× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
3 killed in bus and pickup collision
hear-news
player
print-icon

বাস-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ৩

বাস-পিকআপ-সংঘর্ষে-নিহত-৩
ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মডার্ন পরিবহনের বাসের সঙ্গে ও সিলেট থেকে আসা ঢাকামুখী পিকআপের সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে বাস ও পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচজন।

উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বীরপাশা গাছতলা এলাকায় মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ইসলামপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রঞ্জন কুমার ঘোষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মডার্ন পরিবহনের বাসের সঙ্গে ও সিলেট থেকে আসা ঢাকামুখী পিকআপের সংঘর্ষ হয়। এতে পিকআপটি ছিটকে রাস্তার পাশের ডোবায় পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। আহতদের পাশের উপজেলা মাধবপুরের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়েছে।

হতাহতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি বলে জানান ইনচার্জ রঞ্জন।

বাস-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ৩

আরও পড়ুন:
ট্রেনে কাটা পড়ে নরসিংদীতে দুই প্রাণহানি
বাস-মাইক্রো সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৪
ট্রাকচাপায় মা-বাবা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় মামলা
বাস-মাইক্রো সংঘর্ষে তিনজন নিহত, আহত ১০
ট্রাকের অতিরিক্ত গতির কারণেই ত্রিশালে শিশুসহ নিহত ৩

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The foreign minister explained that the people of the country are in heaven

দেশের মানুষ ‘বেহেশতে আছে’র ব্যাখ্যা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

দেশের মানুষ ‘বেহেশতে আছে’র ব্যাখ্যা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। ছবি: নিউজবাংলা
মন্ত্রী বলেন, ‘আমি বলেছি, অন্য দেশের তুলনায় আমরা অনেক ভালো আছি। এবং তাদের তুলনায় আমরা বেহেশতে আছি, এই কথা বলেছিলাম। কিন্তু আপনারা (সাংবাদিকরা) এক্কেবারে উল্টা!’

অন্য দেশের তুলনায় ‘দেশের মানুষ বেহেশতে আছে’ বলে একদিন আগে যে বক্তব্য দিয়েছিলেন সমালোচনার মুখে পড়ে তার ব্যাখা দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

সিলেটে জেলা পরিষদের আয়োজনে শনিবার দুপুরে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ওই মন্তব্যের ব্যাখা দেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমি বলেছি, অন্য দেশের তুলনায় আমরা অনেক ভালো আছি এবং তাদের তুলনায় আমরা বেহেশতে আছি, এই কথা বলেছিলাম। কিন্তু আপনারা (সাংবাদিকরা) এক্কেবারে উল্টা!’

আগের দিনের মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘বেহেশতের কথা আমি বলেছি, কম্পারেটিভ টু আদার কান্ট্রি (অন্য দেশের তুলনায়)। আর আপনারা সব জায়গায় লিখেছেন ‘বেহেশত বলেছেন’...মানে টুইস্ট করা হয়েছে। ...বলেন নাই যে আমাদের মূল্যস্ফীতি অন্য দেশের তুলনায় কম...।’

এর আগে শুক্রবার সকালে সিলেটে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মানুষ বেহেশতে আছে। বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা হয়ে যাবে; একটি পক্ষ থেকে এমন প্যানিক ছড়ানো হচ্ছে। বাস্তবে এর কোনো ভিত্তি নেই।’

মন্ত্রীর ওই বক্তব্যের পর দেশজুড়ে সমালোচনার ঢেউ ওঠে। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ নিয়ে বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য জনগণের সঙ্গে তামাশা।

আরও পড়ুন:
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য জনগণের সঙ্গে তামাশা: ফখরুল
বাংলাদেশের মানুষ বেহেশতে আছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সুইস রাষ্ট্রদূত মিথ্যা বলেছেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Indefinite strike of tea workers to raise wages from Tk 120

মজুরি বাড়াতে সারা দেশে চা শ্রমিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট

মজুরি বাড়াতে সারা দেশে চা শ্রমিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল বলেন, ‘মালিক শ্রমিকের মধ্যে চুক্তির ১৯ মাস অতিবাহিত হলেও তারা শ্রমিকদের মজুরি বাড়ায়নি। এখন বলছে, তারা ১৪ টাকা মজুরি বাড়াবে। তাই আমরা শ্রমিকদের স্বার্থে এই কর্মসূচি পালন করছি।’

দৈনিক মজুরি ১২০ টাকা; তা বাড়িয়ে ৩০০ টাকা করার দাবিতে সীমিত কর্মবিরতি পালনের পর আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন চা শ্রমিকরা। সে দাবি পূরণ না হওয়ায় সারা দেশের চা বাগানগুলোতে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন।

সংগঠনের ডাকে সাড়া দিয়ে মজুরি বাড়ানোর দাবিতে শনিবার সকাল থেকে একযোগে ধর্মঘট পালন করছেন দেশের ২৩১টি চা বাগানের চা শ্রমিকরা।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নিপেন পাল নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘গত ৩ আগস্ট আমরা মালিকদের কাছে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির জন্য ১ সপ্তাহের আল্টিমেটাম দিয়েছিলাম; কিন্তু তারা তা কর্ণপাত করেননি। এর প্রতিবাদে আমরা গত চার দিন ধরে সারা দেশের সব চা বাগানে দুই ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালন করে যাচ্ছি। তারপরও মালিকপক্ষ আমাদের দাবি মেনে না নেয়ায় আমরা ধর্মঘটের মত কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছি।

‘প্রতিনিয়ত নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়ে চলেছে। অথচ বাংলাদেশের চা শ্রমিকরা ১২০ টাকা মজুরিতে কাজ করছেন। দুই বছর পর পর শ্রমিকদের সংগঠন বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন ও বাগান মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ চা সংসদ নেতৃবৃন্দের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি হয়। গত চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে। এরপর ১৯ মাস কেটে গেলেও মালিকপক্ষ শ্রমিকদের সঙ্গে নতুন চুক্তি করেননি।’

নিপেন পাল জানান, নতুন চুক্তি না হওয়ার কারণে শ্রমিকদের বেতনও বাড়ছে না। জুনে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ চা সংসদ নেতাদের মধ্যে বৈঠক হয়। সেখানে শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৩০০ টাকা করার প্রস্তাব দেন শ্রমিক নেতারা। পরে চা সংসদ নেতারা মজুরি ১৪ টাকা বাড়িয়ে ১৩৪ টাকা করার প্রস্তাব দেন। তবে তা সন্তুষজনক না হওয়ায় তা প্রত্যাখান করেন শ্রমিক নেতারা।

এরপর এক মাস পেরোলেও মালিকপক্ষ আর কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। এতে গত মঙ্গলবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত টানা চার দিন প্রতিদিন দুই ঘণ্টা করে ধর্মঘট পালন করেন শ্রমিকরা। এতেও মালিক পক্ষের সাড়া না পেয়ে শনিবার সকাল থেকে পূর্ণদিবস কর্মসূচি পালন শুরু করেন চা শ্রমিকরা।

শ্রমিকদের স্বার্থে দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান জানিয়ে সংগঠনের এই নেতা বলেন, ‘আমরা কোনো অশান্তি চাই না। আমরা আমাদের অধিকার চাই। সব কিছুর দাম বাড়ার কারণে আমাদের শ্রমিকরা আর ঠিকে থাকতে পারছেন না। তাই যত দ্রুত সম্ভব শ্রমিকদের মজুরি ৩০০ টাকা করে তাদেরকে কাজে ফিরিয়ে নিতে মালিকপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

সংগঠনটির অর্থ সম্পাদক পরেশ কালিন্দি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শনিবার সকাল থেকে দেশের ২৩১টি চা বাগানের প্রায় দেড় লাখ চা শ্রমিক ধর্মঘট পালন করছেন।’

বিভিন্ন জেলার ধর্মঘটের চিত্র

হবিগঞ্জ

জেলার ২৪টি বাগানে শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন শুরু করেন শ্রমিকরা। পরে দুপুর ১২টার দিকে চুনারুঘাটে ঢাকা-সিলেট পুরাতন মহাসড়কের চান্দপুর এলাকায় অবরোধে বসেন তারা। সড়কে অন্তত পাঁচ হাজার শ্রমিক অবস্থান নিয়েছেন। বিভিন্ন বাগান থেকে আসছেন আরও শ্রমিক। দুপুর পৌনে ২টার দিকেও অবরোধ চলছিল।

চান্দপুর বাগানের পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি সাধন সাওতাল বলেন, ‘বাংলাদেশে চা শ্রমিকদের একটা বিশাল অংশ রয়েছে। এ দেশের ভোটার হয়েও তারা অবহেলিত। মৌলিক অধিকারও তাদের ভাগ্যে জুটে না। এ ছাড়া রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে ১২০ টাকা মজুরি পায়। এভাবে আর আমরা চলতে পারছি না। আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।’

মৌলভীবাজার

মৌলভীবাজারের ভাড়াউড়া চা বাগানে গিয়ে দেখা যায়, চা শ্রমিকরা বাগানের নাট মন্দিরের সামনে জড়ো হয়েছেন। এ সময় কাজ বন্ধ রেখে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিলেন। পরে দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক এক ঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন শ্রমিকরা।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সহসভাপতি পংকজ কন্দ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের ৩০০ টাকা মজুরির দাবিটি খুবই যৌক্তিক। বর্তমান বাজারমূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করে যাতে চা বাগানের মালিকপক্ষ আমাদের মজুরি বাড়িয়ে ৩০০ টাকা করে।’

সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় হাজরা বলেন, ‘চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে আমরা আজ থেকে সর্বাত্নক ধর্মঘট পালন করছি। আগামী দুই দিন বাগানের সাপ্তাহিক ছুটি ও শোক দিবসের কারণে আন্দোলন স্থগিত থাকবে। আমরা আজ বৈঠকে বসে পরবর্তী করনীয় ঠিক করব।’

তবে শ্রমিকদের আন্দোলনে যাওয়া উচিত হয়নি বলে মনে করছেন চা বাগান মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশীয় চা সংসদের সিলেট বিভাগীয় চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ শিবলী।

তিনি বলেন, ‘উভয়পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলমান থাকা অবস্থায় আন্দোলনে যাওয়া শ্রমিকদের উচিত হয়নি। এটি শ্রম আইনেরও পরিপন্থী, চায়ের এই ভরা মৌসুমে কাজ বন্ধ থাকলে মালিক-শ্রমিক উভয়েরই ক্ষতি হবে। আমরা আশা করব, শ্রমিকরা দ্রুত কাজে ফিরবেন।’

সিলেট

সিলেট ভ্যালির আন্দোলনরত শ্রমিকরা সকাল থেকে লাক্কাতুরা এলাকায় বিমানবন্দর সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে বেলা ১১টার দিকে বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ করেন। প্রায় আধাঘণ্টা পর পুলিশ গিয়ে সড়ক শ্রমিকদের সরিয়ে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করে।

এরপর চা শ্রমিকরা মিছিল সিলেট নগরে চলে আসেন। নগরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় এসে অবস্থান নেন তারা।

নগরের বিমানবন্দর সড়কের লাক্তাতুরা চা বাগানের সামনে বিক্ষোভকালে আলাপ হয় রবি গোয়ালার সঙ্গে। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘এখন এক কেজি চালের দাম ৭০, পেট্রলের লিটার ১৩০ টাকা। অথচ আমরা সারা দিন খেটে মাত্র ১২০ টাকা পাই। এই বাজারে ১২০ টাকা দিয়ে সংসার চলবে কী করে?’

রবির মতো একই প্রশ্ন মালনীছড়া চা বাগানের শ্রমিক রতন বাউরিরও। তিনি বলেন, ‘১২০ টাকা দিয়ে এখন চাল-ডালও কেনা যায় না। মাছ-মাংস তো আমরা খেতেই পারি না। আজকাল সবজিও কিনতে পারছি না। আর সংসারের বাকি খরচ তো রইলোই।’

আক্ষেপ করে বলেন, ‘দেশে সবকিছুর দাম বাড়ছে। কিন্তু আমাদের মজুরি বাড়ছে না। আমরা কি মানুষ না?’

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সিলেট ভ্যালির সভাপতি রাজু গোয়ালা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দৈনিক মজুরি ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০০ টাকা করার দাবিতে আমরা গত ৮ আগস্ট থেকে আন্দোলন করে আসছি। বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের দাবি দাওয়া নিয়ে বৃহস্পতিবার চা বাগানগুলোর মালিকপক্ষ ও শ্রমিকদের নিয়ে সমঝোতা বৈঠক করে বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তর। কিন্তু মালিকপক্ষের কেউ বৈঠকে আসেননি। এতে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়। ফলে শনিবার সকাল ৬টা থেকে দেশের সবগুলো চা বাগানের শ্রমিকরা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেন।’

ক্ষোভ প্রকাশ করে এই চা শ্রমিক নেতা বলেন, ‘১২০ টাকা মজুরি দিয়ে কী হয়? মালিকপক্ষ বলে, তারা শ্রমিকদের রেশন দেয়। কী রেশন দেয়? শুধু আটা দেয়। আমাদের এগ্রিমেন্টে বলা আছে যে, ছয় মাস চাল, ছয় মাস আটা দেবেন। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতিও রাখেন না। মাত্র ১২০ টাকা দিয়ে খাবার, চিকিৎসা, বাচ্চাদের লেখাপড়া কীভাবে সম্ভব?

৩০০ টাকা মজুরি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মবিরতি চলবে বলেও জানান রাজু গোয়ালা।

এ বিষয়ে চা বাগান মালিকপক্ষের বক্তব্য জানতে বাংলাদেশীয় চা সংসদের চেয়ারম্যান শাহ আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

শ্রম দপ্তরের শ্রীমঙ্গল কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ নাহিদুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কাজ বন্ধ করে শ্রমিকেরা আন্দোলনে গেলে মালিক ও শ্রমিক দুই পক্ষেরই ক্ষতি হবে। আমরা বিষয়টি সমাধানের জন্য বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে একটা সমঝোতা বৈঠক করেছি। আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ২৮ আগস্ট তাদের সঙ্গে বসতে সময় চেয়েছেন। আপাতত আন্দোলন স্থগিত রাখতে বলেছেন। কিন্তু চা-শ্রমিক ইউনিয়ন সেটা মানেনি।’

এভাবে ভরা মৌসুমে হুট করে ধর্মঘট ডাকা আইনের পরপন্থী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
‘বৈকুণ্ঠপুর চা বাগান চালু না হলে কঠোর আন্দোলন’
গাছ পাচার: ম্যানেজারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে চা শ্রমিকরা
যে জীবন চা-শ্রমিকদের
চা শ্রমিকের মৃত্যু: ৮ ঘণ্টা পর ঘরে ফিরল শ্রমিকরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of the bike driver was found on the land and the body was detained 2

জমিতে মিলল বাইকচালকের মরদেহ, আটক ২

জমিতে মিলল বাইকচালকের মরদেহ, আটক ২ প্রতীকী ছবি
সোনাডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নাহিদ হাসান মৃধা বলেন, ‘সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেছে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

খুলনা মহানগরীতে এক ইজিবাইকচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।

নগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন আলীর ক্লাব এলাকার দারুস সালাম মসজিদসংলগ্ন পরিত্যক্ত জমি থেকে শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

১৮ বছর বয়সী নিহতের নাম মো. নয়ন শেখ। তিনি ওই একই এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

সোনাডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নাহিদ হাসান মৃধা নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেছে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

তার মৃত্যুর কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের পরিচয় তদন্ত না করে প্রকাশ করা সম্ভব নয় বলেও জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
এজিবি কলোনিতে ফ্যানে ঝুলছিল স্কুলছাত্রীর দেহ
অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে গেল প্রাণ
‘রেজাউলের সঙ্গেই হোটেলে যান জান্নাতুল’
নারী চিকিৎসক হত্যায় যুবক আটক
রাজধানীর হোটেলে নারী চিকিৎসকের গলা কাটা দেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Farmers dream of golden dawn

সোনালি আউশে স্বপ্ন কৃষকদের

সোনালি আউশে স্বপ্ন কৃষকদের
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর বলেন, ‘পাহাড়পুর ও বেলবাড়ি এলাকায় আড়াই শ বিঘা জমিতে মাত্র একবার ফসল হতো। এখন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগিতায় কৃষকরা এই জমিতে ধানসহ তেলজাতীয় ফসলও (তিল, সরিষা) পাচ্ছেন। নিঃসন্দেহে এই এলাকার জন্য এই ফসল সুফল বয়ে আনবে।’

শ্রাবণের বাতাসে দোল খাওয়া সোনালি আউশ ধান সংগ্রহে ব্যস্ত কৃষকরা। প্রথমবারের মতো জমিগুলোতে ভালো ফলন হওয়ায় কৃষকদের পরিবারে বইছে আনন্দের ঢেউ।

বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্তবর্তী কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পাহাড়পুরের জমিতে শুক্রবার এ চিত্র দেখা যায়।

উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, গত বছরের তুলনায় এ বছর বুড়িচং উপজেলায় আউশ আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে ২১০ হেক্টর জমিতে। পতিত জমিতে আউশ আবাদ বৃদ্ধির নানা কার্যক্রমের কারণে এটি সম্ভব হয়েছে বলে জানান কৃষকরা।

তা ছাড়া প্রায় প্রতিটি গ্রামে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে প্রচলিত ব্রি ধান-৪৮-এর চেয়ে অধিক ফলনশীল ব্রি ধান-৮২, ব্রি ধান ৯৮ ও বিনা ধান-২১-এর বীজ। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বিঘাপ্রতি ১৬ থেক ১৭ মণ ফলন পাওয়া যাচ্ছে এসব ধান থেকে। তাই এ বছর আউশে বাম্পার ফলন প্রত্যাশা করছে কৃষি বিভাগ।

সোনালি আউশে স্বপ্ন কৃষকদের

স্থানীয় কৃষক আবদুল হান্নান বলেন, ‘আগে একটা ফসল পাইতাম। এহন ধানসহ তিনডা (তিনটি) ফসল পাই। কৃষি অফিস আমডারে দেহাশুনা করে। এই সাহসে ধান লাগাইছি। আল্লাহর কাছে হাজার শুকরিয়া, ভালা ধান পাইছি।’

কৃষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘পানির ব্যবস্থাডা ঠিক থাকলে এহন থাইক্কা প্রতি বছরই তিনবার ধান পামু। একবার তিল সরিষা চাষ করমু।’

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর বলেন, ‘পাহাড়পুর ও বেলবাড়ি এলাকায় আড়াই শ বিঘা জমিতে মাত্র একবার ফসল হতো। এখন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগিতায় কৃষকরা এই জমিতে ধানসহ তেলজাতীয় ফসলও (তিল, সরিষা) পাচ্ছেন। নিঃসন্দেহে এই এলাকার জন্য এই ফসল সুফল বয়ে আনবে।’

উপজেলার সীমান্তবর্তী আনন্দপুর ও বেলবাড়ি এলাকায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয় কুমিল্লায় মাঠ দিবসের আয়োজন করে। প্রথমবারের মতো চাষ করা আউশের জমি পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোহিত কুমার দে ও কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসানসহ আরও অনেকে।

সোনালি আউশে স্বপ্ন কৃষকদের

পতিত জমিতে আউশ আবাদ বৃদ্ধি কার্যক্রমটির পরিকল্পনা ও সমন্বয়কারী অতিরিক্ত কৃষি অফিসার বানিন রায় অতিথিদের বেলবাড়ি মাঠে প্রথমবারের মতো চাষ হওয়া ৭০ বিঘা জমির আউশের মাঠ ঘুরে দেখান।

কৃষিবিদ বানিন রায় স্থানীয় কৃষকদের পক্ষে পাগলি খালের ওপর স্লুইচ গেট ও খালের পার ঘেঁষে উৎপাদিত কৃষিপণ্য পরিবহনের জন্য রাস্তার দাবি জানান। এ দাবি বাস্তবায়িত হলে মাঠের ২০০ বিঘা জমিতে দুই ফসলের পরিবর্তে চার ফসল ও ৫০ বিঘা জমিতে বছরব্যাপী সবজি চাষ সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

পাহাড়পুর গ্রামের বেলবাড়ি মাঠে আউশ আবাদ বৃদ্ধির কার্যক্রমটি ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয় কুমিল্লার অর্থায়নে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বুড়িচং দ্বারা বাস্তবায়িত। ব্রি কুমিল্লার গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদারকরণ কর্মসূচির আওতায় এর আগে ৪০ জন কৃষককে ব্রি ধান ৪৮ ও ব্রি ধান ৯৮ জাতের বীজ সহায়তা, ব্রি হাইব্রিড ধান ৭ জাতের ২টি প্রদর্শনী, ৬০ বিঘা জমির ২০ কেজি করে ইউরিয়া সার ও ৫৪ জন কৃষকের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। সব কার্যক্রম তদারকি করেন উপসহকারী কৃষি অফিসার মো. সাহেদ হোসেন।

মাঠ দিবসে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লার উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান, বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার হালিমা খাতুন, বিএডিসি সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, বুড়িচং উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ছামিউল ইসলাম, ব্রি এর বিজ্ঞানীসহ দুই শতাধিক কৃষক-কিষানি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মামুনুর রশিদ।

আরও পড়ুন:
বঙ্গমাতা বিশ্বব্যাপী নারীদের কাছে অনুকরণীয়: প্রধানমন্ত্রী
যুব সমাজ যেন খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক চর্চায় আরও আন্তরিক হয়: প্রধানমন্ত্রী
স্পেন ও যুক্তরাজ্য সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান
খুনিচক্র আমাকেও সরাতে চায়: প্রধানমন্ত্রী
‘বিএনপি দিনের বেলায় সিল মারত, রাতে দেয়া লাগবে কেন’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After going out at night the body was found on the railway line in the morning

রাতে বের হয়ে সকালে রেললাইনে মিলল মরদেহ

রাতে বের হয়ে সকালে রেললাইনে মিলল মরদেহ বাড়ির আঙিনায় নুরসাদের মরদেহ। ছবি: নিউজবাংলা
মরদেহের মাথায় জখম রয়েছে জানিয়ে পরিদর্শক বলেন, ‘ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’

নাটোরের সদরে দিনমজুর এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার কালিকাপুর আমহাটি এলাকায় রেললাইনের পাশ থেকে শনিবার সকাল ৮টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ৩২ বছরের নুরসাদ প্রামাণিক কালিকাপুরের রুপচান প্রামাণিকের ছেলে।

পরিবারের বরাতে পরিদর্শক জানান, শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে বাড়ি থেকে বের হন নুরসাদ। রাতে বাসায় ফিরতে দেরি করায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করলেও তার সন্ধান মেলেনি।

শনিবার সকালে স্থানীয়রা আমহাটি এলাকায় রেললাইনের পাশে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

মরদেহের মাথায় জখম রয়েছে জানিয়ে পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’

আরও পড়ুন:
অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে গেল প্রাণ
‘রেজাউলের সঙ্গেই হোটেলে যান জান্নাতুল’
নারী চিকিৎসক হত্যায় যুবক আটক
রাজধানীর হোটেলে নারী চিকিৎসকের গলা কাটা দেহ
রাতে নিখোঁজ, সকালে কচুক্ষেতে মিলল স্কুলছাত্রের মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bulkhead sinking in Sandhya River Body of missing skipper recovered

সন্ধ্যায় বাল্কহেডডুবি: ৪ দিন পর মিলল মরদেহ

সন্ধ্যায় বাল্কহেডডুবি: ৪ দিন পর মিলল মরদেহ প্রতীকী ছবি
সোমবার রা‌তে উজিরপুরের মী‌রের হা‌টসংলগ্ন সন্ধ্যা নদীতে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ‘এমভি মর্নিং সান-৯’ লঞ্চে ধাক্কা দিয়ে ডুবে যায় বালুবাহী বাল্কহেডটি। এতে নিখোঁজ হন শ্রমিক কালাম ও সুকানি মিলন। দুই জনেরই মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।

ব‌রিশালের সন্ধ্যা নদীতে বাল্কহেড ডুবির চার দিন পর নিখোঁজ সুকানির মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল শুক্রবার বিকেলে ডু‌বে যাওয়া বাল্কহেডের ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। এর আগে মঙ্গলবার সকালে নদীর খেজুরবাড়ি পয়েন্ট থেকে নিখোঁজ কালামের মরদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।

বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদ আলম চৌধুরী নিউজবাংলাকে মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত সুকানি মিলন হাওলাদার পিরোজপুরের স্বরূপকাঠী উপজেলার সুটিয়াকাঠি ইউনিয়নের নান্দুহার গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে।

ওসি বলেন, ‘শুক্রবার সকাল থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল মিলনের খোঁজে ডুবে যাওয়া বাল্কহেডে তল্লাশি চালায়। বিকেল ৪টার দিকে বাল্কহেডের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।’

ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সোমবার রা‌ত ৯টার দিকে উজিরপুরের মী‌রের হা‌টসংলগ্ন সন্ধ্যা নদীতে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ‘এমভি মর্নিং সান-৯’ লঞ্চে ধাক্কা দিয়ে ডুবে যায় বালুবাহী বাল্কহেডটি। এতে নিখোঁজ হন শ্রমিক কালাম ও সুকানি মিলন।

বাল্কহেডের ধাক্কায় ফেটে যায় লঞ্চের তলাও। পরে লঞ্চটিকে উজিরপুরের বড়াকোঠা ইউনিয়নের চৌধুরীর হাট ঘাটে নোঙর করা হয়।

ঘটনার পর ল‌ঞ্চের যাত্রী জিয়াউর নিউজবাংলাকে ব‌লেন, ‘আমরা ল‌ঞ্চের ছা‌দে ছিলাম। লঞ্চ‌টিও দ্রুতগ‌তি‌তে চল‌ছি‌ল। এর ম‌ধ্যে দেখ‌তে পাই আড়াআড়িভা‌বে আসা বালুবা‌হী একটা বাল্ক‌হেড থে‌কে সেটার মাস্টার লাইট মে‌রে সিগন্যাল দিচ্ছিলেন।

এ সময় লঞ্চ ও বাল্ক‌হেডটি প্রায় একই গতিতে চলছিল জানিয়ে এই যাত্রী বলেন, ‘একপর্যায়ে বাল্ক‌হেড‌টি ল‌ঞ্চের মাঝখা‌নে ধাক্কা দেয়। এ‌তে বাল্ক‌হেড‌টি ডু‌বে যায়।’

পরদিন মঙ্গলবার সকালে বানারীপাড়া উপজেলাধীন সন্ধ্যা নদীর খেজুরবাড়ি পয়েন্ট থেকে ৫৫ বছরের কালাম সাইজু‌দ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন:
বাল্কহেডডুবি: নিখোঁজ ১ শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Driver arrested for stabbing robbery 2

চালককে ছুরিকাঘাত করে ছিনতাই, গ্রেপ্তার ২

চালককে ছুরিকাঘাত করে ছিনতাই, গ্রেপ্তার ২ চালককে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছে র‍্যাব। ছবি: নিউজবাংলা
ময়মনসিংহ র‌্যাব-১৪ কার্যালয়ের সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসাইন জানান, এ ঘটনায় গত ১০ আগস্ট রতন মিয়ার বাবা আব্দুর রশিদ একটি অভিযোগ দেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ছিনতাইকারীদের পালিয়ে থাকার ঠিকানা শনাক্ত করা হয়। পরে নওপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই দুইজনকে আটক করা হয়।

ময়মনসিংহে এক ভ্যানগাড়ি চালককে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছে র‍্যাব। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

উপজেলার গৌরীপুর পৌর এলাকায় নওপাড় এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাদের আটক করা হয়।

শুক্রবার রাত ১১টার দিকে ময়মনসিংহ র‌্যাব-১৪ কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন গৌরীপুর পৌর এলাকার মোনাটি এলাকার নাজিম উদ্দিনের ছেলে তোতা মিয়া ও একই এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে মজিবুর রহমান।

আহত রতন মিয়া তারাকান্দা উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় তিনি ভ্যানচালক।

ময়মনসিংহ র‌্যাব-১৪ কার্যালয়ের সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসাইন বলেন, ‘রতন মিয়া পার্শ্ববর্তী গৌরীপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মোটরচালিত ভ্যানগাড়িতে ঘুরে কম দামে কুড়া সংগ্রহ করে। পরে তা উপজেলার শিমুলতী বাজারে নিয়ে বিক্রি করে পরিবারের ভরণপোষণ করেন।

‘গত ৭ আগস্ট বিকেল ৩টার দিকে কুড়া সংগ্রহ করে ফিরছিলেন রতন মিয়া। দড়িপাড়া সেতুতে পৌঁছালে দুই ছিনতাইকারী রতন মিয়ার গাড়ি আটকে দেয়। এ সময় রতনের বুকের মধ্যে চাকু দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে কুড়া কেনার ৬ হাজার ৭৯৫ টাকা, একটি মোবাইল ও ভ্যানগাড়িটি নিয়ে পালিয়ে যান তারা। পরে স্থানীয়রা রতনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।’

তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় গত ১০ আগস্ট রতন মিয়ার বাবা আব্দুর রশিদ আমাদের কাছে একটি অভিযোগ দেন। অভিযোগটি যাচাই করে সত্যতা পাওয়া যায়। বৃহস্পতিবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ছিনতাইকারীদের পালিয়ে থাকার ঠিকানা শনাক্ত করা হয়। পরে নওপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই দুইজনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ওই ভ্যানগাড়ি উদ্ধারসহ একটি স্টীলের সুইচ গিয়ার চাকু ও হিরোইনসহ একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।’

র‌্যাব কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসাইন আরও বলেন, ‘ওই দুইজন ছিনতাইয়ের পাশাপাশি নিয়মিত মাদক বিক্রি করত৷ গৌরীপুর থানায় শুক্রবার বিকেলে তাদের হস্তান্তর করা হয়েছে। রাতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়।’

এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে বলেও জানান র‍্যাবের এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার কৃষক
ফেসবুকে পিস্তলের ছবি দিয়ে গ্রেপ্তার যুবক
পুলিশ পরিচয়ে ‘ছিনতাইয়ের চেষ্টা’, যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার
হামলায় আহত বৃদ্ধের মৃত্যু, গ্রেপ্তার ৪
রাজধানীতে ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে আহত ৩

মন্তব্য

p
উপরে