× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Unable to bear the pain of the disease the housewife commits suicide
hear-news
player
print-icon

‘রোগের যন্ত্রণা সইতে না পেরে’ গৃহবধূর আত্মহত্যা

রোগের-যন্ত্রণা-সইতে-না-পেরে-গৃহবধূর আত্মহত্যা
প্রতীকী ছবি
কালিগঞ্জ থানার ওসি হালিমুর রহমান বলেন, ‘পারিবারিক কলহের জেরে অথবা রোগের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে কাকলী দাশ আত্মহত্যা করতে পারে বলে ধারণা করছি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে তার মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।’

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে নানা রোগের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

উপজেলার তারালী ইউনিয়নে বুধবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। গৃহবধূ ৪০ বছরের কাকলী দাশ এলাকার অনন্ত দাশের স্ত্রী।

নিউজবাংলাকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হালিমুর রহমান।

স্থানীয়দের বরাতে তারালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হোসেন জানান, দীর্ঘদিন ধরেই কিডনিসহ নানা রোগে ভুগছিলেন কাকলী দাশ। চিকিৎসার জন্য কয়েক লাখ টাকা খরচ করেছেন তার স্বামী। খরচ জোগাতে বর্তমানে হিমশিম খাচ্ছে তার পরিবার।

তিনি আরও জানান, রোগের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে আজ সকালে কাকলী বাড়ির পেছনে আমগাছে রশি বেঁধে গলায় ফাঁস দেন।

চেয়ারম্যান এনামুল হোসেন বলেন, ‘স্থানীয়রা বিষয়টি আমাকে জানিয়েছে। আমি গিয়ে থানায় খবর দিই। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।’

ওসি হালিমুর রহমান বলেন, ‘পারিবারিক কলহের জেরে অথবা রোগের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে কাকলী দাশ আত্মহত্যা করতে পারে বলে ধারণা করছি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।’

আরও পড়ুন:
নববধূর ঝুলন্ত দেহ, স্বামীর দাবি আত্মহত্যা
আমিনের হেনোলাক্স কারখানায় প্রসাধনী নয়, তৈরি হচ্ছে সেমাই
গাজী আনিসের আত্মহত্যা পাওনা টাকা না পেয়ে: র‍্যাব
গায়ে আগুন দেয়া ব্যবসায়ী গাজী আনিসের দাফন
ব্যবসায়ীর আত্মাহুতি: স্ত্রীসহ ‘হেনোলাক্স মালিক’ আমিন গ্রেপ্তার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Hadi Rushdies attacker was a devout student of boxing

রুশদির হামলাকারী হাদি ছিলেন ‘ধর্মপ্রাণ’, শিখছিলেন বক্সিং

রুশদির হামলাকারী হাদি ছিলেন ‘ধর্মপ্রাণ’, শিখছিলেন বক্সিং সালমান রুশদির ওপর হামলার ঘটনায় আটক হাদি মাতার। ছবি: সংগৃহীত
হাদি মাতারের সাবেক সহপাঠী গ্যাব্রিয়েল সানচেজ বলেন, ‘হাদি এমন একটি জঘন্য অপরাধ করেছে শুনে আমি হতবাক হয়ে গেছি। ক্যালিফোর্নিয়ার এলিজাবেথ লার্নিং সেন্টারে ও আমার সহপাঠী ছিল। হাদি ছিল খুবই ধর্মপ্রাণ একজন মুসলমান। ও বিতর্কে অংশ নিত এবং বেশ কয়েকজন বন্ধু ছিল।’

ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক সালমান রুশদির ওপর হামলায় জড়িত অভিযোগে আটক হাদি মাতার স্কুলে পড়ার সময় থেকেই ছিলেন প্রচণ্ড ধর্মপ্রাণ। বন্ধুরা বলছেন, হাদির এমন সহিংস রূপ তাদের অচেনা।

নিউ ইয়র্কে শুক্রবার সকালে সালমান রুশদিকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করার পরপরই ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয় ২৪ বছর বয়সী হাদিকে।

গুরুতর আহত রুশদির সার্জারির পর তাকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। তার বইয়ের এজেন্ট এন্ড্রু ওয়াইলি জানিয়েছেন, সম্ভবত তিনি এক চোখ হারিয়েছেন, তার যকৃত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রুশদির অবস্থা ভালো নয়।

পুলিশের হাতে আটক হাদি মাতারের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় হলেও তিনি নিউ জার্সিতে বসবাস করছিলেন। তার বিরুদ্ধে এখনও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। কর্তৃপক্ষ বলছে রুশদির অবস্থা দেখে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হবে হাদির বিরুদ্ধে।

হাদি মাতার ২০১৪ সালে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে নিউ জার্সিতে চলে আসেন। ক্যালিফোর্নিয়ার এলিজাবেথ লার্নিং সেন্টারে তার সহপাঠীরা জানান, তারা হাদিকে প্রচণ্ড ধার্মিক হিসেবে জানতেন।

হাদি মাতারের সাবেক সহপাঠী গ্যাব্রিয়েল সানচেজ বলেন, ‘হাদি এমন একটি জঘন্য অপরাধ করেছে শুনে আমি হতবাক হয়ে গেছি। ক্যালিফোর্নিয়ার এলিজাবেথ লার্নিং সেন্টারে ও আমার সহপাঠী ছিল। হাদি ছিল খুবই ধর্মপ্রাণ একজন মুসলমান। ও বিতর্কে অংশ নিত এবং বেশ কয়েকজন বন্ধু ছিল।’

গ্যাব্রিয়েল বলেন, ‘হাদি আমাদের স্কুলের রেস্টরুমে অজু করত। একবারই ওকে প্রচণ্ড রেগে যেতে দিখেছি। বছরের শেষের দিকে আমাদের বায়োলজি শিক্ষকের ক্লাসের মূল্যায়নে ও লিখেছিল, তিনি (শিক্ষক) ধর্ম সম্পর্কে যেভাবে কথা বলেন তাতে মনে হয় ধর্মকে তিনি ঘৃণা করেন।’

গ্যাব্রিয়েল বলেন, ‘হাদি আমার সঙ্গে যে কয়েকটি বিষয়ে কথা বলেছে তার একটি ছিল দয়া। সালমান রুশদির উপর যে হাদি এই আক্রমণ করেছে সে আমার অতীতের চেনা হাদি নয়, কারণ আমি যাকে চিনতাম সে দয়ার কথা বলত।’

হাদি মাতারের আগের রেকর্ড জানতে এবং হামলার উদ্দেশ্য বের করতে ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) সহায়তা চেয়েছে নিউ ইয়র্ক পুলিশ।

নিউ ইয়র্ক পুলিশের মেজর ইউজিন স্ট্যানিসজেউস্কি বলেছেন, প্রাথমিকভাবে ছুরিকাঘাতের উদ্দেশ্য পরিষ্কার নয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাদির অ্যাকাউন্টগুলো পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, তিনি শিয়া চরমপন্থা এবং ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের প্রতি সহানুভূতিশীল।

হাদির ভুয়া ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিষয়েও তথ্য পেয়েছে নিউ ইয়র্ক পুলিশ। এই ড্রাইভিং লাইসেন্সে তিনি ব্যবহার করেছেন লেবাননের শিয়া সশস্ত্র গ্রুপ হিজবুল্লাহ নেতা মুগনিয়ার নাম। জিহাদ মুগনিয়া ২০১৫ সালে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হন।

নিউ জার্সিতে আসার পর গত কয়েক বছরে হাদি মাতারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে এখনও পরিষ্কার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে গত এপ্রিলে তিনি বক্সিং শিখতে শুরু করেন। স্টেট অফ ফিটনেস বক্সিং ক্লাবের একজন মুখপাত্র জানান, মাতার এপ্রিলে বক্সিং গ্রুপ ক্লাস করতে ভর্তি হন। গত ৯ আগস্ট পর্যন্ত তিনি ক্লাবে সদস্যপদ বহাল রাখেন।

নিউ জার্সিতে হাদির প্রতিবেশীরা তার সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য দিতে পারেনি। আশপাশের সবাইকে অনেকটা এড়িয়ে চলতেন হাদি।

এক প্রতিবেশী জানান, তারা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি দেখে হাদি মাতারকে শনাক্ত করেন। একটি হাসপাতালের সাবেক কর্মী আন্তোনিও লোপা বলেন, ‘আমি হাদি মাতারের বাড়ির সামনের রাস্তার উল্টো দিকে থাকি। প্রায়ই ওকে বাড়ি ফিরতে দেখেছি, তবে কখনও কথা হয়নি।‘
৭০ বছর বয়সী আন্তোনিও লোপার ধারণা, হাদির বাসায় আরও ছয়-সাতজন থাকতেন, সম্ভবত তারা সবাই আত্মীয়। তিন থেকে চার বছর আগে তারা দ্বিতল ভবনটিতে আসেন।

নিউ ইয়র্কের শাটোকোয়া ইনস্টিটিউশনের শুক্রবার সকালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেয়ার সময় সালমান রুশদির ওপর হামলা চালান হাদি মাতার।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রুশদিকে ২০ সেকেন্ডে ১০ থেকে ১৫ বার ছুরিকাঘাত করা হয়। হামলার পর রুশদি তৎক্ষণাৎ মেঝেতে পড়ে যান। আশপাশের লোকজন ছুটে এসে লেখককে ঘিরে ফেলেন। অনুষ্ঠানে আনুমানিক আড়াই হাজার লোক উপস্থিত ছিলেন।

এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘রুশদিকে মুহূর্তের মধ্যে বেশ কয়েকবার আঘাত করা হয় এবং তিনি তার রক্তের ওপরই লুটিয়ে পড়েন।’

হামলায় সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী হেনরি রিসও মাথায় সামান্য আঘাত পেয়েছেন। রিস একটি অলাভজনক সংস্থার সহপ্রতিষ্ঠাতা; যা নিপীড়নের হুমকির মধ্যে থাকা নির্বাসিত লেখকদের জন্য সুরক্ষিত পরিবেশ সৃষ্টি করে।

ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঔপন্যাসিক সালমান রুশদি ১৯৮১ সালে ‘মিডনাইটস চিলড্রেন’ উপন্যাস দিয়ে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। শুধু যুক্তরাজ্যেই বইটির ১০ লাখের বেশি কপি বিক্রি হয়েছিল।

১৯৮৮ সালে দ্য স্যাটানিক ভার্সেস উপন্যাস লেখার পর থেকে বছরের পর বছর প্রাণনাশের হুমকি পেয়ে আসছেন এই লেখক।

দ্য স্যাটানিক ভার্সেস তার রুশদির চতুর্থ উপন্যাস। এই বই লেখার জন্য রুশদিকে ৯ বছর আত্মগোপনে থাকতে হয়েছিল।

দ্য স্যাটানিক ভার্সেস প্রকাশনার পর সহিংসতায় অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন। যার মধ্যে ছিলেন উপন্যাসটির জাপানি ভাষায় অনুবাদকও।

আরও পড়ুন:
রুশদির ওপর হামলার প্রশংসায় আয়াতুল্লাহ খামেনি
রুশদির ওপর হামলায় স্তম্ভিত তসলিমা
সময়ক্রম: স্যাটানিক ভার্সেস থেকে রুশদিকে ছুরিকাঘাত
রুশদির ওপর হামলাকারী কে এই হাদি মাতার
রুশদি ভেন্টিলেশনে, হারাতে পারেন চোখ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A commission is expected to be launched this year to find the solution to Bangabandhus murder

বঙ্গবন্ধু হত্যার কুশীলব খুঁজতে এ বছরই কমিশন চালুর আশা

বঙ্গবন্ধু হত্যার কুশীলব খুঁজতে এ বছরই কমিশন চালুর আশা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বিপথগামী একদল সেনা সদস্যের হাতে সপরিবারে নিহত হন বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘আপনারা জানেন, কোভিড যায় যায় করেও যাচ্ছে না। বর্তমান বৈশ্বিক অবস্থাও অনুধাবন করছেন। এখানে অর্থনৈতিক বিষয়েও কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। সে জন্য কমিশনের রূপরেখার বিষয়ে নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়ে উঠছে না। আশা করছি কিছুদিনের মধ্যে আলোচনায় বসতে পারব। এই বছর নাগাদ আমরা হয়তো কমিশন চালু করতে পারব।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পেছনে জড়িত ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজতে চলতি বছরের শেষ নাগাদ কমিশন চূড়ান্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে শনিবার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ আশার কথা জানান।

কমিশনের অগ্রগতির বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ষড়যন্ত্রকারীদের খোঁজার বিষয়ে কমিশনের রূপরেখা তৈরি করেছি। এখন কমিশন গঠন ও এর কার্যপ্রণালি নির্ধারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া জরুরি।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, কোভিড যায় যায় করেও যাচ্ছে না। বর্তমান বৈশ্বিক অবস্থাও অনুধাবন করছেন। এখানে অর্থনৈতিক বিষয়েও কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।

‘সে জন্য কমিশনের রূপরেখার বিষয়ে নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়ে উঠছে না। আশা করছি কিছুদিনের মধ্যে আলোচনায় বসতে পারব। এই বছর নাগাদ আমরা হয়তো কমিশন চালু করতে পারব।’

এখন রূপরেখাটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। পরে প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনে সংযোজন-বিয়োজনের মাধ্যমে বিষয়টি চূড়ান্ত অনুমোদন করবেন বলেও মন্ত্রী জানিয়েছেন।

বঙ্গবন্ধু হত্যার পলাতক আসামিদের বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের ১৭ জন সদস্যদের যারা খুন করেছে, এ মামলার যে আসামিরা দেশের বাইরে আছে, তাদের দেশে না আনা পর্যন্ত আমি এ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলব না। আনার প্রক্রিয়া সম্বন্ধেও বিস্তারিত বলব না।’

তিনি বলেন, ‘যে দুইজনের অবস্থান চিহ্নিত করা গেছে, তাদেরকে আনার জন্য আমরা আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।’

আসামিদের ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে কোনো সহযোগিতা পাচ্ছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যদি সহযোগিতা না পেতাম, তাহলে কিন্তু এ পর্যন্ত আসতে পারতাম না। আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। তার মানে বোঝায় আমরা কিছুটা সহযোগিতা পাচ্ছি।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার ছাড়া অন্য যারা দেশ চালিয়েছিল, তাদের নিষ্ক্রিয়তার কারণে আমাদের বেশ কিছু সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। সেই সব সমস্যা একটা একটা করে শেষ করা হচ্ছে।

‘সেই জন্য আমাদেরও ইচ্ছা যদি তাড়াতাড়ি তাদেরকে ফিরিয়ে আনা যায়। এর মধ্যে মাজেদকে তাড়াতাড়ি ফিরিয়ে আনা গেছে। আমরা এনেছি। রায় কার্যকরও হয়ে গেছে।’

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বিপথগামী একদল সেনা সদস্যের হাতে সপরিবারে নিহত হন বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭৫ সালের এই দিনে ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসায় আক্রমণ করে। বঙ্গবন্ধু ছাড়াও নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় তার স্ত্রী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামাল, দ্বিতীয় পুত্র শেখ জামাল, কনিষ্ঠ পুত্র শিশু শেখ রাসেল, নবপরিণীতা পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসেরকে।

এ ছাড়া বেইলি রোডে সরকারি বাসায় হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছোট মেয়ে বেবি সেরনিয়াবাত, কনিষ্ঠ পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, দৌহিত্র সুকান্ত আবদুল্লাহ বাবু, ভাইয়ের ছেলে শহীদ সেরনিয়াবাত ও আবদুল নঈম খান রিন্টুকে। আরেক বাসায় হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধুর ভাগনে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মণি ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বেগম আরজু মণিকে।

সে সময় দেশে না থাকায় বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।

আরও পড়ুন:
ডিসেম্বরে গাড়ি চলবে বঙ্গবন্ধু টানেলে: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে বিএসএমএমইউ ভিসির শ্রদ্ধা
বঙ্গবন্ধু সেতুতে প্রায় ৪ কো‌টি টাকার রেকর্ড টোল
তবু টোলে এগিয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু
টোল আদায়ে বঙ্গবন্ধু সেতুর রেকর্ড

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Even after a month of journalist Tulis death there is no end to the investigation

সাংবাদিক তুলির মৃত্যুর এক মাসেও তদন্তের কিনারা নেই

সাংবাদিক তুলির মৃত্যুর এক মাসেও তদন্তের কিনারা নেই সাংবাদিক সোহানা পারভীন তুলি। ছবিটি ফেসবুক থেকে নেয়া।
হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা এখনও ময়নাতদন্ত ও মোবাইল ফোনের ফরেনসিক রিপোর্ট পাইনি। রিপোর্ট পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া যাবে।’

সাংবাদিক সোহানা পারভীন তুলির ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারের এক মাসেও তদন্তে তেমন অগ্রগতি হয়নি। মৃত্যুর আগের দিন তুলি তার বন্ধু রফিকুল ইসলাম রঞ্জুর ফোনে একটি মেসেজ পাঠান। সেখানে আত্মহত্যার হুমকির কথা থাকলেও রঞ্জুকে একবারের পর আর জিজ্ঞাসাবাদ করেনি পুলিশ।

সাংবাদিক রঞ্জুর বিরুদ্ধে তুলিকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করার অভিযোগ তুলছেন তার পরিবার ও সাবেক সহকর্মীরা। এ ঘটনায় হাজারীবাগ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

পুলিশ বলছে, রঞ্জুর সঙ্গে তুলির কী সম্পর্ক ছিল, মোবাইল ফোনে বিভিন্ন সময়ে তাদের কী কথোপকথন হয়েছে তা জানতে তুলির মোবাইল ফোন সিআইডির ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এ কাজ শেষ করতে সময় লাগবে।

রাজধানীর রায়েরবাজারের মিতালী রোডের বাসা থেকে গত ১৩ জুলাই দুপুরে সোহানা পারভীন তুলির ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে হাজারীবাগ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেন তুলির ভাই মোহাইমেনুল ইসলাম।

হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা এখনও ময়নাতদন্ত ও মোবাইল ফোনের ফরেনসিক রিপোর্ট পাইনি। রিপোর্ট পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া যাবে।’

রিপোর্ট পেতে কত সময় লাগতে পারে সে বিষয়ে নিশ্চিত নন পুলিশের এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রায়োরটি দিয়ে রিপোর্টগুলো আনার চেষ্টা করছি। তবে সিআইডিতে সারা দেশের বিষয়গুলো আসে। এ কারণে রিপোর্ট পেতে সময় লাগে। মেডিক্যাল রিপোর্ট পেতেও সময় লাগবে।’

ঘটনার পর তুলির বাসার দারোয়ান একটি মোটরসাইকেলের নম্বর পুলিশকে দেন। তার সূত্র ধরেই পুলিশ রফিকুল ইসলাম রঞ্জুকে শনাক্ত করে। তুলির সঙ্গে সম্পর্ক ও নিয়মিত যোগাযোগ থাকার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন রঞ্জু। তবে আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগ তিনি স্বীকার করেননি।

আরও পড়ুন: প্রাণোচ্ছল, পরোপকারী তুলির মনে কী দুঃখ ছিল

হাজারীবাগ থানার ওসি মোক্তারুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রঞ্জুকে নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে। দীর্ঘ সময়ের জন্য ঢাকার বাইরে কোথাও গেলে আমাদের অবহিত করতে বলেছি। তদন্তের প্রয়োজনে আবার ডাকলে তাকে আসতে হবে।’

মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট ডিএমপি রমনা বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, তুলির সঙ্গে সাংবাদিক রঞ্জুর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। মোবাইল ফোনে তাদের নিয়মিত যোগাযোগ হতো এবং তুলির বাসায়ও রঞ্জু প্রায়ই যাতায়াত করতেন। ঘটনার আগের দিন বিকেল ৩টা ৯ মিনিটে রঞ্জুকে তুলি মেসেজ পাঠিয়েছিলেন। এক লাইনের মেসেজে লেখা ছিল, ‘আজকে তুই মরার খবর পাবি’।

তিনি বলেন, ‘রঞ্জুকে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সম্পর্কের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে তুলির পাঠানো মেসেজটি তিনি না দেখেই ডিলিট করে দেন বলে দাবি করেছেন।’

সাংবাদিক তুলির মৃত্যুর এক মাসেও তদন্তের কিনারা নেই
সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম রঞ্জুর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়ার অভিযোগ তুলেছে তুলির পরিবার

তুলির ভাই মোহাইমেনুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি, আপুকে আত্মহত্যার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আমরা তথ্য-প্রমাণের জন্য অপেক্ষা করছি। আপুর ফোন সিআইডির কাছে আছে। তাদের রিপোর্ট পেলে অনেক কিছুই বেরিয়ে আসবে। আমরা চাই, পুলিশ তদন্ত করে সত্য বের করে আনুক। আমরা ঘটনার বিচার চাই।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তুলির সাবেক এক সহকর্মী বলেন, ‘রঞ্জু মোবাইলে মেসেজ পেয়ে তুলিকে ফেরানোর চেষ্টা করলে আজ হয়তো সে বেঁচে থাকত। নিশ্চয়ই ওদের মধ্যে এমন কিছু হয়েছে, যাতে তুলি এমন কথা লিখে মেসেজ করেছে। তাদের মধ্যে কী হয়েছিল, কেন তুলি আত্মহত্যার পথ বেছে নিল, তা তদন্তে বেরিয়ে আসা উচিত।‘

তুলির ফোনে পাঠানো মেসেজ ও সম্পর্কের বিষয়ে জানতে চাইলে রফিক রঞ্জু নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি বুঝতে পারছি না কী কারণে সে এ ধরনের মেসেজ দিয়ে থাকতে পারে। একটা ভালো সম্পর্ক ছিল, কোনো ধরনের ঝগড়া বা এ ধরনের কোনো কিছু আমার সঙ্গে ওর হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘মেসেজটি আমি দেখিনি। এরপর আর কোনো কথাও হয়নি। পরদিনই তো খবরটা পাইছি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী সোহানা তুলি এক দশকের বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতায় জড়িত ছিলেন। সবশেষ ২০২১ সালের মে মাস পর্যন্ত তিনি অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউনে কর্মরত ছিলেন। এরপর কয়েক মাস সেন্টার ফর কমিউনিকেশন অ্যাকশন বাংলাদেশ নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছিলেন।

বাংলা ট্রিবিউনের আগে তিনি কাজ করেছেন দৈনিক কালের কণ্ঠ ও দৈনিক আমাদের সময়ে।

সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম রঞ্জু সবশেষ কর্মরত ছিলেন দৈনিক সমকালে। তুলির ঘটনার পর কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে তিনি চাকরি ছেড়ে দেন।

আরও পড়ুন:
লাশ নিয়ে ‘ঘুষখোরের’ বাড়িতে, ফেরত এলো ৬ লাখ টাকা
এজিবি কলোনিতে ফ্যানে ঝুলছিল স্কুলছাত্রীর দেহ
অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে গেল প্রাণ
‘রেজাউলের সঙ্গেই হোটেলে যান জান্নাতুল’
সাংবাদিক মারধরে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Police case against 24 leaders of Juba Dal Chhatra Dal

যুবদল-ছাত্রদলের ২৪ নেতার নামে পুলিশের মামলা

যুবদল-ছাত্রদলের ২৪ নেতার নামে পুলিশের মামলা সংঘর্ষের চিত্র। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
মামলায় যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ২৪ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয় ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

ফেনীতে বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপি-ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনায় যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের নামে মামলা করেছে পুলিশ। ২৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয় ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

ফেনী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সিরাজ মিয়া শুক্রবার রাতে বিস্ফোরক আইনে মামলাটি করেন।

একই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন নিউজবাংলাকে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় ফেনী জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বেলাল হোসেন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাহ উদ্দিন মামুন, সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন রিয়াদ, ফেনী পৌর সদস্য সচিব ইব্রাহিম হোসেন ইভুসহ যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ২৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

জ্বালানি তেল ও নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে শুক্রবার বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে বিএনপি। বিকেলের দিকে শহরের ইসলাম রোড থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি ট্রাংক রোডের জিরো পয়েন্টের দিকে যাওয়ার সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা-কর্মীরা মিছিলকারীদের ধাওয়া দেন। একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ২০ রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়ে পুলিশ। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে পথচারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।

আরও পড়ুন:
বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপি-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ
বিএনপি-ছাত্রলীগ সংঘর্ষে আহত ৩০
ভোলায় সংঘর্ষ: নিহত ছাত্রদল নেতার দেহে গুলির চিহ্ন
দুই কর্মী নিহত: ভোলায় বিএনপির ব্যাপক বিক্ষোভ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There is tension in the cow smuggling case

গরু পাচার মামলায় ‘টেনশনে’ কেষ্ট

গরু পাচার মামলায় ‘টেনশনে’ কেষ্ট তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট। ছবি: সংগৃহীত
কলকাতার নিজাম প্যালেসের ১৪ তলায় সিবিআই গেস্ট রুমে রাখা হয়েছে অনুব্রত মণ্ডল কেষ্টকে। তার শোবার চৌকির পাশে রাখা আছে অক্সিজেন সিলিন্ডার, শ্বাসকষ্টের পুরনো সমস্যার কারণে। একজন সাহায্যকারী আছেন তার পাশে। তিনি নিয়মিত যেসব ওষুধ সেবন করেন তা দেয়া হচ্ছে। ১০ দিনের হেফাজতে ডায়েট চার্ট মেনে খাবার দিতে বলেছে আদালত।

গরু পাচার মামলায় ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (সিবিআই) জিজ্ঞাসাবাদ এড়াতে পারলেন না তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট মণ্ডল। অসুস্থতার অজুহাত তুলে ১০ বার সিবিআই নোটিশ এড়ালেও শেষরক্ষা হয়নি। এবার গ্রেপ্তারের পর সিবিআই তাকে ১০ দিনের হেফাজতে নিয়েছে।

শুক্রবার সকালে কলকাতার আলিপুর কমান্ডো হাসপাতালে প্রায় ঘণ্টাখানেক তার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলে। এরপর ৪ সদস্যের বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ড জানিয়ে দেয়, কেষ্ট মণ্ডলের বড় কোনো শারীরিক সমস্যা নেই। রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকলেও ‘টেনশন’ কমাতে ওষুধ দেয়া হয়েছে।

হাসপাতালের ছাড়পত্র মিলতেই দুপুর ১২টা থেকে গরু পাচার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। বীরভূমের প্রভাবশালী এ নেতাকে সিবিআই কর্মকর্তারা প্রশ্নবাণে জর্জরিত করলেও স্বীকারোক্তি মেলেনি। কেষ্ট জবাব দিচ্ছেন দায় এড়িয়ে।

কলকাতার নিজাম প্যালেসের ১৪ তলায় সিবিআই গেস্ট রুমে রাখা হয়েছে অনুব্রত মণ্ডল কেষ্টকে। তার শোবার চৌকির পাশে রাখা আছে অক্সিজেন সিলিন্ডার, শ্বাসকষ্টের পুরনো সমস্যার কারণে। একজন সাহায্যকারী আছেন তার পাশে। তিনি নিয়মিত যেসব ওষুধ সেবন করেন, তা দেয়া হচ্ছে। ১০ দিনের হেফাজতে ডায়েট চার্ট মেনে খাবার দিতে বলেছে আদালত।

সিবিআই তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন গরু পাচারে তৃণমূল নেতার যোগসূত্র ও আর্থিক লেনদেন বিষয়ে। চক্রের সদস্যদের নাম জানতে চাইছেন তারা। কেষ্ট মণ্ডল প্রথম দিনের জেরায় এসব প্রশ্ন এড়িয়ে যান কৌশলে।

এদিকে কেষ্ট মণ্ডলের দুর্দিনে কৌশলী অবস্থান নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। নেতার নাম উল্লেখ না করলেও দলের তরফে এক সংবাদ সম্মেলনে সাফ জানিয়ে দেয়া হয়েছে, ‘দল কারো পাপের দায় নেবে না।’

তবে কেষ্টর সমর্থকরা শুক্রবার মেদিনীপুরে মিছিল করেছে। সিবিআই তদন্তের প্রতিবাদে শনিবার রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের কর্মসূচি আছে।

এ পরিস্থিতিতে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘উইকেট আরও পড়বে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এবার মন্ত্রিসভার বৈঠক করতে হবে জেলে গিয়ে।’

তৃণমূলের অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট মণ্ডলকে বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তার করে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই)। পরে আসানসোলের বিশেষ আদালতে তুললে বিচারক ১০ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন:
গরু পাচার মামলায় গ্রেপ্তার তৃণমূলের কেষ্ট
আমাদের দুর্নীতিগ্রস্ত বলে দাগ লাগানোর চেষ্টা চলছে: তৃণমূল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Accused who escaped with handcuffs arrested

হাতকড়া, ডান্ডাবেড়িসহ পালানো আসামি গ্রেপ্তার

হাতকড়া, ডান্ডাবেড়িসহ পালানো আসামি গ্রেপ্তার
ওসি আজিজুল হক হাওলাদার জানান, পালানোর পরপরই আসামি শাহ আলম তার আত্মীয়দের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন। মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে অবস্থান নিশ্চিত হয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নরসিংদী কারাগার থেকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়ার পথে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার এলাকা থেকে হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়িসহ পালিয়ে যাওয়া আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নরসিংদীর বেলাব থেকে শুক্রবার সকালে ৩২ বছর বয়সী ওই হাজতি শাহ আলমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল হক হাওলাদার।

তিনি জানান, শাহ আলমকে বাসে করে গত বুধবার দুপুরে নরসিংদী থেকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হচ্ছিল। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার পাঁচরুখী বাজার এলাকায় বাসটি যানজটে পড়ে। এ সময় সুযোগ বুঝে পুলিশের হাত ফসকে পালিয়ে যান শাহ আলম। এ ঘটনায় ওই দিন রাতে নরসিংদী পুলিশ লাইনের নায়েক মো. মামুন শেখ বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় একটি মামলা করেন।

ওসি আজিজুল হক হাওলাদার জানান, পালানোর পরপরই আসামি শাহ আলম তার আত্মীয়দের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন। মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে অবস্থান নিশ্চিত হয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিকেলে গ্রেপ্তার শাহ আলমকে নারায়ণগঞ্জের আদালতে নেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
ফেসবুকে পিস্তলের ছবি দিয়ে গ্রেপ্তার যুবক
হামলায় আহত বৃদ্ধের মৃত্যু, গ্রেপ্তার ৪
পুলিশের ওপর হামলার মামলা: কারাগারে বিএনপি নেতা
টিপু-প্রীতি হত্যা: গ্রেপ্তার আরও ২ জন রিমান্ডে
ডিবির ভুয়া পরিচয়ে ডাকাতি, গ্রেপ্তার ৬

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chhatra League attack on BNP rally in Lakshmipur

লক্ষ্মীপুরে বিএনপির সমাবেশে ‘ছাত্রলীগের’ হামলা

লক্ষ্মীপুরে বিএনপির সমাবেশে ‘ছাত্রলীগের’ হামলা লক্ষ্মীপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছবি: নিউজবাংলা
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ওসি গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘হামলার বিষয়টি শোনার পরপরই ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে এখন পযর্ন্ত কোনো পক্ষ অভিযোগ করেনি।’

লক্ষ্মীপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলার অভিযোগ উঠেছে জেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।

শহরের উত্তর তেমুহনী এলাকায় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবুর বাসভবনের সামনে শুক্রবার দুপুর একটার দিকে হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

এ সময় সমাবেশস্থলে মঞ্চ ও চেয়ার ভাংচুর করে হামলাকারীরা।

বিএনপির সমাবেশে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা। তিনি বলেন, ‘ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

সাহাবুদ্দি সাবু অভিযোগ করে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কেন্দ্রীয় বিএনপির কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকেল চারটার দিকে জেলা বিএনপির উদ্যোগে সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। আমার বাসার সামনে সমাবেশের আয়োজন করা হয়। কিন্তু অনুষ্ঠান শুরুর আগেই জেলা ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা সেখানে হামলা চালিয়েছে।

‘একই সঙ্গে তারা আমার বাড়িতেও ইটপাটকেল ছুড়েছে। এটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা। দ্রুত ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।’

লক্ষ্মীপুরে বিএনপির সমাবেশে ‘ছাত্রলীগের’ হামলা

জেলা যুবদলের আহ্বায়ক রেজাউল করিম লিটন বলেন, ‘বিএনপির সমাবেশস্থলে নেতাকর্মীরা জড়ো হচ্ছিলেন। এ সময় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে তাদের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় ও ভাংচুর করে।’

পুলিশের সামনে হামলা চালানো হলেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলেও অভিযোগ করেন ওই যুবদল নেতা।

তবে বিএনপির সমাবেশে হামলায় ছাত্রলীগ জড়িত নয় বলে দাবি করেছেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম রকি। তিনি বলেন, ‘বিএনপির অন্তর্কোন্দলে নিজেরাই হামলা চালিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। এই হামলার সঙ্গে ছাত্রলীগের কোনো নেতাকর্মী জড়িত নয়।

‘বিকেলে জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ ও সমাবেশ হওয়ার কথা। সমাবেশ পালন করতে ছাত্রলীগের নেতাকমীরা শহরে অবস্থান নেয়।’

ওসি গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘হামলার বিষয়টি শোনার পরপরই ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে এখন পযর্ন্ত কোনো পক্ষ অভিযোগ করেনি।’

আরও পড়ুন:
১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চান জজ মিয়া
ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদকের বিরুদ্ধে পদবাণিজ্যের অভিযোগ
অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা
দুই সাংবাদিককে ক্লিনিক মালিক ও পুলিশের মারধর
উপজেলা ছাত্রলীগ সম্পাদকের বিরুদ্ধে গৃহবধূর ধর্ষণ মামলা

মন্তব্য

p
উপরে