× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Sexual harassment Chabir 2 students expelled for life
hear-news
player
print-icon

যৌন নিপীড়ন: চবির ২ ছাত্র আজীবন বহিষ্কার

যৌন-নিপীড়ন-চবির-২-ছাত্র-আজীবন-বহিষ্কার
বহিষ্কার হওয়া ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আজিম হোসাইন (বামে) ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নুরুল আবসার বাবু। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
প্রক্টর বলেন, ‘তথ্য-উপাত্ত, র‍্যাবের প্রেস ব্রিফিং, তদন্ত কমিটির ইন্টারনাল প্রতিবেদন, সিনেটদের বক্তব্য পর্যালোচনা করে দুই ছাত্রকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। বাকি যারা আছেন তাদের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বরাবর শাস্তির সুপারিশ করা হবে। এ ছাড়া কয়েকটি সুপারিশ করা হয়েছে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রী যৌন নিপীড়নে জড়িত দুই শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ, রেসিডেন্স ও ডিসিপ্লিনারি কমিটির সভায় শনিবার বিকেল ৫টার দিকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার।

বহিষ্কার হওয়া দুই ছাত্র হলেন ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আজিম হোসাইন ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নুরুল আবসার বাবু।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন ডিসিপ্লিনারি কমিটির সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভুঁইয়া।

তিনি বলেন, ‘তথ্য-উপাত্ত, র‍্যাবের প্রেস ব্রিফিং, তদন্ত কমিটির ইন্টারনাল প্রতিবেদন, সিনেটদের বক্তব্য পর্যালোচনা করে দুই ছাত্রকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। বাকি যারা আছেন তাদের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বরাবর শাস্তির সুপারিশ করা হবে। এ ছাড়া কয়েকটি সুপারিশ করা হয়েছে।’

গত ২০ জুলাই বিকেলে হাটহাজারী থানায় যৌন হেনস্তার অভিযোগে অজ্ঞাতপরিচয় পাঁচজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন ওই ছাত্রী। এজাহারে পথরোধ করে মারধর, ছিনতাই ও অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে হুমকি দেয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে।

আগের দিন গত ১৯ জুলাই প্রক্টরের কাছে হেনস্তার লিখিত অভিযোগ করেন চবির ওই ছাত্রী। এতে তিনি জানান, ১৭ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি ও তার বন্ধু প্রীতিলতা হলে ফেরার সময় কাছের একটি সড়কে কয়েক যুবক তাদের পথরোধ করেন। তাদের মারধর করে বোটানিক্যাল গার্ডেনের পেছনে ঝোপে নিয়ে যান যুবকরা।

ছাত্রীর দাবি, তাকে বিবস্ত্র করে মোবাইলে ভিডিও করা হয় এবং সেই ভিডিও ভাইরাল করার হুমকি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চান যুবকরা। তার বন্ধু এর প্রতিবাদ করলে তার ওপরও নির্যাতন করা হয়। পরে যুবকরা দুজনের মোবাইল ও মানিব্যাগ ছিনতাই করে পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। তাদের মধ্যে তিনজন স্থানীয় বহিরাগত।

র‌্যাব-৭-এর চান্দগাঁও ক্যাম্পে শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ ইউসুফ ভুক্তভোগীর অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, যৌন নিপীড়নের ঘটনায় ছয়জন জড়িত। তারা ছাত্রীকে মারধরের পর বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণেরও চেষ্টা করেন।

র‍্যাব অধিনায়ক বলেন, ‘তারা তিনটি মোবাইলে ভিডিও ধারণের চেষ্টা করেন। এর মধ্যে দুটি মোবাইল ওই ছাত্রী ও তার ছেলে বন্ধুর। অন্যটি ঘটনার হোতা আজিম হোসাইনের। আজিম নিজের মোবাইল দিয়ে ভিডিও ধারণের কথা স্বীকার করেছেন।’

র‍্যাব কর্মকর্তা এম এ ইউসুফ বলেন, ‘শুক্রবার ঘটনার মূল অভিযুক্ত আজিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এবং স্থানীয়। তার নেতৃত্বে পুরো ঘটনা ঘটেছে। তাকে গ্রেপ্তারের পর আমরা বাকিদের নাম পাই।’

যেভাবে যৌন নিপীড়ন

র‍্যাব-৭-এর অধিনায়ক বলেন, ‘অভিযুক্তদের সঙ্গে কথা বলে আমরা জানতে পেরেছি, সেদিন রাত ১০টা-সাড়ে ১০টার দিকে ওই ছাত্রী তার এক ছেলে বন্ধুসহ হলের দিকে ফিরছিলেন। আজিম ও তার গ্রুপটি মোটরসাইকেল নিয়ে রাতে ঘোরাঘুরি ও আড্ডা দিতে থাকে। মোটরসাইকেল দুটি ছিল সাইফুল ও শাওনের। ঘোরাঘুরির সময় হঠাৎ তাদের নজরে আসে, একটি ছেলে ও একটি মেয়ে বোটানিক্যাল গার্ডেনের দিক থেকে হেঁটে আসছে, জায়গাটি একটু নির্জন।

‘শুরুতে তারা গিয়ে ভুক্তভোগীদের চার্জ করেন। ছাত্রীর ছেলে বন্ধুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন না। অভিযুক্তরা তাদের কাছে গিয়ে এত রাতে বাইরে থাকার কারণ জিজ্ঞেস করেন। ছেলে বন্ধুর কাছে দাবি করা হয় চাঁদা। একপর্যায়ে তাদের মোবাইল কেড়ে নেয়া হয়।

‘তখন তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। পরে ছয়জন তাদের ওপর আরও বেশি চড়াও হয়। ছেলেটিকে আটকে রেখে মেয়েটিকে তারা নির্যাতন করে। প্রথমে চড়-থাপ্পড় মারে, তারপর বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের চেষ্টা করে।’

ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, ভ্যানিটি ব্যাগ ও টাকা-পয়সা নিয়ে নেয়ার পর তারা (জড়িতরা) ঘটনাস্থল ত্যাগ করে জানিয়ে র‍্যাব কর্মকর্তা বলেন, ‘তখন ভুক্তভোগীরা একটি হলে গিয়ে এক ছাত্রের মোবাইল থেকে ফোন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অভিযোগ জানায়।’

ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত না দাবি করে তিনি বলেন, ‘এখানে আমরা কোনো ধরনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা পাইনি। যার নেতৃত্বে ঘটনা ঘটেছে, আজিম, সে অকপটে বলেছে, ঘটনাটি ঘটেছে তাৎক্ষণিক। কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছিল না বা মেয়েটিকে টার্গেট করার কোনো প্ল্যান ছিল না। এমনকি মেয়েটিও আমাদের বলেছে, সে আজিমকে আগে থেকে চিনত না।’

আজিমের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আজিম যেহেতু এলাকায় অবস্থান করে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে, এই কারণে এলাকায় তার প্রভাব ছিল। এই প্রভাব-প্রতিপত্তি খাটিয়ে সে হয়তো ছোটখাটো কিছু ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জেনেছি। এগুলো তদন্ত করে আমরা বের করব।’

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘অভিযুক্ত সবাই বলছে তারা ছাত্রলীগ সমর্থন করে। সমর্থন তো যে কেউ করতে পারে। কিন্তু তাদের কোনো পদ-পদবি নেই। তারা যেটা বলছে যে, তাদের মধ্যে দুই গ্রুপেরই সমর্থক রয়েছে। এখানে নির্দিষ্ট কোনো গ্রুপের কেউ না।

‘তাদের ভাষ্য অনুযায়ী একেক জন একেক গ্রুপ সমর্থন করে। সমর্থন করা মানেই আমি বলতে পারি না যে, তারা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। সমর্থন তো যে কেউ করতে পারে, জনসাধারণ হিসেবে তার অধিকার রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
‘যৌন হেনস্তা’র বিচারের দাবিতে চবিতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ
ক্যাম্পাসে ‘যৌন নিপীড়ন’: চবি ছাত্রীর মামলা
স্কুলছাত্রকে যৌন নিপীড়ন, শিক্ষক গ্রেপ্তার
বন্ধুদের সঙ্গে সাদাপাথরে, পানিতে তলিয়ে চবি ছাত্রের মৃত্যু
শাটল ট্রেনের ছাদ থেকে নামতে গিয়ে শিশু আহত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Bus robbery gang rape 2 more accused confess

বাসে ডাকাতি-সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: আরও ২ আসামির স্বীকারোক্তি

বাসে ডাকাতি-সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: আরও ২ আসামির স্বীকারোক্তি
এই মামলায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ৯ জন। অন্য ৪ জন রিমান্ডে আছেন।

টাঙ্গাইলের মধুপুরে ঈগল এক্সপ্রেসের বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

টাঙ্গাইলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বুধবার বিকেলে বিচারক নওরিন করিম তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

এই আসামিরা হলেন মো. সাগর ও মো. বাবু।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. হেলাল উদ্দিন এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, এই মামলায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ৯ জন। অন্য ৪ জন রিমান্ডে আছেন।

পুলিশের বর্ণনায় যা ঘটেছিল

গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ঈগল এক্সপ্রেসের বাসটি সিরাজগঞ্জ রোডে জনতা নামের খাবার হোটেলে যাত্রা বিরতি করে। সেখানে ৩০ মিনিটের মতো বিরতি শেষে বাসটি ফের ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে।

পথে তিনটি স্থান থেকে অজ্ঞাতপরিচয় তিন-চারজন করে মোট ১২ জন ডাকাত যাত্রীবেশে বাসে ওঠেন এবং পেছনের দিকে খালি সিটে বসেন।

যমুনা সেতু (বঙ্গবন্ধু সেতু) পার হওয়ার আধা ঘণ্টা পর (রাত দেড়টার দিকে) টাঙ্গাইলের নাটিয়াপাড়া এলাকায় ডাকাতরা বাসটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। ছুরি, চাকুসহ দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে বাসের চালককে সিট থেকে উঠিয়ে হাত-পা বেঁধে পেছনে সিটের নিচে ফেলে রাখে।

টহল পুলিশের কাছে ধরা পড়া এড়াতে তারা বাসটিকে গোড়াই থেকে ইউটার্ন করে এলেঙ্গা হয়ে ময়মনসিংহ রোড ধরে যেতে থাকে। এই সময়ের মধ্যে ডাকাত দল বাসটির জানালার পর্দা ও যাত্রীদের পরনের বিভিন্ন কাপড় ছিঁড়ে চোখ এবং হাত বেঁধে ফেলে।

পরে ডাকাতরা বাসের ২৪ যাত্রীর কাছ থেকে টাকা, মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। বাসের এক নারীকে পাঁচ-ছয়জন ধর্ষণ করে।

আরও পড়ুন:
বাস মালিকদের দাপটে অসহায় সরকারি সংস্থা
বাসে ডাকাতি-ধর্ষণ: চারজনের জবানবন্দি, রিমান্ডে ৬
বাসে ডাকাতি-ধর্ষণ: ১০ জনকে আদালতে তোলা হচ্ছে বিকেলে  

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A case against the police on the charge of entrapment with weapons

অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা ফেনী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন। ফাইল ছবি
যুবদল নেতাকে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে থানার ওসি, এসআই ও ছাত্রলীগ নেতাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন স্ত্রী।

ফেনী মডেল থানার ওসি, তিন এসআই এবং স্থানীয় দুই ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে যুবদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে।

জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. আশিকুর রহমানের আদালতে বুধবার বিকেলে এই মামলার আবেদন করেন জেলা যুবদল সভাপতি জাকির হোসেনের স্ত্রী লুৎফুন নাহার।

বিচারক আবেদন আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক গোলাম মোহাম্মদ জিলানী এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, যুবদল নেতা জাকিরকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ করা হয়েছে এজাহারে।

আসামি করা হয়েছে ওসি মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, এসআই মো. ইমরান হোসেন, নারায়ণ চন্দ্র দাশ, হাবিবুর রহমান এবং ছাত্রলীগ নেতা সাব্বির হোসেন ও মো. সৈকতকে।

যুবদল নেতা জাকিরকে ফেনী মডেল থানা পুলিশ গত ২১ জুলাই রাজধানীর পল্টনের বিজয়নগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী ফেনী শহরের রামপুরে তার বাসায় শুক্রবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে একটি ৭.৬৫ এমএম পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, ৪ রাউন্ড গুলি এবং ২টি দেশীয় অস্ত্র জব্দ করে ফেনী মডেল থানা পুলিশ। থানা পুলিশ তার নামে এরপর অস্ত্র মামলা করে।

এই অভিযোগ শুরু থেকে অস্বীকার করে আসছিল জাকিরের পরিবার। তাকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানো হয়েছে দাবি করে সংবাদ সম্মেলনও করেছিলেন স্বজনরা।

আরও পড়ুন:
জাবিতে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা তদন্তে কমিটি
জাবিতে সাংবাদিক নির্যাতন: ৮ ছাত্রলীগ কর্মীকে অব্যাহতি
সন্ধ্যা নামলেই শহরজুড়ে ‘ছাত্রলীগ’ আতঙ্ক
পরচুলা ছিনতাইয়ে ছাত্রলীগ নেতার নাম
চবি ছাত্রলীগে পদবঞ্চিতদের অবরোধ প্রত্যাহার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two killed in a collision between two motorcycles

দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত দুই

দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত দুই সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা গেছে দুই বাইকের সংঘর্ষের ঘটনা। ছবি সিসিটিভির ফুটেজ থেকে নেয়া
বিকেল ৪টার দিকে নিউমার্কেট থেকে মোটরসাইকেলে করে বের হয়েছিলেন ইসমাইল ও আল আমিন। ঢাকা রোড ব্রিজের পাশে রোজা ফার্নিচারের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে তাদের বাইকের সংঘর্ষ হয়। 

যশোরে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুই আরোহী নিহত হয়েছেন।

যশোর-ঢাকা রোডের রোজা ফার্নিচারের সামনে বুধবার বিকেল ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

নিহতরা হলেন যশোর শহরের বারান্দী মোল্যাপাড়ার ইসমাইল হোসেন ও সিটি কলেজপাড়া বউ বাজার এলাকার আল আমিন হোসেন। তারা দুজন ছিলেন বন্ধু।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (পরিদর্শক-তদন্ত) মো. মনিরুজ্জামান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বিকেল ৪টার দিকে নিউমার্কেট থেকে মোটরসাইকেলে করে বের হয়েছিলেন ইসমাইল ও আল আমিন। ঢাকা রোড ব্রিজের পাশে রোজা ফার্নিচারের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে তাদের বাইকের সংঘর্ষ হয়।

স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শুভাশিস রায় জানান, হাসপাতালে নেয়ার আগেই দুই বন্ধুর মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:
বিজয় সরণিতে লরিচাপায় মোটরসাইকেল চালক নিহত
পেট ফেটে জন্মানো শিশুকে টাকা দেয়ার সময় বাড়াল হাইকোর্ট
রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসচাপায় হাইওয়ে পুলিশ নিহত
বাস উল্টে আহত ১৫ শ্রমিক
পিকআপের চাপায় টমটমের দুই যাত্রী নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BRTC is helpless under the pressure of bus owners

বাস মালিকদের দাপটে অসহায় সরকারি সংস্থা

বাস মালিকদের দাপটে অসহায় সরকারি সংস্থা ফরিদপুরে বিআরটিসি বাসের যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে জেলা বাস মালিক সমিতি।
মঙ্গলবার বোয়ালমারী থেকে বিআরটিসি বাস চালু করে কর্তৃপক্ষ। উদ্বোধনের পরদিন বুধবার সকাল ৭টায় বোয়ালমারী টার্মিনাল থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকার গুলিস্তানের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে একটি বাস। পথে ভাঙ্গা বাস টার্মিনালে এসে যাত্রী তুলতে গেলে সেটিকে আটকে দেয় সেখানকার বাস মালিক সমিতির লোকজন। নামিয়ে দেয়া হয় যাত্রীদের।

উদ্বোধনের একদিন পরেই ফরিদপুরের বোয়ালমারী থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা চলাচলে সরকারি সংস্থা বিআরটিসি বাস বন্ধ করে দিয়েছে জেলা বাস মালিক সমিতি। এমনকি মাঝপথ থেকে নামিয়ে দেয়া হয়েছে যাত্রীদের। তাদের সঙ্গে করা হয়েছে দুর্ব্যবহার, বাসের শ্রমিকদের হাত পা কেটে দেয়ার হুমকিও এসেছে।

পরিবহন মালিকদের কাছে সরকারি সংস্থার এই করুণ ‘আত্মসমর্পণে’ যাত্রীরা একইসঙ্গে হতাশ ও ক্ষুব্ধ। এর কারণ, বিআরটিসির বাসে ভাড়া যেমন তুলনামূলক কম, সেই সঙ্গে আসনও কিছুটা আরামদায়ক।

এই অবস্থায় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নিলেও রুখে দাঁড়িয়েছে জনতা। বিআরটিসি বাস চলতে দেয়া না হলে বোয়ালমারীতে ফরিদপুর জেলা বাস মালিক সমিতির কোনো বাস ঢুকতে দেয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে তারা।

পদ্মাসেতু চালু হওয়ার আগে থেকেই ফরিদপুরের বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিআরটিসি বাস চলাচলের দাবি উঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিআরটিসি কর্তৃপক্ষ ফরিদপুরের নগরকান্দা থেকে বাস চালু করে।

মঙ্গলবার বোয়ালমারী থেকে বিআরটিসি বাস চালু করে কর্তৃপক্ষ। উদ্বোধনের পরদিন বুধবার সকাল ৭টায় বোয়ালমারী টার্মিনাল থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকার গুলিস্তানের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে একটি বাস।

পথে ভাঙ্গা বাস টার্মিনালে এসে যাত্রী তুলতে গেলে সেটিকে আটকে দেয় সেখানকার বাস মালিক সমিতির লোকজন। নামিয়ে দেয়া হয় যাত্রীদের। ফলে চরম বিপাকে পড়েন তারা।

বাসের সুপারভাইজার তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের বাসটি সকাল ৭টায় ভাঙ্গা টার্মিনালের কাছে পৌঁছালে সেটিকে আটকে দেয়া হয়। আমাকে মারধর করে এবং হাত পা কেটে ফেলার হুমকি দেয়।’

যাত্রী ইমরান ফরহাদ বলেন, ‘আমাদের বাসটি ভাঙ্গা বাস টার্মিনালে আসার পর বেশ কয়েক ব্যক্তি চালকের কাছ থেকে চাবি ছিনিয়ে নেয়। তারা চালক ও হেলপারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। যাত্রীদের সঙ্গেও তারা অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।’

বাস বন্ধ করে দেবার খবর বোয়ালমারীতে পৌঁছালে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

বেশ কয়েকজন ক্ষুব্ধ মানুষ ঘোষণা দেন, বিআরটিসি বাস চলাচল বন্ধ করা হলে ফরিদপুর জেলা বাস মালিক সমিতির কোনো গাড়িই বোয়ালমারীর উপর দিয়ে চলাচল করতে দেয়া হবে না।

বিআরটিসির ম্যানেজার (অপারেশন) মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘বিআরটিসির বাস বন্ধ করার কোনো এখতিয়ার নেই জেলা বাস মালিক গ্রুপের। পরিবহন সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। সেই হিসাবে বিআরটিসি বাস চলাচল বন্ধ করা ঠিক হয়নি।’

ফরিদপুর জেলা বাস মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আনিচুর রহমান বলেন, ‘বিআরটিসি সারাদেশের ২৩ রুটে যে রুট পারমিট দিয়েছে সেখানে কোন উপজেলার অনুমতি নেই। তাছাড়া জেলা বাস মালিক গ্রুপ থেকেও অনুমতি নেয়নি। ফলে আমরা বিআরটিসি বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছি।’

এ বিষয়ে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান বলেন, ‘বাস চলাচলের বিষয়ে একটি ঝামেলার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। আশা করছি এ সমস্যাটির সমাধান হয়ে যাবে।

‘বিআরটিসির পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
বাসে ডাকাতি-ধর্ষণ: ১০ জনকে আদালতে তোলা হচ্ছে বিকেলে  
বিআরটিএ ঘুমিয়ে, ফায়দা নিয়েই যাচ্ছে রাইদা
সরকার পতন নিয়ে সংশয়ে আব্বাস-গয়েশ্বর
স্বাধীন পরিবহন ভাড়া কাটে ‘স্বাধীনভাবে’
চলন্ত বাসে ডাকাতির সময় ধর্ষণ ‘রতনের নির্দেশে’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
4 life for human trafficking

মানব পাচারের দায়ে ৪ জনের যাবজ্জীবন

মানব পাচারের দায়ে ৪ জনের যাবজ্জীবন
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) রকিব উদ্দিন বলেন, ‘১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে অভিযোগ প্রমাণের ভিত্তিতে বিচারক চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। পাশাপাশি একটি ধারায় ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।’

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মানব পাচার মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। খালাস দেয়া হয়েছে চারজনকে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক নাজমুল হক শ্যামল তিন আসামির উপস্থিতিতে বুধবার দুপুরে এ রায় দেন।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডিতরা হলেন মর্জিনা বেগম, জেসমিন বেগম, মো. টিটু ও সাহাবুদ্দিন। এর মধ্যে জেসমিন বেগম পলাতক।

পরিদর্শক জানান, ২০১৬ সালের ২৭ ডিসেম্বর বায়েজিদ নামের ৮ বছরের এক শিশু নিখোঁজ হয়। পরে বায়েজিদের মা নারায়ণগঞ্জ র‍্যাব-১১-এর কাছে অভিযোগ করেন, তার ছেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ চাওয়া হচ্ছে। মুক্তিপণ না পেলে বায়েজিদকে হত্যার হুমকিও দিয়েছেন অপহরণকারীরা। এরপর ১৮ জানুয়ারি সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগং রোড এলাকা থেকে বায়েজিদকে উদ্ধার করে র‍্যাব।

এ ঘটনায় ৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর সায়েদাবাদ ও সিদ্ধিরগঞ্জ বাগমারা এলাকা থেকে ৮ জনকে আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মানব পাচার আইনে মামলা হয়।

ওই বছরের শেষের দিকে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা। এতে বলা হয়, অপহরণকারীরা বায়েজিদকে অপহরণের কথা স্বীকার করেন। একই সঙ্গে তারা আরও অন্তত ১৭টি শিশু অপহরণের কথাও জানান।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) রকিব উদ্দিন বলেন, ‘১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে অভিযোগ প্রমাণের ভিত্তিতে বিচারক চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। পাশাপাশি একটি ধারায় ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
কুষ্টিয়ায় জোড়া খুনের ১৩ বছর পর ৫ জনের যাবজ্জীবন
স্কুলছাত্রী ধর্ষণ, অটোচালকের যাবজ্জীবন
প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ভাতিজিকে হত্যা, ২ জনের যাবজ্জীবন
তাইজ হত্যার ১০ বছর পর ৩ জনের যাবজ্জীবন
কৃষক হত্যায় যাবজ্জীবন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Trawler loaded with sugar sank in Meghna

মেঘনায় ডুবল চিনিবোঝাই ট্রলার

মেঘনায় ডুবল চিনিবোঝাই ট্রলার
পরিদর্শক বলেন, ‘স্থানীয় জেলেরা নৌকা ডেকে এনে ট্রলার থেকে ৩০০ বস্তা চিনি উদ্ধার করতে পেরেছেন। বাকি বস্তাসহ ট্রলারটি ডুবে গেছে। এ চিনি ভোলার হোসেন ট্রেডার্সের। মালিক ঘটনাস্থলে এসেছেন।

ব‌রিশা‌লের মেঘনা নদীতে সাড়ে ৩ হাজারের বেশি বস্তা চিনি নিয়ে একটি ট্রলার ডুবে গেছে।

হিজলা উপজেলার কাইছমা বাজারসংলগ্ন এলাকায় বুধবার সকাল ১০টায় তলা ফেটে ট্রলারটি ডুবে যায়।

হিজলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক বিকাশ চন্দ্র দে নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ফারহান-ফাহিম নামের ট্রলারটি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থেকে ৩ হাজার ৭২০ বস্তা চিনি নিয়ে ভোলার উদ্দেশে রওনা দেয়। নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ায় চালক ডুবোচর খেয়াল করেননি। ট্রলারটি একটি ডুবোচরে উঠে গেলে এর তলা ফেটে কাত হয়ে যায়। একপর্যায়ে প্রচণ্ড বাতাস ও ঢেউয়ের তোড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।

এ সময় টহলে থাকা নৌপুলিশের একটি দল ট্রলারে থাকা পাঁচজনকে উদ্ধার করে।

পরিদর্শক বলেন, ‘স্থানীয় জেলেরা নৌকা ডেকে এনে ট্রলার থেকে ৩০০ বস্তা চিনি উদ্ধার করতে পেরেছেন। বাকি বস্তাসহ ট্রলারটি ডুবে গেছে। এ চিনি ভোলার হোসেন ট্রেডার্সের। মালিক ঘটনাস্থলে এসেছেন।’

আরও পড়ুন:
ধনুতে ট্রলারডুবি, নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার 
ধনুতে ট্রলারডুবি: নারীর মরদেহ উদ্ধার, শিশু নিখোঁজ
পদ্মায় ধানবোঝাই ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ২
গজারিয়ায় ট্রলারডুবি: নিখোঁজ বাকি দুজনের মরদেহ উদ্ধার
গজা‌রিয়ায় ট্রলারডু‌বি: মৃত বেড়ে ৩

মন্তব্য

বাংলাদেশ
30 injured in clash over return of money to go abroad

প্রবাসে যাওয়ার টাকা ফেরত নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩০

প্রবাসে যাওয়ার টাকা ফেরত নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩০
সরাইল সার্কেলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুর বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ছাড়াও এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা আছে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের জয়ধরকান্দি গ্রামে বুধবার বেলা ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

সরাইল সার্কেলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, জয়ধরকান্দি গ্রামের আল আমিন প্রবাসে আছেন। প্রবাসে যাওয়ার আগে বোরহান নামের একজনকে বিদেশ নেয়ার জন্য তার কাছ থেকে টাকা নেন আল আমিন। বুধবার সকালে বোরহান তার টাকা ফেরত চান আল আমিনের বাবার কাছে৷ এ নিয়ে কথা কাটাকাটি থেকে দুইপক্ষ দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

আহতরা হলেন, বকুল, বিল্লাল, শাসসু, আজগর, শিমুল, তকির, বাহার, নাহিদ, নাদিম, জুবায়েদ, জসিম, ইলিয়াস, হারিস। তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুর আরও বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ছাড়াও এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা আছে।’

আরও পড়ুন:
পুলিশ বন্ধু, ভোলার প্রাণহানি দুর্ঘটনা: বিএনপি নেতা
বিএনপি-ছাত্রলীগ সংঘর্ষে আহত ৩০
প্রশাসনকে ছাত্রদল সভাপতির হুঁশিয়ারি
ভোলায় সংঘর্ষ: নিহত ছাত্রদল নেতার দেহে গুলির চিহ্ন
দুই কর্মী নিহত: ভোলায় বিএনপির ব্যাপক বিক্ষোভ

মন্তব্য

p
উপরে