× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Be frugal increase food production PM
hear-news
player
print-icon

সাশ্রয়ী হোন, খাদ্য উৎপাদন বাড়ান: প্রধানমন্ত্রী

সাশ্রয়ী-হোন-খাদ্য-উৎপাদন-বাড়ান-প্রধানমন্ত্রী
দেশের পাঁচ জেলায় বৃহস্পতিবার ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে ২৬ হাজার ২২৯টি ঘর এবং জমি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী এসবের (জ্বালানি, খাদ্য) সংকট শুরু হয়েছে। সরকার ইতোমধ্যেই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশের প্রতিটি মানুষকে যার যার জায়গা থেকে এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে। কেননা উন্নত বিশ্বও এ পরিস্থিতিতে হিমশিম খাচ্ছে।’

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও পানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে দেশবাসীকে অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিদ্যমান পরিস্থিতিতে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদও দিয়েছেন তিনি।

দেশের পাঁচ জেলায় বৃহস্পতিবার ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে ২৬ হাজার ২২৯টি ঘর এবং জমি হস্তান্তর করে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রীয় বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সব জেলার সঙ্গে যুক্ত হন সরকারপ্রধান।

অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী এসবের (জ্বালানি, খাদ্য) সংকট শুরু হয়েছে। সরকার ইতোমধ্যেই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশের প্রতিটি মানুষকেও যার যার জায়গা থেকে এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে। কেননা উন্নত বিশ্বও এ পরিস্থিতিতে হিমশিম খাচ্ছে।

‘তাই সবাইকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং পানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে; খাদ্যের উৎপাদন বাড়াতে হবে। সবাই মিলে একযোগে কাজ করলে আমরা সংকট এড়িয়ে এগিয়ে যাব।’

বৈশ্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী দুর্যোগ, মহামারি এবং যুদ্ধ চলছে। এ কারণে নানা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন দেশ। একে তো করোনা মহামারি, তার ওপর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং রাশিয়ার ওপরে যুক্তরাষ্ট্রসহ মিত্র দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা চলছে। ইউরোপ দাবদাহে পুড়ছে। বন পুড়ে যাচ্ছে; বিমানবন্দরের পিচ গলে যাচ্ছে। এককথায় বিশ্বব্যাপী সংকট শুরু হয়েছে।

‘কাজেই আমাদের এখন থেকেই সতর্ক থাকতে হবে। এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি ফেলে রাখা যাবে না। খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। বিদ্যুৎ, গ্যাস, ফুয়েল ও পানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে। সংকট আসার আগেই সাবধান হতে হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। সবাইকে সঞ্চয় বাড়াতে হবে। সেটা খাদ্য হোক বা জ্বালানি হোক, দুর্যোগ ও সংকট আসার আগেই ব্যবস্থা নিতে হবে।’

সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, “আমরা এ দেশের মানুষ সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করলে এ দেশ অবশ্যই এগিয়ে যাবে। সব প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি; সামনে উন্নত দেশের মর্যাদাও পাব।

“৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু অবিনাশী বক্তব্য দিয়েছিলেন যে, ‘কেউ দাবায়া রাখতে পারবা না।’ আমরা সবাই দায়িত্ব পালন করলে আসলেই কেউ দাবায় রাখতে পারবে না।”

আরও পড়ুন:
ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিওবার্তা
বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
আবে হত্যা বিশ্বের ক্ষতি: শেখ হাসিনা
রাশিয়াকে শায়েস্তা করতে বিশ্বকে শাস্তি দেয়া ঠিক নয়: প্রধানমন্ত্রী
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে আলোকসজ্জা নয়: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Bangabandhus Tobacco Pipe Pell National Museum

বঙ্গবন্ধুর ৪ স্মৃতি জাতীয় জাদুঘরে

বঙ্গবন্ধুর ৪ স্মৃতি জাতীয় জাদুঘরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যবহার করা টোব্যাকো পাইপ থাকবে জাতীয় যাদুঘরে। ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় জাদুঘরে হস্তান্তর করা নিদর্শনের মধ্যে টোব্যাকো পাইপ ছাড়াও আছে বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত পাজামা, পাঞ্জাবি ও মুজিবকোর্ট। সংগ্রহে বঙ্গবন্ধুর চশমা একটি থাকায় তা জাতীয় জাদুঘরে হস্তান্তর করা যায়নি।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যবহার করা টোব্যাকো পাইপসহ চারটি স্মৃতি নিদর্শন পেয়েছে জাতীয় জাদুঘর।

শনিবার বিকেলে জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল হলে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব নির্দশন হস্তান্তর করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর কতৃপক্ষ।

জাতীয় জাদুঘরে হস্তান্তর করা নিদর্শনের মধ্যে টোব্যাকো পাইপ ছাড়াও আছে বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত পাজামা, পাঞ্জাবি ও মুজিবকোর্ট। সংগ্রহে বঙ্গবন্ধুর চশমা একটি থাকায় তা জাতীয় জাদুঘরে হস্তান্তর করা যায়নি।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটর নজরুল ইসলাম খান এসব স্মৃতি নিদর্শন জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামানের কাছে হস্তান্তর করেন।

বঙ্গবন্ধুর ৪ স্মৃতি জাতীয় জাদুঘরে
আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় জাদুঘরে হস্তান্তর করা হয় বঙ্গবন্ধুর চারটি স্মৃতি নিদর্শন। ছবি: নিউজবাংলা

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, ‘জাতীয় জাদুঘরের জন্য আজ এক অসাধারণ দিন। বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত চারটি জিনিস তারা পেয়েছে। এই অমূল্য সম্পদ টাকা দিয়ে কেনা যাবে না। এসব এমনভাবে সংরক্ষণ করতে হবে যেন শতবছর পরেও একইভাবে থাকে।

‘শুধুমাত্র জাতির পিতার ব্যবহৃত জিনিস দিয়ে আমরা জাদুঘরে একটা গ্যালারি করবো। ঢাকা শহরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের আমরা স্ব উদ্যোগে এই গ্যালারি দেখাতে নিয়ে আসবো। প্রতিটি টিমের সাথে একজন গাইড থাকবেন। তিনি শিক্ষার্থীদের সামনে এ দেশের স্বাধীনতায় বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা তুলে ধরবেন।’

জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘আমরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের কাছে পাঁচটা জিনিস চেয়েছিলাম। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর চশমা শুধু একটি আছে, তাই সেটি আমরা পাইনি। একাধিক থাকলে আমরা নিয়ে আসতে পারতাম।

‘এই উপহার জাতীয় জাদুঘরের সংগ্রহশালাকে আরও সমৃদ্ধ করবে। মানুষ বঙ্গবন্ধুর এসব স্মৃতিচিহ্ন কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাবে।’

কিউরেটর নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমি শুনেছি, জাতীয় জাদুঘরে প্রতিমাসে তিন লাখ মানুষ আসেন। বঙ্গবন্ধুর এসব স্মৃতি নিদর্শন হস্তান্তরের ব্যাপারে তাই আমরা আগ্রহী ছিলাম। কারণ এখানে দিলে বেশি মানুষ তা দেখবে। এসব নির্দশনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু সারাদেশের মানুষের কাছে জাগরুখ থাকবেন।’

সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় জাদুঘরের পর্ষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ‘এগুলো সারা জাতির জন্য অমূল্য সম্পদ। বঙ্গবন্ধু যখন হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তখনও এই পাইপটি তার হাতে ছিল। তিনি বেশিরভাগ সময় পাঞ্জাবি, পাজামা পরতেন। এগুলো দেখলেই বোঝা যায় তিনি কতোটা সাদামাটা জীবনযাপন করেছেন।’

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি বিষয় মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল মনসুর, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের সহকারী কিউরেটর কাজী আফরিন জাহান ঝুলিসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধু হত্যার কুশীলব খুঁজতে এ বছরই কমিশন চালুর আশা
বঙ্গবন্ধুকে অবমাননার মামলায় শিক্ষককে এক বছরের দণ্ড
বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদকারীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি কেন নয়: হাইকোর্ট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Cancellation of rental agreement when in power BNP

ক্ষমতায় গেলে রেন্টাল চুক্তি বাতিল: বিএনপি

ক্ষমতায় গেলে রেন্টাল চুক্তি বাতিল: বিএনপি শনিবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সরকারের লাগামহীন দুর্নীতি আর হরিলুটের খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। তার ওপর বিদ্যুতের লোডশেডিং মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে। দিশেহারা মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।’

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান অবস্থার জন্য সরকারের ‘সর্বগ্রাসী দুর্নীতি, আত্মঘাতী চুক্তি ও অপরিণামদর্শী পরিকল্পনা’ দায়ী বলে মন্তব্য করেছে বিএনপি।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সার্বিক অবস্থা তুলে ধরতে শনিবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, রেন্টাল-কুইক রেন্টাল কোম্পানির চুক্তি বাতিলসহ ১২ দফা পদক্ষেপ নেয়া হবে।

দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চিত্র তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সরকারের লাগামহীন দুর্নীতি আর হরিলুটের খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। শহরে দুই-তিন ঘণ্টা ও গ্রামাঞ্চলে পাঁচ-ছয় ঘণ্টা বিদ্যুতের লোডশেডিং জনজীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে।

‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। তার ওপর বিদ্যুতের লোডশেডিং মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে। মানুষ দিশেহারা হয়ে উঠেছে, তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বিদ্যুৎ খাতে বিপর্যয়, রিজার্ভে সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনৈতিক নৈরাজ্য ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনগণের নাভিশ্বাসের দায় নিয়ে এই ফ্যাসিস্ট সরকারকে অনতিবিলম্বে সরে যেতে হবে। অন্যথায় দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণই তাদেরকে পদত্যাগে বাধ্য করবে।’

‘ক্ষমতায় গেলে রেন্টাল-কুইক রেন্টাল বাতিল’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় গেলে বিদ্যুতের এই সমস্যার সমাধান করব। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইনসহ সব কালাকানুন বাতিল করব। রেন্টাল-কুইক রেন্টাল কোম্পানির সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করা হবে। স্বচ্ছ প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ ও অন্যান্য কাজ করা হবে।’

‘চাহিদা অনুযায়ী পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের জন্য মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেয়া হবে। চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন অতি দ্রুত স্থাপন করা হবে। বাপেক্স ও অন্যান্য সরকারি সংস্থার মাধ্যমে দেশীয় খনিজ ও গ্যাস উত্তোলনের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া হবে। একইসঙ্গে দেশীয় প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ করে তুলতে উপযুক্ত উদ্যোগ নেয়া হবে।’

এছাড়া বঙ্গোপসাগরে সম্ভাবনাময় গ্যাস/পেট্রোলিয়াম ও অন্যান্য খনিজ পদার্থ উত্তোলনে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দুর্নীতি-অনিয়মে জড়িতদের শাস্তি, জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভরতা কমিয়ে ক্রমান্বয়ে মোট উৎপাদনের ৫০ শতাংশ নবায়নযোগ্য শক্তিনির্ভর জ্বালানি নীতি গ্রহণ, বেইস লোড পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে স্বল্প ব্যয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন, বৃহৎ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর সংস্কার এবং খালেদা জিয়া ঘোষিত ভিশন-২০৩০ তে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা তুলে ধরেন বিএনপি মহাসচিব।

‘ক্যাপাসিটি চার্জের নামে গচ্ছা ৯০ হাজার কোটি টাকা’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘১৯টি রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট চালুর ২/৩ বছর পরই বন্ধ হওয়ার কথা থাকলেও সেগুলো প্রয়োজন ছাড়াই এখনো চালু আছে। বেশ কিছু রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদন না করেও ক্যাপাসিটি ট্যাক্স বাবদ বিপুল অর্থ নিয়ে যাচ্ছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বিদ্যুৎ সরবরাহ ছাড়াই সরকারকে এ পর্যন্ত ৯০ হাজার কোটি টাকা গচ্ছা দিতে হয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব ব্যবসায়ীদের পকেটেই গেছে ৬০ হাজার কোটি টাকা। গত ১২ বছরে ক্যাপাসিটি ট্যাক্স বাবদ গেছে ৮ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি। গত তিন বছরেই গেছে ৫৪ হাজার কোটি টাকা।

‘সামিট গ্রুপ, এগ্রিকো ইন্টারন্যাশনাল, এরদা পাওয়ার হোল্ডিং, ইউনাইটেড গ্রুপ, কেপিসিএল, বাংলা ক্যাট, ওরিয়ন গ্রুপ, হোসাফ গ্রুপ, মোহাম্মদী গ্রুপ, ম্যাক্স গ্রুপ, সিকদার গ্রুপ ও এপিআর এনার্জি- এই কোম্পানিগুলো কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টের মাধ্যমে অর্থ নিয়ে যাচ্ছে। এটা হলো- কুইক রেন্টালের নামে কুইক লুটপাট।’

‘অলস কেন্দ্র’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বর্তমানে দেশে মোট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মাত্র ৪৩ শতাংশে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়। বাকি ৫৭ শতাংশ কেন্দ্র অলস বসিয়ে রেখে ভাড়া গুনছে সরকার। এ অর্থ জনগণের অর্থ। এই ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়া হচ্ছে।

‘বিদ্যুৎ না কিনে গত অর্থবছরে বিল পরিশোধ করা হয়েছে ১৭ হাজার কোটি টাকা। তার আগের বছর পরিশোধ করা হয়েছে ১৪ হাজার ২৩২ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে এই খাতে ব্যয় হয়েছে ২১ হাজার ৬শ কোটি টাকা। ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধ বেড়ে হয়েছে ১৮ শতাংশ। তারপরও ক্যাপাসিটি চার্জ ক্রমশ বেড়েই চলেছে।’

তিনি বলেন, ‘অলস কেন্দ্রের খরচ আরও বাড়বে। বর্তমানে ১৩ হাজার ৩৮৭ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩৫টি কেন্দ্র নির্মাণাধীন। ২০২৬ সালের মধ্যে এসব কেন্দ্র উৎপাদনে আসার কথা রয়েছে। আগামী ডিসেম্বরে ৩ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র উৎপাদনে আসতে পারে। সব মিলে বিদ্যুৎ না কিনেও অতিরিক্ত টাকা পরিশোধের অংক কয়েক গুণ বেড়ে যাবে।’

‘ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি অযৌক্তিক’

সংবাদ সম্মেলনে ভারতে বিদ্যুৎ আমদানি নিয়ে প্রশ্নে তোলেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘ভারত থেকে বর্তমানে ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হয়। এ জন্য গত তিন অর্থবছরে প্রায় ৫ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হয়েছে।

‘আদানি গ্রুপের ১ হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির কথা রয়েছে। বাংলাদেশে যখন প্রায় ৬০ শতাংশ ওভার ক্যাপাসিটি রয়েছে ঠিক সে সময় ভারত থেকে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ আমদানি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।’

তিনি বলেন, ‘আদানির গোড্ডা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ১৪৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির জন্য বাংলাদেশ বছরে প্রায় ১১ দশমিক ০১ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করবে। এই বিদ্যুৎ আমদানির ৪০ শতাংশ যায় ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধে। বিদ্যুৎ কম এলেও ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হয়। চুক্তির ২৫ বছরে ক্যাপাসিটি চার্জ হিসেবে আদানি গ্রুপকে এক লাখ কোটি টাকার বেশি পরিশোধ করতে হবে। এই পরিমাণ অর্থ দিয়ে ৩টি পদ্মা সেতু, ৯টি কর্ণফুলী টানেল কিংবা ২টি মেট্রোরেল নির্মাণ করা যায়।’

‘জনগণের ওপর বোঝা চাপানো’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গ্যাস উত্তোলনের সক্ষমতা বৃদ্ধি না করে আইপিপি-এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করেক্যাপাসিটি চার্জের বোঝা অন্যায়ভাবে জনগণের ওপর চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। সরকার উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দশ বছরে অফ-শোর গ্যাস উত্তোলনের সম্ভাবনাকে কাজে লাগায়নি। এমনকি বিদ্যমান গ্যাসফিল্ডের রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারের মাধ্যমেও বর্তমান পরিস্থিতিতে ২০ শতাংশের বেশি গ্যাস সরবরাহ করা যেত। কিন্তু তা করা হয়নি।

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘ভোক্তাদের টাকায় গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের জন্য গঠন করা গ্যাস উন্নয়ন তহবিল (জিডিএফ) থেকে এলএনজি আমদানিতে ২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার। এই টাকাটা আসলে ঋণের নামে নিয়ে নেয়া হলো। আর্থিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে এই অবৈধ কাজটি করেছে সরকার।’

পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রসঙ্গে

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘অদূরদর্শী পরিকল্পনার বড় দৃষ্টান্ত হচ্ছে পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে উৎপাদনে গেলেও সঞ্চালন লাইনের নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় কেন্দ্রটি সক্ষমতার অর্ধেক বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। কিন্তু কোনো বিদ্যুৎ না দিলেও এ পর্যন্ত ক্যাপাসিটি চার্জ হিসেবে চীনা ঋণে বাস্তবায়নাধীন এই কেন্দ্রকে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি পরিশোধ করা হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির শাসনামলে স্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে সরকারি ক্রয় নীতিমালা প্রণয়নের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন বিএনপি মহাসচিব।

সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ে আমরা প্রিপেইড মিটার আমদানি করেছিলাম সিমেন্স কোম্পানির কাছ থেকে এবং বুয়েট থেকে বানিয়েছিলাম। সেখানে ১০ শতাংশ রেয়াত সুবিধা দেয়া হয়েছিল।

‘ওরা (বর্তমান সরকার) এসে ওইসব ফেলে দিয়ে প্রোগ্রামিং করে নতুন মিটার এনেছে। আমার মিটারে ১১৫ টাকা ছিল। আরও ১০০০ টাকা ভরেছি। তাহলে ১১৫০ টাকা থাকার কথা। কিন্তু দেখলাম আমার মিটারে বিদ্যুৎ কিনতে পারব ৯৩০ টাকার। এভাবে ওরা প্রযুক্তি দিয়ে মানুষের অর্থ লুট করছে।’

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য জনগণের সঙ্গে তামাশা: ফখরুল
আ.লীগের চেয়ে বড় আন্দোলনকারী আর নেই: শাজাহান খান
মুসলিম লীগের মতো হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী
বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপি-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ
লক্ষ্মীপুরে বিএনপির সমাবেশে ‘ছাত্রলীগের’ হামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP is trying to overthrow the government using the crisis Quader

ক্ষমতার দাপট দেখাবেন না: নেতাকর্মীদের কাদের

ক্ষমতার দাপট দেখাবেন না: নেতাকর্মীদের কাদের শনিবার আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মহিলা শ্রমিক লীগের শোক দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সারা দুনিয়ায় জিনিসপত্রের দাম বেড়ে চলেছে। বাংলাদেশও নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলা করছে। সংকট উত্তরণে প্রধানমন্ত্রী আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। অথচ বিএনপি সংকটকে হাতিয়ার করে সরকার উৎখাতের চেষ্টায় নেমেছে।’

চলমান সংকটপূর্ণ পরিস্থিতিতে নেতাকর্মীদের কথাবার্তা ও আচার-আচরণে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘এই সময়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা বলা, ক্ষমতার দাপট দেখানো সমীচীন নয়।’

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শনিবার মহিলা শ্রমিক লীগ আয়োজিত শোক দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সারা বিশ্ব সংকটে। সারা দুনিয়ায় জিনিসপত্রের দাম বেড়ে চলেছে। বাংলাদেশও নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলা করছে। মানুষের কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু আমাদের সামনে কোনো উপায় ছিল না।

‘সংকট উত্তরণে প্রধানমন্ত্রী আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কিভাবে মানুষকে একটু আরাম দেয়া যায়, স্বস্তি দেয়া যায়, সে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। অথচ দেশের বৃহৎ বিরোধী দল বিএনপি মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে সংকটকে হাতিয়ার করে সরকার উৎখাতের চেষ্টায় নেমেছে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নিজেরা (বিএনপি) ইচ্ছেমতো মিছিল করছে, পল্টন ও প্রেসক্লাবের সামনে। এতোদিন বলতো আওয়ামী লীগ মিছিল-মিটিং করতে দিচ্ছে না। নেত্রী বলেছেন যে ওরা করুক। আর যখন মিছিল-মিটিং করতে পারছে তখন তাদের সাহসের ডানা বিস্তৃত হচ্ছে। এখন তারা বলেছ- বিদেশি শক্তির চাপে পুলিশ বাধা দিচ্ছে না।’

‘মনে রাখবেন, আওয়ামী লীগ বিদেশি শক্তির চাপে মাথানত করে না। শেখ হাসিনা আপন শক্তিতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে বলীয়ান। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে আপনাদের কেউ বাধা দিচ্ছে না। কিন্তু আগুন-সন্ত্রাস নিয়ে যদি নামতে চান, তাহলে বলবো- জনতার প্রতিরোধ সুনামিতে পরিণত হবে এবং সমুচিত জবাব দেয়া হবে।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমাদের নেতাকর্মীদের বলব, প্রত্যেককে কথাবার্তা ও আচার-আচরণে দায়িত্বশীল হতে হবে। এই সময়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন কোনো কথা বলা, ক্ষমতার দাপট দেখানো সমীচীন নয়। ঠান্ডা মাথায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। মানুষের জন্য কাজ করতে হবে, এটাই আজকে আমাদের সবচেয়ে মেসেজ।’

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পেছনের শক্তি আজও অজানা রয়ে গেছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের বিশ্বাসঘাতক যে রাজনৈতিক শক্তি, সবার নাম আমরা জানি না। সবার ভূমিকা আজও পরিষ্কার নয়।’

মহিলা শ্রমিক লীগের সভাপতি সুরাইয়া আক্তারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, মহিলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী রহিমা আক্তার সাথী ও কার্যকরী সভাপতি সামসুন্নাহার বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন:
হামলা হলে পুলিশ কি আঙুল চুষবে: কাদের
দেশ ছেড়ে পালানোর ইতিহাস বিএনপির: কাদের
মূল্যস্ফীতি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যের তুলনায় কম: কাদের
পাগলের প্রলাপ বকছে বিএনপি: ওবায়দুল কাদের
মানুষের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক পারে আ.লীগকে জেতাতে: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The UN human rights chief is coming on Sunday

জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধান আসছেন রোববার

জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধান আসছেন রোববার জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান মিশেল ব্যাচলেট। ছবি: সংগৃহীত
পাঁচদিনের এই সফরকালে হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অন্যান্য মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে। তিনি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, সুশীল সমাজ সংস্থার প্রতিনিধি এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারের সঙ্গেও দেখা করবেন। একটি অনুষ্ঠানেও বক্তব্য দেবেন তিনি।

পাঁচদিনের সফরে রোববার ঢাকায় আসছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান মিশেল ব্যাচলেট। দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি দেখতে বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে এই সফর বলে এক বার্তায় জানিয়েছে জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সদর দফতর।

বার্তায় বলা হয়, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচলেট সরকারের আমন্ত্রণে রোববার থেকে বাংলাদেশে সরকারি সফর করবেন। জাতিসংঘের কোনো মানবাধিকার প্রধানের এটিই হবে প্রথম কোনো সরকারি সফর।

ঢাকা সফরকালে হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অন্যান্য মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে। তিনি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, সুশীল সমাজ সংস্থার প্রতিনিধি এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারের সঙ্গেও দেখা করবেন। একটি অনুষ্ঠানেও বক্তব্য দেবেন তিনি। তিনি কক্সবাজারেও যাবেন।

এদিকে বুধবার জেনেভায় ৯টি মানবাধিকার সংগঠন এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক দপ্তর প্রধানের সফরে বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানানো উচিত বলে দাবি জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো। বিশেষ করে ‘নাগরিক সমাজের জন্য সুযোগ সংকুচিত হওয়া’ ও ‘নিরাপত্তা বাহিনীর নিপীড়নের’ নিন্দা জানানো উচিত বলে দাবি তাদের।

সংগঠনগুলো হলো- অ্যান্টি-ডেথ পেনাল্টি এশিয়া নেটওয়ার্ক, এশিয়ান ফেডারেশন অ্যাগেইনস্ট ইনভলান্টারি ডিস-অ্যাপিয়ারেন্স, এশিয়ান ফোরাম ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ফোরাম-এশিয়া), ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট জাস্টিস প্রজেক্ট, মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের এলিয়স জাস্টিস, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ), ইন্টারন্যাশনাল কোয়ালিশন অ্যাগেইনস্ট এনফোর্সড ডিস-অ্যাপিয়ারেন্সেস, ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন ফর হিউম্যান রাইটস এবং রবার্ট জে কেনেডি হিউম্যান রাইটস।

জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধানের এ সফর সামনে রেখে ২১ জুলাই ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র‌্যাব এবং এর সাবেক ও বর্তমান ছয় কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ এ সফরকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেবে।

সূত্র জানায়, সফর থেকে বাংলাদেশের সম্ভাব্য অর্জন এবং ঝুঁকিগুলোও বিবেচনায় নিয়েছে সরকার, বিশেষ করে এই সফর ঘিরে বিভিন্ন মহলের নানামুখী প্রচারের আশঙ্কাও রয়েছে।

সম্প্রতি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক দপ্তরের প্রধান মিশেল ব্যাচলেটের সফরে মানবাধিকারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জনগুলো তুলে ধরবে সরকার। আমরা এই সফরের জন্য অধীর অপেক্ষায় আছি। তিনি আমাদের অগ্রগতি দেখবেন এবং চ্যালেঞ্জগুলো জানতে পারবেন।’

আরও পড়ুন:
মানবাধিকার উন্নয়নের স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The boat of development is now on its way to Sri Lanka

‘উন্নয়নের নৌকা এখন শ্রীলঙ্কার পথে’

‘উন্নয়নের নৌকা এখন শ্রীলঙ্কার পথে’ রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় পার্টির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
জি এম কাদের বলেন, ‘ইউরোপ, আমেরিকার আর সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ছেড়ে দেয়া উন্নয়নের নৌকা এখন শ্রীলঙ্কার পথে। দেশে লোডশেডিং বাড়ছে, ডলারের দাম বাড়ছে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে। কিন্তু কেন এসব বাড়ছে সে ব্যাপারে জবাব নেই সরকারের।’

ইউরোপ, আমেরিকা আর সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ছেড়ে দেয়া উন্নয়নের নৌকা এখন শ্রীলঙ্কার পথে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তিনি জ্বালানি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশেরও দাবি জানিয়েছেন।

রাজধানীর মিরপুরে এক কর্মী সম্মেলনে শুক্রবার বিকেলে তিনি এ কথা বলেন।

মিরপুর ও শাহ্আলী থানা জাতীয় পার্টির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন জি এম কাদের।

তিনি বলেন, ‘ইউরোপ, আমেরিকা আর সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ছেড়ে দেয়া উন্নয়নের নৌকা এখন শ্রীলঙ্কার পথে। দেশে লোডশেডিং বাড়ছে, ডলারের দাম বাড়ছে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে। কিন্তু কেন এসব বাড়ছে সে ব্যাপারে জবাব নেই সরকারের। তারা বিশ্বব্যাংক আর আইএমএফকে গালাগাল দিয়ে এখন ঋণের জন্য তাদের পেছনেই ঘুরছে।

‘আমরা দেশের স্বার্থে কথা বললেই সরকারের কিছু নেতা ষড়যন্ত্র খোঁজেন। দেশ শ্রীলঙ্কার মতো ব্যর্থ হতে চলেছে বলায় আমাদের তারা মূর্খ বলেছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বললেই তারা গালাগাল দিতে শুরু করেন। তারা বুঝতে চান না, মানুষ তাদের ভোটাধিকার ফিরে পেতে চায়।’

জ্বালানি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানিয়ে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, ‘দেশের মানুষ জানতে চায়, জ্বালানি খাতে প্রতি বছর কত হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে। কারা এই দুর্নীতির সাথে জড়িত, তাদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে। দুর্নীতিবাজদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। অথচ সরকার দুর্নীতিবাজ ও পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে অপরাধীদের পক্ষ নিচ্ছে।’

জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম পাঠানের সভাপতিত্বে পার্টির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু, কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আব্দুস সবুর আসুদ, সফিকুল ইসলাম সেন্টুসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন:
‘লাভের টাকা কোথায় গেল’
আগামী নির্বাচনে যে হারবে সেই নিশ্চিহ্ন: জি এম কাদের
ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থ হলে সরে দাঁড়ান, সরকারকে জিএম কাদের
বাংলাদেশের অবস্থা শ্রীলঙ্কার মতো হতে পারে: জি এম কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The victory is praised by teammates

সতীর্থদের প্রশংসায় বিজয়

সতীর্থদের প্রশংসায় বিজয় এনামুল হক বিজয়। ছবি: নিউজবাংলা
এনামুল হক বিজয় বলেন, ‘আমি যখন অনেক দিন পর দলে ফিরলাম, প্রতিটি খেলোয়াড়ের কাছ থেকে দারুণভাবে সাপোর্ট পেয়েছি। সবাই আমাকে ভালোমতো গ্রহণ করেছেন। তারা বুঝতে দেননি, এখানে আমি অনেক দিন পর এসেছি। দলে আমরা এক পরিবারের মতো ছিলাম।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের মধ্য দিয়ে জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ প্রায় সাত বছর পর মাঠে নামেন এনামুল হক বিজয়। তখন আলো ছড়াতে না পারলেও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে তার ব্যাট ছিল দ্যুতিময়।

লম্বা বিরতির পর জাতীয় দলে জায়গা পেয়ে নিজের দাপুটে পারফরম্যান্সের জন্য তিনি কৃতিত্ব দিয়েছেন সতীর্থদের। তাদের সাহস ও প্রত্যাশায় ভালো করতে পেরেছেন বলে মনে করেন বিজয়।

জিম্বাবুয়ে সিরিজ শেষে শুক্রবার দেশে ফিরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমনটাই জানান ডানহাতি এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।

দীর্ঘদিন পর দলে ফিরে বেশ ভালোভাবেই মানিয়ে নিতে দেখা যায় বিজয়কে। সর্বশেষ ছয় ম্যাচের প্রতিটিতেই তার স্ট্রাইক রেট ছিল ১০০-এর বেশি। প্রতিটি ম্যাচেই তাকে বেশ সাবলীল ব্যাটিং করতে দেখা গেছে। সতীর্থদের থেকে সাপোর্ট পাওয়ায় এই কাজটা বেশ সহজ হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

এনামুল হক বিজয় বলেন, ‘আমি যখন অনেক দিন পর দলে ফিরলাম, প্রতিটি খেলোয়াড়ের কাছ থেকে দারুণভাবে সাপোর্ট পেয়েছি। তামিম ভাই, রিয়াদ ভাইয়ের কাছ থেকে, জুনিয়রদের মধ্যে আফিফ, তাসকিন, মোসাদ্দেক, লিটনসহ সবাই আমাকে ভালোমতো গ্রহণ করেছেন। তারা বুঝতে দেননি, এখানে আমি অনেক দিন পর এসেছি। দলে আমরা এক পরিবারের মতো ছিলাম।’

সতীর্থদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিজয় বলেন, ‘প্রতিটি খেলোয়াড়ই চাচ্ছিলেন আমি যেন রান পাই। ভালো পারফরম্যান্স করার জন্য তারা অনেক বেশি উৎসাহিত করেছেন। এভাবে সহযোগিতা পেলে কাজ সহজ হয়ে যায়।

‘যেহেতু আমি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট বা প্রিমিয়ার লিগে বেশ ভালো সময় পার করেছি। এ কারণে সবাই চাচ্ছিলেন যেন আমি জাতীয় দলেও পারফর্ম করি। সবার দোয়াটা কাজে লেগেছে। সবার চাওয়া ও সহযোগিতায় পারফরম্যান্স করা অনেক ইজি হয়ে গেছে।’

আরও পড়ুন:
জিম্বাবুয়ের ক্ষত নিয়ে দেশে ফিরলেন ক্রিকেটাররা
ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে একাই লড়াই করছেন সাইফ
এশিয়া কাপে নেই লিটন ও সোহান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The video of the violence in the fuel protest is fake

জ্বালানি নিয়ে বিক্ষোভে সহিংসতার ভিডিওটি ভুয়া!   

জ্বালানি নিয়ে বিক্ষোভে সহিংসতার ভিডিওটি ভুয়া!    জ্বালানির প্রতিবাদে বিক্ষোভের নামে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি ২০১৩ সালের।
ভিডিওটি আসলে ২০১৩ সালের মে মাসের ৬ তারিখের। ধর্ম অবমাননার কোনো ঘটনায় সেদিন বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছিল বিক্ষুব্ধরা। রয়টার্সের ফ্যাক্টচেক টিম বলছে, ভুল ক্যাপশনে ভিডিওটি শেয়ার করা হয়েছে।

জ্বালানির দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে বাংলাদেশে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে, এমন একটি ভিডিও ঘুরপাক খাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভিডিওতে দাবি করা হয়, এটি চলতি মাসের (আগস্ট) ঘটনা।

ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তায় জিনিসপত্র পোড়ানো হচ্ছে, ছোড়া হচ্ছে বিস্ফোরক। কাঁদানে গ্যাস ছুড়ছে পুলিশও।

ভিডিওটি আসলে ২০১৩ সালের মে মাসের ৬ তারিখের। ধর্ম অবমাননার কোনো ঘটনায় সেদিন পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছিল বিক্ষুব্ধরা।

রয়টার্সের ফ্যাক্টচেক টিম বলছে, ভুল ক্যাপশনে ভিডিওটি শেয়ার করা হয়েছে।

টুইটারে গত ৭ আগস্ট শেয়ার করা ভিডিওর পাশে লেখা হয়, ‘বাংলাদেশ… সরকার মধ্যরাত থেকে পেট্রলের দাম ৫১ শতাংশ এবং ডিজেলের ৪২ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়ার পর, বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ এবং তীব্র সংঘর্ষ শুরু হয়েছে…. সারা বাংলাদেশে পেট্রল স্টেশনে লম্বা লাইনের খবর পাওয়া গেছে।’

টুইটটিতে লাইক পড়েছে হাজার হাজার।

টুইটারের পাশাপাশি ফেসবুকেও শেয়ার হয় ভিডিওটি। ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘বাংলাদেশ... সরকার পেট্রল এবং ডিজেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়ার পর বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ এবং তীব্র সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ ৬ আগস্ট জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়ায়। ভর্তুকির বোঝা কমানোর লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত বলে জানায় সরকার। তবে এই সিদ্ধান্ত মূল্যস্ফীতি বাড়াবে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা। ইতোমধ্যেই মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশের ওপরে রয়েছে।

৪১৬ বিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ। বছরের পর বছর ধরে বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল দেশ হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি।

তবে ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় আমদানি কমাতে বাধ্য হয়েছে ঢাকা। ঋণ চাইতে হচ্ছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে।

অবস্থা বিবেচনায় লিটারপ্রতি পেট্রলের দাম ৫১.২% বাড়িয়ে ১৩০ টাকা, ৯৫–অকটেনের দাম ৫১.৭% বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা, ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ৪২.৫% বাড়িয়ে ১১৪ টাকা করা হয়েছে।

স্থানীয় মিডিয়া বলছে, এই দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে লোকজন এখানে প্রতিবাদ করছে।

রয়টার্সের ফ্যাক্টচেক দল বিষয়টি খতিয়ে দেখেছে। গুগলে বিপরীত চিত্র অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভিডিওটি ২০২২ সালের বিক্ষোভের সঙ্গে একেবারেই সম্পর্কিত নয়।

ভিডিওটি আসলে ২০১৩ সালের মে মাসের। বাংলাদেশে একটি ধর্ম অবমাননাবিরোধী আইনের বিরুদ্ধে হিংসাত্মক প্রতিবাদে ওই বিক্ষোভ হয়েছিল। ধর্মীয় সংস্কারের দাবিতে ২০১৩ সালের ৬ মে হওয়া বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে কট্টরপন্থিদের সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন নিহত হয়েছিলেন।

আরও পড়ুন:
চাচিকে নিয়ে ইউপি সদস্যের পালানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন
পত্রিকার ভুল তথ্যে বিদ্রূপে বিপর্যস্ত ২ নিহতের পরিবার
হৃদরোগে সত্যিই কি জীবন বাঁচায় মরিচের গুঁড়া?
শিক্ষাবোর্ডের নামে ‘সুন্দরী বউ’ বাছাইয়ের তথ্য ছড়াল কারা
আরিয়ানের শাক বেচে চাল কেনার দাবি কতটা সত্যি?

মন্তব্য

p
উপরে