার হিসেবে পরিচিত শহরের বাহাদুর বাজার এনএ মার্কেট। এই মার্কেটের কয়েকজন পাইকারি দোকানদার জানান, গত শুক্রবার এই বাজারে ৫০ কেজির এক বস্তা মিনিকেট ৩ হাজার ২০০, আঠাশ ২ হাজার ৬৫০, উনত্রিশ ২ হাজার ৪৫০, সুমন স্বর্ণ ২ হাজার ৩৫০, গুটি স্বর্ণ ১ হাজার ৮৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

পাঁচ দিনের ব্যবধানে বুধবার এই বাজারে ৫০ কেজির এক বস্তা মিনিকেট ৩ হাজার ৪৫০ টাকা, আঠাশ ২ হাজার ৯০০, উনত্রিশ ২ হাজার ৬৫০, সুমন স্বর্ণ ২ হাজার ৬২০, গুটি স্বর্ণ ২ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি দাম বাড়া গুটি স্বর্ণ চাল বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না বলে ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন।

দক্ষিণ বালুয়াডাঙ্গার বাসিন্দা জরিনা বেগম বলেন, ‘চাল কিনতে বাজারে এসে জানতে পারলাম, ৫০ কেজির বস্তাপ্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেড়েছে। আমি তো টাকা হিসাব করে নিয়ে আসছি। এখন চাল কীভাবে কিনব। সমস্যা হবে শুধু আমার মতো গরিবের। এভাবে চালের দাম বাড়তে থাকলে আমাদের মরণ ছাড়া উপায় নাই।’

এনজিও কর্মী নাজমা বানু বলেন, ‘আমি গত জুনে ৫০ কেজির এক বস্তা চাল কিনেছিলাম ২৭০০ টাকায়। আজ চাল কিনতে আসছি। দোকানদাররা সেই চাল বস্তাপ্রতি ২০০ টাকা বেশি চাচ্ছে। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের পক্ষে চলা খুব কঠিন হয়ে পড়তেছে। আমি একটি এনজিওতে চাকরি করি। চালের দাম বাড়লে তো আর আমার বেতন বাড়ে না। আমাদের খুব কষ্ট হচ্ছে।’

শহরের পাগলার মোড় এলাকার দিনমজুর রবিউল ইসলাম বলেন, ‘আমি দিনমজুর হিসেবে কাজ করি। দিনে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা পাই, সেটা দিয়ে চাল ও শাকসবজি কিনতে শেষ হয়ে যায়। ছয়জনের পরিবারে দিনে তিন বেলা খেতে তিন কেজি চাল প্রয়োজন। চাল কিনতে প্রায় ২০০ টাকা খরচ হয়ে যায়। বাকি টাকা শাকসবজি কিনে শেষ হয়। মাসে এক দিনও ভালো তরকারি খেতে পারি না। এভাবে চালসহ বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম বাড়লে ভবিষ্যতে মরা ছাড়া উপায় থাকবে না।’

এনএ মার্কেটের রণজিৎ চাল ঘরের স্বত্বাধিকারী রণজিৎ সাহা বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে মিলগেটে চালের দাম বেশি নেয়া হচ্ছে। কারণ হিসেবে মিল থেকে জানানো হচ্ছে, বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে ধান নেই। যেসব ধান পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলো ৫০ কেজির বস্তাপ্রতি বেড়েছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে মিলের উৎপাদন কম হচ্ছে। উৎপাদন এবং মিল থেকে বাজারে চাল সরবরাহে পরিবহন খরচ বেড়েছে।’

পাইকারি চাল বিক্রেতা কৃষ্ণ চন্দ্র শীল বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী। এ কারণে অনেক ক্রেতার সঙ্গে ঝগড়াও লেগে যাচ্ছে। বাজারে দাম বাড়ার কারণে ক্রেতার অভাব দেখা গিয়েছে। ক্রেতা চালের দাম শুনেই চলে যাচ্ছে।’

বাংলাদেশ অটো, মেজর ও হাসকিং মিল মালিক সমিতির সহসভাপতি ও পাটোয়ারী বিজনেস হাউসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সহিদুর রহমান পাটোয়ারী মোহন বাজার পরিস্থিতি জানান নিউজবাংলাকে। তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি বিদ্যুতের লোডশেডিং বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে ধান নেই। ধান বস্তাপ্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে। বিদ্যুতের কারণে ধান থেকে চালে রূপান্তর কম হচ্ছে। পাশাপাশি চাল পরিবহনের জন্য পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। এসব কারণে বাজারে চালের দাম বেড়েছে।’

আরও পড়ুন:
লোডশেডিংয়ে চালের দাম বাড়ার শঙ্কা
ধানের নতুন জাত কৃষকের কাছে পৌঁছে দেয়ার তাগিদ
১১ মাস পর হিলি দিয়ে ভারত থেকে এলো চাল
ভিজিএফর পচা, দুর্গন্ধযুক্ত চাল আটকে দিলেন মেয়র
শুল্ক প্রত্যাহারের পর আসছে ৪ লাখ টন চাল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Farewell to jackals by beating drums

ঢাকঢোল পিটিয়ে কাঁঠালের বিদায়

ঢাকঢোল পিটিয়ে কাঁঠালের বিদায় উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে বিদায় জানানো হয় কাঁঠাল। ছবি: নিউজবাংলা
যোশর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাসেল আহমদ বলেন, ‘শৈশব থেকে আমরা কাঁঠাল বিক্রির এ উৎসব দেখে আসছি। এ বছর কামারটেক বাজারে উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে ব্যাপারীরা কাঁঠাল বিক্রি করেছেন।’

প্রতি বছরের মতো এবারও মৌসুম শেষে নরসিংদীর শিবপুরের কামারটেক গ্রামে ঢাকঢোল পিটিয়ে জাতীয় ফল কাঁঠালকে বিদায় জানানো হয়।

এ উপলক্ষে স্থানীয় ব্যাপারী ও কৃষকরা বুধবার সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে কাঁঠাল বিক্রির মহড়া দেন। মহাসড়কের পাশে সারা দিনব্যাপী চলে কাঁঠাল বিক্রির এই মহোৎসব।

কামারটেক বাজারের ফল ব্যবসায়ীরা জানান, কাঁঠালকে বিদায় জানানোর এ প্রথা দীর্ঘদিন ধরেই জেলার বিভিন্ন জায়গায় পালন করা হয়। এ বছর কামারটেক বাজারে ব্যাপারী সোহেল আহমেদ মৌসুমের শেষ কাঁঠাল বিক্রি করেন ঢাকঢোল বাজিয়ে, বাজার মাতিয়ে।

এ বিষয়ে সোহেল আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ লটের কাঁঠাল বিক্রি আমাদের ঐতিহ্য। মৌসুমের শুরু থেকে শেষে জেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে কৃষকদের কাছ থেকে কাঁঠাল কিনে মজুত রেখে বিক্রি করি। আগামী মৌসুমে আরও ভালো কাঁঠাল প্রাপ্তির আশায় শেষটা জমজমাটভাবে করা হয়।’

ঢাকঢোল পিটিয়ে কাঁঠালের বিদায়

তিনি জানান, এই দিনে সকাল থেকে শহরের ব্যান্ডদল এনে ভ্যান গাড়িতে কাঁঠাল রেখে মহাসড়কে মহড়া দেয়া হয়। এ সময় আনন্দে মেতে ওঠেন স্থানীয়রা। পরে কামারটেক বাজারে শেষবারের মতো কাঁঠাল বিক্রি করা হয়। এ বছর শেষ হাটে ১৩৫০ টাকা দিয়ে সবচেয়ে বড় কাঁঠালটি বিক্রি করা হয়েছে। ছোট কাঁঠালের সর্বনিম্ন মূল্য ছিল ৫০০ টাকা।

স্থানীয় কয়েকজন জানান, প্রতি বছর কাঁঠালকে বিদায় জানানোর এই অনুষ্ঠানের সুনির্দিষ্ট কোনো দিনক্ষণ নেই। কৃষক ও কাঁঠালের ব্যাপারীরা সময় ও স্থান নির্ধারণের পর এ আয়োজন করে থাকে।

যোশর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাসেল আহমদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শৈশব থেকে আমরা কাঁঠাল বিক্রির এ উৎসব দেখে আসছি। এ বছর কামারটেক বাজারে উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে ব্যাপারীরা কাঁঠাল বিক্রি করেছেন।’

তিনি আরও জানান, মৌসুমে ব্যাপারীরা অনেক কাঁঠাল কেনেন স্থানীয় কৃষক ও বাগান মালিকদের কাছে থেকে। ১০ লাখ টাকার কাঁঠাল কিনলে তাদের লাভ হয় অনেক। লাভের পর মৌসুম শেষে যে কাঁঠাল থাকে সেগুলো নিয়ে উৎসবে মেতে ওঠেন তারা। এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মৌসুমের কাঁঠাল বিক্রি বন্ধ করেন তারা।

আরও পড়ুন:
৫ হাজারের সুদ ৩ লাখ ৮ হাজার, দিতে না পারায় সন্তান বিক্রি
মন্ত্রণালয়ের ট্রাকে গরু ৫৫০, খাসি ৮০০ টাকা
জীবনযুদ্ধে আসিয়ার পার্টনার আসমা
অনলাইনে নারীদের নিলামের চেষ্টা; আটক ৩
কাঁঠালের দই আইসক্রিমে বিনিয়োগ করে দ্বিগুণ লাভ

মন্তব্য

p
উপরে