× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Eden College student killed in battery powered rickshaw collision
hear-news
player
print-icon

ব্যাটারিচালিত রিকশার সংঘর্ষ, ইডেন কলেজছাত্রী নিহত

ব্যাটারিচালিত-রিকশার-সংঘর্ষ-ইডেন-কলেজছাত্রী-নিহত
রাজধানীর ইসলামবাগে দুটি ব্যাটারিচালিত রিকশার সংঘর্ষে ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী উম্মে সালমা নিহত হয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত
‘রাত ৩টার দিকে লালবাগের ইসলামবাগ মোড়ে আসামাত্র বিপরীত দিক থেকে একটি ব্যাটারিচালিত রিকশা সজোরে আমাদের রিকশাকে মুখোমুখি ধাক্কা মারে। এতে আমার বোন ও আমি রিকশা থেকে ছিটকে পরি। এ সময় ল্যাম্পপোস্টে ধাক্কা লেগে আমার বোন মাথায় গুরুতর আঘাত পায়। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আমার বোনকে মৃত বলে জানান।’

রাজধানীর লালবাগের ইসলামবাগে দুটি ব্যাটারিচালিত রিকশার সংঘর্ষে ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী উম্মে সালমা নিহত হয়েছেন। বাংলা বিভাগের ছাত্রী উম্মে সালমা স্নাতকোত্তর শেষ বর্ষে ছিলেন।

বুধবার রাত ৩টার দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে বৃহস্পতিবার ভোর পৌনে ৫টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উম্মে সালমার ভাই মোহাম্মদ হাসান বলেন, ‘আমরা সপরিবারে ঢাকা থেকে ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি ভোলাতে যাই। গতকাল ঈদের ছুটি কাটিয়ে ভোলা থেকে লঞ্চযোগে ঢাকায় রওনা দেই। রাতে সদরঘাটের লঞ্চঘাটে নেমে ব্যাটারিচালিত রিকশাযোগে আমার বোনকে ইডেন কলেজের রাজিয়া বেগম ছাত্রীনিবাসে নামিয়ে আমার বাসায় চলে যাব।

‘রাত ৩টার দিকে লালবাগের ইসলামবাগ মোড়ে আসামাত্র বিপরীত দিক থেকে একটি ব্যাটারিচালিত রিকশা সজোরে আমাদের রিকশাকে মুখোমুখি ধাক্কা মারে। এতে আমার বোন ও আমি রিকশা থেকে ছিটকে পড়ি। এ সময় ল্যাম্পপোস্টে ধাক্কা লেগে আমার বোন মাথায় গুরুতর আঘাত পায়। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আমার বোনকে মৃত বলে জানান।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার পর রিকশা দুটি কোথায় গেল বলতে পারি না, আমাদের এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ নেই, ভাগ্যে ছিল, মামলা করে কী হবে, আমার বোনকে আর ফিরে পাব না। যা হওয়ার হয়ে গেছে, বিনা ময়নাতদন্তে আমার বোনকে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে দাফন করতে চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের বাড়ি ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার ইসলামপুর গ্রামে। বাবার নাম গোলাম কিবরিয়া। আমরা দুই ভাই এক বোন। সে ছিল বড়। আমার বোন ইডেনের মাস্টার্স বাংলা বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।’

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘লালবাগে ব্যাটারিচালিত দুই রিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ইডেনের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি লালবাগ থানাকে অবগত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
স্ত্রী-সন্তানকে হারিয়েছেন জানেন না ফয়সাল
বাইকে বাসের ধাক্কায় নিহত ২
ইজিবাইকে বাসচাপায় নিহত বেড়ে ৬
বাসচাপায় ইজিবাইকের ৪ যাত্রী নিহত
দাঁড়িয়ে থাকা অটোরিকশায় ট্রাকের চাপা, নিহত যাত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Transgender killed by car in Khilkshet

খিলক্ষেতে গাড়ির ধাক্কায় ট্রান্সজেন্ডার নিহত

খিলক্ষেতে গাড়ির ধাক্কায় ট্রান্সজেন্ডার নিহত
সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় তিনি আহত হন। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে মঙ্গলবার সকালে তিনি মারা যান।

রাজধানীর খিলক্ষেতে বিআরটিসি অফিসের সামনে গাড়ির ধাক্কায় আল আমিন নামে এক ট্রান্সজেন্ডারের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় তিনি আহত হন। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে মঙ্গলবার সকালে তিনি মারা যান।

খিলক্ষেত থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গৌতম কুমার শীল বলেন, ‘চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিহত ভাষানটেক বস্তির মো. আলমগীর হোসেনের ছেলে। দুর্ঘটনার জন্য দায়ী দ্রুতগামী গাড়িটি সিসি ফুটেজ দেখে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।’

আরও পড়ুন:
স্টিল মিলে ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৪
ঢাকা মেডিক্যালে এক নারীর লাশ ফেলে পালিয়েছেন দুই নারী
শহীদ মিনারে ঢাকা মেডিক্যালের ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ
উত্তরায় জার্মানির এক নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার
অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পুলিশ কর্মকর্তা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Beating at Shaheed Minar Ultimatum of intern doctors

শহীদ মিনারে মারধর: ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আল্টিমেটাম

শহীদ মিনারে মারধর: ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আল্টিমেটাম
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক বলেন, ‘ঘটনার ব্যাপারে আমরা পুলিশের সঙ্গে কথা বলছি। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে হামলাকারীদের শনাক্ত করতে হবে।’

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের এক ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনার দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে ঢামেকের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ।

বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে দোষীদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা না নিলে লাগাতার কর্মবিরতির হুশিয়ার দেয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী চিকিৎসক সাজ্জাদকে মারধরের ঘটনায় মঙ্গলবার ইন্টার্ন চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষকে দেয়া এক প্রতিবাদলিপিতে এই দাবি জানানো হয়।

প্রতিবাদলিপি পেয়েছেন জানিয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক বলেন, ‘ঘটনার ব্যাপারে আমরা পুলিশের সঙ্গে কথা বলছি। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে হামলাকারীদের শনাক্ত করতে হবে।’

সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান করা সাত/আটজন তরুণ আমাকে উপর্যুপরি মারধর করে। এতে আমার কান ও নাক ফেটে গেছে। এছাড়াও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম হয়েছে।’

মারধর করা ওই তরুণদের নাম-পরিচয় তিনি জানাতে না পারলেও তাদের কয়েকজনের গায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো সংবলিত টি-শার্ট ছিল বলে জানিয়েছেন।

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দেয়া প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় ছাত্র ৮ আগস্ট রাত ৯টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বিনা উস্কানিতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. মো. সাজ্জাদ হোসেনের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানোর ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

‘৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে দোষীদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা না নেয়া হলে লাগাতার কর্মবিরতিসহ পরবর্তীতে আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণে ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ বাধ্য হবে।’

আরও পড়ুন:
শহীদ মিনারে ঢাকা মেডিক্যালের ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ
ডিবিসির সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৮
‘পাল্টাপাল্টি হামলা’: ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি, স্বজনদের সড়ক অবরোধ
ইউপি চেয়ারম্যানকে ‘লাঞ্ছিত’ করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান
বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুটিকে ঘিরে কী ঘটেছিল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Death toll rises to 7 in garage explosion in Uttara

উত্তরায় গ্যারেজে বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭

উত্তরায় গ্যারেজে বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম আইয়ুব হোসেন জানান, উত্তরা তুরাগ এলাকায় রিকশার গ্যারেজে বিস্ফোরণের ঘটনায় শরিফুল ইসলামের শরীরের ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এ ঘটনায় দগ্ধ আরো একজন চিকিৎসাধীন। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

রাজধানীর উত্তরার কামারপাড়ায় রিকশার গ্যারেজে বিস্ফোরণে দগ্ধদের মধ্যে আরও একজন মারা গেছেন। শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে দগ্ধ শরিফুল ইসলাম মারা যান। এ নিয়ে ওই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম আইয়ুব হোসেন জানান, উত্তরা তুরাগ এলাকায় রিকশার গ্যারেজে বিস্ফোরণের ঘটনায় শরিফুল ইসলামের শরীরের ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এ ঘটনায় দগ্ধ আরো একজন চিকিৎসাধীন। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

কামারপাড়ার ওই রিকশা গ্যারেজে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে ৬ আগস্ট।

আরও পড়ুন:
উত্তরায় রিকশা গ্যারেজে বিস্ফোরণ: মৃত্যু বেড়ে ছয়
উত্তরায় রিকশা গ্যারেজে বিস্ফোরণ: মৃত্যু বেড়ে পাঁচ
উত্তরায় গ্যারেজে বিস্ফোরণে আরও একজনের মৃত্যু
উত্তরায় বিস্ফোরণে দগ্ধ ৭
গ্যাস লিকেজ থেকে আগুন, একই পরিবারে দগ্ধ ৩

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Burnt in steel mill transformer explosion 4

স্টিল মিলে ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৪

স্টিল মিলে ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৪
শ্যামপুরের সালাম স্টিল মিলের সুপারভাইজার মো. সুমন বলেন, ‘চার শ্রমিক স্টিল মিলের গেটের সামনে গোসল করার সময় হঠাৎ ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণ হয়। এ সময় তাদের ওপর ট্রান্সফরমারের ভেতরে থাকা গরম তেল এসে পড়ে।

রাজধানীর শ্যামপুরে সালাম স্টিল মিলে ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণে চারজন দগ্ধ হয়েছেন। তাদেরকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনার পর দুজনকে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ সময় চার শ্রমিক দগ্ধ হন। তারা হলেন- রতন, সুনীল, রনি ও আকাঈদ।

দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা সালাম স্টিল মিলের সুপারভাইজার মো. সুমন বলেন, ‘এর সবাই শ্যামপুর ঢাকা ম্যাচ এলাকার সালাম স্টিল মিলের শ্রমিক। তারা স্টিল মিলের গেটের সামনে গোসল করার সময় হঠাৎ ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণ হয়। এ সময় তাদের ওপর ট্রান্সফরমারের ভেতরে থাকা গরম তেল এসে পড়ে। দগ্ধ চারজনকে উদ্ধার করে দ্রুত জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়। তাদের জরুরি বিভাগে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এসএম আইউব হোসেন বলেন, ‘শ্যামপুর থেকে বার্ন হওয়া চার শ্রমিককে এখানে আনা হয়েছে। তাদের শরীরের ৫ থেকে ২৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হবে। অপর দুজন কে ভর্তি করা হবে। তাদের মধ্যে রতনের শরীরের ২২ শতাংশ ও সুনীলের ২৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঢাকা মেডিক্যালে এক নারীর লাশ ফেলে পালিয়েছেন দুই নারী
শহীদ মিনারে ঢাকা মেডিক্যালের ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ
উত্তরায় জার্মানির এক নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার
অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পুলিশ কর্মকর্তা
মিরপুর বেড়িবাঁধে দুর্ঘটনা: রবিউলের পর চলে গেলেন মিলনও

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two women left the body of a woman in Dhaka Medical and ran away

ঢাকা মেডিক্যালে এক নারীর লাশ ফেলে পালিয়েছেন দুই নারী

ঢাকা মেডিক্যালে এক নারীর লাশ ফেলে পালিয়েছেন দুই নারী
ঢামেক জরুরি বিভাগের ওয়ার্ড মাস্টার জিল্লুর রহমান বলেন, ‘সোমবার গভীর রাতে দুই নারী অপর এক নারীকে জরুরি বিভাগের গেটে নিয়ে আসেন। ট্রলি ম্যান কবির হোসেন তাকে ট্রলিতে তোলার পর সঙ্গে থাকা দুই নারী টিকিট কেটে আনার কথা বলে সটকে পড়েন। পরে জরুরি বিভাগে ওই অজ্ঞতানামা নারীকে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করা হয়।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ রেখে পালিয়েছেন আরেক নারী। সোমবার রাত সোয়া ১টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এ ঘটনা ঘটেছে।

ঢামেকের জরুরি বিভাগে দায়িত্বগত ওয়ার্ড মাস্টার জিল্লুর রহমান বলেন, ‘সোমবার গভীর রাতে দুই নারী অপর এক নারীকে জরুরি বিভাগের গেটে নিয়ে আসেন। ট্রলি ম্যান কবির হোসেন তাকে ট্রলিতে তোলার পর সঙ্গে থাকা দুই নারী টিকিট কেটে আনার কথা বলে সটকে পড়েন। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে জরুরি বিভাগে ওই অজ্ঞতানামা নারীকে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করা হয়।’

‘ওই নারীর মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে ও পেট উঁচু দেখা গেছে। এতে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। এই বিষয়ে শাহবাগ থানায় জিডি করা হয়েছে।’

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘রাত সোয়া ১টার দিকে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে দুজন মহিলা ওই অজ্ঞাত নারীকে ঢাকা মেডিক্যালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। পরে ওই দুই নারী টিকিট কাটার কথা বলে ওখান থেকে পালিয়ে যান।

‘ওই নারীর মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে ওই নারীর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে পালিয়ে যাওয়া দুই নারীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।’

আরও পড়ুন:
শহীদ মিনারে ঢাকা মেডিক্যালের ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ
উত্তরায় জার্মানির এক নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার
অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পুলিশ কর্মকর্তা
মিরপুর বেড়িবাঁধে দুর্ঘটনা: রবিউলের পর চলে গেলেন মিলনও
যাত্রাবাড়ীতে বাসের ধাক্কায় বাইক আরোহী নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two journalists were beaten up by the clinic owner and the police

দুই সাংবাদিককে ক্লিনিক মালিক ও পুলিশের মারধর

দুই সাংবাদিককে ক্লিনিক মালিক ও পুলিশের মারধর ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের সাংবাদিক হাসান মিসবাহ ও ক্যামেরা পারসন সাজু মিয়া।
লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. জাফর হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনায় আমরা ইতোমধ্যে দুজনকে আটক করেছি। এছাড়া সাংবাদিকের সঙ্গে অসদাচরণের জন্য এসআই মিলনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।’

রাজধানীর কামরাঙ্গীর চরে এসপিএ ডায়গনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের সিনিয়র সাংবাদিক হাসান মিসবাহ ও ক্যামেরা পারসন সাজু মিয়ার ওপর হামলা হয়েছে।

ডায়গনস্টিক সেন্টারটির মালিক ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা এ সময় দুই সাংবাদিককে মারধর করেন। তাদের ক্যামেরা ভাংচুর করা হয় এবং ছিনিয়ে নেয়া হয় মোবাইল ফোন ও গাড়ির কাগজপত্র। শুধু তাই নয়, প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে তাদেরকে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। পরে পুলিশ এসেও ওই দুই সাংবাদিকের ওপর চড়াও হয়।

আহত সাংবাদিক হাসান মিসবাহ বলেন, ‘ওই হাসপাতালে একজন ভুয়া চিকিৎসক বসেন। তিনি অন্য একজন চিকিৎসকের বিএমডিসি নম্বর ব্যবহার করে ওই হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে বসে আছেন।

‘ওই হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী ডাক্তার ওসমানীকে এই ভুয়া চিকিৎসকের বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি ক্ষেপে যান। তখন আমি বলি- আপনি এই হাসপাতালের মালিক ও একজন ডাক্তার। আপনার নামের পাশেও বিএমডিসি নম্বর লেখা নেই। এটা লেখা থাকলে ভাল হয়।’

হাসান মিসবাহ বলেন, ‘কথোপকথনের এই ডাক্তার ওসমানী বলে ওঠেন- তুই কি আমাকে ভুয়া ডাক্তার মনে করছিস? তুই জানিস আমি কে? দাঁড়া তোকে দেখাচ্ছি। এই তোকে ইন্টারভিউ দেব না।

‘এ পর্যায়ে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমার চশমা ভেঙে ফেলেন। আমরা বের হয়ে গাড়িতে আসার পর উনি সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে আমাদের কাছে আসেন। ড্রাইভারের কাছ থেকে মোবাইল গাড়ির কাগজ নিয়ে নেয়। এরপর তিনি আমার মোবাইল ফোন সেট কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলেন। আমাকে ও ক্যামেরা পারসন সাজু ভাই এবং ড্রাইভারকে ১৫-২০ জন মিলে মারধর করে। পরে আমাদেরকে একটা রুমে নিয়ে আটকে রাখে।’

আহত এই সাংবাদিক আরও বলেন, ‘ওখানে কিছুক্ষণ পর দুজন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে আসেন। তাদের একজনের নাম মিলন হোসেন। তিনি পরিচয় জানতে চাইলে আমরা পরিচয় দেই। এরপর কার্ড চাইলে ক্যামেরা পারসন সাজু ভাই তার কার্ড বের করে দেন।

‘কার্ড হাতে নিয়ে পুলিশ সদস্য মিলন বললেন-তোরা ভূয়া সাংবাদিক। তখন আমি আবার আমার পরিচয় দেই এবং জানাই যে অফিসের অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে এখানে এসেছি। আপনি অফিসে ফোন দেন। উনি কোনো কথা না শুনে চেয়ার থেকে উঠে আমার দিকে তেড়ে আসেন এবং আমার মুখে আঘাত করেন।’

এদিকে খবর পেয়ে অন্য পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিকদের উদ্ধার করেন। এ সময় দুইজনকে আটক করা হয়। এছাড়া সাংবাদিকদের মারধর করার দায়ে কামরাঙ্গরচর থানার এসআই মিলন হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. জাফর হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনায় আমরা ইতোমধ্যে জড়িত দুজনকে আটক করেছি। এছাড়া সাংবাদিকের সঙ্গে অসদাচরণের জন্য এসআই মিলনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
আদালত প্রাঙ্গণে ‘আইনজীবীদের হামলায়’ আহত ৪
ফরিদপুরে সাংবাদিককে মারধর: গ্রেপ্তার মেয়রের ভাই
ডিবিসির সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৮
ডিবিসির সাংবাদিকের ওপর হামলা
ফরিদপুরে সাংবাদিক পেটানোর ঘটনায় মামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The meeting of the delegation of the US Embassy with the JAPA chairman

জাপা চেয়ারম্যানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

জাপা চেয়ারম্যানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের পলিটিক্যাল চিফ স্কট ব্রান্ডন ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের পলিটিক্যাল চিফ স্কট ব্রান্ডন এবং পলিটিক্যাল, ইকোনমিক ও কালচারাল কাউন্সিলর আর্টুরো হাইন্স জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীর কার্যালয়ে গেলে জি এম কাদের তাদের স্বাগত জানান।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে ঢাকাস্থ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের প্রতিনিধিদল।

দলের চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের পলিটিক্যাল চিফ স্কট ব্রান্ডন এবং পলিটিক্যাল, ইকোনমিক ও কালচারাল কাউন্সিলর আর্টুরো হাইন্স জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীর কার্যালয়ে গেলে জি এম কাদের তাদের স্বাগত জানান।

এ সময় তারা বন্ধুপ্রতিম যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন।

সভায় আশা প্রকাশ করা হয়, আগামী দিনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

এ সময় জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু এবং জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বিশেষ দূত ও উপদেষ্টা মাসরুর মওলা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
চীন সীমান্তে ভারতের সঙ্গে সামরিক মহড়ায় যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের ফোন ‘ধরছে না’ চীন
আগুন নেভাতে গিয়ে দেখলেন মৃতদের সবাই পরিবারের
উত্তেজনা বাড়িয়ে তাইওয়ানে শান্তি চাইলেন পেলোসি
চীনকে মোকাবিলায় ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন তাইওয়ানের

মন্তব্য

p
উপরে